জগন্নাথপুরে যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকবি খালেদ আহমদকে সংবর্ধনা প্রদান

//রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

জগন্নাথপুরের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী গীতিকবি খালেদ আহমদকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা আন্তর্জাতিক গীতিকবি সাংস্কৃতিক পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার বিকেলে ভয়েস স্টার স্টুডিও হলে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।  উপজেলার সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, বিশিষ্ট  সমাজ সেবক ও বাউল শিল্পি  এম এ কাইয়ুমের সভাপতিত্বে ও সমাজ সেবক নুর আলমের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী ইকবাল হোসেন ভূইয়া, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, জগন্নাথপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন মুন্না।

বক্তব্য রাখেন রাণীগঞ্জ ফ্রেন্সক্লাবের সভাপতি জুনেদ আহমদ প্রমূখ। অন্যানোর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হাই, বাউল শিল্পি এম এ কাসেম, সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর, আমিনুর রহমান জিলু, সুজাত মিয়া, মোঃ রনি মিয়া ও সমাজ সেবক  এম এ খায়ের,  প্রমূখ।

পরে স্বাস্থবিধি মেনে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

ঘরের মাঠে টাইগারদের ষষ্ঠ সিরিজেও জয়

ইউক্রেনে হামলার মধ্যে রাশিয়ায় পুতিনের সঙ্গে ইমরানের বৈঠকের উদ্দেশ্য কি

 

