অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনে আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

অমর একুশে ফেব্রুয়ারী ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আমতলী অনলাইন প্রেস ক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকাল এগারোটায় সংগঠনের সভাপতি খান মোঃ সাইফ উদ দৌলা শাওন এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চন্দ্র দাস এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ এর আমতলী উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রেদোয়ান,সাংগঠনিক সম্পাদক ও দৈনিক দেশসেবা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মানাফী ইসলাম নাজমুল,অর্থ ও দপ্তর সম্পাদক ও মর্নিং নিউজ এর স্টাফ রিপোর্টার মোসাঃ মৌসুমী, তথ্য,প্রযুক্তি,সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তামান্না ইসলাম প্রমুখ।

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী

//অমর একুশ//

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো, একুশে ফেব্রুয়ারী

আমি কি ভুলিতে পারি।।

ছেলে হারা শত মায়ের অশ্রু

গড়ায়ে ফেব্রুয়ারী।।

আমার সোনার দেশের

রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী।।

জাগো নাগিনীরা জাগো নাগিনীরা জাগো কালবোশেখীরা

শিশু হত্যার বিক্ষোভে আজ কাঁপুক বসুন্ধরা,

দেশের সোনার ছেলে খুন করে রোখে মানুষের দাবী

দিন বদলের ক্রান্তিলগ্নে তবু তোরা পার পাবি?

না, না, না, না খুন রাঙা ইতিহাসে শেষ রায় দেওয়া তারই

একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।

সেদিনও এমনি নীল গগনের বসনে শীতের শেষে

রাত জাগা চাঁদ চুমো খেয়েছিল হেসে;

পথে পথে ফোটে রজনীগন্ধা অলকনন্দা যেন,

এমন সময় ঝড় এলো এক ঝড় এলো খ্যাপা বুনো।।

সেই আঁধারের পশুদের মুখ চেনা,

তাহাদের তরে মায়ের, বোনের, ভায়ের চরম ঘৃণা

ওরা গুলি ছোঁড়ে এদেশের প্রাণে দেশের দাবীকে রোখে

ওদের ঘৃণ্য পদাঘাত এই সারা বাংলার বুকে

ওরা এদেশের নয়,

দেশের ভাগ্য ওরা করে বিক্রয়

ওরা মানুষের অন্ন, বস্ত্র, শান্তি নিয়েছে কাড়ি

একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

তুমি আজ জাগো তুমি আজ জাগো একুশে ফেব্রুয়ারি

আজো জালিমের কারাগারে মরে বীর ছেলে বীর নারী

আমার শহীদ ভায়ের আত্মা ডাকে

জাগো মানুষের সুপ্ত শক্তি হাটে মাঠে ঘাটে বাটে

দারুণ ক্রোধের আগুনে আবার জ্বালবো ফেব্রুয়ারি

একুশে ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি।।

ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে আগ্রহী ভারত

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা পরবর্তী ধাপে উন্নীত করতে যৌথ উদ্যোগে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের কথা বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় ‘ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম’ বিষয়ে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেছেন। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রণয় ভার্মা বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতার বিস্তৃত দিকগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে আগ্রহী ভারত, যার মধ্যে সবচেয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও রয়েছে।

প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতে যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে ‘পরবর্তী স্তরে’ উন্নীত করার কথা বলেন ভারতের হাইকমিশনার।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘মেক ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’ দর্শনে গত এক দশক ধরে পরিচালিত ভারতীয় প্রতিরক্ষাশিল্পের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক সেমিনারে তুলে ধরেন প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, ওই দর্শনে পরিচালিত হওয়ায় ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন খাতে বিপুল বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা রপ্তানিও বাড়িয়েছে।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত এই সেমিনারকে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে ভারতের প্রতিরক্ষাশিল্পের আগ্রহের প্রতিফলন এবং ভারত-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার একটি নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন প্রণয় ভার্মা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৫০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা ঋণচুক্তির বিষয়টিও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নেওয়ার অংশ।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম আর শামীমও সেমিনারে বক্তব্য দেন। ভারতের সরকারি ও বেসরকারি বেশ কয়েকটি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেয়। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধিরাও সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

১ লিটার সয়াবিন তেলের দাম কমছে ১০ টাকা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

শুল্ক ছাড় দেওয়ার পর সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন মিল মালিকরা।

মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি নিয়ে টাস্কফোর্স ও জাতীয় কমিটির সভা শেষে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এনবিআর ভোজ্যতেলের শুল্ক বাবদ ৫ টাকা কমালেও রোজা সামনে রেখে মিল মালিক বা পরিশোধনকারীরা লিটারে ১০ টাকা করে কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১ মার্চ থেকে নতুন দর কার্যকর হবে।

তাতে সয়াবিন তেল এক লিটারের বোতলে ১০ টাকা কমে ১৬৩ টাকায় বিক্রি হবে। এখন দাম নির্ধারিত আছে ১৭৩ টাকা। আর খোলা সয়াবিন তেল দাম কমার পর বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়।

তবে আপাতত পাম তেলের দাম কমানো হচ্ছে না বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ তৈরি হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এখন মৌখিকভাবে কথা হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত এলে আপনাদের সামনে প্রকাশ করব।”

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতে সচিব তপন কান্তি ঘোষ এই সভা পরিচালনা করেন।

ভারতের পাশাপাশি মিয়ানমারের সঙ্গেও ভোগ্যপণ্যের সীমান্ত বাণিজ্য সহজ করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সঙ্গে নিত্যপণ্য নিয়ে এমওইউর একটি খসড়া আমাদের কাছে এসেছে। আশা করছি অচিরেই এটি চূড়ান্ত হবে। মিয়ানমারের চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আদা সহজে নিয়ে আসতে পারব আমরা।”

এদিন প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সচিব তপন কান্তি ঘোষ এই সভা পরিচালনা করেন। দুপুর ১২টায় শুরু হওয়া এই সভায় সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি, এফবিসিসিআই, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের বড় যোগানদাতা বেসরকারি উদ্যোক্তারা অংশ নেন।

হারিয়ে যেতে বসেছে আবহমান বাংলার চিরচেনা রক্তলাল শিমুল গাছ

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী, বরগুনা//

দিন বদলের সাথে সাথে হারিয়ে যাচ্ছে আবহমান বাংলার চির চেনা রক্ত লাল শিমুল গাছ।শীত বিদায় নিচ্ছে।গাছে গাছে নতুন সবুজ পাতার সমারোহ।সবুজে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ। মৃদু লু-হাওয়ায় নাকে ভেসে আসছে শিমুল ফুলের ঘ্রাণ। দখিনের জেলা বরগুনার প্রকৃতিতে এখন এমনি রুপ।প্রকৃতিতে বইছে দখিনা বাতাস।কোকিলের সুমিষ্ট কুহুতানে ফাগুনের উত্তাল হাওয়া দিচ্ছে দোলা। গাছে গাছে জেগে উঠেছে সবুজ পাতা। মুকুল আর শিমুল ফুল দেখে বোঝা যায় শীত বিদায় নিয়ে এসেছে ফাগুন।

শিমুল ফুলে এখন বসন্তের হাসি।ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে আবহমান গ্রামবাংলার প্রকৃতি রাঙিয়ে উঠে নয়নাভিরাম শিমুল ফুল।দূর থেকে হঠাৎ দেখলে ঠিক মনে হবে নতুনের আগমনে কেউ লাল গালিচা বিছিয়ে রেখেছেন।নিঃসঙ্গ যুগে যুগে শিমুল ফুল নিয়ে গান, গল্প,কবিতা,উপন্যাস লিখেছেন অনেক সাহিত্যিক।

বাংলাদেশে এমন কোনো অঞ্চল নেই যেখানে শিমুল ফুলের দেখা পাওয়া যেত না। জেলার পথে প্রান্তরে সারি সারি কিংবা বাঁশ ঝাড়ের ফাঁকে দাঁড়িয়ে উকি দিচ্ছে শিমুলের গাছ,এ যেন অনন্য এক সৌন্দর্য।গাছে, গাছে ফুটে আছে শিমুল ফুল।চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই ফুলের পাগল করা সৌন্দর্যের নয়নাভিরাম কিরন। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মনোমুগ্ধকর মৌ মৌ গন্ধ ও সৌন্দর্য্য।যে গন্ধ ও সৌন্দর্য্য মানুষের মনকে করে তুলে বিমোহিত।সেই সাথে পাখিরাও যেন সেই প্রকৃতির ছোঁয়া নিচ্ছে।তাই শিমুল ফুলের কাছে বেশিই কদর বেড়েছে পাখির।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়,শিমুল ফুল শুধু সৌন্দর্য্য ছড়ায় না,আমাদের আরামদায়ক বিছানায় শিমুলের তুলা বেশ অতুলনীয়।কিন্তু কালের বিবর্তনে  ফাগুনে চোখ ধাঁধানো গাঢ় লাল রঙের অপরূপ সাজে সজ্জিত শিমুল গাছ এখন বিলুপ্ত প্রায়। এক যুগ আগেও গ্রামের অধিকাংশ বাড়ির আনাচে-কানাচে,রাস্তায়,পতিত ভিটায় প্রচুর শিমুল গাছ দেখা যেত। গাছে গাছে প্রস্ফুটিত শিমুল ফুলই স্মরণ করিয়ে দিত,এসেছে বসন্ত।প্রাকৃতিকভাবে তুলা আহরণের অন্যতম অবলম্বন শিমুল গাছ।

