রামপাল-মোংলার যত উন্নয়ন শেখ হাসিনার অবদান// ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধনে হাবিবুন নাহার

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন, সারাদেশের গ্রাম বাংলাসহ বাগেরহাটের রামপাল-মোংলার যত উন্নয়ন হয়েছে সব আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়েছে। এটা আওয়ামী লীগ সরকার ও জননেত্রী শেখ হাসিনার অবদান, এখানে অন্য কোন সরকারের অবদান নেই।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর)বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় নবনির্মিত ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন রামপাল ও মোংলা উপজেলার বাগেরহাট জেলার মধ্যে সব থেকে ঝুকিপূর্ণ ও দুর্যোগ প্রবন এলাকা। এখানকার মানুষ প্রকৃতিক নানা দুর্যোগ মাথায় নিয়ে বসবাস করেন। আজকে এই ফায়ার স্টেশন উদ্বোধনের মাধ্যমে এখানকার মানুষের নিরাপত্তা বাড়বে। এসময় তিনি ফায়ার স্টেশনের কর্মীদের যে কোন দুর্যোগ মোকাবেলায় আন্তরিকতার সাথে মানুষের পাশে থাকার আহবান জানান।

ফায়ার স্টেশন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব জাহিদুল ইসলাম, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর খুলনা বিভাগের উপ-পরিচালক মামুন মাহমুদ, রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম, সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন সিকদার প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

রূপসা উপজেলাকে মমতাময়ী মায়ের মতো আগলে রেখেছেন ইউএন ও কোহিনুর জাহান

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের  জেলা খুলনা। ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী এই  জেলা নদী দিয়ে ঘেরা।

জেলার খুব কাছের উপজেলা রূপসা। উপজেলাটি ৫টি ইউনিয়ন ও  ১টি থানা নিয়ে গঠিত।

এই উপজেলায় বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করেছেন। একটি উপজেলার সর্বোচ্চ পদ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পদ। এই মহান গুরুত্বপূর্ণ পদে অনেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন কোহিনুর জাহান।

তিনি এই উপজেলার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে দেখিয়ে দিয়েছেন মানুষকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। কিভাবে একটি কঠিন কাজকে খুব সহজেই সমাধান করতে হয়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একজন মমতাময়ী মায়ের মতো নিজের আঁচল দিয়ে আগলে রেখেছেন উপজেলাকে।

বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তাঁর জুড়ি মেলে ভার। যে কোন কঠিন কাজকে কিভাবে সহজ করতে হয় তার সমাধান অতি সহজেই তিনি দেন। বিপদে আপদে মানুষের কাজে  একজন সফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইউএনও কোহিনুর জাহান।

সরকারের নির্ধারিত কাজের বাইরেও ব্যক্তিগতভাবে অসংখ্য মানবিক কার্যক্রম সম্পাদন করায় উপজেলাবাসীর কাছে বিপদে-আপদে তার নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয়। তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নন, জনপ্রতিনিধিও নন, তারপরও তার সততা কর্মস্পৃহা দায়িত্বশীলতা ও জনমানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে বসিয়েছে এক অনন্য উচ্চতায়।

একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (বিসিএস ক্যাডার) হয়েও সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে কিভাবে আপনজনের মতো মিলে মিশে থাকতে হয়, তা তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তার কর্মদক্ষতা, সততা, আন্তরিকতা ও সাহসিকতায় সকল শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে হয়ে উঠেছেন এক মহানুভবতার আইকন।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও )হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে একের পর এক সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে দেখিয়েছেন চমক। তিনি উপজেলাবাসীর যে কোনো সমস্যা সমাধানে ও প্রয়োজনে, যেকোনো স্থানে পৌঁছে দেন তাৎক্ষণিক সেবা। যেন বিরতিহীন এক পথ চলা মানুষ। একজন সরকারী কর্মকর্তার কতোটা আন্তরিকতা ও মানবিকতা আছে যেটা কোহিনুর জাহানকে না দেখলে, তার কার্যক্রমের কথা না শুনলে, বুঝতে পারবেন না।

