জঙ্গিদের হাতে মোজাম্বিকে হোটেলে ১৮০ জন জিম্মি

অনলাইন ডেস্ক।।

মোজাম্বিকের উত্তরাঞ্চলে একটি হোটেলে বিদেশি কর্মীসহ অন্তত ১৮০ জন আটকা পড়েছে। জঙ্গিরা হামলা চালানোর পর তিন দিন ধরে তাদের সেখানে জিম্মি করে রেখেছে।

শুক্রবার নিরাপত্তা সূত্র ও কর্মীরা এ তথ্য জানান। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র ও একটি মানবাধিকার গ্রুপ জানায়, কাগো দালগাদো প্রদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের কাছে পালমায় হামলার পর বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, জঙ্গিরা বুধবার বিকেলে উপকূলীয় এ শহরে হামলা শুরু করে। এতে আতঙ্কিত বাসিন্দারা আশপাশের বনাঞ্চলে পালিয়ে যায় এবং এলএনজি ও সরকারি কর্মীরা আমেরুলা পালমা হোটেলে আশ্রয় নেন।

এলএনজি সাইটে থাকা এক কর্মী শুক্রবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে বলেন, ‘জঙ্গিদের হামলায় প্রায় পুরো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এতে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।’

হাটহাজারী থমথমে : র‍্যাব, পুলিশের ব্যারিকেড, ছাত্রদের অবরোধ

চট্টগ্রাম ব্যুরো :

স্বাধীনতার ৫০ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে যোগদানের উদ্দেশ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে হেফাজতে ইসলামীর কর্মী ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় হাটহাজারীতে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম – খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে সেখানে বিপুল সংখ্যক মাদরাসা ছাত্র অবস্থান করছে। অপ্রীতিকর যে কোন ঘটনা এড়াতে র‍্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। গতকাল (শুক্রবার) রাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মধ্যস্থতায় পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে হেফাজতে ইসলামীর নেতাদের মধ্যে বৈঠক হলেও সমস্যার কোন সমাধান হয় নি।

আজ (শনিবার) সকাল থেকে সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন এবং জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাটহাজারী থানায় অবস্থান করছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকরা জানান, হাটহাজারী বাজারের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ রয়েছে। থানা ভবনের দক্ষিনে বাসস্ট্যান্ড রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছে প্রচুর সংখ্যক র‍্যাব ও পুলিশ। সেখান থেকে থানা ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান নিয়েছে বিজিবি সদস্যরা। অন্যদিকে হাটহাজারী মাদরাসার দক্ষিনে চট্টগ্রাম-নাজির হাট -খাগড়াছড়ি সড়কে বাঁশ ও টিনের ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রেখেছেন মাদরাসা ছাত্র ও হেফাজত কর্মীরা।
সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জানান, আমি দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেছি। মাদরাসার ছাত্রদের পক্ষ থেকে ৫টি দাবী জানানো হয়েছে। দাবী গুলো হলো, নিহত চার জনের সঠিক ভাবে ময়না তদন্- করতে হবে, তাদের দাফন- জানাযায় বাধা দেয়া যাবে না, আহতদের সুচিকিৎসার ব্যাবস্’া করতে হবে, গুলির ঘটনায় দায়ী পুলিশের বিরোদ্ধে সুষ্টু তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সব দাবী মেনে নিয়েছি। তবু মাদরাসা ছাত্ররা কেন অবরোধ তুলে নিচ্ছে না, জানি না।

মিশরের সোহাগ শহরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৩২, আহত অর্ধ-শতাধিক

অনলাইন ডেস্ক।।

মিশরের সোহাগ শহরের উত্তরে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে ৩২ জন নিহত ও অন্তত ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাস্থলে ৩৬টি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে কী কারণে সংঘর্ষ হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে হেফাজত- পুলিশ সংঘর্ষ নিহত- ৪, আহত ১০

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চার জন নিহত ও ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন মাদরাসার ছাত্র একজন পথচারী রয়েছেন। নিহত চার জনের মরদেহ এ রিপোট লেখা পর্যন্ত (সন্ধা ৭টা) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত তিন মাদরাসা ছাত্র হলেন, জাহাংগির আলম, মেরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম। নিহত পথচারীর  পরিচয় জানা যায় নি।