কফিহাউজ গানের জন্মকাহিনী আদ্যপান্ত

কফিহাউজ গানটি নিয়ে মান্না দে সবসময় নিজের চেয়েও বেশি কৃতিত্ব দেন গীতিকার সুরকারকে। তিনি শুধু গানটা গেয়েছিলেন মাত্র।
তার মতে, হেমন্ত গাইলে গানটা সুপারহিট হতো আর শ্যামল মিত্র গাইলে তো হিট। তবে মান্নার কণ্ঠে যে গানটি চিরকালীন পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন গানটির সুরকার সুপর্ণকান্তি।
তবে মান্না দে এ গানটির দ্বিতীয় অংশ হিসেবে ‘স্বপ্নের কফি হাউস’ শীর্ষক একটি গান প্রথম গানটির ঠিক কুড়ি বছর বাদে গেয়েছিলেন। কিন্তু রহস্যময় কারণে সেটি শোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বাঙালি।
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা গানটির গীতকার গৌরী প্রসন্ন মজুমদারের কথায় সুর দিয়েছিলেন নচিকেতার পুত্র সুপর্ণকান্তি ঘোষ। মান্না দের মতে, গৌরীবাবু লিখেছিলেন দুর্দান্ত।
সুরকার সুপর্ণকান্তি অসাধারণ কাজ করেছিলেন। এই গানটির জন্ম কাহিনীটি বেশ গল্পের মতো।
সময়টা ১৯৮৩ সাল। গীতিকার গৌরী প্রসন্ন মজুমদার তখন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে প্রচুর হিট প্রেমের গান লিখে চলেছেন। কিন্তু পূজার গান মান্না দের জন্য তিনি লিখতে পারছেন না। সবই লিখছেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে আক্ষেপ ছিল গৌরী প্রসন্নের মনে। এ সময় একদিন নচিকেতা ঘোষের নিউ আলিপুরের বাড়িতে গিয়েছিলেন গৌরী প্রসন্ন। উদ্দেশ্য ছিল শক্তি ঠাকুরকে দিয়ে একটি গান তোলা।
সেই সময় সেরা জুটি ছিলেন নচিকেতা ও গৌরী প্রসন্ন। সেই সূত্রে নচিকেতার ছেলে সুপর্ণকান্তির সঙ্গেও বেশ ভাল সম্পর্ক। তবে বাড়িতে আসার অনেকক্ষণ পরে সুপর্ণকান্তিকে দেখতে পেয়ে গৌরী প্রসন্ন মজা করেই বলেন, `কী বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছ? এর উত্তরে সুপর্ণকান্তি তার গৌরী কাকাকে বলেন, `কী সব গদগদে প্রেমের গান লিখছো। একটা অন্যরকম গান লিখে দেখাও না। এই আড্ডা নিয়েও তো গান লিখতে পারো। `
এবার গৌরী প্রসন্ন বলেন, তুমি তো অক্সফোর্ডের এমএ হয়ে গিয়েছো। আড্ডা নিয়ে বাংলা গান গাইবে? সুপর্ণ এবার বলে, কেন নয়। কফি হাউসের আড্ডা নিয়েও তো একটা গান লিখতে পারো। গৌরী প্রসন্ন এবার বলেন, তোমার বাবা (নচিকেতা ঘোষ) কি আর সে গান গাইবেন? তর্ক চলছে বটে কিন্তু গৌরী প্রসন্ন এরই মধ্যে মনে মনে তৈরি করে ফেলেন দুটি লাইন।
এরপরেই সুপর্ণকান্তিকে বললেন, লিখে নাও- ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই/ কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই। ’ সুপর্ণও সঙ্গে সঙ্গে দুটো লাইনেই সুর দিয়ে শুনিয়ে দেন। উপস্থিত শক্তি ঠাকুর সেবার পূজায় গানটা গাওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেও সুপর্ণ রাজি হননি। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই ঠিক করে নিয়েছিলেন মান্না দের কথা।
কিন্তু গানের বাকি লাইনগুলো? পরের দিন সকালেই গৌরী প্রসন্নের স্ত্রী সুপর্ণকান্তিকে ফোন দিলেন । সারা রাত জেগে বহুদিন পরে গান লিখেছেন অসুস্থ গৌরী প্রসন্ন। তখনই তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত। দু’দিন পরে গানটা নিয়ে হাজির। কিন্তু শেষ স্তবক যোগ করার পক্ষপাতী ছিলেন না গৌরী প্রসন্ন। সুপর্ণকান্তি চান যোগ করুন একটি স্তবক।
শেষ পর্যন্ত রাজি হন। লেখেন দুর্দান্ত সেই লাইন- ‘সেই সাতজন নেই, তবুও টেবিলটা আজও আছে। ’ কিন্তু শেষ তিনটি লাইন তিনি লিখেছিলেন চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার পথে হাওড়া স্টেশনে বসে একটি সিগারেটের প্যাকেটের উল্টো পিঠে। এক চেনা লোকের মাধ্যমে তা পাঠিয়ে দেন সুপর্ণকান্তির কাছে।
তারপর সুপর্ণকান্তির সুরে মুম্বইয়ে গানটি রেকর্ড করেন মান্না দে। তৈরি হয়ে যায় একটা ইতিহাস। তবে কফি হাউসের দ্বিতীয় অংশ হিসেবে পরবর্তী সময়ে ‘স্বপ্নের কফি হাউস’ নামে একটি গান রেকর্ড করেছিলেন মান্না দে। একটি নতুন রেকর্ড কোম্পানিই রেকর্ড করিয়েছিল গানটি। কিন্তু সুপর্ণকান্তি জানিয়েছেন, সেই গানের অরিজিনাল স্পুলটি পাওয়া যায়নি। ফলে অন্য স্পুল দিয়ে কাজ করতে হয়েছিল। নিখিলেশ, মইদুলদের নিয়ে দ্বিতীয় গানটি লিখেছিলেন শমীন্দ্র রায় চৌধুরী। প্রথম গানের স্কেলেই গানটা করেছিলেন মান্না দে। দ্বিতীয় গানটি প্রথমটির থেকেও সুরের বৈচিত্রের বিচারে অনেক ভাল হয়েছিল। কিন্তু কোথায় গেল সেই স্বপ্নের কফি হাউস কেউ জানে না। মান্না দেও হতাশ। তিনি শুধু বলেছেন, বাঙালি তো জানতেই পারল না সেই গানের কথা।