যার চিন্তা ও চেতনা উপজেলা বাসীদের নিয়ে। এই উপজেলা তাঁর আত্মার সাথে মিশে আছে, তার সকল স্বপ্ন এই উপজেলাকে নিয়ে। সরকার থেকে ঘোষিত আশ্রয়হীনকে আশ্রয়ের ঠিকানা তৈরি করে দেয়া। অসহায় মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া, অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহায়তা প্রদান, শিশুদের মাতৃস্নেহে বুকে তুলে নিয়ে তাদের সেবা করা।

মাদকাসক্ত ও বিপথগামীদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনা, ভেঙে যাওয়া সংসার জোড়া দিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক ও বিশ্বাস স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালনসহ অসংখ্য মহতী কাজের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন, এভাবেই বিরতিহীন ভাবে চলছে তার পথ চলা।

ধারাবাহিক ভাবে এই সফলতার বিষয়ে জানতে চাইলে রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোহিনুর জাহান বলেন, আমার উপরে অর্পিত রাষ্ট্রের সকল আদেশ ও দায়িত্ব আমি সততা, স্বচ্ছতা, সাহসীকতা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করে আসছি।

আমি আমার কর্মজীবনে যেখানেই থাকিনা কেন, সকলের সাথে মিলে মিশে থাকতে চায়। বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে, একটি ডিজিটাল ও স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ গড়তে রাষ্ট্রের দেয়া সকল আদেশ ও নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি আমার কর্মজীবন যেখানেই কাটিয়েছি প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগীতা পেয়েছি এবং আগামীতেও পাবো বলে আমি বিশ্বাস করি। সমাজের সকল শ্রেনী পেশার মানুষের দোয়া ও ভালবাসা নিয়ে, আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারি এই কামনা করি।

Daily World News

ডুমুরিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটের রামপালে পল্লী চিকিৎসকদের মতবিনিময় সভা

নিয়ম মানছেনা ডিলার বিহীন তালতলীর ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা, ভোগান্তিতে কৃষক

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা//

বরগুনার তালতলীতে নিয়ম মানছেনা ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা। ডিলার বিহীন দোকানে শত শত বস্তা সার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করছে নিজেদের পছন্দ মত কৃষকদের কাছে। সার বিক্রিতে সরকারি নিয়ম থাকলেও এসব বিক্রেতারা তা তোয়াক্কা করছেন না।কয়েকজন ক্ষুদ্র সার বিক্রেতারা দিনদিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।

এমন পরিস্থিতিতে গোটা উপজেলায় ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারের কৃত্রিম সংকটের আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা।

জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে সাতজন বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার রয়েছেন।  এছাড়াও প্রতি ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে মোট ৯ জন সার ডিলার রয়েছে। তবে সরকার অনুমোদিত এই খুচরা ডিলারের পরও রয়েছে কিছু অসাধু সার ব্যবসায়ী। এরা সরকারি নির্দেশনা মানছে না। বিভিন্ন কীটনাশকের দোকানে বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধ সার মজুদ রেখে বেশি দামে বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। এতে প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে ডিলার এর কাছ থেকে সরাসরি সার কিনতে পারছে না। যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কৃষিতে।

