আমতলীতে ডাকাতি আহত- ৩, ডাকাত আটক ১

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা//

বরগুনার আমতলীর আমড়াগাছিয়া গ্রামের নারায়ণ ডাক্তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা বাড়ির লোকজনকে দেশিয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মারধর করে নগদ টাকা,স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।

আহতদের বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। স্থাণীয় জনতা এক ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। সোমবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত অনুমান আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।এ সময় জনতা পাকড়াও করে এক ডাকতকে ধরে ফেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,আনুমানিক রাত আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া গ্রামের নারায়ণ ডাক্তার বাড়ির জানালার গ্রীল কেঁটে ৭/৮ জনের ডাকাত দল বসত ঘরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরে থাকা লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়ার সময় ঘরের লোকজন বাঁধা দেয়। বাঁধা পেয়ে ডাকাতরা নারায়ণ ডাক্তার (৭৬), তার স্ত্রী কুনতি রাণী (৬৫) ও বোন বিরাজ বালাকে (৮০) দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে।আহতদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীর এগিয়ে এলে ডাকাত দল পালিয়ে যাওয়ার সময় আবুল কালাম (৪৫) নামে এক ডাকাত জনতার হাতে ধরা পড়ে।

স্বজন ও স্থাণীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ওই রাতেই আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার হাতে আটক ডাকাত দলের সদস্য আহত আবুল কালামকে তাদের হেফাজতে নিয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দিচ্ছেন। আটককৃত ডাকাতের বাড়ী ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়ার ঝোড়খালী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু রশিদ মৃধার পুত্র।

আহত নারায়ণ ডাক্তার মুঠোফোনে জানান, আমি, আমার স্ত্রী ও আমার বোন বাড়ীতে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরে ঢুকে আমাদের সবাইকে মারধর করে নগদ ২ লক্ষ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। এতে আমরা বাঁধা দিলে ডাকাত দলের সদস্যরা দেশিয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের কুপিয়ে আহত করে।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মিজানুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহতরা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্থাণীয় জনতা এক বরগুনার আমতলী উপজেলার আমড়াগাছিয়া গ্রামের নারায়ণ ডাক্তার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা বাড়ির লোকজনকে দেশিয় ধাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও মারধর করে নগদ টাকা,স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে।

আহতদের বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। স্থাণীয় জনতা এক ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। সোমবার (২২ আগস্ট) দিবাগত রাত অনুমান আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত অনুমান আড়াইটা থেকে তিনটার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া গ্রামের নারায়ণ ডাক্তার বাড়ির জানালার গ্রীল কেঁটে ৭/৮ জনের একদল ডাকাত বসত ঘরে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরে থাকা লোকজনকে জিম্মি করে। এ সময় নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়ার সময় ঘরে থাকা লোকজন বাঁধা দেয়। বাঁধা পেয়ে ডাকাতরা নারায়ণ ডাক্তার (৭৬), তার স্ত্রী কুনতি রাণী (৬৫) ও বোন বিরাজ বালাকে (৮০) দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। আহতদের ডাক চিৎকারে স্থাণীয়রা এগিয়ে এলে ডাকাত দল পালিয়ে যাওয়ার সময় আবুল কালাম (৪৫) নামে এক ডাকাত জনতার হাতে ধরা পড়ে।

স্বজন ও এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে রাতেই আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে- ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার হাতে আটক ডাকাত দলের সদস্য আহত আবুল কালামকে তাদের হেফাজতে নিয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।গ্রেফতারকৃত ডাকাতের বাড়ী ঝালকাঠী জেলার কাঠালিয়া উপজেলার ঝোড়খালী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু রশিদ মৃধার পুত্র।

বাড়ীর মালি আহত নারায়ণ ডাক্তার জানান,আমরা বাড়ীতে ঘুমিয়ে ছিলাম। গভীর রাতে ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরে ঢুকে আমাদের সবাইকে মারধর করে নগদ ২ লক্ষ টাকা ও ৩ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাওয়ার সময় আমরা বাঁধা দিলে ডাকাত দলের সদস্যরা দেশিয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের কুপিয়ে আহত করে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ,কে,এম মিজানুর রহমান বলেন, রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ খবর নিয়েছি। স্থাণীয় জনতা এক ডাকাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ওই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

 

বরিশালে শোকসভায় ছাত্রলী‌গের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

//নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল //

বরিশালে জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে। রোববার রাত ৯টার দিকে নগরীর ২১ নম্বর ওয়ার্ডের অক্সফোর্ড মিশন রোডে এই ঘটনা ঘটে। তবে ছাত্রলীগের এই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর জানা নেই বলে দাবি করেছেন মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্না।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শোকদিবস ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা এবং দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সামনে দাঁড়ানো নিয়ে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বিরোধ বাঁধে। এই সময় উপস্থিত নেতারা তাদের শান্ত করে। এরপর অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করা সাথে সাথেই ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ আবারো হামলায় জড়িয়ে পড়ে এবং চেয়ার ভাঙচুরও করে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইজ আহমেদ মান্না বলেন, অনুষ্ঠান শেষে আমরা সবাই বেরিয়ে এসেছি। যতসময় অনুষ্ঠান হয়েছে ততক্ষণে কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমরা বেরিয়ে আসার পরে কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই। ব‌রিশাল কোতয়ালি ম‌ডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিমুল ক‌রিম ব‌লেন, ২১ নম্বর ওয়া‌র্ডে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামা‌রির অভি‌যোগ পে‌লে আইনগত ব‌্যবস্থা নেয়া হ‌বে।

রাণীশংকৈলে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু

//মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় রবিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১ টায় পুকুরের পানিতে পড়ে এক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃত শিশু খঞ্জনা গ্রামের আইনুল হকের ছেলে মিনহাজুল ইসলাম (৩)।

স্থানীয়রা জানায়, ঘটনার দিন শিশুটির মা গরুর ঘাস কাটতে বাইরে যায়। বাড়িতে থাকা শিশুটি সবার অগোচরে পার্শ্ববর্তী নিজ পুকুরের কাছে গেলে পানিতে পড়ে যায়। ঘন্টাখানিক পরে শিশুটির মা বাড়িতে এসে তাকে দেখতে না পেয়ে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ।

এক পর্যায়ে তিনি ওই পুকুরে তার ছেলেক ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। লোকজনের সহযোগিতায় শিশুটিকে পুকুর থেকে তুলে রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও ডাঃ ফিরোজ আলম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তালতলীতে প্রতিবেশীর লাথিতে অন্তসত্বার গর্ভপাত

//সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে জমিজমা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে ফাতেমা আক্তার (১৯) নামে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি মেরে গর্ভপাতের অভিযোগ উঠেছে মনির নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

শনিবার (২০ আগস্ট) ভুক্তভোগী ওই নারীর পরিবার সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার ১৮ আগস্ট উপজেলার নিশানবাড়ী ইউনিয়নের খোট্টার চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার দিন তার স্বামী সোহরাব হোসেন বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ করেন।

জানা গেছে,মৃত চানু মিয়ার পুত্র মনিরের সাথে তার নানা শশুর সোহরাব হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ অগাষ্ট বিকেলে সোহরাবের স্ত্রী ফাতিমা আক্তার বাড়ির পাশে জমিতে মাটি কাটতে যায়। এনিয়ে মনিরের সাথে তাদের মধ্যে কথা
কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে তাদের মারধর এবং পেটে লাথি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে ওই নারী অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যান এবং ব্লিডিং শুরু হয়। তাৎক্ষণিক পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয় । পরের দিন শনিবার রাতে ঐ অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাত হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী সোহরাব হোসেন বলেন, মনির জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজ পত্র তৈরি করে আমাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালায়, আমার স্ত্রী বৃহস্পতিবার জমিতে মাটি কাটতে গেলে মনিরসহ আরো ১৫/২০ জন মিলে আমার স্ত্রীকে মারধর করে।

