জগন্নাথপুর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেন

 

 নিজ গ্রামের স্কুলে ৩৯ বৎসর শিক্ষকতার পর অবসরে গেলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তুলসী রাণী বনিক। এ সময় তিনি স্কুলের নানা স্মৃতিচারণ করে নজরুল গীতি গেয়ে নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেল।

বললেন ”আমার যাবার সময় হলো দাও বিদায়” শিক্ষার্থীদের প্রিয় শিক্ষিকা হিসাবে পরিচিত তুলসী রানী বণিক করোনাকালীন সময়ে স্কুল বন্ধ থাকায় শিশুদের দেখতে না পারায় কান্নায় ভেঙে পড়েন। জগন্নাথপুর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মেনেজিং কমিটি, শিক্ষক – অভিভাবক কমিটি ও শিক্ষক- শিক্ষিকাবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় স্কুলের ডিজিটাল রোমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রভাষক রিংকর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অনন্ত পালের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি আজাদ আলী, কমিটির সদস্য, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, শিক্ষক-অভিভাবক কমিটির সহ সভাপতি সমর চন্দ্র সুত্রধর, সিনিয়র শিক্ষিকা রুবি রায়, নিলিমা দাস, শিক্ষিকা উম্মে হানিফা মিলি।

অন্যানোর মধো উপস্থিত ছিলেন শিক্ষিকা শিপ্রা রায়, শিখা রানী সরকার, মিতালী রায়, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য চয়নিকা মজুমদার, শিক্ষক অভিভাবক কমিটির সদস্য তাসলিমা আক্তার ডলি, ঝর্না দাস, স্মৃতি রানী দাস, ও সমাজ সেবক শফিকুল ইসলাম, জোৎস্না সুত্রধর, সাংবাদিক রনি মিয়া, স্কুলের নৈশ প্রহরী সুনীল সরকার প্রমূখ। সভায় বক্তারা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তুলসী রানী বণিকের দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মময় জীবনের কথা স্বরণ করে বলেন, তিনি ছিলেন একজন আদর্শ শিক্ষক।

শিক্ষা জাতীর মেরুদণ্ড। যার হাতে গড়া অশংখ্য শিক্ষার্থী সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ তথা সমাজে সাক্ষর রাখছেন। জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা তুলসী রানী বণিক নিজেও এই স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন। একাধারে সফলতার সাথে সহকারী শিক্ষক থেকে শুরু করে হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সততা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি স্কুলে কর্মরত অন্য শিক্ষকদের জন্য হতে পারেন পথপদর্শক। যার অবদানের কথা কখনো ভুলে যাওয়ার নয়। পরে সংবর্ধিত অতিথি তুলসী রানী বনিকের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও পুরস্কার তুলে দেন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

 //মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভিনব কায়দায় বিকাশ প্রতারনায় টাকা উধাও: অভিযোগ

 

করোনায় ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর ভীড়ে গজারিয়ায় বেড়েছে শিশু শ্রম

 

করোনায় ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর ভীড়ে  মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় করোনার এই সংকট কালে দিন দিন বেড়েই চলেছে ঝুঁকিপূর্ন শিশু শ্রম। গজারিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা মিলছে শিশু শ্রমিক দের । তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্টিল ও কাঠের ফার্নিচারের দোকান, ভাঙ্গারীর দোকান, হোটেল রেস্তোরা, ওয়েল্ডিং এর দোকান, কসমেটিক্স দোকান, ওষুধের ফার্মেসি, ব্যাটারির দোকান, গাড়ির গ্যারেজে সহ বহুতল ইমারত নির্মাণ কাজেও দেখা যাচ্ছে এসব শিশু শ্রমিকরা নিয়োজিত রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায় গজারিয়ার ভাটেরচর এলাকায় অতিরিক্ত মুনাফার আশায় শিশু শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মদিনা ফরেন ফার্নিচার মার্ট এর কারখানায় এমন কতিপয় শিশু শ্রমিক রয়েছে যাদের বয়স প্রায় ৯ থেকে ১০ বছরের নিচে আবার কারো ১৩ কিংবা ১৪ হবে। সেখানে তাদের কাজে নেই প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শিশুদের দিয়ে অবাধে চলছে ক্যামিক্যাল মিক্সিং ফার্নিচার শাইনিং ও ভার্নিসিং মত ক্ষতিকারক কাজ।

