বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে জনপ্রিয় ও গণমুখী তরুণ নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূল গোছানোর কাজে জোর দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। করোনা সংক্রমণ কমার সঙ্গে সঙ্গে মাঠে নেমেছেন আট বিভাগীয় সাংগঠনিক টিমের নেতারা। সারা দেশে শুরু হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা ও পৌর কমিটির সম্মেলনের কাজ। এসব সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে নবীন-প্রবীণের সমন্বয় করতে চাইছে আওয়ামী লীগ। ত্যাগী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির পুরোনোদের ফের দেওয়া হচ্ছে বড় দায়িত্ব। পাশাপাশি বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে জনপ্রিয় ও গণমুখী তরুণ নেতাদের নিয়ে আসা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ পদে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, ভোটের আগে তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তারা। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব কমিয়ে দলকে ঐক্যবদ্ধ এবং দলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে মনোযোগী তারা।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান যুগান্তরকে বলেন, করোনার কারণে আমরা সম্মেলন করতে না পারলেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এতে জনগণের কাছে আমাদের অবস্থান ভালো হয়েছে। কিন্তু সম্মেলন হতে দেরি হওয়ায় অনেক যোগ্য নেতাও এতদিন জায়গা পাননি। তবে এখন সম্মেলনের কাজে গতি অনেক বেড়েছে। ১০ দিনে অন্তত ২০ জেলা-উপজেলার সম্মেলন হয়েছে। আবার জেলা-উপজেলার সম্মেলনের তারিখও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আশা করছি-আগস্টের আগেই অধিকাংশ (প্রায় সব) জেলা-উপজেলার সম্মেলন শেষ করতে পারব। এর মধ্য দিয়ে আমরা আগামী জাতীয় সম্মেলন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেব।

একই বিষয়ে দলটির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম যুগান্তরকে বলেন, নেত্রীর (আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে তৃণমূল সম্মেলন শেষ করে আমরা সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চাই। আমরা চাই তৃণমূলকে শক্তিশালী করতে। শুধু নামকাওয়াস্তে সম্মেলন করতে চাই না। জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রকৃত অর্থেই একেবারে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠনকে আরও বেশি শক্তিশালী ও গণমুখী করতে চাই। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল নেতৃত্বে আমরা ত্যাগীদের নিয়ে আসতে চাই। পাশাপাশি দলের জন্য নিবেদিত ও পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদেরও জায়গা দিতে চাই। আমরা চাই-নবীন-প্রবীণ সমন্বয়ের নেতৃত্ব আসুক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সারা দেশে আওয়ামী লীগের ৭৮ সাংগঠনিক জেলা এবং সাড়ে ছয়শর মতো উপজেলা কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে এখনো ৪০টির মতো জেলা ও চার শতাধিক উপজেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। গত বছর এ মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলোর সম্মেলন শুরুর পরিকল্পনা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু পরে তা থেমে যায়। ৮ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সভায় দলের সভাপতি শেখ হাসিনা পুনরায় এই কাজে গতি বাড়ানোর নির্দেশনা দেন। তার নির্দেশনা মেনে করোনা সংক্রমণ কমা ও বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর জোরেশোরে দল গোছানোর কাজ শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটির তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে মেয়াদোত্তীর্ণ উপজেলা, থানা বা পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। জেলা-উপজেলায় হচ্ছে প্রতিনিধি সম্মেলনও। বিভাগীয় টিমগুলোও নিয়মিত বৈঠক করছে। সেখানে নানা দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। সম্মেলনের মাধ্যমে দল গোছানোর পাশাপাশি জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা এবং স্থানীয় সংসদ-সদস্যদের মধ্যকার বিভেদ কমিয়ে তাদের নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। দ্বন্দ্ব জিইয়ে রাখলে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, মে মাসের মধ্যে আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের (খুলনা) জেলা-উপজেলাগুলোর সম্মেলন শেষ করতে পারব বলে আশা করছি। তিনি জানান, ৩১ মার্চের মধ্যে ১২টি উপজেলার সম্মেলন শেষ করা হবে। এছাড়া ১২ মে মাগুড়া, ১৪ মে মেহেরপুর, ১৫ মে চুয়াডাঙ্গা এবং ১৬ মে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সেখানে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির পুরোনো ও অভিজ্ঞ নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তাদের জায়গায় নিয়ে আসা হচ্ছে নতুন নেতৃত্ব। প্রায় সাত বছর পর ১৯ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে বিলুপ্ত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল রহিমকেই সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুককে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সাত বছর পর সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে কেএম হোসেন আলী হাসান ও আব্দুস সামাদ তালুকদারকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয়। দলীয় কোন্দলের কারণে ২০২০ সালের ২২ নভেম্বর সভাপতি আবদুল লতিফ বিশ্বাস ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সংসদ-সদস্য হাবিবে মিল্লাতকে পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে হোসেন ও আবদুস সামাদকে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে তারা ভারমুক্ত হন।

