বালিয়াডাঙ্গিতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীত উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মুন্নি (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে চারজন। (২৫ জুন) শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ালকারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুন্নি আক্তার ওই গ্রামের সাদেকুল ইসলামের মেয়ে ও বালিয়াডাঙ্গী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী ছিলেন। তাৎক্ষণিক ভাবে আহতদের এখন পর্যন্ত পরিচয় পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের বরাতে বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খায়রুল আনাম জানায়, লাহিড়ী থেকে বালিয়াডাঙ্গীর দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। এ সময় হঠাৎ নিহত মুন্নি রাস্তায় চলে আসলে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় এবং এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে।

এ ঘটনায় আরো চারজন আহত হয়। এর মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঠাকুরগাঁও সদর আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। আহতদের মধ্যে বাকি দুইজন বালিয়াডাঙ্গি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ডোমারে কৃষি কর্মকর্তা দম্পতির বিরুদ্ধে স্কুল ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

//ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা//

ডোমারে কৃষি কর্মকর্তা দম্পতীর বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেনীর স্কুল ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ও ছাত্রের পরিবার কৃষি কর্মকর্তার অফিসে উত্তেজনা সৃষ্টি করলে ঘটনাস্থলেই গ্রেপ্তার হয় স্কুল ছাত্র সিয়ামের বাবা মোফাজ্জল হোসেন।

নীলফামারীর ডোমার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুজ্জামানের উপজেলা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র রাহাদ আহমেদ মৃন্ময় সাথে একই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র সিয়াম আহমেদের খেলার মাঠে সাইকেল চালানো কেন্দ্র করে ঝগড়া বাধে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি মৃন্ময়ের মা উপজেলা কৃষি অফিসারের স্ত্রী তাদের কোয়াটারের জানালা দিয়ে দেখতে পেয়ে মাঠে গিয়ে সিয়ামকে মারধর করে টেনে হেচরে তাদের কোয়াটারের দিকে নিয়ে যায়। এরেই এক পর্যায়ে তিনি তার স্বামী কৃষি অফিসারকে ফোন দিলে কৃষি অফিসার, অফিস থেকে উত্তেজিত হয়ে তাদের কোয়াটারের সামনে এসে সিয়ামকে মারধর ও তার বুকে লাথি মারে।

এ সময় মাঠে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এসে সিয়ামকে মারার কারন জানতে চাইলে কৃষি অফিসার তাদের গায়েও হাত তুলেন বলে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরাসহ স্থানীয় লোকজন সিয়ামকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। কর্তব্যরত ডা. নাহিদা বলেন, শিশুটি গায়ে ও বুকে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। শিশুটিকে বর্তমানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সিয়াম পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মোফাজ্জল হোসেন মোফার ছেলে।

জানাযায় সোমবার বিকালে ডোমার উপজেলা পরিষদ হেলিপ্যাড মাঠে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যায় বিষয়টি জানতে পেরে মোফাজ্জল হোসেন মাঠে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের নিয়ে উপজেলা পরিষদে কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে যান। এবং কৃষি অফিসারের কাছে তার ছেলেকে মারধরের কারন জানাতে চাইলে উভয়ে তর্ক বির্তকে জড়িয়ে পরেন। এক পর্যায়ে সেখানে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পুলিশ এ সময় সিয়ামের বাবা মোফাকে আটক করে।

ওইদিন রাতে কৃষি কর্মকর্তা আনিছুজ্জামান বাদী হয়ে ৬জন নামীয় ও অজ্ঞাত নামীয়দের নামে সরকারী কাজে বাধা, অফিসে ঢুকে কর্মকর্তাকে লাঞ্চিত করার অভিযোগে থানায় মামলা করেন। মামলা নং-৬, তাং-২১/৬/২২। ওই মামলায় মোফাজ্জল হোসেন ও সৌরভ নামে দুইজনকে আটক করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে প্রেরন করেন পুলিশ।

আহত শিশুটির মা স্বপ্না আক্তার জানান, তার ছেলে সিয়াম দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ্য। তার খাদ্যনালি চিকন হয়ে যাচ্ছে। ৫ম শ্রেণিতে পরলেও অসুস্থ্য থাকার কারনে তাকে খৎনা দেওয়া যায়নি। অপারেশনে জন্য দ্রুত ভারতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, আমার ছেলে ভুল করলেও তিনি আমাকে জানাতে পারতেন। আমি তাকে শাসন করতাম। কিন্তু তিনি এসে আমার অসুস্থ্য ছেলের বুকে লাথি মারেন। একজন দায়িত্বশীল অফিসার হয়ে এমন জঘন্য কাজ কিভাবে করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানার জন্য তার অফিসে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার সেলফোনে ফোন দেওয়া হলে ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা যায়নি। জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। তাছাড়া এটি ডোমার উপজেলা পরিষদের বিষয়। তারা বসে হয়তো কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রমিজ আলম জানান, সোমবার সন্ধ্যায় অফিসে এসে কিছু লোক হামলা করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতে মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

Daily World News

রাণীশংকৈলে প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

১৮৫যাত্রীসহ আগুন লাগা বিমানটি ঠাণ্ডা মাথায় অবতরণ করান মনিকা

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

ভারতের পাটনা থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল স্পাইসজেটের যাত্রীবাহী বিমানটি। টেক অফের কিছুক্ষণ পরেই স্থানীয়দের নজরে পড়ে, বিমানের ডানায় আগুন।

সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দরে খবর দেওয়া হয়। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলরুম থেকে জরুরি অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয় বিমানচালকদের।

কিন্তু পাটনার বিমানবন্দর এমন জায়গায়, যার রানওয়ের একদিকে গাছের লম্বা সারি, অন্যদিকে রেললাইন।

স্বাভাবিক পরিস্থিতিতেই পাটনার জয়প্রকাশ নারায়ণ বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান অবতরণ করানো খুব সহজ নয়। তার ওপর এ রকম জরুরি অবস্থা।

বিমানের যাত্রী এবং কর্মীরা বেঁচে ফিরতে পারবেন তো? না কি মাঝ আকাশেই ইঞ্জিন থেকে পুরো বিমানে আগুন লেগে যাবে? চিন্তায় ছিলেন বিমানকর্মীরা।

এ নিয়ে প্রচণ্ড চিন্তায় ছিলেন সবাই। এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন স্পাইসজেট বোয়িং ৭৩৭ বিমানের মহিলা পাইলট ক্যাপ্টেন মনিকা খন্না।

মনিকার সাহস ও ধৈর্যের প্রশংসা করেছেন ডিজিসিএর কর্মকর্তাসহ বহু বিমান সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

তাদের বক্তব্য, এই পরিস্থিতিতে ‘ওভারওয়েট ল্যান্ডিং’ করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে মনিকা তার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন।

মনিকা ২০১৮ সালে স্পাইসজেট বিমান সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হন। চার বছরে প্রচুর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন তিনি।

কিন্তু এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন কখনও হতে হয়নি তাকে। বিমানটি টেক অফের কিছু সময় পর ওই বিমানের ক্রু সদস্যরা মনিকাকে জানান, পাখির ডানার ঝাপটা লেগে বিমানের একটি ইঞ্জিন থেকে আগুনের ফুলকি বেরোচ্ছে।

বিমানের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঝআকাশেই সবকটি ইঞ্জিন বন্ধ করে দেন মনিকা। তার পর ধীরে ধীরে বিমানটি রানওয়েতে নামিয়ে আনেন। এফও (ফার্স্ট অফিসার) বলপ্রীত সিংহ ভাটিয়ার অবদানও অনস্বীকার্য। অবতরণের সময় মনিকাকে যথেষ্ট সহায়তা করেছিলেন তিনি।

১৮৫ যাত্রীকে নিরাপদে বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন তিনি। এ ঘটনার পর মনিকার অনুরাগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। নারী পাইলট হিসাবে তিনি দেশবাসীর সামনে যে দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

ইনস্টাগ্রামে তার অনুসরণকারীর সংখ্যা ৯ হাজারের বেশি। দেশ-বিদেশের নানা জায়গায় ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসেন মনিকা।

নেপাল থেকে আর্মেনিয়া, মরিশাস—কর্মসূত্রে বহু জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি।

এখন অবশ্য কিছু দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে তাকে। তদন্ত শেষ হলেই আবার তিনি বিমান চালাতে পারবেন। তবে যে প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের পরিচয় তিনি দিয়েছেন, তা কুর্নিশ আদায় করে নিয়েছে সবার কাছ থেকে।

Daily World News

মেকআপ কিংবা স্কিনকেয়ার সামগ্রী ফ্রিজে রাখুন ভালো থাকবে

সাংবাদিকদের জরিমানা করতে পারবে প্রেস কাউন্সিল- মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করছেন

খুলনার রূপসায় মিমের অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার, প্রেমিকসহ আটক-২

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা//

রূপসায় মীম(১৩) নামে এক কিশোরীর অর্ধগলিত লাশ উদ্বার করেছে পুলিশ। সে ঘাটভোগ ইউনিয়নের পিঠাভোগ গ্রামের  গোয়াল বাড়ি চর আশ্রয়ন কেন্দ্রের বাসিন্দা মন্টু ফকির এর মেয়ে।

দীর্ঘ এক বছর পূর্বে থেকে সে পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, হোসেন নামে এক যুবকের সাথে মিমের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে গত ১৫দিন আগে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে চলে যায়।  পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা মীমকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে।

গত শনিবার সন্ধ‍্যায় বাড়ি থেকে মীম বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।

পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজি করে কোথাও পাওয়া যায়নি।

সোমবার(২০ জুন) সন্ধ‍্যায় পান বরজের পাশে সুজন লাশ দেখে স্থানীয় লোকজন ও থানা পুলিশকে খবর দেয়।

থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

থানা পুলিশ এ ঘটনার অভিযোগে হোসেন ও রবিউল নামে ২ যুবককে আটক করেছেন। ধোপাখোলা গ্রামের সুজন এর বরজ এর পাশ থেকে লাশ উদ্বার করা হয়।

পিঠাভোগ গ্রামের মৃত ফিরোজ এর ছেলে হোসেন এর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে পেশায় ভ‍্যান চালক।

রবিউল নামে এক যুবক মীমকে তার বাড়ি থেকে বের করে হোসেনের কাছে এনে দেবার কথা হয় বলে হোসেন জানায়।

রবিউল গোয়ালবাড়ির চর এলাকার দ্বীন মোহাম্মাদ এর ছেলে।  সে  আলাইপুর খাদ‍্য গুদামের লেবার এর কাজ করে।

থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন জানান, অর্ধ গলিত অবস্থায় মিম নামে এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়। ধারনা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে তাকে হত‍্যা করা হতে পারে। এবং  ময়নাতদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বলা যাবে না তাকে  শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে কি না।

Daily World News

সাংবাদিকদের জরিমানা করতে পারবে প্রেস কাউন্সিল- মন্ত্রিসভায় আইনের খসড়া অনুমোদন

আদালতে হাজিরা দেওয়া হলোনা বৃদ্ধের// টমটমের চাপায় নিহত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনায় মামলার হাজিরা দিতে আদালতে যাওয়ার পথে টমটম চাপায় সাইকেল আরোহী একজন নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১০ টার দিকে বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মুল গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই ব্যক্তির নাম আফজাল মোল্লা (৬৫)। তিনি পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পেশায় মেকানিক।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানায়, জমিজমা সংক্রান্ত মামলার হাজিরার তারিখ ছিল আজ। এ কারণে আফজাল মোল্লা পাথরঘাটা থেকে সাইকেল চালিয়ে বরগুনা আসেন। এসময় তিনি বরগুনা জেলা বার সংলগ্ন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রধান গেটের পাশে আসলে একটি টমটম তাকে চাপা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়। পাশাপাশি টমটম চালকে থানায় সোপর্দ করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আফজালের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী গাড়িটি বরগুনা টমটম মালিক সমিতির ২৮ নম্বর গাড়ি।

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, টমটম চালককে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আটক করা হয়েছে। নিহত আফজালের পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না আসলেও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাণীশংকৈলে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই’জনের মৃত্যু

মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এবং আরো দুইজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।(১৭ জুন) শুক্রবার দুপুর দেড়টায় রাণীশংকৈল উপজেলার গোগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম বেগুনবাড়ি গ্রামের অতুলের ছেলে তিলক রায় (১৮) ও পীরগঞ্জ উপজেলার বাশগাড়া গ্রামের জগেনর ছেলে জয় (১৮)।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি বলেন, জুম্মার নামাজের সময় পীরগঞ্জ থেকে রাণীশংকৈল আসার পথে ও রাণীশংকৈল থেকে পীরগঞ্জ যাওয়ার সময় গোগড় নামক স্থানে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে তাৎক্ষণিকভাবে দুইজন মারা যায়। সাথে থাকা আরো দুইজনকে চিকিৎসার জন্য পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে, রাণীশংকৈল থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, নিহতের লাশ পীরগঞ্জ থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মোটরসাইকেল ২টি উদ্ধার করে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

রূপসায় বজ্রপাতে নিহত ট্রলার মাঝি মতি শিকদারের লাশ উদ্ধার

//আজিজুল ইসলাম, খুলনা//

রূপসায় বজ্রপাতে নিহত ট্রলার মাঝি মতি শিকদারের (৪৫) লাশ বটিয়াঘাটা থানার আলুতলা দশগেট নামক স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ১৬ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে নদীতে মাছ ধরার সময় শংকর জেলের জালে আটকা পড়ে মতি গাজীর লাশ। খবর পেয়ে রূপসা ঘাট মাঝি সংঘের সভাপতি রেজা ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ ব্যাপারী এবং মতি শিকদারের নিকট আত্মীয়-স্বজন সেখান থেকে রাতেই মৃতের লাশ নিয়ে আসে। মতি মাঝির লাশ চর রূপসাস্থ রেলওয়ে মসজিদ ময়দানে পৌঁছালে তাকে শেষবারের মত একনজর দেখার জন্য গ্রামবাসীর ভিড় জন সমুদ্রে পরিণত হয়। এসময় নিকট আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের আহাজারীতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে। লাশের গোসল করানোর পর রাতেই মাদারীপুর গ্রামের বাড়ি নিয়ে পরদিন সকালে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য গতকাল ১৫ জুন বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রূপসা নদীতে বজ্রপাতে ট্রলার মাঝি মতি শিকদার (৪৫) নিখোঁজ হয়। এসময় মাঝি সংঘের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন শেখ (৫৫), বাগমারা গ্রামের নিজামের ছেলে নাজমুল হাসান রানা (২২) ও মতি মাঝির ছেলে রাকিবসহ (১৫) কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়। আহতদের খুলানা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ঘটনার দিন মতি শিকদার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে পূর্ব রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে পশ্চিম রূপসা ঘাটের দিকে যাচ্ছিলো। একই সময় পশ্চিম রূপসা ঘাট থেকে খোকন মাঝি ট্রলার নিয়ে পূর্ব ঘাটে আসছিলো। এ সময় ট্রলারের নিকটে বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। এতে কানের পর্দা ফেটে খোকন মাঝি, মতি শিকদারের ছেলে রাকিব ও যাত্রী নাজমুল হাসান রানাসহ ৭ যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এসময় ট্রলার মাঝি মতি শিকদার নদীতে পড়ে যায়। বাবাকে বাঁচাতে মতি মাঝির ছেলে রাকিবও নদিতে ঝাপ দেয়।

Daily World News

পলাশপুর ১০ বছরের শিশুকে মাদ্রাসার শিক্ষক মনিরের হাতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

খুলনায় রূপসা নদীতে বজ্রপাতে ট্রলারের মাঝি নিখোঁজ, আহত ৭

//আজিজুল ইসলাম, খুলনা//

রূপসা নদীতে বজ্রপাতে মতি শিকদার (৪৫) নামে এক ট্রলার মাঝি নিখোঁজ ও আরো এক মাঝীসহ ৭ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। ১৫ জুন বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে বজ্রপাতের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে মাঝি সংঘের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোকন শেখ (৫৫), বাগমারা গ্রামের নিজামের ছেলে নাজমুল হাসান রানা (২২) ও মতি মাঝির ছেলে রাকিবের (১৫) অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। নিখোঁজ মতিকে উদ্ধারে রূপসা নদীতে ফায়ার ব্রিগেডের ডুবুরি দল তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।

রূপসার ঘাট মাঝি সংঘের সভাপতি মোঃ রেজা ব্যাপারী ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ ব্যাপারী জানায়, ট্রলার মাঝি মতি শিকদার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে পূর্ব রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে পশ্চিম রূপসা ঘাটের দিকে যাচ্ছিলো। একই সময় পশ্চিম রূপসা ঘাট থেকে খোকন মাঝি ট্রলার নিয়ে পূর্ব ঘাটে আসছিলো। এ সময় ট্রলারের নিকটে বিকট শব্দে বজ্রপাত ঘটে। এতে কানের পর্দা ফেটে খোকন মাঝি, মতি শিকদারের ছেলে রাকিব ও যাত্রী নাজমুল হাসান রানাসহ ৭ যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এসময় ট্রলার মাঝি মতি শিকদারসহ বেশ কয়েকজন যাত্রী নদীতে পড়ে যায়। এদের মধ্যে মতি শিকদারের ছেলে রাকিবসহ অন্যান্য যাত্রীদের উদ্ধার করা হলেও মতি শিকদারের সন্ধান মেলেনি। বজ্রপাতে আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মতি শিকদার পূর্ব রূপসার রেল মসজিদ পাশর্^বর্তী মাঝি পাড়ার সলেমান শিকদারের ছেলে এবং খোকন মাঝি পূর্ব রূপসা আড্ডা গলির মোবারক শেখ এর ছেলে।

খবর পেয়ে রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম ও থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোর্শারফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

Daily World News

তালতলীতে নৌকা মার্কার প্রার্থীর হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত, বিএমএসএস এর নিন্দা

রাণীশংকৈলে শয়নকক্ষে ৭ম শ্রেণির ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ

মাহাবুব আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌর শহরের আশা এনজিও অফিসের ভাড়া বাড়ির শয়ন কক্ষ থেকে গতকাল রবিবার ১২ জুন রাতে মেহেদী হাসান(১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, রাণীশংকৈল থানার ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল।

মৃত মেহেদী হাসান কেন্দ্রিয় হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিল।এবং সে রাউতনগর গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে।সরেজমিনে  গিয়ে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওই ভাড়া বাড়িতে ছোট ভাই মেহেদী  হাসান ও বড় ভাই তারেক হাসানের মধ্যে সামান্য এক শ’ টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। পরে,মেহেদী তার শোবার ঘরে চলে যায়।মা মাজেদা বেগম, তারেক ও অন্যরা অন্য ঘরে টিভি দেখছিল। ঘন্টাখানেক পরে মেহেদীকে ভাত খাবার জন্য ডাকতে গেলে তার ঘরের দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। ওই ঘর থেকে কোনো

সাড়াশব্দ না পেয়ে রাত ১২টার দিকে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে থানার ওসি সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে এসে ওই ঘরের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সাথে মেহেদীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।ওসি জানান, এনিয়ে থানায় ইউডি মামলা হয়েছে। লাশ দাফনের জন্য এডিএম’র কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

বরিশালের নলছিটিতে বস্তায় ভরা যুবকের লাশ উদ্ধার

পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল //

বরিশাল জেলা ঝালকাঠি শহরে নরসুন্দর পেশায় কর্মকরত পঙ্কজ শীল (৩২)নামে এক যুবকের হাত-পা বাঁধা অবস্থায় বস্তায় ভরা  ভাসমান লাশ উদ্ধার করেন সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

রবিবার(১২ জুন) সন্ধ্যায় নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি ইউনিয়নের বাড়ইকরন খালে বস্তায় ভরা লাশ ভাসতে দেখে। সংশ্লিষ্ট থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। লাশটি উদ্ধারের পরেও মৃত ব্যক্তীর কান দিয়ে রক্তক্ষরন হচ্ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়।

রাত ৮টার দিকে নলছিটি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

পঙ্কজ শীল ঝালকাঠি শহরের রোনলস রোডে স্বপ্নঘুড়ি নামে একটি এসি সেলুনে শেয়ারে ব্যবসা করতো বলে জানান পুলিশ।

স্বপ্নঘুড়ি সেলুনের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা জানিয়েছে,সাধারনত সেলুনের কার্যক্রম পঙ্কজ শীল পরিচালনা করলেও রবিবার সে দোকানে আসেনি। সকাল পেরিয়ে গেলেও পঙ্কজের খোজে একাধিক বার তার মোবাইল ফোনে কল দিলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন পাওয়া যায়।

পরে তার খোজে বাড়ীতে ফোন করলে পরিবারের সদস্যরা জানায় খুব সকালে অজ্ঞাত একটা ফোন কল পেয়ে পঙ্কজ বাড়ী থেকে বের হয়ে যায়। সন্ধ্যায় স্থানীয়দের কাছে সংবাদ পেয়ে বাড়ীর লোকজন ও সেলুনের মালিকসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পুলিশ হেফাজতে তার লাশ শনাক্ত করেন।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান বলেন,প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা যায় পঙ্কজ শীলকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার কারন সম্পর্কে কোন ধারনা করতে পারেনি। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সোমবার (১৩ জুন) ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও জানান নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Daily World News

২৫ জুন এসএসসি পরীক্ষা হবেনা বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি