রূপসায় উপজেলা প্রশাসন ও ব্র‍্যাক ওয়াস আয়োজিত স্বাস্থ্য বিষয়ক সভা

//খুলনা ব্যুরো//

উপজেলা প্রশাসন ও ব্র‍্যাক ওয়াস আয়োজিত নিরাপদ পানি, স্বাস্থ‍্য সম্মত ল‍্যাট্রিন ও স্বাস্থ‍্যবিধি বিষয়ক এক সভা সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সুধীজনদের নিয়ে ১২ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টায় অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন,ব্র‍্যাক ওয়াস এর বিভাগীয় ম‍্যানেজার মো:শফিকুল ইসলাম।

এসম য় আরো বক্তৃতা করেন শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, অধ‍্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) খান মারুফুল হক, প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম পলাশ, মো: জাহাঙ্গীর আলম মো: আহসান উল্লাহ, আবদুল্লাহ হেল বাকী, মো: মনিরুজ্জামান, রেহেনা আকতার, আজিজা সুলতানা, কৃষ্ণপদ রায়, যশোমন্ত ধর, মো: বেলাল হোসেন, শিক্ষক আনার কলি, সাবিনা সুলতানা, নাজির হোসেন, ইমাম হাফেজ হারুন জোমাদ্দার,হাফেজ মাও:আবু বক্কার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ প্রমূখ।

ঢাকাস্থ ঢালুয়া ইউনিয়ন সমিতির ইফতার মাহফিল নাঙ্গলকোটবাসীর মিলন মেলায় পরিনত

স্টাফ রিপোর্টারঃ

ঢাকাস্থ ঢালুয়া ইউনিয়ন সমিতির ইফতার মাহফিল গত ৭ এপ্রিল ২০২৩ নয়া পল্টনস্থ লানহুয়া চাইনিজ রেষ্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে- প্রধান অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোটের গর্বিত সন্তান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোট ডিভিশনের বিচারপতি ড. জাকির হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ প্রধান এডিশনাল ডিআইজি তবারকউল্লাহ , নাঙ্গলকোট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, আবু ইউসুফ ভূঁইয়া, নাঙ্গলকোট ডিগ্রী কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল শাহজাহান চৌধুরী, নাঙ্গলকোট সমিতির সদস্য সচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক সভাপতি এডভোকেট আবুল হাশেম, রাজউক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের নির্বাচিত সভাপতি জাফর সাদেক ও ঢাকায় অবস্থানরত নাঙ্গলকোট উপজেলার বিভিন্ন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

ঢাকাস্থ ঢালুয়া ইউনিয়ন সমিতির নির্বাচিত সভাপতি শেখ শাহজাহান সাজুর সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলের সঞ্চালক ছিলেন ঢাকাস্থ্ ঢালুয়া ইউনিয়ন সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া। আলোচনায় বক্তারা বলেন ঢালুয়া সমিতি নাঙ্গলকোট উপজেলার একটি মডেল সংগঠন।

একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনও বটে। ঢাকায় বসবাসরত সকল পেশার ও সকল মতের মানুষের প্লাটফর্ম হিসেবে এই সংগঠন ইতিমধ্যে সর্বমহলে পরিচিতি ও সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়েছে। সবার সহযোগিতায় আগামীতে জনমূখী ও কল্যানধর্মী নতুন নতুন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এই সংগঠন টেকসই ও মজবুত হবে।

উল্লেখ্য, ঢাকাস্থ্য ঢালুয়া ইউনিয়ন সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৮সালে। প্রতিষ্ঠার তিন বছরের মাথায় করনাকালীন সময়ে নির্বাচন হয়। নির্বাচিত কমিটি কিছু টেকসই কর্মসূচী ও জনকল্যানমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যেমন স্থায়ীভাবে সমিতির জন্য অফিস ক্রয়, গরিব অসহায় চিকিৎসা বঞ্চিতদের আর্থিকভাবে সাহায্য প্রদান, অস্বচ্ছল মেধাবী ছাত্রদেরকে বৃত্তি ও আর্থিকভাবে সহায়তা, রমজান মাসে এলাকায় দরিদ্র অসহায়দের মাঝে ইফতার সমগ্রী বিতরণ, ঢালুয়া ইউনিয়ন নিয়ে তথ্যনির্ভর একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা। যার মাধ্যমে ইউনিয়নের অনেক অজানা তথ্যে সমৃদ্ধ থাকবে।

দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ঢালুয়া ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান সংসদ সদস্য মরহুম জয়নাল আবদিন ভূঁইয়া, ও সমিতির উপদেষ্টা মরহুম গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের খতিব মাওলানা সলিমুল্লাহ। ঢাকাস্থ ঢালুয়া সমিতির ব্যানারে আয়েজিত এই ইফতার মাহফিল নাঙ্গলকোটবাসীর মিলন মেলায় পরিণত হয়।

 

বরুড়ায় গাছ খেকো শামীম

//স্টাফ রিপোর্টার//

গাছ খেকোঁ শামীম। কুমিল্লা জেলার বরুড়ায় এক নামে পরিচিত। আড্ডা ইউনিয়নের ভাতেশ্বর গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে। ২০২১ সালে চাঁদপুর জেলা পরিষদের মালিকানাধীন গাছ অবৈধভাবে রাতের আধারে কেটে সংবাদ শিরোনাম হন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বরুড়া উপজেলায় আড্ডা ইউনিয়নের ভাতেশ্বর গ্রামে জেলা পরিষদের উক্ত গাছ কেটে সরকারী মামলায় আসামী হয়ে জেল খাটেন। এলাকায় চুরি, ছিনতাই, মাদকসহ বহু অবৈধ সিন্ডিকেটের গডফাদার হিসেবে তার ব্যপক পরিচিতি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ প্রকাশ্য দিবালোকে ভাতেশ্বর, রহিমানগর সড়কে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন শতাধিক গাছ কেটে ফেলে।

বিষয়টি জানাজানি হলে গাছগুলো সরাতে গিয়ে সে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন।স্থানীয় ইউনিয়ন  পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদল ও ইউপি মেম্বার দুলালের তত্বাবধানে আলামত হিসেবে কয়েকটি গাছ সংরক্ষিত আছে। এখন টুকরোগুলো অন্যত্র সরিয়া ফেলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এলাকাবাসী এই গাছ খেকো শামীমের বিরুদ্ধে আইণগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা পরিষদসহ স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামণা করেন।

বরগুনার আমতলী পৌরসভায় বিতরণ করা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৫০০ কম্বল

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বিতরন করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার আমতলী পৌরসভায় এ কম্বল বিতরন করা হয়। পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান কম্বল বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমতলী পৌরসভায় অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বরাদ্দ দিয়েছেন। শুক্রবার আমতলী পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান পৌরসভা প্রাঙ্গণে এ কম্বলগুলো বিতরণ করেন।

বরগুনার আমতলী পৌরসভায় বিতরণ করা হলো প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ৫০০ কম্বল

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান,প্যানেল মেয়র মোঃ হাবিবুর রহমান, নারী কাউন্সিলর মোসাঃ লিপি বেগম, মোসাঃ ফরিদা ইয়াসমিন প্রমুখ।
৮০ বছরের বৃদ্ধা আয়শা বেগম কান্নাজনিত কন্ঠে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনার লইগ্যা দোয়া হরি। এই শীতে মুই একখান কম্বল পাইছি, এহন আর শীতের কষ্ট করতে হইবো না। রাইতে ভালো কইররা ঘুমাইতে পারমু।
আমতলী পৌর সভার মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপকার।

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নেন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আমতলী পৌরসভার অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের জন্য শীতকষ্ট দুরকরনের জন্য কম্বল দিয়েছেন। এই কম্বলগুলো বিতরন করেছি।

কুমিল্লায় বিধবা ও দুই এতিম সন্তানকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার পায়ঁতারা!

