আজ আর্ন্তজাতিক মে দিবস উপলক্ষে বরিশালে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের র‌্যালি ও সমাবেশ

 

বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় মহান আর্ন্তজাতিক মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ বরিশাল জেলা কমিটি,জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বরিশাল জেলা কমিটি, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ও জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র বরিশাল জেলা কমিটি নগরীতে শ্রমিকের শ্রমের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষে র‌্যালি সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (০১ লা মে) সকাল ১১ টায় মহান আর্ন্তজাতিক মে দিবস উপলক্ষে নগরীর ফকির বাড়ি বাসদ দলীয় কার্যলয় থেকে এক বণ্যাঢ্য র‌্যালি বেড় হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের প্রাণ কেন্দ্র অশি^নী কুমার টাউন হল চত্বর সম্মুখে করোনা দূর্যোগকালে সকল শ্রমিকদের সু-রক্ষা নিশ্চিত করণ,শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু কর, ত্রান দেও,ঈদের আগে বেতন-বোনাস সহ চার দফা দাবী আদায়ের দাবীতে এক সমাবেশ করে।

বাসদ বরিশাল জেলে কমিটির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইমরান হাবীব রুমনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চত্রবর্তী, শ্রমিক নেতা দুলাল মল্লিক, জাহাঙ্গীর হোসেন, মানিক মিয়া, নুরুল হক, শহিদুল ইসলাম, মহসিন মীর, সাইফুল ইসলাম ও নিলিমা জাহান।

অপরদিকে সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর ফকির বাড়ি সড়কে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি দলীয় কার্যলয়ে মহান আর্ন্তজাতিক মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক পার্টির আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় শ্রমিক পার্টির জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে এখানে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টি জেলা সভাপতি অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড, শেখ মোঃ টিপু সুলতান,মোজাম্মেল হক ফিরোজ,জাহাঙ্গির চৌধুরী, সুজন আহমেদ,শামিম শাহরুখ তমাল সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

এর পূর্বে জাতীয় শ্রমিক পার্টির আয়োজনে নগরীর বিভিন্ন সড়কে এক র‌্যালি বেড় করেন তারা। এর আগে সকালে নগরীর নাজির মহল্লা সড়ক থেকে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ও নারী ট্রেড ইউনিয়ন সহ নির্মাণ শ্রমিক ইউনয়ন বরিশাল জেলা ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি এ্যাড, একে আজাদের নেতৃত্বে নগরীতে এক র‌্যালি বের করে।

পুনরায় দলীয় কার্যলয়ে র‌্যালি শেষ হয় শ্রমিকদের দাবী পুরনের সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ।

 //পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

আরও পড়ুন…

 

 

আজ মে’ দিবস।। বঙ্গবন্ধু আজীবন বঞ্চিত, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

 

 শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নজান সুফিয়ান বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক গৌরবোজ্জ্বল দিন। জাতির পিতা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন বঞ্চিত, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দু’ভাগে বিভক্ত, একদিকে শোষক, আরেকদিকে শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে’। বঙ্গবন্ধু পরিত্যক্ত কল-কারখানা জাতীয়করণ করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

শ্রমজীবী মানুষের হাতেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শ্রমজীবী মানুষের জন্য কাজ করছেন। করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী  করোনায় কর্মহীনদের কষ্টলাঘবে লাখ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। তবে সবাইকে নিজেদের স্বাস্থ্য নিজেদেরকেই সুরক্ষিত রাখতে হবে।

মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে করোনায় কর্মহীন বিভিন্ন সেক্টরের পাঁচশত শ্রমিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা প্রদান শনিবার (০১ মে) দুপুরে খুলনার শ্রম অধিদপ্তর চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাস চালক, গৃহশ্রমিক, থ্রি-হুইলার, দিনমজুর, ইজিবাইক, দর্জি ও দোকান শ্রমিকের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

