নারীর পেট থেকে বের হলো গজ, তাও সিজারের ৫ মাস পর

 

সিজারিয়ান অপারেশনের প্রায় পাঁচ মাস পর কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি বেসরকারী হসপিটালে এক নারীর পেট থেকে বের করা হলো গজ (ব্যান্ডেজ)। পুরো ৫ মাস গজটি ওই নারীর পেটে থাকায় তাতে পচন ধরে তার জীবন এখন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়।

সূত্র জানায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে মুরাদনগর উপজেলার মোগসাইর গ্রামের মো. রাসেল মিয়ার  স্ত্রী মোসা. শারমিন আক্তার (২৫) দেবিদ্বারের একটি হাসপাতালে ভর্তি হন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক রোজিনা আক্তার তাকে দেখে জরুরি সিজার করতে পরামর্শ দেন। ডাক্তারের পরামর্শ মতো সিজারে সম্মতি দিলে ওই দিনই ডাক্তার রোজিনা আক্তার ও ডা. শামীমা আক্তার লিন্টা তার সিজার করেন।

একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

অপারেশেনের কিছুদিন পর থেকে তার পেটে ব্যথা ও ক্ষত থেকে পুঁজ বের হতে থাকে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শারমিনকে কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল চিকিৎসক তার পেটে অপারেশন করে আস্ত গজ (ব্যান্ডেজ) বের করেন।

শারমিনের বড় ভাই রহুল আমিন জানান, শারমিনের আগেও একটি তিন বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে। তার প্রথম সন্তানও সিজারে হয়েছে। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবে সিজার করার পর থেকে তার পেটে অনেক ব্যথা ও পুঁজ পড়তে থাকে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গাইনি চিকিৎসক ডা. রোজিনার সাথে মোবাইল ফোনে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আল ইসলাম হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়াজ মোহাম্মদ হোসেন এনাম বলেন, শারমিনের পেটে গজ থেকে যাওয়ার বিষয়টি আমরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারি। ঘটনাটি প্রায় পাঁচ মাস আগের। রোগীর স্বজনরা এরপর কখনো আমাদের সাথে আর যোগাযোগ করেনি। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে আমরা অনুতপ্ত।

ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কর্নেল আবু দাউদ মো. শরীফুল ইসলাম জানান , মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অপারেশনের মাধ্যমে পেট থেকে রক্তাক্ত গজ বের করা হয়। বর্তমানে রোগী সংকটাপন্ন রয়েছে। ৪-৫ দিন গেলে অবস্থা বোঝা যাবে।

এ বিষয়ে কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতালের নাম উল্লেখ করে স্বজনরা যদি লিখিত অভিযোগ করে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

আসমা বেগমের সর্বস্ব পুড়ে ছাই।। আয়ের উৎস কিছুই থাকলনা

 

নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন এর গোপাই  ( মোল্লা পাড়া ) গ্রামের বিধবা আসমা বেওয়ার গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকে আগুন লেগে ২ টি গরু মারা গেছে এবং ১ টি গাভী ও ১টি ছোট বাছুর মারাত্বক দগ্ধ হয়েছে।

আসমা বেওয়া একজন বিধবা নারী, স্বামী আব্দুল লতিফ মোল্লা ৬বছর আগে মারা যায়। এর অবাবের সংসারে পর গরু লালন-পালন করে  ছোট -ছোট ৩ ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবিকা নিবার্হ করে আসছিলেন।

 

প্রতিদিনের মতো আসমা বেওয়া গোয়াল ঘরে অতিরিক্ত মশার জন্য সোমবার রাত ১০টার দিকে গোয়াল ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে দেয়।

এর পর মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে অতিরিক্ত আগুন ও ধোঁয়া দেখতে পেয়ে চিল্লাতে শুরু করেন আসমা বেওয়া। এর পর প্রতিবেশি ছুটে আসে এবং আগুন নিভানোর চেষ্টা করে।

এসময় আবুল হোসেন নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে ফায়ার সার্ভিস দল রওয়ানা দেয় এর ৩০মিনিট পর আবার ফাওয়ার সার্ভিসকে আগুন নিভিয়ে গেছে এমন সংবাদ দেয়া হলে ফাওয়ার সার্ভিসের গাড়ি মাঝপথ থেকে চলে যায়।