বিসিআইসি সার ডিলারদের সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জানা যায়, নিজস্ব দোকান অথবা গুদাম ব্যতীত নিজ বাড়িতেও সার মজুদ রাখার কোন সুযোগ নেই। উপরোক্ত নিয়মের ব্যত্যয় ঘটলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ । সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশী দামে সার বিক্রয় করা যাবে না। যার নামে লাইসেন্স তাকেই ব্যবসা করতে হবে। মজুদ রেজিষ্টার ফর্মেট অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে। বিক্রয় রেজিষ্টারে অবশ্যই কৃষকের নাম এবং মোবাইল নাম্বার থাকতে হবে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাজারে ১৩৫০ টাকার ইউরিয়া সার চাষিরা কিনছেন ১৪শ থেকে ১৫শ টাকা বস্তা দরে। খুব গোপনে এভাবে সার বিক্রি করে আসছেন কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ীরা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সার ডিলারদের ক্যাশ মেমোর মাধ্যমে চাষিদের কাছে সার বিক্রির নিয়ম থাকলেও বেশি দামে বিক্রির কারণে তা করছেন না অসাধু ব্যবসায়ীরা ও ডিলাররা। কিছু ডিলার সিন্ডিকেট করে এমন নানা কারসাজি করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে বিসিআইসি সার বিপুল পরিমাণে অবৈধ মজুদ করে রেখেছেন। ডিলার লাইসেন্স না থাকলেও অবৈধ পথে বিভিন্ন সার মজুদ করে রেখেছেন বেশি দামে বিক্রি করার জন্যে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের অভিযোগ, সার ডিলারদের কাছে সরকারি দরে ক্যাশ মেমোসহ সার কিনতে গেলে সার নেই বলে ছাফ জানিয়ে দেয়। আর বেশি দামে নিলেই পাওয়া যায় পর্যাপ্ত সার। তাই ডিলাররা সারের ১–৫ বস্তার মেমো না করে বিভিন্ন দোকানদারের নামে শত শত বস্তার মেমো করছেন। আর আমাদের মত সাধারণ চাষিদের কাছে মেমো ছাড়া বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাই প্রতিটি ইউনিয়ন বিসিআইসি ডিলারের উচিৎ ডিলার ব্যতিত অন্য কাউকে সার হস্তান্তর না করা।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন হাওলাদার বলেন, খুরচা দোকানে ডিলার ছাড়া সার বিক্রি করা যাবে না। যারা বিক্রি করে আমাদের কাছে তথ্য দিন আমরা প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

তালতলী উপজেলা কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার ছাড়া অন্য কেউ সার বিক্রি করতে পারবে না। যদি কেউ সার বিক্রি করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Daily World News

লাকসামের সুরক্ষা সিটির ভুট্টো কি পালিয়ে গেছে ?

বাগেরহাটের কচুয়ায় শারদীয়া দূর্গাপূজা মন্দির পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগরেহাট//

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গা পূজার জন্য প্রস্তুত মন্দির পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাঃ খালিদ হোসেন। রবিবার সন্ধ্যায় তিনি কচুয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি মন্দির পরিদর্শন করেন। এসময়ে পুজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে তিনি কথা বলেন ও সার্বিক বিষয়ে খোজ খবর নেন।

পরিদর্শন কালে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী ব্যানার্জী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিকদার ফিরোজ আহম্মেদ, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো.জাকির হোসন,কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মহসীন হোসেন, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এ্যাড.দিলিপ কুমার মল্লিক, সাধারন সম্পাদক পুলিন বিহারী সাহা সহ বিভিন্ন মন্দিরের পুজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের রামপালে সোমবার থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার ভোটার পাবে স্মার্ট কার্ড

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

অবশেষে রামপালে ১ লক্ষ ১০ হাজার ৩৭৫ জন ভোটার এ বছর স্মার্ট কার্ড পাচ্ছেন। আগামী সোমবার (০৯ অক্টোবর) থেকে উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এ কার্ড বিতরণ শুরু করা হবে।

রামপাল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১০ ইউনিয়নের নতুন ভোটারসহ সকল ভোটারগণ এসব স্মার্ট কার্ড পাবেন। এ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ১২ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৭০০ ভোটারের স্মার্ট কার্ড আসেনি। নামে গড়মিল, ঠিকানা সমস্যা ও সদ্য ভোটারদের স্থান পরিবর্তন জনিত কারণে কার্ড আসেনি। তবে নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করা হলে দ্রুত কার্ড পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে নির্বাচন অফিস নিশ্চিত করেছে।

উপজেলার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের ৮ অক্টোবর রবিবার মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন পরিষদে ৩৩৪৩ জনকে ও ৯ অক্টোবর সোমবার মল্লিকেরবেড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪০৪৩ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে। ১০ অক্টোবর মঙ্গলবার ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ৩০০০ জনকে ও ১১ অক্টোবর বুধবার বেতকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২৯০৮ জনকে কার্ড দেয়া হবে।

১২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার গৌরম্ভা ইউনিয়নের খানজাহান আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১৪২ জনকে, ১৩ অক্টোবর শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর শনিবার বর্ণিত ছায়রাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩০০০ জনকে, ১৫ অক্টোবর রবিবার আদাঘাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৩৩৩ জনকে কার্ড দেয়া হবে।

১৬ অক্টোবর সোমবার রাজনগর ইউনিয়নের কালেখারবেড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৬০৪ জনকে ও ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার গোনাবেলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৪৬৬ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে।

১৮ অক্টোবর বুধবার উজলকুড় ইউনিয়নের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৬৭৯ জনকে, ১৯ অক্টোবর শুক্রবার ফয়লাহাট কামাল উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪০১৮ জনকে, ২০ অক্টোবর শুক্রবার শংকনগর নিন্মলিখিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৭৬৩ জনকে, ২১ অক্টোবর শনিবার উজলকুড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১৮৪ জনকে ও ২২ অক্টোবর রবিবার সোনাতুনিয়া আজিজিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৩৬১৯ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে। ২৩ অক্টোবর সোমবার বাইনতলা ইউনিয়নের চাকশ্রী এবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২৬২০ জনকে, ২৫ অক্টোবর বুধবার ও ২৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার শরাফপুর কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসায় যথাক্রমে ২৬৯৭ ও ২১৫৬ জনকে, ২৭ অক্টোবর শুক্রবার কুমলাই বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৭০৫ জনকে ও ২৮ অক্টোবর শনিবার তেলিখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩৫৯৯ জনকে কার্ড দেয়া হবে।

২৯ অক্টোবর বাঁশতলী ইউনিয়নের ইসলামাবাদ সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসায় ৪০৭৬ জনকে, ৩০ অক্টোবর সোমবার গিলাতলা সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩০৪৩ জনকে ও ৩১ অক্টোবর মঙ্গলবার বাঁশতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২৯১১ জনকে কার্ড দেয়া হবে। ১ নভেম্বর বুধবার ও ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার হুড়কা ইউনিয়নের হুড়কা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাক্রমে ২৩৩৩ জনকে ও ২২৬০ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে।

৩ নভেম্বর শুক্রবার পেড়িখালী ইউনিয়নের পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪১৯৮ জনকে, ৪ নভেম্বর শনিবার সিংগড়বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০৭৮ জনকে ও ৫ নভেম্বর রবিবার বড়কাটালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩০০৬ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে। ৬ নভেম্বর সোমবার রামপাল সদর ইউনিয়নের কাদিরখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৪৪২৫ জনকে, ৭ নভেম্বর মঙ্গলবার সুন্দরবন মহিলা কলেজে ৪২৭৫ জনকে, ৮ নভেম্বর বুধবার ও ৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার শ্রীফলতলা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাক্রমে ৪১৬০ ও ৪২৭০ জনকে কার্ড প্রদান করা হবে।
রামপাল উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুস সাত্তার এক বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট তারিখ ও সময়ে স্ব স্ব এলাকার ভোটারগণ এসব স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করবেন। কোন কারণে কেউ যথাসময়ে কার্ড নিতে না পারলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে বা উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। কার্ড সংগ্রহে হয়রানি এড়াতে সরাসরি ইউপি চেয়ারম্যান অথবা উপজেলা নির্বাচন অফিসেই যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

ডুমুরিয়ায় অনাবাদী পতিত জমি ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন বিষয়ে ২ দিন ব‍্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি//

ডুমুরিয়ায় অনাবাদী পতিত জমি ও বসতবাড়ীর আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ২ দিন ব‍্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়।

৩ ও ৪  অক্টোবর  উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরে আয়োজনে কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইনসাদ ইবনে আমিন, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মো: ওয়ালিদ হোসেন, সম্প্রসারন কর্মকর্তা মো: আরাফাত জামিল।

প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের  ৩০ জন কৃষক/কৃষানী অংশ নেন।

প্রশিক্ষণ শেষে দুটি করে ফলজ চারা বিতরন করা। প্রশিক্ষণে নিরাপদ সবজি উৎপাদন পারিবারিক পুষ্টি বাগান বিষয়ে করনীয় তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ নিয়ে কেন চীন-রাশিয়া-আমেরিকার এত আগ্রহ….!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিশ্বের নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে বাংলাদেশ বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে কী না তা নিয়ে নানা মত আছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন- বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, সম্ভাবনাময় অর্থনীতি এবং বঙ্গোপসাগরের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ – এসব কারণে রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন ক্ষেত্র হচ্ছে বাংলাদেশ। এর সাথে দ্বিমতও আছে। বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশ মনে করছেন, বাংলাদেশ নিয়ে শক্তিধর দেশগুলোর আগ্রহ থাকলেও সেটা খুব বেশি নয়।

বাংলাদেশ নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়া যেসব তৎপরতা এবং বক্তব্য দিয়েছে তাতে মেরুকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আসন্ন সাধারন নির্বাচন নিয়ে বর্তমান সরকারের উপর যুক্তরাষ্ট্রর চাপ দৃশ্যমান হলেও চীন এবং রাশিয়ার অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাশিয়া ও চীনের বিরোধ এখন দৃশ্যমান। এর প্রভাব বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পড়ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা কী চায়?

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর মনে করেন, বাংলাদেশ আসলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার নতুন ‘মেরুকরণের ক্ষেত্র’ হয়ে উঠেছে।

তার বিশ্লেষণ হচ্ছে , বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির একটি অংশ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার’ পক্ষে কাজ করা। এরই অংশ হিসেবে তারা বাংলাদেশের বিষয়ে আগ্রহী হয়েছে।

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, আমেরিকার একটা ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল আছে যেটি সক্রিয়ভাবে কার্যকর করতে তারা মনোনিবেশ করেছে। এ কারণেই এশিয়া অঞ্চলে বন্ধু সংগ্রহে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।

“আমেরিকার লক্ষ্য চীন-রাশিয়া বলয় থেকে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বিশ্বের বলয়ের সাথে সংযুক্ত করা বা সংযুক্তিকে আরো শক্তিশালী করা,” বলেন মি. কবীর।

কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোও চায় বাংলাদেশে যাতে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। একই সাথে এসব দেশে বাংলাদেশকে যেসব সুবিধা, বিশেষ করে বাণিজ্য সুবিধা দেয়া হয়, তার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী রাখা।

কোভিড ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর যেহেতু এই অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা বাড়ছে, তাই এই দেশগুলো বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে আদর্শগত মিল বাড়ছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আমেরিকা বা পাশ্চাত্যের সাথে যেহেতু তাদের আদর্শগত মিল নেই তাই তারাও এই অঞ্চলে বন্ধু সংগ্রহে আগ্রহী।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এখানে মূল বিষয় হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করেন তিনি।

“আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোকে আমরা খুব সংগঠিতভাবে ব্যবস্থা না করার সুযোগটা রাশিয়া-চীন নেয়ার চেষ্টা করছে এবং এ কারণেই আমরা বাংলাদেশকে ঘিরে এই তিন-চার কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বেশি দেখতে পাচ্ছি।”

সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

এদিকে চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের অবকাঠামো নির্মাণে চীন ব্যাপকভাবে কাজ করছে। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক।

