১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে…! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

//অনলাইন ডেস্ক//

  • তিনি সরকারি স্বীকৃতি পাওয়া ‘অভাগা’। তবে তাঁর যাওয়া-আসার পথে সাগরের জল শুকোয় না। পরমাণু বিস্ফোরণ হয়!

 

  • নাম সুতোমু ইয়ামাগুচি। জাপানের সুতোমু হিরোশিমার পরমাণু বিস্ফোরণের সময় হিরোশিমায় ছিলেন। আবার তার ঠিক তিন দিন পর যখন নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা ফেলা হল, তখন সেখানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।

 

  • অদ্ভুত ভাবে প্রতি বারই বিস্ফোরণস্থল থেকে তাঁর দূরত্ব ছিল তিন কিলোমিটারের। ফলে বিস্ফোরণের তীব্রতায় গুরুতর জখম হন। সাময়িক অন্ধ হয়ে যান, শ্রবণশক্তিও হারিয়ে যায় তাঁর। তার পরও বেঁচে যান।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • পেশায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুতোমু জাপানের সংস্থা মিৎসুবিশির জন্য তেলবাহী জাহাজের নকশা করতেন। ১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট কাজের সূত্রেই তিনি ছিলেন হিরোশিমায়। তিন মাসের কেজো সফর সেরে সে দিনই তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল হিরোশিমা থেকে।
  • ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি
  • সাতসকালে দুই সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে হিরোশিমা স্টেশনের দিকে রওনাও হয়ে গিয়েছিলেন সুতোমু। কিন্তু মাঝপথ থেকে ফিরে আসতে হয় তাঁকে।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • জাপানে যে কোনও সরকারি পরিষেবার জন্য জরুরি যে পরিচয়পত্র তার নাম হ্যাংকো। সুতোমুর হঠাৎই খেয়াল হয় তিনি হিরোসিমায় তাঁর গত তিন মাসের অফিসে নিজের হ্যাংকোটি ফেলে এসেছেন। সহকর্মীদের স্টেশনে যেতে বলে আবার অফিসের দিকে রওনা হন সুতোমু।

 

  • ঠিক সকাল সওয়া ৮টায় সুতোমু যখন অফিসের কাছাকাছি প্রায় পৌঁছে গিয়েছেন, নিশ্চিন্তে হাঁটছেন বন্দরের পাশ দিয়ে, তখনই ঘটে ঘটনাটি।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • আমেরিকার বোমারু বিমান ‘এনোলা গে’ হিরোশিমা শহরের ঠিক মাঝখানে নিক্ষেপ করে পরমাণু বোমা ‘লিটল বয়’।

 •	তিনি সরকারি স্বীকৃতি পাওয়া ‘অভাগা’। তবে তাঁর যাওয়া-আসার পথে সাগরের জল শুকোয় না। পরমাণু বিস্ফোরণ হয়!  •	নাম সুতোমু ইয়ামাগুচি। জাপানের সুতোমু হিরোশিমার পরমাণু বিস্ফোরণের সময় হিরোশিমায় ছিলেন। আবার তার ঠিক তিন দিন পর যখন নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা ফেলা হল, তখন সেখানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।  •	অদ্ভুত ভাবে প্রতি বারই বিস্ফোরণস্থল থেকে তাঁর দূরত্ব ছিল তিন কিলোমিটারের। ফলে বিস্ফোরণের তীব্রতায় গুরুতর জখম হন। সাময়িক অন্ধ হয়ে যান, শ্রবণশক্তিও হারিয়ে যায় তাঁর। তার পরও বেঁচে যান।  •	পেশায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুতোমু জাপানের সংস্থা মিৎসুবিশির জন্য তেলবাহী জাহাজের নকশা করতেন। ১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট কাজের সূত্রেই তিনি ছিলেন হিরোশিমায়। তিন মাসের কেজো সফর সেরে সে দিনই তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল হিরোশিমা থেকে।

  • পরে নিজের বইয়ে সেই ঘটনার স্মৃতিচারণায় সুতোমু লেখেন, তিনি বোমারু বিমানটিকে আকাশে দেখেছিলেন। ঠিক তখনই দু’টি প্যারাশ্যুটকেও নামতে দেখেন। সুতোমুর কথায়, ‘তার পরই আকাশে একটা প্রচণ্ড আলোর ঝলকানি, আর আমি ছিটকে গেলাম।’

 

  • হিরোশিমার ওই বিস্ফোরণে কানের পর্দা ফেটে গিয়েছিল সুতোমুর। কিছু ক্ষণের জন্য অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।

 

  • বিস্ফোরণস্থলের কাছে থাকায় রাসায়নিক বিকিরণে শরীরের ঊর্ধ্বাঙ্গ অনেকটাই ঝলসে যায় জাহাজ নকশাকারের। জ্ঞানও হারান তিনি।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • জ্ঞান ফিরলে প্রথমেই দুই সহকর্মীর খোঁজ করেন সুতোমু। খুঁজে না পেয়ে জখম শরীরেই উঠে বসেন বাড়ি ফেরার ট্রেনে। পরমাণু বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত হিরোশিমায় অদ্ভুত ভাবে তখনও ট্রেন পরিষেবা চালু ছিল!