দীর্ঘ সাত বছর পর নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০ ফেব্রুয়ারি। নতুন কমিটিতে জেলা আওয়ামী লীগের আগের কমিটির সভাপতি নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের এমপি সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুসকে পুনরায় সভাপতি করা হয়। বিদায়ি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুলের পরিবর্তে সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়মী লীগের সম্মেলনগুলোয়ও। দীর্ঘ ৯ বছর পর পঞ্চগড় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি মো. আমিরুল ইসলাম পুনরায় সভাপতি এবং জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান শেখ মিলন সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অন্যান্য উপজেলা, থানা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনগুলোয়ও দেখা গেছে শীর্ষ নেতৃত্ব বাছাইয়ে সতর্কতা অবলম্বন করে নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন যুগান্তরকে বলেন, তৃণমূল কর্মীদের আকাঙ্ক্ষাকে প্রধান্য দিয়ে জেলা-উপজেলা কমিটিতে তৃণমূলের দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাদেরই জায়গা দেওয়া হয়েছে। কোনো বিতর্কিত, সুবিধাবাদী বা হাইব্রিড নেতাকে জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাখা হয়নি। দুঃসময়েও যাদের রাজনীতির ধারাবাহিকতায় বিচ্যুতি ঘটেনি, সেইসব ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের শীর্ষ পদে রাখা হয়েছে। আমরা চেয়েছি তৃণমূলের এসব সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী হিসাবে গড়ে তুলতে। আমাদের নেত্রীর (আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সার্বিক দিকনির্দেশনায় এই কাজগুলো আমরা সহজে করতে পেরেছি।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ঘূর্ণিঝড় অশনি বাংলাদেশসহ যেসব দেশে আঘাত হানতে পারে

ঘূর্ণিঝড় অশনি বাংলাদেশসহ যেসব দেশে আঘাত হানতে পারে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ভারত মহাসাগরে তৈরি হওয়া লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে যাচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘অশনি’। সোমবার প্রবল শক্তি নিয়ে এটি ভারত, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে আঘাত হানতে পারে।

শনিবার থেকেই ভারতের মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র তীরবর্তী পর্যটন কেন্দ্রগুলোর তৎপরতাও আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। রোববারের মধ্যে তা সুস্পষ্ট নিম্নচাপ হিসেবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। আর সোমবার সকালের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে আছড়ে পড়বে। তার পর উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে তা উত্তর মিয়ানমার ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশ উপকূলে পৌঁছাবে।

যদিও এই ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি কোনো প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না। তবে শনিবার থেকেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বৃষ্টি শুরু হবে। রোববার তা আরও বাড়বে। আর সোমবার তা ভারী থেকে অতিভারী আকারে বর্ষিত হবে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। যে কারণে শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হচ্ছে সমস্ত পর্যটন কেন্দ্রও।

এদিকে, বঙ্গোপসাগরের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। কাঁচাবাড়িতে যারা থাকেন, তাদেরকে ভারত সরকারের তরফ থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আসন্ন জলোচ্ছ্বাসের জেরে ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর। সূত্র: আনন্দবাজার।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

কুকিং রেসিপি

‘আমরা ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাতে পারব না’, ন্যাটো দেশ

 

