খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দিতে মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকায়

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দিতে মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছান তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

এর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানিয়েছিলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত ঢাকায় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকের মাধ্যমে তাকে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের যে চিকিৎসকদের সঙ্গে তারা এতদিন সমন্বয় করছিলেন, তাদের মধ্য থেকে তিনজন আজ ঢাকায় আসবেন।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে মঙ্গলবারও করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) প্রায় ৮ ঘণ্টা রাখার পর আবার কেবিনে নেওয়া হয়েছে। ৯ আগস্ট থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। এর আগেও চার দফায় তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছিল।

বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, গত ২ মাসের বেশি সময় ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রাজধানীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বারবার সরকারের কাছে বলার পরও কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এ অবস্থায় পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বিদেশি চিকিৎসকদের আসার ব্যাপারে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ঢাকার চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে বিদেশি চিকিৎসক আনার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের তিন চিকিৎসকের আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে চিকিৎসক আনার ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হয়।

অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক কিছু জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে তাকে কেবিন থেকে মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। এরপর তার শ্বাসকষ্টের সমস্যা কিছুটা কমলে ৮ ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে আবার কেবিনে নেওয়া হয়েছে।

৯ অক্টোবর বিএনপি নেত্রীর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, ‘খালেদা জিয়ার জীবন ঝুঁকির মধ্যে আছে। তার যে অবস্থা, তাতে তাকে বাসায় নেওয়া যাবে না। এখানকার চিকিৎসকরা সাধ্য অনুযায়ী যা করার, করেছেন। এখন তাকে বিদেশে নিতেই হবে। এতে তার জীবন রক্ষা পেতে পারে।’ খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তার লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। সূত্রঃ যুগান্তর

 

প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছেন এদেশে কোন অশুভ শক্তির জায়গা হবে না: সালাম মূশের্দী এমপি

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল এমন এক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার থাকবে। তাঁর নীতি অনুসরণ করেই আমরা সকলের জন্য কাজ করছি।

বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করছে এবং সবাই সমান অধিকার নিয়েই বসবাস করছে।

হাজার বছর ধরে বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা এদেশে পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে বসবাস ও ধর্ম চর্চা করে আসছে। সমকালীন বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল নিদর্শন বাংলাদেশ। এখানে মসজিদ এবং পূজামন্ডপ পাশাপাশি, এক ধর্মের মানুষ অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়। বিপদে-আপদে সহযোগী আর সহমর্মী হয়। আবহমানকাল থেকেই এ চর্চা হয়ে আসছে এই বদ্বীপ জনপদে।’

অসহিষ্ণুতা এবং সাম্প্রদায়িকতার স্থান পৃথিবীর কোনো ধর্মই নেই, ধর্মের নামে যারা অধর্ম চর্চা করে, ধর্মকে স্বার্থসিদ্ধির সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করতে চায় এসব তাদের হাতিয়ার। যারা সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ কিংবা উগ্রতা চর্চা করে প্রকৃতপক্ষে তারা ধর্মের মূল শিক্ষাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

তিনি আরো বলেন, সরকার জাতি ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে।

সব ধর্মের মানুষকে সরকার সমান চোখে দেখে দেখেন। প্রধানমত্রী শেখ হাসিনা যতদিন আছেন এদেশে কোন অশুভ শক্তির জায়গা হবে না‘আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচি বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য, সকলের কল্যাণেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এই বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে, সমান সুযোগ নিয়ে বসবাস করবে। আমরা সেই নীতিতে বিশ্বাস করি।’

সোমবার ৯ অক্টোবর রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অফিসার্সক্লাব মিলনায়তনে দুর্গাপূজা সুস্থ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে  আইন-শৃঙ্খলা সবায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জুম কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি নিয়ে কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কোহিনুর জাহানের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল্লাহ আল বাকী, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের, থানা ওসি তদন্ত মো:সিরাজুল ইসলাম,

উপজেলা স্বাস্থ‍্য ও প:প:কর্মকর্তা  ডা: শেখ সফিকুল ইসলাম,কৃষি কর্মকর্তা মো:ফরিদুজ্জামান,   প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রদীপ মজুমদার, মৎস‍্য কর্মকর্তা বাপী কুমার পাল,  উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, মাধ‍্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আইরিন পারভিন, আইসিটি কর্মকর্তা মো:রেজাউল করিম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জেসিয়া জামান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাসি রাণী রায়, জনস্বাস্থ‍্য প্রকৌশলী মো:রাসেল, খাদ‍্য কর্মকর্তা সুজিত মূখার্জী,পল্লী বিদ‍্যুৎ এর এজিএম আ:হালিম,

ইউপি চেয়ারম্যান  অধ‍্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, কামাল হোসেন বুলবুল, ইসহাক সরদার, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আরিফা বেগম,  জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস‍্য আ:মজিদ ফকির, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো: মোতালেব হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব, বিনয় হালদার, প‍্যানেল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনিছুর রহমান মিঠু, পূজা কমিটির সভাপতি শক্তিপদ বসু,সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন, সৈয়দ আওরঙ্গজেব স্বণ, জুলফিকার আলী, রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও পূজা মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দলের নিবেদিত নিষ্ঠাও আর্দশবান কর্মীর কখনো মৃত‍্যু হয়না – সমাজের কাছ যুগ যুগ বেচেঁ থাকে —–সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি বলেছেন দলের নিবেদিত  নিষ্ঠা ও আর্দশবান কর্মীর  কখনো মৃত্যু হয়না । যুগে যুগে তার কর্ম ত্যাগ ভালাবাসা দলের পরবর্তী কর্মীদের অনুপ্রেরনা যোগায়। দলের আর্দশবান কর্মীদের স্মরনের মধ্যে দিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে আগামী দিনে জাতিয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রতিকে বিজয় আনতে সকল নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জননেত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান এবং নিহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক করেন। ৩রা অক্টোবর  মঙ্গলবার বিকেলে ডুমুরিয়া  সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের  উদ্যোগে আয়োজিত শোক সভার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

সদর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের  সাবেক সভাপতি খান নজরুল ইসলাম, সদর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি মোল্যা জাকির হোসেন, সদর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি কানাই লাল, কর্মী দিপঙ্ক কান্তি কুন্ডু’র বিদেহী আত্নার শান্তি কামনায় দলীয় কার্যলয়ে আলোচনা, শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আফছার হোসেনের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এ্যাড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আবু সালেহ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবু সাঈদ সরদার, খান আবু বক্কার, অধ্যাপক জিএম ফারুক হোসেন, মোল্যা সোহেল রানা, মোল্য জাহিদুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী হুমাউন কবির বুলু, প্রভাষক গোবিন্দ গোষ, শেখ ইকবাল হোসেন, মহিলা আওয়ামীলীগের তহমিনা বেগম, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য শোভা রানী হালদার, ভাইন্স চেয়ারম্যান শারমিনা পারভীন রুমা, প্রভাষক সুলগ্না বসু, হাফিজ খান, শেখ জামিল আক্তার লেলিন, আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম আন্টু, আব্দুল হামিদ সরদার, মাহমুদ খান, কাজী মেহেদী হাসান রাজা, ছাত্রলীগের সভাপতি খান আবুল বাশার, সাধারন সম্পাদক শেখ মাসুদ রানা প্রমুখ।

বাংলাদেশ নিয়ে কেন চীন-রাশিয়া-আমেরিকার এত আগ্রহ….!

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বিশ্বের নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণে বাংলাদেশ বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে কী না তা নিয়ে নানা মত আছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন- বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান, সম্ভাবনাময় অর্থনীতি এবং বঙ্গোপসাগরের প্রতি বৈশ্বিক আগ্রহ – এসব কারণে রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন ক্ষেত্র হচ্ছে বাংলাদেশ। এর সাথে দ্বিমতও আছে। বিশ্লেষকদের আরেকটি অংশ মনে করছেন, বাংলাদেশ নিয়ে শক্তিধর দেশগুলোর আগ্রহ থাকলেও সেটা খুব বেশি নয়।

বাংলাদেশ নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং রাশিয়া যেসব তৎপরতা এবং বক্তব্য দিয়েছে তাতে মেরুকরণের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আসন্ন সাধারন নির্বাচন নিয়ে বর্তমান সরকারের উপর যুক্তরাষ্ট্রর চাপ দৃশ্যমান হলেও চীন এবং রাশিয়ার অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাশিয়া ও চীনের বিরোধ এখন দৃশ্যমান। এর প্রভাব বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও পড়ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা কী চায়?

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবীর মনে করেন, বাংলাদেশ আসলে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার নতুন ‘মেরুকরণের ক্ষেত্র’ হয়ে উঠেছে।

তার বিশ্লেষণ হচ্ছে , বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির একটি অংশ হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার’ পক্ষে কাজ করা। এরই অংশ হিসেবে তারা বাংলাদেশের বিষয়ে আগ্রহী হয়েছে।

দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, আমেরিকার একটা ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল আছে যেটি সক্রিয়ভাবে কার্যকর করতে তারা মনোনিবেশ করেছে। এ কারণেই এশিয়া অঞ্চলে বন্ধু সংগ্রহে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।

“আমেরিকার লক্ষ্য চীন-রাশিয়া বলয় থেকে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক বিশ্বের বলয়ের সাথে সংযুক্ত করা বা সংযুক্তিকে আরো শক্তিশালী করা,” বলেন মি. কবীর।

কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত দেশগুলোও চায় বাংলাদেশে যাতে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়। একই সাথে এসব দেশে বাংলাদেশকে যেসব সুবিধা, বিশেষ করে বাণিজ্য সুবিধা দেয়া হয়, তার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী রাখা।

কোভিড ও ইউক্রেন যুদ্ধের পর যেহেতু এই অঞ্চলে ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা বাড়ছে, তাই এই দেশগুলো বিশেষ করে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে আদর্শগত মিল বাড়ছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আমেরিকা বা পাশ্চাত্যের সাথে যেহেতু তাদের আদর্শগত মিল নেই তাই তারাও এই অঞ্চলে বন্ধু সংগ্রহে আগ্রহী।

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এখানে মূল বিষয় হিসেবে কাজ করছে বলে মনে করেন তিনি।

“আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোকে আমরা খুব সংগঠিতভাবে ব্যবস্থা না করার সুযোগটা রাশিয়া-চীন নেয়ার চেষ্টা করছে এবং এ কারণেই আমরা বাংলাদেশকে ঘিরে এই তিন-চার কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বেশি দেখতে পাচ্ছি।”

সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ?

এদিকে চীন বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের অবকাঠামো নির্মাণে চীন ব্যাপকভাবে কাজ করছে। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক।

রাশিয়ার সাথেও বাংলাদেশের সম্পর্ক অনেকটা একই রকম। বাংলাদেশে পারমানবিক বিদ্যুৎখাতে রাশিয়ার বড় বিনিয়োগ রয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার সাথে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এছাড়া এই দেশটি থেকে বাংলাদেশ খাদ্য শস্যও আমদানি করে থাকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাব এনাম খান মনে করেন, বাংলাদেশ না চাইলেও ভূ-কৌশলগত অবস্থানের কারণে স্বাভাবিকভাবেই সবার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিনি মনে করেন, গত বেশ কিছু বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশ অগ্রগামী ছিল। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কোভিড পরবর্তী সময়েও বেশ স্থিতিশীল ছিল যা একে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত করেছে।

“বাংলাদেশ একদিকে চীন থেকে ব্যাপক আমদানি করে এবং অন্যদিকে আবার পশ্চিমা দেশগুলোতে রপ্তানিও করে। ফলে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে স্বার্থের একটা ভারসাম্য বাংলাদেশ রক্ষা করে আসছে,” বলেন মি. খান।

কানাডাভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা ‘ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট’ অনুসারে, বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যদি ধরে রাখা যায় তাহলে মধ্যম শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। একই সাথে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় বাজারও। যার কারণে এর প্রতি সুপার পাওয়ার দেশগুলো বিনিয়োগের আগ্রহ বেড়েছে।

এর পাশাপাশি বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের অংশ যা ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। ফলে এটি অনেকটা ‘স্ট্রাটেজিক লাইন অব কমিউনিকেশন’ বা ‘সাপ্লাই লাইন অব কমিউনিকেশন’ হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এই শিক্ষক।

