দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ন্যায় ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালিত ৪ হাজারের অধিক বিদ্যালয় খোলার জন্য  নেওয়া হয়েছে  নানাবিধ কর্মসূচি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রথমেই করা হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের করোনা বিষয়ে সচেতন, দেওয়া হয়েছে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ২ টি করে মাস্ক। স্কুলঘর ও আশেপাশের পরিবেশকে করা হয়েছে জীবাণুমুক্ত। শিক্ষার্থীদের হাত ধোঁয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে হ্যান্ড ওয়াস স্টেশন, শরীরের তাপমাত্রা মাপার জন্য থার্মাল স্ক্যানার ও হাত জীবাণুমুক্ত করার জন্য হ্যান্ড সেনিটাইজার। শ্রেণীকক্ষে  সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের বসা নিশ্চিত করতে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আঁকা হয়েছে গোল চিহ্ন, স্কুল ঘর ও শ্রেণীকক্ষকে সুজ্জিত করা হয়েছে বিভিন্ন রঙবেরঙের বেলুন ও ফুল দিয়ে। টানানো হয়েছে করোনার বিরুদ্ধে সচেতনতা মূলক পোষ্টার ও ব্যানার।শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

ফলে ব্র্যাক স্কুলের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার হলো অবসান।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্কুল খোলার ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে ব্র্যাক এর উদ্যোগ

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে সেজন্য ব্র্যাকের নেওয়া এই সকল কর্মসূচি স্থানীয় জনগণের পেয়েছে ভূয়সী প্রশংসা।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সরকারি, বেসরকারি ও এনজিও পরিচালিত  সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

বরিশাল জেলা প্রশাসক এর উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

//পলাশ চন্দ্র দাসঃবরিশাল//

বরিশাল নগরীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বরিশাল জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন হায়দার এর উদ্যোগে  ১২ সেপ্টেম্বর রবিবার বরিশাল নগরীতে বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল মোঃ সাইফুল হাসান বাদল ও জেলা প্রশাসক বরিশাল জসীম উদ্দীন হায়দার।

সকাল ১১ টায় সরকারি জিলা স্কুলে পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক এসময় তারা অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।  সেখান থেকে কালুশাহ সড়ক আলেকান্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরিশাল কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ বরিশাল, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সিস্টার ডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা মোঃ জালাল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরিশাল মোঃ সোহেল মারুফ, জেলা শিক্ষা অফিসার বরিশাল মোঃ আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরিশাল মোঃ আবদুল লতিফ মজুমদারসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! স্কুল খোলার ঐতিহাসিক  মুহূর্তকে স্মরণীয় করতে বিবর্তন যশোর  ভিন্ন উদ্যোগ

 

গতবছর ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়। করোনা সনাক্তের পর নানাবিধ ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে জনজীবন অতিবাহিত  হওয়ার সাথে সাথে শিশু ও শিক্ষার্থীদের অমূল্য জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১৭ মার্চ-২০২০ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর-২০২১ দীর্ঘ ৫৪৪ দিন পর আজ ১২ সেপ্টেম্বর -২০২১ রোজ রবিবার সারাদেশে একযোগে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানাবিধ আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে খোলা হলো। ফলে  অসংখ্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

তবে করোনার বিরুদ্ধে এখনও যুদ্ধ শেষ নয় বরং আগামীতে করোনার তৃতীয় ঢেউ দুয়ারে দাঁড়িয়ে।করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ের  বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আমাদের জয়ী হতে হবে। সুস্থ রাখতে হবে আমাদের আগামী প্রজন্মকে। আজ যারা স্কুলগামী এরাই আমাদের আগামী দিনের সমাজ বিনির্মানের কারিগর। তাই তাদের সুস্থ এবং মানবিক করে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।

আমাদের আগামী প্রজন্ম, আমাদের সন্তানেরা যাতে সুস্থ, স্বাভাবিক  ও মানবিক হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং করোনার বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারি ও আজকের এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বিবর্তন যশোরের কর্মীরা নতুন উদ্যোগ হিসাবে ১.ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, (নলডাঙ্গা রোড), ২.আজিমাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৩.মসজিদ মহল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ,  ৪.নওয়াপাড়া আই ডি ই বি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৫.  গ্রীন ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ সহ শহরতলীর  মোট ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে   করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার্জিকাল মাস্ক ও করোনা প্রতিরোধে সুরক্ষা সামগ্রী হাত ধোঁয়ার সাবান বিতরণ করেন।

প্রত্যেক স্কুলে ৩০০ সার্জিকাল মাস্ক ও ৩০ টি করে সাবানসহ মোট ১৫ শত মাস্ক ও ১৫০ টি বিতরণ করা হয়।

নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সঠিকভাবে করোনার বিরুদ্ধে বিধিনিষেধ পালন না করা হলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নলছিটিতে ডিবি পুলিশের হাতে ২কেজি গাজা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করা হবে বরোনা সংক্রমন বাড়লে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর সরকারি কলেজে বিডিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আমাদের দেশ এক নয়। করোনা সংক্রমণ হলে অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে আমরাও সেই ধরনের পরামর্শ দেব।

তিনি বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দিতে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে অনুমতি আসেনি। অনুমতি দিলে শিশুদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের করোনা আক্রান্তের হার কম।

জাহিদ মালেক বলেন, এ মাসে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে। গণটিকা কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা আসবে আগামী তিন মাসে। কোভ্যাক্স থেকে ১০ কোটি টিকা কেনা হবে।

যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে ফাইজার টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

প্রধানমন্ত্রী দেশে শান্তি, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন : সারমিন সালাম

 

ভূঞাপুরে বন্যা কবলিত ৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস কার্যক্রম অনিশ্চিত

 

কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর সরকারিভাবে ক্লাস কার্যক্রম চালুর নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

কিন্তু বন্যার কারণে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে ৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৭টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ও ৭টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের  বন্যায় উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদরাসা সহ ৫১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পানিবন্দি হয়ে পড়ায় এসব বিদ্যালয়ে পাঠদানের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কীভাবে ক্লাস কার্যক্রম চলবে তা নিয়ে সংষ্কার রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অবিভাবক। এছাড়াও নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

পানিবন্দি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি মাসের ১২ তারিখে স্কুল খোলার কথা শুনে আমরা অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু বন্যার কারণে আমাদের স্কুল মাঠে ও ক্লাস রুমে  পানি থাকায় আমরা কীভাবে স্কুলে যাবো। সবাই স্কুলে যাবে, ক্লাস করবে কিন্তু আমার স্কুলে যেতেও পারবোনা, ক্লাসও করতে পারবোনা। সেজন্য আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে।

বন্যা কবলিত উপজেলার দরিপাড়া নিকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মঞ্জুরুল ইসলাম ও আসলাম হোসেন জানান, এখনো আমাদের স্কুল মাঠ হাঁটু পানি রয়েছে। আগামী ১২ তারিখ স্কুলে খুলে দিলে কিভাবে আমরা ক্লাস কার্যক্রম চালাবে তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। এছাড়াও আমাদের অনেক শিক্ষার্থীর পরিবার পানিবন্দি রয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও খানুরবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান জানান, আমাদের উপজেলাটি যমুনা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় প্রতি বছর বন্যায় বিদ্যালয়ের মাঠে ও ক্লাস রুমে বন্যার পানি প্রবেশ করে। এর ফলে দীর্ঘ দিন ক্লাস কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়।

এবছরের বন্যায় উপজেলায় অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর চলতি মাসের ১২ তারিখে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও বন্যার কারণে আমাদের পানিবন্দি বিদ্যালয় গুলোতে ক্লাস কার্যক্রম নিয়ে আমরা সংশয়ে রয়েছি।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার রেজাউল করিম জানান, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় উপজেলায় এখনো ১০টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি রয়েছে। তবে দুই একদিনের মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। পানি নেমে গেলে ক্লাস কার্যক্রম চালাতে কোন সমস্যা হবেনা।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহীনুর ইসলাম ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার এমজি মাহমুদ ইজদানী জানান, সরকারি নিদের্শনা মোতাবেক যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকেছে সেসব প্রতিষ্ঠানে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও আমাদের শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বন্যা কবলিত স্কুলগুলো প্রতিনিয়ত তদারকি করছে।

//মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পাঁচ বছরেও আয়-ব্যয়ের হিসাব দেননি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রুটিন তৈরিতে ১১ নির্দেশনা দিয়েছে

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের রুটিন তৈরিতে ১১ নির্দেশনা দিয়েছে

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের স্কুল-কলেজে শ্রেণি পাঠদান শুরু হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মেনে পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো রুটিন তৈরি করবে।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ রুটিন তৈরির একটি নির্দেশনা জারি করেছে। বাংলাদেশ জার্নালের পাঠকদের জন্য রুটিন তৈরির ১১ নির্দেশনা তুলে ধরা হলো-

১. ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবে।

২. প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একদিন প্রতিষ্ঠানে আসবে।

৩. সপ্তাহে প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে ২টি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে।

৪. রুটিনের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাস নির্ধারণ করা যেতে পারে।

৫. যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান ওই সব স্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো সমন্বয় করে রুটিন করবে।

৬. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চলমান ডিগ্রি, সম্মান ও মাস্টার্স পরীক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ ও ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য রুটিন প্রণয়ন করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৭. রুটিন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ, প্রস্থান ও অবস্থানের সময় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা না ঘটে।

৮. রুটিন এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়।

৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপাতত এসেম্বলি বন্ধ থাকবে।

১০. প্রতিদিন নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে হবে।

১১. পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে হবে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নগদের মালিকানা নিয়ে যে জটিলতা

 

বাঁশখালীতে সনাতনী মেধাবৃত্তির ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণী

 

বাঁশখালী উপজেলা বাগীশিক চাম্বল ইউনিয়ন সংসদ কর্তৃক আয়োজিত সনাতনী মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শুক্রবার বিকাল ৩ টায় চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে শ্রীমতি ঐশী দাশের পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে শুরু হয়।

বাগীশিক চাম্বল ইউনিয়ন সভাপতি স্বরূপ দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাঁশখালী চেয়ারম্যান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুজিবুল হক চৌধুরী। বাগীশিক বাঁশখালী উপজেলা সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজন শীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন, বাগীশিক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি শ্যামল বৈদ্য সবুজ।

বাগীশিক বাঁশখালী উপজেলা সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতি বাঁশখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দাশ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন চাম্বল ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক শিবন দত্ত। উক্ত মহতী সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাগশিক বাঁশখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন গুপ্ত ও জেনেটিক ল্যাবরেটরী চট্টগ্রাম এর পরিচালক সুমন সুশীল।

এতে আরো বক্তব্য দেন বাগীশিক বাঁশখালী উপজেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ধীমান দাশ শাওন, শীলকুপ ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক লক্ষ্মণ দাশ, সাধনপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সুজন দেব এবং ‘গ’ বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সৌরভ দাশ বিজয়।

এতে সনাতনী মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় সমগ্র বাঁশখালী থেকে অংশগ্রহণকারী ২১৯ জন শিক্ষার্থীকে আকর্ষণীয় সনদপত্র প্রদান, ” ক, খ ও গ” বিভাগ থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত ১২ জন এবং সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩২ জন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, বই ও নগদ অর্থ পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, বাগীশিক ইউনিয়ন সভাপতি-সম্পাদকবৃন্দ, গীতা শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নির্বাচিত ৭(সাত) জনকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট এবং চাম্বল ইউনিয়ন সংসদের সাধারণ সম্পাদকসহ সদস্যদের সদস্য স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করেন বাগীশিক চাম্বল ইউনিয়ন সভাপতি স্বরূপ দেবনাথ।

সভায় বক্তারা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় তথা নৈতিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করার জন্য উপস্থিত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অনুরোধ জানান। গীতার মর্মবানী অন্তরে প্রজ্বলন ও লালনের মাধ্যমে সুস্থ সমাজ গঠনের আহবান জানানো হয়। ধর্মীয় সংগঠনের কথা বলে কেউ যেন যুবসমাজকে বিভ্রান্ত করতে  না পারে সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানান।

//চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

একটি বাটন টিপলেই যেকোন অর্থ লেনদেনকারীর তথ্য সরকার পাবে 

 