রাশিয়ার সাথেও বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেকটা একই রকম। বাংলাদেশে পারমানবিক বিদ্যুৎখাতে রাশিয়ার বড় বিনিয়োগ রয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এছাড়া এই দেশটি থেকে বাংলাদেশ খাদ্য শস্যও আমদানি করে থাকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাব এনাম খান মনে করেন, বাংলাদেশ না চাইলেও ভূ-কৌশলগত অবস্থানের কারণে স্বাভাবিকভাবেই সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিনি মনে করেন, গত বেশ কিছু বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশ অগ্রগামী ছিল। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কোভিড পরবর্তী সময়েও বেশ স্থিতিশীল ছিল যা একে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত করেছে।

“বাংলাদেশ একদিকে চীন থেকে ব্যাপক আমদানি করে এবং অন্যদিকে আবার পশ্চিমা দেশগুলোতে রপ্তানিও করে। ফলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বার্থের একটা ভারসাম্য বাংলাদেশ রক্ষা করে আসছে,” বলেন মি. খান।

কানাডাভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ অনুসারে, বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যদি ধরে রাখা যায় তাহলে মধ্যম শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় বাজারও। যার কারণে এর প্রতি সুপার পাওয়ার দেশগুলো বিনিয়োগের আগ্রহ বেড়েছে।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের অংশ যা ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে এটি অনেকটা ‘স্ট্রাটেজিক লাইন অব কমিউনিকেশন’ বা ‘সাপ্লাই লাইন অব কমিউনিকেশন’ হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এই শিক্ষক।

এ কারণে বঙ্গোপসাগেরের গুরুত্ব অনেক।

ভিন্ন ব্যাখ্যাও আছে

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সমর বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ মাহমুদ আলী সৈয়দ মাহমুদ আলী মনে করেন, চীন-রাশিয়া-আমেরিকার দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ আসলে ‘গৌণ বা উপলক্ষ্য’ মাত্র।

তার মতে, বাংলাদেশের মেরুকরণের ক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আর ঘনিষ্ঠতর হওয়া এবং এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমেরিকার অবস্থান।

“স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ৯০ এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর সারা বিশ্বে ইউনিফর্ম বা একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সেই আধিপত্য পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত চলেছে,” বলেন মি. আলী।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, এরা সবাই তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রপক্ষের দেশ ছিল। বিপক্ষে কেউ না থাকার কারণে আমেরিকা প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বীহীন ছিল।

মি. আলীর বিশ্লেষণ হচ্ছে, ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভূক্ত হওয়া এবং দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক শক্তি বাড়ানোর মতো ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট হয়ে আসে যে যুক্তরাষ্ট্র আর একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে পারছে না। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-রাশিয়ার মধ্যে একধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামনে আসে।

“যেহেতু ক্ষমতার একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে চলছে, তাই বলা যেতে পারে বাংলাদেশ একটি গৌণ বা পরোক্ষভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বীতার কেন্দ্র বা স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে,” বলেন মি. আলী। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

 

টিম অ্যাটলাস এর আবিস্কৃত রোবট ডিফেন্ডার আগুণ নেভাবে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ওয়ার্ল্ড ইনভেনশন কম্পিটিশন অ্যান্ড এক্সিবিশন ২০২৩ (ডব্লিউআইসিই)–এর আইটি অ্যান্ড রোবোটিকস বিভাগে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশের দল ‘টিম অ্যাটলাস’। ইন্দোনেশিয়া ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন ও মালয়েশিয়ার মাহশা ইউনিভার্সিটির যৌথ আয়োজনে মালয়েশিয়ায় বসেছিল প্রতিযোগিতার পঞ্চম আসর। ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর—২০টি দেশের চার শতাধিক দল প্রতিযোগিতার পাঁচটি বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল। তাই একে বলা হচ্ছে হাইব্রিড মডেলের প্রতিযোগিতা।

