লাকসামে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

//লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি //

কুমিল্লার লাকসামে প্রকাশ্যে কুপিয়ে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার খিলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনির হোসেন (৩৫) ঐ বাজারের রহমত উল্লাহর স’মিলের শ্রমিক। ঘাতক মাইন উদ্দিন (৩২) একই স’মিলের শ্রমিক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে স’মিলের এ দু’শ্রমিক বাজারের খবির উদ্দিনের হোটেলে ভাত খেতে যায়। খাবার টেবিলে উভয়ের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মাইন উদ্দিন হোটেলের বটি দা নিয়ে মনিরকে কোপাতে যায়। এসময় মনির প্রান বাঁচাতে দোকান থেকে বেরিয়ে কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কে নেমে দৌড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু মাইন উদ্দিন পিছনে দৌড়ে এসে সড়কেই মনিরকে বটি দিয়ে কোপায়। এতে মনিরের গলা কেটে গেলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে ঘাতক মাইন উদ্দিন পালানোর সময় লোকজন আটক করে পিটুনি দেয়।
২ সন্তানের জনক নিহত মনির হোসেনের স্ত্রী জরিনা আক্তার তার স্বামীর হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
লাকসাম থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক মাইন উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে।

পটুয়াখালী  বাউফলে গাঁজা সেবনের সময় আটক ৫, প্রত্যেককে ১বছর করে কারাদণ্ড প্রদান

//মোঃ তুহিন শরীফ, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে নিষিদ্ধ গাঁজা সেবনের সময় হাতেনাতে ৫জন কে আটক করেছে থানা পুলিশের সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যেককে ১শত টাকা জরিমানা সহ ১বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন দাসপাড়া-কালাইয়া ল্যাংড়া মুন্সির পোল সংলগ্ন মিজান মোল্লার কয়লার মাঠে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল-আমিন।

আটককৃত কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, ১/মোঃ ফোরকান মৃধা (৪০), পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর মৃধা, গ্রাম- কালাইয়া ২নং ওয়ার্ড। ২/মোঃ মেহেদী গাজী (২৮), পিতা মোঃ ইউনুস গাজী, গ্রাম- কালাইয়া ১নং ওয়ার্ড। ৩/মোঃ নান্নু হাওলাদার (৩০), পিতা মোঃ আবুল কালাম, গ্রাম- কালাইয়া ২নং ওয়ার্ড। ৪/মোঃ শাহীন বার্বুচী (৩৮), পিতা মৃত আলাউদ্দীন বার্বুচী, গ্রাম- পূর্ব খেজুরবাড়িয়া ৪নং ওয়ার্ড, দাসপাড়া। ৫/মোঃ রেজাউল কাজী (৪০), পিতা মৃত বাদশা কাজী, গ্রাম- কালাইয়া ২নং ওয়ার্ড, কালাইয়া, বাউফল, পটুয়াখালী।

এবিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আল-আমিন প্রতিবেদককে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে থানা পুলিশের সহায়তায় ওই ৫জন গাঁজাখোরদের গাঁজা সেবন অবস্থায় হাতেনাতে আটকপূর্বক প্রত্যেককে ১শত টাকা ও ১বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান চলমান রয়েছে। কেউ যদি সঠিক তথ্য দেয় সেখানেই উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালাবে।

বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক এক

//স্টাফ রিপোর্টার//

বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক যুবককে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকা সময় তাকে আটক করে বলে নিশ্চিত করেন বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী  পরিচালক এনায়েত হোসেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নথুল্লাবাদ বিআরটিসি কাউন্টারের বিপরীতে রাস্তার উপর একটি ঢাকা গামী বাসে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা আসতে আছে। সেই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় বরিশালের একটি টিম অভিযান পরিচালনা করেন।

