খুলনার ডুমুরিয়ায় দলিতের উদ্যোগে উপজেলা সমাজসেবা কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীতে দলিত জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নিশ্চিতকরণে এক গণশুনানি অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গণশুনানি অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুব্রত বিশ্বাস। দলিত সংস্থার ম্যানেজার মোঃ আল-আমিন’র সঞ্চালনায় গণশুনানির অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্য দেন খুলনা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক খান মোতাহার হেসেন সহকারী – পরিচালক আইনাল হক ও শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দলিত সংস্থার নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার দাস।
হাইমচর উপজেলার ৪ নং নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা এম.জে.এস উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নের মেঘনা নদীবেষ্টিত সড়কপথ না থাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এম.জে.এস উচ্চবিদ্যালয়টি। এ বিদ্যালয়টিতে ৮০৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন। যা প্রত্যন্ত চরঅঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এলাকা থেকে পড়াশোনা করে থাকেন ছাত্র-ছাত্রীরা। এতে করে নৌপথে ট্রলার যোগে সময় বেশি লাগার কারণে এম.জে.এস উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা দিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদর পরীক্ষাকেন্দ্রে আসতে হয়। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আতংক, হতাশা আর উৎকন্ঠায় ভোগতে হয়। দুর্যোগ আবহাওয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় মাধ্যমিক পর্যায়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে আছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। এমতাবস্থায় অনেক শিক্ষার্থীকে ট্রলার ভাড়া বহন করতে কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।
এম.জে.এস উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাহিদা আক্তার বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা দুই-তিন ঘণ্টা সময় হাতে রেখে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাই। আমাদের দূর্গম চর অঞ্চল হওয়ায় যাতায়াত করার মতো যানবাহন থাকে না, নদীপথে ট্রলার যোগে যাতায়াত আমাদের একমাত্র উপায়। অনেক সময় আমরা পরীক্ষা দিতে গিয়ে আতংকিত হয়ে যাই। বাড়ি থেকে দুই-তিন ঘন্টা আগে বের হতে হয়। আমাদের এম.জে.এস উচ্চবিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র হলে আমাদের এত কষ্ট করতে হতো না। আমরা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্ট কামনা করছি। যেনো পরীক্ষার কেন্দ্রটি আমাদের বিদ্যালয়ে হয়।
এম.জে.এস উচ্চবিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী আশরাফুল আলম বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা রকম প্রতিকূল পরিবেশে উত্তাল মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পরীক্ষা দিতে আসতে হয়। কখনো কুয়াশার সকালে নদীর মাঝে জেগে উঠা চরে আটকে যায় নৌযান। অনেক সময়ে নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারিনা আমরা। এতে আমাদের পরীক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আমাদের সকলের দাবী পরীক্ষা কেন্দ্রটি যাতে নিজ স্কুলে হয়।
