“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

“প্রজেক্ট হিলসা” ওভার ভিউ লুক একটা আস্ত ইলিশ মাছের মতই দেখতে তৈরী হয়েছে এই রেস্তোরা যার নাম ।

দেশের সবচেয়ে বড় রেস্তোরাঁ বলা হচ্ছে একে।

 

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের অদূরে নির্মিত এই বৃহদাকার রেস্তোরাঁ উদ্বোধনের পর কয়েকদিনের মধ্যেই জমজমাট হয়ে উঠেছে।

 

মহামারী করোনাকালেও দেশের বিভিন্নপ্রান্ত হতে দলে দলে ভোজনরসিক  যাচ্ছেন সেই রেস্তোরাঁয়।

 

তবে বাস্তবের চাইতে রেস্তোরাঁটি বহুগুণ বেশি সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

অনেকের টাইমলাইনে ঘুরছে ইলিশ আকৃতির রেস্তোরাঁর ছবি।

 

কেউ কেউ রেস্তোরাঁটি ঘুরে আসার প্রমাণ জাহির করছেন ফেসবুকে।ছবি-ভিডিও আপলোড করছেন সমানে।

 

অনেকে আবার সেসব ছবির সঙ্গে রেস্তোরাঁর খাবারের মেন্যু আর বিলের কপির (মুশক চালান) ছবি শেয়ার করে একহাত নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষের।

 

খাবারের দাম ও পরিবেশন নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে অন্যদের যেতে নিরুৎসাহিত করছেন।

 

বিশেষকরে রেস্তোরাঁর প্রধান আইটেম ইলিশ মাছের মান ও দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের মতে, মান ও স্বাদের তুলনায় দাম অনেক বেশি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

 

গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রেস্তোরাঁর কয়েকটি বিল কপির (মুশক চালান) ছবি।

 

যেখানে দেখা গেছে, প্রতি পিস বেগুনভাজার দাম রাখা হয়েছে ৫০ টাকা। যা ভালো মানের রেস্তোরাঁয়  ১০-১৫ টাকার বেশি নয়।

 

প্রতি বাটি ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০০ টাকা। অই মানের ডাল দেশের যে কোনো রেস্তোরাঁয় প্রতি বাটি ৩০-৫০ টাকায় মিলবে।

 

সবচেয়ে অবাক করা দাম রাখা হচ্ছে মূল আকর্ষণ ইলিশের বেলায়।

 

প্রোজেক্ট হিলসায় প্রতি পিস ইলিশ মাছের দাম নেওয়া হয়েছে ১৮০০ টাকা! অথচ দেশের যে কোনো প্রান্তে এক কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ পাওয়া যায় ১২০০-১৪০০ টাকায়।

 

মাত্র এক প্লেট সাদা ভাতের জন্য গুণতে হচ্ছে ১০০ টাকা! এক প্লেট খিচুড়ি ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে সেখানে।

 

সামান্য সালাদের দামও শ ছাড়িয়ে।

 

মানের তুলনায় দাম অতিরিক্ত অভিযোগে ফেসবুকে রেস্তোরাঁর উপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন নেটিজেনরা।

 

এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এক ভোক্তার বিল কপি।

 

যেখানে দেখা গেছে, অই ভোক্তা বেগুনভাজির অর্ডার দিয়েছেন ৪১টি। প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিল এসেছে ২০৫০ টাকা। ইলিশ অর্ডার করেছে ১৩টি, যার মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে ২৩,৪০০ টাকা।

 

ডাল ২০ বাটি এবং ভাত ৪১ প্লেটসহ তার খাবার বিল হয়েছে ৩২,৬২৫ টাকা!

 

এরসঙ্গে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়েছে ৩,২৬২ টাকা। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভ্যাট ৫,২২২ টাকা। সব মিলিয়ে অই ভোক্তাকে বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ৪১,১০৯ টাকা!

 

এমন বিল কপি দেখে অনেকেই রেস্তোরাঁকে ‘গলা কাটা’, পকেট কাটা, ‘জবাই করার’ কেন্দ্র বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

 

তাদের মতে, ঢাকায় উন্নতমানের যে কোনো রেস্তোরাঁয় এই পরিমাণ খাবার খেলে বিল ১০ থেকে ১৫ হাজারের বেশি হতো না।

 

কেউ কেউ আবার রেস্তোরাঁর পক্ষ নিয়ে বলছেন, ওরা যা খুশি তা দাম ধরবে, মানুষ ইচ্ছা করে নিজের গলা কাটতে গেলে রেস্তোরাঁর কি দোষ?

 

অনেকেই লেখছেন, এই রেস্তোরাঁয় যাবেন উচ্চবিত্ত ও বিদেশিরা। নিম্ন মধ্যবিত্তরা গেলে খাবারের দাম বেশিই মনে হবে।

 

কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, রেস্তোরাঁর কোথাও কি লেখা আছে এটা ফাইভস্টার মানের? আর অর্ডারের পর খাবার পরিবেশনে যে সময় নিচ্ছে তারা তা কোনো মতেই ভালো মানের রেস্তোরাঁর বৈশিষ্ট নয়।

 

 

 

 

ইয়াসির আরাফাত নামের একজন অভিযোগ করেছেন, ‘শুক্রবার গিয়েছিলাম মাওয়ার প্রোজেক্ট হিলসায়। খাবার অর্ডারের পর কয়েক ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। উন্নত রেস্তোরাঁর এ কেমন অবস্থা?’

 

 

 

রেস্তোরাঁটির খাবারের মান, দাম নিয়ে করা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ‘তাদের খাবারের যে দাম সেটা অবশ্যই মেন্যুকার্ডে উল্লেখ করে রাখতে হবে। ভোক্তারা এটি দেখেই খাবেন। ভোক্তারা যদি মনে করেন, এখানে দাম বেশি তাহলে তিনি ওখানে না-ও খেতে পারেন। খাবার দাম মেন্যুকার্ডে যা লিখে রাখা হবে তার থেকে বেশি নেয়া হলে সেটি অপরাধ হবে। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

 

 

সার্ভিস চার্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এ সার্ভিস চার্জ রাখা যাবে কি যাবে না, সে সম্পর্কে কিছু বলা নেই। তবে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ঘোষণা দিতে হবে। মেন্যুকার্ডে লিখে রাখতে হবে। কাস্টমারকে জানিয়ে রাখতে হবে যে ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ রাখা হবে। এটি না করে থাকলে সেটি অপরাধ হবে।’

 

মেন্যু বলছে, রেস্তোরাঁটিতে ইলিশ মাছের ২৪ ধরনের রেসিপিসহ মোট ৩০০ ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

 

ভোক্তাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে  ‘প্রজেক্ট হিলসা’র ম্যানেজার নিশাত আহমেদ বলেন, ‘দাম বেশি কি-না সেটা পরিবেশ, রেস্তোরাঁর আকার, অবস্থা, ডেকোরামের উপর নির্ভর করে। আমাদের কাছে দাম অত বেশি মনে হচ্ছে না। তবে দাম নিয়ে কাস্টমারদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবব।’

 

১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ বড় বড় যে কোনো রেস্তোরাঁয় এমন সার্ভিস চার্জ রাখা হয়।  পার্কিং চার্জ, ইলেক্ট্রিসিটি, এসি সবকিছুর ওপর একটি চার্জ তো হবেই, তাই না? আর আমাদের মেন্যুকার্ডে এ কথা উল্লেখ করা আছে।’

 

প্রসঙ্গত, সারা বছরজুড়ে দেশের দূর-দূরান্ত হতে অনেক ভোজনরসিক মাওয়া ঘাটে যান  পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে।

 

সে কথা মাথায় রেখে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথেই শিমুলিয়া ঘাটের কাছাকাছি ইলিশ মাছের মতো দেখতে এই বিশালাকার প্রোজেক্ট হিলসা রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হয়েছে।

 

গত ২৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এর  উদ্বোধন করা হয়েছে। “প্রজেক্ট হিলসার” ম্যানেজার ইনচার্জ প্রসনজিৎ রায়ের দেওয়া তথ্য মতে, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট আয়তন এই রেস্তোরাঁর। এখানে একসাথে ৩’শ- এর বেশি মানুষ বসে খেতে পারবে। কাস্টমার সার্ভিসের জন্য এখানে স্টাফ রয়েছে ৮০জনের বেশি। রয়েছে ফ্রী গাড়ি পার্কিং-এর সুব্যবস্থা। শিশুদের জন্যেও খেলাধূলার ব্যবস্থা রয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

 

 

”তোমারো করোনা হোক” বলেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরেন বৌমাকে

 

”তোমারো করোনা হোক” এমনটাই আশা করেন এক করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি। হ্যা করোনা হয়েছে। তাই বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন শাশুড়ি। স্বাভাবিক ভাবেই ছেলে, বউমা, নাতি-নাতনি, সবাই নিয়মনে চলছিল, তার ঘরের চৌকাঠ পেরোননি কেউই। বাইরে রেখে দেয়া খাবার খেতে হচ্ছিল রোজ।

 

এত লোকজনের ঘরে তার একাএকা থাকতে থাকতে মন খারাপ লাগতেছিল ওই মহিলার। থাকতে না পেরে এক দিন হঠাৎ তিনি চলে গেলেন বউমার ঘরে। আর বলে উঠলেন  আমি মরে গেলে তোমরা ভাল থাকতে চাও…! বলেই জাপটে ধরলেন বউমাকে।.

ব্যাস হয়ে গেল…

 

ভারতের তেলঙ্গানার রজান্যা জেলার থিমাপুর গ্রামের ঘটনায় অবাক হয়ে গিয়েছেন সবাই। পরিবারের ২০ বছরের পুত্রবধু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে করোনা হওয়ায় শাশুড়ির সাথে নিরাপদ দূরত্ব রেখে চলছিলেন পরিবারের সবাই। কিন্তু শাশুড়ির বিষয়টা পছন্দ হয়নি। তাই বউমাকে জড়িয়ে ধরে তিনি বলেছেন, ‘তোমারও করোনা হোক’।

 

ঘটনার পরেই অবশ্য ছেলে-বউমা বাড়ি থেকে বার করে অন্যত্র পাঠিয়ে দেয় শাশুড়িকে।

 কিন্তু তত ক্ষণে যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে।

কয়েক দিন পরেই পরীক্ষা করে দেখা যায়, বউমাও করোনা পজিটিভ

আপাতত নিজের বোনের কাছে আছেন ওই মহিলা।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

আজ ৫০তম বাজেট: ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট

 

একপলকে কোন কোন তারকা প্রার্থী কোন দল থেকে জয়ী হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার এবার তারকা প্রার্থীর ছড়াছড়ি দুই বড় দলেই। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির হয়ে অনেক প্রার্থীই ভোট করেন। কেউ তৃণমূল ছড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। আবার কেউ তৃণমূলে থেকেই ভোটে অংশ নেন। আজ রবিবার একে একে ফলাফলের ঘোষণা আসছে। এতে তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের জয়জয়কার হয়েছে।

তৃণমূল থেকে জয়ী

চিরঞ্জিত চক্রবর্তী : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বারাসাত কেন্দ্র থেকে পর পর তিনবার জয়ী হয়ে হ্যাট্রিক করলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন এই তারকা প্রার্থী। চিরঞ্জিত এখন বারাসাত বিধানসভা আসনের তৃণমূলের বিধায়ক বা এমএলএ।

রাজ চক্রবর্তী : পরিচালক রাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে উত্তর চব্বিশ পরগণার বারাকপুরে এগিয়ে আছেন। ভোট গণনার শুরু পর থেকেই তার অবস্থান ভালো বলে জানা গেছে।

 

সোহম চক্রবর্তী: চণ্ডীপুর আসনে তৃণমূলের হয়ে জয়ী হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। তবে পায়েল সরকারের আসনে চূড়ান্ত ফল পাওয়া যায়নি।

 

জুন মালিয়া: টালিউড অভিনেত্রী জুন মালিয়া গত মার্চে তৃণমূলে যোগ দেন। রাজনীতিতে নাম লেখিয়ে মেদেনিপুর আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেন এই অভিনেত্রী। আর বিজয় নিয়ে ঘরে ফিরলেন জুন মালিয়া। এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির সমিত কুমার দাস।

 

লাভলী মৈত্র: টেলিভিশন অভিনেত্রী লাভলী মৈত্র সোনারপুর দক্ষিণ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। এতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপির অঞ্জনা বসু।

 

কাঞ্চন মল্লিক: টালিউডের কমেডিয়ান কাঞ্চন মল্লিক প্রথমবার রাজনীতিতে নাম লেখিয়েছেন। আর তৃণমূলে যোগ দিয়েই উত্তরপাড়ার টিকিট পেয়ে যান তিনি। সর্বশেষ বিজেপি প্রার্থী প্রাবাল ঘোষলকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন এই অভিনেতা।

 

অদিতি মুন্সি : রাজারহাট গোপালপুর বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে জিতলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী অদিতি মুন্সি। এই আসনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) তরফে এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন সিপিআইএমের শুভজিৎ দাশগুপ্ত।

 

পায়েল সরকার : বেহালা পূর্বতে তৃণমূলের প্রার্থী রত্না চ্যাটার্জির সঙ্গে হেরেছেন বিজেপির প্রার্থী টালিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার। রবিবার ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, তৃণমূলের প্রার্থী ১৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১২ হাজার ৬৪০ ভোট। এছাড়া চুঁচুড়ায় বিধানসভার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অজিত মজুমদারের সঙ্গে হেরে গিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। ৫৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। অন্যদিকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮২৯ ভোট।

 