উক্ত অভিযানে দেহ তল্লাশি করে এক হাজার পিস  ইয়াবাসহ যুবকের আটক করেন।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী কাশীপুর ২৯ নং ওয়ার্ড ইছাকাঠি এলাকার বাসিন্দা মোঃ আঃ গনি রাঢ়ীর পুত্র মোঃ আরিফ হোসেন (২৯)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাদী হয়ে এয়ারপোর্টে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

 

অভয়নগরে ব‍্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে মাদকদ্রব‍্য , ধবংস হচ্ছে যুব সমাজ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল,বিশেষ প্রতিনিধি‍//

যশোরের অভয়নগরে মাদকের নীল ছোবলে ধবংস হচ্ছে যুব সমাজ। দিন দিন এর প্রভাব ব‍্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিতে -গলিতে। প্রতিনিয়ত আনাচে -কানাচে বিক্রি হচ্ছে মাদক। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সমস্ত মাদক দ্রব‍্যের মধ্যে রয়েছে, বাংলা মদ, গাঁজা,ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ ভারতীয় নামিদামী ব্রান্ডের আরো অনেক নাম- নাজানা মাদক । রকমারী মাদকের প্রতি তরুণদের আসক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বিধবংসকারী মাদকের বিস্তার সমাজে যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে সচেতন অভিভাবক মহল উদ্ধিগ্ন। মাদকাসক্ত সন্তানের কারনে এক একটি পরিবার ধবংস হয়ে যাচ্ছে। মাদকাসক্ত সন্তানকে নিয়ে পরিবার গুলো দিশেহারা হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণামতে দেখা যায়, স্কুল -কলেজের শিক্ষার্থীরা ও মাদকাসক্ত হচ্ছে। যত্রতত্র চলছে মাদকের রমরমা বাণিজ্য। প্রতিনিয়ত রয়েছে নেশার আড্ডা, এর চাহিদা মেটাতে তরুণ -তরুণীরা ক্রমেই নেমে পড়েছে অপরাধ জগতে। অনেক শিক্ষার্থী নেশার মোহে পড়ে সম্ভাবনাময় জীবনকে অনিশ্চয়তার মধ‍্যে ঠেলে দিচ্ছে। ।মাদক হচ্ছে সকল অকল‍্যাণ ও অমঙ্গলের প্রধান উৎস। মাদকের নীল নেশায় ক্ষয়ে যাচ্ছে আমাদের তারুণ্য। মাদকতার গহীন প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে যুবসমাজ। মাদক সেবনকারীরা মানবরূপী নরপশুতে পরিনত হচ্ছে। মাদকদ্রব‍্য সেবন করে তার মোহিনী নেশায় বিভোর হয়ে কলঙ্কের প্রতীক হয়ে নির্দ্ধিধায় দিনাতিপাত করছে। বর্তমানে মাদক সেবন যেন একটি সামাজিক রীতি-নীতিতে এমনকি আধুনিকতায় রূপ নিয়েছে। নাবাল বৃদ্ধবনিতা সকলেই মাদকতার বিষাক্ত প্রেমে আসক্ত। ইহা সেবন করে মাতলামির শেষপ্রান্তে পৌঁছে স্বীয় কান্ডজ্ঞান বিবেক বুদ্ধিকে খুইয়ে তার মাতা-পিতা আত্মীয়-স্বজনদের সাথে প্রতিনিয়ত অশালীন আচরণ করছে। এমনও খবর পাওয়া গেছে, মাদক সেবনকারিরা পিতা-মাতাকে করছে শারীরিক ও মানসিক ভাবে লাঞ্ছিত। লোক লজ্জার ভয়ে অনেক পিতা- মাতা নীরবে তা সহ‍্য করে যাচ্ছে। এসমস্ত মানবরূপী দানবেরা স্বীয় গৌরব ও কৃষ্টি কালচারকে ভুলতে বসেছে। সভ‍্য নামের নোংরামি অসভ‍্যতা আজ মানব সমাজকে ধবংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে। তথ‍্যানুসন্ধানে জানাগেছে, অভয়নগর উপজেলার গাজীপুর,রাজঘাট,প্রফেসরপাড়া,ধোপাদী,ড্রাইভারপাড়া, বনগ্রাম,সুন্দলী, সরদার মিল, ভাঙ্গাগেট, চেঙ্গুটিয়া, প্রেমবাগ, ভৈরব ব্রীজের আশেপাশে, দেয়াপাড়া,শংকরপাশা, কোদলা, মথুরাপুর,রাঙ্গারহাট,হরিশপুর,পাঁচুড়িয়া, বাঘুটিয়া,সিংগাড়ী,গোপিনাথপুর, সিদ্দিপাশাসহ বিভিন্ন প্রত‍্যন্ত অঞ্চলে এখন বকাটে যুবকেরা মাদক সেবনসহ তা বিক্রি ও করছে। এসব এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত দেখা যায় বকাটে যুবকদের আনাগোনা। এরা মাদক সেবনে আসক্ত হয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরো অভিযোগ উঠেছে যে, বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব‍্যবসায়ীরা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ছত্রছাঁয়ায় থেকে বুক ফুলিয়ে দেদারসে করে যাচ্ছে মাদক ব‍্যবসা। ”পুলিশ -প্রশাসন” এর নাড়ি নক্ষত্রের সব খবরাখবর জানেন অথচ কেনযে নীরব ভূমিকা পালন করছেন তা বোধগম্য নয়। মাদক সম্রাটরা থেকে যাচ্ছে প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। বর্তমানে মাদক ব‍্যবসায়ি ও মাদক সেবীর তালিকা দিনে দিনে দীর্ঘ হচ্ছে, কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছেনা এ অবৈধ মাদক কারবার। ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যুবসমাজ। অভয়নগরে মাদকের বিস্তৃতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। তরুণ ও যুবসমাজ ব‍্যাপকহারে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।বর্তমান সমাজে মাদক জন্ম দিচ্ছে একের পর এক অপরাধ। শুধু মাদকের কারনে ,ছেলের হাতে পিতামাতা, স্বামীর হাতে স্ত্রী, ভাইয়ের হাতে ভাই, প্রেমিকের হাতে প্রেমিকাখুন হওয়ার ঘটনা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় খবর বের হয়েছে। মাদকের ছোঁয়ায় সম্ভাবনাময় তরুণরা অধঃপতনের চরম শিখরে উপনীত হচ্ছে। মাদকের ক্ষতিকারক ও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে সাবেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচালক, মানসিক হাসপাতালের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও ঝিনাইদহ জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ কেরামত আলী ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, মাদকদ্রব্য হলো একটি রাসায়নিক দ্রব্য, যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে ও আসক্তি সৃষ্টি করে । মাদকের প্রভাবে মানসিক আচ্ছন্নতা ,মেজাজ ,শারীরিক-মানসিক ও রক্তচাপ পরিবর্তন হয় । মাদক গ্রহণে ব্যক্তির এমন এক ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়, যার ফলে মাদক সেবনকারী ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক অনুভূতির এক ধরনের পরিবর্তন আসে যাকে তারা নেশা হিসেবে বিবেচনা করে । মাদক গ্রহণ করলে মানুষের শারীরিক মানসিক অবস্থার ব্যাপক নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটে এবং মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীলতা সৃষ্টির পাশাপাশি দ্রব্যটি গ্রহণের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, ব্যক্তির এই অবস্থাকে বলে মাদকাসক্তি । জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য আব্দুর র‌উফ মোল্যা বলেন, সুশীল সমাজ ধ্বংসের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে – ‘মাদক । মাদক একটি ভয়াবহ সমস্যা । পুলিশ প্রশাসনকে আরো আন্তরিক হতে হবে কারণ দেখা যাচ্ছে মাদক মুক্ত এলাকায়‌ই বেশিরভাগ মাদক সেবন ও বিক্রি চলছে । মাদক নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশের কি ভূমিকা রয়েছে তা জানতে চাইলে অভয়নগর থানার পুলিশ পরিদর্শক একে এম শামীম হাসান জানান, জনগণের সাথে মিশে সহজে খোঁজ খবর নেয়ার উদ্দেশ্যেই বিট পুলিশিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে বলে জানান এ কর্ম‌কর্তা ।

ওসি ইব্রাহিম সোহেলের নেতৃত্বে অভিযান// ১০হাজার পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৬

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

কক্সবাজার জেলার উ‌খিয়া থানাধীন তাজনিমারখোলা সাকিনের এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন ব্লক-এ/২ মোঃ ইউনুস এর দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ৪,০০০ (চার হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানাগেছে, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সর্দার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল আলম সঙ্গীয় মোবাইল-১৩ পার্টি সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২২অক্টোবর  ১০ঃ০৫ ঘটিকায় অভিযান চালায়।

এসময় এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন এ/২ ব্লকে মোঃ ইউনুস এর দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে  সাবের (৫৫) পিতা-মৃত আমির হোসেন, এফসিএন-২১২৩৫৯, ব্লক-জি/২ ও সমসু (২৮) পিতা-মৃত মুছা আলী, এফসিএন-২১৮৪৪২, ব্লক-জি/৫, উভয়ই ক্যাম্প-১৩ দ্বয়ের নিকট হতে ৪,০০০ (চার হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট উদ্বার করা হয়।

 যার আনুমানিক মূল্য ১২,০০,০০০ (বারো লক্ষ) টাকা।

এছাড়া  কক্সবাজার জেলার উ‌খিয়া থানাধীন তাজনিমারখোলা সাকিনের এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন জি/২ ব্লকের বসবাসকারী মোঃ হারেছ এর বসতঘর হতে ৬হাজার পিচ ইয়াবাসহ ৪জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানাযায়, গত২২ অক্টোবর বিকাল৩ঃ৩০ ঘটিকায় পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) সর্দার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল আলম, এসআই(নিঃ) সঞ্জয় দত্ত, এএসআই(নিঃ) মোঃ হাসান মোরশেদ সঙ্গীয় মোবাইল-১৩ পার্টি সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চানানো হয়।

এসময় এফডিএমএন ক‌্যাম্প-১৩ এর আওতাধীন জি/২ ব্লকে বসবাসকারী মোঃ হারেছ এর বসতঘর হতে  দীল মোহাম্মদ (২৩) পিতা-সুলতান আহাম্মদ এফসিএন-১৮৯৭৩২, ব্লক-এ/৭, ক্যাম্প-১৮,  আব্দুল নুর (২৮) পিতা-মৃত মোঃ সিদ্দিক  এফসিএন-২২১৬৮০, ব্লক-ডি/৩, ক্যাম্প-১৫,  সৈয়দুল আমিন (২৮) পিতা-মিয়া হোসেন, এফসিএন-২৭৫৫৪২, ব্লক-এফ/৫, ক্যাম্প-১৩,  মোহাম্মদ হারেছ (১৮) পিতা-সাবের, এফসিএন-২১২৩৫৯, ব্লক-জি/২, ক্যাম্প-১৩ গণের নিকট হতে ৬,০০০ (ছয় হাজার) পিস এমফিটামিন যুক্ত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট যার আনুমানিক মূল্য ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) টাকা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৭০,৩৩০/- (সত্তর হাজার তিনশত ত্রিশ) টাকা উদ্ধারকরা হয়।

পরবর্তীতে তাদেরকে আটক করে জব্দকৃত আলামত সহ তাজনিমারখোলা পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। উখিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বহুলালোচিত মহিলা প্রতারক আছমার কুকর্মের গোমর ফাঁস: থানায় অভিযোগ

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ
যশোরের বসুন্দিয়া অভয়নগর সীমান্তে ঘুনীর বহুলালোচিত মহিলা এসিড সন্ত্রাসী, প্রতারক, মামলাবাজ আছমার কুকর্মের গোমর ফাঁস হয়েছে। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী তার কুকর্মের তথ্য উর্দ্ধতন পুলিশ প্রশাসনের কাছে জমা দিয়েছেন। চলতি মাসের ১১ (অক্টোবর) মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে যশোর কোতয়ালী থানায় একের পর এক দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আছমার মিথ্যা অভিযোগে একাধিক মামলার আসামী ইতোমধ্যে আদালত থেকে রেহাই পেয়েছেন। এ ছাড়াও পুলিশের খাতা থেকে এক করে মিথ্যা মামলার তদন্ত স্বাপেক্ষে মিথ্যা প্রমানিত হচ্ছে। যশোর সদর উপজেলার ঘুণির শাখারিপাড়ার বহুলালোচিত মোছাঃ আছমা আক্তার (৩৬)। তিনি নিজেকে বাচাঁতে নিত্য নতুন ফন্দি আটছেন। তার মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে এলাকার আব্দুল গফুর ব্যাপারি, শফিক ভুইয়া, মনিরুল ইসলাম মনির ,আবুল কালাম আজাদ, শাহজালাল ব্যাপারি, শাহ আলম ব্যাপারি, জেসমিন আক্তার, সৈয়েদা আক্তার ,নাসরিন বেগম, নাজমা বেগম ,নাসিমা আক্তার, অন্তু রহমান, জামাল হোসেন, নাজিম হোসেন, কামরুল হোসেন, খয়বার খাঁ, বাদশা মিয়া, টুকু হোসেন, মিল্টন হোসেন ,আব্বাস ইসলাম ,মোতালেব হোসেন, নুর ইসলাম, নুর আলি, রফিকুল ইসলাম, আলা ব্যাপারি, করিম ব্যাপারি, সবুজ হোসেন, আফরোজা বেগম, সেতু বেগম, বিলকিস বেগম, মরিয়ম বেগমসহ অন্যন্যেরা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এর আগে মিথ্যা মামলা থেকে রেহায় পেতে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলনসহ মানববন্ধনে করেন। আছমার করা মনিরের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাত মামলায় পুলিশের তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত ও ডাক্তারি
পরিক্ষায় ধষর্নের কোন আলামত মেলেনি। বিষয়টি নিয়ে ইতো মধ্যে আছমার চক্রান্তের গোমর ফাঁস হয়েছে। বর্তমানে সে নতুন কৌশল করে আবারও থানা ও প্রশাসনের দপ্তরে যেয়ে কান্নাকাটি করে এলাকাবাসীদের হয়রানী করার পায়তারা করছেন বলে জানায় এলাকাবাসী। ছলনাময়ী নারী আছমা বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদিকদের সাথে ও প্রতারণা করছেন। তার এই অভিযোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে থানা পুলিশের স্মরণাপন্ন হয়েছেন ভুক্তভোগিরা। নাভারণ এলাকার তার প্রথম স্বামী প্রবাসী আরিফুল ইসলাম পিন্টুর আয়করা সমস্ত অর্থ প্রতরানার মাধ্যমে আত্মসাত করেন। স্বামী প্রবাসে থাকা অবস্থায় তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। যার প্রমাণ ঝিকরগাছা থানার বাকী করিম আলী গ্রামের শুকুর আলীর সঙ্গে মিথ্যা বিয়ের প্রতারনা করে ৫ লাখ টাকা আদায় করেন। এরপর নাভারণ গ্রামের রাজু আহমেদের সাথে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মোবাইলসহ মোটা অংকের অর্থ হাতিতে নেয়। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বসুন্দিয়া, ঝিকরগাছা, নাভারণ, শার্শা, বেনাপোল যশোরসহ অনেকের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ও আছে। ভুক্তভোগিদের মধ্যে জেসমিন বেগম (৩০) বলেন, আছমা আক্তার আমার নামে থানায় ও আদালতে ১৪টি মামলা করেন, তার‌ই কারণে এই এলাকাবাসী সাধারণ মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে। ওই নারীর মাদক সেবন এবং এলাকায় আপত্তিকর কাজে বাঁধা দেয়ায় আমি মিথ্যা মামলার ঘানি টানছি। অসহায় নাসরিন খাতুন বলেন, নিজের ছোট ভাইয়ের সাথে আমাকে বিয়ে দিয়ে বর্বোচিত নির্যাতন করে দিনের পর দিন ভাতের পরিবর্তের পশু খাদ্য খাইয়ে এবং এসিডে মুখ ঝলসে দিয়েছে। মামলাবাজ আছমার হাত থেকে রক্ষা পেতে অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ওই নারী মনিরুল ইসলাম মনিরকে স্বামী দাবি করে আদালতে মিথ্যা মামলা করে হয়রানী করে আসছে। সেই সাথে একের পর এক ষড়যন্ত্রের শিকার করছেন তাকে। প্রবীণ আব্দুল গফুর ব্যাপারি(৭২) বলেন, আছমা আক্তার এলাকায় বেপরোয়া চলাফেরা করতেন, এর প্রতিবাদ করাতেই আমাকে জড়িয়ে ডাকাতি ও চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। ভুক্তভোগী ও বাদী মনিরুল ইসলাম বলেন, অনেকই তার কাছ থেকে ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলা থেকে বাদ যায়নি। বর্তমানে যশোর আদালত সংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকেও সে একের পর এক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই মিথ্যা মামলার ঘানি টানতে টানতে এবং নানা ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছেন। মামলাবাজ ভয়ংকর এ নারীর হাত থেকে পরিত্রাণ চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এ ব্যপারে যশোর কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ তাজুল ইসলাম বলেন, ওই মহিলার ব্যপারে অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরগুনার আমতলীতে জালটাকা সরবরাহকারী চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলীতে গতকাল শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে জালটাকা সরবরাহকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আমতলী থানা পুলিশ।

আমতলী থানা সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে আমতলী থানার এস আই জ্ঞান কুমারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোঃ জীবন শেখ (২০) শেখ ইমরান হোসেন (২৮) মোঃ রাকিব (১৯) এর কাছে থাকা  ১,৭০,৫০০/- (এক লক্ষ সত্তর হাজার পাঁচশত) টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে,জালটাকা সরবরাহকারীরা উপজেলার খেকুয়ানী বাজা্রেরএকটি দোকানে জালটাকা দিয়ে ক্রয় বিক্রয় করার সময় প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে থানা পুলিশ তাদেরকে তল্লাসী করে বেশ কিছু জাল টাকায় পায়।পরে তাদের গ্রেফতার করার পর তাদের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পটুয়াখালীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক লক্ষ সত্তর হাজার পাঁচশত টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত তিনজনের মধ্যে জীবন শেখ ও ইমরানের বাড়ী বাগেরহাট জেলায় ও রাকিবের বাড়ী ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলায়।

এঘটনায় আমতলী থানার এস আই জ্ঞান কুমার বাদী হয়ে জালনোট সরবরাহকারীদের  বিরুদ্ধে আমতলী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন,গ্রেফতারকৃতদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোটের্র মাধ্যমে বরগুনা জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

র‍্যাবের যৌথ অভিযানে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামী গ্রেফতার