কফি হাউজ নিয়ে মান্না দের দুটি গান আছে।
দুটি গান এখানে তুলে ধরা হল বাংলানিউজ পাঠকদের জন্য…
শিল্পী- মান্না দে
কথা- গৌরী প্রসন্ন মজুমদার
সুর- সুপর্ণ কান্তি ঘোষ
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেল গুলো সেই
আজ আর নেই………………………। ।
নিখিলেশ প্যারিসে মইদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোন খবরে
গ্র্যান্ড এর গীটারিষ্ট গোয়ানিস ডি সুজা ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে
কাকে যেন ভালবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে পাগলা গারদে আছে রমা রায়
অমলটা ধুক্ছে দুরন্ত ক্যান্সারে জীবন করেনি তাকে ক্ষমা হায়। ।
সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে শুনেছি তো লাখপতি স্বামী তার
হীরে আর জহরতে আগা গোড়া মোড়া সে গাড়ী বাড়ি সব কিছু দামি তার
আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকতো
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে নির্বাক শ্রোতা হয়ে ডি সুজাটা বসে শুধু থাকতো। ।
একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘণ্টা চারমিনার ঠোঁটে জ্বলতো
কখনো বিষ্ণুদে কখনো যামিনী রায় এই নিয়ে তর্কটা চলতো
রোদ ঝড় বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক কাজ সেরে ঠিক এসে জুট্তাম
চারটেতে শুরু করে জমিয়ে আড্ডা মেরে সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম। ।
কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ মুছে যাবে অমলের নামটা
একটা কবিতা তার কোথাও হলোনা ছাপা পেলো না সে প্রতিভার দামটা
অফিসের সোসালে এমেচার নাটকে রমা রায় অভিনয় করতো
কাগজের রিপোর্টার মইদুল এসে রোজ কি লিখেছে তাই শুধু পড়তো। ।
সেই সাতজন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে সাতটা পেয়ালা আজো খালি নেই
একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপ্নের রোদ ওঠে এই কফি হাউজে কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কতজন এলো গেলো কতজনই আসবে, কফি হাউজটা শুধু থেকে যায়। ।
কফি হাউজ-২
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নিখিলেশ লিখেছে প্যারিসের বদলে
এখানেই পুজোটা কাটাবে
কী এক জরুরি কাজে ঢাকার অফিস থেকে
মইদুলকেও নাকি পাঠাবে
একটা ফোনেই জানি রাজি হবে সুজাতা
আসবেনা অমল আর রমা রায়
আমাদের ফাঁকি দিয়ে কবেই তো চলে গেছে
ওদের কখনো কি ভোলা যায়?
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
ওরা যেন ভালো থাকে একটু দেখিস তোরা
শেষ অনুরোধ ছিল ডিসুজার
তেরো তলা বাড়িতে সবকিছু আছে তবু
কিসের অভাব যেন সুজাতার
একটাও তার লেখা হয়নি কোথাও ছাপা
অভিমান ছিল খুব অমলের
ভালো লাগে দেখে তাই সেই সব কবিতাই
মুখে মুখে ফেরে আজ সকলের
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
নাম যশ খ্যাতি আর অনেক পুরস্কার
নিখিলেশ হ্যাপি থেকে গিয়েছে
একটা মেয়ে বলে সুজাতা বিয়েতে তার
দুহাত উজার করে দিয়েছে
সবকিছু অগোছালো ডিসুজার বেলাতে
নিজেদের অপরাধী মনে হয়
পার্ক স্ট্রীটে মাঝরাতে ওর মেয়ে নাচে গায়
ইচ্ছে বা তার কোন শখে নয়
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
কার দোষে ভাঙলো যে মইদুল বলেনি
জানি ওরা একসাথে থাকেনা
ছেলে নিয়ে মারিয়ম কোথায় হারিয়ে গেছে
কেউ আর কারো খোঁজ রাখেনা
নাটকে যেমন হয় জীবন তেমন নয়
রমা রয় পারেনি তা বুঝতে
পাগলা গারদে তার কেটে গেছে শেষ দিন
হারালো সে চেনা মুখ খুঁজতে
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই
দেওয়ালের রঙ আর আলোচনা পোস্টার
বদলে গিয়েছে সব এখানে
তবুও প্রশ্ন নেই,
যে আসে বন্ধু সেই
আড্ডা তর্ক চলে সমানে
সেই স্বপ্নের দিনগুলো বাতাসে উড়িয়ে ধুলো
হয়ত আসছে ফিরে আজ আবার
অমলের ছেলেটার হাতে উঠে এসেছে
ডিসুজার ফেলে যাওয়া সে গীটার
স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফি হাউজেই,
আজ আর নেই
জীবনে চলার পথে হারিয়ে গিয়েছে অনেকেই,
আজ আর নেই।।
সূত্র:  Facebook/ white politics