//জামাল উদ্দিন স্বপন, কুমিল্লা//

কুমিল্লায় বিধবা নারী ও তারা দুই এতিম মেয়েকে শাশুড়ীও ননদ কর্তক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  ঘটনার সূূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের আগানগর গ্রামের গাজী বাড়িতে সুবেদার আবদুল ছালেকের একমাত্র ছেলে মৃত সাইফুল ইসলামের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানাকে কোন ঘটনা ছাড়াই গত ৪/১/২৩ বুধবার সকাল ৯টার দিকে শাশুড়ী লুৎফুন নাহার ও ননদ হাসিনা মিলে বেধম মারধোর করে গায়ে আগুনের চ্যাকা দিয়ে নির্যাতন  করে। অঙ্গান অবস্থায় ৯৯৯ নাইনে ফোন করে ও গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় জাকিয়া সুলতানা প্রথমে বরুড়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে বরুড়া সরকারি হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, বরুড়ার ভারেল্লা গ্রামের মৃত আমির হোসেন ও মৃত হোসনেয়ারা বেগমের ৫ কন্যা সন্তানের সবার বড় জাকিয়া সুলতানার সাথে আগানগর গ্রামের মৃত সুবেদার আবদুস সাত্তারের একমাত্র ছেলে সাইফুল ইসলামের সাথে ২০০৭ সালের ২৭ জুলাই পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের পরের বছরই তাদের সংসারে আলোকিত করে আসে মেয়ে সন্তান নুপুর। বর্তমানে সে ৮ম শ্রেণীতে অধ্যয়নরত স্থানীয় একটি হাইস্কুলে। ঝুমুর নামেও আরেকটি কন্যা সন্তান আছে তাদের। সেও ১ম শ্রেণীতে পড়ে।

২০১৮ সালের ১৮ জুলাই স্ট্রোক করে স্বামী সাইফুল ইসলাম ইন্তেকাল করলে শুশুর বাড়িতে অবহেলাও নির্যাতনের স্বীকার হতে থাকেন বিধবা জাকিয়া সুলতানা। পারিবারিক আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যতের কথা ভেবে শত লাঞ্চনা গঞ্জনাকে মাটি চাপা দিয়ে নিরবে সহ্য করে যান,দুই এতিম মেয়েকে নিয়ে বেঁচে থাকার আশায়। বিয়ের পর থেকে জাকিয়া সুলতানার উপর নানান নির্যাতনের অন্যতম একটি হলো, ২০২১ সালের এপ্রিলের ১ম সপ্তাহে, সোশ্যাল মিডিয়ার একটি ভিডিও তে দেখা যায়, শাশুড়ী লুৎফুন নাহার জাকিয়া সুলতানাকে বিল্ডিং ঘরের ভিতর আটকে রেখে বাইরে তালা ঝুলিয়ে রাখে। পরে  ৯৯৯ নম্বরে কল করে জাকিয়া সুলতানাকে উদ্ধার করে গ্রামবাসী ও থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে বরুড়া থানায় জিডি হলেও সামাজিক ভাবে মীমাংসা করা হয়। কিন্তু দিন দিন শাশুড়ী নুৎফুন নাহারের নির্যাতন চরম আকার ধারন করে। নিজের ৪ মেয়ের মধ্যে হাসিনা,জেসমিন, মোরশেদা, জোসনার কুর্কীতি ধামাচাপা দিতেও নিজের একমাত্র ছেলে সাইফুলের রেখে যাওয়া প্রথম স্ত্রীর ঘরে জন্ম নেয়া মেহেদী হাসান দিপু ও পরের ঘরের স্ত্রী জাকিয়া সুলতানার ঘরে জন্ম নেয়া দুই মেয়ে নুপুর ও ঝুমুরের সম্পত্তি আত্মসাধ করতে নীলনকশা আকছেন বলে জানা গেছে। গ্রামবাসী জানান, শাশুড়ী ও ননদদের অত্যাচারে সাইফুলের ১ম স্ত্রীও টিকতে পারে নাই।