টিম অ্যাটলাস কেন আলাদা

আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ব্রোঞ্জ ও বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াডে গোল্ড মেডেল পাওয়া সানি জুবায়ের স্কুলজীবন থেকেই রোবোটিকসে আগ্রহী। তাঁর নেতৃত্বে বিজ্ঞান ও রোবোটিকসে আগ্রহী কয়েকজন শিক্ষার্থী ২০১৬ সালে গঠন করে ‘টিম অ্যাটলাস’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিসহ নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০ জন শিক্ষার্থী এই দলে কাজ করছেন। টিম অ্যাটলাসের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানি জুবায়ের বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য ছিল আমার মতো বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষার্থীদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, স্কুল–কলেজের ছেলেমেয়েরাও আমাদের দলের সদস্য হতে পারে৷ বড় দল হওয়ার একটা সুবিধা হলো জ্ঞান ভাগাভাগি ও দক্ষতা প্রয়োগের জায়গাটা অনেক সমৃদ্ধ হয়।’

সদস্যরা শুধু আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেরই নন, তাঁদের পড়ার বিষয়ও আলাদা। দলের নিজস্ব ল্যাবে যে যাঁর মতো করে ভূমিকা রাখেন। বেশ কয়েক বছর ধরে দলটি একসঙ্গে কাজ করেছে। একাধিক প্রতিযোগিতা থেকে এনেছে পুরস্কার।

ডব্লিউআইসিই ২৩–এ প্রথম হয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত দলটি। দলের সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম শাহরিয়ার মুঠোফোনে জানান, ‘বিশ্বে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মাহশা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এ রকম জায়গায় প্রথম হওয়া নিঃসন্দেহে বড় আনন্দের বিষয়।’

অগ্নিদুর্ঘটনায় সম্মুখযোদ্ধা যে রোবট

বিশ্বব্যাপী অগ্নিকাণ্ডে যে ধরনের উদ্ধার পদ্ধতি প্রচলিত, সেটিকে কীভাবে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করা যায়, তা-ই নিয়ে কাজ করেছে টিম অ্যাটলাস। এ লক্ষ্যে একটি রোবট নির্মাণ করেছে টিম অ্যাটলাস। নাম ডিফেন্ডার। অ্যাটলাসের সদস্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শিহাব আহমেদ বলছিলেন, ‘কোথাও আগুন লাগলে আমাদের রোবটটি সরাসরি আগুনের উৎস খুঁজে বের করে নেভানোর চেষ্টা করবে। তারপর পর্যায়ক্রমে গুরুত্ব বিবেচনা করে চারদিকে ছড়ানো আগুন নেভানোর কাজ করবে। রোবটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে, রিমোট দিয়েও পরিচালনা করা সম্ভব। অর্থাৎ, অগ্নিনির্বাপক দল ঘটনাস্থলের বাইরে থেকেই এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। আটকা পড়া মানুষ রোবটের সঙ্গে থাকা বক্স খুলে প্রাথমিক চিকিৎসার উপকরণও পাবেন।’

এ ছাড়া রোবটটিতে যুক্ত আছে স্মোক ভ্যাকুয়াম, যা কার্বন মনক্সাইডযুক্ত বিষাক্ত ধোঁয়া টিউবের মাধ্যমে বাইরে বের করতে সহায়তা করবে। দলনেতা সানি জুবায়ের যোগ করলেন, ‘অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে নির্মিত এই রোবট প্রায় ১০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাজ করতে সক্ষম। এ ছাড়া আমরা আমাদের চলমান প্রকল্প নিয়েও প্রতিযোগিতায় কথা বলেছি। সমুদ্রে বা নদীতে হয়তো একটি জাহাজ বিপদে পড়ছে বা জাহাজে জরুরি চিকিৎসা উপকরণ পাঠাতে হবে। কিংবা হয়তো আগুন লেগেছে। রোবট দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে কীভাবে জাহাজে আগুন নেভানো বা উদ্ধারসংক্রান্ত অন্যান্য কাজ করা যায়, সেটিও আমাদের চলমান প্রকল্পের অংশ।’

