মাগুরার কালিশংকরপুরে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করলো প্রতিপক্ষ, ৬ জন গ্রেফতার

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি //

গতকাল ১২/০৪/২০২৩ ইং বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ ঘটিকার দিকে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলাধীন পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামে অন্তত ৩০ টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

সরেজমিনে গিয়ে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় মানুষের হিংস্রতা কত ভয়ানক হতে পারে।

মাগুরার কালিশংকরপুরে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করলো প্রতিপক্ষ, ৬ জন গ্রেফতার

উক্ত গ্রামের হাফেজ মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন,আচমকা আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট শুরু করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ গোলজার হোসেন সমর্থিত লোকজন।এসময় আমার বাড়িঘর ভাংচুর করে এবং জমি কিনেছি তার টাকা দিয়ে রেজিস্ট্রি করার জন্য ৫ লক্ষ ৫০ হাজার নগদ টাকা ঘরে রেখেছিলাম,সেই টাকা গুলো তারা নিয়ে গেছে।তিনি অভিযোগ করে বলেন,আমি স্থানীয় একটি হাফেজী মাদ্রাসা ও এতিম খানার প্রধান শিক্ষক কিন্তু আরিফুল হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রাণ সংশয়ে মাদ্রাসায় পর্যন্ত যেতে পারছি না।

ওইসময় আমার বাড়ি সহ মিরাজ,সিরাজ,ইখতিয়ার ওরফে ভাদু,মিজানুর আব্দুল্লাহ, জাহিদুল,কিবির,কামাল,আলামিন, রাজু,তোহিদ,মিরাজুল,মিলন মোল্যা,লিটন মোল্লা, রাজীব মোল্লা, বাবু মোল্লা, হানিফ মোল্লা, আহাদ মোল্লা, ইলিয়াস, মাখম মোল্লা, সাবু মোল্লা, নাসিরুদ্দিন, শামীম, হামিম,রামিম,রিপন সহ আরও কয়েকজনের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট তান্ডব চালায় সন্ত্রাসীরা।এসময় পুলিশ কিছু করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা,ভাংচুর ও লুটপাটের শেষের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

কয়েকদিন পূর্বে উক্ত গ্রামে আরিফুল নামের এক ব্যক্তি খুন হওয়ার কারনে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে পরবর্তী অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এই ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেফতার করে আজ বৃহস্পতিবার মাগুরার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব অসিত কুমার রায়।

পটুয়াখালী রাঙ্গাবালীতে বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা-ভাংচুর অভিযোগ

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপি অস্থায়ী কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিএনপির দাবি, উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার বাহেরচর বাজার নতুন ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা করে তারা। এসময় চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করা হয়। ভেঙে ফেলা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও জিয়াউর রহমানের ছবিও।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান ফরাজী বলেন, আমাদের জনসমর্থন জানান দিতে  আগামীকাল (শনিবার) আমাদের কেন্দ্র ঘোষিত গণ-অবস্থান কর্মসূচি রয়েছে। এটিকে বানচাল করার জন্য  রাতের আধারে যুবলীগ-ছত্রলীগ আমাদের অফিসে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জেলা পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান শিমুল, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সাটার ভেঙে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনায়ক  তারেক রহমান ও আমাদের নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেনের ছবি এবং প্রায় এক শ’  চেয়ার ভাংচুর করা হয়েছে।  তবুও আমাদের কর্মসূচি বন্ধ হবে না। আগামীকাল আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করবো।

উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান শিমুল বলেন, ‘আমিতো এবিষয়ে কিছুই জানি না।’  উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ বলেন, ‘ছাত্রলীগের কেউ এসব কাজ করেনি। এসব ভিত্তিহীন। বিএনপির কাজই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো।’

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এধরণের ঘটনা আমাদের জানা নেই। এবং কেউ কিছু জানায়নি।

হোগলাপাশায় সাবেক দফাদারকে মারধর

কচুয়া(বাগেরহাট) প্রতিনিধি॥

হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক দফাদার ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল(৬৫) মারধরের স্বীকার হয়েছেন। বুধবার সকালে হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদে কক্ষে এঘটনা ঘটেছে। এঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডলের পরিবার।

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে উপজেলার কিসমত বৌলপুর গ্রামের মৃত সতিষ চন্দ্র মন্ডলের পুত্র সাবের দফাদার ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল জানায়, তার মৎস্য ঘেরের পাশের রাস্তার পাইলিংয়ে নিজ খরচে মাটি ভরাট করছিলেন।

এঘটনা কেন্দ্র করে হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরষিদের চেয়ারম্যান ফরিদুর ইসলাম ফরিদ তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে পরিষদে নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে।এসময় চেয়ারম্যানে নির্দেশে তার কক্ষে থাকা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কচুবুনিয়া গ্রামের আতাহার সরদারের পুত্র মাসুম সরদার তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালী করে মারধর করে ও বুকে লালি মেরে আহত করে বের করে দেয়। ক্ষিতিষ চন্দ্র মন্ডল আরো জানান, তিনি দফাদারের চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর হোগলাপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যানের অফিসিয়াল কাজ করতেন।

গত ইউপি নির্বাচন নৌকায় ভোট দেওয়ায় নৌকার বিরোধী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান বিভিন্ন ভাবে তাকে হেনস্তা করা চেষ্ঠা করে আসছিল।ওই মাসুম সরদার  বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ইউনিয়নের বিভিন্ন লোকজনকে মারধর করার অভিযোগ আছে। হোগলাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুর ইসলাম ফরিদ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টাকরে তাকে পাওয়া যায়নি। এ রিপোট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরা হলোনা আরাফাতের,আটক হয়নি ট্রাক

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুরের নহাটায় ৩য় শ্রেণির ছাত্র ট্রাক চাপায় নিহত হয়েছে। নিহতের নাম আরাফাত হোসেন(১১)।সে নহাটা ইউনিয়নের দরিসালধা গ্রামের ধলু মিয়ার পুত্র এবং নহাটা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র।

গতকাল সোমবার (৩ এপ্রিল) বিকাল অনুমান ৩.৩০ ঘটিকার সময় নহাটা বাজারের ইন্দ্রপুর গোরস্থান মোড়ে দশ চাকা বিশিষ্ট ট্রাকের সাথে দুর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হয় আরাফাত।এসময় স্থানীয়রা দ্রুত আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। তার এই মৃত্যুতে পরিবার সহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা যায়,ঘাতক ট্রাক ও ড্রাইভার দ্রুত স্থান ত্যাগ করার কারণে তাদেরকে আটক করা যায়নি।

নহাটা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো: কবিরুল হক জানান, নিহত আরাফাত (১১), পিতা:ধলু মিয়া,গ্রাম: দরিসালধা, আমার বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্র। স্কুল ছুটির পর বিকাল ৩.৩৫ এর দিকে বাড়ি যাওয়ার সময় দূর্ঘটনায় আহত হয়ে ফরিদপুর হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আমি তার জন্য দোয়া করি এবং তার পিতা মাতা ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাই।

এ বিষয়ে ৮নং নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ তৈয়েবুর রহমান তুরাপ জানান, ঘটনা শোনা মাত্রই আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় এবং শিশুর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরনের ব্যবস্থা করি। তাছাড়া কোন দূর্ঘটনা ইচ্ছা করে কেউ করে না। ভুল থেকেই দূর্ঘটনা ঘটে থাকে। আমি শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করি এবং নিহত শিশুর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
এ ঘটনায় নহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, তারা এ বিষয়ে অবগত আছে।ঘাতক ট্রাক ও ড্রাইভার পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাগুরায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরায় পানিতে ডুবে আজ ০২/০৪/২৩ তারিখ রবিবার দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের দুই জনের বয়স-ই দুই বছর করে।একটি মাগুরা সদরের জগদাল ইউপির লঙ্কারপুরে নানা বাড়ী বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে মাগুরা সদরের মালিগ্রামের সজিব মোল্যার পুত্র সাদিকুলের মৃত্যু হয়,আপরটি মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউপির নারানপুর গ্রামের তিলাম ফকিকের পুত্র আলিফ ফকির।মৃত শিশু দুইটির স্বজনদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, তারা দুই জন-ই বেলা এগারোটার দিকে খেলা করতে করতে বাড়ীর পাশে পুকুরে পড়ে যায়,তাদের না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজির একপর্যায়ে পুকুর নেমে খুজলে আলিফের লাশ পাওয়া যায়, আর সাদিকুলের লাশ পানিতে ভেঁসে উঠেছিলো,তার পরও মন মানে বলে তাদের দুজনকেই স্বজনেরা মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।লাশ দুটি মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে,এ বিষয়ে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মোঃজাব্বারুল ইসলাম জানান,মৃত্যু নিয়ে পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় শিশু দুইটির লাশ পরিবারের কাছে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাগেরহাটের রামপালে আধিপত্য বিস্তারের হামলায় আওয়ামীলীগের উভয় পক্ষের ১০ জন আহত গ্রেফতার ২

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের হামলায় বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় শনিবার রাতে ভুক্তভোগী রেজাউল কুদরতি রামপাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পরে রাতে অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব শেখ ও বর্তমান ইউপি সদস্য কবির হোসেন ফকিরকে গ্রেফতার করেছে রামপাল থানা পুলিশ ।

আহতরা হলেন, বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামাবাদ গ্রামের মৃত মাওলানা খায়রুল বাশারের পুত্র কুদরতি এনামুল বাশার বাচ্চু (৫০), একই গ্রামের মোবারক শেখের পুত্র মহব্বত আলী শেখ (৫৪), মৃত্যু নজরুল ইসলামের পুত্র নাজমুল ইসলাম (৩০), আ. রউফের পুত্র কোহিনূর কুদরতি (৩২), মহব্বত আলী শেখের পুত্র হুসাইন শেখ (৩৩) ও আবুল হাসান শেখ (৩৫) এবং আ. রউফের পুত্র মো. রেজাউল কুদরতি। অন্য পক্ষের আহতরা হলেন, আ. রউফের পুত্র পলাশ শেখ (৩৫) ও তার ভাই নাহিদ শেখ (৩০) ও মৃত্যু তাছিন শেখের পুত্র মারুফ শেখ। আহতরা রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এজাহার সূত্রে ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ইসলামাবাদ তিন রাস্তার মোড়ে ফরহাদের দোকানের সামনে স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ, মৎস্যঘের বিরোধ ও ক্ষমতার দাপট দেখাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই দলের প্রতিপক্ষের উপর দা, লাঠি ও রড নিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেব, মারুফ শেখ, মাসুম শেখ, মোস্তাফিজ শেখ, হুমায়ুন শেখ, মাসুম বিল্লাহ, বাকী বিল্লাহ, শরাফত কাজী, খোকন শেখ, পলাশ শেখ, নাহিদ শেখ, আসাদ শেখ, আব্দুল্লাহ শেখ, আবু বকার, রবি ও হাসিব সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন হামলা করে। এতে তারা গুরুতর আহত হয়েছেন।

আসামী আল আমীন জানান, হামলার সময় আমি ছিলাম না। আমি কিছু জানি না। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আমার নামে মামলা দায়ের করেছেন। আহত মাসুম বলেন, রেজাউলসহ অন্যরা পলাশকে মারপিট করার সময় আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের উপর হামলা করে পলাশসহ তিন জনকে আহত করেছে।

এ বিষয়ে রামপাল থানার ওসি মোহাম্মদ সামসুদ্দীন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাতে অভিযান চালিয়ে ১নং আসামিসহ দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্যদের ধরার জোর চেষ্টা চলছে।

যশোরে ভিন্ন ঘটনায় ছুরিকাঘাতে জোড়া খুন

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরে ছুরিকাঘাতে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শহরতলীর ঘুরুলিয়া গ্রামে নদের পাশে মাঠের মধ্যে।ইউছুপ (২৭) ও নাহিদ (১৮) নামে দুই যুবককে ছুরিকাঘাতে  হত্যা করা হয়েছে। পরিবারিক কলহেরর জের ধরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ইউনুছ আলী  ও দূর্বৃত্বের ছুরিকাঘাতে এক যুবকের  হত্যাকান্ড ঘটেছে।

ঘটনা দুটি ঘটেছে  ৩১ মার্চ শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে যশোর শহরতলির ঘুরুলিয়া গ্রামে ও পূর্ববারান্দী নাথ পাড়া নদীর পাশে মাঠের মধ্যে। নিহতদের লাশ এখন যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। নিহত ইউনুছ ঘুরুলিয়া গ্রামের লতিফ মিয়ার ছেলে ও নিহত নাহিদ শেখহাটি গ্রামের বাচ্চু শেখের ছেলে। প্রতাক্ষদর্শী, পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ইউছুপের ছোট ভাই ইউনুছের পারিবারিক কলহের কারনে হাতাহাতি হয়।

এসময় ইউসুফ সে তার ভাই ইউনুছের বুকে ছুরিকাঘাত করে। হাসপাতালে আনার পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পৃথক রাত ৯ টার দিকে দূর্বৃত্ত্বরা পূর্ববারান্দী নাথপাড়া নদীর পাড়ে মাঠের মধ্যে নাহিদের গলায় ছুরিকাঘাত করে চলে যায়। নাহিদের গোংড়ানোর আওয়াজ পেয়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন এবং হাসপাতালে আনার পরে নাহিদের মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত ডাক্তার সালাউদ্দিন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। মুলত ছুরিকাঘাতে প্রচুর রক্তক্ষরণে তারা মারা যায়। জানতে চাইলে কোতয়ালী থানার ওসি মো তাজুল ইসলাম বলেন, পৃথক দুটি ঘটনায়ই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

কি কারনে খুন হল পুলিশ বিষয়টি গভীর ভাবে খতিয়ে দেখছে।

পটুয়াখালীর বাউফলে বেড়েই চলেছে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত

মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রতিদিন প্রতিনিয়তই বেড়ে চলছে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত।

জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে। এরা নিজেদের মতো করে এক একটা গ্যাং গড়ে তুলছে। এই গ্যাংয়ের সদস্যদের উৎপাতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে মুরুব্বিরা তাদের ভয়ে মুখ খুলছেন না। আবার কেউ কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেও অপমান অপদস্ত সহ হামলার শিকার হচ্ছেন।

সমাজে এ যেন একটা চরম আকারে ব্যধি হয়ে গেছে।

সূত্র জানায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সর্বত্রই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এই কিশোর গ্যাং।

এদের বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর। এরা তথাকথিত বড়ভাইদের শেল্টারে বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নিজেদের অধিপত্য বিস্তার করতে দেশি অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে প্রায়ই। ইভটিজিং ও মাদক সেবনসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

অভিযোগ রয়েছে- এ সব কিশোর গ্যাংয়ের মদতদাতা হিসেবে রয়েছে তথাকথিত বড় ভাইয়েরা।

নাম না বলা শর্তে একাধিকরা জানান, বিলবিলাস বাজার ও হাইস্কুলের সামনে বা পিছনে, বিলবিলাস নজির মিয়া বাড়ি সংলগ্ন স্কুলের রাস্তায় গুলো, অলিপুরা বাজার এলাকা, পূর্ব কালাইয়া হাসান সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন, শৌলা বাজার এলাকা, মদনপুরা সোনামদ্দিন মৃধা স্কুলের মড়ায় ইত্যাদি ইত্যাদি এলাকায় বেপরোয়া হয়ে চলছে কিশোর গ্যাং। এতে স্কুলে-মাদ্রাসায় আসতে যাইতে মেয়ে শিক্ষার্থীরা চরম আকারে ইভটিজিং সহ বাধায় পড়ে। এতে কেউ কথা বললে জোটবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়।

তারা আরও জানান, এ সামাজিক ব্যধি থেকে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা সহ যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

