আদালতে বিচারকের সামনে ছুরি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

চট্টগ্রাম আদালতে এজলাসে ঢুকে প্রকাশ্যে গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে এক যুবক। তবে পুলিশসহ উপস্থিত লোকজন তাকে নিবৃত্ত করেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করেছে।

সোমবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের আদালতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

আটক মোহাম্মদ জাফর (৩০) নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকার টং ফকির মাজার এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি-প্রসিকিউশন) কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, জাফর মাদকাসক্ত এবং ছোটখাট ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত। এ ধরনের এক মামলায় গ্রেফতারের পর মাসখানেক আগে তাকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমান জামিন দেন। এরপর থেকে জাফর নিয়মিত আদালত এলাকায় ঘোরাফেরা করত। মাঝে মাঝে ওই আদালতেও ঢুকে বসে থাকত।

সোমবার আদালতের কার্যক্রম চলছিল। হঠাৎ এজলাসে ঢুকে জাফর চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। ম্যাজিস্ট্রেটকে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকে, তার কথা না শুনলে সে গলায় ছুরিকাঘাত করে আত্মহত্যা করবে। এ সময় সে পকেট থেকে ছুরি বের করে গলায় পোচ দেয়। তবে ছুরি ভোতা ধরনের হওয়ায় গুরুতর জখম হয়নি, আঁচড় লেগেছে শুধু। এরপর দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা আদালত কক্ষে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় তাকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। মাদক সেবনের কারণে তার মানসিক সমস্যা হয়েছে বলে কথাবার্তায় মনে হয়েছে। অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছে।

এ ঘটনায় ওই আদালতের পেশকার বাদি হয়ে নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছেন। মামলা দায়েরের পর জাফরকে কোতোয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে এডিসি কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন।

English Dainikbiswa

হাইমচরে ইনসাফ সমাজ কল্যাণ পরিষদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

চিলাহাটিতে ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ২৫ টির মত ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে

 //ডোমার, নীলফামারী প্রতিনিধি//

নীলফামারীর চিলাহাটিতে দুই ইউনিয়নের ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ২৫ টির মত ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। রবিবার দুপুরে ডোমার উপজেলা ভোগডাবুড়ি ও কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের চান্দখানা, বোতলগঞ্জ বিভিন্ন যায়গায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়ে উপড়ে পড়েছে প্রায় সহস্রাধিক গাছপালা ও ঘর বাড়ি। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। ইউনিয়নের বোদাপাড়ায়, কাজিরহাট, ঘুনুরাম, চিলাহাটিতে থানাবাজার, গোঁসাইগঞ্জবাজার, বিওপিবাজার, কয়েকটি গ্রামের শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

ভোগডাবুড়ি ও কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ে ২৫টির মত ঘর-বাড়ি ও গাছপালা বিধ্বস্ত হয়।

রাণীশংকৈলে শিয়াল !!! এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক

//মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি//

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বেড়েছে শিয়ালের আক্রমণ। উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের কুমোরগঞ্জ এলাকায় গত দুদিনে শিয়ালের কামড়ে অন্তত আহত হয়েছেন ৭ জন। তাই আতঙ্কিত হয়ে পাহারার ব্যবস্থা করেছেন গ্রামবাসী। অনেকেই আবার লাঠি হাতে চলাচল শুরু করেছেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত (৮ এপ্রিল শুক্রবার ) শিয়ালের আক্রমণের শিকার হয়েছেন কুমোরগঞ্জ এলাকায় দিনমজুর বনগাঁও গ্রামের আনসার, কুমোগঞ্জ গ্রামের মাজেদা, শরিফা, ও নবাব। একইভাবে(৯ এপ্রিল শনিবার) শিয়ালের আক্রমণের শিকার হন, একই গ্রামের রেহেনা, মমিনুল ও সাজেদা বেগম।

কুমোরগঞ্জ গ্রামের হাসিনা বেগম বলেন, ‘শনিবার সকালে ভুট্টাক্ষেতের পাশে আমার প্রতিবেশী রেহেনা ঘাস তুলছিলেন। হঠাৎ একটি শিয়াল এসে রেহেনার হাঁটুর নিচে কামড়ে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে ভ্যাক্সিনেশনের পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভ্যাকসিন না থাকায় বাজার থেকে ১ হাজার ৫৫০ টাকায় কিনে রেহেনাকে পুশ করা হয়। তিনি এখন চিকিৎসাধীন। এলাকার আরও কয়েক জন আহত হয়েছে বলে জানতে পাওয়া যায় ।’

