২০৪ কোটি টাকার হীরা কপাল কেটে  নিয়ে পালালেন ভক্ত

 

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় র‌্যাপার  লিল উজি ভার্ট অদ্ভুত সব কাণ্ড করে ভক্ত-অনুরাগীদের বিস্মিত করেন ।

হঠাৎ ইচ্ছা হলো নিজের কপালে অমূল্য হীরা বসাবেন। যেটি কপালের টিপ হিসেবে জ্বলজ্বল করবে।

যেমন খুশি তেমন সাজোর মতোই কাণ্ডটি করলেন। সত্যি সত্যিই কপালের ওপর ছুরি-কাঁচি চালিয়ে বসালেন হীরা। যেনতেন হীরা নয়, ১১ ক্যারেটের ২৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গোলাপি হীরা বসালেন তিনি কপালে।

অর্থাৎ লিল উজির হীরার টিপটির মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০৪ কোটি টাকা!

কিন্তু এত দামি হীরা তার কপালে সইল না। এক লাইভ শোয়ে এসেই ২০৪ কোটির হীরা হারিয়ে ফেললেন এই র্যা প সিঙ্গার।

অবশ্য লিল হীরা হারাননি, শোয়ের দর্শকদের কেউ একজন তার কপাল কেটে হীরা নিয়ে চম্পট দিয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ামিতে আয়োজিত রোলিং লাউড ফেস্টিভ্যালে শো’য়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন লিল উজি ভার্ট। শো চলাকালীন গান গাইতে গাইতে তিনি নেমে আসেন দর্শকদের মাঝে। আর সেখানেই ঘটে গেল বিপত্তি।

ওই গান পরিবেশনার সময় তাকে ঘিরে ধরেন শ্রোতারা। ভিড়ের মাঝে আচমকাই কেউ লিলের কপাল থেকে হীরা বের করে নেন! প্রথমে কিছু বুঝে উঠতে পারেননি লিল। এর পরই কপালে ব্যথা অনুভব করেন। দর্শকরা দেখেন লিলের কপাল থেকে রক্ত ঝরছে।

শো থামিয়ে চিকিৎসা নেন লিল। লিল এখন সুস্থই আছেন। কিন্তু হীরে হারিয়ে শোকে মুহ্যমান।

কপালে প্রায় ২০৪ কোটি টাকা মূল্যের হীরা বসিয়ে রাতারাতি আমেরিকার সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে এসেছিলেন লিল। এখন হীরা হারিয়ে ফের সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এলেন লিল।

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই উপজেলায় পানিতে  ডুবে ৩ নারীর মৃত্যু   

 

ব্যারিস্টার জুবায়ের আকতার ওহীর সাথে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন’র মেয়ে অনামিকা ইসলাম প্রিয়মের বিয়ে সম্পন্ন

 

কুষ্টিয়ার ছেলে ব্যারিস্টার জুবায়ের আকতার ওহীর সাথে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন এর ছোট কন্যা অনামিকা ইসলাম প্রিয়মের বিয়ে সম্পন্ন হয়।(১১ সেপ্টেম্বর শনিবার ) ঢাকায় সেনামালঞ্চ কনভেনশন সেন্টারে এই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

জুবায়ের আকতার ওহী কুষ্টিয়া কোর্ট পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন । তিনি সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট এবং জামান আকতার বুলবুলের পুত্র তাঁর পিতা মরহুম এম আলাউদ্দিন ছিলেন দৌলতপুর থানার রেফাইতপুর হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা এবং ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক । ব্যারিস্টার ওহীর মাতামহ মরহুম নকীব উদ্দিন আহমেদ প্রথিতযশা আইনজীবি এবং কুষ্টিয়া আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন।

ছাত্র জীবনে সেন্ট জোসেফ স্কুল ও কলেজের লেখা-পড়া শেষে যুক্তরাজ্যের ইউনিভারসিটি অফ লন্ডন থেকে এল.এল.বি অনার্স ডিগ্রী লাভ করেন ওহী । পরে যুক্তরাজ্যের ওয়েলস এ অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলস থেকে এল.এল.এম ডিগ্রী লাভ করেন । পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের কার্ডিফ ইউনিভারসিটিতে বার প্রফেশনাল ডিগ্রী অর্জন করে লন্ডনে অবস্থিত লিংকন ইনস এর সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৯ সালে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে আসেন ।

প্রিয়ম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস থেকে মাস্টার্স পাস করেন। তিনি বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপ ওয়াল্টন-এ এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর অফ এইচ আর হিসেবে কর্মরত ।
উক্ত বিয়ের অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও দুই পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

//মাহাবুব আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

করোনা চট্টগ্রাম।। আরো ৬ জনের মৃত্যু, নতুন সনাক্ত ৬৪

 

 

পুলিশের অভিযোগপত্র অনুযায়ী পরীমনির সাথে যা ঘটেছিল বোট ক্লাবে

 

ঢাকাই সিনেমার নায়িকা পরীমনি ঢাকা বোট ক্লাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। তাকে ওইদিন মারধরও করা হয়েছিল। প্রায় তিন মাস তদন্তের পর এ মামলায় আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে পুলিশ একথা বলছে।

সোমবার ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে সাভার থানার পুলিশ।

পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, ৮ জুন রাত সাড়ে আটটায় পরীমনির বনানীর ভাড়া বাসায় আসেন তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ জিমি। এরপর জিমি মোবাইল ফোনে পরীমনির সহকারী তুহিন সিদ্দিকী ওরফে অমির সঙ্গে কথা বলেন। রাত ১০টার সময় কিছু খাবার নিয়ে পরীমনির বাসায় হাজির হন তুহিন। পরে পরীমনি, তুহিন, জিমি এবং ফাতেমাতুজ জান্নাত (পরীমনির পরিচিত) একসঙ্গে বাসায় খাওয়াদাওয়া করেন।

রাত সাড়ে ১১টার সময় তারা উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। তবে তুহিন কৌশলে পরীমনিদের রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে বোট ক্লাবে নিয়ে যান। পরীমনিকে বোট ক্লাবে নিয়ে যাওয়ার তথ্য তুহিন আগেই ব্যবসায়ী নাসিরকে জানিয়ে রাখেন। তাদের জন্য একটি টেবিল প্রস্তুত করতে বোট ক্লাবের ব্যবস্থাপক আবদুর রহিমকে বলেন নাসির। ক্লাবে ঢোকার পর পরীমনি ও তার সঙ্গীদের যে টেবিলে বসানো হয়, তার সামনে একটি টেলিভিশন ছিল। ক্লাবে ঢোকার পর নাসির ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলমের সঙ্গে পরীমনির পরিচয় করিয়ে দেন তুহিন। পরিচয়ের কিছুক্ষণ পর হাফপ্যান্ট পরে ক্লাবে আসা নিয়ে পরীমনির কস্টিউম ডিজাইনার জিমির সঙ্গে শহিদুলের কথা-কাটাকাটি হয়।

অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ক্লাবে অবস্থান করার সময় পরীমনি, তুহিনসহ অন্যরা দুই বোতল মদ (ব্লু লেবেল) পান করেন। অন্য টেবিলে বসে তখন মদ পান করেন নাসির ও শহিদুল। রাত সোয়া একটার দিকে নাসির ও শহিদুল ক্লাব থেকে বের হয়ে যেতে চাইলে তুহিন ও পরীমনি তাদের আবার বারে ডেকে নেন। পরে একসঙ্গে তারা মদ পান করেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, নাসিরসহ অন্যদের সঙ্গে মদ পানের পর একপর্যায়ে পরীমনি ক্লাবের ব্লু লেবেলের ছয় বোতল মদ নিতে চান। তখন ক্লাবের খাবার সরবরাহকারী আসাদুজ্জামান পরীমনিকে বলেন, একটি তিন লিটারের ব্লু লেবেল মদের বোতল রয়েছে। পরে তিনি ওই মদের বোতল পরীমনির হাতে দেন। পরীমনির সঙ্গে থাকা ফাতেমাতুজ জান্নাতও ক্লাব থেকে দুই বোতল মদ (রেড ওয়াইন) কেনেন। এর দাম ছিল ৮৮ হাজার ৬১০ টাকা। এই টাকা পরিশোধ করেন তুহিন। তবে পরীমনি যে তিন লিটারের মদের বোতল নিয়েছিলেন, সেটির দাম ছিল ১ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

এই টাকাও পরিশোধ করতে হবে ভেবে তুহিন কৌশলে নাসিরকে দিয়ে বলান, এই মদের বোতলটি ক্লাবের ‘স্যাম্পল’ (নমুনা)। এটা পার্সেল দেওয়া যাবে না। একপর্যায়ে নাসিরের সঙ্গে পরীমনির কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তখন পরীমনিকে তর্কে না জড়াতে অনুরোধ করেন তার সঙ্গে থাকা জিমি ও ফাতেমা। তখন খেপে গিয়ে তাদের থাপ্পড় মেরে পরীমনি বললেন, ‘আমি কি ড্রাঙ্ক?’

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, পরীমনির সঙ্গে কথা কাটাকাটির পর তুহিনের উদ্দেশে নাসির বলেন, ‘এ রকম…(মানহানিকর শব্দ) মেয়েকে কেন ক্লাবে নিয়ে এসেছ?’ এ সময় নাসিরকে বাধা দেওয়া এবং এ ঘটনার ভিডিও করার চেষ্টা করেন জিমি। তখন নাসিরের সহযোগী শহিদুল জিমিকে থাপ্পড় মারেন। এ ঘটনা দেখে পরীমনি খেপে গিয়ে টেবিলের ওপরে থাকা গ্লাস, বোতল ও অ্যাশট্রে নাসিরের দিকে ছুড়ে মারেন। তবে নাসির সরে যাওয়ায় তার শরীরে লাগেনি। এরপরই পরীমনির উদ্দেশে অশ্লীল গালিগালাজ শুরু করেন নাসির ও শহিদুল। দুজনেই পরীমনিকে মারধর (থাপ্পড়) মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেন এবং ভয়ভীতি দেখান। রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে নাসির ও শহিদুল ক্লাব ছেড়ে চলে যান। এরপর ক্লাবের কর্মচারীরা পরীমনিসহ অন্যদের ক্লাব থেকে বের হয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তবে তিনি সেখানে বসে ছিলেন। এ সময় ক্লাবের কিছু লাইট, এসি ও ফ্যান বন্ধ করে দেন কর্মচারীরা। তখন পরীমনির শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। পরে লাইট ও ফ্যান ছেড়ে দেওয়া হয়। রাত দুইটার দিকে পরীমনি ও তার সঙ্গীরা ক্লাব ছেড়ে চলে যান।

পরীমনির আইনজীবী মজিবুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, পুলিশ অভিযোগপত্রে কী লিখেছে, এখনও জানেন না তারা। শিগগিরই অভিযোগপত্রের অনুলিপি পেতে তারা আদালতে আবেদন করবেন।

গত ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে আরও চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরীমনি সাভার থানায় মামলা করেন।

১৫ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার বন্ধু অমিসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় করা মাদক মামলায় সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ‘গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দু’টি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোট ক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে।’

‘অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোট ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলে। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পার।’

এজাহারে পরীমনি আরও বলেন, ‘তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করে। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন এবং কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে আমি সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই।’

‘এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন ও আমাকে জোর করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুড়ে মারেন। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করেন।’

এর আগে গত ১৩ জুন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে বিচার চান পরীমনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে রাতে সংবাদ সম্মেলন করেন।

ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার মামলা করার আড়াই মাস পর গত ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। পরে তাকে বিদেশি মদসহ গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলায় তিন দফায় মোট সাত দিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারের ২৭ দিন পর ১ সেপ্টেম্বর পরীমনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুর পৌরসভার ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ৫১কোটি ৪১লক্ষ ৩০হাজার টাকার বাজেট পেশ

বরিশালের সাবেক এমপি জেবুন্নেছার নামে একাধিক ফেসবুক আইডি খুলে চাঁদাবাজি

 

আমি কি তাহলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাব, নাকি দেশ ছেড়ে চলে যাব? পরিমনি

 

নায়িকা পরীমনি  কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সকালে বাসায় আসেন । বাসায় এসেই জানতে পারেন তাকে ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তার মুক্তির চার দিন আগেই নোটিশ দেওয়া হয়।

ক্ষুব্ধ পরীমনি  বুধবার বিকালে  একটি গণমাধ্যমকে ক্ষুব্ধ পরীমনি বলেন, আমি তো একা থাকি না। আমার বয়স্ক নানুভাই আছেন। হঠাৎ করে এসব কী! হঠাৎ করে কই যাব, সেটা কি কেউ বলতে পারেন?

আলোচিক এ নায়িকা বলেন, এখন এই মুহূর্তে আমাকে কে বাসা খুঁজে দেবে? কারাগার থেকে ঘরে ঢোকার পর বাসা ছাড়ার নোটিশ দেখতে পেলাম। এখন কি তাহলে আমার বসবাসের অধিকারটা পর্যন্ত কেড়ে নিচ্ছে ওরা? ওরা যা চেয়েছিল, তা-ই কি হচ্ছে? আমি কি তাহলে ঢাকা ছেড়ে চলে যাব, নাকি দেশ ছেড়ে চলে যাব?

২৭ দিন পর মাদক মামলায় জামিন মেলে পরীমনির। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ কারাগার থেকে পরীমনিকে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ পরীমনির জামিনের আদেশ দেন।

গত ৪ আগস্ট বিকালে পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দামি মদ, মদের বোতলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। ওই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে বনানীর বাসা থেকে পরীমনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে তার বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদক মামলা করা হয়। ওই মামলায় গত ৫ আগস্ট পরীমনিকে চার দিন ও ১০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত।

পরে ১৩ আগস্ট পরীমনির জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মণ্ডল। আদালতের আদেশে ওই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে পরীমনিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর ওই কারাগার থেকে গত ১৯ আগস্ট তৃতীয় দফায় পরীমনিকে একদিনের রিমান্ডে ঢাকায় নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট পুনরায় পরীমনিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে পৃথক পৃথক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

পাবজি- ফ্রি ফায়ার গেম বন্ধ: নির্দেশ হাইকোর্টের

//অনলাইন ডেস্ক//

পাবজি- ফ্রি ফায়ার বন্ধ করার পাশপাশি টিকটক, বিগো লাইভ, লাইকি ধরণের আ্যাপস কেন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হবেনা তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালাত।

আজ সোমবার বিচারপতি মো: মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো: কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

 

 

‘‘দৈনিক বিশ্ব’’ পত্রিকার সম্পাদকের পুত্রের জন্মদিনে সাংবাদিকদের শুভকামনা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

আজ দৈনিক বিশ্ব পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকের একমাত্র পুত্র তপব্রত মজুমদার এর  শুভ জন্মদিন।

বহুল প্রচলিত, প্রচারিত ও জনপ্রিয় দৈনিক বিশ্ব অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক বাণীব্রত মজুমদার এর ছেলে তপব্রত মজুমদার এর শুভ জন্মদিনে দৈনিক বিশ্ব পত্রিকার সকল সাংবাদিকবৃন্দ আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ।

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে সরকারি বিধিনিষেধ পালন করায় জনসমাগম এড়াতে সীমিত পরিষরে তপব্রত মজুমদার এর শুভ জন্মদিন পালিত হয়েছে । তপব্রত মজুমদার এর জন্য আশির্বাদ কামনা করেন তার বাবা-মা, পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ এবং আরও অনেক শুভাকাঙ্খি ।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

The Daily World FaceBook Page

Dainik Biswa Facebook Page

সঠিক তরিকায় শতভাগ মাস্ক পরিধান, মহামারী মুক্তির প্রথম সোপান। পুলিশ কমিশনার বিএমপি

যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে, ফেসবুকে ছবি ভাইরাল

 

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমজ ভাইয়ের সঙ্গে যমজ বোনের বিয়ে হয়ে হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) বিয়ের এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) ভাইরাল হলে সবাই তাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

গত বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এমন এক বিয়ের ঘটনা ঘটেছে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা নয়াপাড়া গ্রামে। নয়াপাড়ার বেল্লাল হোসেনের যমজ মেয়ের সঙ্গে একই উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের আব্দুর রশিদের যমজ ছেলের পারিবারিক মতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে  যমজদের বিয়ের ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তেই।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের আব্দুর রশিদের যমজ ছেলে আল আমিন ও আমিনুল মাস্টার্স পাস করে ঢাকায় ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড কোম্পানিতে চাকরি করেন। অন্যদিকে, নিকলা নয়াপাড়া গ্রামের বেল্লাল হোসেনের যজম মেয়ে ফাতেমা ও ফারজানা দুজনই মাস্টার্স শেষ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার এক লাখ টাকা করে কাবিনে যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে হয়।

এ বিষয়ে যমজ বোনের ফুফাতো বোনের স্বামী মো. রবিউল ইসলাম রবি গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, পারিবারিক ভাবেই ঘটকের মাধ্যমে যমজ বোনের জন্য যমজ ছেলের সন্ধান পাওয়া যায়। মেয়েরাও মাস্টার্স শেষ করেছে আবার ছেলেরাও মাস্টার্স শেষ করে একটি কোম্পানিতে চাকরি করছে। কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে। পরে কঠোর লকডাউনের কারণে সীমিত পরিসরে বিয়ের কাজ শেষ করা হয়েছে।

মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

অভয়নগরে মায়ের ওপর অভিমান করে স্কুল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে গেলেই পাবে করোনা টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

 

 

দিলীপ কুমার : কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা মারা গেলেন ৯৮ বছরে

//অনলাইন ডেস্ক //

বর্ষীয়ান ভারতীয় অভিনেতা দিলীপ কুমার আজ সকালে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর।

মুম্বাইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালের পালমোনোলোজিস্ট ডা, জলিল পার্কার, যিনি দিলীপ কুমারের চিকিৎসার তত্বাবধান করছিলেন, টাইমস অব ইন্ডিয়াকে মি. কুমারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

দিলিপ কুমারের ভেরিফায়েড টুইটার পেইজ থেকে সকাল ৮টার কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

ছয় দশকের ক্য্যারিয়ারে তিনি ৬৩টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর স্ত্রী মুম্বাই চলচ্চিত্রের আরেক অভিনেত্রী সায়রা বানু।

‘‘প্রভাস’’ দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার : সিনেমা প্রতি আয় কত..?

 

‘‘প্রভাস’’ দক্ষিণ ভারতের সুপারস্টার তথা ভারতের সুপারস্টার যাকে পছন্দ করে ৯৯% মানুষ। দক্ষিণের সুপারস্টার প্রভাসকে অনেকেই ‘রেবেল’ নামে চিনতেন। এখন তাকে ‘বাহুবলী’ নামেই ডাকে সবাই।

সেটিই স্বাভাবিক। ভারতের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল সিনেমা ‘বাহুবলী’। সিনেমায় মূল চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই তেলেগু অভিনেতা।

প্রথমটি সুপার-ডুপার হিট হওয়ার পর বিগ বাজেট নিয়ে দ্বিতীয় কিস্তিতে হাত দেন পরিচালক এসএস রাজমৌলি। সে সিনেমাও ব্লকবাস্টারে বিস্ফোরণ ঘটায়। হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে এ সিনেমার দুটি কিস্তির আয়।

এদিকে ‘বাহুবলী’তে অভিনয়ের পর দেশ-বিদেশে প্রশংসার কুড়ানোর পাশাপাশি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও অমূল্য রতনে পরিণত হন প্রভাস।

প্রাসঙ্গিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে— বাহুবলীর ব্যবসা সফলতার পর প্রতি সিনেমায় কত টাকা আয় করেন প্রভাস? ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে এই কৌতূহল থাকতেই পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যমসূত্রে খবর— প্রতি সিনেমায় ১০০ কোটি টাকার বেশি পারিশ্রমিক নেন প্রভাস। সঙ্গে নেন সিনেমার লাভের ১০ শতাংশও। অর্থাৎ কোনো সিনেমা ১০০ কোটি টাকা লাভ করতে পারলে প্রভাস নেন ১০ কোটি!

জানা গেছে, বক্স অফিসে ইতিহাস গড়া বাহুবলী সিরিজের প্রথম সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য ২৫ কোটি রুপি নিয়েছিলেন প্রভাস। বাহুবলী ২-এ তা বাড়িয়ে হয় ৮০ কোটি রুপি। এর পরই পারিশ্রমিকের ঘোড়ার লাগাম ছেড়ে দেন তিনি।

২০১৯-এ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সাহো’ সিনেমার জন্য যে পারিশ্রমিক নিয়েছেন প্রভাস, তা দিয়ে নাকি একটি বলিউড ছবি অনায়াসে নির্মাণ করা যাবে। বিটাউনে জোর গুঞ্জন— প্রভাসকে ‘সাহো’ ছবির জন্য ১০০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, মুক্তির অপেক্ষায় ‘রাধে শ্যাম’ সিনেমার জন্য ৮০ কোটি টাকার পারিশ্রমিক নিয়েছেন প্রভাস।

‘রাধে শ্যাম’ ছাড়াও এ তেলেগু অভিনেতার আরও দুটি বিগ বাজেটের সিনেমা আসছে। সেগুলো হলো— ‘সালার’ ও ‘আদিপুরুষ’। এ দুটি সিনেমার জন্য আকাশছোঁয়া পারিশ্রমিক দাবি করেছেন পর্দার বাহুবলী। সেটি ১৫০ কোটিরও বেশি হতে পারে।

বাহুবলী সিরিজের আগে প্রভাসের ‘ছাত্রপতি’, ‘মিস্টার পারফেক্ট’, ‘ডার্লিং’, ‘মির্চি’ সিনেমা ব্যবসা সফল হয় প্রভাসের।

//দৈনিক বিশ্ব বিনোদন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১

 

 

“প্রজেক্ট হিলসা ‍” বৃহদাকার রেস্তোরার খাবরের মূল্য তালিকা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক

 

“প্রজেক্ট হিলসা” ওভার ভিউ লুক একটা আস্ত ইলিশ মাছের মতই দেখতে তৈরী হয়েছে এই রেস্তোরা যার নাম ।

দেশের সবচেয়ে বড় রেস্তোরাঁ বলা হচ্ছে একে।

 

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটের অদূরে নির্মিত এই বৃহদাকার রেস্তোরাঁ উদ্বোধনের পর কয়েকদিনের মধ্যেই জমজমাট হয়ে উঠেছে।

 

মহামারী করোনাকালেও দেশের বিভিন্নপ্রান্ত হতে দলে দলে ভোজনরসিক  যাচ্ছেন সেই রেস্তোরাঁয়।

 

তবে বাস্তবের চাইতে রেস্তোরাঁটি বহুগুণ বেশি সাড়া ফেলেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

 

অনেকের টাইমলাইনে ঘুরছে ইলিশ আকৃতির রেস্তোরাঁর ছবি।

 

কেউ কেউ রেস্তোরাঁটি ঘুরে আসার প্রমাণ জাহির করছেন ফেসবুকে।ছবি-ভিডিও আপলোড করছেন সমানে।

 

অনেকে আবার সেসব ছবির সঙ্গে রেস্তোরাঁর খাবারের মেন্যু আর বিলের কপির (মুশক চালান) ছবি শেয়ার করে একহাত নিচ্ছেন কর্তৃপক্ষের।

 

খাবারের দাম ও পরিবেশন নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করে অন্যদের যেতে নিরুৎসাহিত করছেন।

 

বিশেষকরে রেস্তোরাঁর প্রধান আইটেম ইলিশ মাছের মান ও দাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তাদের মতে, মান ও স্বাদের তুলনায় দাম অনেক বেশি রাখছে কর্তৃপক্ষ।

 

গত কয়েকদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে রেস্তোরাঁর কয়েকটি বিল কপির (মুশক চালান) ছবি।

 

যেখানে দেখা গেছে, প্রতি পিস বেগুনভাজার দাম রাখা হয়েছে ৫০ টাকা। যা ভালো মানের রেস্তোরাঁয়  ১০-১৫ টাকার বেশি নয়।

 

প্রতি বাটি ডালের দাম ধরা হয়েছে ১০০ টাকা। অই মানের ডাল দেশের যে কোনো রেস্তোরাঁয় প্রতি বাটি ৩০-৫০ টাকায় মিলবে।

 

সবচেয়ে অবাক করা দাম রাখা হচ্ছে মূল আকর্ষণ ইলিশের বেলায়।

 

প্রোজেক্ট হিলসায় প্রতি পিস ইলিশ মাছের দাম নেওয়া হয়েছে ১৮০০ টাকা! অথচ দেশের যে কোনো প্রান্তে এক কেজি বা তার চেয়ে বেশি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ পাওয়া যায় ১২০০-১৪০০ টাকায়।

 

মাত্র এক প্লেট সাদা ভাতের জন্য গুণতে হচ্ছে ১০০ টাকা! এক প্লেট খিচুড়ি ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে সেখানে।

 

সামান্য সালাদের দামও শ ছাড়িয়ে।

 

মানের তুলনায় দাম অতিরিক্ত অভিযোগে ফেসবুকে রেস্তোরাঁর উপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন নেটিজেনরা।

 

এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এক ভোক্তার বিল কপি।

 

যেখানে দেখা গেছে, অই ভোক্তা বেগুনভাজির অর্ডার দিয়েছেন ৪১টি। প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিল এসেছে ২০৫০ টাকা। ইলিশ অর্ডার করেছে ১৩টি, যার মূল্য পরিশোধ করতে হয়েছে ২৩,৪০০ টাকা।

 

ডাল ২০ বাটি এবং ভাত ৪১ প্লেটসহ তার খাবার বিল হয়েছে ৩২,৬২৫ টাকা!

 

এরসঙ্গে সার্ভিস চার্জ দিতে হয়েছে ৩,২৬২ টাকা। আর সঙ্গে যোগ হয়েছে ভ্যাট ৫,২২২ টাকা। সব মিলিয়ে অই ভোক্তাকে বিল পরিশোধ করতে হয়েছে ৪১,১০৯ টাকা!

 

এমন বিল কপি দেখে অনেকেই রেস্তোরাঁকে ‘গলা কাটা’, পকেট কাটা, ‘জবাই করার’ কেন্দ্র বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

 

তাদের মতে, ঢাকায় উন্নতমানের যে কোনো রেস্তোরাঁয় এই পরিমাণ খাবার খেলে বিল ১০ থেকে ১৫ হাজারের বেশি হতো না।

 

কেউ কেউ আবার রেস্তোরাঁর পক্ষ নিয়ে বলছেন, ওরা যা খুশি তা দাম ধরবে, মানুষ ইচ্ছা করে নিজের গলা কাটতে গেলে রেস্তোরাঁর কি দোষ?

 

অনেকেই লেখছেন, এই রেস্তোরাঁয় যাবেন উচ্চবিত্ত ও বিদেশিরা। নিম্ন মধ্যবিত্তরা গেলে খাবারের দাম বেশিই মনে হবে।

 

কেউ কেউ পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন, রেস্তোরাঁর কোথাও কি লেখা আছে এটা ফাইভস্টার মানের? আর অর্ডারের পর খাবার পরিবেশনে যে সময় নিচ্ছে তারা তা কোনো মতেই ভালো মানের রেস্তোরাঁর বৈশিষ্ট নয়।

 

 

 

 

ইয়াসির আরাফাত নামের একজন অভিযোগ করেছেন, ‘শুক্রবার গিয়েছিলাম মাওয়ার প্রোজেক্ট হিলসায়। খাবার অর্ডারের পর কয়েক ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। উন্নত রেস্তোরাঁর এ কেমন অবস্থা?’

 

 

 

রেস্তোরাঁটির খাবারের মান, দাম নিয়ে করা অভিযোগ প্রসঙ্গে মুন্সিগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ বলেন, ‘তাদের খাবারের যে দাম সেটা অবশ্যই মেন্যুকার্ডে উল্লেখ করে রাখতে হবে। ভোক্তারা এটি দেখেই খাবেন। ভোক্তারা যদি মনে করেন, এখানে দাম বেশি তাহলে তিনি ওখানে না-ও খেতে পারেন। খাবার দাম মেন্যুকার্ডে যা লিখে রাখা হবে তার থেকে বেশি নেয়া হলে সেটি অপরাধ হবে। এ ব্যাপারে আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

 

 

সার্ভিস চার্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এ সার্ভিস চার্জ রাখা যাবে কি যাবে না, সে সম্পর্কে কিছু বলা নেই। তবে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে ঘোষণা দিতে হবে। মেন্যুকার্ডে লিখে রাখতে হবে। কাস্টমারকে জানিয়ে রাখতে হবে যে ১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ রাখা হবে। এটি না করে থাকলে সেটি অপরাধ হবে।’

 

মেন্যু বলছে, রেস্তোরাঁটিতে ইলিশ মাছের ২৪ ধরনের রেসিপিসহ মোট ৩০০ ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

 

ভোক্তাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে  ‘প্রজেক্ট হিলসা’র ম্যানেজার নিশাত আহমেদ বলেন, ‘দাম বেশি কি-না সেটা পরিবেশ, রেস্তোরাঁর আকার, অবস্থা, ডেকোরামের উপর নির্ভর করে। আমাদের কাছে দাম অত বেশি মনে হচ্ছে না। তবে দাম নিয়ে কাস্টমারদের অসন্তোষের বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবব।’

 

১০ শতাংশ সার্ভিস চার্জ কেটে নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ বড় বড় যে কোনো রেস্তোরাঁয় এমন সার্ভিস চার্জ রাখা হয়।  পার্কিং চার্জ, ইলেক্ট্রিসিটি, এসি সবকিছুর ওপর একটি চার্জ তো হবেই, তাই না? আর আমাদের মেন্যুকার্ডে এ কথা উল্লেখ করা আছে।’

 

প্রসঙ্গত, সারা বছরজুড়ে দেশের দূর-দূরান্ত হতে অনেক ভোজনরসিক মাওয়া ঘাটে যান  পদ্মার তাজা ইলিশ খেতে।

 

সে কথা মাথায় রেখে মাওয়া ঘাটে যাওয়ার পথেই শিমুলিয়া ঘাটের কাছাকাছি ইলিশ মাছের মতো দেখতে এই বিশালাকার প্রোজেক্ট হিলসা রেস্তোরাঁ নির্মাণ করা হয়েছে।

 

গত ২৭ মে আনুষ্ঠানিকভাবে এর  উদ্বোধন করা হয়েছে। “প্রজেক্ট হিলসার” ম্যানেজার ইনচার্জ প্রসনজিৎ রায়ের দেওয়া তথ্য মতে, প্রায় ৪০ হাজার বর্গফুট আয়তন এই রেস্তোরাঁর। এখানে একসাথে ৩’শ- এর বেশি মানুষ বসে খেতে পারবে। কাস্টমার সার্ভিসের জন্য এখানে স্টাফ রয়েছে ৮০জনের বেশি। রয়েছে ফ্রী গাড়ি পার্কিং-এর সুব্যবস্থা। শিশুদের জন্যেও খেলাধূলার ব্যবস্থা রয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শ্রমিক না নামিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করায় ওজোপাডিকো শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা