কিমকে চিঠি দিলেন পুতিন – কি বার্তা ছিল ঐ চিঠিতে

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়ে দেশটির নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু। উত্তর কোরিয়ার ‘বিজয় দিবস’ উদযাপনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চলতি সপ্তাহে দেশটিতে যান রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

এদিকে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চীনের একটি প্রতিনিধিদলও উত্তর কোরিয়া সফর করেছে।

গত শতকের নব্বইয়ের দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর এই প্রথম রাশিয়ার কোনো প্রতিরক্ষামন্ত্রী উত্তর কোরিয়ায় সফর করছেন।

উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি চিঠি কিম-জং উনকে দিয়েছেন শোইগু।

রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সামরিক প্রতিনিধিদল উত্তর কোরিয়ায় পাঠানোর জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কিম-জং উন।

কিম-জং উন বলেছেন, এই সফর উত্তর কোরিয়া-রাশিয়ার মধ্যকার কৌশলগত ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা বারবার বলেছেন, তার দৃঢ় বিশ্বাস যে রুশ সেনাবাহিনী ও জনগণ একটি শক্তিশালী দেশ গড়ার সংগ্রামে বড় সাফল্য অর্জন করবে।

কিম জং-উনের উদ্ধৃতিতে রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেনি উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তবে উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাং সান নাম বলেছেন, ন্যায়বিচারের জন্য রাশিয়ার যুদ্ধে পিয়ংইয়ংয়ের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইস্যুতেও মস্কোর প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে উত্তর কোরিয়ার।

ওয়াগনার ও রুশ সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব এখন রাজপথে, কি হবে ভবিষ্যৎ….!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর পথে এগোচ্ছে বিদ্রোহী ওয়াগনার বাহিনী। ইতোমধ্যে শহরটির মেয়র জানিয়েছেন, মস্কোর পরিস্থিতি কঠিন।

রুশ সেনাদের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলা ওয়াগনার গোষ্ঠী ছিল ইউক্রেনে হামলার বড় হাতিয়ার। পরম বন্ধু হয়ে ঘাড়ে ঝুলে থাকা সেই অস্ত্রেই এখন রক্ত ঝরছে পিঠে।

বিশ্বাসঘাতক বন্ধুর মতো পেছন থেকে হামলা করেছে। অথচ রাশিয়ার ভাড়াটে সেনা ওয়াগনার বাহিনীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিনই (৬২) ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্টদের একজন। যাকে পুতিনের বিশ্বস্ত বাবুর্চিও বলা হয়।

কিন্তু হঠাৎ করেই ফাটল ধরল! শুক্রবার গভীর রাতে বিদ্রোহের ঘোষণা দেন পুতিনের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে আনল বলে এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে।

ওয়াগনার ও রুশ সেনাবাহিনীর মধ্যকার অন্তর্দ্বন্দ্ব বিশ্বের সবার সামনে সোপ অপেরা হয়ে হাজির হয়েছে।

সর্বশেষ পর্বে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন পোস্টের এক নিবন্ধে প্রিগোজিন বেশ কয়েকবার ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।

ডিসকর্ডে ফাঁস হওয়া তথ্যের বরাতে ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে, প্রিগোজিন বাখমুত থেকে ইউক্রেনের সেনাদের সরে যাওয়ার বিনিময়ে কিয়েভকে রুশ সেনাদের অবস্থান সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ক্রেমলিন যদি ওই নিবন্ধের কথা বিশ্বাস করে ফেলে, তাহলে প্রিগোজিন সত্যিই বিরাট বিপদে আছেন।

কিন্তু তথ্য চেপে যাওয়া বা ইচ্ছা করে ভুল তথ্য দেওয়া ইউরেশিয়া অঞ্চলে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী অভিজাত বাহিনীগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার ঘটনাও নতুন নয়, যদিও পুতিনকে এতদিন এসব সামলাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি।

কিন্তু প্রিগোজিনকে হয় এখন তিনি সামলাতে পারছেন না, বা তার ইচ্ছা নেই। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, ক্রেমলিনের সর্বত্র তার নিয়ন্ত্রণ আর আগের মতো নেই।

তিনি রাশিয়ান রাষ্ট্রের কেন্দ্রে অবস্থান করছেন, এবং দৃশ্যত তার কোনো উত্তরসূরীও নেই। এখন পুতিন ‍দুর্বল হয়ে পড়লে, তার শাসনামলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও গুরুতরভাবে ওঠা শুরু করবে।

২০১৪ সালে প্রিগোজিন ভাড়াটে যোদ্ধাদের গ্রুপ ওয়াগনার প্রতিষ্ঠা করেন; এতে তার সঙ্গী ছিলেন রাশিয়ার বিশেষ সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর সাবেক কমান্ডার দিমিত্রি উৎকিনও।

বাইরে থেকে দেখলে ওয়াগনারকে রাশিয়ার মূল সামরিক কাঠামো থেকে আলাদা মনে হবে না। এই বাহিনীর যোদ্ধারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রশিক্ষণ নেন, গ্রুপটির অনেক যোদ্ধাই একসময় রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে কাজও করেছেন। এছাড়াও এই বাহিনীর মূল কাজই থাকে সর্বত্র রাশিয়ার স্বার্থকে প্রসারিত করা।

২০২২ সালের মধ্যে ওয়াগনার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় নিজের অবস্থান পোক্ত করে ফেলেছে। কেবল ইউক্রেইনই নয়, এটি এখন সিরিয়া, সুদান, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, লিবিয়া, মোজাম্বিক, মালি, ক্যামেরুন ও মাদাগাস্কারসহ অন্যত্রও বেশ সক্রিয়।

ক্রেমলিনে প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং তাদের নেতাদের কার কেমন দাপট তা খালি চোখে বোঝার উপায় নেই। কিন্তু মনে করা হয়, প্রিগোজিন যেহেতু ক্রেমলিনে ‘আউটসাইডার’ তাই মস্কোতে তার তেমন ক্ষমতা নেই, নিরাপত্তা পরিষদের মন্ত্রণালয় বা সংস্থাগুলোর প্রধানদের মধ্যে তার বন্ধু সংখ্যাও নগণ্য।

এখন তার হাতে থাকা সেনার সংখ্যাও আনুমানিক ৫০ হাজার, যার বেশিরভাগই হয়েছে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর। সে তুলনায় রাশিয়ার নিয়মিত বাহিনীর সেনার সংখ্যা দৈত্যাকার। এমনকি পুতিনের ব্যক্তিগত রক্ষীর সংখ্যাও ৩ লাখের বেশি।

এর অর্থ দাঁড়াচ্ছে প্রিগোজিনের পক্ষে ক্রেমলিনকে বলির পাঁঠা বানানো প্রায় অসম্ভব, তার চেয়েও বেশি অসম্ভব পুতিনকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

তবে ওয়াগনার ও প্রিগোজিন দুটোই ‍পুতিনের কাছে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। রুশ প্রেসিডেন্ট সাধারণত তার ঘনিষ্ঠদের সহজে ত্যাগ করতে চান না।

জেনারেল সের্গেই সুরোভকিনকে নিয়োগ করে পুতিন সেই বার্তা আরও জোরালভাবে দিতেও চেয়েছিলেন। সুরোভকিন ওয়াগনার ও রুশ সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে লিঁয়াজোর দায়িত্বে ছিলেন। সুরোভকিন চাইলেই প্রিগোজিনকে গোলাবারুদ পাঠানো পিছিয়ে দিতে বা বন্ধ রাখতে পারতেন।

সামরিক বাহিনী এখন নতুন যোদ্ধা টানতে ওয়াগনারের আকর্ষণীয় চুক্তিতেও বাধ সেধেছে, যে কারণে প্রিগোজিন সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বের প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

সামরিক বাহিনীকে ঘিরে এই নাটক ক্রেমলিনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। সহজ কথায়, এটা পুতিনকে তার সিদ্ধান্তের ভুলত্রুটি থেকে নিজেকে আলাদা করা কঠিন করে তুলবে।

ইউক্রেনে হামলার সিদ্ধান্ত পুতিন নিয়েছিলেন। পুতিনই ওয়াগনারকে বাখমুতে অভাবনীয় সাফল্য আনতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সবশেষে পুতিনই সমগ্র যুদ্ধ দেখভালের দায়িত্ব সামরিক বাহিনীর কোন কর্মকর্তা পালন করবেন, তা ঠিক করে দিয়েছেন। গেরাসিমভ এই দায়িত্ব সুরোভকিনের কাছ থেকে নিয়েছেন চলতি বছরের জানুয়ারিতে।

