এমপি রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে শতকোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বহুল আলোচিত স্বতন্ত্র সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে কাবিখা, কাবিটা, টিআর, এডিবিসহ বিভিন্ন প্রকল্প দেওয়ার নামে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত প্রায় পাঁচ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে শতাধিক কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। নির্বাচনি হলফনামায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্য গোপন করেছেন। ভুক্তভোগীরা এমপি বাবলুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বগুড়ার শাজাহানপুরের মাঝিরা ইউনিয়নের ওয়ার্ড সদস্য মজিবুর রহমান ও অন্যরা অভিযোগ করেন, সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তার বাৎসরিক আয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা উল্লেখ করেন। সে হিসাবে তার মাসিক আয় ছিল ৪১৭ টাকা। ব্যাংক হিসাব শূন্য ও একটি মাটির বাড়ির কথা উল্লেখ করেছিলেন।

তিনি ২০০৭ সালে নিজের প্রতিষ্ঠিত কারিগরি বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে ঘুস নেওয়ায় এক ব্যক্তি মামলা করেছিলেন। এমপি হলফনামায় ৩(ক) ও ৩ (খ)তে তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার তথ্য গোপন করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আগে পুরাতন মোটরসাইকেলে চলাফেরা করলেও সংসদ-সদস্য হওয়ার দুই মাসের মাথায় ৩৪ লাখ টাকা দামের গাড়ি কিনে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। মাটির বাড়ি ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণ চলছে। শাজাহানপুর উপজেলার ডোমনপুকুর, মাঝিরাসহ বিভিন্ন এলাকায় চার জামাতাকে ভবন নির্মাণ করে দিয়েছেন। ডোমনপুকুর এলাকায় মাঝিরা বিএম কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে নিজের টাকায় জায়গা কিনেছেন।

নিজেই দাবি করেন, তিনি (এমপি) শতকোটি টাকার মালিক। ২০২০ সালের অক্টোবরে অস্ত্র ও ম্যাগাজিনসহ নিজের একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল করে তুমুল সমালোচিত হন এমপি বাবলু।

তারা আরও বলেন, এমপি বাবলু এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গোরস্থান, ক্লাব ও সমিতিকে টাকা ছাড়া কোনো প্রকল্প দেন না। কাবিখা, কাবিটা, টিআর, এডিবি, সৌর প্যানেল, টিউবওয়েলসহ সরকারের যত প্রকল্প আছে সব টাকার বিনিময়ে দিয়ে থাকেন। গত প্রায় পাঁচ বছরে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়ায় দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয় থেকে তাকে নোটিশ করা হয়েছিল। তদন্তে অনেক অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির সন্ধান পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নেন। সেই কর্মকর্তা বদলি হওয়ার পর এমপি বাবলু মামলার কার্যক্রম চাপা দিয়ে রেখেছেন। তারা এমপির সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি বরাদ্দে স্বজনপ্রীতি ও লুটপাটের বিচার চেয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শাজাহানপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশা আলমগীর অভিযোগ করেন, এমপি বাবলু কাবিটা-কাবিখা প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ দেওয়ার নামে তার কাছে চার লাখ টাকা নেন। আজ পর্যন্ত প্রকল্প পাননি। তাকে টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এ টাকা ফেরত নিয়ে বাগবিতণ্ডায় এমপি শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নুর দিকে পিস্তল তাক করেছিলেন। এমপি বাবলু কয়েক বছরে প্রকল্প দেওয়ার নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

উপজেলার খোট্টাপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিরা উত্তরপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলামের ছেলে আশরাফ আলী মিঠু অভিযোগ করেন, এমপি বাবলু ও তার পিএ রেজাউল করিম রেজা তাকে ১২টি প্রকল্পের কাজ দেওয়ার নামে তিন লাখ টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ দেওয়া হয়নি। অনেক দেনদরবার করে মাত্র ২০ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছেন। তার অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন। সেখান থেকেও এমপি পাঁচ হাজার টাকা কেটে নিয়েছেন।

দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ-সদস্য বাবলু নির্বাচনি হলফনামায় যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন এর চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে বগুড়ায় নির্মাণাধীন বহুতল বাড়ি, ঢাকায় ফ্ল্যাট, ব্যক্তিগত ৩-৪টি গাড়ি কেনার তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে শুল্কমুক্ত একটি বিলাসবহুল পাজেরোও আছে। নোটিশের প্রেক্ষিতে এমপি বাবলু ২০২১ সালের ২৩ জুন তার সম্পদ বিবরণী জমা দেন।

