নড়াইলের কালিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালত ব্যবসায়ীদের জরিমানা করেছে

 

নড়াইলের কালিয়ায় সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অপরাধে উপজেলার বাকা ও বড়দিয়া বাজারে ব্যবসায়ীদের জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম। ২৫ জুন (শুক্রবার) বিকেলে এ জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত সুত্রে জানা যায়, বাকা বাজারে ৫ ব্যবসায়ীকে ৩ হাজার টাকা এবং বড়দিয়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী উপজেলার পাটনা মৃত সাহেব খানের ছেলে নাসির খানকে ৫ শত, চোরখালী গ্রামের মৃত নিরঞ্জন রায়ের ছেলে (মুরগী ব্যবসায়ী) সুভংকর রায়কে ৫ শত, ভাউড়িরচর গ্রামের পিন্টুর ছেলে (মুরগী ব্যবসায়ী) আঃ রহিমকে ৫ শত, বি-পাটনা গ্রামের আঃ আজিজের ছেলে সেলুন ব্যবসায়ী মানিক বিশ্বাসকে ৫ শত, চোরখালী গ্রামের মৃত আসাদ খানের ছেলে কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার বনি আমিনকে ৫ শত, লোহাগড়া উপজেলার চাপুলিয়া গ্রামের মাহাল মোল্যার ছেলে কাঁচামাল ব্যাবসায়ী অছেল মোল্যকে ৫শত, মঙ্গলপুর গ্রামের সোহরাব মোল্যার ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী রাকিব মোল্যাকে ৫শত, চোরখালী গ্রামের দুলাল দাশের ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী দেবু দাশকে ১হাজার, চোরখালী গ্রামের মৃত আজিজ মোল্যার ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী এস্কেন্দার মোল্যাকে ৫ শত এবং একই গ্রামের মৃত আইব মোল্যার ছেলে কাঠ ব্যবসায়ী টুটুল মোল্যাকে ৫শত টাকাসহ সর্বমোট ৯হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নড়াইলে কঠোর লকডাউন চলছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখায় ভ্রাম্যমান আদালতের ২৬৯ ধারায় অপরাধী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদেরকে এ জরিমান করা হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 //মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অনিয়ম অপরাধ নির্মূল করাই আমাদের কাজ: ওসি মোশাররফ

 

 

খুলনায় ৯৪ জনকে ১ লক্ষ ২১ হাজার ২ শত ৫০ টাকা জরিমানা ও ১৩ জনের জেল

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলা খুলনায় বাঁধ ভাঙা জোয়ারের ন্যায় সংক্রমিত হচ্ছে। সংক্রমনের হার বেড়ে যাওয়ায় জেলা পর্যায়ে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তারই প্রেক্ষিতে খুলনা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় খুলনা মহানগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় স্বাস্থ্যবিধি পালন নিশ্চিত করণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালিত হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে খুলনা মহানগর ও উপজেলায় মোট ৯৪ টি মামলায় ৯৪ জনকে ১ লক্ষ ২১ হাজার ২ শত ৫০ টাকা জরিমানা আদায় ও ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যতদিন করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসবে ততদিন জনসচেতনতার জন্য এধরণের মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে।

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা করেছে মোবাইল কোর্ট । বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সীমান্তবর্তী জেলা খুলনা,যশোর, সাতক্ষীরা,চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, নাটোর,রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জসহ ১৩ জেলায় টর্ণেডোর মতো হঠাৎ করে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

 

ফলে বিভিন্ন সময় জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে জারিকৃত গণবিজ্ঞতির নির্দেশনাসমূহ- মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, গণজমায়েত না করা,স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজারে ক্রেতাবিক্রেতা নিয়মনীতি মেনে দোকানপাট খুলছে কিনাসহ যাবতীয় নির্দেশনাসমূহ সঠিকভাবে প্রতিপালিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করতে খুলনা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

খুলনায় ২৭ মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 

তারই ধারাবাহিকতায় করোনাকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করণে খুলনায় পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সরকারি আদেশ অমান্য করার অপরাধে সংক্রমণ রোগ (প্রতিরোধ,নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের বিভিন্ন ধারা মোতাবেক ২৭ টি মামলায় ২৭ জনকে ৭২ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা করা হয়।

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে জেলা প্রশাসক কর্তৃক মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

 

 

কারাগারে নাফিরে হাসপাতালে আয়েশি জীবনে ভিআইপি বন্দিরা

 

কারাগারে নাফিরে হাসপাতালে থেকে যাচ্ছে নানা রোগের ছুতোয় , হাসপাতালে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন ‘ভিআইপি বন্দিরা’। খুন, অস্ত্র, মাদক ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার আসামি হয়েও ঘুরেফিরে তারা পছন্দের হাসপাতালেই থাকছেন। এদের একজন প্রথম বারে টানা ৮ মাস এবং বর্তমানে সাত মাস ধরে হাসপাতালেই আছেন। অন্যদিকে এক বন্দি হাসপাতালে ছিলেন টানা ১৬ মাস।

 

২৭ বার চিঠি দিয়ে তাকে কারাগারে ফেরাতে হয়েছিল । কিন্তু কাজ হয়নি। আরও অনেকেই আছেন যারা মাসের পর মাস বিভিন্ন হাসপাতালে আছেন। কারাগার ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি চক্র মোটা টাকার বিনিময়ে অসুস্থতার অজুহাতে তাদের হাসপাতালে থাকার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। অথচ গ্রেফতারের আগে এসব আসামি সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে চষে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশ।

 

অভিযোগ আছে, এরা প্রভাব খাটিয়ে হাসপাতাল কেবিনেই গড়েছেন ‘স্থায়ী নিবাস’।

 

সেখান থেকেই চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসা-বাণিজ্য। মুক্তজীবনে ফিরতে নানা মহলে তদবিরও করছেন। অথচ সাময়িক সময়ের চিকিৎসার জন্য তাদের কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তাদের ফেরত পাঠানোর কথা থাকলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তা করছেন না। ফলে এদের অনেকেই বন্দি জীবনের বেশির ভাগ সময় ঘুরেফিরে হাসপাতালেই কাটাচ্ছেন। কারাগার থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পাঠানো চিঠির সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য।

 

জানা গেছে, যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, বিতর্কিত ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীম ও ডেসটিনি গ্রুপের কর্ণধার রফিকুল আমীন কারাগারে ‘ভিআইপি বন্দি’ হিসেবে পরিচিত। কারণ গ্রেফতারের পর থেকেই তারা ঘুরেফিরে কারাগারের চেয়ে হাসপাতালেই বেশি সময় থাকছেন। মাঝে মধ্যে কঠোর সমালোচনার মুখে তাদের কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও থাকেন কারা হাসপাতালে। তাদের কখনোই কারাগারের সাধারণ সেলে থাকতে হয়নি। এ কারণেই এদের গায়ে লেগেছে ভিআইপি তকমা। এমন আরও অনেক প্রভাবশালী বন্দি আছেন যারা কারাবাস নয়, হাসপাতাল বাসে পার করছেন সাজার মেয়াদ।

 

এ ব্যাপারে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সম্রাটের শারীরিক অবস্থা খুব বেশি ভালো নয়। তার কার্ডিয়াক সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। তাই তিনি হাসপাতালে আছেন। জি কে শামীমকে পাঠানোর পর করোনা ধরা পড়ে। আর রফিকুল আমীনের ডায়াবেটিস খুব বেশি ওঠানামা করছে তাই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এদের নিরাপত্তা দিতে দৈনিক নিয়োগ করা হয় ২০০ কারারক্ষী। এতে কারা কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হয়।

 

তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কারা অধিদপ্তরের ঢাকা ডিভিশনের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) তৌহিদুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘অসুস্থ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে কারা কর্তৃপক্ষ বন্দিদের হাসপাতালে পাঠায়। কিন্তু ছাড়পত্র দিয়ে ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। কারা কর্তৃপক্ষ প্রতি ১৫ দিন পর আসামিদের ফেরত পাঠানোর তাগাদা দিয়ে চিঠি পাঠাচ্ছে।’

 

কারা কর্তৃপক্ষের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসএমএমইউর উপাচার্য শারফুদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ‘কারাগারের অধীনে আমাদের এখানে একটি ইউনিট চলে। অসুস্থ হাজতি ও কয়েদিদের কারা কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা অনুযায়ীই এখানে ভর্তি করা হয়। সুস্থ কাউকে এখানে থাকতে দেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই। কেউ সুস্থ হয়ে থাকলে কারা কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় তাকে নিয়ে যেতে পারে। চিকিৎসা ছাড়া বা অসুস্থ নয় এমন কেউ থাকলে পরিচালককে বলব তাদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে।

 

সংশ্লিষ্ট নথিপত্রে দেখা গেছে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর গ্রেফতারের পর মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে বহিষ্কৃত হন ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। তার বিরুদ্ধে মাদক, অস্ত্র আইন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়। গ্রেফতারের পর তিনি কিছুদিন কারা হাসপাতালে ছিলেন। মাসখানেকের মধ্যেই ওই বছরের ২৪ নভেম্বর তিনি ‘বুকে ব্যথা’ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভর্তি হন। সে দফায় তিনি হাসপাতালে ছিলেন টানা ৮ মাস।

 

ভর্তির পর গত বছরের জুলাই পর্যন্ত তাকে ফেরত পেতে কারাগার থেকে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষকে ১১টি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে তখন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। সেখানে গিয়েও তিনি কারা হাসপাতালেই থাকেন।

 

সবশেষ ফের তিনি বিএসএমইউতে ভর্তি হন গত বছরের ২৪ নভেম্বর। এখন পর্যন্ত তিনি আছেন প্রিজন এনেক্স ভবনের কেবিনে। তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে এ পর্যন্ত ১০টি চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবশেষ চিঠি দেওয়া হয় গত ১ জুন। কিন্তু তাকে ফেরত পাঠাচ্ছে না বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।

 

তবে কারাগারের এক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, সম্রাটের শারীরিক অবস্থা আসলেই ভালো নয়। নানা ধরনের জটিলতায় ভুগছেন তিনি। তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। একইভাবে গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর গ্রেফতারের পর ঘুরেফিরে হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে আয়েশি সময় কাটাচ্ছেন বিতর্কিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীম। শেষ দফায় তিনি গত ১৫ এপ্রিল বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন।

 

‘বুকে ব্যথা’ অনুভব করলে অস্ত্র ও মাদক মামলার এই আসামিকে কারাগার থেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে দুই দিনের মধ্যে তাকে কারাগারে পাঠানোর কথা। কিন্তু এখনো তাকে ফেরত পাঠানো হয়নি। এ কারণে মে মাসে দুটি ও সবশেষ ১ জুন একটি চিঠি দেওয়া হয়। অভিযোগ আছে, মোটা টাকা খরচ করে অসুস্থতার ছুতায় হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে থাকেন জি কে শামীম।

 

পরিচিতজনদের সঙ্গে নিয়মিত দেখাসাক্ষাৎ করেন। সেখানে বসেই তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য চালাচ্ছেন। জামিনের জন্য তদবিরও করছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে এখনো কোনো মহল থেকেই সবুজ সংকেত পাননি বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে। আগের দফায় গত বছরের ৪ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হলে ৭ বার চিঠি চালাচালির পর কারাগারে ফেরত পাঠানো হলেও কয়েদিদের সেলে থাকেননি তিনি। থেকেছেন কারা হাসপাতালে।

 

হাসপাতালে থাকার ক্ষেত্রে সম্রাট-শামীমকেও পেছনে ফেলেছেন ডেসটিনি গ্রুপের কর্ণধার রফিকুল আমীন। নানা বাহানায় তিনি টানা এক বছরের বেশি সময়ও হাসপাতালে আয়েশি সময় কাটিয়েছেন। শেষ দফায় গত ১১ এপ্রিল তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তাকে ফেরত দিতে এরই মধ্যে তিন দফা চিঠি দেওয়া হয়েছে। কারা নথিতে দেখা গেছে, ২০১২ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর রোগী হিসেবে বেশির ভাগ সময় রফিকুল আমীন বারডেম ও বিএসএমএমইউ হাসপাতালে থেকেছেন।

 

তিনি সর্বোচ্চ টানা ১ বছর ৪ মাস হাসপাতালে থেকেছেন। তখন তাকে ফেরত নিতে ২৭ বার চিঠি পাঠানোর বিষয়টি ফাঁস হলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই সময় তাকে কারাগারে ফেরত পাঠাতে বাধ্য হয়েছিল বিএসএমএমইউ। কিন্তু বেশিদিন কারাভ্যন্তরে থাকেননি তিনি। আবার ফিরেছেন বিএসএমএমইউতে। তবে তিনি অসুস্থ বলে দাবি করেছেন তার স্বজন ও কারাগারের চিকিৎসকরা।

 

এদিকে অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষিকা জয়ন্তী রেজা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজম রেজাসহ ২০ থেকে ৩০ জন বন্দি সুযোগ পেলেই নানা ছুতোয় সব সময়ই বিভিন্ন হাসপাতালে কাটান বলে কারা নথিতেই তথ্য রয়েছে।

 

আইনবিদ ড. শাহদীন মালিক যুগান্তরকে বলেন, এই বেআইনি সুযোগ-সুবিধা থেকে স্পষ্ট, এরা অপরাধ জগতের ক্ষমতাধর ব্যক্তি। এদের প্রচুর অর্থবিত্ত আছে। কাদের সুপারিশে দীর্ঘ সময় ধরে তারা হাসপাতালে থাকছেন, তা-ও দেখা উচিত। যারা কারাগারে যাচ্ছেন বা আছেন, তাদের চিকিৎসাসেবা পেতে অনেক ক্ষেত্রে আদালতের আদেশ লাগছে। এসব বন্ধে কারাগারের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির অনুসন্ধান করা উচিত।

 

::অনলাইন নিউজ::

Dainik Biswa

অভয়নগরে গরীবের একমাত্র ভরসা কেন্দ্র আলমদিনা হাসপাতাল

 

 

মাগুরায় ক্লু লেস বস্তাবন্দি লাশের হত্যাকারী আটক

 

মাগুরায় ক্লু-লেস বস্তাবন্দি লাশের হত্যাকারী আটক এবং নিখোঁজ থাকা পা ও মাথা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ।  চাঞ্চল্যকর আজিজুর খুনের আটককৃত আসামির নাম আশরাফ, মাগুরা সদরের চাউলিয়া ইউনিয়নের মালিকগ্রামে তার বাড়ি।তাকে আজ যশোরের শার্শা থেকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

 

তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী মাগুরা সদরের ঘোড়ানাছ এলাকার,জগদল বি এন পির মোড় নামক এলাকার একটি কালভার্টের ভিতর থেকে নিহতের নিখোঁজ থাকা একটি পা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাথা উদ্ধার করেছে পার্শ্ববর্তী একটি পাটক্ষেত থেকে।আটক আশরাফ মাগুরা সদরের পারলা বেলতলা নামক এলাকায় ঔষুধের ব্যবসা করতেন।

ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়িক লেনদেনের কারনে এই জঘন্য হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

//সুজন মাহমুদ, জেলা প্রতিনিধি মাগুরা//

Dainik Biswa

রাস্তা নির্মাণের আড়ালে কোটি টাকার অর্থ-বাণিজ্য

 

 

গজারিয়ায় ভোক্তা অধিকারের মোবাইল কোর্ট অভিযানে অর্থদন্ড

 

গজারিয়ায় ভোক্তা অধিকারের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ঝটিকা অভিযানে পরিচালিত মোবাইল কোর্টে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন অভিযোগ সত্যতা মেলায় আলাদা তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ভিন্ন দায়ে ভিন্ন অংকের অর্থদন্ড করা হয়।

 

আজ ১৪ জুন সকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলা সহকারি পরিচালক আসিফ আল আজাদ নির্বাহী বিচারক দায়িত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতটি পরিচালিত হয়।

 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা স্যানিটেশন ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ফারহানা খান, গজারিয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক সবুজ উর রহমান। পরিচালিত অভিযানে সরেজমিনে জানা যায়, মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ মজুত ও প্রদর্শন রাখায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারা মতে উপজেলার দড়ি বাউশিয়া বাস স্ট্যান্ডে মা ফার্মেসি কে তিন হাজার ও পাঠান ফার্মেসি কে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

পরে গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে নতুন চর চাষীতে অবস্থিত ইসলাম ব্রাদার্স এন্ড এগ্রো লি. বেকারী খাবার উৎপাদন কারী প্রতিষ্ঠানে ৬টি পন্যে বি.এস.টি.আই ও ইসলামি ফাউন্ডেশন কর্তৃক হালাল খাদ্য ছাড়পত্র নেই।ছাড়পত্র ব্যাতিত প্রতিষ্ঠান গুলোর লগো নকল করে ভূয়া মিথ্যা লগো ব্যবহার ও বিপননের দায়ে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ এর ৪৪ ধারায় কোম্পানীটি কে ১৫০০০হাজার টাকা জরিমান ও সর্তকতা করা হয়।

 

ইসলাম ব্রাদার্স এন্ড এগ্রো লি. কোম্পানীটির উৎপাদিত পন্য মধ্যে ৬টি আইটেমে সত্যতা পাওয়া যায় লগো জালিয়াতির। সরেজমিনে দেখা যায় কোম্পানিটির উৎপাদিত দুই পদের সেমাই, অরেঞ্জ ও লিচু ড্রিংস, মুড়ি ও কয়েক পদের কেক এর মোড়কে বি.এস.টি.আই ও হালাল লগো অনুমোদনহীন ভাবে ব্যবহার করে ভোক্তাদের প্রতারিত করছিলো।

 

সৈয়দ মোঃ শাকিল। গজারিয়া,মুন্সীগঞ্জ।

Dainik Biswa

রাণীশংকৈলে গাঁজার গাছসহ এক মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার

 

খুলনায় ৪০ মামলায় ৪৮ জনকে ৭০ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা আদায়

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে প্রোকট আকার ধারণা করায় খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।

 

ঢাকার পরে খুলনাই হতে চলেছে করোনার হটস্পট। করোনার প্রার্দুভাব রোধ কল্পে কয়েক সপ্তাহ যাবত বিশেষ লকডাউন চলমান আছে।কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা,জনসমাগম এড়িয়ে চলা,মাস্ক ব্যবহারে উদ্ধুদ্ধকরণের লক্ষ্যে ২ দিন যাবত বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে জেলা প্রশাসন খুলনা।

 

 

তারই ধারাবাহিকতায় খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সংক্রামক রোগ ( প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের আওতায় ৪০ টি মামলায় ৪৮ জনকে ৭০ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

 

উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধকল্পে জেলা প্রশাসন কর্তৃক মোবাইল কোর্টের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

Dainik Biswa

মহম্মদপুর উপজেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কঠোর লকডাউন ঘোষণা

 

চাঞ্চল্যকর হাত কাটা ঘটনার আসামী কাদির গ্রেফতার

 

চাঞ্চল্যকর হাত কাটা ঘটনার ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানায় টেঙ্গারচর ইউনিয়নে চাঞ্চল্যকর রুবেল হাত কাটা ঘটনা মামলার পলাতক আসামী কাদির খান (২০) গ্রেফতার করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ। গজারিয়া থানা পুলিশের প্রেস রিলিজ হতে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স সহ চালানো অভিযানে নেতৃত্ব দেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইচ উদ্দিন।

 

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় গ্রেফতার করা আসামীর বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ঘটনার বিবরনে উল্লেখ্য থাকে যে গজারিয়া থানার টেংগারচর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় বৈদ্দারগাও গ্রামে রুবেলের হাতের কব্জি কেটে নেয় সন্ত্রাসিরা।

 

সেই ঘটনায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে গজারিয়া থানায় মামলা হয়। অথচ, মামলার এতদিন হলেও গত ৯ মাসেও রুবেল এর হাতের কাটা কব্জি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

 

সৈয়দ মোঃ শাকিল. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা বরিশালে বাড়তে পারে বৃষ্টি

 

 

খুলনার রূপসার মহিদুল হত্যা মামলার আসামি মাশিকুল রিমান্ডে

খুলনার রূপসার মহিদুল হত্যা মামলার আসামি মাশিকুল মোল্লাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। মাশিকুল বুধবার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রট সাইফুজ্জামান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ১৬ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় ভিকটিম, তার পৈত্রিক বিলের জমিতে ধানের পাতা রোপন করতে যায়।
এ সময় আসামিদের সাথে জমিজমা নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা হত্যার হুমকি দেয়। দুপুর দেড়টায় ঘাটভোগ ইউনিয়নের আনন্দনগর মেঝঝিল নামক স্থনে মহিদুল মোল্লাকে আক্রমণ করে। হত্যার উদ্দেশ্যে বাশের লাঠি, দা ও লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করতে থাকে। আসামি মাশিকুল মোল্লা কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ভিকটিম ভেড়িবাদের ওপর পড়ে গেলে আসামিরা পালিয়ে যায়। চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ওই ঘটনার পর নিহতের ভাই পাঁচ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করে। আসামি মাশিকুল দীর্ঘদিন পলাতক ছিল।
৩ জুন তিনি জামিনের জন্য উপস্থিত হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর পূর্বে মামলার অপর আসামি ইমাম হোসেন মোল্লা আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। এ মামলার দুই জন আসামি কারাগারে রয়েছে। বাকীরা পলাতক।
 //  খুলনা ব্যুরো ///

খুলনার দিঘলিয়ায় পিস্তল, গুলি, ককটেল, মোটরসাইকেল ও ছোরা উদ্ধা‌রে মামলা

 

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের নন্দনপ্রতাপ বাজারের কাছ থেকে ৪জুন পিস্তল, গুলি মোটরসাইকেল, ককটেল এবং ছোরা উদ্ধা‌রের ঘটনায় গতকাল রাতে দিঘলিয়া থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা হয়েছে। মামলা নং ৩ তাং ০৪/০৬/২০২১। মামলার বাদী কামারগাতী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই নূরুল আমীন।

 

মামলায় এজাহারভূক্ত আসামী ৩ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭ জন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনার সংগে জড়িত থাকার অভিযোগে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দিঘলিয়া থানা ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার জানান, আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

 

উল্লেখ্য, ১মাস পূর্বে একটি মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়েরকৃত মামলার একজন আসামি সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে আসার পর বারাকপুর ইউনিয়নের বারাকপুর, মল্লিকপুর, লাখোয়াটী এবং নন্দনপ্রতাপ গ্রামে ইউপি নির্বাচনে দু’ চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ঘটনার জের ধরে ৩ জুন রাত মল্লিকপুরে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। পরেরদিন ৪ জুন নন্দনপ্রতাপ বাজারে প্রতিপক্ষের উপর হামলা হতে পারে এমন তথ্য পুলিশের কাছে ছিলো।

 

হামলা এবং সংঘর্ষ এড়াতে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসানউল্লাহ চৌধুরী, ইন্সপেক্টর ( তদন্ত) রিপন কুমার সরকার এবং কামারগাতী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই নূরুল আমীন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সকাল ৭ টা থেকে নন্দনপ্রতাপ বাজার সংলগ্ন ব্রিজের উপর অবস্থান নেয়। সকাল আনুমানিক ৮ টার সময় বাজারের উপর দিয়ে ৫ যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল।

 

এ সময় পুলিশ তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে যুবকরা ৫ টি মোটরসাইকেল ফেলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ ৫ টি মোটরসাইকেল, পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ টি পিস্তল, ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ১ টি ককটেল, ১ টি বড় সাইজের ছোরা উদ্ধা‌র করে।

 

।। খুলনা ব্যুরো ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