জানা যায়,এ গাছের সব অংশেই রয়েছে ভেষজগুণ।শীতের শেষে শিমুলের পাতা ঝরে পড়ে। বসন্তের শুরুতেই গাছে ফুল ফোটে। আর এ ফুল থেকেই হয় ফল। চৈত্র মাসের শেষে ফল পুষ্ট হয়। বৈশাখ মাসের দিকে ফলগুলো পেকে শুকিয়ে যায়। বাতাসে আপনা-আপনিই ফল ফেটে প্রাকৃতিকভাবে তুলার সঙ্গে উড়ে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়া বীজ থেকেই নতুন গাছের পুনরায় জন্ম হয়।অন্যান্য গাছের মতো এ গাছ কেউ শখ করে রোপণ করে না। নেওয়া হয় না কোনো যত্ন। প্রাকৃতিকভাবেই গাছ বেড়ে ওঠে। এ গাছের প্রায় সব অংশই কাজে লাগে। এর ছাল, পাতা ও ফুল গবাদিপশুর খুব প্রিয় খাদ্য।

বর্তমানে এ গাছ কারণে-অকারণে কেটে ফেলছে মানুষ। অতীতে নানা ধরনের প্যাকিং বাক্স তৈরি ও ইটভাটার জ্বালানি, দিয়াশলাইয়ের কাঠি হিসেবে ব্যবহার হলেও সেই তুলনায় রোপণ করা হয়নি। ফলে আজ বিলুপ্তির পথে শিমুল গাছ।বিভিন্ন সূত্র হতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে শিমুল তুলা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি,আর গার্মেন্টের জুট দিয়ে তৈরি তুলা ৪০ থেকে ৫০ টাকা,কাপাশ তুলা ২৫০ এবং পজ্ঞের তুলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।বন ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা জানান, বাণিজ্যিকভাবে এখন দেশের কোথাও এই শিমুলগাছ বা তুলা চাষ করা হয় না।

এটি প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে। যার কারণে শিমুলগাছ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। এর তুলা খুবই ভালো এটি বাণিজ্যিকভাবে চাষ হলে মানুষ আসল তুলার মর্ম বুঝত।গ্রামে শিমূল গাছ ঔষধি গাছ হিসেবেও পরিচিত। কিন্তু কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোঁয়ায় তেমন চোখে পড়ে না শিমুল গাছের। প্রতিনিয়ত বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ। যার কারণে গ্রাম বাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে, অতি চিরচেনা এই শিমুল গাছ।

বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিল ভারত

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে সীমিত পরিমাণে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে নয়াদিল্লি। বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কয়েকটি দেশেও সরকারিভাবে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

সোমবার দেশটির ইংরেজি দৈনিক ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অন্য দেশগুলো হলো- নেপাল, ভুটান, বাহরাইন ও মরিশাস।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় উদ্দেশে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তবে, কী পরিমাণ রপ্তানি করা হবে তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে ইকোনমিক টাইমস।

এর আগে, পবিত্র রমজান মাসে দেশের বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দিষ্ট পরিমাণে পেঁয়াজ ও চিনি রপ্তানি করতে ভারতের সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি লেখে বাংলাদেশ সরকার।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পেঁয়াজ রপ্তানিকারক দেশ ভারত ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। পরে এই নিষেধাজ্ঞা চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। কারণ, অভ্যন্তরীণ বাজারেক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনের আগে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে চেয়েছিল দেশটি।