সাবেক সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি তদন্তকালে এমপি বাবলুর স্ত্রীর নামে কোটি টাকার বেশি ও এমপির নামে ৬০-৭০ লাখ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কথা। এতদিন কেন মামলা হয়নি তা বোধগম্য নয়। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম জানান, এমপি বাবলু তার সম্পদ বিবরণী জমা দিয়েছেন। যা বর্তমানে অনুসন্ধানে রয়েছে।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শুক্রবার বিকালে ফোনে সংসদ-সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগকারীরা সবাই মাদকসেবী। তারা কারও ইন্ধনে ও চাঁদা না পেয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য মিথ্যাচার করছেন। তিনি প্রকল্প দেওয়ার নামে কারও কাছ থেকে কখনো টাকা নেননি। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোনো সম্পদ অর্জন করেননি বলেই দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করেনি। তিনি দাবি করেন, তার চার জামাতা অনেক ধনী। তারা নির্বাচনের সময় তাকে সহযোগিতা করেছে। এখনো অনেক সহযোগিতা করে থাকে। তাই তাদের ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এছাড়া তিনি নিজেও কোনো ভবন নির্মাণ বা বাড়ি-ফ্ল্যাট ক্রয় করেননি। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

সিচুয়েশনশিপ হ্যাঁ ঠিক পড়েছেন, এটা সম্পর্কের এক নতুন নাম

হান্টার বাইডেন অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ডেলাওয়্যারের একটি আদালতে

কুমিলা-১০ আসনে কাউন্সিলদের ভোটে জাহাঙ্গীর আলম জাকের পার্টির প্রার্থী নির্বাচিত

//কুমিল্লা প্রতিনিধি//

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা -১০ (নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিন- লালমাই) সংসদীয় আসনে জাকের পার্টি ( গোলাপ ফুল প্রতীক) দলীয় প্রার্থী নির্ধারন উপলক্ষে নির্বাচনী কাউন্সিল ও মতবিনিময় সভা নাঙ্গলকোট ধানুয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাকের পার্টির নাঙ্গলকোট উপজেলা সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন জাকের পার্টির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলের মহাসচিব মুরাদ হোসেন জামাল, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শামিম হায়দার, মাহাবুবুর রহমান হায়দার, আবদুল লতিফ খান যুবরাজ, শেখ নজরুল ইসলাম লিটন, আলহাজ্ব মুফতি শরিফুল ইসলাম সাইফি, রবিউল ইসলাম রবি, জাকের পার্টির যুব স্বেচ্ছাসেবক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ হাসান জামাল, মৎস্যজীবি ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, যুব ও হিন্দু ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারসাধারণণ সম্পাদক বিপ্লব বণিক, শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সম্পাদক শেখ মোঃ নজরুল ইসলাম, বাস্তুহারা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ হাওলাদার, কৃষক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক কৃষক মোঃ মহিউদ্দিন ফকির, তালাবা ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি মাওলানা কাউসার আহমেদ চাঁদপুরী, জাকের পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য ( কুমিল্লা ও বি- বাড়িয়া) সাংগঠনিক জেলা মোঃ সেলিম কবির, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল হালিম এডভোকেট, কুমিল্লা দক্ষিন জেলা জাকের পার্টির সভাপতি এডভোকেট আবুল হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা জাকের পার্টি সভাপতি মোঃ নুরে আলম কানিক, সাধারন সম্পাদক সেলিম চৌধুরী হীরা, কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিন সাংগঠনিক জেলা নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষো সর্বোচ্চ ২১২ ভোট পেয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলার জাকের পার্টির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা-১০ ( নাঙ্গলকোট-সদর দক্ষিন- লালমাই) আসনে জাকের পার্টির ( গোলাফ ফুল) প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচিত হোন।

উৎসব মুখর পরিবেশ প্রার্থী নির্ধারনে ২ জন প্রার্থী ভোটে অংশ গ্রহন করেন তাহারা তাদের মধ্যে এ কে এম আবদুস ছালাম ১৩ ভোট পেয়েছেন।

গনতান্ত্রিক রাজনীতিতে জাকের পার্টি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে জাকের পার্টির নাঙ্গলকোট উপজেলা সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবেদকে জানান

উন্নত দেশ গঠনে শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এর সার্বিক উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ সরকার শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করতে ব্যাপক কাজ করেছে।

সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন বহুতল ভবন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এসেছে।

এই সরকার দেশের সব স্কুল-কলেজের পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসাগুলোতেও একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উন্নত দেশ গঠনে শিক্ষাখাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