ঈশানবালা এম জে এস বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বি এম মান্নাফ বলেন, আমার বিদ্যালয়ে গত বছর এসএসসি পরিক্ষায় ৬৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করছে। চরাঞ্চলে দিন দিন মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। এ অবস্থায় স্থানীয় পর্যায়ে পরীক্ষাকেন্দ্র করার জন্য তিন বছর পূর্বে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে আবেদন করা হয়েছিলো। মেঘনার ঢেউ অতিক্রম করে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা ট্রলার যুগে নদী পার হয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার মত মন-মানসিকতা থাকেনা শিক্ষার্থীদের। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি এমপি মহোদয়ের কাছে অনুরোধ করছি যেনো দ্রুত ঈশানবালায় একটি পরিক্ষা কেন্দ্র করা হয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে মীর হোসেন বলেন, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চরাঞ্চলে অবস্থিত,সেখানে কোনো পরীক্ষা কেন্দ্র না থাকায় এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের নদী পার হয়ে হাইমচর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এসে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি সম্পর্কে জেনেছি এবং উর্ধতন কতৃপক্ষকে অবগত করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
এই বিষয়ে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাই থোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, চরাঞ্চলের এত শিক্ষার্থীর এ রকম ঝুঁকি নিয়ে হাইমচরে এসে পরীক্ষা দেওয়ার বিষয়টি সত্যিই উদ্বেগজনক। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে চরাঞ্চলে একটি কেন্দ্র দেওয়া যায় কি না, সে চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি এ ব্যাপারে দ্রুত সমাধান আসবে বলে আশাবাদী।
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার ০৫ নং ভান্ডারকোট ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ডের মৃত আকবর আলী হাওলাদারের পুত্র সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আলমগীর আলী হাওলাদার(৬০) নামে আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি দখল করে হতদরিদ্র পরিবারের মানুষের হয়রানিসহ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ১৯.০২.২২ ইং তারিখ রোজ রবিবার বিকাল আনুমানিক ৪টায় উপস্থিত স্থানীয় ভুক্তভোগীরা এসব কথা বলেন। আশ্রয়ণ প্রকল্প পাঞ্জেখানা জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ হালিম শেখ বলেন, ১৯৯৭ সালের ১৯ মে কক্সবাজার জেলাসহ পাশ্ববর্তী এলাকা ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হওয়ায় বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়ে। পরিদর্শনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মানুষের দুঃখ কষ্ট সহ্য না করতে পেরে তাৎক্ষণিক পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন।
তারাই পরিপ্রেক্ষিতে পুনর্বাসিত ভূমিহীন,গৃহহীন, দুর্দশাগ্রস্থ ও ছিন্নমূল পরিবারের স্বামী-স্ত্রী যৌথ নামে ভূমির মালিকানা স্বত্বের দলিল/ কবুলিয়ত সম্পাদন, রেজিষ্ট্রি ও নামজারী করে দেয়া হয়।পুনর্বাসিত পরিবার সমূহের জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রে কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, কবর স্থান, পুকুর ও গবাদি পশু প্রতিপালনের জন্য সাধারণ জমির ব্যবস্থা করা হয়। সেই মোতাবেক এই প্রকল্পটির সংরক্ষণ ও বন্টনের দায়িত্ব আমাদের ছিল। আমরা সাময়িক ভাবে সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলমগীর আলী হাওলাদার কে স্বর্তসাপেক্ষে ভোগদখলের দায়িত্ব পালন করতে বলি।
কিন্তু তিনি মামলা-হামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের নেয্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। আশ্রয়ন প্রকল্পের দেয়া জমিতে ঘের থাকায় সকলের একান্ত বিশ্বস্ততায় দেখাশোনার দায়িত্ব দেয়া হয়। সেখানে তিনি মাছ চাষ করে প্রতিবছর প্রচুর টাকা উপার্জন করেছেন। আমাদের একমাত্র ইবাদতের ঘর ভান্ডারকোট আশ্রয়ণ প্রকল্প পাঞ্জেখানা জামে মসজিদের কোন উন্নয়ন মূলক কাজ করেনি। যেখানে কথা ছিল এই আশ্রয়ন প্রকল্পের দেয়া জমির হারি বাবদ যে অর্থ আসবে সেই অর্থ দিয়ে তিনি মসজিদেই উন্নয়ন করবেন।
