ডুমুরিয়ায় যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক চাষাবাদের মাধ্যমে সমলয়ে বোরো ধান চাষাবাদের শুভ উদ্বোধন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

ডুমুরিয়া কৃষি দপ্তরের বাস্তবায়নে উপজেলার কালিকাপুর -দত্তড়াঙ্গা এলাকায় যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিক চাষাবাদের মাধ‍্যমে ৫০ একর জমিতে সমলয়ে  প্রদ্ধিতে বোরো ধানের চাষাবাদ কার্যক্রম শুরু  হয়েছে।  ১৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার কালিকাপুর -দত্তড়াঙ্গা ব্লকে  আনুষ্ঠানিকভাবে সমলয়ে বোরো ধানের রোপন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

এ লক্ষ্যে এক উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা  নির্বাহী অফিসার শেখ নুরুল আলমের সভাপতিত্বে সভায়  প্রধান অতিথি”র বক্তব‍্য রাখেন  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের  অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোহন কুমার ঘোষ,  উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ওয়ালিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি”র বক্তব‍্য দেন  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার  উপ-পরিচালক কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আসিফ ইকবাল উপ পরিচালক  শষ‍্য সুবির কুমার বিশ্বাস, কৃষি প্রকোশলী দিপংক চন্দ্র বালা,  স্বাগত বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ইনসাদ ইবনে আমিন,  আরো বক্তব‍্য রাখেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা পরানজয় মন্ডল, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা  তুষার বিশ্বাস, মো: জাহাঙ্গীর  আলম, করুণা মন্ডল।

এসময় শতাধিক  কৃষক ও‌কৃষাণী উপস্থিত ছিলেন।

মরে যাচ্ছে ভৈরব নদ / হুমকির মুখে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর/ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার/ পথে বসবে ব্যবসায়ীরা/ বেকার হবে লাখো মানুষ

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

দক্ষিণাঞ্চলের ব্যস্ততম শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া বন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই শঙ্কার মূল-কারণ হলো ভৈরব নদ। নদের তলদেশে ক্রমে ক্রমে পলি জমে ভরাট হয়ে আসছে। দুই তীরেই চর জাগতে শুরু করেছে। অপরিকল্পিত ব্রীজ নির্মাণ ও ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা অবৈধভাবে দখল হওয়ায় এ ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য মূল দায়ী বলে সচেতন মহল ও নদী বন্দর কর্তৃপক্ষ দাবি করছেন।

মরে যাচ্ছে ভৈরব নদ / হুমকির মুখে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর/ কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে সরকার/ পথে বসবে ব্যবসায়ীরা/ বেকার হবে লাখো মানুষ

এছাড়া অব্যাহত দখল ও দূষণ অপরিকল্পিত ড্রেজিং অপরিকল্পিত ঘাট নির্মাণের কারণে থমকে যাচ্ছে নদীর স্বাভাবিক স্রোত ধারা অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে অচিরেই পায়ে হেঁটে পার হওয়া যাবে নাওয়াপাড়ার এই ভৈরব নদের উপর দিয়ে,তেমনটি ঘটলে অকার্যকর হয়ে পড়বে নওয়াপাড়া নদীবন্দর। বেকার হয়ে পড়বে হাজার হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিকসহ লাখো মানুষ। পথে বসবে শতশত ব্যবসায়ী। কেবল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ও ব্যবসায়ী নয়,পরোক্ষভাবে নদীবন্দরের সঙ্গে যুক্ত মোটর শ্রমিক ও ব্রোকার্স ইউনিয়নের শ্রমিকেরাও চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সেই সাথে নদী বন্দর অচল হলে সরকার হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

এসব আশঙ্কা থেকে ভৈরব নদ বাঁচাতে কার্যকর ভূূমিকা গ্রহণের দাবি উঠেছে। যদিও বছরের পর বছর ধরে এ দাবীতে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম চললেও অজ্ঞাত কারণে তা মাঝপথে গিয়ে থেমে যায়। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধেও অদ্যোবধি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় হতাশ হয়ে পড়েছে স্থানীয় সচেতন মহল। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নওয়াপাড়া নদীবন্দরের ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অর্ধকিলোমিটার জুড়ে নদীর দুই-তৃতীয়ংশে চর জমে ভরাট হয়ে গেছে। এছাড়াও নদীবন্দরের নওয়াপাড়া জুট মিল সংলগ্ন এলাকা, বেঙ্গল খেয়াঘাট থেকে নওয়াপাড়া গ্লোবঘাট, তালতলা ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অধিক পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নদীতে ছোট বড় কার্গো- জাহাজ চলাচলে চরম বিড়ম্বনা দেখা দিয়েছে। বিআই, ডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, গত ২০২১ সালের ২৪ জুলাই থেকে বিআই, ডব্লিউটিএ প্রকৌশল (সংস্কার) বিভাগের আওতায় ভৈরব নদ সংস্কার তথা ড্রেজিং শুরু হয়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ এই ড্রেজিংয়ে বন্দরের তেমন কোনো উপকার হয়নি।

নওয়াপাড়া হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফাল্গুন মন্ডল বলেন, ভৈরব নদ ঘিরে হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন, মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও ব্রোকার্স ইউনিয়নের ৪০ হাজারের অধিক শ্রমিক ও তাদের পরিবার প্রত্যক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তাছাড়া রয়েছে নদ নির্ভর শতশত ব্যবসায়ী ও তাদের পরিরার কিন্তু বিআই, ডব্লিউটিএ(BIWTA) বন্দরের ক্ষেত্রে বরাবরই চরম উদাসীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। যদিও বিআই, ডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ বরাবরই দাবি করে আসছে, অপরিকল্পিত ব্রিজ নির্মাণের কারণে বেহাল দশায় পড়েছে ভৈরব নদ। তাছাড়া বন্দর এলাকায় ড্রেজিং করে মাটি বালু ফেলার জায়গা সংকটে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। বিশেষ করে ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপকহারে চর জাগলেও মাটি বালু ফেলার জায়গা না পাওয়ায় ড্রেজিং সম্পন্ন করা যাচ্ছেনা। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নোয়াপাড়া গ্রুপের সেলস্ অ্যান্ড মার্কেটিং হেড মিজানুর রহমান জনি বলেন, নদীর তলদেশ পলি জমে ভরাট হয়ে আসছে। দু’তীরেই চর জাগতে শুরু করেছে। শিল্প-বাণিজ্য ও বন্দর নগরীর স্পন্দন ভৈরব নদের প্রাণ যায় যায় অবস্থা। খননটা যদি বন্দরের মতো করে উপযোগী করে তৈরি করা না হয়‌ তাহলে এ মোকামে ব্যবসা-বাণিজ্য হুমকির মুখে পড়বে। নওয়াপাড়া সার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুল গণি সরদার বলেন, এই মোকামে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য নিয়ে প্রতিদিন ছোট বড় অনেক জাহাজ আসে।

নদে সার, গম, ভূট্টা, সিমেন্ট, ভূষিমাল ও কয়লা নিয়ে জাহাজ নোঙর করে। ড্রেজার আছে, কিন্তু তারা যে কী করেন তা সার ব্যবসায়ী সমিতির দৃষ্টিতে নেই। ঠিকমতো ড্রেজিং না হওয়ায় এই বন্দরের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ভৈরব নদকে রক্ষার দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন শিল্প ও বাণিজ্যিক নগরীর ন‌ওয়াপাড়ার লাখ লাখ মানুষ ।

শতাধিক মামলার আসামি আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মনজুর আলম  গ্রেফতার

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

শতাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি বিতর্কিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম সিকদারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার সকালে রাজধানীর বনানী থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রিফাত রহমান শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা আছে। মামলার বাদী পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

ডিসি বলেন, তার (মনজুর আলম) বিরুদ্ধে শতাধিক মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সিআইডির তথ্য বলছে, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই আলেশা মার্ট যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধন পায়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি।

বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থাকা সংগঠন জন জনে জনতা গড়ে তোলো একতা এ শ্লোগানকে সামনে রেখে  “বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব” এর নেতৃবৃন্দদের জরুরী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের মিরপুর কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দরা নতুন বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়াও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্য এবং দায়িত্বশীল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের  বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথাও আলোচনা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খান সেলিম রহমান বলেন-বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাব নির্যাতিত সাংবাদিকদের পক্ষে কথা বলে। এই সংগঠনটি সারাদেশে সুপরিচিত।নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে থাকার ক্ষেত্রে অনেক সময় অনেক প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয়। তাই বিজয়ী সংসদ সদস্য এবং দায়িত্বশীল গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের আমরা সংবর্ধনা এবং ক্রেস্ট প্রদান করবো,যা নতুন বছরে বাংলাদেশ  সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের অগ্রগতিতে সহায়ক হবে।

আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ. জেড.এম ওবায়দুর রহমান (সিনিয়র সহ-সভাপতি), আজিজুল হাকিম (সিনিয়র সহ-সভাপতি),সোহেল রানা (সহ-সভাপতি),শহিদুল ইসলাম সাগর(সাংগঠনিক সম্পাদক),শিহাব তালুকদার (সাংগঠনিক সম্পাদক) লায়ন আক্তার হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম(আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক), ওয়ারেছ  আহমেদ (শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক) ফয়জুল্লাহ স্বাধীন দপ্তর সম্পাদক  রবিউল ইসলাম (শিল্প বিষয়ক সম্পাদক), সাখাওয়াত (সহ ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক), নাজমুল আহসান (প্রকাশনা সম্পাদক),সালেহ আহমেদ (নির্বাহী সদস্য),লায়ন আক্তার হোসেন (সাংগঠনিক সম্পাদক), সাইদুর রহমান (নির্বাহী সদস্য),কাজী শফিউল ইসলাম (নির্বাহী সদস্য) সহ অনেকে।এছাড়াও বাংলাদেশ  সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের অন্যান্য দায়িত্বশীল  নেতৃবৃন্দরা আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

(সাধারণ সম্পাদক) মাহিদুল সরকার মাহি,(সহ- সভাপতি) মোজাম্মেল হোসেন বাবু, (সাংগঠনিক সম্পাদক) রিয়াদুল মামুন সোহাগ,মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কে এম নাছির উদ্দীন, সহ আরো অনেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

কোন মন্ত্রী কোন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পেলেন

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ জন। এর মধ্যে দুজন টেকনোক্র্যাট (সংসদ সদস্য নন)। এ ছাড়া ১১ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন।

কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন:

 পূর্ণ মন্ত্রীদের মধ্যে

আ ক ম মোজাম্মেল হককে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়;

ওবায়দুল কাদেরকে সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়;

আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে অর্থ মন্ত্রণালয়;

আনিসুল হককে আইন মন্ত্রণালয়;

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনকে শিল্প মন্ত্রণালয়;

আসাদুজ্জামান খানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;

 মো. তাজুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়;

মুহাম্মদ ফারুক খানকে বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রণালয়;

মোহাম্মদ হাছান মাহমুদকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়;

দীপু মনিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়;

সাধন চন্দ্র মজুমদারকে খাদ্য মন্ত্রণালয়;

 আবদুস সালামকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়;

মো. ফরিদুল হক খানকে ধর্ম মন্ত্রণালয়;

র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়;

নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে ভূমি মন্ত্রণালয়;

 জাহাঙ্গীর কবির নানককে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়;

মো. আবদুর রহমানকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়;

 মো. আবদুস শহীদকে কৃষি মন্ত্রণালয়;

 ইয়াফেস ওসমানকে (টেকনোক্র্যাট) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়;

 সামন্ত লাল সেনকে (টেকনোক্র্যাট) স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়;

 মো. জিল্লুল হাকিমকে রেলপথ মন্ত্রণালয়;

 ফরহাদ হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;

নাজমুল হাসানকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়;

সাবের হোসেন চৌধুরীকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং

 মহিবুল হাসান চৌধুরীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বেতন ভাতা || প্রধানমন্ত্রী- মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী- উপমন্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

বাংলাদেশে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও শেখ হাসিনা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান হবে।