লকেট চট্টোপাধ্যায় : চুঁচুড়ায় বিধানসভার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অজিত মজুমদারের সঙ্গে হেরে গেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। রবিবার ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, ৫৭ হাজার ৮৯১ ভোট। অন্যদিকে লকেট চট্টোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮২৯ ভোট। লকেট তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে তৃণমূলে ছিলেন পরে বিজেপিতে যোগ দেন।

 

যশ দাশগুপ্ত : স্বাতী খন্দকার, আগেও দু’বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। এবার তৃতীয়বারেও চণ্ডীতলায় জয়ের ধারা বজায় রাখলেন। তার বিপুল জয়ে হারলেন সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী মুহাম্মাদ সেলিম ও বিজেপির অভিনেতা প্রার্থী যশ দাশগুপ্ত। ভোট গণনার শুরু থেকেই যশ অনেক পিছিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়। শেষে তিনি হেরেই যান।

 

রুদ্রনীল ঘোষ : ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিজেপির প্রার্থী হয়ে বেশ আলোচনায় ছিলেন। তবে তৃণমূলের শক্তিশালী প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিপুল ভোটে হেরে গেছেন বিজেপির এই তারকা প্রার্থী। আজ ফল গণনার শুরু থেকেই পিছিয়ে ছিলেন রুদ্রনীল। উল্লেখ্য, বিজেপিতে যোগ দিয়ে সতীর্থদের সমালোচনার মুখে পড়েন এই অভিনেতা। এর আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দল পাল্টেই গরম সুরে কথা বলা শুরু করেন। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়।

 

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় : শ্রাবন্তী নির্বাচনে লজ্জাজনকভাবে বিশাল ব্যবধানে হেরে গেছেন। রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজারেরও বেশি ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছেন বিজেপির এ অভিনেত্রী। অথচ নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রাবন্তী প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে নানাভাবে কটাক্ষ করেছিলেন।

 

সায়নী ঘোষ : আসানসোল দক্ষিণের তৃণমূলের প্রার্থী অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে পরাজিত করে বিধানসভায় যাচ্ছেন বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। দুই সেলেব প্রার্থীর লড়াইয়ে এই কেন্দ্র এবার হয়ে উঠেছিল নজরকাড়া। তৃণমূল যখন বিজেপি নেতাদের বহিরাগত বলে আক্রমণ শোনাচ্ছিল তখন অগ্নিমিত্রা বলেছিলেন, আসানসোলের মাটিতে সায়নীও বহিরাগত। আর তিনিই ভূমিকন্যা।

 

বিজেপি থেকে জয়ী

 

হিরণ: খড়়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জিতলেন বিজেপির তারকা প্রার্থী অভিনেতা হিরণ। যেখানে বিজেপির অন্য তারকা প্রার্থীদের প্রায় সবাই হেরেছেন সেখানে তার এই জয় খানিকটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

আরও পড়ুন…

বিপুল ব্যবধানে জয় পেল মমতার তৃণমূল

 

অবিশ্বাস্য হলেও… আইনস্টাইনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল…!

 

তেত্রিশ বছরের জীবনে এমন কথাও শুনতে হবে কস্মিনকালেও ভাবিনি। বাঘে-মহিষে এক ঘাটে জল খেতে পারে! শিয়াল-কুকুর এক সঙ্গে ডিনারে শামিল হতে পারে! পিঁপড়ার কামড়ে হাতি আহত হতে পারে! গন্ডারকে কাতুকুতু দিলে সঙ্গে সঙ্গেই হাসতে পারে! মানুষ হেঁটে হেঁটে আকাশে গমন করতে পারে! এসব তবু বিশ্বাস করা যায়!

কিন্তু আহসান যেটা বলল সেটা কেউ বিশ্বাস করবে এমনটা হতে পারে না। কিন্তু আহসান বলছে, কথাটা নাকি বিশ্বাসযোগ্য! সে অবশ্য শিরোনামটুকু বলেছে। এখনো বিস্তারিত আসেনি। সম্ভবত আহসানের বিস্তারিত সংবাদটা কিছুক্ষণ পরে আসে। না হলে শিরোনাম বলে এভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকার কোনো মানে হয় না। ও আসলে কী করছে সেটাও ঠিক বুঝতে পারছি না। পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছি দুজন। অথচ আহসান স্ট্যাচু অব লিবার্টির মতো স্থির দাঁড়িয়ে মোবাইলে কিছু একটা দেখছে। আমি আহসানকে বললাম, ‘বন্ধু, কিছু একটা বল। তুই যে কথা বলেছিস সেটা তো বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি আমাকে বিশ্বাস গ্লাসে করে গুলিয়ে খাওয়ানো হয়, তবুও বিশ্বাস করব না।’

‘সেটা তোর বিষয়। তবে আমি যেটা বলেছি সেটা একবিন্দু মিথ্যা না। যাহা বলিব সত্য বলিব, সত্য ছাড়া মিথ্যা বলিব না।’

আমি কিছুটা হতাশ হলাম। এমন হতাশ অতীতে হয়েছি বলে মনে করতে পারলাম না। কিন্তু আহসানের কথার সত্যতা না পাওয়া পর্যন্ত আমি যেতে চাইছি না।

‘আচ্ছা দোস্ত, দেখ তো এই লোকটাকে তুই চিনিস কিনা?’ মোবাইলটা আমার দিকে এগিয়ে দিল আহসান। আমি কৌতূহল নিয়ে তাকালাম মোবাইলের দিকে। ছবিটা ঝাপসা। তবে খুবই চেনা মুখ। মনে হচ্ছে কোথায় যেন দেখেছি। কিন্তু এ মুহূর্তে ঠিক মনে করতে পারছি না। মাথায় উশকোখুশকো চুল। বড় গোঁফ। চেহারায় চিন্তার স্পষ্ট রেখা বিদ্যমান। মাথা চুলকাতে লাগলাম আমি। গভীর মনোযোগের সহিত লোকটাকে চেনার চেষ্টা করছি। পথে-ঘাটে, রাস্তায়, কোনো চায়ের দোকানে কিংবা রেল স্টেশন অথবা বাস স্ট্যান্ডে দেখেছি কিনা মনে করতে পারছি না। কিংবা আমাদের কোনো পূর্বপুরুষ! হতে পারে আমাদের মহল্লার কোনো মুরব্বি। নাহ, কোনোভাবেই তো মনে করতে পারছি না।

অতঃপর ব্যর্থ হতে হলো আমাকে। বললাম, ‘লোকটা কে রে? আমাদের বন্ধুদের বয়স তো এত হওয়ার কথা না। লোকটাকে অনেক বয়স্ক মনে হচ্ছে। আবার এটাও মনে হচ্ছে লোকটা খুবই টেনশনে আছেন। চুলগুলোর অবস্থা দেখেছিস? চেহারাও কেমন যেন বিক্ষুব্ধ। মনে হচ্ছে লোকটার শরীরের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেছে।’

‘তুই কি বলছিস! ও আমার বন্ধু মানুষ! তার মানে তোরও বন্ধু। তবে সম্ভবত তোর সঙ্গে কথা হয়নি লোকটার। না হলে আমি যে কথাটা বলেছি সেটা তুই অবশ্যই বিশ্বাস করতি।’

‘ওহ হো, হ্যাঁ মনে পড়েছে। লোকটাকে আমি বইয়ের পাতায় দেখেছি। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন! তাই না রে বন্ধু?’

‘ইউরেকা! এই তো তুই মনে করতে পেরেছিস। আমাদের বন্ধু মানুষ! তাকে তুই চিনতে পারছিস না এটা ভেবেই তো আমার খারাপ লাগছিল।’

‘তুই জানিস উনি কত আগে মারা গিয়েছেন? তিনি আমাদের বন্ধু হয় কীভাবে বল তো! আইনস্টাইন স্যার কোন কালে আমাদের বন্ধু ছিল?’ কিছুটা টিপ্পনি কাটি আমি।

‘না রে দোস্ত, তুই কিন্তু ভুল বুঝছিস। তোকে শিরোনামেই তো বললাম, আইনস্টাইনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে! তুই তো বিশ্বাসই করতে চাইছিস না। আজ থেকে নয়। সেই অনেক দিন আগে থেকেই সে আমার বন্ধু। জানিস দোস্ত, লোকটা খুব ভালো কথা বলে। অনেকটা উপদেশমূলক কথাবার্তা।’

বিরক্ত ধরে গেল আমার। মনে হচ্ছে আহসান ব্যাটার পশ্চাৎদেশে কষে একটা লাথি মারি। আইনস্টাইনের সঙ্গে ওর নাকি কথা হয়েছে! চিৎকার করে বললাম, ‘পাগল কি গাছে ধরে রে আহসান! বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তোর বন্ধু হলো কীভাবে! আর উনার সঙ্গে তোর কথাই বা হলো কীভাবে?’

এবার আহসান তার মোবাইলটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘দেখ দোস্ত, আইনস্টাইন আমার ফেসবুক বন্ধু। আমি যখন ফেসবুক ব্যবহার শুরু করি তখন থেকেই আমার ফ্রেন্ড লিস্টে আইনস্টাইন আছে। চ্যাটিংয়ে আমি আর বন্ধু আইনস্টাইন অনেক কথা বলেছি। চ্যাটিং লিস্টটা দেখ। লোকটা কত উপদেশ দিয়েছে আমাকে। এই যে এখানে দাঁড়িয়ে থেকেও তো চ্যাটিং করলাম।’

আমি আহসানের মোবাইলে দৃষ্টি নিক্ষেপ করলাম। সেই ২০১০ সাল থেকে আইনস্টাইন আর আহসান বন্ধু! ওরা দুজন ফেসবুক ফ্রেন্ড!

// বিনোদন কালেকশন //

 

আরও পড়ুন…

সুপার এ্যাকশান সিনেমা…. রাধে

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

ঈদেই সালমান খানের সুপার এ্যাকশন সিনেমা ‘রাধে’

 

আগামী ঈদে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের নতুন সিনেমা ‘রাধে’। ২০২০ সালে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে তা আটকে যায়। তবে, চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ তাদের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করেছে।

জিনিউজ জানিয়েছে, ‘রাধে শুধু প্রেক্ষাগৃহে নয়, জিপ্লেক্স ও টেলিভিশনের পর্দায় বিশ্বের ৫০টির বেশি দেশে মাত্র ২৯৯ রূপি বা ৩৪০ টাকায় দেখা যাবে।’

‘রাধে’ ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওয়ান্টেড’ সিনেমার সিকুয়েল বলে ধারণা করছেন অনেকেই। আগের পর্বের মতো এটিও পরিচালনা করেছেন প্রভুদেবা।

আজ ২২ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে ‘রাধে’র ট্রেলার। এরই মধ্যে ট্রেলারটি নেটিজেনে ঝড় তুলেছে। ট্রেলারে নিজের মেজাজেই দেখা গেছ সালমান খানকে। অ্যাকশন, রোম্যান্স ভরা ছবিতে তার বিপরীতে আছেন দিশা পাটানি। খল নায়কের চরিত্রে দেখা যাবে রণদীপ হুদাকে। এছাড়া, একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আছেন জ্যাকি শ্রফ।

এর আগে, গত জানুয়ারিতে প্রেক্ষাগৃহে ‘রাধে’ মুক্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়ে সালমান খানকে  চিঠি লিখেছিলেন সিনেমা প্রদর্শকরা।

অনলাইন ডেস্ক।।

 

চলে গেলেন চিত্র নায়ক ওয়াসিম

 সোনালী দিনের সাড়া জাগানো চিত্র নায়ক ওয়াসিম আজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। ১৮ এপ্রিল -২০২১ দিবাগত রাত১২ঃ৩০ মিনিটে রাজধানীর শাহাবউদ্দিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান( ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না-লিল্লাহ রাজিউন)। তিনি ১৯৫০ সালের ২৩ মার্চ চাঁদপুর জেলার আমিরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

 

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধি//

ছোটবেলার মিনা পাল হয়ে উঠল মিষ্টি মেয়ে কবরী

 

১৯৫০ সালের ১০ জুলাই চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্ম হয় কবরীর। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের সুতরাং ছবির মধ্যে দিয়ে সিনেমায় অভিষেক হয় ১৪ বছরের মেয়ে মিনা পালের, সেসময়ই নতুন নাম হয় কবরী।

সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শহুরে মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তরাও কবরীকে যতটা নিজেদের মানুষ হিসেবে ভাবতে পেরেছিলেন, ততটা হয়তো বাংলাদেশের সিনেমা জগতে অন্য কোনো অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে পারেননি।

আর সেজন্যেই ‘মিষ্টি মেয়ে’ নামে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন তিনি।

কৈশোর আর যৌবনের পাট চুকিয়ে ফেলার পরও ‘মিষ্টি মেয়ে’ হিসেবে কবরীর সেই গ্রহণযোগ্যতা সবসময়ই ছিল। ২০১১ সালেও  এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, এখনও দেখা হলে কেউ কেউ বলে- ‘আপনি ঠিক আগের মতই আছেন।’

কিন্তু কেউ কি কখনো একরকম থাকতে পারে! পারেনা… তখন আমি তাকে বলি, আপনি আমাকে ভীষণ ভালোবাসেন বলেই এরকম মনে হয়।

অভিনেতা হিসেবে মানুষের হৃদয়ের কাছে যেতে পারা, মানুষের ভালোবাসার পাত্র হতে পারাটাই কবরীর সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন কবরীর সমসাময়িক অভিনয় শিল্পী মাসুদ পারভেজ, যিনি সোহেল রানা হিসেবেই বেশি পরিচিত।

তার মতে, কবরী তার অভিনয় দিয়ে মানুষকে যতটা প্রভাবিত করতে পেরেছেন, তেমনটা আর কেউ পারেননি।

সিনেমার পর্দায় বাংলাদেশি সাধারণ মেয়ে হিসেবে কবরীকে যেভাবে দেখা যেত, বাস্তবের গ্রামীণ নারী বা শহুরে মধ্যবিত্তের ঘরের মেয়ের চরিত্রটা ঠিক সেরকম ছিল।

অভিনয় শিল্পী হিসেবে নিজস্ব স্বকীয়তা ও সহজাত প্রবৃত্তি কবরীকে অন্যদের চেয়ে আলাদা অবস্থান দিয়েছে বলে মনে করেন মাহমুদা চৌধুরী, যিনি চার দশকেরও বেশি সময় জড়িত ছিলেন চলচ্চিত্র সাংবাদিকতার সাথে।

‘মিষ্টি মেয়ে’ ছাড়া তিনি ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ হিসেবেও খ্যাত ছিলেন। কারণ তার চেহারায়, আচরণে, অভিনয়ে সেই বিষয়টা ছিল।

১৯৭৩ সালে ‘রংবাজ’ সিনেমায় দর্শক এক লাস্যময়ী কবরীকে আবিষ্কার করে। সেই চলচ্চিত্রের ‘সে যে কেন এল না, কিছু ভালো লাগে না’ গানটি এখনও বহু দর্শকের বুকে বাজে।

খুব বেশি মেক আপ করতো না, এমনকি চুলটাও একদম সাধারণ একটা মেয়ের মত রাখতো। যার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে খুব আপন হয়ে ধরা দিতো।

আন্তর্জাতিক একটি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে কবরী বলেছিলেন, ‘সুতরাং’ সিনেমার কিশোরী কবরী দর্শকদের কাছে যে এতটা জনপ্রিয়তা পাবে, সেটা তিনি ভাবতেই পারেননি।

শুরুর দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে তাকে প্রচুর রিহার্সাল করতে হয়েছিল ‘ভাষা থেকে চাঁটগাইয়া আঞ্চলিক টান’ এবং কথায় ‘নাকি নাকি ভাব’ দূর করতে।

কবরী বলেছেন, তখন চোখ তুলে তাকাতে সাহস পেপেতেন না, খুব লজ্জা পেতেন। সুভাষ দত্তই তাকে শিখিয়েছেন। কিন্তু ‘সুতরাং’এর পর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি।

এরপরের দুই দশকে ‘রংবাজ’, ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘দ্বীপ নেভে নাই’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বৌ’য়ের মত বহু ব্যবসা সফল এবং আলোচিত সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন।

বাংলাদেশের সিনেমায় ‘নায়ক রাজ’ হিসেবে পরিচিত রাজ্জাকের সঙ্গে তার জুটি এখন পর্যন্ত নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আলোচিত জুটি।

বাংলাদেশের সিনেমায় কিংবদন্তী তুল্য এই জুটি দর্শকদের কাছে যতটা গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল, তার ধারে কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি আর কোনো জুটি।

কবরী মনে করতেন, রাজ্জাকের সঙ্গে অভিনয়ের সময় তাদের দু’জনের আবেগের অকৃত্রিমতার কারণেই জুটির রসায়ন মানুষের মনে দাগ কেটেছে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ে বা যুদ্ধ পরবর্তী উত্তাল সময়গুলোতে রাজ্জাক-কবরী জুটি তৎকালীন প্রেক্ষাপটে সমাজের সাধারণ মানুষের চিন্তাধারার প্রতিনিধিত্ব করতো এবং মানুষকে মানসিকভাবে স্বস্তি দিয়েছিল বলে এই জুটি মানুষের মধ্যে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের একজন সিনেমা গবেষক অনুপম হায়াৎ।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

 

দেশের বরেন্য চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরী আর নেই…

দেশের বরেন্য অভিনেত্রি সারাহ বেগম কবরী আর নেই। তিনি বেশ কয়েকদিন ধরেই করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিতসাধীন ছিলেন।

কবরী সারোয়ার (জন্ম: ১৯ জুলাই ১৯৫০) (অন্য নাম: সারাহ বেগম কবরী) হলেন বাংলাদেশী অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও রাজনীতিবিদ। তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন।

১৩ দিন করোনা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে পরাজয় বরন করেন। শনিবার দিবাগত রাত ১২ঃ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার স্টাইলের আইকন কে…?

 

হলিউড, বলিউডের প্রথম সারির নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার স্টাইল অনেকের কাছেই চোখ ধাঁধানো কিন্তু তার এই স্টাইলের আইকন কে ? কখনো কি ভেবেছেন…?

 

‘আন্তর্জাতিক বউমা’খ্যাত প্রিয়াঙ্কা বলিউড ছেড়ে হলিউডে পাড়ি জমিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগেই। বলিউড এবং হলিউড ব্যালান্স করে চলাটা তিনি অভ্যাস করে ফেলেছেন খুব ভালোভাবেই।

 

ইদানিং এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, স্টাইল আইকন হিসেবে তিনি শ্রীদেবীকে সকলের আগে রাখবেন। প্রিয়াঙ্কা মনে করেন, চোখই ছিল প্রয়াত অভিনেত্রীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। বড় বড় চোখেই না-কি লুকিয়ে ছিল যাবতীয় সৌন্দর্য। পাশাপাশি নিজের লুক নিয়ে পরীক্ষা করতে ভালবাসতেন শ্রীদেবী। প্রায় প্রতিটি ছবিতেই আলাদা আলাদা লুক ট্রাই করেছেন বলে মনে হয়েছে প্রিয়াঙ্কার। যা দেখে তিনি নিজেও শিখেছেন।

 

অভিনেত্রী বলেন, শ্রীদেবী নিজের ফ্যাশন এবং বিউটি নিয়ে পরীক্ষা করতে ভালবাসতেন। প্রায় প্রতিটি ছবিতে নতুন নতুন লুক ট্রাই করা তারই প্রমাণ।

 

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নিজেও বিভিন্ন রকম ফ্যাশনেবল ড্রেস ট্রাই করেন। কখনও বা অন্য রকম সাজের জন্য ট্রোলও করা হয় তাকে। কিন্তু তাতে মোটেই পাত্তা দিতে রাজি নন পিগি চপস। নিজের শর্তে ফ্যাশন ঠিক করেন। সে কারণে তার স্টাইল স্টেটমেন্ট অনেকে অনুসরণ করতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। এই মুহূর্তে লন্ডনে শুটিংয়ে ব্যস্ত নায়িকা। শুটিংয়ের অবসরে নিক জোনাসের সঙ্গেও কোয়ালিটি টাইম কাটাচ্ছেন তারকা অভিনেত্রী।

সূত্র: টিভি নাইন বাংলা

// বিনোদন ডেস্ক //

আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতার চরম বর্হিঃপ্রকাশ নয় কি…..!

 

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব যখন বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি নিয়ন্ত্রণের জন্য হোমকোয়ারেন্টেন,আইসোলেশন,সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের জন্য জনগণকে সচেতন করার কাজে  দিশেহারা তখনও কিছু মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক অসচেতনতা এবং দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা বড়ই কষ্ট দায়ক।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যায় পারিবারিক ভ্রমনের ক্ষেত্রে দ্বিচক্রযান মোটরসাইকেলের বহুল ব্যবহার। একটি মোটর সাইকেলের ধারণ ক্ষমতা বা সীট ক্যাপাসিটি ০২ টি।পথে চলতে অহরহ চোখে পড়ে একটি পরিবারের সকল সদস্য ( কমপক্ষে ০৪ জন) একটি মোটর সাইকেলে যাতায়াত করেন।কিন্তু চলতি পথে যদি দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে হয়তো এমনও হতে পারে একটি পরিবার শেষ হয়ে যেতে পারে। যা আমাদের সকলের বিবেচনায় আনা দরকার।

করোনার এই মহামারীও মধ্যে গতকালও দেখা যায় কিছু লোক একটি মোটর সাইকেলে করে বিকালে পারিবারিক ভ্রমনে বেরিয়েছে যাদের অধিকাংশ মাস্কছাড়া ও একটি মোটরসাইকেল পুরো পরিবার।যা পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর হয়।লকডাউনের জন্য বিনা প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার কথা থাকলেও এভাবে পারিবারিক ভ্রমন কতটা যুক্তি সংগত তা ভেবে দেখার জন্য পুলিশের নয় ব্যক্তি সচেতনতায় যথেষ্ট।

 

করোনাকালে বাংলাদেশ পুলিশ কতদিকে সামলাবে? একদিকে চোর-ডাকাত, ছিনতাইকারী, মাদক পাচারকারী, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নিজেদের কিছু প্রশাসনিক কাজ তো আছেই।এরপরে নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার উপদ্রব সাথে সাথে দেশের জনগণকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখার জন্য গণসচেতনতা ও মাস্ক ব্যবহারসহ সামাজিক সচেতনতা।

 

তাই দেশের নাগরিক  হিসাবে সকলের নৈতিক দায়িত্ব সরকার ও সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরকে সহযোগিতা করে করোনার এই মহামারী থেকে সোনার বাংলাকে রক্ষা করা।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//