আমরা যখনই জমির হারি বাবদ টাকা চাইতে গেছি তখনই গালাগালাজ ও তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।মাঝে মাঝে আমাদের দু’একজনের ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সরকারি খাদ্য সহায়তা ছাড়া কিছুই দেননি। তাদের মতে, তিনি মৌখিকভাবে এই আশ্রয়ন প্রকল্পের জায়গা দেখাশোনার দায়িত্ব পেয়েছিলেন ০১.০৭.২০ তারিখ পর্যন্ত।নির্দিষ্ট সময়ে মেম্বার সাহেব কে জানানো হলেও কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।
বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের ঘুরাতে থাকে। অত্র মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম মৌলঙ্গি বলেন,আমরা দীর্ঘদিন সময় দেয়া সত্ত্বেও তিনি আমাদের হুমকি দিয়ে বলতে থাকে “আমার ইচ্ছা মতো যতদিন চাইবো ততদিন ভোগদখল করবো”কোন অবস্থাতেই আমাকে সরাতে পারবে না। তিনি কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক দখল করে আমাদের জিম্মি করে রেখেছিল।নির্বাচনের পর জেলা ও উপজেলা নির্বাহী প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অত্র আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে আসলে তাদের কাছে আমাদের বক্তব্য তুলে ধরি।
উক্ত জমির সমস্যা সমাধানের জন্য আমাদের বলেছিলেন এখন থেকে প্রকল্পটি মুক্ত আপনাদের সম্পদ আপনারা দেখবেন এখানে অন্য কারো দেখার বা ভোগ করার সুযোগ নেই। আমরা তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকলে সম্মিলিত হয়ে আমাদের মসজিদসহ জায়গা দখলমুক্ত হয়ে ফেরৎ পেলাম।
এখানে কোন মাছ না থাকায় আমাদের ঘেরে চারা মাছ ছেড়ে দিয়ে বিজয়ের হাসিতে হাসিতে পারলাম। মোঃ আলমগীর আলী হাওলাদার সাবেক মেম্বারদের সাথে উক্ত আশ্রয়ন প্রকল্পের অভিযোগ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করলে তার মোবাইল নাম্বার টি বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
কীভাবে স্মার্ট হওয়া যায়? বা স্মার্ট কাকে বলে? এমন প্রশ্ন থাকতেই পারে।
সাধারণত আমরা SMART এর Meaning দেখে নেই-
Specific, Measurable, Achievable, Relevant, and Time-Bound
স্মার্ট হবার বহু পথ। তন্মধ্যে কিছু নিম্নে দিলাম।
১. কথা বলার সময় অতিরিক্ত ভঙ্গিমা না দেখানো।
২. যখন সবাই চুপ করে কারও কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছে তখন আপনি বেখেয়াল হয়ে বা ইচ্ছে করে সবার মনোযোগ আকর্ষণের জন্য বা মনোযোগ নষ্ট করার জন্য এমন কিছু করতে পারেন না যা আপনাকে সবার কাছে বিরক্তিকর হিসেবে রিপ্রেজেন্ট করে।
৩. হুট করে ইংরেজি শব্দ দিয়ে কাউকে ছোট করতে চেষ্টা না করা।
৪. লেখার ক্ষেত্রে বানানের সঠিকতা মেনে চলা।
৫. চলার ক্ষেত্রে পুরো রাস্তা জুড়ে না হাঁটা বা অন্য কারও দিকে এমন ভাবে না তাকানো যা ওই পথচারীকে দ্বিধায় ফেলে দেয়।
৬. কারও অতি গোপনীয় বিষয় সবার সামনে জানতে চেষ্টা না করা।
৭. নিজেকে সবার চেয়ে ছোট মনে করা এবং সুযোগ পেলে নিজের অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে সত্যকে রিপ্রেজেন্ট করা।
এছাড়াও, সত্যবাদী হওয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা, হাসি মুখে কথা বলা, সিরিয়াস কোনো ব্যপারে ফানি মোডে না থাকা ইত্যাদি বহু দিক আছে যা আপনাকে স্মার্ট করে তুলতে পারে। ধন্যবাদ।
বাঘের সঙ্গে ২০ মিনিট লড়াই করে বেঁচে ফিরলেন হায়াত আলী। পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনের দাইগাং খালের পাড়ে বাঘকে পরাস্ত করে সহযোগীকে উদ্ধার করেছেন রমজাননগর ইউনিয়নের দুই মাছধরা জেলে।
টানা ২০ মিনিট ধরে নৌকার বৈঠা দিয়ে বাঘটিকে আঘাত করে কাবু করার পর তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। উদ্ধার হওয়া জেলে হায়াত আলী এখন শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যার কিছু আগে এ ঘটনা ঘটে সুন্দরবনের শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনের কাছে বনের দাইগাং খালের পাড়ে।
বন বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, জেলেরা বনের পাশ নিয়ে নদীতে মাছ ধরছিলেন। এ সময় এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধারকারী সহযোগী দুই জেলে বাবলু সানা ও নূর ইসলাম গাজী জানান, ভাত রান্না করার লক্ষ্যে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করতে নদী থেকে বনে নামেন সহযোগী জেলে হায়াত আলী। এ সময় মানুষখেকো বাঘ তার ওপর হামলা করে।
বাবলু সানা জানান, আমরা এ অবস্থা দেখে দ্রুত বৈঠা ও দা কুড়াল নিয়ে বাঘটির ওপর পাল্টা হামলা চালাই। অন্তত ২০ মিনিট ধরে টানাহেঁচড়া করার পর রয়েল বেঙ্গল টাইগারটি হায়াত আলীকে ছেড়ে দিয়ে গভীর জঙ্গলে পালিয়ে যায়।
তিনি জানান, তাকে নিয়ে এসে শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন তিনি মোটামুটি সুস্থ আছেন।
কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হারুন-অর-রশিদ ব্যাপারী এ ঘটনা স্বীকার করে জানান, তারা পাশ নিয়েই বনে গিয়েছিলেন। বাঘের হামলায় আহত হায়াত আলীকে নিয়ে জেলেরা হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছেন।
‘আমার সন্তানদের একজোড়া জুতা কিনতে ১০/১২ দিন বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরেছি। মনের মতো, সুন্দর আর বিখ্যাত ব্র্যান্ডের জুতা কিনে দিতাম। তাদের জীবনের যত শখ-সবই পূরণ করেছি।
উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছি। রাজধানীতে তাদের ফ্ল্যাট আছে, প্লট আছে। জীবনের যত সঞ্চয় আছে, আনন্দ আছে-সবই সন্তানদের বিলিয়ে দিয়েছি। এখন একেবারেই নিঃস্ব, বড়ই একা। বৃদ্ধাশ্রমে থাকি। বৃদ্ধাশ্রম কবরের মতোই। প্রার্থনা করি একটাই-আসল কবরের। আর্তনাত করি-দ্রুত মৃত্যু হলেই বেঁচে যাই।’
কথাগুলো বলছিলেন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রবীণ হিতৈষী সংঘ বৃদ্ধাশ্রমের ৮৭ বছর বয়সি এক অসহায় বাবা।
বৃহস্পতিবার যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার অভিমত-যে বাবা নিজের রক্ত পানি করে চার সন্তানকে মানুষ করেছেন, সে সন্তানরাই বাবাকে ভুলে গেছেন। নাম প্রকাশ করতে চাননি। এমনকি সন্তানদের নাম, অবস্থানও জানাতে চান না তিনি।
‘সন্তানরা যদি নরকেও রাখে, ফেলে দেয়, তবু তাদের (সন্তান) অমঙ্গল চাইব না। না খেয়ে মরে গেলেও অপবাদ দেব না। বদদোয়া করব না। বেশ কয়েকবার চেষ্টাও করেছি আত্মহত্যা করতে, পারিনি। কারণ, স্বাভাবিক মৃত্যু হলে সমাজ জানবে না আমার প্রতি সন্তানরা কী জঘন্য অপরাধ করেছে।
তাছাড়া আমার পরিচয়ও গণমাধ্যমে আসবে না। কিন্তু আত্মহত্যা করলে, আমার পরিচয় জানাজানি হবে। জেনে যাবে আমার সন্তানদের পরিচয়ও। তখন সন্তানরা সমাজে ঘৃণার পাত্র হবে-এটি আমি মরে গেলেও বাবা হিসাবে কোনোদিন মেনে নিতে পারব না।
বৃদ্ধাশ্রমটিতে তার মতো আরও ১৪ জন বাবা এবং ১৬ জন মা রয়েছেন। তাদের প্রায় সবাই বিত্তশালী। কেউ ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সচিব কেউ বা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। আবার আছেন বিত্তশালী ব্যক্তির স্ত্রীও।
বৃদ্ধাশ্রমটির চতুর্থতলায় বারান্দায় বসে কী যেন ভাবছিলেন ৮০ ছুঁইছুঁই বয়সি এক মা। পাশে যেতেই বললেন, কীসের জন্য এসেছো, কোনো কথাই বলব না। এ সময় তার সামনে ১০/১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন যুগান্তরের এই প্রতিবেদক।
একপর্যায়ে বললেন, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছেন। অধ্যাপক জাফর ইকবাল তার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ছিলেন। স্বামীও একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। পুলিশের ডিএসপি ছিলেন তিনি। ১৯৯২ সালে স্বামী মারা যান। দুই সন্তান থেকেও নেই।
বাবার বিশাল সম্পদ, বরিশাল তালুকদার বাড়ির মেয়ে তিনি। রাজধানীর মিরপুর এলাকায় ৮ তলা বাড়ি আছে। দুই ভাই, তিন বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ওই বাড়িতে ঠাঁই হয়নি তার। আক্ষেপ করে বলেছেন, ওই বাড়ির এক কোনায় কিংবা সন্তানদের বাসার এক পাশে যদি একটু জায়গা হতো, তাহলে সন্তান, ভাই, ভাইদের ছেলেমেয়ে, স্বজনদের দেখতে পেতেন। নিজেকে শূন্য মনে হতো না।
বেঁচে থাকারও ইচ্ছা থাকত। যেমনটা এখন পান না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দেশের সবচেয়ে বড় বৃদ্ধাশ্রম হচ্ছে-গাজীপুর বয়স্ক পুনর্বাসন-বৃদ্ধাশ্রম কেন্দ্র। যেখানে বর্তমানে ১৭০ জন বৃদ্ধ-বৃদ্ধা রয়েছেন। এখানে বিত্তশালী নারী-পুরুষ বিনামূল্যে থাকছেন। নিজেকে সমাজ থেকে আড়াল করে নিয়েছেন। সন্তান-পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন এসব মানুষ বড়ই একা।