দলটির পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া ডব্লিউআইসিইতে অংশ নেওয়া টিম অ্যাটলাসের সদস্যরা হলেন সানি জুবায়ের (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি), শিহাব আহমেদ (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি), ফাহিম শাহরিয়ার (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), মেহরাব ইসলাম (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি) ও মেহরান ইসলাম (বিএএফ শাহীন কলেজ)। অনলাইনের মাধ্যমে দলকে সহযোগিতা করেছেন সাকিবুল আহসান (ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি) ও সানজিদা সিদ্দিকা (আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ)।

বছরের অন্যান্য অর্জন

বছরজুড়েই টিম অ্যাটলাসের হাত ধরে বাংলাদেশের ঘরে এসেছে নানা অর্জন। এ বছর মার্চ মাসে ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি), কানপুরে বসেছিল ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা—টেককৃতি-২৩। বিভিন্ন দেশের ১৫০০ প্রতিযোগীর মধ্যে টেকনোভেশন বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে টিম অ্যাটলাস।

জুলাই মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হয় রোবোটিকস–সংক্রান্ত প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় আয়োজন—ওয়ার্ল্ড রোবোটিকস কম্পিটিশন ২০২৩। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ বিশ্বের ২২টি দেশের তিন শতাধিক দল অংশ নেয় রোবোটিকসের এই বিশ্বকাপে। নিজেদের তৈরি রোবটের সক্ষমতা প্রমাণ করে সেখানে টিম অ্যাটলাস হয়েছিল দ্বিতীয়।

Daily World News

বাগেরহাটের কচুয়ায় পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা

আমতলীতে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

বাগেরহাটের কচুয়ায় পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

সনাতন ধর্মাবল¤ী^দের আসন্ন শারদীয়া দূর্গাপূজা উপলক্ষে কচুয়া থানা ও উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১ টায় কচুয়া থানা চত্তরে মতবিনিময় সভায় থানার অফিসার ইনর্চার্জা (ওসি) মোঃ মহসীন হোসেন বলেন, উপজেলার প্রতিটি মন্দিরে আগত পূজারী ও ভক্তদের আসা-যাওয়া এবং শান্তিপুর্ন ভাবে পূজা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি থাকবে। সেই সাথে আনছার, গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম ও সেচ্ছা সেবক থাকবে। পূজা পরিচালনা পরিষদের উদ্ধেশ্যে বলেন, আপনার সচেতন থাকবেন, অপরিচিত বা কোন ব্যক্তিকে সন্দেহ হলে আমাদের জানাবেন। আমরা তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নিব।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাডঃ দিলিপ কুমার মল্লিক, সাধারন সম্পাদক পুলিন বিহারী সাহা,ওসি তদন্ত প্রভাষ কুমার মল্লিক,বীরমুক্তি যোদ্ধা নিমাই চন্দ্র দাস এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার সকল দূর্গা পূজা মন্দিরে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, সাংবাদিক সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এবছর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ৪৪ টি মন্দিরে দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। কচুয়া সদর ইউনিয়নে ৫টি, গোপালপুরে ২টি, মঘিয়ায় ৯টি, বাধালে ৬টি, রাড়ীপাড়ায় ১৩টি, গজালিয়ায় ৭টি ও ধোপাখালীর ২টি মন্ডপে পুজা উদ্যাপনের ব্যপক প্রস্তুতি চলছে।

আমতলীতে বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালিত

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী, বরগুনা//

বরগুনার আমতলীতে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ তম জন্মদিন ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে উদযাপন করেছে আমতলী  উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার  (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত আটটায় দলীয় কার্যালয়ে  উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে আ’লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া,আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রবীণ রাজনীতিবিদ এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ নুরুল ইসলাম মৃধা,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা বাবু অশোক মজুমদার, মোঃ  আব্দুল হান্নান, আবদুল হক,হারুন অর রশীদ,আবুল কালাম আজাদ,রিয়াজ উদদীন মৃধা,মীর হাবিবুর রহমান, বাদল প্যাদা সহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন।

এ সময় বক্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সু স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যগণ সহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে  এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়নের বর্নণা করে এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে   আবারও  নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।