এবছর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হচ্ছে জমির উদ্দিন মিলনের একগুচ্ছ বই

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, বিশেষ প্রতিনিধি//

এবছর একুশে বই মেলায় প্রকাশিত হচ্ছে বাংলা সাহিত্যে ম্যাটফিজিক্যাল কবিতা ধারার প্রবর্তক উদীয়মান কবি ও লেখক জমির উদ্দীন মিলনের লিখা একটি কবিতাগ্রন্থ একটি উপন্যাস ও একটি ভাষান্তর অনুবাদ। চন্দ্রছাপ প্রকাশনীর প্রকাশনায় ও দেশখ্যাত প্রচ্ছদ শিল্পী চারু পিন্টুর অসাধারণ জ্ঞান গভীর নজরকাড়া প্রচ্ছদে প্রকাশিত হচ্ছে বইগুলো।

এই বিষয়ে লেখকে জমির উদ্দিন মিলনের সাথে মতবিনিময় কালে জানা যায় এবছর বই মেলায় প্রকাশিত হচ্ছে তার লিখা কবিতা গ্রন্থ “শূন্য সমাধি”, সেই সাথে থাকছে বাস্তবধর্মী চিরন্তন অমোঘ প্রেম নিয়ে লিখা উপন্যাস “বকেয়া ভালবাস” এটি লেখকের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এছাড়াও এবারের বই মেলায় আরোও থাকছে লেখকে অঝর শ্রমের সৃষ্টি জগৎ খ্যাত লেখিকা “অগাথা কৃষ্টির” বিখ্যাত লেখা “দ্যা মিস্ট্রি অফ ডেথ” এর চমৎকার বাংলা ভাষান্তর।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় লেখক জমির উদ্দিন মিলন একে একে পরম যত্নে সৃষ্ট শব্দের মালায় সাঁজিয়েছেন তার লিখা গ্রন্থগুলো। এ যাবৎ কাল অব্দি বিভিন্ন প্রকাশনী সংস্থার প্রকাশনায় তরুন লেখক জমির উদ্দিন মিলনের মোট বারটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

বইগুলোর নিয়মিত পাঠকদের একজন টেক্সটাইল ইঞ্জিঃ শামসুজ্জোহা সুমন বলেন বিগত বছর গুলোতে লেখক জমির উদ্দিন মিলনের লিখা প্রকাশিত বইগুলো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে পাঠক সমাজে। এ বছর তার প্রকাশিত বই গুলো সংগ্রহে মরিয়া তৃর্ষ্ণাত পাঠক সমাজ। বিচিত্র প্রতিভাবান এই লেখকের এবছরে প্রকাশিত সবগুলো বই পাঠকদের হৃদয় জয় করবে এমনটাই প্রত্যাশা করি।

অমর একুশে বই মেলায় জমির উদ্দিন মিলনের লিখা আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া বই গুলোর বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মিয়া ভার্চুয়ালি মন্তব্য করেন গুনী এই লেখকের শাণিত কলমে আলোকিত হোক বাংলা সাহিত্য ও তার সৃজনশীল সৃষ্টিশীলতা বিকশিত করুক বাংলা সংস্কৃতি।