জানা যায়, আজ (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর ভারতের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনের প্রতিবাদে হাটহাজারী মাদরাসা ও পাশ্ববর্তী কয়েকটি মসজিদ থেকে খন্ড খন্ড ভাবে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন হেফাজতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। মিছিলটি হাটহাজারী থানার দিকে এগুতে চাইলে পুলিশ বাধা প্রদান করলে পুলিশের সাথে বিক্ষোভকারীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।  এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পাল্টা টিয়ারসেল ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়লে সংঘর্ষ আরো বেড়ে যায়। বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধ করতে পুলিশ গুলি ছোড়ে। প্রায় এক ঘণ্টার উভয় পক্ষের সংঘর্ষের এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামীর অনুসারীরা মিছিলের চেষ্ট কারে। পুলিশ বাধা দিলে তারা হাটহাজারী থানায় প্রবেশ করে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। সংঘর্ষ চলাকালে রাস্তায় পুলিশ অবস্থান নিলে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে হেফাজতের অনুসারীরা পুলিশের প্রতি ইট পাটকেল ছুড়েছে।

হেফাজতে ইসলামের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদরিস দাবী করে বলেছেন পুলিশের গুলিতে কমপক্ষে ৭ জন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

বিকালে চমেক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে হামলা, ভাংচুর

আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে হঠাৎকরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে এক দল যুবক।

আজ (শুক্রবার) বিকালে ১৫-২০ জনের একদল যুবক হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে ভাংচুর চালান বলে হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ন কবির। তিনি বলেন, হাটহাজারীতে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ৪ জনকে হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মরদেহের সঙ্গে থাকা স্বজনরা জরুরি বিভাগে হামলা করে ভাংচুর চালান।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ জহিরুল হক ভুইয়া জানান, ১৫-২০ জনের এক দল যুবক হঠাৎ এসে হাসপাতালে হামলা করে ভাংচুর করেন। এ সময় জরুরী বিভাগের ওয়ার্ড সর্দার মো: এনায়েত আহত হন।

রাজশাহীর কাটাখালী এলাকায় বাস-মাইক্রোবাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

রাজশাহীতে বাস-মাইক্রোবাস ও লেগুনার ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। এদের মধ্যে তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, দুপুরে রংপুর থেকে একটি হায়েস মাইক্রোবাস রাজশাহী আসছিল। পথে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কে কাটাখালী থানার সামনে বিপরীত দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি হিউম্যান হলারকে (লেগুনা) ধাক্কা দেয়। এ সময় মাইক্রোবাসটির গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে গাড়ির ভেতরেই সবাই মারা যায়।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোবাসটির ভেতরে চার পরিবারের ১৩ জন ছিলেন। সবাই মারা গেছেন। এছাড়া বাসের আরও চারজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে রামেক হাসপাতালে নেয়ার পর পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আর ঘটনাস্থলে মাইক্রোবাসের ভেতর থেকে ১১ জনের লাশ বের করা হয়। আগুনে মাইক্রোবাস ও হিউম্যান হলারটিও (লেগুনা) পুড়ে গেছে। রামেক হাসপাতালে গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজন চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাৎক্ষণিকভাবে আহত-নিহতদের নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহীদ মিনারে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

অনলাইন ডেস্ক।।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার সময় এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্বাধীনতা দিবসে আজ সকালে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার একপর্যায়ে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু গ্রুপ ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টার গ্রুপের লোকদের মধ্যে ওই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়।

 

এসময় ঘটনাস্থলের পাশেই পুলিশ অবস্থান করছিল। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করতে গেলে সংঘর্ষে লিপ্ত বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এ ঘটনায় পুলিশসহ দু’পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে সরাইল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সরাইল থানার ওসিসহ মোট ৮ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। আর ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

মুম্বাইয়ে কোভিড হাসপাতালে আগুন: মৃত ২: সরানো হল ৭০ রোগীকে

অনলাইন ডেস্ক।।

মুম্বইয়ে এক কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগে মৃত্যু হল অন্তত দু’জনের। আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে লাগা আগুন শুক্রবার সকাল পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে জেরবার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মুম্বই জুড়ে। সে শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল ভর্তি কোভিড রোগীতে। মুম্বইয়ের ভান্ডুপে ড্রিমস মলের মধ্যে থাকা এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এমনই ৭০-এর বেশি কোভিড রোগী। সেখানেই বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টা নাগাদ আগুন লাগে। যার জেরে এখনও অবধি অন্তত দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি রোগীদের সেখান থেকে বের করে অন্য হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যদিও দমকলের এক অফিসার জানিয়েছেন, ৬ জন ব্যক্তি এখনও আটকে রয়েছেন হাসপাতালের ভিতর। তাঁদেরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

মুম্বইয়ের ওই কোভিড হাসপাতালে আগুন লাগার খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যায় দমকলের ২২টি ইঞ্জিন। তার পর থেকেই আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। এ নিয়ে পুলিশ অফিসার প্রশান্ত কদম বলেছেন, ‘‘আগুনের ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। মলের দোতলায় প্রথম আগুন লাগে। তার পর তা ছড়িয়ে পড়ে।’

আগুন নেভানোর পাশাপাশি কোভিড রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। সেখানকার এক চিকিৎসক বলেছেন, “৭৩ জন কোভিড রোগীর মধ্যে ৩০ জনকে মুলুন্দ জাম্বো সেন্টারে, ৩ জনকে ফর্টিস হাসাপাতালে এবং বাকিদের অন্য একটি কোভিড নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।” যদিও কী থেকে এই আগুন লেগেছে তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও অজানা।

ঘটনার খবর পেয়েই সেখানে গিয়েছিলেন মুম্বইয়ের মেয়র কিশোরী পেডনেকর। মলের ভিতর হাসপাতালের বিষয়টি রীতিমতো বিস্মিত করেছে তাঁকে। তিনি বলেছেন, “আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে মলের ভিতর হাসপাতাল এই প্রথম দেখলাম। খুব গুরুতর পরিস্থিতি। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’’ আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই বেসামাল মহারাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার সে রাজ্যে যত সংখ্যক নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন, তা গোটা অতিমারি পর্বে কোনও রাজ্যে সর্বোচ্চ। মুম্বই শহরেও বৃহস্পতিবার নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজারের বেশি।

নির্মমভাবে বেপরোয়া ট্রাক কেড়ে নিল ৪ প্রাণ।। চট্টগ্রাম

অনলাইন ডেস্ক।।

চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়ায় বেপরোয়া গতির একটি ট্রাক যাত্রিবাহী দুটি সিএনজি অটোরিকশাকে চাপা দিলে শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো চারজন আহত হন।

বৃহস্পতিবার রাত ৭টায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের কালুগোট্টা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মাহাবুব মিল্কি জানান, চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার পর থেকে পরপর চারজনের মৃত্যু ঘটে। নিহতরা হলেন ডেইজি দত্ত (৩৫), আবুল কালাম (৬৮)  চন্দ্রঘোনা কদমতলি গ্রামের আবদুল করিমের ছেলে মো. আকবর হোসেন (২৫), চন্দ্রঘোনা হিন্দু পাড়া গ্রামের জনি সোমের সাত মাস বয়সি ছেলে আদৃশ সোম আয়ান। নিহত অন্য দুজনের প্রকৃত ঠিকানা জানা যায়নি।

 

তিনি জানান, দুর্ঘটনায় আহতরা হলেন আবদুল কাদের (৪৫), আবুল কালাম (৪০), মোহাম্মদ মুছা (৩০), মো. গিয়াস (২৬) ও অজ্ঞাত এক শিশু। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ নগরের আরো দুটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

কলোম্বিয়ান গ্যাং ও ভেনিজুয়েলার সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ, উদ্বাস্তু ৩ সহস্রাধিক

অনলাইন ডেস্ক।।

ভেনিজুয়েলার সীমান্তবর্তী অপুর প্রদেশে সন্ত্রাসীদের দমনে চলছে অপারেশন। এমন পরিস্থিতিতে কলোম্বিয়া থেকে আসা মাদক পাচারকারী সন্ত্রাসী গ্যাংয়ের সদস্যদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কয়েক দিনব্যাপী তীব্র সংঘর্ষের কারণে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে ভেনিজুয়েলার ৩ সহস্রাধিক মানুষ।

এরফলে পুরো প্রদেশ পরিণত হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে। জীবন বাঁচাতে মানুষ ছুটছেন কলোম্বিয়ার দিকে। ফলে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে শরনার্থী সংকট। একটি স্টেডিয়ামে ৫০০ তাবু স্থাপন করে আশ্রয় দেয়া হয়েছে শরনার্থীদের। অবস্থা সামাল দিতে কলোম্বিয়ার সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে সাহায্য চেয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো সন্ত্রাসবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, কলোম্বিয়ার সরকার তাদের সীমান্তে কোনো পাহাড়া দেয় না। এ কারণে সে দেশ থেকে সন্ত্রাসীরা যখন ইচ্ছা খুশি ভেনিজুয়েলায় প্রবেশ করতে পারছে।