খুলনায় কর্তব্যরত অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার আত্মহত্যা

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা //

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার বরালিদাহ গ্রামের কৃতিসন্তান,বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার লাবনী আক্তার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত রাত আনুমানিক ১ টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার সারঙ্গদিয়া গ্রামে নানা মৃত কুদ্দুস মাষ্টারের বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তার পিতা মোঃ শফিকুল আজম একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নাকোল রাইচন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক।

লাবনী আক্তারের স্বামী মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর গ্রামের তারেক রহমান বর্তমানে চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছেন।

লাবনী আক্তার খুলনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্তব্যরত ছিল। তাদের দাম্পত্য জীবনে দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।

আত্মহত্যার কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। লাশ পোস্ট মডামের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

পীরগঞ্জে মাটি চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় নির্মানাধীন টয়লেটের ট্যাংকির মাটি খনন করার সময় মাটি ধসে চাপা পড়ে রাসেল (১৮) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।(২০ জুলাই) বুধবার উপজেলার জাবরহাট ইউনিয়নের রাজভিটা গ্রামে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হাটপাড়া করনাইট গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, রাজভিটা গ্রামের মতিউর রহমানের ভাইয়ের বাড়িতে সেফটি ট্যাংক এর মাটি খনন করছিল ৪/৫ জন শ্রমিক। হঠাৎ করে গর্তের মাটি ধসে চাপা পড়েন রাসেল। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা ঘটনা স্থল থেকে রাসেলকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাবরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ‘ঘটনায় স্থলে গিয়ে সরাসরি দেখা যায়, অনেক বড় একটি হাউজ খনন করা হচ্ছে কিন্তু বর্ষার দিনে সেখানে মাটি ধস রোধে কোন সেফটির ব্যবস্থা ছিল না। তাই হয়তো মাটি ধসে পড়ে ও মাটির নিচে ওই শ্রমিক চাপা পড়ে।

মাটি চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম।

আমতলী-পটুয়াখালী সড়কে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১,আহত-১৫

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালী-আমতলী আঞ্চলিক মহসড়কের আমতলী উপজেলার ব্রিকফিন্ড নামক স্থানে গতকাল শনিবার রাতে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে।

আমতলী থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার সময় ঢাকা থেকে রাজিব পরিবহন (ঢাকা মেট্টো-০-১৫-২১৭৫) নামে একটি বাস যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। বাসটি রাত সাড়ে ৩টার সময় আমতলী উপজেলার ব্রিকফিন্ড নামক স্থানে পৌছামাত্র বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্টো-১৪-১১৫৯) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে যাত্রীবাহী বাসটি দুমরে মুছরে উল্টে পাশের একটি খাদে পরে যায়।

এসময় বাসের মধ্যে থাকা অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়। আহতদের মধ্যে মো. রিয়াদ (৩০) নামে একজন গুরুতর আহত হয়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হলে তাৎক্ষনিক তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপালে নেওয়ার পথে মারা যায়। বাস দুর্ঘটনায় নিহত রিয়াদ বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহত অন্যদের আমতলী ও পটুয়াখালী জেনালেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে তবে তাদের নাম জানা যায়নি।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুর রহমান জানান, রিয়াদ (৩০) নামে এক বাসযাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।

 

মাগুরায় ভিন্ন ঘটনায় যুবক ও শিশুর মৃত্যু

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

মাগুরা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউপির আমুড়িয়া চরপাড়ায় বল্লার কাঁমড়ে ইয়াদ আলী (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে,সে ঐ গ্রামের ওয়াজেদ মোল্যার পুত্র। পরিবার সূত্রে জানাযায়, ইয়াদ আলী আজ শনিবার সকালে মাছডাঙ্গী মাঠে পাট কাঁটতে গেলে পাট কাটার এক পর্যায়ে পাটের জমিতে থাকা বল্লার চাঁকে নাড়া লাগেলে চাঁকে থাকা শতশত মাছি তাকে হুল ফোঁটায়, এসময় সে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় চিকিৎসক তুষারের কাছ থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ীতে চলে আসে, বাড়ীতে এসে সে চরম ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে,এর পর তাকে মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাঁসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।ইয়াদ আলীর ৬ ও ২ বছরের ২টি পুত্র সন্তান রয়েছে।

