২০ মে খুলনার ডুমুরিয়ার চুকনগরে গনহত‍্যা দিবস পালিত

 //জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

১৯৭১ সাল দেশের হানাদারদের বিরুদ্ধে মুক্তি যুদ্ধ। তখন পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে দেশিয় রাজাকার আলসাম বাহিনীর সাথে জোট বেধে মানুষের সম্পদ লুট বাড়িঘর অগ্নি সংযোগ হত‍্যা অত‍্যাচার এসব  সইতে না পেরে ভারতে আশ্রয নিতে পরিবার পরিজন নিয়ে নৌকা ও পায়ে হেটে  যাত্রা।

২০ মে  ডুমুরিয়ার চুকনগরে পাকবাহিনীর নির্বিচারে  ১০ /১২ হাজার মানুষকে হত‍্যা করে  যা আজ ও গনহত‍্যা দিবস হিসাবে পালিত হযে আসছে।

ঘটনার বিবরন :

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে  মে মাসের মাঝামাঝি সময় বরিশাল  বাগেরহাট,পিরোজপুর  রামপাল,  মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মোংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, ডুমুরিয়া,চালনা সহ বিভিন্ন অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারা খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর থেকে সাতক্ষীরা হয়ে ভারতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ জন্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে ১৯ মে রাতের মধ্যে সবাই চুকনগরে এসে পৌছায়। খুলনা জেলা সদর থেকে ৩০ কি.মি. দূরে অবস্থিত চুকনগর। ওই দিন রাতে কয়েক হাজার  মানুষ চুকনগরের পাতোখোলা বিল, কাঁচাবাজার, মাছবাজার, কাপুড়িয়া পট্টি, গরুহাটা, কালী মন্দিরসহ বিভিন্নস্থানে অবস্থান করতে থাকে।

রাতটা এখানে পার করে সকালে কিছু মুখে দিয়ে রওনা হবে ভারতের উদ্দেশ্যে। পর দিন ২০ মে খুব ভোরে কেউ কেউ চুকনগর ছেড়ে রওয়ানা হয়ে যায় তবে অধিকাংশরা সকালের খাওয়া দাওয়া শেষে রওনা  হবে। এজন্যে সকালে তারা রান্না বান্নার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। কারও রান্না ততক্ষনে শেষও হয়েছে। কেউ বা ভাতের থালা নিয়ে বসে পড়েছে। ঠিক এমনই মুহুর্তে সাতক্ষীরা থেকে পাক বাহিনীর ১টি ট্রাক ও ১টি জীপ চুকনগর সাতক্ষীরা সড়ক ধরে মালতিয়া মোড়ের ঝাউতলায় এসে হঠাৎ থেমে যায়। রাস্তার পাশে পাট ক্ষেতে কাজ করছিলেন মালতিয়া গ্রামের চিকন আলী মোড়ল নামে এক বৃদ্ধ। গাড়ীর শব্দে তিনি উঠে দাঁড়ালে পাক বাহিনী  তাকে প্রথমে গুলি করে হত্যা করে, এর পর একই গ্রামের সুরেন্দ্রনাথ কুন্ডুকেও গুলি করে মারা হয়।

এর পর তারা বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ব্রাশ ফায়ারে হত্যা করতে থাকে নিরিহ মানব সন্তানদের। নারী, শিশু, বৃদ্ধ কাউকে তারা রেহাই দেয়নি সেদিন। গুলির শব্দে আর এখানে জড়ো হওয়া নারী পুরুষের আর্তচিৎকারে আতংকিত হয়ে পড়ে আশ পাশের গ্রামের মানুষেরা ,ভারী হয়ে ওঠে সমগ্র এলাকার পরিবেশ।

চারিদিকে শুধু কান্নার শব্দ, হুড়োহুড়ি আর দৌড়াদৌড়ি। এরপর সবকিছুই একসময় নীরব হয়ে যায়। তখন চারিদিকে তাকাতেই চোখে পড়ে মানুষের লাশ আর রক্ত। পাকিস্থানী হানাদাররা সেদিন চুকনগর বাজার,কালী মন্দিরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঢুকে নিরস্ত্র নিরীহ মানুষকে অকাতরে গুলি করে মেরেছে।