এদিকে শাশুড়ী লুৎফুন নাহার ও ননদ হাসিনা পূর্বকল্পিত ভাবে গত ৪ জানুয়ারী চুলার লাকড়ি দিয়ে বেধম মারধোর করে অঙ্গান করে উঠানে ফেলে রাখে বিধবা রাজিয়া সুলতানাকে। পরে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় বরুড়া হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো হয়। এই ঘটনায় বরুড়া থানায় জিডি করার জন্য জাকিয়া সুলতানার পক্ষে গ্রামবাসী গেলেও মামলা নেয়া হয়নি,বরং জাকিয়া সুলতানাসহ গ্রামের সর্দারও কিছুু মানুষের বিরুদ্ধে উল্টো মামলা টুকে দেন ননদ হাসিনা।

এদিকে ঘটনার পর কুমিল্লা থেকে চিকিৎসা নিয়ে গত ১২ জানুয়ারী জাকিয়া সুলতানা তার দুই কন্যা নিয়ে আগানগরের বাড়িতে আসলে, দেখেন বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই অসহায় মহিলা এখন কোথায় যাবে, সমাজ ও দেশ কি নেই? সুষ্ঠু বিচার নেই? এমন প্রশ্ন বিধবা জাকিয়া ও তার প্রতিবেশীদের। এই ব্যাপারে জানতে চাইলে জাকিয়া সুলতানা জানান, আমি অল্প বয়সে আমার স্বামীকে হারিয়েছি। আমার অবুঝ দুই মেয়েকে নিয়ে স্বামীর ভিটেবাড়িতে দুচালা উঠিয়ে হলেও  সামাজিক মর্যাদা নিয়ে বসবাস ও জীবন অতিবাহিত করতে চাই। আমি আমার দুই মেয়েকে মানুষের মত মানুষ করতে চাই।’ আরেকটি প্রশ্নের জবাবে জাকিয়া সুলতানা জানান,এত মারধোর করার পরও শাশুড়ীও ননদ এর উপর কোন অভিযোগ নাই, বরং আমি সবার সাথে মিলেমিশে চলতে চাই। এ ব্যাপারে স্থানীয় একজন দোকানদার নাম প্রকাশ করার শর্তে জানান, বিষয়টির একটি সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। ব্যবসায়ী মাসুম জানান, গ্রামের মানুষ হিসেবে অন্যদের সাথে আমিও বিষয়টি সুরাহা করতে এগিয়ে যাই, গত ৩/৪ বছর ধরে। উল্টো শাশুড়ী ও ননদ পক্ষের লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে আমাকে। গ্রামের একাধিক লোকজন জানিয়েছেন,থানা পুলিশ ও আদালত কেও কেয়ার করেন না শাশুড়ী লুৎফুন নাহারও  তার মেয়ে হাসিনা সহ অন্যরা।

বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যান ও মানবাধিকার সংগঠনের নাঙ্গলকোট উপজেলার শাখার সভাপতি সোহরাব হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি খুবই দু:খজনক। এটি মানবাধিকার লংঘন হচ্ছে। যা শাশুড়ীও ননদ ঠিক কাজ করছে না।’

বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল বাহার জানিয়েছেন, আমরা সবার অভিযোগ নিই। ওনাদেরও আসতে বলেন।

অভয়নগরে সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে ধীর গতিতে বিপাকে পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসায়ি ও জনসাধারণ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগর উপজেলার সড়ক উন্নয়নের কাজ চলছে ধীর গতিতে । চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ব্যবসায়ি ও জনসাধারণ । উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হল চেঙ্গুটিয়া বাজার হতে মিস্ত্রিপাড়া সড়কটি। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক চলাচল করে।