অপর দিকে মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউপির পানিঘাটা গ্রামে খেলতে যেয়ে গলায় ফাঁস আটকে মারিয়া (১০) নামে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, মারিয়া ঐ গ্রামের মোদারছের মোল্যার নাতনি,মারিয়ার বাবা মা ঢাকায় বসবাস করে,এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানাযায়, মারিয়া শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ীড় উঠানে পাট শুকানো বাঁশের সাথে থাকা পাটের আঁশ গলায় পেঁচিয়ে খেলা করতে করতে এক পর্যায়ে তা গলায় সাথে আটকে যেয়ে শ্বাস রোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

মারিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন  নহাটা তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির।

রুপসায় বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে এক যুবকের মৃত্যু

।।মোল্লা জাহাঙ্গীর আলম।।

রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়নের গোয়াড়া গ্রামের বিষ্ণু ধরের ছেলে কার্তিক ধর(২২)বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গেছে।

গত কাল ১৪ই জুলাই বৃহস্পতিবার -আনুমানিক বেলা ২টার সময় কার্তিক ধর-ঘেরে মটর দিয়ে পানি দিতে যায়, সে বাড়িতে ফিরে না আশায়,বাড়ির লোকজন খোজা খুজি করে, পরবর্তীতে তাকে ঘেরে মৃত্যু অবস্থায় পাওয়া যায়।

 

নিখোঁজের সাড়ে চার ঘন্টা পর এনএসআই কর্মকর্তা ও তার স্ত্রী ‘র বোনের মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি///

শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজের সাড়ে চার ঘণ্টা পর এনএসআই কর্মকর্তা মোস্তফা কাদের ও তাঁর স্ত্রীর বোনের মেয়ে জুইয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব পশ্চিম কোন থেকে স্থানীয়রা তাঁদের পাশাপাশি ভাসমান মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।

নিহত মোস্তফা কাদেরের স্ত্রী সেলিনা শিকদার উদ্ধার হওয়া মরদেহ দুটি তাঁর স্বামী ও বোনের মেয়ে জুঁইয়ের বলে শনাক্ত করেছেন।

এর আগে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শুভসন্ধ্যা সৈকতে গোসল করতে নেমে তাঁরা নিখোঁজ হন। এর আগে মোস্তফা কাদেরের স্ত্রী সেলিনা সিকদার (৩৫), ছেলে মাহাতির মোহাম্মাদ (০৯) ও আরেক ছেলে আবদুল করিমকে (১৬) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোস্তফা কাদের ও জুঁই নিখোঁজ ছিলেন।

নিখোঁজদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মোস্তফা কাদের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার জুনিয়র ফিল্ড অফিসার হিসেবে বরগুনায় কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে ঢাকা থেকে স্ত্রী, দুই ছেলে ও তাঁর স্ত্রীর বোনের মেয়ে জুই ঈদের ছুটিতে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে আসেন। পরে সবাই মিলে সমুদ্রে গোসল করতে যান। হঠাৎ ঢেউ এসে মুহূর্তের মধ্যে সমুদ্রের মাঝে নিয়ে যায় তাদের সবাইকে। পরে খোঁজাখুঁজির পর তিনজনকে পাওয়া গেলেও মোস্তফা ও জুই নিখোঁজ ছিলেন। এরপর সাড়ে চার ঘণ্টা পরে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, এনএসআই কর্মকর্তা ও জুইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুইটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তী কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালতলীতে সমুদ্রে গোসল করতে গিয়ে এনএসআই কর্মকর্তা সহ দুইজন নিখোঁজ