খুলনার রূপসায় বঙ্গবন্ধুর ১০২তম  জন্মবার্ষিকী পালিত

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস রূপসা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ ১৭ মার্চ  জাতির পিতার ভাস্কর্যে সকালে পুষ্প স্থাবক অর্পন করে উপজেলা প্রশাসন, রূপসা থানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন। দিবসটিকে ঘিরে ৫ দিন ব্যাপি মুক্তির উৎসব ও সুবর্ণ জয়ন্তী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এছাড়া খুলনা মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করে উপজেলা প্রশাসন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রুবাইয়া তাছনিম। বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের খুলনা মহানগর কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর কবির, মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার সরদার মাহাবুবার রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, খুলনা প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইয়াহিয়া, খান মোঃ আলী, মোঃ আতিয়ার রহমান মোড়ল, মোঃ আবুল হোসেন, বজলুর রশিদ আজাদ, নুরুল ইসলাম মনু, মোঃ নাজিম উদ্দিন, মোঃ  মনিরুল ইসলাম, মোঃ মুন্সি আইয়ুব আলী, মোঃ শেখ আলমগীর হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম বাবু, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম কামরুজ্জামান, রূপসা প্রেসক্লাবের  সভাপতি এস,এম,মাহাবুবুর রহমান, সাবেক সভাপতি  তরুন চক্রবত্তী বিষ্ণু । রূপসা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেনের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মানা, জেলা আ’লীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফরিদুজ্জামান, মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শিউলী মজুমদার, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার মজুমদার, প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, এ্যাড. সুশীল কুমার পাল প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহানগর মুক্তিযোদ্ধাদের লাল গালিচা সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

কুকিং রেসিপি

বরিশালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিক এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

বরিশালে বিভিন্ন সংগঠনের নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে । আজ বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকাল নয়টায় নগরীর শহীদ সোহেল চত্বরে মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা। অপরদিকে সকাল দশটায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু উদ্যান সম্মুখে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানায়।

দিবসটি ঘিরে আওয়ামীলীগ আলোচনা সভা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। আর জেলা প্রশাসন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, দোয়া মোনাজাতসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়াও সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে কর্মসূচির অয়োজন করেছে ।

একইভাবে দিবসটি উপলক্ষে শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের নিজস্ব বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালে পূস্পার্ঘ অর্পণ সহ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল নয়টায় সাবেক এমপি ও বরিশাল জেলা আওয়ামী গের সাধারন সম্পাদক এ্যাড, তালুকদার মোঃ ইউনুসের নেতৃত্বে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা জানান।

এর পরেই বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে প্যানেল মেয়র ও বরিশাল আই নজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এ্যাড, রফিকুল ইসলাম খোকন সহ বিসিসি বিভিন্ন কাউন্সিলর ও বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে পূস্পার্ঘ অর্পণ করেন।

পরবর্তীতে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড, একেএম জাহাঙ্গির, সাধারন সম্পাদক বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করে বরিশাল জেলা ও মহানগর শ্রমিক লীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, বরিশাল আইনজীবী সমিতি, জেলা ও মহানগর যুবলীগ, ছাত্রলীগ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার টাউন হল সংলগ্ম বরিশাল সাংস্কৃতি সংগঠন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর অস্থায়ী প্রতিকৃর্তিতে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। অন্যদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর বঙ্গবন্ধু উর্দ্যানে জাতীর জনকের প্রতিকৃর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন। এছাড়াও বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন শিশুদের নিয়ে র‌্যালি সহ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা ও আলোচনা সভা করেছে।

সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সাংবাদিক মাইনুল ইসলাম সড়কস্থ শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালে পূস্পার্ঘ অর্পণ করা সহ অলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক এস.এম জাকির হোসেন, সাবেক সভাপতি মু.ইসমাইল হোসেন নেগাবান মন্টু, কবি তপংকর চক্রবর্তী প্রমু। বিকালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে সোহেল চত্বরে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রাণীশংকৈলে নদীতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে ২বোনের মৃত্যু

বঙ্গবন্ধু জন্মবার্ষিকীতে শ্রমিকলীগের কেক কাটা, দোয়া ও আলোচনা সভা

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া  সংবাদদাতা//
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের জন্ম শর্তবাষীকি ও জাতীয়  শিশু দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে   শ্রমীকলীগ ডুমুরিয়া  উপজেলা শাখার আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয।
উপজেলা শ্রমীকলীগের সহ সভাপতি ইযাহিয়া র সভাপতিত্বে ও উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারন সম্পাদক শেখ শফিকুল ইসলম লিটুর পরিচালনায়  সভায় বক্তব‍্য দেন জেলাশ্রমীক লীগের সাধারন সম্পদক   পীর আলী, ভান্ডার পাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আকরম হোসেন, জেলা শ্রমীক লীগের মনজুর  মোর্শেদ রাহাত, শাহিন আহম্মেদ, ফারুক হাসান,শহিদুল ইসলাম হাওলাদার,  জামিল আহম্মেদ, দেলোযার হোসেন, মাসুদ রানা, কামাল হোসেন, সোহাগ  হাওলাদার, আব্দুল কাদের গাজী, হালিম সরদার, ওয়াদুদ শেখ, কোরবা, আছাবুর, পরিমল রায়, গফফার, হাবিবুর, হালিম গাজী, আলমগীর মোল্ল‍্যা, ইব্রাহিম, শওকাত, কামরুল, রাসেল শেখ, শেখ রিজাউল ইসলাম, সালাউদ্দিন গাজী, আজিবর ঢালী, রজ্ঞন রায়, প্রমুখ।