মানবিক সহায়তার মধ্যে ছিলো চাল, ডাল, আলু, তেল, সবজি ও মুরগির মাংস।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে এসময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সৈয়দ রবিউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপমহাপরিদর্শক মোঃ আরিফুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এই অনুষ্ঠানের আয়োজনে করে।

 

এর আগে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান শহিদ হাদিস পার্কে মহানগর ও জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের উদ্যোগে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাড়ে ছয়শত বিভিন্ন পেশার কর্মহীন শ্রমিকদের মাঝে চাল, ডাল, সেমাই ও চিনি বিতরণ করেন।

//আ: রাজ্জাক শেখ, থুলনা ব্যুরো//

 

 

আরও পড়ুন…

রূপসার থানার বিভীন্ন ইউনিয়নে যুবলীগের ধান কাটা

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

থাই সীমান্তের কাছে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর একটি চৌকিতে তীব্র  লড়াই

 

থাইল্যান্ড সংলগ্ন মিয়ানমারের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনীর একটি চৌকিতে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকে মূলত বিদ্রোহী কারেন আর্মির নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাটিতে দুই পক্ষের মধ্যে লড়াই শুরু হয়। কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন বলছে, তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে তারা সেনাবাহিনীর অবস্থানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।

মিয়ানমারের ১ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি সবচেয়ে তীব্র লড়াইগুলোর মধ্যে একটি।

দেশটিতে সহিংসতা বন্ধে তারা জান্তার সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার নেতারা এমন কথা বলার কয়েকদিনের মধ্যে এ লড়াই।

থাইল্যান্ডের সালউইন নদীর দুই পাড়ের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সূর্য ওঠার আগে থেকেই ব্যাপক গোলাগুলি শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা ভিডিওতে বন ঘেরা পাহাড়ের একপাশে আগুন ও ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।     

কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়নের (কেএনইউ) বাহিনীগুলো স্থানীয় সময় ভোর ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে সীমান্ত চৌকিটি দখল করে নেয়।

শিবিরটি দখল করে সেটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কতোজন হতাহত হয়েছে কেএনইউয়ের সদস্যরা তা পরীক্ষা করে দেখছে।

স্থানীয় মিডিয়া গোষ্ঠী ‘কারেন তথ্য কেন্দ্র’ জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর ঘাঁটিটি ছারখার করে দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীরা সৈন্যদের দৌঁড়ে পালাতে দেখছেন বলে জানিয়েছে তারা।

কারেনদের এসব দাবির বিষয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

মিয়ানমারের ওই ঘাঁটির সৈন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা থাইল্যান্ডের গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কেএনইউয়ের বাহিনীগুলো এই ঘাঁটিটি ঘেরাও করে রেখেছিল তাই সেখানে পর্যাপ্ত খাবার ছিল না।

//অনলাইন ডেস্ক//

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে জরিমানা : কারণ মাস্ক না পরা

 

একটি জরুরি বৈঠকে মাস্ক না পরায় থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচাকে ছয় হাজার বাথ (১৯০ মার্কিন ডলার) জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার সকালে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।  প্রায়ুথ তার ফেসবুকপাতায় বৈঠকের একটি ছবি পোস্ট করেন। যেখানে দেখা যায়, মাস্ক ছাড়াই তিনি বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।  যদিও ছবিটি পরে সরিয়ে নেওয়া হয়।  খবর ওয়াশিংটন পোস্টের।

ওই ছবি প্রকাশের পর প্রায়ুথকে জরিমানা করা হয় বলে জানান ব্যাংককের গভর্নর অশ্বিন ওয়ানমুয়াং।

রাজধানী ব্যাংককসহ থাইল্যান্ডের ৪৮ প্রদেশে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতার সময় বাড়ানো হয়েছে এবং নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে।