এ কারণে বঙ্গোপসাগেরের গুরুত্ব অনেক।

ভিন্ন ব্যাখ্যাও আছে

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং সমর বিশেষজ্ঞ ড. সৈয়দ মাহমুদ আলী সৈয়দ মাহমুদ আলী মনে করেন, চীন-রাশিয়া-আমেরিকার দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ আসলে ‘গৌণ বা উপলক্ষ্য’ মাত্র।

তার মতে, বাংলাদেশের মেরুকরণের ক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আর ঘনিষ্ঠতর হওয়া এবং এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আমেরিকার অবস্থান।

“স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ৯০ এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার পর সারা বিশ্বে ইউনিফর্ম বা একক পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তাদের সেই আধিপত্য পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত চলেছে,” বলেন মি. আলী।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, এরা সবাই তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রপক্ষের দেশ ছিল। বিপক্ষে কেউ না থাকার কারণে আমেরিকা প্রায় প্রতিদ্বন্দ্বীহীন ছিল।

মি. আলীর বিশ্লেষণ হচ্ছে, ২০১৪ সালে ক্রাইমিয়া রাশিয়ার অন্তর্ভূক্ত হওয়া এবং দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক শক্তি বাড়ানোর মতো ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট হয়ে আসে যে যুক্তরাষ্ট্র আর একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে পারছে না। এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন-রাশিয়ার মধ্যে একধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতা সামনে আসে।

“যেহেতু ক্ষমতার একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে চলছে, তাই বলা যেতে পারে বাংলাদেশ একটি গৌণ বা পরোক্ষভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বীতার কেন্দ্র বা স্থান হয়ে দাঁড়িয়েছে,” বলেন মি. আলী। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

 

তালতলীতে শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন হয়েছে। শ্রমিক নেতা মোঃ শাহ আলম হাওলাদারকে আহবায়ক ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোঃ আল-আমিন হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন পেয়েছে।

শ্রমিক দলের বরগুনা জেলা সভাপতি নাসির উদ্দিন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন ১০ সেপ্টেম্বর কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। তবে সোমবার ২ অক্টোবর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

কমিটি অনুমোদনপত্রে উল্লেখ করা হয়,৫ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে কমিটি গঠনের লক্ষ্যে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী ৩ মাসের মধ্যে এ কমিটি পূর্নাঙ্গ করার নির্দেশনা দেয়া হয় অনুমোদনপত্রে।

নতুন ঘোষিত কমিটিতে মো. আমির হোসেন, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মামুন, মোঃ আল আমিন, মোঃ শানু হাংকে যুগ্ন আহবায়ক, মোঃ জামাল হাং, মোঃ সুলতান হাং, মোঃ জব্বার, জামাল হোসেন, আফজাল কাজি, জামাল হাং, আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর, হালিমা আকন জসিম, আলম, রিপন সিকদার, জসিম হাওলাদার, ফারুক হাওলাদার, ইব্রাহিম সরদার, আরিফ তালুকদার, জাকির ভান্ডারী, মো. শাহীন, আল-আমিন শিকদার, বেল্লাল আকন, অংচং আকন, হানিফ হাং, ফরিদ, মো. ফারুকে সদস্য করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির আহবায়ক মো. শাহ আলম হাং বলেন, পুরাত ওই কমিটির দুই-চারজন বাদে অন্যরা দলীয় কর্মকান্ডে নিস্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। তাই সাংগঠনিক গতিশীলতা ফেরাতে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।

শাহদীন মালিক বলেন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন নেই:

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে আদালতের আলাদা অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ তার মুক্তি দেওয়া হয়েছে নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী। কাজেই বাকি সব পদক্ষেপও এই আদেশের আওতাতেই হওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন সিনিয়র আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক।

সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে খ্যাতিমান এ আইনজীবী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির  ৪০১ ধারা অনুযায়ী, সরকার চাইলে শর্ত সাপেক্ষে বা শর্ত ছাড়া যেকোনো বন্দীকে মুক্তি দিতে পারে। খালেদা জিয়াকে প্রথম মুক্তি দেয়া হয়েছে দুটি শর্ত দিয়ে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে তিনি বাড়িতে থাকবেন এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে তাকে দেশেই চিকিৎসা নিতে হবে।

শাহদীন মালিকের মতে, আইনমন্ত্রী যা বলছেন যে শর্ত পরিবর্তন করা যাবে না, সেটা আসলে এরইমধ্যে পাঁচবার বদলানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথমে তো ছয় মাসের মুক্তি দিয়েছে, তারপর সেটা যখন আবার ছয় মাসের জন্য বাড়াচ্ছে সেটার জন্য তো নতুন করে নির্বাহী আদেশ হচ্ছে, তার মানে সিম্পলি সরকার চাইলে ঢাকায় চিকিৎসা করার জায়গায় ঢাকা শব্দটা বাদ দিলেই হলো।

এটি আদালতের ব্যাপার নয় উল্লেখ করে আইন বিশেষজ্ঞ ড. মালিক বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালত এরই মধ্যে তার রায় দিয়েছেন। আদালতের কাছে কয়েক বার তার জামিনও চাওয়া হয়েছে এবং সেটি নাকচ করা হয়েছে। তার মানে আদালতের ‘চ্যাপ্টার’ সেখানেই শেষ হয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, আদালতে হয়তো যাওয়া যায়, কিন্তু এটা তো আদালতের ব্যাপার না, কারণ আদালত তো তাকে মুক্তি দেয় নাই। তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে নির্বাহী আদেশে। সূত্র: যুগান্তর

 

কচুয়ায় শান্তি সমাবেশে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামাত-বিএনপি আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে -শেখ তন্ময় এমপি

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে জামাত-বিএনপি আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আপনারা সবাই সজাগ থাকবেন, যাতে এলাকায় তারা বিশৃংখলা সৃস্টি করতে না পারে। কোথাও বিশৃংখলা সৃস্টি করতে চাইলে তাদের কে প্রতিহত করতে হবে। রবিবার বিকালে কচুয়া বাজারের জিরো পয়েন্টে উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত  শান্তি সমাবেশে  বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় একথা বলেন।

এসময়ে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড.হেমায়েত উদ্দিন ভুইয়া,জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ফজলে সাইদ ডাবলু,নকীব নজিবুল হক নজু, জেলা আওয়ামীলীগনেতা মো.ফিরোজুল ইসলাম, কচুয়া উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা সরোয়ার, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মো.সাইফুল ইসলাম,সাধারন সম্পাদক শিকদার আবু বক্কর সিদ্দিক, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক শিকদার কামরুল হাসান কচি,জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জয়েসী আশরাফী জেমস, জেলা পরিষদের সদস্য মরিরুজ্জামান ঝুমুর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাধাল ইউপি চেয়ারম্যান নকীব ফয়সাল অহিদ, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি সদর ইউপি চেয়ারম্যান শিকদার হাদিউজ্জামান হাদিস সহ আওয়ামীলীগ ও অংগ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা সভাস্থলে এসে হাজির হয়।

মোংলার দিগরাজ ডিগ্রী কলেজে ২০ বছর পর ছাত্রদলের কমিটি ঘোষনা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি।।

হাজারো জল্পনা কল্পনার অবসান ঘঠিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর মনিরুজ্জামান মুন্নাকে আহ্বায়ক ও মো শফিকুল সর্দার কে সদস্য সচিব করে দিগরাজ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ইয়াহিয়া শেখ সুমন ছাত্রদলের প্যাডে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।দীর্ঘদিন কমিটি না থাকায় কেন্দ্র থেকে বারবার কমিটি দেওয়ার নির্দেশ দিলে ও জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের মতপার্থক্যের কারণে কমিটি করতে ব্যার্থ হয়। অবশেষে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলের নির্দেশে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান খান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক আলী সাদ্দাম আহমেদ দ্বীপ।কমিটির অন্য সদস্যরা হলো সাগর মোল্লা,ইমাম নাশায়,নাঈমুল ইসলাম,মেহেদী হাসান তামিম,সাব্বির তালুকদার, রাসেল শেখ,মোঃহাবিবুল্লাহ।
কামাল শেখ রাতুল খান মোঃ মারুফ,মুজাহিদুল ইসলাম ফাহিম, স্বাধীন মণ্ডল, মোঃরিয়াজ গাজী, মোঃহাসিব, সিরাজুল ইসলাম,মোঃরাকিব, মোঃসালমান খান রামু, মোঃবিল্লাল ফকির,ও মোঃরাসেল খান

কচুয়ার কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে খাবার খেলেন এমপি শেখ তন্ময়

//শুভংকর দাস বাচ্চু, কচুয়া, বাগেরহাট//

কচুয়ার কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে দুপুরের খাবার খেলেন বাগেরহাট-২ আসনের এমপি, বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য  শেখ সারহান নাসের তন্ময়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা সদরের জামিয়া-ই-ফারুকীয়া মঈনুচ্ছুন্নাহ কওমী মাদ্রাসা ও এতিম খানায় এতিম শিশু ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে দুপুরের খাবার খেলেন তিনি। এসময়ে এমপিকে কাছে পেয়ে অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে এতিম শিশুরা । কাছ থেকে এমপির সাথে খাবার খেয়ে শিশুদের মাঝে বেশখা নিকটা উচ্ছাস দেখা দিয়েছে।দুপুরের খাবারের পুর্বে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজনে মাদ্রাসার মোহতামীম আলহাজ্ব মাও.ইসমাইল হোসেন কাশেমীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-২ আসনের সাংসদ শেখ তন্ময়। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের আলেম ওলামাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে, দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মান করছে শেখ হাসিনা সরকার। আগামী নির্বাচনে দেশের সাধারন মানুষের পাশাপাশি আলেম ওলামায়েরা শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগকে ভোট দিবেন।সভায় সম্মানীত মেহমান ছিলেন, নায়েবে মোহতামীম খাদেমুল ইসলাম গরহরডাঙ্গা মাদরাসা মুফতী উসামা আমীন। এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি এইচ.এম.বদিউজ্জামান সোহাগ,জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মীর জায়েসী আশরাফী জেমস, শেখ হেলাল উদ্দিন এমপির একান্ত সহকারী ফিরোজুল ইসলাম, শেখ তন্ময় এমপির একান্ত সহকারী এইচ.এম.শাহীন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) মো.সাইফুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক শিকদার আবু বক্কর সিদ্দিক সহ আলেম ওলামা, আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

বেগম খালেদা জিয়া এখন কেমন আছেন…

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ//

বিএনপি চেয়ারপারসনের শ্বাসকষ্ট জানিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে নিতে হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। রোববার মাঝরাতে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নিয়ে অক্সিজেন দিয়ে সেটা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখন খালেদা জিয়াকে বাঁচাতে হলে উন্নত চিকিৎসা দরকার। ডাক্তাররা বলেছেন দেশে সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব না। আমরা অনেকদিন ধরেই তাকে বিদেশে নেওয়ার কথা বলছি। কিন্তু সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না।

খালেদা জিয়ার অবস্থা গুরুতর উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন একেবারে শেষ সময় চলে এসেছে। অনতিবিলম্বে বিদেশে নেওয়া দরকার, না হলে তাকে বাঁচানো যাবে না। যদিও সিসিইউ থেকে তাকে কিছুক্ষণ আগে কেবিনে আনা হয়েছে। এতে স্বস্তির কোনো কারণ নেই, এটাকে স্থিতিশীলও বলা যাবে না। তার শারীরিক অবস্থা উঠানামা করছে।

গতরাতে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হয় খালেদা জিয়ার। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কেবিন থেকে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। সোমবার বেলা ১১ টার পর তাকে কেবিনে ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়।

৭৮ বছর বয়সি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

গত ৯ আগস্ট থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া।

এর আগে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ১০ জুন রাত পৌনে ৩টার দিকে খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ১০ জুন গভীর রাতে বুকে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে ভর্তি হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। পরে দ্রুত এনজিওগ্রাম করে তার হার্টে একটি রিং বসানো হয়। হার্টের দুটি ব্লক এখনো রয়ে গেছে।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। গত বছরের ২২ আগস্টও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এক সপ্তাহ পর ২৮ আগস্ট ফের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে ভর্তি করানো হয়। দুদিন হাসপাতালে থাকার পর ৩১ আগস্ট বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কারাগারে গিয়েছিলেন। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ তাকে নির্বাহী আদেশে ‘সাময়িক মুক্তি’ দেয় সরকার। এর পর কয়েক দফা তার দণ্ডাদেশ স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

Daily World News

ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস ২০২৩ উদযাপন র‍্যালী ও আলোচনা সভা