ক্যামিক্যাল জাতীয় এইসব ক্ষতিকারক পর্দাথ স্প্রে আকারে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে তাদের দেহে ভিতর ঢুকেছে। এতে করে তাদের রয়েছে নানা ধরনের শারীরিক ক্ষতির আশংঙ্কা। মদিনা ফরেন ফার্নিচার কারখানার শিশু শ্রমিক দের সঙ্গে কথার বলার এক পর্যায়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিশু শ্রমিক জানায় তার বাস্তবতার কথা। সে বলেন আমার বয়স (১২)। আমি ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি। আমরা ২ ভাই ১ বোন। হত দরিদ্র বাবা মা সন্তান। তাই বাধ্য হয়ে আমি পড়ালেখা ছেড়ে ফার্নিচারের দোকানে এসব কাজ শুরু করি।

বেতনের কথা জানতে চাইলে সে বলে, মাসে ৫ হাজার টাকা পাই। এটা তো শারীরিক ক্ষতিকারক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, এ কাজ কেন করো এমন প্রশ্নের উত্তরে সে জানায়, অন্যান্য কাজের চেয়ে এ কাজে টাকা বেশি পাই তাই করি এবং আমিও ভালো করে চলতে পারি ও পরিবারকে কিছু টাকা দিতে পারি। এর মতো অনেক শিশু গজারিয়ার বিভিন্ন দোকানে শিশু শ্রমের কাজ করছে।

বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি দেশ শিশু শ্রম বন্ধের ঘোষণা দিলেও আমাদের দেশে এটি প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। করোনা কালে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া শিশু মাত্রা বাড়বে বলে আংশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে দিন দিন এই শিশু শ্রমিকের সংখ্যাও বাড়বে বলে অনেকরই অভিমত। সচেতন মহল মনে করেন বাংলাদেশে  শিশু শ্রমের অন্যতম কারণ হলো দারিদ্রতা। আর আমাদের দেশে ৩১ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।

এসব পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু আয় দৈনিক ৮০ টাকারও কম। এদের বেশির ভাগ পরিবার অসচ্ছল। ফলে এসব পরিবারের শিশুরা তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণ করার জন্য ছোট থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করা শুরু করে। তাই তাদের নিজেদের আর পরিবারের খাওয়ার জন্য শিশুরা লেখাপড়ার পরিবর্তে এধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পিছ পা হচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তাদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে মোটর ওয়ার্কশপে কাজ, গ্রেন্ডিং ওয়েল্ডিং, গ্যাস কারখানা, লেদ মেশিন, রিকশা চালানো, বাস-ট্রাকের হেলপারি, নির্মাণ শ্রমিক, গৃহ শিশু শ্রমিক, ইটভাঙা, ইটভাটা শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, স্টিলের আলমারির দোকানের শ্রমিকের কাজ সহ সহজে মিলছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। ফলে গজারিয়া এলাকায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম। গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী আমাদের দেশে প্রায় ৩৮ ধরনের শিশু শ্রম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আজকের শিশুরা আগামীর ভবিষ্যৎ। যেসব শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে তাদের সচেতনতার জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। তবে গজারিয়া তে শিশু শ্রম এধরনের অভিযোগ নেই। পাওয়া গেলে বিশেষ করে যেসব শিশুরা কম বয়সে এসব কাজে নেমে পড়ছে, তাদের অভিভাবককে সচেতন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তারা যেন তাদের শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে না পাঠায়। তিনি আরও বলেন, এসব ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম থেকে শিশু দের মুক্ত করতে না পারলে শিশুরা শারিরিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হবে। সেই সাথে তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হবে। সরকারের একার পক্ষ্যে শিশু শ্রম বন্ধ সম্ভব নয়।

তাই শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলার জন্য শিশু শ্রম বন্ধে সকল কে এগিয়ে আসতে হবে এবং যারা শিশু শ্রমিক নিয়োগ দিবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল গজারিয়া,মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাঁশখালীতে মুজিব বর্ষের উপহার ৪০ ঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

 

 

যুক্তরাষ্ট্রের ‘এ্যাডুকেশন অ্যাওয়ার্ড’ পেল বাঁশখালীর ওয়ারিশা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টস অ্যাডুকেশন অ্যাওয়ার্ড আর্জন করেছে বাশঁখালীর সন্তান ওয়ারিশা আলম। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ১১ জুন কমনওয়েলথ এভেনিউ এলিমেন্টারী স্কুলে আয়োজীত অনুষ্ঠানে তাকে অ্যাওয়ার্ডন ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