শিল্পশহর ও বাণিজ্য নগরী ন‌ওয়াপাড়ায় বেশিরভাগ নদীবন্দরে ঘাট, গোডাউন থাকার কারনে ব্যবসার প্রধান মোকাম হিসেবে পরিচিত। এ সড়কের সাথে থাকা বিভিন্ন ঘাট গোডাউনে প্রায় কয়েক হাজার শ্রমিক কাজ করে তাদের পেটের খোরাকির যোগান দেয়। ওই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এবং কেনাকাটা করার জন্য প্রতিনিমত যাওয়া আসা করা হয়। তাছাড়া, নড়াইল, খুলনা, গোপালগঞ্জ, চাপাই, নাটোর, কুঁড়িগ্রাম, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়াসহ ২২ জেলার সার, কয়লা, ভুট্টা, চাউল, গম, সিমেন্ট, ও ভুষিমাল ট্রাক যোগে এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে সড়কের যে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে তাতে চলাচলা করতে সাধারণ জনসাধারণের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে, গিয়ে দেখা গেছে, ঠিকাদারের অবহেলার কারণে সড়কের উন্নয়ন কাজ ধীরগতিতে চলছে ।

মুষ্টিমেয় কয়েকজন ইমারাত শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছন তিনি, রাস্তায় বালি দিয়ে ভরাট করে রাখা হয়েছে। মাত্র ২ টা ট্রলি দিয়ে মাকাড্যামের কাজ করা হচ্ছে। কাজের অগ্ৰগতি তেমন নেই বললে চলে। সড়কে দিন-মূজুরির কয়েকজন শ্রমিক বলেন,এক মাস কাজ বন্ধ ছিল। কয়েকদিন আবার চালু হয়েছে। কাজের জন্য লোক সংখ্যা কম। জানাগেছে, এ সড়কের পাশে মের্সাস নোয়াপাড়া ট্রেডার্সের নিজস্ব ঘাট গোডাউন, দেশ ট্রেডিংয়ের গোডাউন, দিপু স্টোনের ঘাট গোডাউনসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের গোডাউন রয়েছে।

সরকারি বরাদ্দকৃত সার আনতে পারছেন না প্রতিষ্ঠান গুলো। এ সড়ক দিয়ে গাড়ি যাওয়া আসায় বন্ধ রাখায় চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। অনেক আগে থেকে গোডাউন ভাড়া নিয়ে বিপাকে আছেন তারা। এই সড়ক দিয়ে লোড আনলোডের কাজ না করতে পেরে অনেকে বেকার অবস্থায় বসে আছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে হ্যান্ডলিং সর্দার বলেন, সড়কের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি হওয়াতে কয়েকমাস কাজ বন্ধ ছিল,কয়েক দফায় আমরা ঠিকাদারকে বলেছি রাস্তার কাজটা অনেক শ্রমিক নিয়ে দ্রুত শেষ করতে কিন্তু ঠিকাদার তা করছেন না। চেঙ্গুটিয়া বাজার টু মিস্ত্রিপাড়া সড়কের ২৮০ মিটার সড়ক উন্নয়ন কাজে চরম ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। ১২ ফুট সড়কের উভয়দিকে ৩ ফুট করে বাড়িয়ে মোট ১৮ ফুট চওড়া রাস্তার পুনঃ পাকাকরন ও ঢালাই কাজের টেন্ডার দেয়া হয়। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক( এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের ( এলজিইডি) পল্লী সংযোগ সড়কের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ সড়ক উন্নয়ন কাজ চলছে। কাজটি করছেন মোজাহার এন্টারপ্রাউজ (প্রাঃ)লিঃ ও শামীম চাকলাদার(জেভি)। প্রায় ১০ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও মাত্র ৫৫/৬০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

আনিসুর রহমান, আবুল হোসেন, রহিম খান, রবিউল ইসলাম বলেন, মোটর সাইকেলে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে নওয়াপাড়া যেতে হয়। অনেকদিন হল সংস্কার কাজ চলছে। দ্রুত এ অবস্থার অবসান চাই। এ ব্যাপারে ঠিকাদারের লিভার সর্দার আনছার আলী বলেন, এর আগে মাস খানেক কাজ বন্ধ থাকায় কাজের গতি কমে গেছে। সঠিক তথ্য পাবেন সাব কন্টাক্টর কালাম ভাইর কাছে। এ বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে সাব কন্টাক্টর মো. কালামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ওই সড়কের কাজ আমরা যথা সময়ে শেষ করবো।