লেখকে প্রকাশিত বইগুলোর বিষয়ে এক বিশেষ বার্তায় জানতে চাইলে প্রকাশনী সংস্থা চন্দ্রছাপের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য বলা হয়, নিসর্গ প্রেমের গহনচারী লেখক কবি জমির উদ্দিন মিলন। ঐশ্বর্য প্রাচুর্যপূর্ণ পুরো প্রকৃতির জগতই কাব্য উপাদান হয়েছে তার কবিতায়। প্রকৃতির আলো আঁধার ও সুরের ঝর্ণাধারার মিশ্রণে তার প্রতিটি কবিতার ভিতর প্রকৃতি নানাভাবে উঠে এসেছে। কখন শৈশবের ভাবালুতা, কখনো যৌবনের উত্তাল মাদকতা, আবার কখনো পোক্ত বুদ্ধির দার্শনিক বিশ্লেষণ নিয়ে প্রকৃতির বুকে তিনি আবিষ্কার করেছেন জগদীশ্বরের উপস্থিতি। প্রকৃতি একই সাথে তার মাঝে আশা আনন্দ আর বিস্ময়ের উদ্রেক ঘটিয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে চন্দ্রছাপের পক্ষ থেকে কবি পরিচিতি সর্ম্পকে আরোও বলা হয়, ম্যাটফিজিক্যাল ধারার প্রকৃত কবি জমির উদ্দিন মিলন স্নাতকোত্তর ফলিত রসায়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, ১ জানুয়ারি ১৯৮৪ সালে লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম মোশারফ হোসেন ও মাতা অংকাজ হোসেন। লেখকের বুকের মধ্যে অফুরন্ত গল্পের বসতি সেসব গল্প বলতে চান কবিতা, গল্প ও উপন্যাসের মাধ্যমে। ঘরের কার্নিশে নিজের হাতে বানিয়ে দেওয়া পাখির বাসায় চড়ুই দম্পতির বাচ্ছাগুলো যখন টিও টিও করে ওঠলে দিশেহারা হয়ে যায় যে মানুষটি, শখের গোলাপ বাগানে ফোঁটা পাঁচ রঙের গোলাপে রঙিন হয়ে ওঠে তার চোখের মণি। এতসব ছোট আনন্দ উপলক্ষ ছুঁয়ে থাকা মানুষটি কখনো হারিয়ে যায় একান্ত নিজের জগতে। তখন সে থাকে তার লেখার টেবিলে। তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা বারটি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “বিমর্ষ বিলাপ” এর মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু এবং প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনার জন্য পেয়েছেন জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল এওয়ার্ড। এ বছর জমির উদ্দিন মিলনের লিখা বইগুলো সংগ্রহ করা যাবে বই মেলায় চন্দ্রছাপের স্টল থেকে। চন্দ্রছাপ লেখকে উত্তর উত্তর মঙ্গল কামনা করে।

এই বিষয়ে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে
লেখক জমির উদ্দিন মিলন পাঠকদের উদ্দেশ্য বলেন বই পড়ুন, বই আমাদের পরম বন্ধু। বই আমাদের বিশুদ্ধ আত্মার প্রতিচ্ছবি,সুস্থ জ্ঞানগর্ব ও পরিপূর্ণ মনুষ্যত্ব মূল্যবোধ অর্জনে মূল্যবান মূলধন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব
English Dainikbiswa

আকাশ মেঘাচ্ছন্ন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

 

 

একুশে বইমেলায় প্রকাশ হতে চলেছে কাব্যগ্রন্থ “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ “

 

অমর একুশে গ্রন্থ মেলা নামটি যেনো কবি,লেখক,পাঠক ও বই প্রেমিদের কাছে স্বপ্নের আয়োজন। প্রতি বছর বাংলা একাডেমির উদ্যোগে ফেব্রুয়ারী মাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

চলতি বছরেও খুব শীঘ্রই সূচনা হতে চলেছে লেখক পাঠকদের স্বপ্নের সেই আয়োজন অমর একুশে গ্রন্থ মেলা ২০২২ এবং এ মেলা কে কেন্দ্র করেই প্রকাশ হতে চলেছে কবি রকিবুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ “।

স্কুল জীবন থেকেই কবি রকিবুল ইসলাম অনেক গল্প কবিতা লিখেছেন, যা ছাপা হয়েছিলো দৈনিক পত্রিকা, অসংখ্যক যৌথগ্রন্থ সহ সাহিত্য ম্যাগাজিনে।

এর পর থেকে পড়াশুনার চাপে আর গল্প লেখা হয়ে উঠেনি তার। কিন্তু সাহিত্য প্রেমি এই মানুষটি আমৃত্যু সাহিত্যকে ছাড়তে পারবে না জেনেই বেছে নেয় কবিতার আশ্রয়। এবং পড়ালেখার ফাকে ফাকে লিখে যান অসংখ্য কবিতা, যা এখন একটি গ্রন্থে রুপ নিতে চলেছে।

” ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ ” গ্রন্থটি সম্পর্কে কবি রকিবুল ইসলাম বলেন, এটি শুধু একটি গ্রন্থই নয়, এটি একটি স্বপ্ন, যা তিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন। “ইচ্ছে ডানায় এক ফালি চাঁদ ” গ্রন্থিটি কবির কাছে সন্তানের মত। মা যেমন রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে সন্তানকে বুকে আগলে রেখে বড় করে তুলে, ঠিক তেমনি এই গ্রন্থের প্রতিটি কাব্য,প্রতিটি পঙক্তি, প্রতিটি শব্দ কবির মমতায় জড়ানো সৃষ্টি। একটি কবিতা লিখবে বলে একের পর এক রাত জাগা, গভির ভাবনায় ডুবে যাওয়া এ সবই যেনো তার স্বার্থক হতে চলেছে। এ বিষয়ে কবি রকিবুল ইসলাম বলেন, তার একের পর এক রাত জাগার কষ্ট তখনই স্বার্থক হবে যখন তার লেখা গুলো পাঠকের মন ছুয়ে যাবে। আশা করি “ইচ্ছে ডানায় একফালি চাঁদ ” গ্রন্থটি পাঠক মহলের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

ডুমুরিয়ায় বিদুৎ স্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষকের মৃত‍্যু

 

কবি নাঈম নাজমুলের জন্ম দিন আজ

 

মো: শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি :

কবি নাঈম নাজমুলের জন্ম দিন আজ। ১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি ( বৃহস্পতিবার ) তৎকালীন যশোর জেলার নড়াইল মহকুমার ১২ নং বিছালী ইউনিয়নের চাকই গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম করেন। কবি নাঈম নাজমুলের পিতা একজন কবি ও গীতিকার ছিলেন। পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অধ্যাপক মরহুম এম এম নাজমুল হক (কবি বুনো নাজমুল যশোরী) মাতা হাচিনা বেগম। কবির পরদাদা আঃ জব্বার মোল্যা ছিলেন একজন নামকরা জারি গানের বয়াতি। তার পরিবার যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামের স্থায়ীভাবে বসবাস করেন আসছেন। নাঈম নাজমুল খুলনা বিএল কলেজ থেকে বিএ (সম্মান) ও এমএ (ইংরেজী) ও যশোর এম এম কলেজ হতে এমএ (বাংলা)তে পাশ করেন। কলেজের অধ্যাপনা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত আছেন। তিনি বিটিভি ও খুলনা বেতারের একজন গীতিকার ছিলেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক স্মৃতি জনকল্যাণ গ্রন্থাগার চাকই এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। অগ্নিবীনা কেন্দ্রীয় সংসদ যশোরের (২০১৬/১৮) সভাপতি ছিলেন।
কবি নাঈম নাজমুল দশম শ্রেনীতে পড়াকালীন লেখালেখি শুরু করেন। তার প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ”আসন্ন হাহাকার”। ”তারপর একদিন” তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। তিনি লিখেছেন গান, কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প। তিনি সর্বশেষ ”গন্তব্য হীন পৃথিবীর পথে” কাব্য গ্রন্থ লিখেছেন।

 

জাতীয় জাদুঘরে কবি জমির উদ্দিন মিলন সহ পনেরো লেখককে সংবর্ধনা

রাজধানীর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ছায়ানীড় প্রকাশনীর আয়োজিত ৩৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশনা, সংবর্ধনা ও মনোজ্ঞ সংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কে.এম. খালিদ। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ধীরেন্দ্র নাথ দত্তের নাতনি আরমা দত্ত (এম.পি), খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, মোঃ  মনছুরুল আলম অতিরিক্ত সচিব বানিজ্য মন্ত্রনালয়, মান্নান মানিক বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক।

অনুষ্ঠান প্রারম্ভে পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর একঝাঁক উদীয়মান তরুন শিল্পীদের দলীয় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রকাশনা পর্বে নির্বাচিত দেশের স্বনামধন্য পনেরো গুনী লেখকের প্রকাশিত পনেরটি ভিন্ন ধারার বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করা হয়। পরে নির্বাচিত লেখদের উত্তরন পরিয়ে ও ক্রেষ্ট প্রধানে মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