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • সুতোমুর বাড়ি নাগাসাকিতে। হিরোশিমার দুর্ঘটনার পরের দিনই ৭ অগস্ট নিজের শহর নাগাসাকি পৌঁছন তিনি। মারাত্মক জখম হওয়া সত্ত্বেও গোটা গায়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে ৯ অগস্ট হাজির হন কাজে।

 

  • তাঁকে দেখে অবাক হয়ে যান তাঁর অফিসের সহকর্মীরা। ঊর্ধ্বতন কর্তাকে হিরোশিমার ঘটনার বিবরণ দিতে যাওয়ায় তিনি সুতোমুকে ‘পাগল’ বলে ঠাট্টাও করেন। ঠিক তখন, ৯ অগস্ট সকাল ১১টায় পরমাণু বিস্ফোরণ হয় নাগাসাকিতে।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • সুতোমুর অফিস থেকে ঠিক তিন কিলোমিটার দূরে ফেলা হয় আমেরিকার পরমাণু বোমা ‘ফ্যাট ম্যান’। এ বারও বেঁচে যান সুতোমু।

 

  • তবে শারীরিক আঘাত না পেলেও নাগাসাকির বিস্ফোরণের পর টানা এক সপ্তাহ ধূম জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন সুতোমু। টানা বমিও হতে থাকে তাঁর।

১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি

  • এর প্রায় পাঁচ বছর পর ১৯৫০ সালে অনুবাদক হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন সুতোমু। পরে পুরনো অফিস মিৎসুবিশিতেও ফিরে আসেন। আগের মতোই আবার জাহাজের নকশা করার কাজ শুরু করেন। স্বাভাবিক জীবন যাপন শুরু করেন।

 