মাত্র ৩০মিনিটে আসমা বেওয়ার সহায় সম্ভল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিভাতে সক্ষম হলেও গোয়াল ঘরে থাকা দুটি গরু পুড়ে মারা যায় এবং একটি গরু মারাত্বকভাবে দগ্ধ হয়। গোয়াল ঘর ছাড়াও পাশে বসবাসের ঘর এর কিছু অংশ পুড়ে যায়। আগুনটি পাশের বাসায় ছড়িয়ে পরতে লাগলে স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নিভাতে সক্ষম হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন জানান, আগুন লাগার কথা জানতে পারলে প্রথমে ৯৯৯ ফোন দিয়েছিলাম পরে আমরা আগুন নিভাতে সক্ষম হই। অসহায় বিধবা আসমা বেওয়ার স্বামী মারা যাবার পর সন্তানদের নিয়ে অনেক কষ্টে সংসার চালাতো।

গরু লালন পালন করে মোটা তাজা করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নিবার্হ করত কোন রকমে। কয়েল এর আগুন থেকে গোয়াল ঘরে থাকা গরু ও বাড়িঘর পুরে যায়। এসময় তার ২টি গরু আগুনে পুড়ে মারা যায়। এবং একটি গাভী ও একটি ছোট বাছুর মারাত্বক দগ্ধ হয়েছে।

এখন সরকারীভাবে যদি একটু সহায়তা পেতে তবে কিছুটা হলেও দু’বেলা ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।

ভুক্তভোগী  বিধবা আসমা বেওয়া বলেন, দুর্ঘটনার ফলে আনুমানিক আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমার সব সম্বল আগুনের সাথে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দুটি গরু আগুনে পুড়ে মারা গেছে এবং একটি গাভী ও একটি ছোট বাছুর মারাত্বকভাবে দগ্ধ হয়েছে। গরু এবং ঘর মিলে আমার প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। আমি এখন কি করে খাবো । গরু লালন-পালন করে সংসার চলতো সেটাও আজ নাই। কি করে সংসার চলবে সেই চিন্তায় এখন মাথায় ঘুরপাক করছে।

নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) নজরুল ইসলাম জুয়েল বলেন, বিষয়টি জানার পর ভুক্তভুগি বিধবা আসমা বেওয়াকে থানায় লিখিত সাধারণ ডায়েরি করতে বলেছি।

তবে ঘটনাটি সত্যিই দু:খজনক। তবে যতদূর জানি গোয়াল ঘরে কয়েলের আগুন থেকেই দূর্ঘটনা ঘটেছে|

একেএম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধি//

চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

 

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়োজিদ বোস্তামী থানার লিংক রোড় এলাকায় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত বৃদ্ধের নাম আফছার আলী (৭০)। আজ মঙ্গলবার সকালে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আফছার আলী সীতাকুন্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি বায়োজিদ বোস্তামী লিংক রোড় এলাকায় নৈশ প্রহরীর চাকুরি করতেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফঁাড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, সকালে বাইসাইকেল যোগে কর্মস্থল থেকে  নিজ বাসায় ফিরছিলেন আফছার উদ্দিন।

তিনি লিংক রোড়ে পেঁৗছলে পেছন থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের ধাক্কায় মারাত্মক আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //

বরিশালে অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে অটোচালকরা।। প্রতিবাদ কারায় যাত্রীর মুখমন্ডল ফাটালো অটো চালক

 

বরিশাল নগরীতে অতিরিক্ত ভাড়া চাওয়ার প্রতিবাদ কারায় যাত্রীর মূখমন্ডল ফাটিয়েছেন অটো চালক। আহত যাত্রী বর্তমানে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

সোমবার   সন্ধ্যা  দিকে হাসপাতালে সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহত ওই যাত্রীর নাম সৈয়দ আক্তার হোসেন বাদল। নগরীর সাগরদী এলাকার ব্যবসায়ী। আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, সাগরদি থেকে একটি ব্যাটারী চালিত হলুদ অটো  চড়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটে নামেন। পূর্ব নির্ধারিত ভাড়া ৫টাকা দিলে ওই অটো চালক তা নিতে চান না।