 

ওয়ারিশা চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের পালেগ্রামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আইটি বিশেষজ্ঞ আহিদুল আলমের মেয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বাক্ষরিত এই চিঠি ও সনদ যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের কাছে আকাঙ্খিত হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া ও বাঁশখালীর মেয়ে ওয়ারিশা যুক্তরাষ্ট্রের এ্যাডুকেশন ডিস্ট্রিক্ট মনোনীত ম্যাগনেট স্কুল থমাস স্টার কিং মিডল স্কুলে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।

 

বলা বাহুল্য যে, ম্যাগনেট স্কুল গুলোতে বিশেষ বিশেষ মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি করানো হয়। ওয়ারিশা জানায়, আমি সবার কাছে দোয়া চাই, যাতে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি।

//হামিদুর রহমান সাকিল, চট্টগ্রাম জলা প্রতিনিধি//

Dainik Biswa

চুয়াডাঙ্গায় পালিত হলো ” ভূমি সেবা সপ্তাহ -২০২১

 

 

ব্রেইন ক্যান্সারাক্রান্ত শিক্ষককে আর্থিক সহযোগীতা করলেন আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার 

যশোরের অভয়নগর উপজেলার পৌর নওয়াপাড়া  ৪ নং ওয়ার্ডের গরীব  অসহায় অবহেলিত মানুষের একমাত্র মাথার মুকুট , বিশিষ্ঠ  ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক  আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার তার নিজ তহফিল থেকে নগদ আর্থিক সহযোগীতা করলেন ,ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত  হত দরিদ্র এক স্কুল শিক্ষককে ৷
গত ১৩ জুন(রোববার) দুপুরে  আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদারের বাস-ভবন (বউ বাজারে ) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (ব্রেনক্যান্সারে ) আক্রান্ত ইব্রাহিম মোল্যা (৫৫ ) তার কন্যা শাপলা খাতুনের   হাতে চিকিৎসা বাবদ নগদ  ৫০০০/=(পাঁচ হাজার) টাকা প্রদান  করেন ৷
জানাগেছে, স্কুল শিক্ষক ইব্রাহিম মোল্যার বাড়ি উপজেলার ৫ নং শ্রীধরপুর ইউনিয়নের হরিশপুর গ্রামে ৷ তিনি দীর্ঘদিন যাবত  ব্রেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন ৷ শিক্ষক কন্যা “শাপলা “অশ্রুচোখে কাদম্বিণী স্বরে বলেন, মালেক ভাই আজ যে, মহত্বের পরিচয় দিলেন তার দানকৃত পাঁচ হাজার টাকা আমার পিতার চিকিৎসার জন্য অনেক উপকার হবে যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা ৷ তিনি আরো বলেন, দোয়াকরি , দাতা মালেক ভাই যেন অভয়নগর বাসির প্রতিটি মানুষের অন্তরের মাঝে সব সময় থাকে ৷
এ সময় উপস্থিত ছিলেন , আঃ মান্নান , মোঃ শহীদুজ্জামান সেলিম , মোঃ আহাদ মোল্যা , রানা আহমেদসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ ৷
//মো: শফিকুল ইসলাম পিকুল, জেলা প্রতিনিধি যশোর//

বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চেয়ারম্যান লেয়াকত আলীর ফ্যান বিতরণ