অসুস্থ অবস্থায় আমার স্ত্রীকে থানায় নিয়ে গেলে তারা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে বলেন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলে ব্লিডিং কমে। পরবর্তীতপ শুক্রবার আবারও অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর হাসপাতালেই আমার স্ত্রীর গর্ভপাত হয়।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে মনির বলেন, তারা ঔষধের মাধ্যমে আমার সৎ নানী শাশুড়ীর গর্ভপাত করে। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন তারা।

তালতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর মেডিকেল অফিসার ডা. রাব্বি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় ঔ নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পরে মোটামুটি সুস্থ ছিলো। পরের দিন ঔ নারীর হঠাৎ গর্ভপাত হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রচন্ড আঘাতের কারনেও গর্ভপাত হতে পারে বা নরমালি গর্ভবত হতে পারে। তবে কোন কারনে হয়েছে সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তারপরে বলা যাবে।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন,এ বিষয়ে মারধরের একটি অভিযোগ থানায় দেওয়া হয়েছে।তবে গর্ভপাতের কোন অভিযোগ থানায় এখনো পাইনি । অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলীর স্বপ্নদ্রষ্টা মফিজ উদ্দিন তালুকদার শায়িত হলেন চিরনিদ্রায়

সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

না ফেরার দেশে চলে গেলেন দক্ষিণাঞ্চন তথা পটুয়াখালী,আমতলী ও কলাপাড়ার উপজেলার সাবেক এমপিএ প্রবীন রাজনীতিবিদ শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন তালুকদার। তার মৃত্যুতে আমতলীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

আমতলীর স্বপ্নদ্রষ্টা মফিজ উদ্দিন তালুকদার শায়িত হলেন চিরনিদ্রায়

জানাগেছে, ১৯২১ সালে মোঃ মফিজ উদ্দিন তালুকদার আমতলী উপজেলার তারিকাটা গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার বাবার নাম ইয়াসিন তালুকদার। তিনি বিট্রিশ আমলে বিএ পাশ করেন। ছাত্র রাজনীতি থেকেই তার রাজনীতিতে হাতে খড়ি। পাকিস্তান আমলে তিনি মুসলিমলীগের রাজনীতিতে ওতপ্রোতো ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৬৫ সালে মুসলিমলীগের হয়ে পটুয়াখালী-কলাপাড়া ও আমতলী থেকে এমপিএ নির্বাচিত হন। এমপিএ নির্বাচিত হয়ে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের মানুষকে অন্ধকার গলি থেকে আলোতে ফেরাতে গড়ে তোলেন এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আমতলী সরকারি কলেজ,মফিজ উদ্দিন বালক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মফিজ উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও তারিকাটা মাদ্রাসাসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি। জন্মভুমি আমতলীকে মনে প্রাণে ভালোবাসেন বলে ১৯৬৫ সালে আমতলী নামে ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছেন। ২০১৬ সালে সরকার কলেজটি জাতীয়কবণ করেন। দেশ স্বাধীনের পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিলেও বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্টপতি জিয়াউর রহমানের ছিলেন ঘনিষ্ঠ সহচর। তার সাথে তিনি বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সাংসদ এ্যাড, নিজাম উদ্দিন তালুকদারের শ্বশুর। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবীন এ রাজনীতিবিদ শুক্রবার রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০১ বছর। তার মৃত্যুতে আমতলীতে শোকের ছায়া নেমে আসে। এমন প্রবীন রাজনীতিবিদকে হারিয়ে আমতলীবাসী শোকাহত। দলমত নির্বিশেষে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। শনিবার বিকেলে আমতলী কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দানে জানাযার নামাজ শেষে কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের পাশে তার মরদেহ দাফন করা হয়েছে। তার জানাযা নামাজে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশগ্রহন করেছেন। তার জানাযা নামাজে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গির কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ গোলাম সরোয়ার টুকু, বরগুনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মাহবুবুল আলম ফারুক মোল্লা, সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টিটু, আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাড. এমএ কাদের মিয়া, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান ও জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি মোঃ এলমান আহম্মেদ সুহাদ তালুকদার প্রমুখ।

 

খুলনার রূপসায় কালাম নামে এক যুবকের বিকৃত অবস্থায় লাশ উদ্ধার

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসায় কালাম হাওলাদার(৩৫ )নামে এক যুবকের বিকৃত অবস্থায় গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় লাশ উদ্বার করেছে পুলিশ।

সে পেশায় বাসের হেলপার ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতেছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়,
উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের কেরামত মীরের বাড়ির তে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে কালাম।

কালামের স্ত্রী এক বছর আগে তার সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে পিতার বাড়িতে বসবাস করে। সিয়াম নামে(৫) বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে তার।

স্ত্রী এবং ছেলে তার কাছে না থাকায় মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন কালাম যা তার বোন কুলসুম বেগম জানান।
গত বুধবার রাতে সে বাড়িতে আসে তারপর থেকে তাকে আর স্থানীয়রা দেখতে পাইনি।

পরবর্তীতে রুবিয়া নামে এক মহিলা আজ ১৯ আগস্ট বিকালে ঘর ভাড়ার টাকা আনতে যাবার পর ঘরের ভিতর থেকে দরজা বন্ধ দেখতে পাই।

এসময় ডাকাডাকি করে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে দেখতে পায় কালাম গলায়
ওড়না পেচিয়ে ঝুলে আছে আড়ার সাথে।

ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চেহারা বিকৃতি অবস্থায় কালামের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তেনের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা কেরামত মীর বলেন,দুই দিন আগে তার মৃত হয়েছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
যে কারণে তার চেহারা বিকৃত হওয়ায় দুর্গন্ধ বের হয়।

আজ সকাল থেকেই দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ফাকা বাড়ি হওয়ায় তেমন কেউ খেয়াল করেনি।

তবে পারিবারিক ভাবে মানসিক যন্ত্রণায় থাকার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে থানা পুলিশের ওসি তদন্ত মো: সিরাজুল ইসলাম বলেন, কালাম নামে এক ব্যক্তির গলার রশি দেওয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণ করা যাচ্ছে মানসিক যন্ত্রণার কারণে সে আত্মহত্যা করেছে।
লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন‍্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

বরগুনায় ছাত্রলীগের উপর পুলিশের বেধড়ক মারধর এর প্রতিবাদে আমতলীতে বিক্ষোভ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনায় ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের উপরে পৈশাচিক নির্যাতন ও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বরগুনা-১ আসনের সাংসদ এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু’র সাথে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীর অসৌজন্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে আমতলীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরগুনায় ছাত্রলীগের উপর পুলিশের বেধড়ক মারধর এর প্রতিবাদে আমতলীতে বিক্ষোভ

আজ বিকেল ৫টায় আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি আবদুল্লাহ সুপার মার্কেট থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আমতলী চৌরাস্তায় প্রতিবাদ সভা করে।
মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ও সাধারন জনগগন অংশ করে।

আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট এম এ কাদের মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন,আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ও আমতলী পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা, সহ সভাপতি ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও চাওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আক্তারুজ্জামান বাদল খান, আওয়ামিলীগ নেতা ও পৌর কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম জুয়েল তালুকদার, আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আবদুল হক, তরিকুল ইসলাম জুয়েল,আমতলী পৌর সভার প্যানেল মেয়র মীর হাবিবুর রহমান সহ আওয়ামিলীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

বেতাগীতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ইউপি সদস্য শামীমকে হত্যার তিন দিন পর মামলা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনায় বেতাগীতে সরিষামুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান খান ফারুক আহমেদ শামীমকে বসতঘরে তালা লাগিয়ে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

শনিবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে নিহত শামীমের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে  বেতাগী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শাহ আলম হাওলাদার জানান,ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান খান ফারুক আহমেদ শামীমকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় ৪০৬,৪২৭,৩০২ ও ৩৪ ধারায়  একটি মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর ৯,তারিখ ১৩ আগষ্ট ২০২২ খ্রি.।

গত শুক্রবার সকাল ১০টায় স্থানীয় ভোড়া হাতেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হাজারো মানুষের  অংশগ্রহণ ও উপস্থিতিতে জানাজা শেষে পাবিবারিক কবরস্থানে ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান খান ফারুক আহমেদ শামীমকে দাফন করা হয়।

গত মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ২টার সময় উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ সরিষামুড়ি ইউনিয়নের মায়ার হাঁট বাজার সংলগ্ন ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খান ফারুক আহমেদ শামীম খানের টিনসেট বসত ঘরে বাহির থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে পেট্রোল দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।এ আগুনে ইউপি সদস্য খান ফারুক আহমেদ শামীমের  দুই হাত,পিঠ,ঘাড় এবং মাথার চুল সহ শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায় এবং তার স্ত্রী সূচী আক্তার (২৫), শিশু পুত্র মাইনুল খান  (৫) ও  সামিউল খান  (২) দগ্ধ হন। আহতদের বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে শামিমকে ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামিমের মুত্যু হয়।

এতে এখনো পরিবারে চলছে শোকের মাতম ও এলাকায় বিরাজ করছে শোকের ছায়া।  একই গ্রামের বাসিন্দা প্রভাষক হাবীবুর রহমান জানান,ইউপি সদস্য ফারুক আহমেদ শামিমের এ মৃত্যু আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পাছিনানা। এলাকার যে অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। তা ভুলবার নয়।

গৃহকর্মীর কাজ করতে গিয়ে ঢাকায় খুন হলো আমতলীর মেয়ে, গৃহকর্তী আটক

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নে টেপুরা গ্রামের রেখা বেগম (২০) নামে এক কিশোরী ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করতে গিয়ে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। রেখার স্বজনরা অভিযোগ করেছেন গৃকর্তী রেখাকে পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

এঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধারসহ রেশমা নামে ওই গৃহকর্তীকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে ৪ আগস্ট বনানী থানার ২৩/এ সড়কের ৮৬ নং বাড়ীর নবম তলায়।

আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের টেপুরা গ্রামের নিহত গৃহকর্মী রেখা বেগমের (২০) খালা পারভীন বেগম জানান, নিহত রেখার বাবা দুধা গাজী ২০ বছর পূর্বে এবং তার মা রাজিয়া বেগম ১৮ বছর পূর্বে মারা যান।

মা বাবা হীন এতিম রেখাকে আমি লালন পালন করি। অভাবের তারনায় রেখাকে নিয়ে ২০১০ সালে আমরা ঢাকায় চলে যাই। আমার স্বামী রাজ মিস্ত্রীর কাজ করে। যে বছর আমরা ঢাকা যাই তার কয়েকদিন পর ১০ বছর বয়সে রেখা ঢাকার বিমান বন্দর এলাকা থেকে হারিয়ে যায়। এর পর রেখাকে আমরা আর খুজে পাইনি।

২ বছর আগে রেখা গ্রামের বাড়ি ফিরে আসে। তখন সে জানায় বনানী থানার ৮৬ নম্বও বাড়ীর ২৩/এ সড়কের রেশমা বেগম নামে এক গৃহকর্তীর বাসায় গৃহকর্মীর কাজ নেয় সে। ওই গৃহকর্তী তালাক প্রাপ্তা ছিল।

তার বাবার নাম মোকছেদ আলী। গৃহকর্তী ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত রেখাকে বেতনের কোন টাকা পয়সা না দেওয়ায় ২০১৯ সালে সে পালিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে আসে।

ওই গৃহকর্তী তখন ফোনের মাধ্যমে রেখাকে তার বাসায় যাওয়ার অনুরোধ করে এবং তার বকেয়া সকল টাকা দেওয়ার আশ্বাস দেয়। রেখা তার গৃহকর্তীর কথা বিশ্বাস করে সে আবার তার বাসায় ফিরে যায়।

ওই বাসায় ফিরে যাওয়ার পর রেখার সাথে বাড়ির লোকজনের ফোনের সকল যোগোযোগ বন্ধ করে দেয় গৃহকর্তী রেশমা বেগম। রেখাকে কখনো বাসার বাইরে কিংবা অন্য কারো সাথে মিশতে দিত না গৃহকর্তী রেশমা বেগম।

রেখার স্বজনরা কেউ ওই গৃহকর্তীর বাসা চিনত না। রেখা পালিয়ে বাড়ি আসার পর শুধু ফোনে যোগাযোগ করেছে। রেখাকে নিয়ে যাওয়ার পর রেখার সকল স্বজনদের ফোন নম্বর ব্লাক লিস্টে ফেলে রাখায় তারা আর কেউ ওই গৃহকর্তীর সাথে যোযোগ করতে পারেনি বলে অভযোগ খালা পাভীনের।

পারভীন আরো অভিযোগ কওে বলেন, সম্প্রতি রেখা তার পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়ায় গৃহকর্তী রেখাকে নির্যাতন করে। এ নির্য়াতনেই তার মৃত্যু হয়।

বনানী থানার এসআই গুলশান আরা জানান, গত ৪ আগস্ট গৃহকর্তী রেশমা বেগম থানায় ফোন করে জানান তার বাসার গৃহকর্মী অত্মহত্যা করেছে। ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আমরা তার বাসার বাথরুম থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তখন গৃহকর্তী রেশমাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে আসি।

লাশ আনার পর রেখার কোন স্বজন না থাকায় ময়না তদন্ত করে বেওয়ারিশ হিসেবে মেডিকেলের হিম ঘরে রাখি। গৃহকর্তী রেশমাকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে রেখার ঠিকানা প্রদান করায় আমতলী থানার মাধ্যমে সোমবার সকালে তার স্বজনদের খবর দেই। মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে স্বজনরা রেখার মরদেহ নিয়ে যায়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই গুলশান আরা জানান, লাশের শরীরের অনেক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

রেখার চাচা মজিবুর রহমান গাজী অভিযোগ করে বলেন, ২০১০ সাল থেকে রেখা রেশমা বেগমের বাসায় কাজ করে। এ পর্যন্ত কোন টাকা পয়সা দেয় নাই।

তার পাওনা টাকার না দেওয়া একবার সে বাড়ি চলে এসেছিল। ফিরে যাওয়ার পর তাকে ব্যাপক নির্যাতন করেছে। ধারনা করা হচ্ছে পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য তাকে ওই গৃহকর্তী মেরে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে। তিনি আরো বলেন, রেখার শরীরে বটির কোপসহ মারধরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমরা এঘটনার বিচার চাই।

বনানী থানার ওসি নূরে আজম মিয়া বলেন, গৃহকর্মী রেখাকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাগুরার সড়কে ঝরে গেল আরও এক তাজা প্রাণ আহম্মদ হোসেন

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা//

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ঝগড়দিয়া গ্রামের মোঃ আহম্মদ হোসেন(৬০)। তিনি আজ সোমবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২ টার সময়ে মাগুরা জজ আদালত থেকে মামলার হাজিরা দিয়ে নিজ বাড়িতে ফেরার সময় মাগুরা শহরের ভায়না মোড় সংলগ্ন গোরস্থান রোডে সড়ক দুর্ঘটনার স্বীকার হলে তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।