কোথাও লুকিয়ে ওদের হাত থেকে কেউ রেহাই পায়নি। চুকনগর সেদিন এক মৃতপুরীতে পরিণত হয়। পাকিস্থানীদের এই তান্ডবলীলা ২/৩ ঘণ্টা ধরে চলেছিল বলে জানা যায়। সেদিন মানুষের আর্তচিৎকার ও দৌড়া দৌড়িতে পায়ের তলায় পিষ্ট হয়েও মরেছে অনেক শিশু ও বৃদ্ধ। কত শিশুকে তার মা ফেলে পালিয়েছে। কিন্তু তারা কেউ বাঁচতে পারেনি। অনেক শিশু মৃত মায়ের বুকের উপর স্তন পান করেছে। কিন্তু সে বুঝতে পারেনি যে ততক্ষনে তার জন্মধাত্রী মা চলে গেছে না ফেরার দেশে। অসহায় মায়ের কোলে শিশুর লাশ। মাকে হারিয়ে কত শিশু অসহায়ের মত বসে কাঁদছে এমনই সব দৃশ্য সেদিন দেখেছিল এলাকার মানুষ। পাক সেনাদের তান্ডবে চুকনগরের ধুসর মাটি আর সবুজ ঘাস মুহূর্তের মধ্যে লাল হয়ে উঠেছিল। চুকনগর বাজারের চুকনগর বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে চলা ভদ্রা নদীতে ছিল লাশের বহর। ভদ্রা নদীর পানির সাথে একাকার হয়ে গিয়েছিল মানুষের তাজা রক্ত। কোথাও পা দেয়ার জায়গা নেই। চুকনগর বাজারের অলিতে গলিতে শুধু লাশ আর লাশ। হানাদার বাহিনীর বর্বর পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞের পর চুকনগর বাজার শকুন ও কুকুরের দখলে চলে যায়। অনেক মৃতপ্রায় ব্যক্তিকে নিয়ে টানাটানি করেছে শকুন আর কুকুর।

এই করুন দৃশ্য কখনও ভুলবার নয়। শত শত বছর ধরে এই হত্যাকান্ডের তথ্য মানুষ স্মৃতিতে রাখবে। সেদিন চুকনগরে প্রায় ৯/১০ হাজারের মত মানুষকে তারা নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রত্যক্ষ দর্শীদের বিবরনে জানা গেছে। চুকনগরের এ নৃশংস ঘৃন্যতম দৃশ্য পৃথিবীর ইতিহাসে সব গণহত্যার চেয়ে বর্বর বলে অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি নিষ্ঠুর ও জঘন্যতম দিন। অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এটি নিষ্ঠুর ও জঘন্যতম দিন। এ দিনটি শুধু চুকনগরের জন্য নয় বাংলাদেশের জন্য একটি ভয়াল ও শোকাবহ দিন। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য চুকনগর গণহত্যার ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্থান পায়নি।

এ উপলক্ষে সকাল ৮ টায় শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে। এসময় উপস্থিত থাকবেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারী বেসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বীব মুক্তিযোদ্ধাগণ। এরপর শহীদদের স্মরণে প্রবাহমান ভদ্রা নদীতে স্বাধীনতার ৫২ বছরের জন্য ৫২ ডালি ফুলের পাপড়ি ভাসিয়ে দেয়া হবে। সকাল ১১ টায় শহীদদের স্মরণে চুকনগর ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত কাজী সাজ্জাত আলী জহির , খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ , সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি , আক্তারুজ্জামান বাবু এমপি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান, অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মোঃ মনিরুল ইসলাম ব্রাউন  প্রমুখ।

খুলনার রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত

//কোরবান শেখ, রূপসা প্রতিনিধি//

আনন্দ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন।

নির্বাচনে সভাপতি পদে সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু ও  সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুর রাজ্জাক শেখ ও কোষাধ‍্যক্ষ নাহিদ জামান নির্বাচিত হলেন।

উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সম্মতিতে আগামী দুই বছরের জন্য  এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

গত ১৮মে বেলা ১২টায় ক্লাব কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন থানা অফিসার ইনচার্জ  মোঃ শাহিন।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখের পরিচালনায়

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন  দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টার্ফ রিপোর্টার কামরুল আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ক্লাবের উপদেষ্টা আব্দুল মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আব্দুল কাইয়ুম।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি জি এম আসাসদুজ্জামান, সহ-সভাপতি এম মুরশিদ আলী, যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম বাবু, কোষাধ‍্যক্ষ ফ ম আইয়ুব আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মজিদ শেখ, দপ্তর সম্পাদক নাহিদ জামান, প্রচার সম্পাদক মোশারফ হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক নাজিম সরদার, সদস্য ইউসা মোল্লা, নুর ইসলাম, মিলন সাহা, মারুফ হোসেন, মুসা মোল্লা সবুজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, কোরবান শেখ, জাফরিনা বেগম, রুবি খাতুন, যুবলীগ নেতা সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান হেলাল শফিকুর রহমান ইমন প্রমূখ। আলোচনা শেষে মধ্যাহ্নভোজ এর আয়োজন করা হয়।

৭ দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি//

অদ্য ১৮/০৫/২০২৩ তারিখ বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবী বাস্তবায়ন মহাজোট এর উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম,যুগ্ম আহ্বায়ক জনাব মোঃ মতিউর রহমান,১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক জনাব অভিজিৎ রায়,অর্থ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন,ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব এবনে ফারুক,বাংলাদেশ পোস্টম্যান ও ডাক কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি জনাব আবু তাহের, মৎস অধিদপ্তর গাড়ি চালক সমিতির সভাপতি জিয়াউর রহমান সহ মহাজোটের অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদান শেষে মহাজোট এর আহ্বায়ক জনাব মোঃ মিরাজুল ইসলাম বলেন,আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী,বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে লালন করে আমরা একটি সমৃদ্ধ শালী উন্নত দেশে রূপান্তরিত করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আজ বলতে হচ্ছে আমরা চরম বৈষম্যের শিকার,আমাদের দুর্দশার চিত্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বার বার পেশ করা সত্বেও আমরা কোন সফল সমাধান পাচ্ছি না।

আর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ত্রিদেশীয় সফর শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী গণ কে ২০১৫ সালে পে স্কেল এ বেতন ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে,তারা গাড়ি,বাড়ি ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পাচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হয়ত জানেন না যে এসকল সুবিধা গুলো প্রজাতন্ত্রের কোন স্তরের কর্মচারীরা ভোগ করেন।

আমি স্পষ্ট ভাবে বলতে চাই ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি মানবতার মা,আপনি খোঁজ নিয়ে দেখুন উল্লেখিত সুবিধা গুলো শুধু ১-১০ গ্রেডের কর্মকর্তা গণ ভোগ করেন।

১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদেরকে এসব সুযোগ সুবিধা থেকে আজীবন বঞ্চিত করা হয়েছে।২০১৫ সালের পর কয়েক দফায় নিত্য পণ্য সহ সকল ধরনের জিনিসের দাম বেড়েছে।আমরা ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা অর্ধাহারে অনাহারে জীবন যাপন করছি।

তাই বর্তমান বাজার মূল্য বিবেচনা করে দ্রুত পে কমিশন গঠনের মাধ্যমে নবম পে স্কেল ঘোষণা ও পে স্কেল প্রদানের পূর্ব পর্যন্ত সর্বনিম্ন ৫০% মহার্ঘ ভাতা প্রদান করার জোর দাবী জানাচ্ছি।

আগামী ৩০ মে ২০২৩ এর মধ্যে যদি দাবী বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হয় তাহলে আগামী ৩রা জুন ২০২৩ জাতীয় প্রেক্লাবের সামনে লক্ষ লক্ষ গণ – কর্মচারীদের উপস্থিতিতে মানববন্ধন কর্মসূচি সহ কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবো।

এসময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য সমাপ্তি করেন।

ডুমুরিয়ায় মহিলা আওয়ামী লীগের স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তন দিবস ও বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন‍্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ১৭ মে  বুধবার বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের উদ‍্যেগে শহীদ স্মৃতি মহিলা কলেজের হলরুমে আলোচনা সভা ও বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তহমিনা বেগমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস‍্য হাসনা হেনার পরিচালনার সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, বিশেষ অতিথির বক্তব‍্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন শাহানেওয়াজ হোসেন,জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোসনেআরা চম্পা, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নাজনীন নাহার কনা,  রাখি আক্তার, শারমিনা পারভীন রুমা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। সভায় আগামি ২০ মে ডুমুরিয়ায় মহিলা কমী সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

ডুমুরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে যুবলীগের আলোচনা সভা

//বিশেষ প্রতিনিধি খুলনা//

গনতন্ত্রের মানষকন‍্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত‍্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রিয় কর্মসূচি অংশ হিসাবে  ১৭ মে  বুধবার বিকেলে উপজেলা যুবলীগের উদ‍্যেগে দলীয় কার্যলযে র‍্যালী আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয।

উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক প্রভাষক গোবিন্দ ঘোষের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব‍্যদেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ‍্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, এম এম সুলতান আহম্মেদ, জিএম ফারুক হোসেন, মোল্ল‍্যা সোহেল রানা, যুবলীগ নেতা শেখ ইকবাল হোসেন, মোল্ল‍্যা জাহিদুল ইসলাম, অমিত বিশ্বাস অপু, সমির দে গোরা,  রবিউল ইসলাম আন্টু, দিলিপ মন্ডল, খান তৌহিদুজামান রাতুল, কামরুল ইসলাম, ফিরোজ আহম্মেদ, বিশ্বনাথ দে, মেহেদি হাসান রাজা, জিল্লুর রহমান আকুজ্ঞি, খান আবুল বাশার, গাজী সোহেল আহম্মেদ লিটন, মেহেদি মাসুদ, বিশ্বজিৎ মজুমদার, ইকবাল হোসেন ছালাম, শেখ রফিকুল ইসলাম, ইকতাজ্জামান ইছাক, ব্রজেন সরকার, সোহাগ গাজী, রাসেল সরদার, আব্দুল হালিম রাজু, রোকনুজ্জামান  মন্টু, মৃম্ময বাছাড়, মঞ্জুরুল ইসলাম মোড়ল, প্রমুখ।

 

প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রূপসায় আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

//খুলনা ব্যুরো//

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর আয়োজনে বুধবার বিকালে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি
ইউপি চেয়ারম্যান অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাসেম ডাবলুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন সাবেক জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির,যুগ্ম সম্পাদক মো:ইমদাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, এমডি রকিব উদ্দীন, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

এসময় বক্তৃতা ও উপস্থিত ছিলেন দপ্তর সম্পাদক আকতার ফারুক, স ম জাহাঙ্গীর হোসেন, আল মামুন সরকার, ইউনিয়নন আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান মো:জাহাঙ্গীর শেখ, মনিরুজ্জামান মনি, বিনয় কৃষ্ণ হালদার, শেখ হাবিবুর রহমান, শাহ নেওয়াজ মাখদুম,

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি, সাধারণ সম্পাদক রাজিব দাস টাল্টু,

সচীব আশরাফ আলী রাজ, বাদশা মিয়া, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম,তারেক আজিজ,খায়রুজ্জামান সজল,সাইফুল ইসলাম শাওন,
কৃষকলীগের মাহমুদুল হাসান শামীম, রবিউল ইসলাম, মুসা লস্কর,ফ,ম আইয়ুব আলী, ইউপি সদস্য মঈন উদ্দিন, মোঃ জাকির মোড়ল, লিটন সরকার,মনিরুল ইসলাম, মামুন শেখ, নাজির হোসেন,
ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল পারভেজ, মুছা মোল্লা সবুজ, আ:জব্বার শেখ, মো: মাসুদ রানা,
শেখ হারুন, দিলীপ শীল, সাইফুল
ইসলাম, বিল্লাল, ফরহাদ হোসেনসহ
দলীয় নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাল্য বিয়ে, ইভটিজিং, মাদক জঙ্গীবাদ নির্মূূলে কাজ করতে হবে — বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

মানুষের পাশে দাড়ান। সকল সেবা প্রত্যাশীদের আপন ভাবুুন। জনকল্যাণে কাজ করুন। এদেশ আমার, আপনার, সকলের। আমার চেয়ার জনগণের সেবার জন্য। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ দফা বাস্তবায়নে সকল দপ্তরের সাথে জনগণের সম্পৃক্ততা জোরদার করে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

সেবার মান উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলো সঠিকভাবে ও সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে।

এজন্য সাংবাদিকরাও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সচ্ছতা আছে কি না সেটিও দেখবেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করবেন। মঙ্গলবার বেলা ২ টায় রামপাল উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত ভিশন এবং এসডিজি অর্জনে কাজ করতে হবে। স্ব স্ব দপ্তরের কর্মকর্তাগণ দায়িত্ব পালনে সচেতন হবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাল্য বিয়ে, ইভটিজিং, মাদক জঙ্গীবাদ নির্মূূলে কাজ করতে হবে। সনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হবে।

রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ সালাউদ্দিন দিপু, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল, কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রাণী মন্ডল, মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস, এলজিইডি প্রকৌশলী কর্মকর্তা গোলজার হোসেন, ওসি এস, এম আশরাফুল আলম, পিআইও মো. মতিউর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হক, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো মতিউর রহমান, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম, এ সবুর রানা, সি. সহসভাপতি মোতাহার হোসেন মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক সুজন মজুমদার প্রমুখ।

যশোরে বিশ্ব মা দিবসে ৫ রত্নগর্ভা মাকে দেওয়া হলো সম্মাননা

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যথাযথ সম্মানের সাথে যশোরে পালিত হয়েছে বিশ্ব মা দিবস। রবিবার (১৪ মে) বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক সংগঠন শেকড় মা দিবসের আয়োজন করে।

সংগঠনের সভাপতি অ্যাঞ্জেলা গোমেজ -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক জনাব তমিজুল ইসলাম খান ,বিশেষ‌ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তন্দ্রা ভট্টাচার্য।বক্তব্য রাখেন মা দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক নারী নেত্রী হাবিবা শেফা ও  যুগ্ম আহ্বায়ক অর্চনা বিশ্বাস।

মা দিবস উপলক্ষে বিকালে অনুষ্ঠিত হয় মা ও শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা এবং মাকে নিয়ে সংগীত, নাটক ও কবিতা আবৃত্তি।সর্বশেষে ৫জন রত্নগর্ভা মাকে দেওয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।

সম্মাননা পাওয়া পাঁচ রত্নগর্ভা মা হচ্ছেন -রেবা রানী সোম, তৌহিদা পারভীন, জীবন নেছা, সুফিয়া খানম ও তৈয়বা কামরুন নাহার।

বাগেরহাটের রামপালে তীব্র লবনাক্ততার মধ্যেও বোরো’র ফলনে কৃষকের হাসি

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

উপকূলীয় উপজেলার রামপালে তীব্র লবনাক্ততার মধ্যেও বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি ও ভালো ফলন ঘরে তুলছে কৃষকরা। জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে এ এলাকার কৃষিতে পরিবর্তন আনায় বোরো ধানের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কৃষকতার আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে।

রামপাল কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর বোরো’র আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। সেটি বেড়ে ৪ হাজার ৭০১ হেক্টরে দাড়িয়েছে। তীব্র দাবদাহ, লবনাক্ততার প্রভাব ও মিষ্টি পানির অভাবে হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে রয়েছে। কৃষকদের লবন সহিষ্ণু জাতের উন্নত জাতের বীজ ধান, সার ও কৃষি উপকরণ এবং প্রশিক্ষণ প্রদান করায় কৃষি খাত বেশ ঘুরে দাড়িয়েছে।

এ বছর উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নে ৫৩৫ হেক্টর, উজলকুড় ইউনিয়নে ২ হাজার ৪১২ হেক্টর, বাইনতলা ইউনিয়নে ১ হাজার ৬ হেক্টর, রামপাল সদর ইউনিয়নে ৪৮২ হেক্টর, রাজনগর ইউনিয়নে ১০৮ হেক্টর, হুড়কা ইউনিয়নে ২৮ হেক্টর, পেড়িখালী ইউনিয়নে ৪২ হেক্টর, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে ৯ হেক্টর, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নে ৬৭ হেক্টর ও বাঁশতলী ইউনিয়নে ১২ হেক্টর জমিসহ মোট ৭ হাজার ৭০১ হেক্টর জমি আবাদের আওতায় আনা হয়েছিল। এতে প্রায় ২০ হাজার ৬৬১ মে. টান চাল উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত বছর আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৫ হেক্টর, আবাদ হয়েছিল ৪ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমি। চাল উৎপাদন হয়েছিল ১৮ হাজার ৪৩২ টান। গত ২০২০-২১ অর্থ বছরে আবাদের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৩০০ হেক্টর। আবাদ হয়েছিল ৪ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমি। আর চাল উৎপাদন হয়েছিল ১৯ হাজার ৭২২ মে. টান। উপজেলার বড়দিয়া গ্রামের কৃষক মোন্তাজ মোল্লা, সিংগড়বুনিয়া গ্রামের কৃষক বাকিবিল্লাহ ও হুড়কা ইউনিয়নের পার্থর সাথে কথা হলে তার জানান, কৃষি অফিসের ম্যাডাম কৃষ্ণা রাণী মন্ডল আমাদের সময়মত বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ করার জন্য আমরা এবার ভালো ফসল পেয়েছি।

আশা করি আগামীতেও কৃষি অফিস থেকে আমাদের মতো গরীব কৃষকদের এভাবে সার, বীজ দিলে আমরা কৃষিতে আরো ভালো ফসল ফলাতে পারবো।
রামপাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল জানান, প্রতিনিয়ত জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে। মাটির লবনাক্ততার পাশাপাশি বাতাসেও লবণের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা কৃষকদের প্রশিক্ষণ, প্রণোদনার মাধ্যমে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ দিয়েছি।

আমাদের কৃষকরা যাতে কৃষিতে আগের মত ফিরে দাড়াতে পারে, এ জন্য আমরা বাগেরহাট জেলার উপপরিচালক স্যার, মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ সার্বিকভাবে সহায়তা প্রদান করছেন। আশা করি কৃষিতে রামপালে আবারও বিপ্লব ঘটবে।

বাগেরহাটের রামপালে সুপেয় পানি বঞ্চিত ৬৫০ টি পরিবার পেল পানির ট্যাংক

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি ||

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তীব্র লবনাক্ততায় জর্জরিত বাগেরহাটের  রামপালে সুপেয় পানি বঞ্চিত ৬৫০ টি পরিবার পেল পানির ট্যাংক। জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ও রামপাল উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে এসব পানির ট্যাংক সরবরাহ করা হয়েছে। বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি’র প্রচেষ্টায় উপকূলীয় উপজেলার রামপাল ও মোংলায় প্রায় ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ট্যাংক বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে মোংলায় ১ হাজার ৩৫০ টি এবং রামপালের ৫ টি ইউনিয়নে ৬৫০ টি পানির ট্যাংক বিতরণ চলমান রয়েছে।
উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এর পক্ষে তার একান্ত সহকারী মো. রেদওয়ান মারুফ মল্লিকেরবেড়, ভোজপাতিয়া ও পেড়িখালী ইউনিয়নে ২০০ করে এবং রামপাল সদর ও হুড়কা ইউনিয়নে ৫০ টি করে এই ট্যাংক বিতরণ করেন।

বিতরণকালে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তারেক তালুকদার মন্টু, আবুল কালাম আজাদ, সালাম আকন, জাহিদ হাওলাদার, ভোজপাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ নূরুল আমীন, পিয়ার মাস্টারসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রামপাল এলাকায় তীব্র লবনাক্ততার কারণে স্বাভাবিক পানির উৎস নেই বললে চলে। অনেক এলাকায় অগভীর বা গভীর নলকূপে সুপেয় পানি পাওয়া যায় না। এছাড়াও তীব্র আর্সেনিক দূষক রয়েছে। এখন হার্ভেস্টিং ওয়াটার বা নিরাপদ বৃষ্টির পানিই একমাত্র ভরসা।

এ উপজেলার প্রায় দুই লক্ষ মানুষের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহনে সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা চেষ্টা করছি শতভাগ মানুষ যেন সুপেয় পানি পান করতে পারেন। এ বছর সরকারের পক্ষ থেকে আরও ট্যাংক বিতরণ করা হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।