আমতলীর অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

মাহমুদুল হাসান,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

আমতলী উপজেলার ২২৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০০ প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী মিনার নির্মাণ করে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করবে। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ৭২ বছরেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ না করায় ক্ষুব্ধ শিক্ষাথীরা। দ্রুত উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন তারা।

জানাগেছে,আমতলী উপজেলায় ২২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে ১৫৩ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৩ টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৭ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ২৯ টি  ও ৭টি কলেজ রয়েছে। উপজেলার ১২ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুইটি কলেজ ও ১৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। অপর দিকে উপজেলার কোন মাদ্রাসায়ই শহীদ মিনার নেই। শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করছে। এছাড়া যেগুলোতে শহীদ মিনার রয়েছে সেগুলো অযত্নে আর অবহেলায় পড়ে থাকে। এগুলো সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই। প্রতি বছর আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের দু’এক দিন পূর্বে আমতলী কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারসহ অন্যান্য শহীদ মিনার ঘষা মাজা করা হয়। দিবস শেষ হয়ে গেলে কেউ ওই মিনারের আর খবর রাখে না। ওই শহীদ মিনারে গড়ে ওঠে মাদক সেবনের নিরাপদ আশ্রয়।

সোমবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,কাউনিয়া ইব্রাহিম একাডেমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়,গুরুদল বঙ্গবন্ধু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এমইউ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা,তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়,গাজীপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, মানিকঝুঁড়ি মাহমুদিয়া দাখিল মাদ্রাসা,পচাঁকোড়ালিয়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কড়াইবাড়িয়া দাখিল মাদ্রাসাসহ অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই।

আমতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সফিউল আলম বলেন,উপজেলার ১৫টি বিদ্যালয় ছাড়া  অবশিষ্ট বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নেই। শহীদ মিনার নির্মাণে সরকারীভাবে উদ্যোগ নিলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরো বলেন,শহীদ মিনার নির্মাণে স্থানীয়দের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

আমতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাহমুদ সেলিম বলেন, উপজেলার ১২ টি বিদ্যালয় ও দুইটি কলেজে শহীদ মিনার আছে। কিন্তু কোন মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নেই। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা প্রায়োজন।

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, ভাষা শহীদদের পরিচয় জানতে ও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার থাকা আবশ্যক। মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারা স্থানীয় পর্যায়ে অর্থ সংগ্রহ করে শহীদ মিনার  নির্মাণ করবেন।  তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে উপজেলা প্রাঙ্গণে শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আমতলী ও কলাপাড়া মিলিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে বিমান বন্দর

//মাহমুদুল হাসান, আমতলী. বরগুনা//

বরগুনার আমতলী উপজেলার তারিকাটা ও উত্তর টিয়াখালী এবং  পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া ও গামুরবুনিা মিলিয়ে ‘বিমান বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্য জায়গা যৌথভাবে পরিদর্শন করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ৬ সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল।

গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমান বন্দর নির্মাণের সম্ভাব্য জায়গাটি ঘুরে দেখেন ।

কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,কলাপাড়া উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া ও গামুরবুনিয়া এবং আমতলী উপজেলার তারিকাটা ও উত্তর টিয়াখালী মৌজার ৩ হাজার একর জমি বিমান বন্দর নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এখানে ৬ কি. মি. দীর্ঘ এবং ২ কি. মি. প্রস্থের রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,যে জায়গাটি প্রাথমিকভাবে বিমানবন্দর নির্মাণ করার চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে সরকারের প্রচুর খাস জমি রয়েছে। এর বাইরে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হয়ত কিছু জমি অধিগ্রহন করতে হবে। তা ছাড়া এলাকাটিও বিমানবন্দরের রানওয়ে করার জন্য উপযোগী। অপরদিকে জায়গাটি আমতলী ও কলাপাড়া উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে পড়েছে।এতসব কারণে বিমান বন্দর করার জন্য জায়গাটি সবদিক থেকে উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মনে করেছেন।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটায় দ্রুত পৌঁছাতে আকাশপথে এখনও সে সুবিধা গড়ে ওঠেনি। যার কারণে দেশি-বিদেশী অনেক পর্যটক কুয়াকাটা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।এই এলাকায় বিমান বন্দর নির্মিত হলে সে হতাশা কেটে যাবে। এমন উদ্যোগে আমরা পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত খুশী হয়েছি।’