মহম্মদপুরে নানা আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরার মহম্মদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতার মহান স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম শুভ জন্মদিন ও জন্ম শতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ)  স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিববর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিনটি উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শিশু কিশোরদের কুইজ, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা,  সাংস্কৃতিক,আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এর আগে সকালে সরকারি অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আওয়ামী লীগ অফিসে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।উপজেলা প্রশাসন, এমপি মহোদয়, উপজেলা আওয়ামী লীগ,পুলিশ প্রশাসন, বীরমুক্তিযোদ্ধা, ছাত্রলীগ,যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে,বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে,  বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল মহোদয় এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড.শ্রী বীরেন শিকদার মহোদয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু আব্দুল্লাহেল কাফি, মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব এ্যাডঃ আবদুল মান্নান ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মোস্তফা কামাল সিদ্দিকী লিটন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ ইকরাম হোসেন,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব মোঃ সুজন শিকদার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক ডেপুটি কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুল হাই মিয়া, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের নেতাকর্মী প্রমুখ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ডুমুরিয়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতিয় শিশু দিবস পালিত

বঙ্গবন্ধুর ১০২তম জন্মশতবার্ষিকীতে মাগুরায় দিন ব্যাপি নানা কর্মসূচি পালিত

ডুমুরিয়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও জাতিয় শিশু দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতিয় শিশু দিবস উপলক্ষ‍্যে ১৭ মার্চ সকালে ডুমুরিয়ায নানা কর্মসূচি র মধ‍্যে দিয়ে পালিত হযেছে।

উপজেলা  স্বাধীনতা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পম‍্যাল‍্য ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন   উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ থানা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ সহযোগী সংগঠন,  সরকারী বালিকা বিদ‍্যালয, ডুমুরিয়া  মহাবিদ্যালয়, ট‍্যাকনিক‍্যাল স্কুল এন্ড কলেজ,  সাব রেজিষ্টী অফিস,   ডুমুরিয়া  মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয,  পল্লী দারিদ্র বিমোচন সহ বিভিন্ন সামাজিক ও  সাংস্কৃতি গোষ্ঠী।

শ্রদ্ধ‍া নিবেদন করেন  সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি,  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ,  নির্বাহী অফিসার মো : ওবাইদুর রহমান,  সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রহমান, অফিসার্স ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান,   সকল দপ্তরের কর্মকর্তা গন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বীর মুক্তিযোদ্ধা গন।

উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যলযে জাতীয়  ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্প মাল‍্য অর্পন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয । সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ জোবাযেদ  আলী  মিলনায়তনে এক  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা নির্বাহী আফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি। সভায় আরো বক্তব‍্য দেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা সহকারী  কমিশনার ভূমি মামুনুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা  কমান্ডার নূরুল ইসলাম  মানিক, কৃষি অফিসার মোচ্ছাদেক হোসেন, মৎস‍্য কর্মকর্তা আবু বক্কার সিদ্দিক, অফিসার ইনচার্জ মো: ওবাইদুর রহমান, মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, প্রাথমিক  শিক্ষা অফিসার সিকদার আতিকুর রহমান, মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে পরিষদ চত্বরে ৭ দিন ব‍্যাপী মুক্তির উৎসব ও সুর্বন জয়ন্তী  মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের  উদ্বোধন  করেন  এবং স্টল পরিদর্শন করেন প্রধন অতিথি।

English Dainikbiswa

বঙ্গবন্ধুর ১০২তম জন্মশতবার্ষিকীতে মাগুরায় দিন ব্যাপি নানা কর্মসূচি পালিত

বঙ্গবন্ধুর ১০২তম জন্মশতবার্ষিকীতে মাগুরায় দিন ব্যাপি নানা কর্মসূচি পালিত

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৭ মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের মহা নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২ তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মাগুরা জেলা শাখার আয়োজনে দিন ব্যাপি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সকাল ১০ ঘটিকায় নোমানী ময়দানে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ,১০.৩০ মিনিটে আলোচনা সভা,১২.৩০ মিনিটে বৃক্ষ রোপণ,মাগুরা জেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে যোহর নামাজের পর দোয়া মাহফিল এ ছাড়া মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগ কতৃক দলীয় কার্যালয় জামরুল তলায় বিকাল ৪ ঘটিকায় আলোচনা সভা।

মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নাহিদ খান ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ হামিদুল ইসলাম মাগুরা জেলা ছাত্রলীগের প্যাডে উন্মুক্ত ভাবে উক্ত কর্মসূচির আওতায় মাগুরা জেলা শাখা ও তার অধীনস্হ সকল ইউনিটের নেতা কর্মীদের সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথা সময়ের মধ্যে উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ জানানো হয়।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান মাগুরা পৌরসভার মেয়র জনাব খুরশীদ হায়দার টুটুল,এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাড.সাইফুজ্জামান শিখর।

এছাড়াও মাগুরা জেলা যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মাগুরা জেলা প্রশাসন কতৃক ঐতিহাসিক নোমানী ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে সাত দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী মেলা।এসময় জেলা প্রশাসক জনাব ড.আশরাফুল আলমের উপস্থিতিতে বেলুন উড়িয়ে সাতদিন ব্যাপী এই মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

মাগুরায় মাগুরা (প্রা:) সিটি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা জানিয়েছেন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় সশস্ত্র বাহিনী সম্মান গার্ড রাষ্ট্রীয় সালাম দেয়। শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এ বছরের জাতীয় শিশু দিবস-২০২২ এর প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের অঙ্গীকার, সকল শিশুর সমান অধিকার’। এছাড়া, জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘টুঙ্গিপাড়া: হৃদয়ে পিতৃভূমি’ প্রতিপাদ্যে টুঙ্গিপাড়ায় দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সভাপতি হিসাবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অনুভূতি প্রকাশ করবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা।

এছাড়া অনুষ্ঠানে শিশুদের প্রতিনিধির বক্তব্য, মুজিববর্ষের থিম সং, অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন ও শিশুশিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থকবে। সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠ, টুঙ্গিপাড়ায় ২১-২৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে মুজিববর্ষ লোকজ মেলা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশব্যাপী বিশেষ প্রার্থনা কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সকাল ৮টায় তেজগাঁও গির্জায়, সকাল ৯টায় মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চ (৩/৭-এ সেনপাড়া, পবর্তা, মিরপুর-১০)-এ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়, সকাল ১০টায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায় এবং বেলা ১১টায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় প্রার্থনাসভার আয়োজন করেছে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোয় দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন হচ্ছে। দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়াও ১৮ মার্চ (শুক্রবার) আওয়ামী লীগের পক্ষ্য থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের ১নং গেট সংলগ্ন প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বরিশালে মটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে কলেজ ছাত্র নিহত

 

আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং মুজিব বর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে এবার উদযাপিত হবে এ দিনটি। এর আগে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন থেকে শুরু হয় মুজিব বর্ষ। যা এবছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে । দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসাবেও উদযাপিত হবে।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশী দূতাবাসগুলোতেও  দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপন করা হবে। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এদিন ‘টুঙ্গিপাড়া হৃদয়ে পিতৃভূমি’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতার সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আগামীকাল থেকে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে। এবারের আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হৃদয়ে পিতৃভূমি’। ঢাকায় আগামীকাল সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এবং সারা দেশের সকল কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে আওয়ামী লীগ।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করবেন।

ওই দিন একটি শিশু-কিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা  যোগ দেবেন। বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ মার্চেও আওয়ামী লীগের উদ্যোগে টুঙ্গিপাড়ায় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকেটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলীর সদস্য নির্বাচিত হন। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।

তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ধাপে ধাপে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে থাকে।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বাঙালি জাতির ওপর নানা নির্যাতন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। যা ইউনেস্কোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড রেজিস্ট্রার এ অর্ন্তভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

অন্যদিকে, ২৬ মাচর্ (২৫ মার্চ মধ্যরাতে) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর বহু আকাক্সিক্ষত বিজয় ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়। বিংশ শতাব্দীতে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে যারা বিশ্বনন্দিত নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের অন্যতম।

সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সংগ্রামে অবদান রাখার জন্য তিনি বিশ্বশান্তি পরিষদ প্রদত্ত জুলিও কুরি পদকে ভূষিত হন। বিবিসি’র এক জরীপে তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী নির্বাচিত হন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু যখন বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে শুরু করেন ঠিক সেই মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি ও কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ধানমন্ডির বাসভবনে কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন।

বিশ্ব গণমাধ্যমের চোখে বঙ্গবন্ধু ছিলেন ক্ষণজন্মা পুরুষ। অনন্য সাধারণ এই নেতাকে ‘স্বাধীনতার প্রতীক’ বা ‘রাজনীতির ছন্দকার’ খেতাবেও আখ্যা দেয়া হয়। বিদেশী ভক্ত, কট্টর সমালোচক এমনকি শত্রুরাও তাদের নিজ নিজ ভাষায় তাঁর উচ্চকিত প্রশংসা করেন।

বিংশ শতাব্দীর কিংবদন্তী কিউবার বিপ্ল¬বী নেতা প্রয়াত ফিদেল ক্যাস্ট্রো বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হিমালয়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। শ্রীলংকার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী লক্ষ্মণ কাদির গামা বাংলাদেশের এই মহান নেতা সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়া গত কয়েক শতকে বিশ্বকে অনেক শিক্ষক, দার্শনিক, দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক, রাজনৈতিক নেতা ও যোদ্ধা উপহার দিয়েছে। কিন্তু, শেখ মুজিবুর রহমান সবকিছুকে ছাপিয়ে যান, তাঁর স্থান নির্ধারিত হয়ে আছে সর্বকালের সর্বোচ্চ আসনে।

‘বঙ্গবন্ধু ছিলেন জনগণের নেতা এবং তাদের সেবায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাকে দেয়া বঙ্গবন্ধু খেতাবে এই দেশপ্রেমিক নেতার প্রতি দেশের মানুষের গভীর ভালবাসা প্রতিফলিত হয়।’ ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় ২০১৩ সালের ৪ মার্চ নগরীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে মন্তব্য বইয়ে এমন মন্তব্য লিখেছিলেন।

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং মন্তব্য বইয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সম্মোহনী এবং অসীম সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর জনগণের নেতৃত্বদান করেছিলেন। ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী বলেন, ‘দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন নেতা এবং রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। তিনি স্বাধীনতার জন্য প্রতিকূলতা ও বিরূপ পরিস্থিতি উপেক্ষা করে অটল সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছেন।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় তার বাংলাদেশ সফরের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছিলেন। এসময় মন্তব্য বইয়ে তিনি লিখেন, এই উপ-মহাদেশের প্রতিটি মুক্তিকামী, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মানুষের মনে বঙ্গবন্ধু এক জ্বলন্ত অনুপ্রেরণা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি, স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্থপতি এবং পিতা। মমতা বলেন, বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মঞ্চে অন্যতম শ্রেষ্ঠত্বে মর্যাদা এনে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। তিনি সেই বিরল নেতা, যার প্রতি ধর্মমত নির্বিশেষে সকল মানুষ প্রণাম জানিয়ে ধন্য হয়।

তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি সামরিক নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুকে ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে চিত্রিত করলেও ইতিহাসই তাঁর প্রকৃত অবস্থান নিশ্চিত করে যখন তাঁর এককালীন ঘোরতর শত্রু তাকে ‘মহান দেশপ্রেমিক’ হিসেবে অভিহিত করে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাবেক পাকিস্তানি (বেলুচিস্তান) অফিসার মেজর জেনারেল তোজাম্মেল হোসেন মালিক পরে তার স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘বস্তুত মুজিব দেশদ্রোহী ছিলেন না (পাকিস্তানে তাকে ব্যাপকভাবে চিত্রিত করা হলেও)। নিজ জনগণের জন্য তিনি ছিলেন এক মহান দেশপ্রেমিক।’ আরেকজন সেনা কর্মকর্তা তৎকালীন পাকিস্তানি জান্তার মুখপাত্র মেজর সিদ্দিক সালিক বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী ৭ মার্চের ভাষণের কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সালিক তার ‘পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিল’ গ্রন্থে লিখেছন, ‘রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের পর ঘরমুখী মানুষের ঢল নামে। তাদের দেখে মনে হচ্ছিল আশাব্যঞ্জক বাণী শ্রবণ শেষে মসজিদ অথবা গীর্জা থেকে তারা বেরিয়ে আসছেন।’

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রাষ্ট্রপতি ইসিকে সাহসের সাথে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন

চাঁদপুরের হাইমচর গাজীপুর ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