চট্রগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নে অবস্থিত ১২ টি সরকারি প্রাথমিক সমুহে ৮টি করে সিলিং ফ্যান প্রদান করেন গন্ডামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গন্ডামারা আনোয়ারা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্টাতা মো: লেয়াকত আলী। গত বৃহস্পতিবার বিকালে এ সিলিং ফ্যান প্রদান অনুষ্টান আনোয়ারা বেগম স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্টিত হয়।
এ সময় গন্ডামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গন্ডামারা আনোয়ারা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্টাতা মো: লেয়াকত আলীর পক্ষ হয়ে সিলিং ফ্যান গুলো শিক্ষকের হাতে তুলে দেন সমাজকর্মী আলমগীর মাহফুজ, মাওলানা আমিন উল্লাহ, মাহমুদুল ইসলাম।
এদিকে বিদ্যালয়ের পক্ষে বড়ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: জয়নাল আবেদীন,উত্তর বড়ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বশর জিহাদী, পুর্ব বড়ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নেজাম উদ্দিন, মায়মুনা খাতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: ওমর ফারুক, দক্ষিণ বড়ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো: মোরশেদ,পুর্ব বড়ঘোনা এমদাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শেখ মহিউদ্দিন আজাদ,মধ্যম বড়ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো: আবু বক্কর রহমানী, পুর্ব গন্ডামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আজিজুর রশিদ চৌধুরী, তোরাব উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো:জসিম উদ্দিন।
পশ্চিম গন্ডামারা-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আহমদ হোছন,চরপাড়া আজিজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: সেলিম উল্লাহ, পশ্চিম গন্ডামারা-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আরিফুল ইসলাম উপস্থিত থেকে বিদ্যালয়ের জন্য ৮টি করে সিলিং ফ্যান গ্রহন করেন ।
এছাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসের জন্য সহ ৯৮ টি সিলিং ফ্যান প্রদান করেন এ সময়।
সিলিং ফ্যান প্রদানকালে গন্ডামারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও গন্ডামারা আনোয়ারা বেগম স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্টাতা মো: লেয়াকত আলী বলেন ,আমি এলাকায় শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য যে কোন ধননের সহযোগিতা প্রদানের জন্য সবসময় প্রস্তুত আছে বলে আশ্বাস প্রদান করেন ।
//মোঃ হামিদুর রহমান সাকিল, 
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি //

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি বন্ধ

 

যশোরের ৩ উপজেলায় চলমান “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্পের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন । প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া, হতদরিদ্র শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক পুষ্টি মান বজায় রাখা, সার্বজনীন শিক্ষাকে গতিশীল করার লক্ষ্যে শিশু শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধের লক্ষ্যে যশোর জেলার ৩ টি উপজেলায় “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” প্রকল্প চালু হয়।

 

যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলার যশোর সদর, ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলায় এ প্রকল্প চালু হয়।তিনটি উপজেলার মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ২৫৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫৭৫৪৮ জন শিশু শিক্ষার্থী, ঝিকরগাছা উপজেলার ১৩৩ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮২৯৩ জন শিশু শিক্ষার্থী ও চৌগাছা উপজেলার ১৩৯ বিদ্যালয়ের ২৮১০০ শিশু শিক্ষার্থী “ মিড ডে মিল” কর্মসূচির আওতায় থেকে উচ্চ পুষ্টি সম্পন্ন বিস্কুট খায়ানো হতো এবং একই সাথে ঝিকরগাছার ২০ বিদ্যালয়ের ৪২৫৪ শিশুকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় পুষ্টি সম্পন্ন খিচুড়ি খাওয়ানো হতো।

 

সর্বসাকুল্যে ৫২৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ লক্ষ ১০ হাজার শিশু শিক্ষার্থী এই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচির সুবিধাভোগী ছিল। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনা শুরু হওয়ায় গত ১৮ মার্চ থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বন্ধ হয়ে যায় চলমান “স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল” কর্মসূচি। শিশুদের পুষিহীনতার কথা বিবেচনা করে সরকার এই কর্মসূচি চালু করে।

 

কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী এ মাসেই “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা।আর এ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশা সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক ও শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে। সুবিধাভোগীরা চলমান কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানান।

 

আর এ “ স্কুল ফিডিং ও মিড ডে মিল ” কর্মসূচির সাথে সংশ্লিষ্টরা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলছেন, প্রকল্পের মেয়াদ যদি বৃদ্ধি না করা হয় তাহলে অনেক শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে ও বহু শিশু পুষ্টিহীনতার স্বীকার হবে।

 

তাই কর্মসূচিটি চালু রাখার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাংলাদেশ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এসােসিয়েশন এর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

 

বালিয়াডাঙ্গীতে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়ের ভিত্তিস্থাপন উদ্বোধনে এমপি দবিরুল

 

 ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৮০ লাখ টাকা ব্যায়ে দোগাছি উচ্চ বিদ্যালয়ের উর্দ্ধমূখী সম্প্রসারণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) দুপুর ১২ টার সময় ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব দবিরুল ইসলাম উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের দোগাছী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। ভিত্তি প্রস্তর ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, চাড়োল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দিলিপ কুমার চ্যাটার্জীর , উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল, জেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম সুজন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মইনুল হক, দোগাছি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম ভাষানী প্রমুখ ।

// মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

 

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ‘প্রত্যাখ্যান’ করল টাঙ্গাইলের শিক্ষার্থীরা

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি ফের বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘প্রত্যাখ্যান’ করে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে পৌর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানোর পেছনে করোনা পরিস্থিতি ও টিকার অপর্যাপ্ততাকে দায়ী করেছে সরকার। অথচ এমন পরিস্থিতিতে কলকারখানা, অফিস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, এমনকি গণপরিবহন কোনোকিছুই থেমে নেই। শুধু এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবিলম্বে ১ জুন থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানান তারা। এছাড়া বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকার কারণে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি প্রকৃতি ক্লাসের মাধ্যমে তুলে ধরেন তারা। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীবরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থী রিসা হায়দারের নেতৃত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন- নাফিস আরা রাফি, সানজিদা ইসলাম মীম, ইভানা জামান খান ঐশী, ফাতেমা রহমান বিথি, মো. ফাহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মধুখালী টু মাগুরা রেল লাইন।। স্বপ্ন নয় বাস্তব।। প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

 

খুলনার রূপসায় ”অনুশীলন মজার স্কুলে”র নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

 

 শিক্ষায় ঝরে পড়া ও কর্মজীবী শিশুদের শিক্ষা জীবন নিশ্চিত করতে ২০১৫ সাল থেকে রুপসা উপজেলাতে কাজ করে যাচ্ছে “অনুশীলন মজার স্কুল” নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

৮ মে বেলা ১১ টায় নৈহাটী ইউনিয়নের ইলাইপুরস্থ অনুশীলন মজার স্কুলের নবনির্মিত নিজস্ব ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা -৪ আসনের এমপি মহোদয়ের সহধর্মিনী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মিসেস সারমিন সালাম।

 

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও অধ্যক্ষ ফ.ম. আব্দুস সালাম, সাবরিনা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ শামছুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর খান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিনা পারভীন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি ও সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, এমপির কো-অর্ডিনেটর নোমান ওসমানী রিচি, সালাম মুর্শিদী সেবা সংঘের টিম লিডার শামছুল আলম বাবু।

 

বিদ্যালয়ের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক অলক চন্দ্র দাস এর সঞ্চালনায় শ্রমজীবী শিশুদের কল্যাণে করণীয় সম্পর্কে বক্তৃতা করেন প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, যুবলীগের সদস্য আশিষ রায়, ডিগ্রি কলেজের লেকচারার বিশ্বজিৎ পাল, রূপান্তরের প্রজেক্ট ম্যানেজার গোলাম মোস্তফা, সাবেক ইউপি সদস্য জোসনা খাতুন প্রমূখ।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

 

করোনার ক্রান্তিকালে স্বল্পপরিসরে পালিত হলো “কুুলটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়”-র শততম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

 

  যশোর জেলার সদরের কিছু অংশ,অভয়নগর- মনিরামপুর- কেশবপুর- ফুলতলা,ডুমুরিয়ার একটা বৃহৎ অংশে বসবাস ছিল সমাজের অবহেলিত, নিপীড়িত ও নিষ্পেষিত অন্তঃজ শ্রেণীর ।তাদের অধিকাংশেরই পেশা ছিল কৃষিকাজ ও মাছধরা ।

লেখাপড়ার কোন বালাই ছিল না বললেই চলে।আর এজন্য উচ্চ বর্ণের হিন্দুদের দ্বারা তারা সব সময় তুচ্ছ, তাচ্ছিল্য ও অবহেলার স্বীকার হতেন। লেখাপড়া না জানার কারণে অর্থনৈতিকভাবেও ঠকানো হতো।এছাড়া এই অন্তঃজ শ্রেণীর লোকেরা যদি কেউ শিক্ষা গ্রহনের জন্য আশেপাশের কোন মক্তব/ পাঠশালায় গেলেও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতো, পর্যাপ্ত সু্যোগদিত না ববং লেখাপড়া না শেখার জন্য হিতোপদেশ দিত।

কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় অন্তঃজ শ্রেণীর ভিতর আত্মোপলব্ধি হলো যে শিক্ষা ছাড়া কোন মুক্তি নাই। কৃষিকাজের সাথে সাথে ছেলেমেয়েদের ভিতর জ্ঞানের আলো প্রবেশ করানো ছাড়া এ শোষণ, বঞ্চনা থেকে মুক্তি মিলবে না।