তিনি আরো বলেন, একটি জাতিকে সুস্থভাবে গড়তে শিশুদের শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সরকার বিনামূল্যে বই বিতরণ, শিক্ষাবৃত্তি, অবকাঠামো নির্মাণ, স্কুল জাতীয়করণ ও এমপিওভুক্তিসহ অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ রেখেছে।

দেশে এখন কোনও কিছুর অভাব নেই। জনগণের প্রয়োজনে সব করা হচ্ছে। দেশ এখন উন্নয়নের আলোয় আলোকিত। আর এসব উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ সম্ভব হয়েছে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার জন্যই।

আজ ১০সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় রূপসা উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে মান সম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে  এক  মতবিনিময় সভায়  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান এর সভাপতিত্বে  ও  শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন  জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, ওসি তদন্ত মো:সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সদস‍্য আ: মজিদ ফকির,  উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,  সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ হালদার সহাকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মাসুদ রানা, ইউআরসি ইন্সটাকটর  মো: নসিবুর রহমান, প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, আ:সাত্তার খান  শ্যামল কুমার দাস,  মাসুদ আলম,সালাউদ্দীন আহমেদ, মোতাহার হোসেন, আবুল কাশেম, নিশিত রঞ্জন মহলী, মারুফ মোড়ল  শাবানা খানম, তারিকুল ইসলাম শহিদুল ইসলাম, সাগরিকা সাহা, সুলতানা জাহান, পারভীন সুলতানা, নাসরিন নাহার লিপি,রোমেছা সুলতানাসহ অনেকেই  উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার ৬৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন এবং

শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও সভাপতিদের মাঝে সম্মাননা প্রদান করেন প্রধান অতিথি।

এছাড়া বেলা সাড়ে ১২টায় সামন্তসেনা দারুসুন্নাত ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী  সম্প্রসারণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন এমপি আব্দুস সালাম মূশের্দী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন

থানা অফিসার ইনচার্জ মো:শাহিন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশল  মো: আশরাফুল হক,  আ:মজিদ ফকির ,  সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, ইমদাদুল ইসলাম, মাদ্রাসা সুপার মো:শফিউদ্দীন নেছারী, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মো:ইলিয়াজ শেখসহ শিক্ষক,শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

Daily World News

৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল এখন আপনিও চালাতে পারবেন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন,

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যা করার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিরা দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। কিন্তু ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ বিরোধীদের সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে উত্তরণের জন্য মনোনিবেশ করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই একটি আদর্শ, একটি দর্শন, তিনি চিরঞ্জীব। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর জীবনী বিশ্লেষণের মাধ্যমে বোঝা যায় যে তিনি ছিলেন নির্লোভ, নির্মোহ ও অদম্য সাহসী রাজনীতিবিদ, যিনি একাধারে বিশ্বমানবতার প্রতীক এবং মুক্তিকামী মানুষের নেতা। তিনি আমাদের একটি স্বাধীন দেশ, বিজয় পতাকা এবং পরিপূর্ণ দলিল হিসেবে ৭২’র সংবিধান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস এবং একমাত্র আওয়ামী লীগই পারে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে’।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ওরা আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলার জনগণ তা হতে দেয়নি।

বঙ্গবন্ধুর চেতনা, আদর্শ ও দর্শনকে নবীণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবার প্রয়াস গ্রহণ করতে হবে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষের এই সময়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সুখী, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গঠনে নবপ্রজন্মকে প্রত্যয়ী হতে হবে।

সব কিছু ভুলে গিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে।

আজ ২৮ আগস্ট সোমবার বিকেলে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডবাসীর আয়োজনে ইলাইপুর মোড়স্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ইফতেখায়রুল আলম  এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম, সাবেক সদস‍্য আ: মজিদ ফকির,  জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু,  আরিফুর রহমান মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান সোহেল এর সার্বিক  তত্ত্বাবধানে ও উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সদস‍্য আমজাদ হোসেন এর  পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ইউপি চেয়ারম্যান  কামাল হোসেন বুলবুল,মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার হোসেন খান,  স ম জাহাঙ্গীর, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রিনা পারভীন, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান শেখ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি, ইউপি সদস‍্য  আলমগীর হোসেন শ্রাবণ, মো: বাবর আলী, মাহফুজ শেখ, ফরিদ শেখ, শেখ আসাদুজ্জামান, মনিরুজ্জামান পিলু,  মামুন শেখ, নাজির শেখ, মোজাফফাল শেখ,  ইলিয়াজ শেখ, আজমল ফকির, রবিউল ইসলাম,  যুবলীগের হারুন মোল্লা,আশিষ রায়, সরদার জসিম উদ্দীন,  খালিদ হোসেন,  আজমল হোসেন, রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জমান সজল,ইমন গাজী, মহিউদ্দীন মানিক, বাকী বিল্লাহ,  আ:করিম, সোহেল  শেখ, কামরুল ইসলাম,  ইমামুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস,শেখ রাসেল,নোমান সৈকত প্রমূখ।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হয়েছে: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪আসনের সংসদ সদস‍্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন,

বাংলাদেশের সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার সকল ক্ষেত্রে ব‍্যাপক উন্ন য়ন করে যাচ্ছেন।

সরকার অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা, বাসস্থান, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ প্রতিটি খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই আমরা এটা করতে পেরেছি।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হয়েছে: সালাম মূশের্দী এমপি

আওয়ামী লীগ সবসময়ই জনগণের কল্যাণে কাজ করে। দল যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পেয়েছে।

‘আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই দেশের উন্নয়ন হয়। আমরা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করেছি এবং একে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।’

তিনি আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের পরও সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। চলমান যুদ্ধের কারণে উন্নতসহ অনেক দেশ সংকটে পড়লেও বহু দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থা এখনও ভালো।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সারাদেশে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে বাড়ি দিয়ে আসছে। তারা ইতোমধ্যে আবাসন প্রকল্পের আওতায় ৩৫ লাখ লোককে বাড়ি দিয়েছেন এবং তাদের জীবিকা নিশ্চিত করেছেন।

দেশে কেউ গৃহহীন থাকবে না, কারণ সরকার প্রতিটি গৃহহীন লোককে বিনামূল্যে আবাসন প্রকল্পের আওতায় আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছি। বিএনপি-জামায়াত জোট ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধা ব্যবহার করে আমাদেরই বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’ এসব অপপ্রচারে কান না দেয়ারও আহ্বান করেছেন সকলকে।

:আজ ২৮আগস্ট সোমবার রূপসার তিলক গ্রামে সাইদ মোল্লার বাড়িতে উঠান  বৈঠক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কামরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম, সাবেক সদস‍্য আ: মজিদ ফকির,  জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, উপজেলা

আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব,ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা।

উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সদস‍্য আসাদুজ্জামান বাবুর পরিচালনায় বক্তৃতা করেন ইউপি চেয়ারম্যান  মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, মো: জাহাঙ্গীর শেখ, আকতার  ফারুক,  মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী রিনা পারভীন, স ম জাহাঙ্গীর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহুল আমিন রবি, ইউপি সদস‍্য মো: মঈন উদ্দীন, আওরঙ্গজেব স্বর্ণ, দাউদ আলী, ইনতাজ মোল্লা,  জাকির মোড়ল, হোসনেয়ারা বেগম, নাজমা বেগম, ফরিদ শেখ, শেখ আসাদুজ্জামান, মনিরুজ্জামান পিলু,  মামুন শেখ, নাজির শেখ,  ইলিয়াজ শেখ, যুবলীগের হারুন মোল্লা,  সরদার জসিম উদ্দীন,  রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জমান সজল,ইমন গাজী, সৈয়দ হেলাল, মহিউদ্দীন মানিক, সোহেল  শেখ, সজীব শেখ, সোহাগ মোল্লা প্রমূখ।

Daily World News

১৬০ বিশ্বনেতা ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোলাচিঠি

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সরকার সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব‍্যহত রেখেছে: সালাম মূশের্দী এমপি

১৬০ বিশ্বনেতা ড. ইউনূসের বিচার স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খোলাচিঠি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

শান্তিতে নোবেলজয়ী, বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের আচরণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলাচিঠি লিখেছিলেন রাজনীতি, কূটনীতি, ব্যবসা, শিল্পকলা ও শিক্ষাক্ষেত্রের ৪০ জন বিশ্বনেতা। তাদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আল গোর, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে টেড কেনেডি জুনিয়রের মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বরা।

ওই খোলাচিঠির ধারাবাহিকতায় এবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১০০ জনেরও বেশি নোবেল বিজয়ী সহ ১৬০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতা একটি নতুন চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস-হোর্তা, আয়ারল্যান্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুনের মতো ব্যক্তিত্ব। উক্ত চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের একজন, রেজাল্টস অ্যান্ড সিভিক কারেজের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ডেলি-হ্যারিস এক বিজ্ঞপ্তিতে চিঠিটি প্রকাশ করেছেন।

চিঠির শুরুতে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ সম্বোধন করে লেখা হয়েছে, আমরা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, নির্বাচিত কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের নেতার পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্ধু হিসেবে লিখছি। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর থেকে আপনাদের জাতি যেভাবে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে আমরা তার প্রশংসা করি।

কিন্তু, সম্প্রতি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি দেখেছি তাতে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি যে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া এবং নির্বাচনে প্রশাসন দেশের সব বড় দলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়াটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগের দুটি জাতীয় নির্বাচনে বৈধতার অভাব ছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারের প্রতি যে হুমকি আমাদের উদ্বিগ্ন করে তা হলো- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের মামলা। আমরা উদ্বিগ্ন যে, সম্প্রতি তাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটা ক্রমাগত বিচারিক হয়রানি বলেই আমাদের বিশ্বাস।

আমরা বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যে, আপনি অবিলম্বে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বর্তমান বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত করুন।

তারপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইন বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা রাখার সুযোগ সহ আপনার দেশের মধ্য থেকে নিরপেক্ষ বিচারকদের একটি প্যানেল দ্বারা অভিযোগের পর্যালোচনা করা হবে। আমরা নিশ্চিত যে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিবিরোধী এবং শ্রম আইনের মামলাগুলোর যে কোনও পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করলে তিনি খালাস পাবেন।

আপনি জানেন যে, ‘কীভাবে সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে শূণ্য দারিদ্র্য, শূণ্য বেকারত্ব এবং শূণ্য নেট কার্বন নিঃসরণ আন্তর্জাতিক অগ্রগতির জন্য একটি শক্তি হতে পারে’ এ নিয়ে প্রফেসর ইউনূসের কাজ আমাদের সকলের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিরা কীভাবে বৈশ্বিক অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন তিনি তার একটি প্রধান উদাহরণ। আমরা আন্তরিকভাবে কামনা করি তিনি যেনো নিপীড়ন বা হয়রানি মুক্ত হয়ে তার উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

চিঠির শেষে বলা হয়েছে, আমরা আশা করি, আপনি এই আইনি সমস্যাগুলোর সমাধান একটি সমীচীন, নিরপেক্ষ এবং ন্যায়সংগত পদ্ধতি নিশ্চিত করবেন। এর পাশাপাশি আসছে দিনে একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন এবং সব ধরনের মানবাধিকারের প্রতি সম্মান (প্রদর্শন) নিশ্চিত করবেন। সামনের দিনগুলোতে কীভাবে এই বিষয়গুলোর সমাধান করা হয় তা ঘনিষ্ঠভাবে নজরে রাখার জন্য আমরা বিশ্বের লাখ লাখ উদ্বিগ্ন নাগরিকদের শিবিরে যোগ দেবো’। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সরকার সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব‍্যহত রেখেছে: সালাম মূশের্দী এমপি

রামপালে পুলিশের পৃথক অভিযানে তামার তারসহ ২ চোর আটক

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সরকার সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন অব‍্যহত রেখেছে: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস‍্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সদস‍্য আব্দুস সালাম মূশের্দী বলেছেন, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রাস্তাঘাট,মসজিদ, মাদ্রাসা মন্দির সহ  সকল ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন অব্যাহত আছে।

অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাড়াতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে  সরকার।

সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সারাদেশে সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণের পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা চেয়েছিলেন একদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরদিকে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

যার সুফল আপনারা আজ পাচেছন এবং আমাদের লক্ষ্য দেশকে আরো উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

কেননা আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করাতে সারাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাওয়াটাকে আমাদের কর্তব্য বলেই মনে করি।

বাংলাদেশকে নিয়ে জাতির পিতার যে চিন্তা চেতানা ও আদর্শ ছিল সেটাই আমাদের চলার পথের পাথেয়। আর আমরা চাই আমাদের এই অগ্রযাত্রা যেন অব্যাহত থাকে।

আজ ২৮আগস্ট সোমবার দুপুরে রূপসা উপজেলাধীন খুলনা-মংলা কুদীর বটতলা,খাজাডাঙ্গা, হাতেমতলা লকপুর জিসি মংলা রোড  ভায়া সামন্ত সেনা নতুন হাট সড়কের ১৭৪২ মিটার চেইনেজের ৩০ মিটার দৈর্ঘ‍্যের  পিসিসি  গার্ডর ব্রিজ নির্মাণ  কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন বাদশা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহান,  উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ  ফ ম আব্দুস সালাম, সাবেক সদস‍্য আ: মজিদ ফকির,  জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,  সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, ইউপি চেয়ারম্যান  মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আ:  মান্নান শেখ, দপ্তর সম্পাদক আকতার  ফারুক, রিনা পারভীন, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, স ম জাহাঙ্গীর, ফরিদ শেখ, শেখ আসাদুজ্জামান, মনিরুজ্জামান পিলু,  মামুন শেখ, নাজির শেখ,  যুবলীগের সরদার জসিম উদ্দীন,  রবিউল ইসলাম, খায়রুজ্জমান সজল,ইমন গাজী, মহিউদ্দীন মানিক,  এইতেশামুল হক অপু, সোহেল  শেখ, সজীব শেখ, সোহাগ মোল্লা প্রমূখ।

উত্তপ্ত নাঙ্গলকোট আওয়ামী লীগ

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির দ্বন্দ্ব নিয়ে বর্তমান ও সাবেক দুই সাধারণ সম্পাদকের হুঁশিয়ারিমূলক পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে উপজেলার রাজনীতি। চলছে মাঠ পর্যায়ের শক্তির খেলা। তাই জাতীয় প্রোগ্রামগুলোকে কেন্দ্র করে আলাদা কর্মসূচি পালন করেছে উভয় গ্রুপ। কেউ কাউকে একচুলও ছাড় দিতে রাজি নন তারা। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে বইছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

এদিকে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এভাবে চলতে থাকলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে বলে আশঙ্কা করছেন দলীয় নেতারা। তাই তারা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপির দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে থাকার কারণে এসব দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। তিনি এলাকায় এসে তৃণমূল পর্যায়ে খোঁজখবর নিয়ে নতুন একটি কমিটি গঠন করলে এ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটবে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

খোঁজ নিয়ে যায় যায়, গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ব্যানারে প্রোগ্রাম করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক আবু। অপরদিকে, উপজেলা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের ব্যানারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু ইউছুফ ভূইয়া অংশ নেন।

ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে আবু বক্কর ছিদ্দিক আবু বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুউদ্দিন কালু রাজাকারের পুত্র। তার পিতা পিস কমিটির সভাপতি ছিলেন। জাতীয় পার্টি থেকে ১৯৯৭ সালে সামছুউদ্দিন কালুকে আমি আওয়ামী লীগে যোগদান করাই। আওয়ামী লীগের সব নেতা আমাকে তার বিষয়ে বাধা দিয়েছে। তাকে দলে না নেওয়ার জন্য। সবার বাধাকে উপেক্ষা করে আমি তাকে অনেক স্নেহ করেছি। কয়েকদিন আগে খবর পাঠিয়েছে সে আমার গাড়ি ভেঙে ফেলবে।

অপরদিকে, গত সোমবার বিকেলে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের বিচার কার্যকর করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ ভূইয়া বলেন, সম্মেলন করে জেলা কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে সামছুুউদ্দিন কালু সভাপতি আর আমি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাই। কিন্তু তারা অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপিকে ভুল বুঝিয়ে রাতের অন্ধকারে কমিটি নিয়ে আসে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি বলেন, হানাহানি করা যাবে না। সবাইকে নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা রাজনীতি করব।

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে শেখ হাসিনাকে ভারত কি বার্তা দিতে পারে

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত দুটি বার্তা দিতে পারে। জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যাবেন। ওই সময় এ বার্তা দেওয়া হতে পারে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেছে আমেরিকা; কিন্তু আমেরিকার অবস্থানের সঙ্গে সহমত নয় ভারত। জি-২০ বৈঠকের আগে বাংলাদেশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে নয়াদিল্লি।

যুক্তরাষ্ট্রকে পাঠানো এক কূটনৈতিক বার্তার বরাতে শনিবার কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা ও জার্মানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানায়, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার দুর্বল হলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র কারো পক্ষেই সুখকর হবে না।

পরদিন রোববার বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু এক নিবন্ধ প্রকাশ করে। এতে আশঙ্কা করা হয়, শেখ হাসিনা জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে হারলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মুখে পড়তে পারে।

এরপর আজ সোমবার টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এ প্রতিবেদন প্রকাশ করল। প্রতিবেদনটি লিখেছেন পত্রিকাটির সাংবাদিক দেবদীপ পুরোহিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যাবেন। ওই সময় বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে দুটি স্পষ্ট বার্তা দিতে পারে ভারত।

প্রথমটি হলো- বাংলাদেশে আসন্ন সাধারণ নির্বাচন অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু হতে হবে। দ্বিতীয়ত আওয়ামী লীগকে সব চীনপন্থি ও ইসলামপন্থি নেতাদের বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের বেছে নিতে হবে।

ভারতের নিরাপত্তা সংস্থার এক সূত্রের বরাতে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানায়, শেখ হাসিনার জন্য এই দুই বার্তা বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের বিষয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঐকমত্যের ইঙ্গিত দেয়।

সূত্রটি জানায়, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারত ও মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশের সর্বশেষ নির্বাচন নিয়ে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বড় পার্থক্য থাকলেও এবার দুই দেশ একই কথা বলছে। ভারতের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন জি-২০ সম্মেলনে যোগদানের জন্য দিল্লিতে থাকবেন তখন দুটি বার্তাই তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সবসময় বলেছেন, তার সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলো অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। তবে ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আমেরিকা ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো দেশটির গণতন্ত্রের ওপর সন্দেহ প্রকাশ করেছে।

যদিও নয়াদিল্লি বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে কখনই কোনো প্রশ্ন তুলেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। ধারণা করা হয়, ভারত নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে কোনো চিন্তা করবে না যতক্ষণ ফলাফল হাসিনার পক্ষে থাকে, কারণ নয়াদিল্লি ঢাকাকে তার প্রতিবেশীদের মধ্যে সবচেয়ে ‘বিশ্বস্ত মিত্র’ হিসেবে বিবেচনা করে।

আওয়ামী লীগ সরকার ভারতের অনেক ইচ্ছা পূরণ করেছে- ইসলামি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দমন থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্য চলাচলের অনুমতি দেওয়া পর্যন্ত। নয়াদিল্লির জন্য প্রাথমিক উদ্বেগের কারণ হলো, চীনের সঙ্গে হাসিনা সরকারের আপাত নৈকট্য। বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই ফ্যাক্টরটি ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে একই অবস্থানে নিয়ে এসেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ভারতীয় ও মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে আলোচনায় যা প্রাধান্য পেয়েছে তা হলো-

১. বাংলাদেশের ক্ষমতা কাঠামোতে চীনপন্থি ও ইসলামপন্থিদের ব্যাপক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষই। দিল্লি সফরে হাসিনাকে এ উদ্বেগের কথা জানাবে ভারত।

২. উভয়পক্ষই একমত হয়েছে যে, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার সফরে ভারত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়টি তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

৩. ভারত ও আমেরিকা একমত হয়েছে যে, বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান দাবি নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বাংলাদেশের সাংবিধানিক কাঠামোতে কোনো স্থান নেই।

৪. শেখ হাসিনা সরকারকে দুর্নীতি ও ব্যাংক খেলাপিদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সমস্যাটি মোকাবিলা করতে হবে; যা সাধারণ বাংলাদেশিদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

৫. ভারতীয় কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, ক্ষমতার পরিবর্তন হলে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসবে, যা এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে এবং ভারতের নিরাপত্তা হুমকি দ্রুত বাড়বে।

৬. নয়াদিল্লির প্রতিনিধিরা মার্কিন কর্মকর্তাদের বলেছেন, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য বাইডেন প্রশাসন কর্তৃক ঘোষিত বাংলাদেশিদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে তাদের ভারতের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

ভারতের নিরাপত্তা সংস্থার সূত্রটি জানিয়েছে, এ বিষয়গুলোই ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ে এক অবস্থানে নিয়ে এসেছে।

ঢাকার একটি সূত্রের বরাতে টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করবে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যারা রাজনীতিতে আগ্রহী নয়, তারা জাতি গঠনের প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে উত্সাহিত হবে। ক্ষমতাসীন দলের চক্রের প্রতি আনুগত্য নয়, জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে সঠিক প্রার্থী বাছাই আওয়ামী লীগকে আরও শক্তিশালী করবে…। সবশেষে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Daily World News

শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার সম্মুখীন হতে পারে: দ্য হিন্দু

শেখ হাসিনাকে দুর্বল করলে ক্ষতি সবার : আমেরিকাকে নয়াদিল্লির বার্তা

শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার সম্মুখীন হতে পারে: দ্য হিন্দু

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

জানুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে শেখ হাসিনা হেরে গেলে বাংলাদেশ দীর্ঘ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রোববার বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য হিন্দু এক নিবন্ধে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

সাংবাদিক প্রণয় শর্মার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের ক্ষমতা থেকে বিদায় কেবল ভারতের জন্য উদ্বেগের নয়, এতে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহিংসতা ও অস্থিরতা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

প্রণয় শর্মা লিখেছেন, প্রতিবেশীদের মধ্যে যে ভারতবিরোধী মনোভাব আছে, সেখানে শেখ হাসিনার সরকার খুব সম্ভবত ভারতের সবচেয়ে নির্ভরশীল ও ঘনিষ্ঠ মিত্র। যদিও ভারতকে দক্ষিণ এশিয়ায় ‘বিগ পাওয়ার’ হিসাবে ধরা হয় কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তাদের এই অবস্থানে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে চীন। আর দক্ষিণ এশিয়ায় চীন দিনের পর দিন তার অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে এক গুচ্ছ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে এবং জানুয়ারিতে একটি সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছেন। এর অংশ হিসাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টাকারীদের ভিসা নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) বর্তমান ও সাবেক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। র‌্যাবের বিরুদ্ধে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ে সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপি এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড গড়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে সবসময় সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সরকারি সংস্থা ও কর্মকর্তাদের লাগাম টেনে ধরতে তার ওপর চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর প্রমাণ পাওয়া যায় ঢাকার উপনির্বাচনে। যেখানে নির্বাচনে অংশ নেওয়া এক প্রার্থীর ওপর হামলা চালিয়েছিল আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। ওই হামলার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছিল।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত গণতান্ত্রিক সম্মেলন থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছেন। যেখানে ভারত-পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এছাড়া মে মাসে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ওয়াশিংটন গেলে বাইডেন প্রশাসন তাকে উপেক্ষা করেছে।

শেখ হাসিনাও মনে করেন, বাইডেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। সংসদে তিনি একবার বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের যে কোনো দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, বিশেষ করে সেটা যদি মুসলিম দেশ হয়।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করেছে। দেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখন অবাধে সমাবেশ করে সরকারের কঠোর সমালোচনা করছে।

বিএনপি নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর একটি বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। আমির খসরু বলেছেন, ‘যদি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়ে যাবে।’ প্রকৃতপক্ষে জামায়াত ও তাদের সমমনা দলগুলো নিয়ে বিএনপি বাংলাদেশে শাসন পরিচালনা করবে-এমন সম্ভাবনা ঢাকা ও দিল্লিতে উদ্বেগ ও শঙ্কা তৈরি করেছে।

হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক দশক ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি শক্তিশালী, বিশ্বস্ত এবং নির্ভরতার সম্পর্ক তৈরি করেছেন, যা দুই দেশ এবং এ অঞ্চলের জন্যই মঙ্গলজনক। ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেতাদের মুসলিম-বিদ্বেষী এবং বাংলাদেশবিরোধী বক্তব্যকে শেখ হাসিনা যে পাত্তা দেননি-এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।

প্রতিবেদনে সংসদ-সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর একটি বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ থেকে একটি সহযোগিতা এবং নিরাপত্তামূলক সম্পর্কে পরিণত হয়েছে। যেই সম্পর্কে মানুষের সঙ্গে মানুষের সরাসরি যোগাযোগ একটি প্রভাবক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’ সাবের হোসেন চৌধুরী আরও বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারত সরকার দুই পক্ষের মধ্যে একটি উইন-উইন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে এবং উভয় দেশের সরকারই অগ্রগতি, উন্নতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একে-অপরের ওপর নির্ভরশীল।

দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই সম্পর্কের মাধ্যমে দিল্লি এমন একটি উদাহরণ তৈরি করতে সম্মত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকলে প্রতিবেশীরা কীভাবে সুফল পেতে পারে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত অগ্রগামী ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু পরবর্তীতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে চিড় ধরে। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি শাসক গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতবিরোধী তৎপরতায় উৎসাহ দিয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করেছেন এবং দেশ থেকে ভারতবিরোধী সত্তা উপড়ে ফেলেছেন। তবে নয়াদিল্লি এবং ঢাকা আশঙ্কা করছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেওয়া বাইডেন প্রশাসনের সম্প্রতিক পদক্ষেপ সেই সম্পর্ককে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

প্রতিবেদনের শেষ দিকে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা যদি নির্বাচনে হেরে যান, তাহলে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা দীর্ঘায়িত হতে পারে। এমনকি আবারও বাংলাদেশ উগ্রবাদীদের আঁতুড় ঘরে পরিণত হতে পারে। ফলে আওয়ামী লীগের প্রস্থানের বিষয়টি শুধু ভারত নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য দুর্ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

Daily World News

এমটিএফই হাতিয়ে নিয়েছে হাজার কোটি টাকা// ফাঁদে পড়েছে হাজারো যুবক

প্রায় ৬ কোটি টাকা পাওয়া গেল পাগলা মসজিদের দানবাক্সে