বড়ং দ্বিগুন ভাড়া ১০ টাকা দাবি করেন। অহেতুক দ্বিগুন ভাড়া দিতে অস্বিকার করলে বাদানুবাদ হয়। তর্কের এক পর্যায়ে অটো চালক হামলা চালায় যাত্রী সৈয়দ আক্তার হোসেনের ওপর। অটো চালকের হামলায় যাত্রী বাদলের মুখমন্ডলে ও ডান চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

এসময়ে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অটো গাড়ি রেখে পালিয়ে যান সেই চালক। ওদিকে আহত যাত্রী আক্তার হোসেন বাদলকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে সার্জারি বিভাগের ২৩ নম্বও ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন বলে জানিয়েছেন জরুরী বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক। এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার এসআই সোহেল রানা জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অটো গাড়িটি আটক করে নিয়ে থানায় রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান সৈয়দ আক্তার হোসেন বাদল।

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল প্রতিবেদক //

খুলনায় মায়েরে (সৎ) হাতে শিশুপুত্র খুন: মা গ্রেফতার

 

খুলনার তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদহ ইউনিয়নের আড়কান্দী গ্রামে তানিশা আক্তার (৫) নামের এক ঘুমন্ত শিশুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিশুটির সৎ মা তিথি আক্তার মুক্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা উপজেলার আড়কান্দী গ্রামের খাজা শেখ। তিনি বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়নে চাকরিরত।

 

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানায়, খাজা শেখ ৭ বছর আগে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার আক্কাস শেখের মেয়ে তাসলিমা বেগমকে বিয়ে করেন। বেশ কিছুদিন আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। তাদের একমাত্র সন্তান ছিল তানিশা।

বাবা-মার বিচ্ছেদের পর তানিশা মায়ের সাথে নানা বাড়িতে ছিল। কিছুদিন আগে সে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সেখানে অমানবিক নির্যাতন করতেন সৎ মা মুক্তা।

সর্বশেষ গতকাল সোমবার তানিশা বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে দাদির কাছে ঘুমায়। সেখান থেকে সৎ মা মুক্তা তাকে উঠিয়ে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। রাত ১১টার দিকে ঘুমন্ত শিশুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপান মুক্তা। রক্তাক্ত জখম তানিশার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তেরখানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

খুমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় স্থানীয়রা রক্তমাখা ধারালো অস্ত্রসহ মুক্তাকে আটক করে পুলিশে দেয়। তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, সৎ মা তানিশাকে হত্যা করেছে।

শিশুটির বাবা আনছার ব্যাটেলিয়ান পুলিশে চাকরি করেন। প্রথম স্ত্রী বছর দেড়েক আগে ডিভোর্স দেন খাজা শেখকে। পরে তিন /চার মাস আগে নতুন বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সৎ মা শিশু তানিশাকে মেনে নিতে পারেনি।

হত্যাকাণ্ডের পেছনে আর কোনো কারণ আছে কিনা, সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো ।।

শীতলক্ষ্যায় ডুবে যাওয়া লঞ্চ উদ্ধার: মরদেহ উদ্ধার- ২১।। মোট মৃত্যু ২৬

নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ওই লঞ্চ থেকে আরও ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

আজ সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ওই ২১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

 

অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়। এর পর এর ভেতর থেকে ২১ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। বেলা সোয়া ১টার দিকে উদ্ধারকাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে উদ্ধার করা হয় আরও পাঁচজনের লাশ।চারজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আর একজন অজ্ঞাতনামা নারীর মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া) মর্গে রাখা হয়েছে।

 

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিক রোববার দিবাগত রাত ২টা পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছেন।

 

হস্তান্তর করা লাশের মধ্যে রয়েছে মুন্সীগঞ্জ সদরের মালপাড়া এলাকার হারাধন সাহার স্ত্রী সুনিতা সাহা (৪০), উত্তর চরমসুরা এলাকার অলিউল্লাহর স্ত্রী সখিনা বেগম (৪৫), একই এলাকার প্রীতিময় শর্মার স্ত্রী প্রতিমা শর্মা (৫৩), সদরের নয়াগাঁও পূর্বপাড়া এলাকার মিথুন মিয়ার স্ত্রী সাউদা আক্তার লতা (১৮)।