আমাদের হাতে অনেক সময় আছে। নওয়াপাড়া পৌরসভার প্রকৌশলী অসিম কুমার সোম বলেন, সংস্কার কাজে ধীরগতির সুযোগ নেই। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার শামীম চাকলাদার বলেন, আমি অসুস্থ। তাছাড়া ইট, পিচ এবং বিটুমিনসহ আনুষাঙ্গিক জিনিসের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যে কারণে কিছু দিন বন্ধ ছিল। আগামী মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হবে ।

ডুমুরিয়ায় জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক শিক্ষিত শারীরিক প্রতিবন্ধী অর্থনৈতিক ভাবে ঘুরে দাড়ানো সফল

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//

সকল প্রতিকুলতাকে পিছনে ফেলে জীবন যুদ্ধে হার না মানা এক যুবকের নাম রশিদুল ইসলাম । জন্মই যেন তার অভিশাপ এর পর পরিবারের দারিদ্রতার মাঝে সমাজের নানা বাধা বিপত্তি। জীবন যেন যন্ত্রনার এক মরুভূমি। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া গ্রামের হতদরিদ্র নূরুল ইসলাম জোয়াদ্দার ও রাবেয়া বেগমের গর্ভে জম্ম নেওয়া  সন্তান রাশিদুল  শারীরিক  প্রতিবন্ধী হযে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয।

মাতৃ স্নেহে রাশিদুল  বড় হতে থাকে এতে পিতা মাতার চিন্তার অর্ন্তহীন হযে  বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা করে  ব‍্যর্থ‍ হযে সৃষ্টি কর্তার উপর ভরসা রেখে  ছেলেকে শিক্ষিত করার বাসনা নিয়ে গুটুদিয়া পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালযে ভর্তি করান। মায়ের  কোলে করে স্কুলে  যাতায়াত করতে হতো। স্কুলে আসার পর  সহপাটির না বিদরুপ আচারন কোমল মনকে ব‍্যথিত করতো।

সহপাটিরা দৌড় ছুট খেলাধুলা  করতো। না  করতে পারার  আক্ষেপ ছিল। কিন্ত মনকে মেনে নিয়ে লেখা পড়ার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে। এতে শিক্ষকদের ভালবাসায় সামনের দিকে চলতে সহায়তা করেছে।   প্রাথমিক শিক্ষা শেষে মাধ‍্যমিকে গুটুদিয়া স্কুলে ভর্তি হয় । বাড়ি থেকে বেশ দুরে স্কুলে যেতে পরিবারের বাবা মা ভাইরা সহযোগিতা করতো। মাধ‍্যমিকে এ গ্রেডে পাশ করে এইচ এসসিতে কৈয়া আবুল  কাশেম কলেজে ভর্তি হয়।  এইচ এসসি ও বিএ  সাফল‍্যের সাথে এ গ্রেড়ে উর্ত্তীন হয়। এর মাঝে পিতাকে হারিয়ে মা ভাইদের সানিন্দ‍্যে চাকুরি নামক সোনার হরিনের পিছনে দৌড়াতে থাকে। বিভিন্ন স্থানে চাকুরির আবেদন  করে ব‍্যর্থ হয়ে  ক্রান্ত মন নিয়ে  মায়ের আচলতলে ঠিকানা খুজে।

জীবন তো কারও জন‍্য থেমে থাকছে না বযস বাড়ছে তাই এক পর্যায়ে পিতার রেখে যাওয়া বাড়ির পাশে ৭৫ শতাংশ জমিতে একটি মৎস খামার ও গাভী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। নিজ সামথ‍্য না থাকায় অর্থের অভাবে মৎসচাষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল এর মাঝে সংবাদ পেয়ে  উপজেলা সমাজ সেবা দপ্তর থেকে ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহন করে।