একটি বাটন টিপলেই যেকোন অর্থ লেনদেনকারীর তথ্য সরকার পাবে 

মানুষের আর্থিক খাতে জালিয়াতি বন্ধ ও অর্থ লোপাটকারীদের শনাক্তে বহুমুখী তদারকি শুরু হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়মিত ও বিশেষ তদন্তের পাশাপাশি প্রযুক্তিকেও কাজে লাগানো হবে। এর আওতায় এক ছাতার নিচে আসবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন। ফলে একটি বোতাম টিপেই মিলবে জালজালিয়াত বা অর্থ লুটেরাদের লেনদেনের সব তথ্য।

এটি সফল করার লক্ষ্যে গঠন করা হচ্ছে ইন্টার-অপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্ল্যাটফরম (আইডিটিপি)। যেখানে এক আইডিতে (জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর) গ্রাহকের সব হিসাব ও লেনদেনের তথ্য থাকবে। কেন্দ্রীয় গেটওয়ে দিয়ে হবে সব লেনদেন।

এবিষয় সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এ ধরনের কাঠামো কার্যকর হলে অর্থনৈতিক অপরাধ রোধে যোগ করবে নতুন মাত্রা। লেনদেন সহজ হবে। নগদ টাকার পরিবর্তে গ্রাহকরা অনলাইন লেনদেনে উৎসাহিত হবেন। ভূমিকা রাখবে কাগজের মুদ্রাবিহীন সমাজ (ক্যাশলেস সোসাইটি) গঠনেও, যা উন্নত দেশগুলোয় ইতোমধ্যে গঠিত হয়েছে।

এতে প্রাথমিকভাবে ১৩টি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলেও অক্টোবরের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসবে। শুরুতেই যুক্ত হচ্ছে সোনালী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশ লিমিটেড এবং তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান রিকারশন ফিনটেক লিমিটেড।

যারা প্রতিষ্ঠানগুলো তদারকির জন্য থাকবেন তারা হলেন:  বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক, সিস্টেম এনালিস্ট ও উপপরিচালক পর্যায়ের তিন কর্মকর্তাও নিযুক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি সামনে রেখে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৯৫ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯ টাকা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব্যাংক আইডিটিপি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বহুমুখী নজরদারির পরও বন্ধ হচ্ছে না অস্বাভাবিক লেনদেন। বাণিজ্যিক ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইনে এসব চলছেই। নিয়ন্ত্রণে আসছে না অর্থ জালিয়াতি ও মানি লন্ডারিং।

জঙ্গি অর্থায়ন হচ্ছে, সাইবার অপরাধের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে

এ ধরনের অনিয়ম তদন্তে হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ তদারক সংস্থাগুলো। ফলে উন্নত বিশ্বের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে একই সার্ভারে সব ধরনের লেনদেনের তথ্য না থাকার আক্ষেপ ছিল বহুদিনের। এবার সেই আক্ষেপের কিছুটা হলেও অবসান হতে যাচ্ছে। একই ছাতার নিচে আসছে সব ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান। ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানিসহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর আওতায় পড়বে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্ল্যাটফরমের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) ব্যবহার করবে ফিনটেক (ফিন্যান্সিয়াল টেকনোলজি) প্রতিষ্ঠানগুলো। এই সার্ভিসের আওতায় রেমিট্যান্স আদান-প্রদান, মার্চেন্ট পেমেন্ট, বিল পরিশোধ, ই-কমার্স, এম-কমার্স, মেশিন-টু-মেশিন পেমেন্টসহ অর্থ হস্তান্তর ও লেনদেন করা যাবে।

এটি মূলত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেনে সেতুবন্ধ তৈরি করবে, যা একদিকে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনকে ত্বরান্বিত করবে, অন্যদিকে লেনদেনের যাবতীয় তথ্য একটি আইডিতে সংরক্ষিত থাকবে। ফলে একটি বোতাম টিপেই যে কোনো গ্রাহকের সব ধরনের হিসাব ও লেনদেনের তথ্য পাওয়া যাবে।

এ প্রসঙ্গে সার্টের পরিচালক এবং আইডিটিপি প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট সমন্বয় ও পরীক্ষণ কমিটির সভাপতি তারেক এম বরকতউল্লাহ যুগান্তরকে বলেন, ডিসেম্বরের আগেই প্রকল্পটি উদ্বোধন হবে। এ সময়ের মধ্যে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এক ছাতার নিচে আনা হবে। এটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলে দেশ ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে এগিয়ে যাবে। মূল বিষয়টি হলো-এর মাধ্যমে একটি গেটওয়েতে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলে আসবে।

তিনি বলেন, যেহেতু একটি আইডির মাধ্যমে এখানে লেনদেন হবে, তাই যিনি অর্থ পাঠাবেন এবং যিনি গ্রহণ করবেন-প্রত্যেকের তথ্যই ওই আইডিতে থাকবে। ব্যাংকগুলো গ্রাহকের বিস্তারিত জানবে। কেউ যদি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করে, তাহলে ব্যাংক সহজেই তা শনাক্ত করতে পারবে। জাতীয় পরিচয়পত্রটাই গ্রাহকের আইডি হিসাবে কাজ করবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ভিশনের মধ্যে অন্যতম একটি হলো ক্যাশলেস সোসাইটিতে চলে যাওয়া। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ও বিভিন্ন সময়ে এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন। ফলে এই প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্যও সেটি।

বিজিডি ই-গভ সার্টের সিনিয়র টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট (ডিজিটাল সিকিউরিটি) তৌহিদুর রহমান বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে, যা ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনে সহায়ক হবে। ডিজিটাল অর্থনৈতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিনিময় যোগ্যতা, কম খরচ, নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের ডিআইজি মো. আবদুল্লাহেল বাকীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়। তিনি বলেন, এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে কোনো অর্থনৈতিক অপরাধ নিয়ে কাজ করলে বিএফআইইউ-এর সহায়তা নিতে হয়। অনুরোধ করতে হয় অভিযুক্তদের লেনদেনের হিসাব সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য। তাদের কাছ থেকে তথ্য পেলে সেগুলো নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে প্রত্যেকটি লেনদেন আলাদা আলাদা করে তদন্ত করা হয়। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে তাদের কাছ থেকে তথ্য নিতে হয়। তাদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া বেশ জটিল। এই পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে খুব সহজেই তথ্য পাওয়া যাবে। তদন্তের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সূত্র:যুগান্তর

//অনলাইন নিউজ//

Dainik Biswa News

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার জাল নোটসহ মহিলা গ্রেফতার

 

১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল কলেজ খুলবে, নভেম্বর থেকে এসএসসি এইচএসসি পরীক্ষা

 

করোনার কবল থেকে মুক্ত হতে যাচ্ছি আমরা, আর আস্তে আস্তে স্কুল কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছি।  ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি শুক্রবার চাঁদপুরে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হতে পারে। এছাড়া আগামী নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব মেডিকেল কলেজ খুলবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায় শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। পরে কয়েক দফা চেষ্টা করেও এই মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।

চলমান এই ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ছুটি অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পর থেকেই জোরেশোরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

লালমোহনে ১৩ কেজি ৩৫০ গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ গ্রেফতার ০৩

 

ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে ২০ কর্মহীন নারীকে প্রশিক্ষণ।। সম্মানী ও সনদ বিতরণ

//মাহাবুব আলম , রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ২৮ আগস্ট শনিবার ২০ জন বেকার, স্বামী পরিত্যেক্তা কর্মহীন নারীকে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে ৭ দিনব্যাপি ব্লকবাটির উপর প্রশিক্ষণ শেষে সম্মানী ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

পরবর্তিতে এরা ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করে কাপড়ের উপর ব্লকবাটির ডিজাইন তৈরি করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবে বলে সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানান।

এদিন বিকালে নির্বাহী অফিসার কার্যালয় চত্বরে সনদ ও সম্মানী ভাতা প্রদান করেন সুযোগ্য নির্বাহী অফিসার সোহেল সুলতান জুলকার নাঈন কবির স্টিভ।

এ সময় উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, ব্লকবাটি ট্রেইনার শিউলী রায়সহ মহিলাবিষয়ক অফিসের অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে ইউএনও বলেন মহিলা বিষয়ক অফিস কর্তৃক ২০ জন অসহায় কর্মহীন নারীকে ৭ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও সম্মানী প্রদান করা হলো।