রাজধানীতে প্রবীণ হিতৈষী সংঘ বৃদ্ধাশ্রম ছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ে সারা দেশে অন্তত ১২টি বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে। রাজধানীতে কিছু বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র/বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে-যেখানে টাকার বিনিময়ে বয়স্কদের রাখা হয়। এসব কেন্দ্রে একসময় যারা বিত্তবান ছিলেন, এখন নিঃস্ব-তাদের একটি বড় অংশই মাসিক টাকা দিয়ে থাকছেন। বিভিন্ন বিভাগেও পেইড বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. কামরুজ্জামান জানান, সরকারি পর্যায়ে কোনো বৃদ্ধাশ্রম নেই। আমাদের ৮৫টি শিশু পরিবার রয়েছে।
প্রতিটি শিশু পরিবারে ১০ জন করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থাকতে পারেন। তবে আমরা ৮টি বিভাগের ৮টি জেলায় ‘শান্তি নিবাস’ নামে বিশেষ ভবন নির্মাণ করতে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটি শান্তি নিবাসে ২৫ জন করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে বিনামূল্যে রাখা হবে। তিনি বলেন, এখনো বিভিন্ন স্থানে পেইড সিস্টেমে বয়স্ক কেন্দ্র বা বৃদ্ধাশ্রম করা হচ্ছে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সমাজসেবা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, সমাজে বিত্তশালীদের মধ্যে হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সন্তান মা-বাবাকে আলাদা করে দিচ্ছে কিংবা পরিবার থেকে বের করে দিচ্ছে। আবার কেউ কেউ পরিবারে থেকেও নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। ঘর-বা বাসার কোনো কোনায় মা-বাবাকে রেখে দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ এখন ঘরে-বাইরেও বৃদ্ধাশ্রম চোখে পড়ছে। অনেকের একাধিক বাড়ি-ফ্ল্যাট রয়েছে। ছেলে-মেয়ে উচ্চশিক্ষায় অথবা ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদেশে রয়েছেন। বছরের পর বছর মা-বাবাকে দেখতে আসছেন না। এদের একটি বড় অংশই বিত্তের মধ্যে থেকেও একা জীবনযাপন করছেন। যাদের অনেকেই মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। কেউ আবার আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।
কেউ আবার চাকরি কিংবা অন্য কোনো কারণে বিদেশে থাকছেন আর দেশে থাকা মা-বাবাকে বয়স্ক বা বৃদ্ধাশ্রমে রেখে যাচ্ছেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা আবাসিকদের কারও বয়স ৭০, কারও ৯০ পেরিয়েছে। কেউ আবার ৯০ পেরিয়ে জবুথবু অবস্থায় প্রায় শয্যাশায়ী।
মনোবিজ্ঞানী ড. আনোয়ারা সৈয়দ হক যুগান্তরকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে চার দেওয়ালের মধ্যে কাটানোর প্রভাব পড়তে পারে বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিকদের মানসিক স্বাস্থ্যে। মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে প্রত্যেকের মেলামেশাটা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে চলতে থাকলে প্রবীণদের স্মৃতিশক্তিতে প্রভাব পড়তে পারে।
এটি শুধু ব্রদ্ধাশ্রমে নয়। নিজ গৃহে, গৃহের অন্দরমহলেও হতে পারে। কারণ সমাজের মানুষ এখন নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। সামগ্রিকভাবে বাঁচতে চায় না। বাড়ি, গাড়ি, সম্পত্তি, টাকাপয়সা সব রেখেই চলে যেতে হয়। কিন্তু এসব নিয়ে মানুষ নিজেদের মধ্যেই রক্ত ঝরায়।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিপর্যায়ে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া কি ঠিক। কয়টা মানুষ ওইসব অস্ত্র দিয়ে নিজেকে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচায়? বরং নিজের পিস্তল দিয়ে নিজে, নিজের পরিবার কিংবা অন্য কাউকে হত্যা করা হচ্ছে। ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। নিজেকে শক্তিশালী মনে করছে।
অস্ত্র থাকা মানে নিঃস্ব বিকারগ্রস্ত মানুষের কাছে একটি আত্মহত্যার বড় অস্ত্র থাকা। তিনি বলেন, সম্পদ নিয়ে সাধারণ মানুষ নন, বিত্তশালীরাই সম্পদ নিয়ে মা-বাবা, ছেলে-সন্তান আলাদা হয়ে যাচ্ছে। আমাদের সমাজে সন্তানদের পড়াশোনা করতে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। এটা মা-বাবারাই করছেন। নিজের অর্জিত টাকাপয়সা, সম্পদ বিক্রি করে সন্তানদের বিদেশে পাঠানো হচ্ছে যুবক-যুবতি বয়সে।
৬/৭ বছর পড়াশোনা করে তারা দেশে আসতে চাচ্ছে না-এটাই তো নিয়ম। মা-বাবা জেনেশুনেই এমনটা করছেন। সমাজে নিজেকে বড় করে তুলতে চান বিদেশে সন্তানদের পাঠিয়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলাম খান বলেন, একা থাকলেই যে নিঃস্ব-হতাশ হতে হবে, তা কিন্তু নয়। মানুষকে সমাজে সম্পৃক্ত থেকেও বাঁচতে হয়। সমাজের মানুষের সঙ্গে চলতে হয়। নিজেকে বিলিয়ে দিতে হয়। এক্ষেত্রে সমাজের ভূমিকাও রয়েছে।
বয়স্ক মানুষের সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে সময় দিতে হবে। ভালো কাজে সবাই মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সমাজে অ্যাসোসিয়েশন গড়ে তুলতে হবে। হতাশা থেকে আত্মহত্যা কিংবা নিজেকে গুছিয়ে নেওয়া একেবারেই ঠিক নয়। তবে মা-বাবার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব হবে সবচেয়ে বেশি উচ্চতায়। সূত্র: যুগান্তর।
দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীকে সিআইপি কার্ড দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিআইপি কার্ড তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বানিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী এবং খুলনা-৪ আসনের উন্নয়নের চাবিকাঠি আব্দুস সালাম মূশের্দী
মহাদ্বয়কে জানায় রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন একটি গোষ্ঠি উন্নয়নের ছোয়ায় ঈর্শান্বিত হয়ে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে জায়গা করে নিয়েছে। অতিস্বত্তর শেখ হাসিনার বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দেশে পরিনত হবে।
এক সময় বাংলাদেশকে নিয়ে যারা ব্যাঙ্গ করতো তারাই এখন বাংলাদেশের মডেলে উন্নয়ন করতে সদা সচেষ্ট। কিন্তু বিরোধী গোষ্ঠি উন্নয়নের ছোয়ায় ঈর্শান্বিত হয়ে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে নানা বিধ অপশক্তির মাধ্যমে দেশের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা করছে। তারা দেশের সুনাম চাইনা বিধায় দেশের জনসাধারণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদেরকে বারবার ধিক্কার দিচ্ছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিরোধী শক্তিকে শক্তহাতে মোকাবেলার আহবান জানান।
এমপি সালাম মূর্শেদী গতকাল ৩০ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টায় রূপসা উপজেলার বিজয় মঞ্চে বীরমুক্তিযোদ্ধা, সংবাদকর্মী, পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, দলিত কল্যান পরিষদ এবং অসহায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
এমপির নিজস্ব অর্থায়নে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন এমপি পত্মী,এনভয় গ্রুপের পরিচালক মিসেস সারমিন সালাম,উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম,রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন,জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য অধ্যক্ষ ফ,ম আঃ সালাম,জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,মিঃ বাংলাদেশ আজাদ আবুল কালাম, তেরখাদা ভাইস চেয়ারম্যান সারাফাত হোসেন মুক্তি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মোতালেব হোসেনের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার কাজী ইয়াহিয়া,মুক্তিযোদ্ধা আঃ মজিদ ফকির,উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোল্যা আরিফুর রহমান, মোর্শেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম,ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ,কামাল হোসেন বুলবুল, কৃষ্ণ মেমন রায়, আওয়ামীলীগ নেতা সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা এবিএম কামরুজ্জামান,আওয়ামীলীগ নেতা আকতার ফারুক, মোস্তাফিুজর রহমান মোস্তাক, এমপির সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি,আওয়ামীলীগ নেতা শ,ম জাহাঙ্গীর,আঃ গফুর খান,মিয়া আরিফ হোসেন, প্রভাষক ওয়াহিদুজ্জামান, সামসুল আলম বাবু , আবদুল্লাহ আল মামুন, আঃ মান্নান,রিনা পারভিন, আকলিম খাতুন তুলি,শারমিন সুলতানা রুনা, আনজুয়ারা প্রমূখ।
এর পূর্বে এমপি সালাম মূর্শেদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন।
এমপি পত্মী সারমিন সালাম বলেছেন, শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। একারনে প্রতিটি শিক্ষককে হতে হবে আদর্শ,নীতিবান ও সৎ চরিত্রের অধিকারি। শিক্ষার্থীদেরকে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাসে পরিনত করতে হবে । কেননা শিক্ষককের কাছ থেকে জ্ঞান নিয়েই শিক্ষার্থীরা সমাজকে আলোকিত করে।
তিনি আজ ৩০ ডিসেম্বর বিকালে রূপসা উপজেলার পালেরবাজার কমরেড রতন সেন কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
সালাম মূর্শেদী সেবা সেবা সংঘ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, অতিথি ছিলেন শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার,জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ফ,ম আঃ সালাম,সাবেক অধ্যক্ষ সরদার ফেরদৌস আহম্মেদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,
তেরখাদা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা খান,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,এমপির প্রধান সমন্বয়ক নোমান ওসমানী রিচি।
স্কুলে পরিচালনা পরিষদের সদস্য আঃ মজিদ হালদারের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন অধ্যক্ষ লক্ষন সাহা। স্কুলের শিক্ষার্থী লামিয়া তাবাসসুমের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন আওয়ামীলীগ নেতা হিরন আহম্মেদ হিরু, সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু,ইউপি সদস্য রাবেয়া খাতুন,আঃ সালাম,জাহাঙ্গীর আলম,ফরহাদ হোসেন, যুবলীগ নেতা শারাফাত হোসেন উজ্জল, শামীম হাসান লিটন, ছাত্রনেতা সাফিরল ইসলাম হিমেল,রিয়াজ,তরিকুল প্রমূখ।
এরপর এমপি পত্নীগয়েশ্বর গাতী হাজী আককাস সরদার হাফিজিয়া মাদ্রাসায় শতাধিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
চাঁদপুরের হাইমচরে ৮৬ ব্যাচ বন্ধু সভায় প্রধান অতিথি ঢাকা ১৬ আসনের এমপি ইলিয়াস মোল্লা বলেন বন্ধু
সভার মাধ্যমে সকল বন্ধুদের সাথে সেতু বন্ধন তৈরি করে সকলে একে অপরের সুখে দুখে পাশে থাকবো, ৮৬ ব্যাচ এর সমগ্র বাংলাদেশের বন্ধুদের কে এক কাতারে আনবো, কোন বন্ধু বিপদে পড়লে তার পাশে দাড়াবো। আগামী ২১ জানুয়ারী কক্সবাজার সমগ্র বাংলাদেশের ৮৬ ব্যাচ বন্ধুরা একত্রিত হবো, সকলে সেখানে মিলিত হবো।
রবিবার বেলা ২ টায় হাইমচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ৮৬ ব্যাচ চাঁদপুর জেলা উপদেষ্টা নুর হোসেন পাটওয়ারী এর আমন্ত্রণে বন্ধু সভায় হাইমচর উপজেলা পরিষদ ডাক বাংলো মাঠে ৮৬ ব্যাচ এর মিলন মেলায় দুপুরের ভোজন শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ৮৬ ব্যাচ ঢাকা ৮৬ বন্ধু নাহিদ, আনোয়ার, মান্নান খান, চাঁদপুর চাঁদপুর জেলা কমিটির উপদেষ্টা মাহফুজুর রহমান টুটুল, চাঁদপুর জেলা সভাপতি আক্কাস আলী রেলওয়ে একাডেমি প্রধান শিক্ষক মোঃ গোফরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মিলন, জেলা কমিটির নেতা গিয়াস কবির সহ ৮৬ বন্ধুগন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রধানীয়া,সহ সভাপতি এম এ বাশার, হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজ চোকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম জাহিদ, হাইমচর প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ খুরশিদ আলম, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সহ ৮৬ ব্যাচ হাইমচর ও চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা সদস্য বৃন্দ।