এ বিষয়ে নেকমরদ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মাস্টার বলেন, গত দুদিনে আমার ইউনিয়নের কুমোরগঞ্জ এলাকায় কয়েকজনকে শিয়াল কামড়েছে। এদের মধ্যে নারী-পুরুষ-বৃদ্ধ আছে।এর আগে অবশ্য শিয়াল কখনো কামড়ায়নি। কিন্তু এখন শিয়ালগুলো পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে না। তাই তারা মানুষের বাড়ি এসে পড়ে, মানুষকে কামড়ায়’।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) নাসিরুল ইসলাম বলেন, শিয়াল সাধারণত দুই কারণে মানুষকে আক্রমণ করে। পর্যাপ্ত খাবার না পেলে বা আক্রমণের শিকার হলে এবং র‍্যাবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হলে।তিনি আরও বলেন, পাগলা শিয়াল কাউকে কামড়ালে, তাকে জায়গাটা পরিষ্কার করতে হবে এবং ডাক্তারের কাছে গিয়ে জলাতঙ্ক টিকা নিতে হবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর এম ও ডাঃ ফিরোজ আলম বলেন, আমাদের উপজেলায় কুকুর ও শিয়াল কামড়ানোর ভ্যাকসিন সাপ্লাই নেই এর আগে ছিল আপাতত নেই । তাই এসব রোগীদের আমরা ভ্যাকসিন দিতে পারি না। সরকারিভাবে ভ্যাকসিন নিতে হলে ওই রোগীদের ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে যেতে হবে।

খুলনা মেডিকেলে ডাক্তারের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

//খুলনা ব্যুরো//

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারের অবহেলায় এক নারী রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে রোগীর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে চিকিৎসকদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা রোগীর লাশ আটকে রেখে তার দুই ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পরিবারের।

কিন্তু চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়টি অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিহতের স্বামী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার রাতে বুকে ব্যথা ও পায়খানা-প্রস্রাব জটিলতা নিয়ে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হন। শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার অবস্থা খারাপের দিকে গেলে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছেলে চিকিৎসককে ডাকতে যায়। তবে চিকিৎসক আসেননি। সেই সময় ওই চিকিৎসক ঘুমাচ্ছিলেন। উল্টো তিনি রোগীকে নিয়ে যেতে বলেন। তখন ছেলে বলে রোগীকে কী করে আনব। চিকিৎসক তখন কাগজপত্র নিয়ে যেতে বলেন।

এর পর কাগজপত্র নিয়ে গেলে ইন্টার্ন চিকিৎসক তা দেখে বলেন, সব তো ঠিক আছে। এ সময় বারবার রোগীকে দেখতে যেতে বললেও তিনি যাননি। এর পর ওই রাতেই চোখের সামনে  ছটফট করতে করতে আমার স্ত্রী মারা যায়। মায়ের এমন মৃত্যুতে আমার ছেলে মো. মোস্তাকিম গিয়ে চিকিৎসকের কাছে জানতে চায় তারা কেন দেখতে এলেন না। এ নিয়ে আমার ছেলের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয় চিকিৎসকের।

আমি বিষয়টি জানতে পেরে চিকিৎসকের হাত-পা ধরে মাফ চেয়েছি। এ সময় একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক আমার গায়েও আঘাত করেন এবং অপর দুই ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম কাবির ও সাদ্দাম হোসেনকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তাদের সোনাডাঙ্গার পুলিশ থানায় আটকে রাখে। আর আমার স্ত্রীর মরদেহও হাসপাতালে আটকে রাখা হয়।

খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শামছুদ্দিন আহমাদ প্রিন্স এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এলে তাদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

আব্দুর রাজ্জাকের ভাইপো মামুন বলেন, আমার চাচির লাশ দুপুর ১২টা পর্যন্ত আটকে রাখে হাসপাতালে। ডাক্তাররা আমার চাচাতো ভাই মোস্তাকিমকে মেরে জখম করে ও জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক কামরুল হাসান বলেন, মনিশ কান্তি দাস ও প্রীতম কর্মকারের সঙ্গে রোগীর স্বজনের হাতাহাতি হয়েছে। আমি ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের পক্ষ থেকে এসে কথা বলেছি। আমরা অনেক আগেই মরদেহ ডিসচার্জ করে দিয়েছি।

এ বিষয়ে খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, মানুষ মারা গেলে একটি প্রক্রিয়া আছে। সে অনুযায়ী মরদেহ ছাড়তে হয়। মরদেহ আটকে রাখার কিছু নেই। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশ তাদের নিয়ে গেছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে কোনো জিডি বা মামলা করিনি।

English Dainikbiswa

মুজিব বর্ষে সারাদেশের ন্যায় হাইমচর থানা পুলিশের সহায়তায় গৃহহীন পরিবারে গৃহ বিতরণ

পুলিশ মানুষের ‘আস্থা ও বিশ্বাস’ অর্জন করেছে- প্রধানমন্ত্রী

তুলান গোডাউনে ভয়াবহ আগুণ লেগেছে ফতুল্লায়

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক এলাকায় তুলার গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাত ১০টায় ফতুল্লার ইসদাইর আবাসিক এলাকায় শরিফুল আলমের তুলার গোডাউনে এঘটনা ঘটে।

এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও মালিক পক্ষের দাবি আগুনে তার প্রায় ২০/২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আধাঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ শরিফুল আলম জানান, তার গোডাউনে তুলা দিয়ে বালিশ, লেপ-তোষক তৈরি করে তা বিক্রি করেন। তার এই গোডাউনের সামনে ছয়টি দোকান রয়েছে। কি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা তিনি বলতে পারেন না। তবে আগুনে তার ২০/২৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এ গোডাউনে অগ্নিনির্বাপক কোনো ব্যবস্থা নেই।

এলাকাবাসী জানান, গোডাউনের তিনপাশে বহুতল একাধীক আবাসিক বাসা বাড়ি রয়েছে। এর মাঝখানে একটি তুলার গোডাউন মানে কয়েক হাজার মানুষের জন্য ঝুকিপূর্ণ। এটি যাতে আর এখানে নির্মান করতে না পারে এজন্য জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান, খবর পেয়ে আমাদের মণ্ডলপাড়ার তিনটি ও হাজিগঞ্জের দুইটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন ডাম্পিং চলছে। আগুনের সুত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত করে জানানো হবে।

বরিশালে ট্রলার ডুবির ঘটনায় এক জনের লাশ উদ্ধার করেন কোস্ট গার্ড

//নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল//

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গজারিয়া নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবির ঘটনায় মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধারের পর আজ শনিবার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। (৯এপ্রিল) দুপুরবেলা এক জন শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। এঘটনায় আরো ২জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যরা।

নিহত শিশুর নাম রোহান(৪)কোস্ট গার্ডের সদস্যরা  জানায় শনিবার দুপুরের দিকে গজারিয়া নদীতে জেলেদের জালে শিশুর লাশটি আটকে পড়লে তারা উদ্ধার করে।নিহত রোহান মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দড়িরচর খাজুরিয়া গ্রামের মোনতাজ হাওলাদারের ছেলে। গত শুক্রবার (৮এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টায় মেহেন্দিগঞ্জের গজারিয়া নদীতে ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে।এঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত ও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোলা কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা এস এম তাহাসিন রহমান (লেঃ বি এন)।

তিনি আরও জানান,গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি খোলা বডির ট্রলার মেহেন্দিগঞ্জ মাঝেরচর থেকে খাজুরিয়া যাচ্ছিল। পথে গজারিয়া পৌছালে নদী উত্তাল থাকায় প্রচণ্ড ঢেউয়ের কারনে উল্টে যায় ট্রলারটি। তখন দুজনকে মৃত উদ্ধার করেন ও আজকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এঘটনায় এখনো দুজন নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যরা তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও দুইজন নিখোঁজ আছে তাদেরকে উদ্ধারে জন্য বাংলাদেশ  কোস্ট গার্ডের তিনটি টিমের অভিযান চলমান আছে।

কুমিল্লায় মাটির ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে-নিহত ৩

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

কুমিল্লায় মাটি বোঝাই ট্রাক্টর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মুরাদনগরের মোচাগড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার বল্লববাড়ীয়া এলাকার ২২ বছরের মো. বাবুল ও টুটুল এবং ২৩ বছরের মো. হাসান। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসিম।

তিনি বলেন, ভোরে ভাটায় যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি খালে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলে তিনজন মারা যায়।

 

 

চট্টগ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যা

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

চট্টগ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে এক কিশোরী আত্মহত্যা করেছে। কিশোরীর নাম সানজিনা আকতার (১৯)। সে পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়নের কুরাংগিরি গ্রামের মোহাম্মদ আলীর কন্যা।