উপজেলার প্রায় ইউনিয়নে কিশোর গ্যাং গ্রুপের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলারও ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি কিশোর গ্যাং সদস্যদের সংশোধন করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করেছেন কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম ফয়সাল আহম্মেদ মনির হোসেন মোল্লা।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২২শে মার্চ-২০২৩ ইং গত বুধবার বিকাল সারে ৪টার দিকে সিনিয়র-জুনিয়রকে কেন্দ্র করে উপজেলা ইন্দ্রকুল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির দুই শিক্ষার্থী মো. নাফিজ মোস্তফা আসনারী (১৫) ও মো. মারুফ হোসেন (১৫) ও সিয়াম (১৫) কে ছুরিকাঘাত করে একই বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র সিফাত, সৈকতসহ একদল কিশোর। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য নাফিজ ও মারুফকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে ওই দিনই সন্ধ্যা সারে সাতটার দিকে তাদের দুজনেরই মৃত্যু হয়। সিয়াম বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কাছিপাড়া আব্দুর রশিদ মিয়া ডিগ্রি কলেজে সহকারী অধ্যাপক এএইচ এম মিরন বলেন, কিশোরদের এই অবক্ষয়ের জন্য দায়ী তাদের মা-বাবা। তারা এত অল্প বয়সী সন্তানদের হাতে স্মাট ফোন তুলে দেওয়ার কারণে ইন্টারনেট নিয়ে ঘাটাঘাটি করে। সেখানে ফেসবুকসহ নানা পর্নো ভিডিও দেখে সময় ব্যয় করার কারণে পড়াশোনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। মা-বাবাদের উচিত সন্তানদের বিপথে পা বাড়ানোর আগেই যেভাবেই হোক তাদের ফিরিয়ে আনতে হবে। যদি শুরুর দিকে শোধরানো যায় তা হলে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।

এবিষয়ে বাউফল থানার নবযোগদানকৃত ওসি এটিএম আরিচুল হক প্রতিবেদককে বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে আমরা সব সময় নজরদারি করে থাকি। তাদের নিন্ত্রয়ণ বলেন, সংশোধন বলেন সমাজে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে হবে অভিভাবকদের। পাশাপাশি সচেতনতার লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। আর আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে সকল বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরগুানার আমতলীর পায়রায় নিখোঁজ হওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনার আমতলীর পায়রায় নিখোঁজ হওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।পৌর শহরের সবুজবাগ লঞ্চ ঘাট এলাকার পায়রায় (বুড়িশ্বর) নদীতে গোসল করতে গিয়ে শিশুটি নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের সারে ৯ ঘন্টা পড়ে জাহিদ (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল। জাহিদ স্হানীয় স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (৩১ মার্চ) পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা টমটম চালক মোঃ জুয়েল হাওলাদারের ছেলে জাহিদ পরিবারের অজান্তেই পায়রায় (বুড়িশ্বর) নদীতে গোসল করতে যায়। জাহিদ বাড়িতে ফিরে না আশায় দুপুর দেড়টার দিকে পরিবারের লোকজন শিশুটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। বিকেলে নদীর ঘাটে জুতা ও শার্ট দেখে পরিবারের লোকজন নিশ্চিত হয় যে জাহিদ পানিতে তলিয়ে পায়রায় নিখোঁজ হয়।এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ঘটনা শুনে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনা স্হলে পৌছায়।আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর স্টেশন অফিসার শাহাদাৎ এর নেতৃত্বে সন্ধ্যায় পটুয়াখালী স্টেশনে থেকে আসা ডুবুরি দলকে নিয়ে সন্ধ্যায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। রাত নয়টার দিকে ঘাটের পাশে পানির নিচ থেকে জাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে তারা। এসময় তার পরিবারের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে পরিবেশ।

মাগুরায় প্রতিপক্ষের হামলায় কৃষক নৃশংসভাবে খুন, প্রতিবাদে বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, আটক ১১

//মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//
মাগুরা সদর উপজেলার ১১নং বেরইল পলিতা ইউনিয়নের মনিরামপুর গ্রামের (মহিষগাড়ে) বিলের মাঠের পূর্ব পাশের বেগুনের জমি থেকে কৃষক আতর আলী মোল্লা (৪২) ধাওয়া করে পাশ্ববর্তী পাকা রাস্তা সংলগ্ন ফুফু বাড়ির উপরে নিয়ে মারাত্মক ভাবে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে একদল দূবৃত্ত।
বৃহস্পতিবার ৩০ মার্চ অনুমান বিকাল ৫.৩০ টার দিকে ঘটনাস্থল মহিষগাড়ে বিলের মাঠের পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন ফুফু বাড়িতে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। সরেজমিনে গেলে প্রাথমিক ঘটনার বিবরণ দেন প্রতক্ষদর্শী, ইউনুস (৪০) পিং- কামাল উদ্দিন মোল্লা, নান্নু (৪২) পিং- মতিয়ার মোল্লা, দুলাল (৩৬) পিং- ছিরু শেখ জানান, খুনি সন্ত্রাসীদের হাতে চাপাতি, চাইনিজ কুরাল, রামদা,লোহার রড,বাঁশ ও কাঠের লাঠি ইত্যাদি মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মনিরামপুর গ্রামের মোঃ আব্দুস সালাম মোল্লার পুত্র আতর আলী মোল্লা (৪২)কে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন।স্থানীয়রা বলেন, আতর আলী ঘটনার দিন ও সময়ে নিজ বেগুনের জমিতে গেলে তাকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে চারিদিক থেকে ঘিরে হামলা চালায় সন্ত্রাসীদের দল,এসময় চেয়ারম্যান এনামুল হক রাজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং হত্যা করার ইন্দন দেন বলে স্বীকারোক্তি দেন নিহতের ভাই ও বাবা।তারা আরও বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো বড়জোখা গ্রামের কাদের শেখ এর পুত্র মিরাজুল (২৫), জলিল মোল্লার পুত্র বাবলু (৩০), মৃত আকবরের পুত্র জুয়েল (২৫), রামদেরগাতি গ্রামের আমিনুরের পুত্র সুজন (২০), দীঘলকান্দি গ্রামের রুহুল আমিনের পুত্র আমির হামজা (২৫), ময়েন শেখের পুত্র গায়েজ (১৮), কামারপাড়া-রামদেরগাতি গ্রামের চান্নু শেখ এর পুত্র রাজিব (২৫), মনিরামপুর গ্রামের আব্দুল হাই এর পুত্র কাবিয়ার (২৫), লুৎফর এর পুত্র মোস্তাক (৩২), তাইজেল (৩৫)।
এছাড়াও আশেপাশে উপস্থিত ছিলো অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনের অধিক সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন। এই হত্যা কান্ডের পূর্ব ঘটনার সূত্র হলো গত বুধবার ২৯ মার্চ তারিখে মনিরামপুর গ্রামের হায়দার ফকিরের জমি জোর দখল করে ভোগ করতো কাশেম ফকির। এই জমিতে হায়দার ফকির বাধা দেয় তখন কাশেম ফকির আমিন নিয়ে এসে জমি মাপলে হায়দার ফকির জমি দখলকৃত জমির পরিমাণ বেশি পায়। এই সূত্র ধরে কাশেম ফকির ও তার লোকজন তার প্রতিবেশী চাচিকে ধরে ব্যাপক আকারে মারধর করে। মনিরামপুর গ্রামের পাকার মাথা থেকে তাইজেল, মোস্তাক, জসিম, কাবিয়ার দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপায় মনিরামপুর গ্রামের আতিয়ার মোল্লার ছেলে হেমায়েত (৩০), সোহরাব মোল্লার ছেলে সাইফুল্লাহ (৫০), আতর আলীর ছেলে হোসাইন (২০), সাইফুল্লাহর ছেলে আকিদ মোল্লা (২৫) বাম চোখের পাতায় কোপ,
কালাম ফকিরের ছেলে হাবিবুল্লাহ, সীমা খাতুন ও কালাম ফকিরের স্ত্রীকে। এসময় মনিরামপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে ইমামুল (৩৬), শাহজাহানের ছেলে শাফিকুল (২৮), শামীম, সাহেব, আশরাফুল, শহিদুল্লাহ ফকির, আমিরুল, মুকুল সাক্ষী দেয়। তবে এলাকাবাসীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গোপন সূত্র থেকে জানা যায়, হত্যাকান্ড সংগঠিত হওয়ার সময় বেরইল পলিতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক রাজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং হত্যাকাণ্ডের সময় মাত্র ১০/১২ জন লোক উপস্থিত ছিলেন ।অন্যদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে অন্তত ২০ টি বাড়িতে ওই দিন রাতে ভাংচুর,লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জাব্বারুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে কে জানান,
আতর আলী মোল্লা হত্যা কান্ডের আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।মাগুরা সদর থানা ওসি ও জাব্বারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের দায়িত্বরত অবস্থায় আতর আলী মোল্লার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এলাকায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।