২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা সাজিয়েছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়িয়েছে ৩৭ জনে। তাদের মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী। আর ১১ জন পাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। ইতোমধ্যে শপথের জন্য সবাইকে ফোন করে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার সদস্যরা কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন। সরকারি বেতন ভাতার বাইরে তারা কী অতিরিক্ত কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

আসুন জেনে নেই বেতন-ভাতা ছাড়া বাংলাদেশের মন্ত্রীরা কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান।

প্রধানমন্ত্রীর বেতনভাতা

দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশেন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া তিনি মাসিক বাড়ি ভাড়া পান এক লাখ টাকা, দৈনিক ভাতা পান তিন হাজার টাকা।

মন্ত্রীর বেতনভাতা

দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬ অনুযায়ী, একজন মন্ত্রী বেতন পান মাসিক এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা। ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা এবং চিফ হুইপরাও সমান বেতন পান।

এছাড়া একজন মন্ত্রী আরও যেসব সুবিধা পান:

দৈনিক ভাতা: দুই হাজার টাকা

নিয়ামক ভাতা: মাসিক ১০ হাজার টাকা

স্বেচ্ছাধীন তহবিল: ১০ লাখ টাকা

মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা

সরকারি খরচে সার্বক্ষণিক গাড়ি। ঢাকার বাইরে অফিসিয়াল ট্যুরের জন্য অতিরিক্ত একটি জিপ গাড়ি পাবেন, যার যাবতীয় খরচ সরকার বহন করবে।

সরকারি খরচে রেল ভ্রমণ ও বিদেশ ভ্রমণ, বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে

আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র

সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৮০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল

বিমান ভ্রমণের জন্য বীমা সুবিধা আট লাখ টাকা

সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রহরী

বাসস্থান থেকে অফিস বা অফিস থেকে বাসস্থানে যাতায়াতের খরচ পাবেন। নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণ খরচও তিনি পাবেন। এছাড়া অন্তত দুজন গৃহকর্মীর ভ্রমণের খরচ পাবেন।

উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা।

আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

প্রতিমন্ত্রীর বেতনভাতা

প্রতিমন্ত্রীদের বেতন প্রতি মাসে ৯২ হাজার টাকা। এই আয়ের ওপর কোনো কর নেই। এছাড়া তিনি আরও পাবেন:

দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা

প্রতিমন্ত্রীর নিয়ামক ভাতা: ৭ হাজার ৫০০ টাকা

স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৭ লাখ টাকা

মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা

বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে

আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র

সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ সব ধরনের সেবা খাতের বিল ও বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ

উপসচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন সহকারী একান্ত সচিব এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব। জাতীয় বেতন স্কেলে দশম গ্রেডের দুজন কর্মকর্তা।

আরও পাবেন একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, দুজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

উপমন্ত্রীর বেতনভাতা

একজন উপমন্ত্রী বেতন পান ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা। তাকেও বেতন-ভাতার জন্য কোনো কর দিতে হবে না।

দৈনিক ভাতা: দেড় হাজার টাকা

নিয়ামক ভাতা: পাঁচ হাজার টাকা

স্বেচ্ছাধীন তহবিল: সাড়ে ৫ লাখ টাকা

মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা

বিনা ভাড়ায় সরকারি বাসভবন: গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোনসহ ভবনটির যাবতীয় রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করবে

আসবাবপত্র: সরকারি বাসায় সর্বোচ্চ চার লাখ টাকা মূল্যের আসবাবপত্র

সরকারি বাসায় না থাকলে: বাড়ি ভাড়া বাবদ ৭০ হাজার টাকা, সেই সঙ্গে বাড়ি ব্যবস্থাপনা খরচ ও সব ধরনের সেবা খাতের বিল

সহকারী সচিব পদমর্যাদার একজন একান্ত সচিব, এবং ক্যাডারের বাইরে থেকে আরেকজন সহকারী একান্ত সচিব।

এছাড়া একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন জমাদার ও একজন আর্দালি, একজন এমএলএসএস, একজন পাচক বা পিয়ন।

মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী হলে ওপরের উল্লিখিত সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

Daily World News

নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী

নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন। এরই মধ্যে শপথ নিতে যাদের ডাকা হয়েছে তাঁদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব গণমাধ্যমে নাম ঘোষণা করেন। ডাক পাওয়া ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১১ জনকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সচিব।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ মন্ত্রী, ১৯ প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন উপমন্ত্রী ছিলেন। সে হিসাবে এবারের মন্ত্রিসভার আকার কিছুটা ছোট হচ্ছে।

শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন যেই ২৫ পূর্ণ মন্ত্রীরা :

আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১)

ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫)

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪)

আসাদুজ্জামান খান (ঢাকা-১২)

ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩)

মো. তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯)

মুহাম্মদ ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১)

আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪)

মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭)

মো. আব্দুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪)

মো. আব্দুর রহমান (ফরিদপুর-১)

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫)

আব্দুস সালাম (ময়মনসিংহ-৯)

সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯)

জাহাঙ্গীর কবির নানক (ঢাকা-১৩)

নাজমুল হাসান (কিশোরগঞ্জ-৬)

আনিসুল হক (বাহ্মণবাড়িয়া-৪)

সাধন চন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১)

উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩)

মহিবুল হাসান চৌধুরী (চাইগ্রাম-৯)

ফরহাদ হোসেন (মেহেরপুর-১)

মো. ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২)

মো. জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২)

ইয়াফেস ওসমান

সামন্ত লাল সেন

১১ প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যারা :

বেগম সিমিন হোসেন (রিমি) (গাজীপুর–৪)

নসরুল হামিদ (ঢাকা–৩)

জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর–৩)

মোহাম্মদ আলী আরাফাত (ঢাকা–১৭)

মো. মহিবুর রহমান (পটুয়াখালী–৪)

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর–২)

জাহিদ ফারুক (বরিশাল–৫)

কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি)

বেগম রুমানা আলী (গাজীপুর–৩)

শফিকুর রহমান চৌধুরী (সিলেট–২)

আহসানুল ইসলাম টিটু (টাঙ্গাইল–৬)

রূপসায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

এম মুরশীদ আলী,  রূপসা, খুলনা।।

স্বাধিন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  ১০ জানুয়ারি বিকালে রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় জুম কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা-৪ আসনে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।

রূপসায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য ফ, ম আঃ সালামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল,  জেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সদস্য আঃ মজিদ ফকির।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সরদার আবুল কাশেম ডাবলু’র পরিচালনায় বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খান শাহাজাহান কবীর প্যারিস, মোল্যা আরিফুর রহমান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক শ্যামল কুমার দাস, ইমদাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম হাবিব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহম্মদ আলী জিন্নাহ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক আল মামুন সরকার, প্রভাষক ওয়াহিদুজ্জামান, মঈন উদ্দীন শেখ, আলমগীর হোসেন, আঃ গফফার শেখ, শ্রীফলতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইসহাক সরদার, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোল্যা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, আওয়ামীলীগ নেতা বিনয় কৃষ্ণ হালদার, রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, শক্তিপদ বসু, রবিউল ইসলাম বিশ্বাস, সরদার মিজানুর রহমান, মুনীর হোসেন মোল্যা, জমির শেখ, আসাদ শেখ, ফরিদ শেখ, মনিরুজ্জামান পিলু, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আজিজা সুলতানা, কৃষকলীগ নেতা আঃ মান্নান শেখ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি রুহুল আমিন রবি, শ্রমিকলীগ নেতা আশরাফ আলী রাজ, যুবলীগ নেতা হারুন মোল্যা, আমজাদ হোসেন, সরদার কামরুল ইসলাম, বাসুদেব রায় চৌধুরী, মোল্যা কামরুল ইসলাম, সাঈদুর রহমান ছগির, শরিফুল ইসলাম বাবু, মজনু মিনা, নাজির শেখ, মনোয়ার হোসেন মোল্যা, ফরিদ শিকদার, স্বপ্না রানী পাল, সরদার জসীম উদ্দীন, মোস্তাফিজুর রহমান হেলাল, জ্যাকি ইসলাম সজল, মুসা লস্কর, খায়রুজ্জামান সজল, আরিফুল ইসলাম কাজল, আজিজুল মোল্যা, মোকাররম হোসেন, নাজিম মোড়ল, জাফর সরদার, আবু হানিফ, রিয়াদ শেখ, রবিউল ইসলাম, মামুন নীরব, আরিফ তালুদার, আঃ জব্বার, সোহেল পারভেজ, আলামিন, নাজিম মোড়ল, হারুন শেখ, সোহেল রানা, বিল্লাল শেখ, দীপ খান, জনি ফকির, নাজিম মুন্না, বাকু শেখ, লিখন, নাজিম প্রমূখ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক //

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সোমবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

পরে নরেন্দ্র মোদি তার এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছি এবং সংসদ নির্বাচনে টানা চতুর্থবারের মতো ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমি বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের স্থায়ী এবং জনকেন্দ্রিক অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগে সকালে গণভবনে গিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা। সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং অভিনন্দন জানান তিনি।

সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনার নতুন মেয়াদে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ভারতীয় হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন।

প্রণয় কুমার ভার্মা বলেন, স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশকে সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাবে। তিনি এ সময় মুক্তিযুদ্ধে দুই দেশের অভিন্ন আত্মত্যাগের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন।

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ভারতের জনগণের পক্ষে শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানান। কথামতো শেখ হাসিনার নতুন মেয়াদে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ভারতীয় হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন।

এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মার স্ত্রী, বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা ও বঙ্গবন্ধুর নাতনি সায়মা ওয়াজেদ পুতুল উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি: মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

//এম মুরশীদ আলী, রূপসা, খুলনা//

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ৭ জানুয়ারী। খুলনা-৪ আসনে ৩টি উপজেলার মধ্যে- রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভোট কেন্দ্র প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে ১২জন প্রার্থীর মধ্যে ৭জন দলীয় প্রার্থী, ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী’র অংশগ্রহনের মধ্যে, ভোটারদের ভোট গ্রহন হবে।

খুলনা- ৪ আসনের মধ্যে রূপসায় ভোটার সংখ্যা ১,৫৫,৪৮০ জন, ভোটকেন্দ্র ৫৯টি। তেরখাদা উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ১,০২,১৭১ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৬টি এবং দিঘলিয়া উপজেলায় ভোটার সংখ্যা ৯৭,৫০২ জন, ভোটকেন্দ্র ৩৮টি। এ সকল কেন্দ্রে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনে ব্যাপক প্রস্তুতি মূল্যবান ভোটের অপেক্ষায় প্রার্থী

এক্ষেত্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সরকারী ভাবে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে স্বতস্ফুতভাবে ভোটারগণ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবে। এ সকল ভোট কেন্দ্রে যাচ্ছে- প্রিজাইডিং ও পলিং কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি মহিলা-পুরুষ সদস্যগণ। পাশাপাশি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ও পুলিশের টহল টীমের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‌্যাব এবং বিজিবি টীম টহল দিতে থাকবে।

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীগণ হলেন- আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম মূর্শেদী প্রতীক- (নৌকা)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন এস এম আজমল হোসেন প্রতীক- (নোঙ্গর)। বাংলাদেশ কংগ্রেস মনিরা সুলতানা প্রতীক- (ডাব)। জাতীয় পার্টি মো: ফরহাদ আহমেদ প্রতীক- (লাঙ্গল)। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি মো: মোস্তাফিজুর রহমান প্রতীক- (আম)। ইসলামী ঐক্যজোট রিয়াজ উদ্দিন খান প্রতীক- (মিনার)। তৃণমূল বিএনপি শেখ হাবিবুর রহমান প্রতীক- (সোনালী আঁশ)। তাছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ হলেন- এইচ এম রওশান জামির প্রতীক- (কাঁচি)। এম, ডি, এহসানুল হক প্রতীক- (সোফা)। এস এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা প্রতীক- (কেটলি)। মো: জুয়েল রানা প্রতীক- (ট্রাক)। মো: রেজভী আলম প্রতীক- (ঈগল) এ ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহন করছেন।