এ বিষয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ জহিরুল হক বলেন, ‘বিমান বন্দর নির্মাণের স্থান নির্ধারণের তথ্য চেয়ে ইতিমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে আমাদের মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে চিঠিও দেয়া হয়েছে। চিঠি পেয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। দুটি সংস্থার পক্ষ থেকে এখন আমরা সম্ভাব্য জায়গাটি সরেজমিনে দেখতে আসলাম।

Daily World News

মারিশা মাশিয়া কি নিপা ভাইরাসে মারা গেছে নাকি অন্য কিছু পরীক্ষা করা হচ্ছে

এমপি সালাম মূর্শেদীকে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী টানা তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় রূপসার টিএসবি ইউনিয়নের দক্ষিণ খাজাডাঙ্গার আড়ুয়াডাঙ্গা জামে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে ফু‌লেল শু‌ভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন প্রদান করেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় আড়ুয়াডাঙ্গা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক সৎ,  যোগ‍্য ডাঃ এস এম গোলাম রাব্বানীর নেতৃত্বে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ তাকে ফু‌লেল শু‌ভেচ্ছা ও অ‌ভিনন্দন জানা‌ন।

গত ১৬ফেব্রুয়ারী শুক্রবার রাতে খুলনা জেলার  রূপসা উপজেলার আড়ুয়াডাঙ্গা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম গোলাম রাব্বানীর নেতৃত্বে কমিটির নেতৃবৃন্দ দেখা করে ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান করতে  দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি ও এনভয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর খুলনাস্থ অফিসে যান ।

এসময় সংসদ সদস্য সালাম মূর্শেদী সকলের কাছে দোয়া চান এবং মসজিদের সার্বিক উন্নয়নে বিষয়ে  তিনি বলেন যে কোন ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তাকে জানালে সে সকল ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন।এর পর তাকে মিষ্টিমুখ করান মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম গোলাম রাব্বানী সহ কমিটির নেতৃবৃন্দ এমপি মহোদয়ও  এস এম গোলাম রাব্বানীর মুখে মিষ্টি তুলেদেন। এ ভালোবাসা আজীবন খাকবে বলে সাংবাদিকদের জানালেন লখপুরের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম গোলাম রাব্বানী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সমাজসেবক মো: জমির হোসেন, ইউপি সদস্য মোঃ দাউদ আলীসহ অনেকেই।

দেশে টাকা ও ডলারের অদলবদল পদ্ধতি চালু করেছে চলমান সংকট এড়াতে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

চলমান সংকট কাটাতে টাকার সঙ্গে ডলার অদলবদল (সোয়াপ) পদ্ধতি চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথমবারের মতো নতুন এই প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ডলার ও টাকা অদলবদল করার সুযোগ পাবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোকে এসংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন এ ব্যবস্থা প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই কার্যকর বলে বিবেচিত হবে।

এই পদ্ধতিতে সর্বনিম্ন সাত থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য টাকা-ডলার অদলবদলের ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বর্তমানে বাজারে টাকা ও ডলার উভয় মুদ্রার সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। সংকট মেটাতে এ ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা ছাড়া ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কমে আসছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে ব্যাংকগুলো থেকে অদলবদল করে ডলার নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে তুলনামূলক কম সুদ ও সহজ শর্তে অদলবদলের সুযোগে বাজারে তারল্য সংকট কমতে পারে এবং রিজার্ভ কিছুটা বাড়তে পারে। বিশ্বের বহু দেশেই এই ব্যবস্থা চালু আছে। দেশে এবার প্রথম এই পদ্ধতিতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো উদ্বৃত্ত ডলার জমা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে সমপরিমাণ টাকা ধার নিতে পারবে। এতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক উভয় পক্ষই লাভবান হবে। কারণ উদ্বৃত্ত ডলারের বিপরীতে ব্যাংকগুলো তাত্ক্ষণিকভাবে টাকা পেয়ে যাবে। আবার নির্ধারিত সময় পর টাকা ফেরত দিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ ডলার পেয়ে যাবে। বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেদের প্রয়োজনে একে অপরের মধ্যে ডলার ও টাকার অদলবদল করে থাকে।

এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এ অদলবদলের সুবিধা চালু হলো। মুদ্রা ব্যবস্থাপনার আওতায় নতুন একটি পদ্ধতি চালু হলো।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, এ পদ্ধতিতে তেমন কিছুই হবে না। আগামী কিছু দিনের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের আগে তাদের একটি প্রতিনিধিদল আসবে। তখন আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী রিজার্ভ দেখাতে হবে। এ জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে এখন ডলার নিয়ে রিজার্ভ বাড়াবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক যখন অসুবিধায় থাকে তখন এমন পদ্ধতি চালু করে। এটা আপৎকালীন সহযোগিতা ছাড়া অন্য কিছু নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনের তাগিদে এটি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আরেকটি পন্থা উন্মুক্ত রাখল। কারণ বর্তমানে রিজার্ভের অবস্থা ভলো নয়। ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট চলছে। এই প্রক্রিয়ায় উভয়ের সুযোগ আরো বাড়ল। এখন অনেক ব্যাংক দেশের বাইরে থেকে ডলার কিনছে। ফলে এই পদ্ধতিতে সীমিত পরিমাণ উদ্বৃত্ত ডলার নিতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে রিজার্ভ কিছুটা বাড়বে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তারল্য চাহিদা কিছুটা মিটবে। তবে বর্তমান অবস্থায় সোয়াপ কার্যক্রম সীমিত থাকবে বলে মনে করেন তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, স্থানীয় মুদ্রাবাজার গতিশীল করতে কারেন্সি সোয়াপ পদ্ধতি চালু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে ডলার বা যেকোনো স্বীকৃত বৈদেশিক মুদ্রা জমা রেখে টাকা নেওয়া যাবে। আবার টাকা জমা রেখে ডলার বা অন্য স্বীকৃত মুদ্রা নেওয়া যাবে। সোয়াপের ক্ষেত্রে ওই দিনের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারভিত্তিক দর হিসাব করা হবে। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর সোয়াপে কোনো সুদ আরোপ হবে না। তবে প্রচলিত ধারার ব্যাংকের ক্ষেত্রে টাকার নীতি সুদহার রেপো এবং ডলারের বেঞ্চমার্ক রেট সিকিউরড ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেটের (এসওএফআর) মধ্যে যে পার্থক্য থাকবে সে পরিমাণ সুদ পাবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, এ ব্যবস্থার আওতায় সর্বনিম্ন ৫০ লাখ ডলার বা তার সমপরিমাণ টাকা অদলবদল করা যাবে। মুদ্রা অদলবদলের এ সুবিধা নিতে হলে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চুক্তি হবে। সোয়াপের সাধারণ মেয়াদ হবে সাত থেকে ৯০ দিন। তবে ব্যাংক চাইলে রোলওভার করতে পারবে। আর যে মুদ্রায় অর্থ নেওয়া হবে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে আবার সেই মুদ্রায়ই অর্থ ফেরত দিতে হবে। সোয়াপের দিন যে বিনিময় হার হবে সেটি ধরেই মেয়াদপূর্তির তারিখে অর্থ ফেরত পাবে ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, সোয়াপের ক্ষেত্রে সুদহারের হিসাব হবে টাকা ও ডলারের নীতি সুদহারের সঙ্গে পার্থক্যের ভিত্তিতে। বিষয়টি আরো পরিষ্কার করে বলা যায়, বর্তমানে রেপোর সুদহার রয়েছে ৮ শতাংশ। আর ডলারের ৯০ দিন মেয়াদি বেঞ্চমার্ক রেট এসওএফআর ৫.৩৪ শতাংশ। এর মানে ডলারের বেঞ্চমার্ক রেটের চেয়ে নীতি সুদহার বেশি, তথা পার্থক্য আছে ২.৬৬ শতাংশ।

তিনি বলেন, এখন যদি কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে টাকা রেখে ডলার নেয় তাহলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষে মূল টাকার সঙ্গে ২.৬৬ শতাংশ সুদ যোগ করে ফেরত দিতে হবে। একইভাবে কোনো ব্যাংক যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ডলার রেখে টাকা নেয় তাহলে ওই ব্যাংক পাবে ২.৬৬ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, ২৪ জানুয়ারি শেষে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার।

Daily World News

রূপসায় কৃষি মাঠ দিবসে ‘সরিষা ও বারি সরিষা-১৪’ ডিসপ্লে করে চাষিদের জন্য বিশদ আলোচনা

ডুমুরিয়ায় দেশিয় তৈরী দু’টি ওয়ান শুটার গান অস্ত্র উদ্ধার

সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান: সালাম মূর্শেদী এমপি

বাগেরহাটে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পাওয়ায় লুচিকে কচুয়া প্রেসক্লাবের অভিনন্দন