  • নাগাসাকি বিস্ফোরণের সময় সুতোমুর স্ত্রীও ছিলেন শহরেই। তিনিও বেঁচে যান। দু’জনে এর পর দুই কন্যা সন্তানের জন্মও দেন। পরে নিজের বইয়ে সুতোমু লিখেছিলেন, সেই সময় নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা একরকম ভুলতে চাইছিলেন তিনি। বিষয়টি যে অতীত এটুকু ভেবেই নিশ্চিন্ত ছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রমে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র সম্পর্কে তাঁর একটি স্পষ্ট ধারণা তৈরি হতে শুরু করে।
  • তখনও সরকারি খাতায় তিনি শুধু নাগাসাকির বিস্ফোরণ থেকে বেঁচে ফেরা মানুষ। তাঁর হিরোসিমার অভিজ্ঞতার কথা তখনও জানেই না সরকার। অথচ সুতোমুর সন্তানেরা সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা এবং শারীরিক ক্ষতির ভার বয়ে নিয়ে চলেছে নিজেদের শরীরে।
  • ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি
  • বয়স যখন প্রায় আশির কোঠায় তখন সুতোমু ঠিক করেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা লিখে রাখবেন। পরমাণু অস্ত্রের ভয়াবহতার ‘আঁখো দেখা হাল’ জানাবেন দেশের মানুষকে। সুতোমুর সেই বই অবাক করে দেয় জাপানের মানুষকে।
  • ২০০৬ সালে তাঁকে নিয়ে তৈরি হয় তথ্যচিত্র। ছবিটির প্রদর্শন হয়েছিল আমেরিকাতেও। সেখানে শক্তিশালী দেশগুলির উদ্দেশে একটি বার্তা দিয়েছিলেন দু’বার পরমাণু বোমাকে ধোঁকা দেওয়া সুতোমু। বলেছিলেন, ‘‘আপনারা দয়া করে পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করুন। অস্ত্র তৈরি করা বন্ধ করুন।’’
  • ২০০৯ সালে হলিউডের পরিচালক জেমস ক্যামেরন দেখা করেন তাঁর সঙ্গে। তাঁকে নিয়ে ছবি বানানোর কথাও বলেন। তবে তত দিনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সুতোমু।
  • ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা নাগাসাকি পরমাণু বোমাও মারতে পারেনি অভাগা সুতোমুকে...! // দেখুন তখনকার কিছু স্মরণীয় ছবি
  • বিকিরণের তীব্র প্রভাব পড়েছিল তাঁর শরীরে। শেষ বয়সে ছানি, লিউকোমিয়ার মতো অসুখে পড়েন। ২০০৯ সালে সুতোমু জানতে পারেন তিনি পাকস্থলীর ক্যানসারেও আক্রান্ত। তত দিনে ক্যানসারে স্ত্রীকে হারিয়েছেন তিনি।
  • ঠিক এই সময়েই সুতোমুর মনে হয় তাঁর জোড়া পরমাণু বোমা অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি থাকা দরকার। তাঁর নিজের জন্য নয়, ভবিষ্যতে পরমাণু অস্ত্র সম্পর্কে সাধারণ মানসে সচেতনতা তৈরি করতেই ওই স্বীকৃতি দরকার। সরকারের কাছে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে আবেদন করেন। আর স্বীকৃতি পেয়েও যান। তিনিই একমাত্র, যাঁর দু’টি বিস্ফোরণেরই সাক্ষী হওয়ার কথা মেনে নিয়েছে জাপানের সরকার।
  • ২০১০ সালের জানুয়ারিতে মারা যান সুতোমু। ওই বছরই ডিসেম্বরে তাঁকে নিয়ে একটি অনুষ্ঠান করে বিবিসি। অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দ্য আনলাকিয়েস্ট ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’। অনুষ্ঠানটিতে সুতোমুর ঘটনাটিকে ব্যঙ্গাত্মক ভাবে উপস্থাপন করার জন্য সমালোচিত হয়েছিল বিবিসি। শেষে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চাইতে হয় তাঁদের।
  •  •	তিনি সরকারি স্বীকৃতি পাওয়া ‘অভাগা’। তবে তাঁর যাওয়া-আসার পথে সাগরের জল শুকোয় না। পরমাণু বিস্ফোরণ হয়!  •	নাম সুতোমু ইয়ামাগুচি। জাপানের সুতোমু হিরোশিমার পরমাণু বিস্ফোরণের সময় হিরোশিমায় ছিলেন। আবার তার ঠিক তিন দিন পর যখন নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা ফেলা হল, তখন সেখানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।  •	অদ্ভুত ভাবে প্রতি বারই বিস্ফোরণস্থল থেকে তাঁর দূরত্ব ছিল তিন কিলোমিটারের। ফলে বিস্ফোরণের তীব্রতায় গুরুতর জখম হন। সাময়িক অন্ধ হয়ে যান, শ্রবণশক্তিও হারিয়ে যায় তাঁর। তার পরও বেঁচে যান।  •	পেশায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুতোমু জাপানের সংস্থা মিৎসুবিশির জন্য তেলবাহী জাহাজের নকশা করতেন। ১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট কাজের সূত্রেই তিনি ছিলেন হিরোশিমায়। তিন মাসের কেজো সফর সেরে সে দিনই তাঁর বাড়ি ফেরার কথা ছিল হিরোশিমা থেকে।
  • তবে বিবিসির অনুষ্ঠান প্রয়াত সুতোমুকে একটি নতুন নামও দেয়— ‘দ্য আনলাকিয়েস্ট ম্যান’। বাংলা অর্থ অভাগা। যা সুতোমুর জীবদ্দশাতেই স্বীকার করে নিয়েছিল খোদ জাপানের সরকারও।

জল নেই, খাবার নেই, রাস্তায় পচছে মৃতদেহ// যুদ্ধবিধ্বস্ত মারিয়ুপোল যেন নরক

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

টিভি নেই, ফোন নেই, বিদ্যুৎ সংযোগই নেই। গ্যাসের লাইন কেটে দিয়েছে রুশরা। হঠাৎ আদিম কোনও দুনিয়ায় চলে আসা, দিনের বেলাতেও যেন ‘অন্ধকার’।

রান্নাঘর ছিল বোধহয়। রুশ বোমায় গোটা বাড়িটা পড়ে গেলেও ও ঘরের একটা দেওয়াল এখনও সোজা দাঁড়িয়ে। তার সামনে একটা ছোট্ট রান্নার জায়গা। চারপাশে ইঁট-কাঠ-পাথরের স্তূপ, ভাঙা জানলা-দরজার ফ্রেম, কী না পড়ে। কিছুটা জায়গা সাফ করে দু’টো চেয়ার পেতেছেন বৃদ্ধা। ওভেনে কড়াই চাপানো। রান্না করা হলে ওখানেই বসে গরম গরম খেয়ে নেওয়া। যত ক্ষণ প্রাণ আছে, পেটে দু’টো দানাপানি দিয়ে যেতে হবে।

এ ভাবেই দিন কেটে যাচ্ছে মারিয়ুপোলের। টিভি নেই, ফোন নেই, বিদ্যুৎ সংযোগই নেই। গ্যাসের লাইন কেটে দিয়েছে রুশরা। হঠাৎ আদিম কোনও দুনিয়ায় চলে আসা, দিনের বেলাতেও যেন ‘অন্ধকার’। পোড়া গাছের সংখ্যা কেউ না গুনলেও মৃত্যুর চিহ্ন নিয়ে তারা দাঁড়িয়ে। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকা দেহগুলো পচতে শুরু করেছে। সৎকারের জন্যও কেউ নেই। কিছু জায়গায় গণকবর দেওয়া হয়েছে। এ শহরের কত হাজার বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে, তার কোনও হিসেব নেই। যুদ্ধের আগে মারিয়ুপোলে সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষের বাস ছিল। এখনও ১ লক্ষ মতো মানুষ রয়েছে। মেয়র বাদিম বয়চেঙ্কো বলছেন, ‘‘আর খাবারও মজুত নেই। জল নেই। খুব খারাপ অবস্থা। যাঁরা পালাতে পেরেছেন, তাঁরা বলছেন, পৃথিবীতে নরক আছে, এই মারিয়ুপোলেই।’’

রাশিয়ার দখল করে নিয়েছে এই শহর। আজ়ভস্টল কারখানা এলাকায় কোণঠাসা হয়ে ‘বন্দি’ ইউক্রেনীয় বাহিনী একাংশ। তাদের মধ্যে রয়েছে অন্তত ৫০০ জন জখম সেনা। আর হাজারেরও বেশি সাধারণ মানুষ। উপগ্রহচিত্রে দেখা গিয়েছে, এর মধ্যে রাশিয়া বোমা ফেলেছে কারখানার উপরে। গুঁড়িয়ে দিয়েছে বেশির ভাগ অংশ। কারখানার নীচে বাঙ্কারে কত জন বেঁচে আছেন, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রপুঞ্জের মুখপাত্র জানিয়েছেন, মারিয়ুপোল থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করা হবেই। মস্কো দাবি করেছে, আজ়ভস্টলের কাছ থেকে ২৫ ও ২১ জনের দু’টি দলকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেন প্রশাসন জানিয়েছে, গত কাল ২০ জন কারখানা থেকে বেরোতে পেরেছেন। তর্ক-বিতর্কের মধ্যে একটাই আশার আলো, মারিয়ুপোলবাসীকে উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চাপ বাড়ছে। রাষ্ট্রপুঞ্জ-সহ আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো উঠেপড়ে লেগেছে। ইউক্রেন সরকারও আশ্বাস দিয়েছে, মারিয়ুপোল ছাড়তে আগ্রহী সকলকে উদ্ধার করা হবে। এরই মধ্যে আজ আচমকা ইউক্রেনের লিভিভে হাজির অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। রাষ্ট্রপুঞ্জের এই বিশেষ দূত যুদ্ধে ঘরহারা মানুষদের সঙ্গে দেখা করেন। স্বেচ্ছাসেবী কর্মীদের সঙ্গে শিশু-শরণার্থীদের কথা বলেন। তাঁকে জানানো হয়েছে, যুদ্ধের অভিঘাত থেকে শিশুমনকে বাঁচাতে নিয়মিত তাদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করছেন মনোবিদেরা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মারিয়ুপোল। গোটা শহরটাকে কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। এখন ধ্বংসস্তূপ থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধারে একপ্রকার নিমরাজি হয়েছে তারা। কিন্তু ইউক্রেনের অন্যত্র তাদের ধ্বংসলীলা চলছে। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনের বিভিন্ন গ্রাম-শহরে। মস্কো আজ দাবি করেছে, গত কাল তারা ইউক্রেনে ১৭টি সেনা ঘাঁটি ধ্বংস করেছে। তাদের হামলায় ২০০-রও বেশি ইউক্রেনীয় সেনার মৃত্যু হয়েছে। একটি অস্ত্রাগারও ধ্বংস করেছে তারা। ২৩টি যুদ্ধযান গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ওডেসার গভর্নর দাবি করেছেন, রুশরা তাদের বিমানবন্দরেও ক্ষেপণাস্ত্র হানা চালিয়েছে। রানওয়ে ভেঙে গিয়েছে। সে কথা অবশ্য প্রকাশ করেনি মস্কো। তারা দাবি করেছে, ওডেসায় একটি বায়ুসেনা ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে। ইউক্রেনের দু’টি এসইউ-২৪এম বোমারু বিমান গুলি করে নামানো হয়েছে। এ-ও দাবি করা হয়েছে, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহের পথ বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

English Dainikbiswa

ইলন মাস্ক – টেসলা –  টুইটার // অতীত ও বর্তমান

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ পিটিভির ১৭ কর্মীকে বরখাস্ত করলেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের লাহোর সফরের সম্প্রচারে বিঘ্ন হওয়ায় দেশটির সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল পিটিভির ১৭ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ল্যাপটপের অভাবে ওই অনুষ্ঠান সম্পচারে বিঘ্ন ঘটে বলে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, সাধারণত নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্প্রচারের দায়িত্ব থাকে সাংবাদিকদের একটি বিশেষ দল এবং এক জন সংবাদ প্রযোজকের উপর। সেই দলের হাতে অত্যাধুনিক গ্যাজেট থাকে এবং থাকে যেন সময় মতো সরাসরি সম্প্রচার করা যায়।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের এই দলটিকে ইসলামাবাদে সব সময় প্রস্তুত রাখা হয় যেন তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের লাহোর সফরের আগে পিটিভির লাহোর কেন্দ্রকে খবর দেওয়া হয়। তখন তারা টিভি চ্যানেলের সদর দফতরে খবর পাঠায় সফর সম্প্রচারের জন্য অত্যাধুনিক ল্যাপটপের প্রয়োজন। এ বিষয়ে সদর দফতরে একটি চিঠিও লেখে পিটিভির লাহোর কেন্দ্র।

১৮ এপ্রিলে পাঠানো সেই চিঠিতে লেখা হয়েছিল, যেহেতু আমাদের কাছে ল্যাপটপে সম্পাদনার কোনও প্রযুক্তি নেই, তাই সেই সম্পাদনার কাজের জন্য একটি ল্যাপটপ ভাড়া করা হয়েছে। তাই আমাদের এই কেন্দ্রে জন্য স্থায়ী ভাবে একটি ল্যাপটপের ব্যবস্থা করা জরুরি।

পিটিভির লাহোর কেন্দ্রের অভিযোগ, চিঠি লিখে সব কিছু জানানোর পরেও সদর দফতর থেকে স্থায়ী কোনো ল্যাপটপের ব্যবস্থা করা হয়নি। শুধু তাই নয়, লাহোর কেন্দ্রকে ল্যাপটপ ভাড়া করে কাজ চালানোর পরামর্শও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করে তারা।

সেই পরামর্শ মতো এক কর্মীর ব্যক্তিগত ল্যাপটপের আয়োজন করেছিল পিটিভির লাহোর কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রীর সফর সম্প্রচার করতে গিয়েই বিপত্তি হয়। ল্যাপটপের ব্যাটারি বসে যায়। ফলে সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। আর তার কয়েক ঘণ্টা পরই এই সফর সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি কন্ট্রোলার ইমরান বশির খানসহ ১৭ কর্মীকে বরখাস্ত করে পিটিভি।

English Dainikbiswa

প্রচন্ড ঝড়/ যাত্রী বোঝাই বিমান মাঝ আকাশে/ কি ঘটেছিল…!

দুই কোটি লিটারের বেশি সয়াবিন তেল এসেছে এক জাহাজেই

ইলন মাস্ক – টেসলা –  টুইটার // অতীত ও বর্তমান

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

গত কয়েক দিন আগে লিখেছিলাম বিশ্বের ধনীদের সারিতে ইলন মাস্কের নাম প্রথমে। আজ এই মুহূর্তে হয়ত সেটা সঠিক নয় কারণ বিশ্বায়নে সারাক্ষণ চলছে পরিবর্তন।

ইলন মাস্ক টুইটার কেনার ঘোষণা দেবার পর থেকে শুরু হয় নানা ধরনের জল্পনা কল্পনা যেমন উদ্বেগ শুরু হয়েছে মাস্কের নিজের কোম্পানি টেসলার বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও। এতে কমতে শুরু করেছে টেসলার শেয়ারের দামও।

কয়েক দিন আগে ৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়ে টুইটার কিনে নেওয়ার সমঝোতা করেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ও বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। এর পরপরই টেসলার শেয়ারের দাম ১২ দশমিকের নিচে কমতে থাকে।

আর টুইটার কেনার ঘোষণার পর সেটার শেয়ারের দামও কমেছে, এতে করে টুইটার এবং টেসলার বাজার মূলধন কমেছে ফলে হয়ত ইলন মাস্ক এখন বিশ্বের ধনীদের সারির প্রথম স্থানটিতে নেই।

অনেকের ধারণা টুইটার কিনতে গিয়ে ইলন মাস্ক টেসলার থেকে তার ব্যক্তিগত শেয়ার বিক্রি করতে পারেন। এ ধরনের আশঙ্কা যখন টেসলার অন্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ঢুকেছে তখন তারা টেসলা থেকে সরার চেষ্টা করছে ফলে সবাই এখন টেসলা বিক্রি করতে শুরু করেছে। যদিও টুইটার কেনার দরপত্রে টেসলা সরাসরি যুক্ত না থাকলেও শেয়ারের দাম কমেছে। এর মূল কারণ হচ্ছে টেসলার প্রধান নির্বাহী ও বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার ইলন মাস্ক নিজেই।