রাশিয়া অবশ্য ২০২২ সালে তাদের ‘সামরিক অভিযান’ শুরুর পর দায়িত্বে একের পর এক জেনারেল বদলেছে, অনেক জেনারেলকে যুদ্ধেও হারিয়েছে তারা।

২০১৪ সালে ইউক্রেনে রুশদের আগ্রাসন শুরু হয়। ইউক্রেনে রুশদের সর্বাত্মক আগ্রাসন ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি। যা প্রিগোজিনের জীবনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসে। যুদ্ধ যত খারাপের দিকে গেছে প্রিগোজিনের ভবিষ্যৎ ততই সামনে এগিয়েছে।

ভাড়াটে ব্যবসায় নাম ওঠে তার। হয়ে ওঠেন রুশদের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রের একটি গ্রুপের নেতা। ইউক্রেনীয়রা যত বেশি রুশ সেনাদের হত্যা করেছিল, মস্কোর তত বেশি ওয়াগনারের ভাড়াটেদের প্রয়োজন ছিল। সম্পদ ও চাকচিক্যের স্বাদ পেয়ে ক্ষমতার করিডোরে নিজের স্থান তৈরি করে ফেলেন প্রিগোজিন।

পুতিন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে যে দেশগুলোকে আহ্বান জানালেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বাণিজ্যিক জোট ব্রিকসের সদস্য ব্রাজিল, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা যেন রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করে।

বৃহস্পতিবার চীনে ব্রিকসের ভার্চ্যুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ বৈঠকের আগে জোটটির বাকি সদস্যগুলোকে এ আহ্বান জানালেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

পুতিন বলেছেন, রাশিয়া তার ব্যবসা-বাণিজ্য ‘নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক মিত্র সর্বোপরি ব্রিকস সদসভুক্ত দেশগুলোর’ দিকে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছে।

পুতিন আরও বলেছেন, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর ব্যবসায়ীদের ‘কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠা করতে হয়েছে’ যেখানে পশ্চিমা দেশগুলো ‘বাজার অর্থনীতির সাধারণ নিয়মগুলো, মুক্ত বাণিজ্য, ব্যক্তিগত সম্পত্তির অলঙ্ঘনীয়তাকে উপেক্ষা করে’।

প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও জানিয়েছেন, রাশিয়ায় ভারতের চেন স্টোর খোলা এবং রাশিয়ার বাজারে চীনের অটোমোবাইল ব্যবসা সম্প্রসারণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর দেশটির তেল কেনার পরিমাণ অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে চীন ও ভারত।

প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, ব্রিকসের মিত্রদের নিয়ে রাশিয়া ‘বিকল্প আন্তর্জাতিক ট্রান্সফার মেকানিজম’ এবং ডলার-ইউরোর ওপর নির্ভরতা কমাতে একটি ‘আন্তর্জাতিক রিজার্ভ মূদ্রা’ ব্যবস্থা তৈরির কাজ করছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

চিলাহাটি নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে মিতালি এক্সপ্রেস চলবে ১লা জুন থেকে

 মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

ঢাকা থেকে সরাসরি নিউজলপাইগুড়ি (শিলিগুড়ি) আন্তঃদেশী মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন চলবে ১লা জুন থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে হলদিবাড়ী চিলাহাটি সীমান্ত দিয়ে । ট্রেনটির প্রথম যাত্রা হবে ভারতের পশ্চিম বাংলার উত্তর বঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের নিকট নিউ জলপাইগুড়ি (এনজিপি) ষ্টেশন হতে।  বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার চিলাহাটি ও ভারতের কুচবিহার জেলার হলদিবাড়ী সীমান্ত দিয়ে এই রেল যোগাযোগ চালু হচ্ছে এবং তা চলবে ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে। গত বছর ২৭ শে মার্চ এই ট্রেনের উদ্ভোধন করেন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাচিনা ও ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে করোনার পরিস্থিতির কারনে এই রেল পথের ট্রেন চালু করা সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি বাংলাদেশের রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ও ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশি^নী বৈষ্ণব ভার্চুয়াল মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা উদ্ভোধন করবেন ভারতের দিল্লি থেকে।

রেলপথ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ির দুরুত্ব ৫৯৫ কি.মি এর মধ্যে ভারতের অংশে ৬৯ কি.মি.। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ছাড়বে ১লা জুন রবিবার দুপুর ১২.১০ মিনিটে, চিলাহাটি এসে ট্রেনটি ৩০ মি. যাত্রা বিরতি দিয়ে ঢাকা ক্যান্টম্যান্টে পৌছবে রাত ১০.৩০ মিনিটে। পরের দিন সোমবার মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা সেনা নিবাস ষ্টেশন থেকে রাত ৯.৫০ মি: ছেড়ে ভারতের নিউ জলপাইগুড়ি পৌছবে সকাল ৭ টা ৫ মিনিটে। ট্রেনটি ভারত থেকে সপ্তাহে রবিবার ও বুধবার এবং বাংলাদেশ থেকে সোমবার ও বৃহস্পতিবার চলাচল করবে। ট্রেনটি দিনের বেলায় ৪৫৬ আসন এবং রাতে ৪০৮ আসন নিয়ে চলাচল করবে। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনে থাকছে ১০ টি তাপানুকুল কোচ এর মধ্যে ৪ করে ৮ এসি ফাস্টক্লাস ও এসি চেয়ার কোচ থাকবে বাকি দুইটি জেনারেটর ও ব্রেকআপ ভ্যান থাকবে। ৫ বছর পর্যন্ত অপ্রাপ্ত বয়ষ্কদের জন্য মূল ভাড়ার ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৫ বছরের কমবয়সী যাত্রীর ক্ষেত্রে ২০ কেজি ওজনের মালামাল বহন করতে পারবে।

ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত ভ্রমন কর সহ ভাড়া নির্ধরন করা হয়েছে,এসি বাথ ৪৯০৫ টাকা,এসি ছিট ৩৮০৫,এসি চেয়ার ২০৭৫ টাকা, চিলাহাটি থেকে নিউ জলাপাইগুড়ি ১২৫০ টাকা। এই ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে বাংলাদেশ অংশে ঢাকা,কমলাপুর, চট্টগ্রাম ও নীলফামারীর চিলাহাটি ষ্টেশনে। ভারতের অংশে টিকিট মিলবে কলকাতার ফেয়ারলী প্যালেস ও নিউ জলপাইগুড়ি ষ্টেশনে।  মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনে চিলাহাটির জন্য আলাদা দুইটি কোচ বরাদ্দ থাকবে,সম্ভবত এই কোচ দুইটিতে ১০০ টি আসন থাকবে। এখানে রংপুর ও দিনজপুর জেলার পাসপোর্ট ধারী যাত্রীরা চিলাহাটি থেকে ভ্রমন করতে পারবেন। ভারত সরকারের প্রট্রোকল অনুসারে ভ্রমনকারী যাত্রার ৭২ ঘন্টা আগে আরপিসি আর কোভিট টেষ্ট কিংবা দুই ডোজ টিকা গ্রহনের সনদ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহা ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) অসিম কুমার তালুকদার বলেছেন যে, ভিসাসহ অন্যান্য জটিলতা অবসান হওয়ায় ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ির মধ্যে ট্রেন চলাচলের সকল প্রস্তুতি সম্পূর্ন করেছি। বাংলাদেশের রেল কোচ সংকটের কারনে আপাতত মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভারতীয় কোচ দিয়ে চলাচল করবে। মিতালী এক্সপ্রেসের নাম্বার করা হয়েছে ভারত থেকে আসার সময় ৩১৩১ ও ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় ৩১৩২।

বাংলাদেশ-ভারতের এই রুটে ট্রেন চলাচল করতো ব্রিটিস আমল থেকে, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর মালবাহী গাড়ি ও পাসপোর্ট ধারী যাত্রীদের নিয়ে একটি ট্রেন চিলাহাটি- হলদিবাড়ীর মধ্যে যাতায়াত করতো, ১৯৬৫ সালে যুদ্ধের সময় তাহা বন্ধ হয়ে যায়। এর পরেও এমিগ্রেশন কাষ্টম চালু ছিল পাসপোর্ট ধারী যাত্রীদের জন্য, কিন্তু ২০০৪ সালে ভারত সরকার তা বন্ধ করে দেয়। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর আবার সেই বাংলাদেশ-ভারত ট্রেন যোগাযোগ চালু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের চিলাহাটি ও ভারতের হলদিবাড়ী এলাকার মানুষ  আজ আনন্দিত, এই ট্রেন চালু হলে দুই দেশের সর্ম্পক আরো গভীর হবে এবং দুই দেশের মানুষ যাতায়াতের মাধ্যেমে দেখা সাক্ষাত মিলবে, গড়ে উঠবে গভীর সম্পর্ক। তাছাড়া এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের একটি দাবী পুরন হতে যাচ্ছে, তাই দুই দেশের সীমান্তে মানুষের মধ্যে সাজ সাজ রব পড়েছে।

প্রকাশ থাকে যে,মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তৃতীয় যোগাযোকারী ট্রেন। করোনা ভাইরাসের কারনে মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেস ২০২০ সালের ১৫ মার্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে দুই বছর বন্ধ থাকার পর ২৯ মে চালু হতে যাচ্ছে মৈত্রী ও বন্ধন।

English Dainikbiswa

আত্মসমর্পণ করে মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন চেয়েছে সম্রাট

সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে ন্যাটোতে যোগদান নিয়ে যা বললেন এরদোগান

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে রাশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ সুইডেন-ফিনল্যান্ড। বরাবরই দেশ দুটির ন্যাটো সদস্য পদের বিরোধিতা জানিয়ে আসছে তুরস্ক। এবার ন্যাটো নিয়ে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। বিবিসি শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সুইডেন ও  ফিনল্যান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটো সদস্যপদের জন্য আবেদন করার পর শনিবার এরদোগান অ্যান্ডারসনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। এ সময় সুইডেন সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন এরদোগান।

ফোনে এরদোগান ২০১৯ সালে সিরিয়ায় অনুপ্রবেশের পর তুরস্কের উপর আরোপিত অস্ত্র রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত বলে জানান।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর বিরুদ্ধে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) এবং চরম বামপন্থী রেভুলেশনারি পিপলস লিবারেশন পার্টি-ফ্রন্ট (ডিএইচকেপি-সি) সদস্যদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোতে যোগদানের ব্যাপারে বিরোধিতা করে আসছে তু্রস্ক।

তুরস্কের আপত্তি শর্তেও আঙ্কারার অবস্থান ন্যাটো যোগদান প্রক্রিয়ার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলে পশ্চিমা নেতারা আস্থা প্রকাশ করেছেন।

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়া নিয়ে যা বললেন পুতিন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সোমবার রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশনের (সিএসটো) একটি বৈঠকে কথা বলেন।

রাশিয়ার রাজধানী  মস্কোতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পুতিন ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি জানিয়েছেন, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সঙ্গে রাশিয়ার কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ন্যাটো যদি এ দুটি দেশে সামরিক শক্তি বাড়ায় তাহলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া আসবে।

পুতিন এ বৈঠকে আরও জানিয়েছেন, ন্যাটোর পরিধি বাড়ানো রাশিয়ার জন্য একটি সমস্যার বিষয়।

পুতিনের মতে, ন্যাটোর লক্ষ্য হলো বিশ্বে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি করা। তাই রাশিয়া বিষয়টি খুব কাছ থেকে নজর রাখবে।

পুতিন তার বক্তব্যে বলেছেন, আমাদের প্রতিক্রিয়া কি হবে? আমরা দেখব কি রকম হুমকি আমাদের জন্য তৈরি করা হয়।

রুশ প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, কোনো কারণ ছাড়াই সমস্যা তৈরি করা হয়েছে। আমরা অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেব।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেন হামলা করার পর রাশিয়ার প্রতিবেশী দেশ ফিনল্যান্ড ও এর পাশের দেশ সুইডেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

রোববার এ দুটি দেশ সরাসরি ঘোষণা দেয় তারা ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আবেদন করবে।

ফিনল্যান্ড-সুইডেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই তাদের নানা রকম হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে রাশিয়া। সূত্র: বিবিসি

একথ্ শোনার পরও পুতিন শান্ত ছিলেন, অবাক হলেন সাউলি নিনিস্তো

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে শনিবার ফোন করেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো।

তিনি পুতিনকে জানান, ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার আবেদন করবে।

পুতিনের সঙ্গে কি কথা হয়েছে? ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেবে এটা শোনার পর পুতিনের প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল? এসব বিষয় গণমাধ্যম সিএনএনকে জানিয়েছেন ফিনিশ প্রেসিডেন্ট।

তিনি জানিয়েছেন, যখন পুতিনকে তিনি ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার কথা বলেন তখন পুতিন খুবই শান্ত ছিলেন। আর তাকে এত শান্ত থাকতে দেখে তিনি নিজেই বেশ অবাক হয়েছিলেন।

এ ব্যাপারে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো বলেন, আসলে আমার জন্য অবাক করার মতো ছিল যে, সে এটি খুব শান্তভাবে নিয়েছে।  তাকে এত শান্ত থাকতে দেখে অবাক হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু নিরাপত্তা পলিসিতে, বিশেষ করে যখন রাশিয়ার সঙ্গে কথা বলেন, তখন আপনাকে মাথায় রাখতে হবে সে যা বলে, তা বোঝায় না আপনার সবসময় ভালোভাবে সতর্ক থাকতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত যা মনে হয়েছে, এখনই কোনো সমস্যা আসছে না।

ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের বিষয়েও কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, এরদোগানের মন্তব্য শুনে তিনি অবাক হয়েছিলেন কিন্তু এ নিয়ে তিনি চিন্তিত না।

আমি বিশ্বাস করি এখনো এখানে অনেক আলোচনা হবে এবং এ নিয়ে আমি চিন্তিত না।  সিএনএনকে বলেন প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো। সূত্র: সিএনএন

রাশিয়ার পাশে আছে এবং থাকবে বলে জানিয়েছেন কিম জং উন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

রাশিয়ার বিজয় দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাাদিমির পুতিনকে চিঠি দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন।

চিঠিতে তিনি মস্কোর প্রতি সংহতি জানিয়েছেন বলে খবর দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় মুখপত্র হিসেবে পরিচিত দৈনিক রডং সিনমুন। খবর দ্যা ইন্ডিপেনডেন্টের।

চিঠিতে ‘রাজনৈতিক ও শত্রু বাহিনীর নানা ষড়যন্ত্রের’ মুখে থাকা রাশিয়ার নাগরিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন কিম। দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত, ঐতিহ্যগত ও বন্ধুত্ব ভবিষ্যতে আরও উন্নত হবে বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা।

রাশিয়া গত সোমবার জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের ৭৭ম বার্ষিকী পালন করেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ওই বিজয়কে প্রতি বছর ‘বিজয় দিবস’ হিসেবে স্মরণ করে রাশিয়া। এ উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট পুতিনকে চিঠি দেন কিম জং-উন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করার পরপরই মস্কোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল কিম জং উনের প্রশাসন। এই সংঘাতের জন্য ইউক্রেনের যুক্তরাষ্ট্র-ঘেঁষা নীতিকেই দায়ী করেছে পিয়ংইয়ং।

মার্চ মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে রাশিয়ার ‘ইউক্রেন আগ্রাসনের’ নিন্দা জানিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবের বিপক্ষে যে পাঁচটি মাত্র দেশ ভোট দিয়েছিল তার অন্যতম ছিল উত্তর কোরিয়া।

English Dainikbiswa

খুলনার অমিত জাবির ছাত্র , হলের ছাদ থেকে লাফদিয়ে আত্মহত্যা

৪০০০ বছর আগের মূর্তি নেব-সেনু নিজেই এদিক ওদিক ঘোরে

সুতপার সাথে কি সম্পর্ক ছিল সুশান্তর, খতিয়ে দেখছে তন্তকারীরা

রাশিয়ার বিজয় দিবসে পুতিন জানিয়ে দিল ইউক্রেন ও পুশ্চিমাদেরে আসল উদ্দেশ্য কি ছিল