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ০২(দুই) এজাহারভুক্ত আসামীকে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং র‌্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী ক্যাম্প একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেফতার করেছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে ২১/১০/২০২২ইং তারিখ রাত ১৭ঃ৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার যাত্রাবাড়ী থানাধীন রায়েরবাগ এলাকায় পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার ০২(দুই) এজাহার নামীয় পলাতক আসামী অবস্থান করিতেছে। উক্ত প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে সততা যাচাইয়ের লক্ষ্য  উক্ত স্থানে পৌছাইলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পাইয়া আসামীরা পালানোর চেষ্ঠাকালে আনুমানিক ১৯:৩০ ঘকিটার সময় মোঃ জামাল হাং(৩৫) এবং মোঃ বসির হাং(৪৫), উভয় পিতা-মোঃ মোফাজ্জেল হাং, উভয় সাং-বড়শিবা, ০৭নং ওয়ার্ড, উভয়- থানা- গলাচিপা, জেলা-পটুয়াখালীদেরকে ধৃত করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, গত ২৫ জুলাই ২০২২ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ১৯ঃ১৫ ঘটিকায় পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানাধীন চর কাজল ইউনিয়নের বড়শিবা ০৭নং ওয়ার্ডস্থ সুলুইজ বাজার এলাকায় জমিজমা নিয়া দীর্ঘদিনের দ্বন্ধের জের ধরে চায়ের দোকানের মধ্যে নুর খান নামে একজন ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। যার মামলা নং-১৮/২২, তারিখ-২৬ জুলাই ২০২২ইং।ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ পেনাল কোড।

বরগুনার তালতলীতে  র‌্যাবের হাতে ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক মাদক বিরোধী অভিযানে রাহুল মৃধা নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

আজ ২০/১০/২০২২ইং তারিখ আনুমানিক ১৭ঃ১০ ঘটিকায় তালতলীতে একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আনুমানিক ১৪:২০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা জেলার তালতলী থানাধীন কচুপাতা ০১নং ওয়ার্ড সংলগ্ন বটতলার মোড় থেকে ৫০ গজ দক্ষিন দিকে পাঁকা রাস্তা উপর কে বা কাহারা মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়/বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করিতেছে। প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কোম্পানী অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার জনাব তুহিন রেজার নের্তৃত্বে আনুমানিক ১৭ঃ১০ ঘটিকার সময় উল্লিখিত স্থানে পৌঁছাইয়া ০১ জন ব্যক্তিকে দৌড়াইয়া পালানোর চেষ্টা কালে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সের সহায়তায় তাহাকে ঘেরাও পূর্বক আটক করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীর নাম হলো মোঃ রাহুল মৃধা(২৮), পিতা-মোঃ মহারাজ মৃধা, সাং-চরপাড়া, ০৫নং ওয়ার্ড, ইউপি-ছোটবগী, থানা-তালতলী, জেলা-বরগুনা। এ/পি-তালতলী সদর সংলগ্ন মিন্টু মিয়ার বাড়ির সামনে (তাসলিমা বেগম এর বাড়ির ভাড়াটিয়া), থানা-তালতলী, জেল-বরগুনা। ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বীকার করে পেশায় সে একজন মোটরসাইকেল চালক হলেও মাদকই তার প্রকৃত ব্যবসা। উক্ত আসামীর নিকট হতে ৬৮(আটষট্টি) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। কথিত ইয়াবা ট্যাবলেটের বাজার মূল্য অনুমান ১৭,০০০/- (সতের হাজার)টাকা। ধৃত আসামী অত্র থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়/বিক্রয় করিয়া আসিতেছে।

উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব বাদী হয়ে বরগুনা জেলার তালতলী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করে।

বাগেরহাটের রামপালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩ মাদকসেবির ৬ মাস কারাদণ্ড

এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

বাগেরহাটের রামপালে ৩ মাদকসেবিকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। রামপাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দিন দিপু আদালত বসিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার এর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর মিলন কুমার মুখার্জি সহ একটি টিম নিয়ে উপজেলার কুমলাই ও চাকশ্রী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা থেকে সোয়া ৯ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে আটক করা হয়।

ওই সময়ে তাদের কাছ থেকে মোট ২৫০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। আটককৃতরা হলো কুমলাই গ্রামের মো. ডালিম শেখ (৩০), চাকশ্রী গ্রামের শেখ রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার পুত্র তরিকুল ইসলাম (২৫)। আটককৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।