এ জন্য তারা যশোর সদর,অভয়নগর, মনিরামপুর, কেশবপুর, ফুলতলা ও ডুমুরিয়া উপজেলার ৯৬ টি গ্রামের অধিবাসীরা মিলে স্বউদ্যোগে ১৯১৮ সালে প্রথম অভয়নগর ও মনিরামপুরের সীমান্তবর্তী মশিয়াহাটীতে একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ঐ বিদ্যালয়ে ছেলেদের পড়ার সুযোগ সৃষ্টি হলেও মেয়েদের পড়ার কোন ব্যবস্থা হলো না। তখন তারা চিন্তা করলো শুধু ছেলেদের শিক্ষিত করলে সমাজ পরিবর্তন হবে না।

করোনার ক্রান্তিকালে স্বল্পপরিসরে পালিত হলো “কুুলটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়”-র শততম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

সমাজটাকে পরিবর্তন করতে হলে সমাজের একটা বৃহৎ অংশ মেয়ে, তাদেরও পরিবর্তন দরকার। আর তাদের পরিবর্তন করতে গেলে নারী শিক্ষার কোন বিকল্প নেই।মা যদি শিক্ষার আলো পায় তাহলে ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করতে এই নারীরা বিরাট ভূমিকা রাখবে।

আর তাই সামাজিক শোষণ নিপীড়ন,অত্যাচার থেকে অবিভক্ত ভারতবর্ষের নারীদের রক্ষার জন্য এবং নারীর হৃদয়ে শিক্ষার আলো প্রজ্জ্বলিত করার মানসে যশোর জেলার মনিরামপুর ও অভয়নগর উপজেলার সীমান্তবর্তী ১৫ নং কুলটিয়া ইউনিয়নের নিভৃত পল্লীতে ১৯২১ সালের ২ মে কুলটিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিদ্যালয়টি ১৯২৪ সালে বৃটিশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া,খেলাধূলাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন ছিল আশাব্যঞ্জক। কুলটিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ফলে শিক্ষার ক্ষেত্রে নারীদের পূর্নজাগরণ হয়।সাথে সাথে ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের বাল্যবিবাহ,যৌতুক,শিশু অধিকার ও নারী নির্যাতন রোধ হয়।

এই বিদ্যালয় থেকে শিক্ষা গ্রহন করে অনেক মেয়েই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,উকিল, সরকারি আমলা,স্কল- কলেজেরশিক্ষকসহ, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দেশে ও দেশের বাইরে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত ও আলোক উজ্জ্বলিত। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ফলে অত্র এলাকায় নারী শিক্ষার যেমন প্রসার ঘটেছে তেমনি অন্তঃজ শ্রেণীর সমাজে শিক্ষার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে যা দেশের সার্বিক উন্নয়নের গতিকে তরান্বিত করেছে।

বিদ্যালয়টির শতবর্ষ পালন উপলক্ষে গত ২ বছর যাবত বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কুলটিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহন করে দেশে ও দেশের বাইরে যারা অবস্থান করছেন তাদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন অত্র বালিকা বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সুযোগ্য সভাপতি অবসর প্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ তপন কুমার বিশ্বাস, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মন্ডলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি শুরু হওয়ায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সকল কর্মসূচি বন্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র স্বল্প পরিসরে কোন অনুষ্ঠান ছাড়াই বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে শিক্ষক মন্ডলী ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা মিলে কেক কেটে অনাড়ম্বরপূর্ণভাবে পালন করা হয়েছে।

ফলে শিক্ষার্থী,অভিভাবকসহ সকল স্তরের জনগণের মধ্যে একটা অপূর্ণতা রয়ে গেছে। তবে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের বর্তমান সভাপতি ডা. তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির কারণে নিরবে ও নিভৃতে বিদ্যালয়টির শতবর্ষ উদযাপন করা হলো কিন্তু এই বিদ্যালয়ের প্রতিটি বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সাড়ম্বরে তাদের হৃদয়ে উদযাপন করেছে শততম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

একটি বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর শততমবর্ষ উদযাপন সত্যি বিরল। কুলটিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি তাদের পূর্বের গৌরব গাঁথা ধরে রেখে আরও আরও অনেক পথ এগিয়ে যাক এবং নারী জাগরণের দ্বীপশিখা হয়ে প্রতিটি নারীর হৃদয়ে প্রজ্জ্বলিত হোক এই প্রত্যয় ব্যক্ত করি।

// স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক //

আরও পড়ুন…

ভবদহের জলাবদ্ধতা

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…