 

নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও নাহিদা বারিক জানান, মদনগঞ্জ এলাকায় নির্মাণাধীন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর কাছাকাছি এসকে-৩ নামের একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় বেশ কিছু যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চ ডুবে যায়। এ ঘটনায় অনেকে সাঁতরে তীরে উঠলেও নিখোঁজ রয়েছেন আরও বেশ কিছু যাত্রী।

 

তিনি আরও জানান, এর মধ্যে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের লাশ দাফনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে স্বজনদের কাছে দেওয়া হয়েছে।

 

নাহিদা বারিক বলেন, লঞ্চডুবির এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন আমাকেসহ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহেরীকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

 

তদন্ত কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটিতে বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের প্রতিনিধিও রয়েছে।

 

ফায়ার সার্ভিস নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আরেফিন জানান, সকাল থেকে নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

।।অনলাইন ডেস্ক।।

সারা দেশে কালবৈশাখী ঝড়: গাইবান্ধায় ১০ জনের মৃত্যু

 

সারা দেশে গতকাল বয়ে গছে  কালবৈশাখী ঝড় । কালবৈশাখী ঝড়ে গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে সদরের মালিবাড়ি ও বাদিয়াখালি ইউনিয়নে দুই জন, ফুলছড়িতে দুই জন, পলাশবাড়ীতে তিন জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় এক জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে রবিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে গাইবান্ধা সদরসহ সাত উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যায় ঘণ্টাব্যাপী কালবৈশাখী ঝড়।

নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধা সদর উপজেলার মালিবাড়ী ইউনিয়নের ঢনঢনিপাড়া গ্রামের মিঠু মিয়ার স্ত্রী সাহারা বেগম (৪১), পলাশবাড়ী উপজেলার ডাকেরপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫০), মোস্তফাপুর গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে গোফ্ফার (৪২), মনোহরপুর ইউনিয়নের কুমেদপুর গ্রামের মমতা বেগম (৫৫), সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কিশামত হলদিয়া গ্রামের সোলেমান আলীর স্ত্রী ময়না বেগম (৪০), ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারী গ্রামের বিটুল মিয়ার স্ত্রী শিমুলী বেগম (২৫), ফুলছড়ি উপজেলার হাফেজ উদ্দীনের নামে জানা গেছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন জানান, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছেন।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় হয়েছে এই ঘুর্নিঝর । প্রথমে প্রচন্ড বাতাস, গাছ-পালা ভাঙ্গা, ঘরের চাল উড়ে যাওয়া, ছোট যানবাহন দুর্ঘটনা কবলিত হওয়া সঞ ঘটেছে নানা দুর্ঘটনা । ঘুর্নিঝড়ের পর অনেক জায়গায় হয়েছে বৃষ্টি ।

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

সেনাবাহিনী মায়ানমারে বাস থামিয়ে যাত্রীদের পেটাচ্ছে

 

এতদিন মিয়ানমার সেনা শুধু বিক্ষাবকারীদের উপর অত্যাচার করছে এখন বাস থেকে নামিয়ে সাধারণ মানুষকে অত্যাচার শুরু করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার ইয়াঙ্গুনের ওক্কালাপা শহরে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন জান্তারা বাস থামিয়ে বলপূর্বক টেনেহিঁচড়ে যাত্রীদের নামিয়ে লাঠি দিয়ে অমানবিকভাবে আঘাত করেছে এবং প্রবলভাবে লাথির পর লাথি মেরেছে। খবর ইরাবতীর।

উত্তর ওক্কালাপা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থুধামায় চলতে থাকা ইয়াঙ্গন বাস সার্ভিসের গাড়িগুলোকে সিগন্যাল দিয়ে রাস্তার পাশে থামানো হয়। এরপর সেনা সদস্যরা বাসের ভেতরে ঢুকে যাত্রীদের ধরে ধরে জোরপূর্বক টেনে নিচে নামায়।

তাদেরকে ‘নিলডাউন’ করতে বলা হয়, শুরু হয় অত্যাচার। শুধু যাত্রী নয় বাসের চালকসহ অন্য কর্মীদেরও তারা এই অত্যাচার নির্যাতন থেকে রেহাই দিচ্ছে না।

এ ঘটনার পর থেকে খবর পেয়ে ওই বাসগুলো গন্তব্যে যেতে অন্য রাস্তা ব্যবহার করতে শুরু করে। চালকদের রুট পরিবর্তনের খবর পেয়ে সেনা সদস্যরা আবাসিক ওয়ার্ডগুলোতে চিৎকার করতে করতে গুলি চালাতে থাকে।

ওই এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা বিপদে পরেছেন শুধু দেখতে এসেছিলেন এখানে কি ঘটতেছে ।

এদের ধরতেই সেনারা সংশ্লিষ্টদের বাড়ির ভেতরে ঢুকে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে।

বাসে থাকা আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘সেনারা প্রথমে বাসচালককে লাথি মেরে ফেলে দেয়। এরপর পুরুষ যাত্রীদের লাথি দিতে থাকে আর বলে-যুদ্ধ কর আমার সঙ্গে। মহিলা যাত্রীদের চুল ধরে টানাটানি করে এবং গালে থাপ্পড় মারতে থাকে।’

শনিবার পর্যন্ত জান্তা বাহিনীর হাতে কমপক্ষে ২০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য ইরাবতী। ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে শুরু হওয়া অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে এ পর্যন্ত ৫৫৬ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে তারা।

সীমান্তে সীমান্তে নারী নেতৃত্বে বিক্ষোভ কাচিনেই জন্ম ওর। নাম সোই লিং। বয়স এখন ২৬। সৈনিকদের সঙ্গে ভারী অস্ত্র হাতে নিজের উপস্থিতিকে দেখছেন খুবই স্বাভাবিক বিষয় হিসাবে। মিয়ানমারের একেবারের উত্তরের সীমান্তবর্তী এলাকা কাচিন। দশকজুড়ে তিনি দেখে এসেছেন সরকারি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে কীভাবে টিকে আছে ওই এলাকার বাসিন্দারা। এমনকি এসব যুদ্ধে চড়া মূল্যও চুকাতে হয়েছে তাদের।

তবু কখনো তার মনে হয়নি তারা অনিরাপদ। এটাও মনে হয়নি কখনো অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে। এখন তার মনে হয় জান্তাদের বিরুদ্ধে গড়তেই হবে, নিরাপদ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে হবে পরবর্তী প্রজন্মকে।

চীন সীমান্তবর্তী এলাকা কাচিন। খ্রিষ্টান-অধ্যুষিত এ এলাকার স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে যুদ্ধ করে যাচ্ছে কাচিন ইনডিপেনডেন্স আর্মি। কিন্তু সম্প্রতি মিয়ানমারের চলমান আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে তারা গণতন্ত্রকামীদের পক্ষে যুদ্ধ করে তাতমাদাওকে পরাস্থ করার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বিশ্বাস করেন এই একাত্মতা তাদের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কাচিন ইনডিপেনডেন্ট আর্মিতে (কেআইএ) যোগ দেওয়াদের মধ্যে শতকরা প্রায় ৩০ ভাগই মহিলা। সোই লিং বলেন, ‘এখন প্রতিটি দিনই আমার জন্য কঠিন। সহকর্মীদের নিয়ে আমার উদ্বেগ কাটছে না। এখন জান্তারা দেশজুড়ে বেআইনিভাবে নিষ্পাপ মানুষগুলোকে হত্যা করছে। বাড়িতে বা রাস্তায় কোনো মানুষই নিরাপদ নয়। এ কারণেই আমি ভীষণ শঙ্কিত।’

ফ্রন্টিয়ারকে এভাবেই নিজের মানসিক অবস্থার কথা জানালেন ছদ্মনাম ব্যবহার করা সোই। জান্তাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ২৮ ফেব্রুয়ারি। জানালেন সেদিনের অভিজ্ঞতার কথা।

মিতকিয়ানায় সেদিন বিক্ষোভ তুঙ্গে। সবার সামনের সারিতে সোই। পুলিশ আর সেনাদল তাদের ঘিরে রেখেছিল। শুরু হয়েছে ধরপাকড়। সমূহ বিপদ আঁচ করতে পেরেই তিনি কৌশলে পেছনে থাকা জনতার সঙ্গে মিশে যান। পরদিনই গ্রেফতার করা হয়েছিল ৭৪ জন বিক্ষোভকারীকে। কিন্তু গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বাঁচেন সেদিন।

তার মতো বহু নারী এভাবে অভ্যুত্থানবিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে আছেন মিয়ানমারজুড়ে।

দ্য উইমেন’স লীগ অব বার্মার ধারণা, বিক্ষোভকারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ মহিলাই নিজেদের এ অভ্যুত্থানে উৎসর্গ করে বিভিন্ন পন্থায় আন্দোলনে সম্পৃক্ত রয়েছেন। ফ্রন্টিয়ারকে সাক্ষাৎকার দেওয়া অধিকাংশ নারীই দাবি করেছেন, স্বৈরাচারী শাসনের অবসান চাওয়ার ক্ষেত্রে নারীরাই বেশি স্পষ্টবাদী। তাদের কণ্ঠ পুরুষের চেয়ে বেশি উচ্চকিত।

সোই লিং জানান, মাতকিয়ানার বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করা যুবক যুবতীরা কাচিন রাজ্যের নাগরিক আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করছে প্রায় প্রতিদিনই। তারা গোপনসভা করছেন, গ্রুপ চ্যাটে অংশ নিচ্ছেন স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে।

।।অনলাইন ডেস্ক।।

শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি: ৩ নারীর লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২৩

অনলাইন ডেস্ক।।

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে রাফিত আল হাসান নামে মুন্সিগঞ্জগামী একটি লঞ্চ প্রায় ৪৬ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে গেছে ঘটনায় নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছেতবে তাদের নামপরিচয় পাওয়া যায়নি ঘটনায় ২০ জন সাঁতরিয়ে তীরে উঠতে পারলেও বাকি ২৩ যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন

  রোববার ( এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর এলাকার ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে ঘটনা ঘটে।এর আগে বিকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে রওনা দেয়। এসকে কোস্টার জাহাজের ধাক্কায় এটি ডুবে যায়

লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি বদিউজ্জামান বাদল সংবাদিকদের জানান, লঞ্চটি সন্ধ্যা ৬টার কিছু সময় পর নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে যায়। পথিমধ্যে ঝড়ের কবলে পড়লে এটি দুর্ঘটনার শিকায় হয় এবং অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়

নারায়ণগঞ্জ নৌপুলিশের ইন্সপেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, একটি শীতলক্ষ্যা নদীতে চায়না ব্রিজের নিচে সাবিত আল হাসান নামের একটি লঞ্চ ডুবেছে। দুর্ঘটনার খবরে নৌ পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেছেন

এদিকে বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধারকারী ইউনিট দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।এছাড়া বিআইডব্লিউটিএ উদ্বারকারী জাহাজ নারায়ণগঞ্জ থেকে রওনা দিয়েছে।  দুর্ঘটনার কারণ উৎঘাটনে বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক (নৌনিরাপত্তা ট্রাফিক) মো. রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে

বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেকসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন।রাতে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে

 

মাত্র ২৫ টাকা নিয়ে বিরোধ, ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা

 

শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ধোপাদি গ্রামের দপ্তরী পাড়ায় একটি গ্যারেজে যশোরের অভয়নগরে শুকুর আলী (৫৫) নামে এক ভ্যানচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।  নিহত শুকুর আলী ওই এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে।

শুকুর আলীর ভাই মকবুল হোসেন জানান, শনিবার সন্ধ্যায় দপ্তরী পাড়ার টিটু ফকিরের গ্যারেজে গিয়েছিলেন শুকুর আলী। এসময় শুকুর আলীর কাছে পাওনা ২৫ টাকা নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় টিটু ফকিরের সাথে। এক পর্যায়ে টিটু ফকির রেঞ্জ দিয়ে শুকুর আলীর মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার শুভ্রপ্রসুন মুখার্জী বলেন, শুকুর আলীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

।।  নিজস্ব প্রতিবেদক ।।