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা  সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে এনএসআই কর্মকর্তাসহ দুজন নিখোঁজ হয়েছেন। মুমূর্ষু অবস্থায় আরও তিনজনকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।

আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে শুভসন্ধ্যা সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ দু’জন হলেন মোস্তফা কাদের ও তাঁর স্ত্রীর বোনের মেয়ে নুর আক্তার জুই (১৮)। মোস্তফা কাদের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার জুনিয়র ফিল্ড অফিসার হিসেবে বরগুনায় কর্মরত আছেন। মুমূর্ষু  অবস্থায় উদ্ধারকৃতরা হলেন মস্তফা কাদেরর স্ত্রী সেলিনা সিকদার (৩৫), ছেলে মাহাতি (০৯) ও আরেক ছেলে আবদুল করিম (১৬)।

নিখোঁজদের পরিবারের সূত্রে জানা যায়,এনএসআই কর্মকর্তা মোস্তফা কাদের বরগুনায় চাকরি করার সুবাদে ঢাকা থেকে স্ত্রী,দুই ছেলে ও তাঁর স্ত্রীর বোনের মেয়ে জুঁইকে নিয়ে ঈদের ছুটিতে শুভসন্ধ্যা সমুদ্রসৈকতে ঘুরতে যান। পরে সবাই মিলে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন।এ সময়ে হঠাৎ ঢেউয়ের স্রোত মুহূর্তের মধ্যে সবাইকে সমুদ্রের গভীরে নিয়ে যায়।অনেক খোঁজাখুঁজির পর তিনজনকে পাওয়া গেলেও এনএসআই কর্মকর্তাসহ দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড,নৌ পুলিশ,ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে কয়েকটি টিম কাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনএসআই কর্মকর্তা তাঁর পরিবার নিয়ে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র  সৈকতের কাছে সাঁতার কাটতে নামেন। এ সময় ঢেউয়ের আঘাতে সবাই বিচ্ছিন্ন হয়ে হাত থেকে ছুটে গিয়ে ডুবে যান। তাঁদের কেউ সাঁতার জানতেন না। তাই অন্য পর্যটকেরা তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।

তালতলী ফায়ার সার্ভিসের অফিসার মোঃ আহসান হাবিব এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গোসল করতে নেমে নিখোঁজদের মধ্যে তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেছেন। আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে উদ্ধারকাজ চলছে।

 

 বাগেরহাটের রামপালে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু এলাকাবাসীর তদন্ত দাবী

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

রামপালে ঈদের দিন রাতে মিরা বেগম (৪২) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গত ১০ জুলাই রোববার রাতে উপজেলার ঝনঝনিয়া বড়বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ তড়িঘড়ি করে দাফন করায় তার মৃত্যু নিয়ে জনমনে রহস্যের সষ্টি হয়েছে। সরোজমিনে ওই গৃহবধুর মৃত্যু সর্ম্পকে প্রতিবেশি ও স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় ঝনঝনিয়া বড় বাড়ির বাসিন্দা মো. শাহিনুর রহমানের সাথে স্ত্রী মিরা বেগমের কোরবানির মাংশ বিতরণ ও বাবার বাড়ি বড়িতে যাওয়া না যাওয়া নিয়ে ঘটনার দিন আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে শাহিন মিরা বেগমের উপর শারিরীক নির্যাতন চালান। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পর্যায় মিরা বেগম ওই রাতেই বাড়িতে মারা যান। প্রতিবেশিরা জানান এরপর মিরা বেগমকে গলায় দড়ি দিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে শাহিন প্রচার চালায়। পরে লোকজন এসে মিরার ঝুলন্ত  মরদেহ নামিয়ে ওই রাতেই রামপাল উপজলা স্বাস্থ কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

এ দিকে মৃত্যুর বিষয়টি থানায় না জানিয়ে গত সোমবার সকাল সাড়ে ৭ টায় তড়িঘড়ি করে উদ্যাগ নিয়ে মরদেহ দাফন করার ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের মনে মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়। নাম প্রকাশ না করে বেশ কয়েকজন প্রতিবেশি জানান রোববার সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে কোরবানীর মাংশ বিতরন নিয়ে পারিবারিক দ্বন্ধের সষ্টি হয়। এ নিয়ে শাহিন তার স্ত্রী মিরাকে মারধর করেন। এতে তার মৃত্যু হয়। শাহিন মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দিতে গলায় রশি দিয়ে মিরাকে ঝুলিয়ে রাখেন। প্রতিবেশিদের বেশির ভাগই মরদেহ দাফনের বিষয়টি জানেন না বল জানান। তারা আরো জানান শাহিনের তড়িঘড়ি করে দাফনের ব্যস্ততা ও তার আচার আচরণ দেখে আমাদের মনে সন্দেহ হয়েছে তার স্ত্রীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয় শাহিনুর রহমানর কাছ জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার স্ত্রী অসুস্থ ছিল। অসুস্থ হয়েই তার মৃত্যু হয়েছে। আমার শশুর বাড়ির লোকজনের পীড়াপীড়িতে তড়িঘড়ি মাটি দেয়া হয়েছে। রামপাল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিভিন্নভাবে তথ্য পাওয়ার পর আমি শাহীনুর রহমান ও তার ছোট পুত্র আলিফ কে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করি। আলিফ জানায় মানুষের সাথে আমাদের শত্রুতার কারণে লোকজনে গুজব ছড়িয়েছে। তবে মিরা বেগমের স্বজনরা তার মৃত্যু নিয়ে কোন কথা বলতে চাননি।

উল্লখ্য, ইতাপুর্বে শাহিনুরের ১ম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর খুলনার দিঘলিয়া উপজলার দেয়াড়া গ্রামের মিরা বেগমকে বিয়ে করেন। মিরা বেগমের একটি পুত্র সন্তান স্নাতকে পড়াশুনা করেন। এলাকাবাসীর দাবী বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জোর দাবী করেছেন।

বরিশালের উজিরপুরে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল::

বরিশালের উজিরপুরে বাসচাপায় মো. আলমগীর হাওলাদার (৫০) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে নতুন শিকারপুর নামক স্থানে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হাওলাদার পার্শ্ববর্তী বাবুগঞ্জ উপজেলার রাকুদিয়া গ্রামের মৃত জব্বার হাওলাদারের ছেলে। ঘটনার পর হাইওয়ে থানা পুলিশ বাসটিকে আটক করলেও এর চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।

পুলিশ জানায়, শামীম পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহি বাস ময়মনসিংহ থেকে সাগরকন্যা কুয়াকাটার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। উজিরপুরের নতুন শিকারপুর নামক স্থান অতিক্রম করার সময় বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানের ওপর উঠিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলে ভ্যানচালক আলমগীর হাওলাদারের মৃত্যু হয়। তবে বাসটির কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার পরপরই ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হলে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ, গৌরনদী হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. বেলাল হোসেন বরিশালটাইমসকে জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এবং বাসটি আটক করে নেওয়া হয়েছে গৌরনদী হাইওয়ে থানায়। এ ঘটনায় নিহতর পরিবারের কেউ মামলা করেনি,। পরবর্তীতে যদি মামলা করে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাসের চালক ও হেলপার পলাতক থাকায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

পটিয়ায় বাস-সিএনজির সংঘর্ষে নিহত ৫

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

চট্টগ্রামের পটিয়া থানায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ৫ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৮ জন।

ঈদের পরদিন সোমবার (১১ জুলাই) রাত সোয়া ৮টার দিকে উপজেলার বাইয়ার জলুয়ার দিঘী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, বাইয়ার জলুয়ার দিঘীর এলাকায় বাসের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই ৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত ৮ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একটি গাড়ি দুমড়ে মুচড়ে গেছে, আরেকটি খাদে পড়ে আছে। বিস্তারিত আসছে…