জানা যায়, আত্মহত্যাকারীনি কিশোরীর সাথে বুধবার (৬ এপ্রিল) রাতে তার মা নুর জাহানের কথা কাটাকাটি হয়। রাতে যে যার মতে ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্ত রাত ৩ টার দিকে সানজিনা আকতারের গোংরানির শব্দ শুনে সবাই তার কক্ষে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে আসলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত জেলা পুলিশের উপ-সহকারী পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার জানান, বুধবার রাতে আত্মহত্যার চেষ্টাকারী এক কিশোরীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। স্বজনরা জানান, কিশোরী সানজিনা আকতার কীটনাশক পানে আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে পটিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

 

মাধবপুরে সাংবাদিক নাহিদকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় বিএমএসএস’র প্রতিবাদ

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

হবিগঞ্জের মাধবপুরে গণমাধ্যম কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস)।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, সাংবাদিক নাহিদ  মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দুপুরের দিকে মাধবপুর পৌরসভার আলকপুর গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সময় অটোরিকশায় উটলে একই গ্রামের প্রতি পক্ষের এক যুবক রিক্সায় উঠে লাফালাফি করতে থাকে। এ সময় সাংবাদিক নাহিদ লাফালাফি করতে নিষেধ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ যুবক অন্য একটি রিক্সায় করে দ্রুত আলাকপুর জামে মসজিদের পাশে চলে যায় । সাংবাদিক নাহিদ সেখানে পৌছাঁ মাত্র একই গ্রামের মিছির আলীর ছেলে আলকাছ ও তার ভাই পলাশ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকের উপর হামলা করে এবং রক্তাক্ত জখম করে ।

পরে স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করান।

আহত সাংবাদিক নাহিদ আলকপুর গ্রামের রঙ্গু মিয়ার ছেলে। সে জাতীয় দৈনিক জনতার ইসতেহার ও দৈনিক হবিগঞ্জের জননী পত্রিকার মাধবপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

সাংবাদিক নাহিদ জানান এ সময় তার পকেটে থাকা ১৭ হাজার ৫ শত টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় আলকাছ মিয়া। পলাশ হুমকি দিয়ে বলে এ ব্যাপারে মামলা করা হলে তাকে হত্যা করা হবে।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান সাংবাদিক নাহিদের উপরে হামলার ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। আইনানুগ ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে।

এদিকে মাধবপুরে সাংবাদিক নাহিদকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখমের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (বিএমএসএস) -এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান, কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোঃ সুমন সরদার এবং শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক জনাব মোঃ সুজন মাহমুদ সহ সংগঠনের সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

English Dainikbiswa

বরগুনার তালতলীতে ২টাকায় ইফতার বিতরণ

 

চিত্রনায়ক সোহেল হত্যার আসামির বাড়িতে এগুলো কি..?

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

দীর্ঘ ২৪ বছর আগে চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার পলাতক ও চার্জশিটভুক্ত ১ নম্বর আসামী আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার রাত ১০টা ৫০ মিনিটে আশিষ রায়কে তার বাসা গুলশানের ২৫/বি ফিরোজা গার্ডেন থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের একটি চৌকশ দল। বিষয়টি বাংলাদেশ জার্নালকে নিশ্চিত করেন র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

আশিষ রায়কে গ্রেপ্তারের সময় তার বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণে দেশি-বিদেশি মদের বোতল পাওয়া গেছে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আশিষ রায়ের বাসায় বিপুল পরিমাণ দেশী-বিদেশি মদের প্রচুর বোতল পাওয়া গেছে। নামি দামি এসব মদ বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করে আশিষ বাসায় মিনি বার গড়ে তুলেছেন। তার এই মিনি বার থেকে প্রায় ১৯-২০টি দেশী-বিদেশি নানা ব্র্যান্ডের মদের বোতল জব্দ করা হয়েছে। নিজের মিনি বারে বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে নিয়মিত মদের আসর বসাতেন তিনি।

চিত্রনায়ক সোহেল হত্যার আসামির বাড়িতে এগুলো কি..?

এছাড়া তার মিনি বারে শিশা সেবনের নানা উপকরণও পাওয়া গেছে বলে র‍্যাবের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেল চৌধুরীকে। ঘটনার পর সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে বাদানুবাদই এ হত্যার নেপথ্য কারণ বলে মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।