সেখানে এখন একমাত্র বসতবাড়ির ভেতর ছাড়া সব জায়গায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। এমনকি ব্যক্তিগত গাড়িতে একজনের বেশি আরোহী থাকলেও মাস্ক পরতে হবে।

সোমবার থেকেই নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয় এবং প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথই প্রথম ব্যক্তি, যিনি ওই আইনে প্রথম জরিমানা দিতে যাচ্ছেন। যদিও এ অপরাধে সর্বোচ্চ জরিমানা ২০ হাজার বাথ (৬৩৯ মার্কিন ডলার)।

ব্যাংককের গভর্নর সোমবার তার অফিসিয়াল ফেসবুকপাতায় এ তথ্য জানিয়ে লেখেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি— এটি কোভিড ১৯-এর বিরুদ্ধে আরোপিত স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন।  তিনি জরিমানা দিতে রাজি হয়েছেন।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

আরও পড়ুন…

বিশুদ্ধ পানির জন্য RO Filter ব্যবহার করুন…

 

ব্রিটেনের বিখ্যাত স্টোক পার্ক কিনে নিলেন মুকেশ আম্বানি, দাম…? মাত্র ৬৬৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা !!!

ব্রিটেনের খ্যাতনামা খেলনা প্রস্তুতকারক সংস্থা হ্যামলেসের পর এবার আরও একটি বিখ্যাত সম্পত্তির মালিক হলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানি।

 

সম্প্রতি ব্রিটেনের বিখ্যাত স্টোক পার্ককে কিনে নিল তার সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ড্রাস্ট্রিজ লিমিটেড। খরচ পড়ল ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৫৯৩ কোটি রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৬৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ৮৪ হাজার টাকা)। 

 

এর ফলে ব্রিটেনের আইকনিক কান্ট্রি ক্লাব এবং বিলাসবহুল গলফ রিসর্টের মালিক বনে গেলেন এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি তথা ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ অম্বানি। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ব্রিটেনের বাকিংহামশায়ারের বিলাসবহুল হোটেল এবং গলফ কোর্স রিলায়েন্সের কনজিউমার অ্যান্ড হসপিটালিটি সম্পদে যুক্ত হল।

জানা গেছে, ৩০০ একরের ব্রিটেনের এই পার্কটির ভিতরে রয়েছে বিলাসবহুল হোটেল, কনফারেন্স সুবিধা। এছাড়াও রয়েছে খেলাধুলার একাধিক উপকরণ। শুধু তাই নয়, ইউরোপের অন্যতম বড় গলফ কোর্সও রয়েছে এখানে। যেখানে আবার জেমস বন্ডের দুটি ছবি গোল্ডফিঙ্গার ও টুমরো নেভার ডাইস সিনেমা দুটির শুটিং হয়েছিল। গোল্ডফিঙ্গার সিনেমার পর থেকেই এই গলফ কোর্সটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ওঠে। এছাড়াও এখানেই সম্পন্ন হয়েছে ‘ব্রিজেট জোনসেস ডায়েরি’ এবং নেটফ্লিক্সের ‘দ্য ক্রাউন’ সিনেমার শুটিং।

 

এই স্টোক পার্কটি আসলে ৯০০ বছরের পুরনো। ১৯০৮ সাল পর্যন্ত এটি ছিল ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। এতে রয়েছে ৪৯টি বিলাসবহুল বেডরুম, ২৭টি গর্তের গলফ কোর্স। এছাড়াও রয়েছে ১৩টি টেনিস কোর্ট এবং ১৪ একরের বাগান।

 

তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৯ সালে ব্রিটেনের খেলনা প্রস্তুতকারক হ্যামলেসও কিনে নিয়েছিলেন মুকেশ আম্বানি। তারপর এবার তার সম্পত্তিতে জুড়ল এই স্টোক পার্ক। করোনা আবহে ব্যবসায়িক দিক থেকে খুব একটা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়নি রিলায়েন্স কর্ণধার মুকেশ আম্বানিকে। এই সময় তার সংস্থায় লগ্নি করেছে ফেসবুক, গুগলের মতো সংস্থা। এছাড়া অন্যান্য ব্যবসাতেও লাভের মুখই দেখেছেন রিলায়েন্স কর্ণধার। বর্তমানে আবার তিনি এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি। মুকেশ আম্বানির সম্পত্তির পরিমাণ ৭১৫০ কোটি ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কোটি রুপি।

//আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক//

আজ বিশ্ব বই দিবস: আমাদেরকে অবশ্যই বইমুখী —- সাঈফী আনোয়ারুল আজিম

আজ বিশ্ব বই দিবস। ২৩ এপ্রিল সারা বিশ্বব্যাপী বই দিবস পালন করা হয়। বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে দিবসটির প্রচলন হয় ১৯৯৫ সালে। বই পাঠের অন্যতম নিরিবিলি জায়গা হলো গ্রন্থাগার। গ্রন্থাগারে বই পড়ার মজাটাই আলাদা।

যারা বইপাঠকে নিজের আত্মার সাথে মিশিয়ে নিতে পেরেছেন, তারাই উপলদ্ধি করতে পারবেন এটি আত্মার জন্য কত বড় খোরাক। বই মানুষকে সভ্য করে তোলে। বিনয়ী হতে শেখায় । জ্ঞানের উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়। হাজার বছর আগের ইতিহাসকে তুলে ধরে খুব সহজে পাঠকের কাছে। প্রতিটি বইয়ের পাতায় পাতায় লুকায়িত থাকে অর্জন করার অমূল্য জ্ঞানভাণ্ডার। বইপড়াকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নত দেশের নাগরিকরা তাঁদের শয়নকক্ষকে লাইব্রেরি বানিয়ে নিয়েছে। তাঁদের ঘরের একটি কোণায় ছোট্ট গ্রন্থাগার না থাকলে তারা নিজেদেরকে খুব অপমানবোধ করে। অর্থাৎ বইটি তাঁদের জীবনসঙ্গীর মত।

তারা বইকে নিজের বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে। জীবন সংগ্রামে সাফল্য অর্জেনর জন্য তারা বইকে বেচে নেন।।তাইতো আজ উন্নত এবং বহুগুণে সমৃদ্ধ। আমাদের দেশের চিত্র কিন্তু ভিন্ন। আমরা নিজের গৃহ কিংবা শয়নকক্ষকে লাইব্রেরিতে পরিণত করতে পারিনি। তেমন আগ্রহও নেই বইপাঠের প্রতি। দেশের অধিকাংশ গণপাঠাগার পাঠকশূন্য। বুকশেলফে সারিবদ্ধ বই, পাঠক নেই, পাঠকের জায়গা দখল করে নিয়েছে পোকা মাকড়। তারা সেখানে একপ্রকার স্থায়ী বসত গড়ে তুলেছে, এগুলো যেনো একেকটা আস্তুতগাড়।

এটি জাতি হিসেবে আমাদের জন্য চরম দুঃখ সংবাদ। আমরা দিনদিন বইবিমুখ জাতিতে পরিণত হচ্ছি। জ্ঞানের গভীরতা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। প্রযুক্তির ছোঁয়া আমাদেরকে কর্মেক্ষেত্রে বহুদুর এগিয়ে নিলেও মনুষ্য হিসেবে আমরা বহুদুর পিছিয়ে। সভ্যতার আলো বিমুখ এবং বিনয়ী হতে না পারায় আজ শিক্ষিত অশিক্ষিতজনেরা এমন সব কর্মকান্ড ঘটাই, যা আমাদেরকে অমানুষের কাতারে নিয়ে যায়। অর্থাৎ আমরা আকৃতি এবং পোশাকে- মানুষ হলেও মন মানসিকতায় মনুষ্যত্ববোধ অর্জন করতে পারিনি।

আমরা দিনদিন পশুত্বে পরিণত হচ্ছি। আমরা সভ্যতার আলো থেকে বহুদুর পিছিয়ে গেছি। টাকা আর রাতারাতি সম্পদশালী হওয়ার লোভ আমাদের অন্তরে জেঁকে বসেছে। এই লোভ আমাদের প্রজম্মকে ধ্বংস থেকে ধ্বংসের গহীন সাগরে নিয়ে গেছে। সর্বনাশা মাদক আমাদের পুরো প্রজম্মকে গ্রাস করেছে। পাড়ায় পাড়ায় কিশোর গ্যাং আমাদের সামাজ ব্যবস্থাকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। আমাদের অন্তরের পাশবিকতা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে। তাইতো, যখন যা ইচ্ছা, তা করতে কোন দ্বিধাবোধ নেই আমাদের ।

ভালো আর মন্দের উপলদ্ধির জ্ঞান আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে গেছে। এসব কিছু একটিমাত্র কারণ, আমরা জ্ঞানের আলো থেকে দূরে সরে পড়েছি। যে জ্ঞানের আলো আমার জীবনকে প্রদীপ্তময় করে তুলবে, সে জ্ঞানের পাঠশালা থেকে আমরা বহুদুরে ছিটকে পড়েছি। আমাদের অন্তরে অন্ধকার জমাট বেঁধেছে। আলোর শিখা বিচ্ছুরিত হয়ে গেছে। তাইতো আমরা যখন যা খুশি করতে পারি। কোন লজ্জাবোধ নেই। দ্বিধাবোধ নেই। নেই বড়দের প্রতি সম্মান এবং ছোটদের প্রতি সেন্থ। পত্রিকার পাতা খুললেই আমরা কিছু ঘটনা দেখে শিউরে উঠি। নিজেকে প্রশ্ন করি মানুষ কি এমন জঘন্য কাজ করতে পারে? কিন্তু আমার জানা নেই যে, সে আকৃতিতে মানুষ হলেও তার মনুষ্যত্ব হারিয়ে গেছে বহু আগে।

কারণ মনুষ্যত্ববোধ সৃষ্টির জ্ঞান তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। যদি আমরা সভ্য হতে চাই, তাহলে আমাদেরকে জ্ঞানের জগতে প্রবেশ করতে হবে। বইপাঠের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। সেখানে সভ্যতার ছোঁয়া খোজতে হবে। যেতে হবে বইয়ের ঘর গ্রন্থাগারে। সেটি আলোর শিখা। জ্ঞানের প্রজ্জ্বলিত বাতিঘর। হৃদয়কে আলোকিত করার বাতবঘর। সেখান থেকে সভ্য হওয়ার, বিনয়ী হওয়ার শিক্ষা লাভ করা যায়। আজকের বিশ্ব বই দিবসে এটি আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক, আমরা বইমুখী হব। নিজের ঘরকে বইয়ের ঘরে পরিণত করব। লাইব্রেরিতে অধ্যবসায় করতে যাব। অন্তরে জমাটবেঁধে থাকা অন্ধকারকে জ্ঞানের আলোর মাধ্যমে ছোঁড়ে ফেলে দেব। হৃদয়ে জাগ্রত করব মনুষ্যত্ববোধ। আমাদের লক্ষ্য হোক, বই পাঠের জন্য সবাইকে আগ্রহী করে তুলব। প্রতিটি শিশু এবং যুবককে বই পাঠের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেব। মনে রাখতে হবে সন্তানের ভবিষ্যতের সাফল্যের একক বৃহত্তম সূচক হল বই। আমরা আমাদের বাচ্চাদেরকে শিশুকাল থেকে বইমুখী করে গড়ে তুলতে পারি। শিশুকাল থেকে সন্তানকে বইমুখী করে গড়ে তুলতে পারলে তার জীবনের পরবর্তী সময়গুলো বইপাঠের মধ্যদিয়ে অতিবাহিত হবে। সে জ্ঞানের শিকড় খেকে শেখরে পৌঁছাতে পারবে। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, জীবনে তিনটি জিনিষের খুব প্রয়োজন, সেটি হলো, বই,বই এবং বই।

আসুন আমরা বইমুখী হই। গ্রন্থাগারমুখী হই। নিজের আত্মাকে বইয়ের সাথে মিশিয়ে নিই। সভ্য এবং বিনয়ী হওয়ার জন্য জ্ঞানমুখী হই। বইপাঠের মধ্যদিয়ে একটি নতুন আলোর স্বপ্ন বুনি।

—– সাঈফী আনোয়ারুল আজিম উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠাতা ও গণমাধ্যমকর্মী।

//আ: জব্বার//

PDF ও Photoshop উদ্ভাবক চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন

 

 সফটওয়্যার কোম্পানি Adobe সহপ্রতিষ্ঠাতা চার্লস গ্যাসকি মারা গেছেন। ১৬ এপ্রিল,২০২১ইং শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

 তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। ১৯৮২ সালে তিনি এডোবির প্রতিষ্ঠা করেন। Portable Document Format  বা PDF উদ্ভাবনেও সহায়তা করেন গ্যাসকি।

তবে বছর দশেক পরে তিনি পত্রিকার খবরের শিরোনাম হন। তখন বন্দুকের নলের মুখে তাকে অপহরণ করে নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

যদিও চার দিনের অগ্নিপরীক্ষার পর তিনি অক্ষত ফিরে আসতে সক্ষম হন।

Adobeর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শান্তানু নারায়ন বলেন, ডেস্কটপ প্রকাশনায় তিনি বিপ্লব এনে দিয়েছেন। তার মৃত্যু পুরো এডোবি পরিবার ও প্রযুক্তি শিল্পের জন্য বড় ক্ষতি। গত কয়েক দশক ধরে তিনি ছিলেন এ জগতের নির্দেশক ও নায়ক।

তিনি আরও বলেন, গ্যাসকি ও জন ওয়ারনক এমন সফটওয়্যার উদ্ভাবন করছেন, যা সবকিছু বদলে দিয়েছে। মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে যা বিপ্লবী ভূমিকা রেখেছে।

PDF, Acrobat, Illustrator, Premiere Pro ও Photoshop এর  মতো Software উদ্ভাবনে তারা ভূমিকা রেখেছেন।

২০০৯ সালে গ্যাসকি ও ওয়ারনককে জাতীয় প্রযুক্তি মেডেল দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

গ্যাসকির স্ত্রী ন্যান বলেন, তিনি ছিলেন খুবই বিনয়ী একজন মানুষ। তার সফলতার জন্য তিনি গর্বিত।

//দৈনিক বিশ্ব আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়, কেন…?

 

ইরান চীনের সাথে তেল-যুদ্ধবিমান বিনিময় করতে চায়।

নগদ অর্থ না থাকায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিনিময়ে ইরান চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান অস্ত্র নিতে চাইছে বলে দাবি করেছেন সামরিক গবেষকরা।

তারা বলছেন, চীনের কাছ থেকে জে-১০সি লাইটওয়েট ফাইটার জেট নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

বেইজিংভিত্তিক সামরিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট ইউয়ান ওয়াং থিংকট্যাংকের গবেষক ঝো চেনমিং বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ইরানের কাছে চীনকে দেওয়ার মতো নগদ ডলার বা ইউরো নেই। অস্ত্রের বিনিময়ে তারা তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস দিতে আগ্রহী। ঝো চেনমিং আরও বলেন, ‘চীনের কাছে যথেষ্ট জ্বালানি সঞ্চিত রয়েছে। আর ব্যবসা হলো ব্যবসাই। অস্ত্রচুক্তির মূল বিষয়টিই হলো অর্থ উপার্জন। তাই, চীন এ ধরনের অলাভজনক দর কষাকষিতে আগ্রহী নয়।’

ইরানের ওপর আরোপ করা জাতিসংঘের ১৩ বছরের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা গত বছরের অক্টোবরে শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই ফাইটার জেটের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে তেহরান। কয়েক মাস ধরেই চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এমন আলোচনা হচ্ছে।

এর আগে অনলাইন মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম সিনা নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, কাতারের কাছ থেকে পাওয়া তিন বিলিয়ন অর্থ সহায়তার অর্ধেক ব্যবহার করে চীনের ৩৬টি ফাইটার জেট কিনতে পারে ইরান।

গত বছরের জানুয়ারিতে তেহরানে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই অর্থ সহায়তার কথা বলেছিলেন কাতারের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি।

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জন্য অর্থনৈতিক ইস্যু মোকাবিলায় বেইজিং ও তেহরানের মধ্যে গত মার্চে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তির অংশ হিসাবে নিরাপত্তা বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখা গেছে।

আকাশপথে যুদ্ধের জন্য চীনের একক-ইঞ্জিন দ্বারা চালিত হালকা, বিভিন্ন দক্ষতার জে-১০ জেটের উন্নত সংস্করণ হলো জে-১০ সি।

সাংহাইভিত্তিক সামরিক বিশেষজ্ঞ নি লেক্সিয়ং বলেছেন, ‘২০১৮ সাল থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ করোনা মহামারির মধ্যেও চলমান রয়েছে। এর মধ্যে চীনকে তার নিজস্ব অর্থনৈতিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।’

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দুবাইয়ে কাশ্মীর সমস্যা সমাধানে পাক-ভারত গোপন বৈঠক

 

বহুবিতর্কিত হিমালয় অঞ্চল কাশ্মীর  নিয়ে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে ভারত-পাকিস্তানের গোপন বৈঠক হয়েছে।

গত জানুয়ারিতে দুবাইয়ে তাদের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও আলজাজিরা এমন খবর দিয়েছে।

দুই দেশের সরকার কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করতে চাইছে।

সামনের কয়েক মাসে এ বিষয়ে ভালো সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

দুই ব্যক্তিকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সহযোগিতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও রয়টার্সের অনুরোধে কোন সাড়া দেয়নি।

পাকিস্তানের নামকরা প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক আয়েশা সিদ্দিকির বিশ্বা- কয়েক মাস ধরেই ভারত-পাকিস্তানের কর্মকর্তারা অন্য দেশে বৈঠক করছেন।

তিনি বলেছেন, আমার মনে হয় থাইল্যান্ডে বৈঠক হয়েছে, দুবাইতে হয়েছে, হয়েছে লন্ডনেও।

 

// আন্তর্জাতিক ডেস্ক //

বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে F.I.R.

 

পুলিশি অনুমতি ছাড়াই রোড শো করে বেকায়দায় পড়লেন বিজেপি প্রার্থী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। ভোটের ৪৮ ঘণ্টা সামনে রেখে  তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল পর্ণশ্রী থানায়। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগে বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে এই এফআইআর দায়ের করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, পুলিশি অনুমতি ছাড়াই শ্রাবন্তী নিজের বাড়ির সামনে থেকে আদর্শ পল্লি পর্যন্ত রোড শো করেন।

জানা গেছে, এদিন সকাল থেকেই শ্রাবন্তীর রোড শো ঘিরে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শ্রাবন্তীর সমর্থনে পর্ণশ্রী থেকে আদর্শপল্লি পর্যন্ত রোড শো করার কথা ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর। কিন্তু অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তা স্থগিত রাখতে হয় বিজেপিকে।

এরপরই বিজেপি কর্মীরা পর্ণশ্রী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই থানায় ঢুকে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে শ্রাবন্তী। তিনি জানান, পুলিশ তাকে রোড শো বাতিলের নির্দিষ্ট কোনও কারণ দর্শাতে পারেনি। সূত্র : টিভিনাইন।

অনলাইন ডেস্ক।।