রাশিদুল ইসলামের সাথে বলে জানা যায়, প্রতিবন্ধি জীবন বড়ই কষ্টের। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধিদের কল‍্যানে নানা মুখি উদ‍্যেগ গ্রহন করায় প্রাপ্ত সুবিধা নিয়ে জীবনকে গুছানোর চেষ্টা চালিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে  আর্তনির্ভরশীল হওয়ার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। এ ছাড়াআমি বাচ্ছাদের প্রাইভেট পড়িয়ে সংসারের খরচ বহন করে থাকি। উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস বলেন  দপ্তরের দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ঋণ কর্মসূচি আওতায়   সমাজে  প্রতিবন্ধি তথা সুর্বন নাগরিকদের স্বাবলম্বী করার নিমিত্তে এবং সমাজের মুল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা জন‍্য আর্ত সামাজিক অবস্থার উন্নযনের জন‍্য একজন প্রতিবন্ধী ব‍্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা সুদ মুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ করা হচ্ছে রাশিদুলকে ২০২১ সালে মৎস‍্য চাষে  ঋণ  প্রদান করা হয়।  সে মাছ চাষ করে লাভবান হয়ে গরু কিনেছে। সে প্রতিষ্টিত করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

অভয়নগরে জমিজমা বিরোধের জের ধরে ছেলের হাতে পিতা-মাতা জখম

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরের জমিজমা বিরোধের জের ধরে ছেলের হাতে পিতা-মাতা জখম হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নওয়াপাড়া পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুর গ্রামে  নিজ পিতা মাতা  ওভাইকে পিটিয়ে রক্তাক্ত‌ ও জখম করেছে ছেলে। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।

আহতদের পরিবারের সদস্যরা বলেন, উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বারিক সরদারের (৭২) বড় ছেলে মফিজ সরদার নিজের নামে জমি লিখে দিতে অনেকদিন ধরে তার পিতাকে মানসিক ভাবে  চাপ দিতে থাকে। বাবা জমি লিখে না দেয়ায় মঙ্গলবার সকাল ১০ টার সময় নিজ পিতার  সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন । এক পর্যায়ে ছেলে মফিজ তার পিতাকে লোহার সাবল দিয়ে মারপিট করতে থাকে। এসময় মা আছিয়া বেগম (৬৫) ঠেকাতে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। এতে তার মায়ের মাথা ফেটে যায়। এরপর ছোট ভাই হাফিজুর রহমান ঠেকাতে গেলে তার মাথায়ও আঘাত লাগে সেও মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ওই সময় স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়।

বারিক সরদার বলেন, বড় ছেলেকে আমি কয়েক দফায় ইজিবাইক কিনে দিয়েছি। ইজিবাইক বিক্রি করে সে টাকা খরচ করে ফেলে। এখন তাকে জমি লিখে দিতে হবে বলে বাহানা করে । আমি যদি তাকে জমি লিখে দেই তাহলে সে জমিও বিক্রয় করে দেবে এই ভয়ে, জমি লিখে না দেয়ায় আমাদের এভাবে জখম করেছে।

কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, বারিক সরদার ও তার স্ত্রী আছিয়া বেগমের মাথায় প্রচন্ড আঘাত লেগেছে। মাথা ফেটে গেছে দুইজনকে শেলাই দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসাধীনে থাকতে হবে ।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনর্চাজ একেএম শামীম হাসান বলেন, ছেলে তার পিতা মাতাকে মারপিট করেছে। ঘটনাটি শুনেছি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রূপসায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান

//এম মুরশীদ আলী//

“মেয়ে আমার অহংকার, ১৮’র আগে বিয়ে নয় এই আমার অঙ্গীকার” এ প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয় ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপসার নৈহাটী ইউনিয়ন সামন্তসেনা পশ্চিমপাড়ায়

গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০ টায় কিশোরীদের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশান্ত কুমার দে, জোনাল ম্যানেজার এ বি এম জাহিদ হোসেন, উপজেলা  তথ্য আপা দিলশান আরা, সামন্তসেনা গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মাসুম শেখ, সাংবাদিক এম মুরশীদ আলী প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনী সুরক্ষা কর্মসূচির কর্মকর্তা রশিদা মেঘলা বিষদ আলোচনায় বলেন, ব্র্যাক প্রতি রবিবার পারিবারিক বিষয়ে আইনি সহয়তা প্রদান করে। কিশোর-কিশোরীদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য কাজ করা হয়। এখানে মেয়েদের ১৮’র আগে বিয়ে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং ছেলেদের ২১ আগে বিয়ে করানো যাবেনা। তাছাড়া কিশোরী ও মা দের সচেতন হওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সমাজের নারীর অংশ গ্রহনে পারিবারিক পরামর্শ, জেন্ডার বিষয়ক প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার, ক্ষতিকর ধ্যান-ধারণার বিষয়ে অবহিত করে থাকেন। এভাবে রূপসার মানুষকে সচেতন হিসাবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে রূপসা ব্র্যাক।

এ সময় ২৫ জন কিশোরীকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ তথ্য কার্ড প্রদান করা হয়।

বরিশাল নগরীতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন প্রতিমা তৈরির মৃৎশিল্পিরা

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি//

শারদীয় দুর্গা পূজাকে ঘিরে বরিশাল নগরীতে  ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা তৈরির মৃৎশিল্পিরা।প্রতিটি পূজা মন্ডপেই এখন ধুম পড়েছে প্রতিমা তৈরীর কাজ কে কার থেকে কত ভালো কত আকর্ষণীয় প্রতিমা তৈরি করে মানুষের হৃদয় ছুঁতে পারে তারই প্রতিযোগিতার মহা উৎসব যেন লেগেছে পুজা মন্ডপ গুলোতে।

পূজা মন্ডপ কমিটিগুলোর নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী স্থানীয় ও অন্য জেলা থেকে প্রতিমা তৈরীর শিপ্লীদের নিয়ে এসে প্রতিমা তৈরি করছে।

এ বছর বরিশাল নগরীতে প্রায় ৪৬টির মত মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে ।দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে প্রতিমা তৈরীর ধুম পড়লেও মূল্য নিয়ে হতাশার মধ্যে রয়েছে প্রতিমা তৈরি শিল্পীরা। সার্বজনীন শ্রী শ্রী শীতলা,জয়দুর্গা ও কালী মন্দির গণপাড়া সার্বজনীন  দুর্গা মন্দিরের।

প্রতিমা তৈরীর শিল্পী জানান, এ বছর বরিশাল ও বরিশালের বাহীরের মোট ১০টি পূজা মন্ডপে দুর্গা প্রতিমা তৈরি করছি বংশীয়ভাবে এই কাজ করে আসছি ।বিগত দুই বছর করোনা মহামারীর কারণে অল্প দামে প্রতিমা নির্মাণ করেছিল পূজা মন্ডপ গুলো।

এ বছর আশায় বুক বেঁধেছিলাম কিন্তু বৈশ্বিক যুদ্ধের কারণে সকল পণ্যের দাম বেড়ে গেছে তাই খরচ বেড়ে লাভের অংশ অনেক কমে গেছে। মন্ডপ কমিটিও এ বাজেট সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে । বরিশাল নগরীর পুরোহিত শেখর চক্রবতী সাথে কথাবলে যানা গেছে ১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে । এবছর দেবী  দুর্গা গজে অর্থাৎ হাতিতে আগমন করবে যার অর্থ শস্যপূর্ণ বসুন্ধরা আর মা দুর্গা বিজয় দশমীতে গমন করবে নৌকায় চেপে এর অর্থ শস্যবৃদ্ধি আশানুরূপ হলেও বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসে কিছু শস্য নষ্ট হবে