আমেরিকা সৈন্যর বদলে গোয়েন্দা দিয়ে ইউক্রেনকে সহায়তা করছে: পুতিন ভাবতে পারেন

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ইউক্রেনে তাদের চালানো কার্যক্রম নিয়ে চুপ থাকতে অনুরোধ করেছেন দেশটির সাবেক গোয়েন্দারা।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে গত কয়েকদিন ধরে দুটি ঘটনা বেশ ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রথমটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রুশ জেনারেলদের হত্যা করা। দ্বিতীয়টি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের সহায়তা নিয়ে রাশিয়ার বিশাল যুদ্ধজাহাজ মস্কভা ডুবিয়ে দেওয়া।

নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, এনবিসি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে এ দুটি খবর জানিয়েছে।

আর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র এরকম সরাসরি রাশিয়ার ক্ষতি করার বিষয়টি স্বীকার করায় এতে রাশিয়া আরও ক্ষেপে যেতে পারে এবং তারা এর  বদলা নেওয়ার চেষ্টা চালাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় রুশ জেনারেল হত্যা ও জাহাজ ডুবির দুটি ঘটনাই রাশিয়া ও পুতিনের জন্য অপমানজনক।

পল পিলার নামে সিআইএ এর সাবেক একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ ব্যাপারে বলেছেন, আমাদের ব্যক্তিগত মতামত হলো এটি অবিবেচনাপূর্ণ। আমি অবাক হয়েছি জাহাজ ডুবি এমনকি জেনারেল হত্যায় যেভাবে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা যুক্তরাষ্ট্র বলেছে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়াকে অপদস্ত করার বিষয়টি যেভাবে সরাসরি স্বীকার করা হচ্ছে, তা পুতিনকে এমনভাবে দ্বন্দ্ব বাড়াতে উস্কে দিতে পারে, যেটি পুতিন মনে করেননি দ্বন্দ্ব বাধানো প্রয়োজন আছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জেলেনস্কি শান্তি চুক্তি নিয়ে যা বললেন তা কিসের ঈঙ্গিত….?

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কি শুক্রবার জানিয়েছেন, তিনি রাশিয়ানদের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাবেন তখনই যখন রাশিয়া ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চলগুলো ছেড়ে দেবে।

বর্তমানে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। বিষয়টি থমকে আছে।

গণমাধ্যম বিবিসির সাংবাদিক ফ্রাঙ্ক গার্ডনার জেলেনস্কিকে জিজ্ঞেস করেন, ‘নূন্যতম’ কোন ছাড়টি দিলে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি করবেন তিনি।

এ ব্যাপারে জেলেনস্কি বলেন, ২৩ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সেনারা যেখানে ছিল সেখানে যদি তারা চলে যায় তাহলে শান্তি চুক্তি হবে।

এদিকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর তারা ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি অঞ্চল দখল করে ফেলে।

জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এজন্য কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন।  বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য এখনো ইউক্রেনের দরজা খোলা আছে।

এদিকে জেলেনস্কি শান্তি আলোচনার জন্য তার শর্তে স্পষ্টভাবে ক্রিমিয়ার কথা উল্লেখ করেননি।

২০১৪ সালে এমনই কথিত অভিযান চালিয়ে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় রুশ বাহিনী।

কিন্তু তিনি বলেছেন, ২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির পর যেসব স্থান রাশিয়া দখল করেছে সেগুলো ছেড়ে দিলেই শান্তি আলোচনা হবে।

এর মাধ্যমে কি ইঙ্গিত দিলেন জেলেনস্কি?

বিবিসি জানিয়েছে, এর মাধ্যমে শান্তি চুক্তির জন্য জেলেনস্কি হয়ত ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তাছাড়া রাশিয়া ২০১৪ সাল থেকে দোনবাসের লুহানেস্ক ও দোনেৎস্কও দখল করে রেখেছে।  জেলেনস্কির এমন ছাড় দেওয়ার ইচ্ছা এ দুটি অঞ্চলের জন্য কি অর্থ বহন করছে তাও পরিস্কার না। সূত্র: বিবিসি

English Dainikbiswa

বৃদ্ধাশ্রমে প্রবীণরা কেমন আছে..? একটু খুজুন অনেক জানতে পারবেন