এ মুহূর্তে বিশ্বে তেল এবং গ্যাসের সংকট চলছে তারপর জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে বিশ্বের সকল ইন্ডাস্ট্রির উপর চাপ পড়েছে তা নিয়ন্ত্রণের। এমন একটি সময় বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার দিনগুলো ভালোই চলছে। এখানে ইলন মাস্কের একটা বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া টেসলায় মাস্কের যে শেয়ার রয়েছে তার বিপরীতে নিশ্চিত বড় ধরনের একটি ঋণ আছে। এসব কারণে অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, মাস্ক হয়তো এসব অর্থ টুইটার কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন। শেয়ারবাজার এমন একটি জায়গা যেখানে সারাক্ষণ কিছু ঘটে এবং কিছু রটে। মাস্কের টুইটার কেনার ঘোষণার পরপরই শুরু হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ, যার ফলে বড় আকারে প্রভাব পড়েছে টেসলার শেয়ারের দামের উপর।

আমি নিজে জীবনের একটি সময় শেয়ার বাজারের সাথে বেশ জড়িয়ে পড়ি। দীর্ঘ সাত বছর এর সঙ্গে লড়াই করেছি। আমি একজন পরাজিত বিনিয়োগকারী। আমি লাভবান হতে পারিনি তবে পরাজয়ের সারিতে কোন এক সময় আমিও প্রথম ছিলাম তাই জানি ওই পজিশনটার যন্ত্রণা কতটা। তারপর কেউ লুজারের গল্প শুনতে চায়না সবাই জানতে চাই উইনারের গল্প কারণ দি উইনার টেকস ইট অল। আমি যেহেতু ভালো এবং মন্দ দুটো দিকটার সাথে ছিলাম আছি তাই এতটুকু বলতে চাই সেটা হলো “লাইফ উইল নেভার বি দি সেম লাইফ ইজ চেঞ্জিং”।

যারা শেয়ারবাজারে নতুন তাদের উদ্দেশে বলছি- ঢুকে যখন পড়েছ হঠাৎ বড়লোক হবার চেষ্টা না করে বরং চেষ্টা কর টিকে থাকতে তাহলে হয়ত ইউ উইল সার্ভাইব। শেয়ারবাজারে কোনটা সঠিক বা কোনটা বেঠিক বলে কিছু নেই, এটা এমন একটি জায়গা যেখানে দেখা যায় অনেক সময় না পাইতেই চাওয়া আবার না চাইতেই পাওয়ার মতো। আমি যখন এর উপরে শতভাগ সময় দিয়েছি তখন একটি গানের কথা মনে পড়ত প্রায়ই সেটা হলো “চেয়ে চেয়ে দেখলাম তুমি চলে গেলে আমার বলার কিছু ছিল না”! ওই যে বলছি আমি হলাম লুজারদের দলের একজন সাকসেসফুল বিনিয়োগকারী।

রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন। rahman.mridha@gmail.com

English Dainikbiswa

এআইআইবি ১হাজার ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশকে

ইউক্রেনের অস্ত্র সরবরাহের একটি উৎস হলো রাশিয়ান সেনা

ইউক্রেনের অস্ত্র সরবরাহের একটি উৎস হলো রাশিয়ান সেনা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ান সৈন্যরা ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর অস্ত্র সরবরাহকারীদের মধ্যে একটি মাধ্যম বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বিবিসি রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ফেসবুকে এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনে লড়াইরত রুশ সেনারা ‘বিভ্রান্ত’ এবং তারা ইউক্রেনের কাছ থেকে ‘প্রতিরোধ আশা করেনি’।রুশ সেনারা রণসরঞ্জাম রেখেই যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছে।

রুশ সেনাদের ফেলে যাওয়া রণসরঞ্জাম স্মারক হিসেবে গ্রহণ করে ইউক্রেনকে রক্ষায় কাজে লাগানো হচ্ছে বলেও জানিয়ে জেলেনস্কি বলেন, রুশ সেনারাই আমাদের সেনাবাহিনীর অস্ত্র সরবরাহের একটি উৎস। দুঃস্বপ্নেও এমন ঘটনা তারা কল্পনাও করতে পারেনি।

এদিকে, ইউক্রেনীয় বাহিনী রাশিয়ার এক হাজারের বেশি ট্যাংক ধ্বংস করেছে বলে দাবি করেছেন জেলেনস্কি। এছাড়া রুশ বাহিনীর দুইশ’ বিমান এবং আড়াই হাজার সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়া ইতোমধ্যেই ২৩,০০০ সৈন্য হারিয়েছে।

 

বরিশালে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মে দিবস পালিত

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিনিধি//

বরিশালে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান মে দিবস পালন করেছে জেলা শ্রমিকলীগ ও জেলা শ্রমিকদল।  সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ দিনটি উদযাপন উপলক্ষে রবিবার (১মে) সকাল ১১টায়  সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

অন্যদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর টাউনহল গেট থেকে বরিশাল জেলা প্রশাসন,শ্রম অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের নেতৃত্ব একটি র‌্যালি বেড় করে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গনে গিয়ে শেষ করে। পরে এখানে মহান মে-দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর পূর্বে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক প্রশান্ত কুমার দাস, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু সহ বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে র‌্যালির উদ্ধোধন করে।=

অপরদিকে বরিশাল জেলা ও মহানগর শ্রমিকলীগ নগরীর সোহেল চত্বরে মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি পরিমল দাশের সভাপতিত্বে এক সমাবেশ শেষে নগরীতে একটি র‌্যালি বেড় হয়। এদিকে বরিশাল  নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদররোডে বরিশাল জেলা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের জেলা সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চত্রবর্তী। পরে নগরীতে এক লাল পতাকার মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সদররোডে এসে শেষ করে।

এমপি পার্লামেন্টে বসে পর্ন দেখলেন// দায় স্বীকার করে পদত্যাগ

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কক্ষে বসে পর্নোগ্রাফি দেখার দায় স্বীকার করে শাসকদল কনজারভেটিভ পার্টির একজন সংসদ সদস্য পদত্যাগ করছেন।

ইংল্যান্ডের ডেভন এলাকার এমপি নিল প্যারিশ বলছেন, সংসদ কক্ষে বসে মোবাইল ফোনে ট্রাক্টরের ভিডিও দেখতে গিয়ে তিনি প্রথমবার ভুল করে পর্ন ভিডিও দেখে ফেলেন।

তিনি স্বীকার করেন, কিন্তু পরে তিনি ইচ্ছে করেই সেগুলো আবার দেখেন।

বিবিসির সাথে সাক্ষাৎকারে মি. প্যারিশ বলেন, সেটা ছিল এক সাময়িক উন্মাদনা।

এই ঘটনা নিয়ে যে তদন্ত চলে, তারপরই তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে এমপি’র পদ থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা করেন।

বাষট্টি-বছর বয়স্ক এই সংসদ সদস্য পার্লামেন্ট কক্ষে বসে যখন পর্ন দেখছিলেন তখন তার পাশে বসা দু’জন নারী সহকর্মী ব্যাপারটা দেখে ফেলেন।

তারা এনিয়ে অভিযোগ করার পর তুমুল হৈচৈ শুরু হয়।

মি. প্যারিশ বিবিসিকে বলেন, “আমার সবচেয়ে বড় অপরাধ ছিল (পর্নসাইটে) দ্বিতীয়বার যাওয়া।

“সেটা ছিল চরম ভুল এক কাজ। সারা জীবন আমাকে এই ভুলের বোঝা বয়ে বেড়াতে হবে,” তিনি বলেন, “আমি ভুল করেছি। আমি বোকামি করেছি, আমি বোধ-শূন্য হয়েছিলাম।”

তার এই কাণ্ডের কথা প্রকাশ পায় গত বুধবার।

এরপর গত শুক্রবার তার দল কনজারভেটিভ পার্টি মি. প্যারিশকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।

পার্লামেন্টে খোলামেলা যৌন দৃশ্য দেখার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

ডনবাসের বিভিন্ন শহরের ওপর অবিরাম গোলাবর্ষণ করছে রুশ বাহিনী

ইউক্রেনের ওডেসা বিমান বন্দরে মিসাইল হামলা করেছে রাশিয়া

ডনবাসের বিভিন্ন শহরের ওপর অবিরাম গোলাবর্ষণ করছে রুশ বাহিনী

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেন বলছে, ডনবাস অঞ্চলে রুশ অগ্রাভিযানের আরও কয়েকটি চেষ্টা তারা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

সেখানে রণক্ষেত্র বরাবর রুশ বাহিনী তীব্র গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে।

পূর্ব ইউক্রেনের লুহান্সকের গভর্নর বলেছেন, ঐ অঞ্চলে কোন বিরতি ছাড়াই রুশরা তাদের গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে, তবে তা সত্ত্বেও ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরোধ তারা ভাঙ্গতে পারেনি।

গভর্নর সেরহি হাইডাই জানিয়েছেন, লড়াই চলছে যেসব এলাকায়, সেখান থেকে বেসামরিক মানুষদের উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চলছে।

পাশের দুটি অঞ্চল দোনৎস্ক এবং খারকিভেও রুশরা নতুন করে তীব্র আক্রমণ চালাচ্ছে।

রাশিয়া দাবি করছে, তারা শত্রুপক্ষের চারশোর বেশি টার্গেটের ওপর গোলা হামলা চালিয়েছে।

ব্রিটেনের সামরিক গোয়েন্দা সূত্রগুলোর মতে, রুশ বাহিনী এখনো সেখানে তীব্র প্রতিরোধের মুখোমুখি হচ্ছে।

ওদিকে রাশিয়া দাবি করছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এপর্যন্ত ইউক্রেন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ রাশিয়ায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, এদের মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার বিদেশি নাগরিক, এবং বিচ্ছিন্ন দুটি প্রজাতন্ত্র দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক থেকে উদ্ধার করে আনা মানুষও রয়েছে।

ইউক্রেন বারবার এরকম অভিযোগ করেছে যে, রাশিয়া জোর করে এসব মানুষদের নিয়ে গেছে এবং তাদের জিম্মি হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইউক্রেনের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বিবিসিকে বলেছেন, রাশিয়া এর আগে যুদ্ধবন্দী বিনিময়ের জন্য এই বেসামরিক জিম্মিদের ব্যবহার করেছে। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

মাগুরা মহম্মদপুরের রাড়ীখালী থেকে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী হোসেন গ্রেপ্তার

শেখ সোহেল ভাইয়ের এর পক্ষ থেকে খুলনা মহানগর ও জেলার সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন সফিকুর রহমান পলাশ

ইউক্রেনের ওডেসা বিমান বন্দরে মিসাইল হামলা করেছে রাশিয়া

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় ওডেসা বিমানবন্দরে মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটেছে।  রাশিয়া এ হামলা চালিয়েছে এমনটি দাবি করেছে ইউক্রেন।  যদিও রাশিয়া এখনো এ বিষয়ে মুখ খোলেনি।

ইউক্রেনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানবন্দরটির রানওয়ে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ফলে এটি এখন পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওডেসায় মিসাইল হামলার কারণে, বিমান বন্দরের রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ব্যবহার করা অসম্ভব।

এদিকে বন্দর শহর ওডেসায় খুব বেশি হামলা চালায়নি রাশিয়ার সেনারা।

কিন্তু কয়েকদিন আগে এক রুশ কমান্ডার ঘোষণা দেন, তারা ইউক্রেনের পুরো দক্ষিণ ভাগ দখল করবে।

ওডেসা ইউক্রেনের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত একটি শহর।

ইউক্রেনে হামলা করার পর ওডেসাকে এই হামলার বাইরে রাখলেও শহরটি দখল করার চিন্তা যে রুশ বাহিনী বাদ দেয়নি সেটিরই এখন জানান দিচ্ছে তারা।

ওডেসা বিমানবন্দর ধ্বংস করে দিয়ে সেখানে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের আরও কোণঠাসা করে দিল রাশিয়া।

সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি

আজ মহান মে দিবস// কি হয়েছিল এই দিনে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

আগামীকাল মহান মে দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। ১৮৮৬ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটের শ্রমিকরা ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ওইদিন তাদের আত্মদানের মধ্যদিয়ে শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য শ্রমিকদের আত্মত্যাগের এই দিনকে তখন থেকেই সারা বিশ্বে ‘মে দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘শ্রমিক-মালিক একতা, উন্নয়নের নিশ্চয়তা’

মহান মে দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু। স্বাধীনতার পর মে দিবস রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় এবং জাতির পিতা মে দিবসে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে মজুরি কমিশন গঠন করেন এবং তিনি শ্রমিকদের জন্যও নতুন বেতন কাঠামো ঘোষণা করেন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতার উদ্যোগ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তজার্তিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে এবং আইএলও-র ৬টি কোর কনভেনশনসহ ২৯টি কনভেনশন অনুসমর্থন করে। এটি একটি বিরল ঘটনা এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও তাঁদের অধিকার রক্ষায় এক অনন্য স্বীকৃতি।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। মালিক-শ্রমিকের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সামাজিক নিরাপত্তা ও শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ শ্রম আইন যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন খাতে কর্মরত শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়েছে। এই তহবিল থেকে প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক যে কোন খাতে নিয়োজিত কোনো শ্রমিক কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনাজনিত কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে অথবা মৃত্যুবরণ করলে, জরুরি চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহ ও দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসার জন্য এবং শ্রমিকদের সন্তানের উচ্চ শিক্ষার জন্যেও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। আমরা রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীদের সার্বিক কল্যাণে আর্থিক সহায়তা প্রদানে একটি কেন্দ্রীয় তহবিল গঠন করেছি এবং সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি। সব সেক্টরে শ্রমিকদের বেতন ভাতা বাড়ানো হয়েছে।

মহান মে দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শ্রমিক সমাবেশ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পত্রিকাসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দিনটি উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান ও টকশো সম্প্রচার করবে।

English Dainikbiswa

মাগুরা মহম্মদপুরের রাড়ীখালী থেকে ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী হোসেন গ্রেপ্তার

ডুমুরিয়ায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ২৬ হাজার ৮২ পরিবারকে  বিনামূল্যে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