গর্বিত সংবর্ধিত লেখকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাষা সৈনিক বজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুল আজিজ, সুকুমার চক্রবর্ত্তী, ড. ইউনুস খান, ডা. রতন দত্ত সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান, অধ্যাপক বিলকিস খানম পাপড়ি, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ডা. ডিকে দাশ, মোশতাক আহাম্মদ, নাহিদ হোসনা, কবি জমির উদ্দিন মিলন, আবু হাসান তালুকদার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ বলেন ভাষা শহীদের রক্তে রঞ্জিত বাংলা ভাষা। এই স্বাধীন বাংলাদেশের সূর্য উদিত হয়েছে আজ থেকে একশত বছর পূর্বে জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের বাংলাদেশে জন্মের মধ্যদিয়ে। এ বছর আমরা তার জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তি পালন করছি। তিনি আরোও বলেন আমরা বায়োজষ্ঠ্যরা হয়তো স্বাধীন বাংলাদেশের শতবছর উদযাপন করতে পারবো না তবে আমার বিশ্বাস অনাগত ভবিষৎত এদেশের শত বছর উদযাপন করবে বঙ্গবন্ধু আর্দশ অক্ষুন্য রেখে ও তার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে।

আয়েজিত সভা প্রকাশনা ও সংবর্ধনা শেষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এর ছাত্র শিক্ষকদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা পরিবেশন করা হয়।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল, বিশেষ প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিচক্ষণ তাই বাংলাদেশ স্থিতিশীল-উন্নয়ন উপভোগ করছে : ভুটানের রাজা

বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে “অনলাইন টিভি ক্লাব” ইউকে’র আলোচনা সভা

মাগুরায় তিন দিনব্যাপী আলোচনাসভা  ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন

মাগুরা জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৯-২১ ডিসেম্বর ০৩ (তিন) দিন ব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (১৯-ডিসেম্বর) বিকালে সৈয়দ আতর আলী গণ গ্রন্থাগার চত্বরে এসো মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও কুইজ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হয়। মাগুরা জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. সাইফুজ্জামান শিখর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পঙ্কজ কুমার কুন্ডু, জেলা আওয়ামী লীগের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ফ.ম. আব্দুল ফাত্তাহ, মাগুরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ কামরুজ্জামান, মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু নাসির বাবলু, মাগুরা পৌরসভার মেয়র মোঃ খুরশীদ হায়দার টুটুল, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ রেজাউল করিম।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কুমারেশ চন্দ্র গাছি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম আব্দুর রহমান প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর বলেন,  মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে আমরা জানতে পারিনি। আমাদেরকে সূক্ষ্মভাবে বিকৃতি ইতিহাস জানানো হয়েছে। তিনি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য আহ্বান জানান।

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্মিত ব্যাংকুয়েট হলের উদ্বোধন

রামপালে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজের জানাযা সম্পন্ন

‘বঙ্গবন্ধু’ ছবিটিতে শেখ হাসিনা চরিত্রে নুসরাত ফারিয়া: কি বললেন

বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বায়োপিক নিয়ে নির্মিত ‘বঙ্গবন্ধু’ ছবিটিতে শেখ হাসিনা চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। ছবিটিতে নিজের শুটিং পার্ট শেষ করে তিনি বললেন, ‘শেখ হাসিনা চরিত্রটি আমি সারা জীবন লালন করব। আমার জীবনের অন্যরম এক জার্নি ছিলো এটা।’

রোববার সমকালকে ফারিয়া জানান, আপাতত বলা যায় বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের আমার শুটিং পার্ট শেষ। তবে এরপর আবার শুটিং করা যে লাগবে না সেটা বলা যায় না। পরে লাগতেও পারে আবার নাও পারে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে পারছিনা শেষ। বলতে হচ্ছে আপাতত শেষ।

ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল নির্মাণ করছেন ছবিটি। বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এ ছবিটির প্রথম ধাপের শুটিং ভারতের পর শেষ ধাপের শুটিং হচ্ছে বাংলাদেশে।

ছবিটির শুটিং শেষ করে আবেগে ভাসলেন নুসরাত ফারিয়া। বললেন, ‘এই সিনেমার প্রত্যেকটি চরিত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটি চরিত্রই ইতিহাসের অংশ। এই ইতিহাসের অংশ হয়ে শ্যাম বেনেগাল স্যারের সঙ্গে যে জার্নিটা এতোদিন দিলাম তা আজীবন মনে থাকবে। ছবিটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চরিত্রটি নিঃসন্দেহে আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।’

শুটিং শেষে করে নুসরাত ফারিয়া ফেসবুকে শ্যাম বেনেগালের সঙ্গে তোলা একটি সাদাকালো ছবিও শেয়ার করেছেন। সেখানে ক্যাপশনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।  ছবিতে তরুণ শেখ হাসিনার রূপেই দেখা যাচ্ছে ফারিয়াকে।

‘বঙ্গবন্ধু’ ছবিতে কেন্দ্রীয় চরিত্র তথা বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। তাজউদ্দীন আহমদের চরিত্রে রিয়াজ আহমেদ, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশা ও দীঘি।

এছাড়াও আরও অভিনয় করছেন দিলারা জামান, সিয়াম আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, খায়রুল আলম সবুজ, রাইসুল ইসলাম আসাদ, গাজী রাকায়েত, তৌকীর আহমেদ, মিশা সওদাগর প্রমুখ।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সৌদি আরবে জুমার খুতবায় তাবলিগ জামাতের সমালোচনার নির্দেশ

 

বকেয়া ভালবাসা

বকেয়া ভালবাসা

– জমির উদ্দিন মিলন

অলৌকিক বিশ্বাস

বিস্তৃত প্লাবন,

ঝংকার গানের লিরিক্স

বকেয়া ভালবাসা।

অসম প্রেম,

পর্বে পর্বে খন্ডে খন্ডে

নেমে আসা বিচ্ছেদ।

নেমে আসা, ধেয়ে আসা

কষ্টের উন্মেষ,

বিসর্জন দেয়া কি বড্ড প্রয়োজন?

হয়তো না!

হয়তো হ্যাঁ!

হয়তো দু’টো!

 

কিন্তু নাগালের ভেতরে

নাগালের বাইরে

বিস্তার করা আঁধার

মাঠের জোনাকি

চা স্টলের আড্ডা

ব্যাপক আলোচনায়

সল্প পরিসরে

কিংবা বিতং করে

কে খন্ডাবে

কে যুক্তি দেবে?

ভালবাসা হীন

পৃথিবী অপরাধে ঢেকে যাবে।

ভালবাসা তাজা সূর্য চেয়ে

প্রখর তাপ দেয়।

ভালবাসা কেড়ে নেয়

পর্যাপ্ত আঁধার,

রঙিন করে সুতোয় বাঁধা প্রাণ।

অলৌকিক শক্তি সঞ্চয় করে,

জীবনের যৌক্তিক উপসংহারে

মুক্তি দেয় ভালবাসা।

তবুও ভালবাসা

অবধারিত অবহেলায়

নিজেকে দেখে নিয়মিত।।

বেকার জীবন

বেকার জীবন

– বেলাল উদ্দীন

প্রিয়া মোর খোল দোর

ভালো নাই মন,

বেকার  তাই  দুঃখ পাই

নাহি মোর ধন।

কেঁদে যাই কোথা পাই

দেশে নাই কাজ,

প্রিয়া তাই  মরে যাই

মনে মোর লাজ।

শোনো রাই  মম শাঁই

দাও যদি সুখ,

তব  মন  পাবো  ধন

রাখবো না দুখ।

শোনো সই  আমি কই

ধরো মোর হাত,

প্রেম  দিয়া  মম  প্রিয়া

যাক কেটে রাত।

ভব  তল  আঁখি  জল

ফেলবো না আর,

নাহি   সুখ   যতো   দুখ

হোক ব্যথা ভার।

 

//নিজস্ব সংবাদদাতা: মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান//