খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে কঠোর বিধি নিষেধ শুরু । আজ সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে সমস্ত বিধি নিষেধ সুন্দর ভাবে পালিত হচ্ছে। বাগেরহাট জেলা ও খুলনা জেলার বর্ডার এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনি তাদের কর্তব্য পালন করতে দেখা যাচ্ছে, এই জায়গাটা হলো কুদির বটতলা , রূপসা।

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

একদিকে নো এন্ট্রির কারণে রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে , এটা হলো রূপসা ঘাট এলাকায় যাবার প্রধান সড়ক। আইন শৃঙ্খলা বাহিনির কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারগন দায়িত্ব পালনকালে রাস্তায় অনিয়মকারীদের জরিমানা করছেন এমনটাও দেখা যাচ্ছে।

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

 

বাগেরহাট থেকে আসা কোন যানবাহন খুলনা ঢুকতে দিচ্ছেনা এবং খুলনা থেকে কোন যানবাহন বাগেরহাটের দিকে যেতে দিচ্ছেনেনা । শুমাত্র কিছু বাস বা অন্য যেসব গাড়ি চলছে তা নিয়ম মেনেই চলছে বলে জানা গেছে ।

দৈনিক বিশ্ব // স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সবাই নিজের ঘরে থাকবে: সালাম মূশের্দী

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সবাই নিজের ঘরে থাকবে: সালাম মূশের্দী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গজারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও দোয়া মাহফিল

টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ৭দিনের কঠোর লকডাউনঃ জেলা প্রশাসক

 

টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় ২০ জুন রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আতাউল গনি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আতাউল গনি বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ২২ থেকে ২৮ জুন সাত দিনের সর্বাত্তক কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এইসব এলাকায় কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ছাড়া হোটেল, মার্কেট’সহ সবই বন্ধ থাকবে। এ ছাড়াও নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য পরিবাহী ট্রাক ছাড়া রিক্সা, ইজিবাইক, সিএনজিসহ যাবতীয় যানবাহন বন্ধ থাকবে।

এক সপ্তাহ পরে করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। করোনা প্রতিরোধ কমিটিতে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর (৫) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাব উদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ ‘সহ সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে টাঙ্গাইলে গত একদিনে ১৫৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৭ জনের করোনা ভাইরাস পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৭ জন, কালিহাতীতে ১৭ জন, ঘাটাইল নয় জন, সখিপুরে চার জন রয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছয় হাজার ১০৯ জন। টাঙ্গাইল জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৮ জন।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় ২২ জুন মঙ্গলবার থেকে ৭দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা

 

 

আজকে খুলনা বিভাগে করোনায় সর্বোচ্চ ২৮ জনের মৃত্যু

 

আজকে খুলনা বিভাগে করোনায়  দ্বিতীয় সুনামি সীমান্তবর্তী খুলনা বিভাগের ১০ জেলার উপর দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিনই করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর নতুন নতুন রেকর্ড প্রত্যক্ষ করছে খুলনা বিভাগের জনগণ ।

করোনার এই বাঁধ ভাঙা জোয়ারের প্লাবন যদি প্রতিহত না করা যায় তাহলে আগামীদিনগুলিতে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার প্রবাহ অত্র বিভাগের গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।আর ভারতীয় এই ভ্যারিয়েন্ট যেভাবে অতি সংক্রমণ তা যদি গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছে যায় তবে মহামারীর মহাপ্লাবনে মানুষের মৃত্যুর মিছিল পরিণত হবে।

তখন করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু আর এক দুই ডিজিটের সীমাবদ্ধ থাকবে না। আজ ২০ জুন-২০২১ রোজ রবিবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর খুলনার দেওয়া তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগে এযাবত কালের সর্বোচ্চ ২৮ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

এর মধ্যে কুষ্টিয়ায় ৭ জন, খুলনায় ২ জন, বাগেরহাটে ২ জন, সাতক্ষীরায় ২ জন, যশোরে ৪ জন, নড়াইলে ১ জন,  মাগুরায় ১ জন, চুয়াডাঙ্গায় ৫ জন এবং ঝিনাইদহে ৪ জন এবং খুলনায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সনাক্ত হয়েছে ২২৩ জন।

করোনার সংক্রমণ ও মৃতের যে গতি প্রকৃতি তাতে লকডাউন, বিশেষ লকডাউন কঠোর লকডাউন, পকেট লকডাউন এসব কতটা কার্যকরী হবে তা ইতিমধ্যেই দেশের জনগণ করোনা প্রতিরোধ কমিটিকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছে।

তাই এখনই করোনার সংক্রমণ ও মৃতের হার বিবেচনা করে এলাকা ভিত্তিক রেড এলার্ট জারি করা ছাড়া অন্য কোন পথ খোলা আছে বলে মনে হচ্ছে না।

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে জমি-গৃহ প্রদান কার্যক্রম দ্বিতীয় পযায়ে শুভ উদ্বোধন

 

খুলনায় ২২ জুন মঙ্গলবার থেকে ৭দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষনা

 

খুলনায় ২২ জুন মঙ্গলবার এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (২২ জুন) থেকে পরবর্তী সাতদিন জেলা ও মহানগরে এ কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসময় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও ঔষধ বহনকারী যানবাহন ব্যতীত কোন গণপরিবহণ খুলনায় প্রবেশ করতে বা বের হতে পারবে না।করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রবিবার ও সোমবার পূর্বনির্ধারিত কঠোর বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে।করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা ও মহানগর কমিটির সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন শনিবার দুপুরে সম্মেলন কক্ষে এসকল সিদ্ধান্ত জানান।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, খুলনা জেনারেল হাসপাতালকে ৭০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। এটি আগামীকাল থেকে চালু হবে। কঠোর লকডাউন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য অতিশীঘ্রই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা হবে। মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায়, স্বাস্থ্যবিধি পালনে মনিটরিং জোরদার করা এবং প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হতে প্রচার-প্রচারণা চলমান থাকবে।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মোঃ কামাল হোসেন এবং খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ইসমাইল হোসেন, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানা ও সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) এসএম ফজলুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, ডপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। 

খুলনা ব্যুরো:

Dainik Biswa

জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মুকুলের কন্যার সুস্থতা কামনা

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলায় করোনা সংক্রমণ সর্বোচ্চ

 

যশোরের সীমান্তবর্তী ২ টি উপজেলা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আজ পর্যন্ত আমদানি রপ্তানি সচল আছে। এছাড়া ভারত থেকে বিশেষ অনুমোদন নিয়ে বহু লোক করোনাকালীন সময়ে দেশে প্রবেশ করছে।দেশে প্রবেশকারী এই সকল লোকদের স্থানীয় হোটেলসহ যশোর খুলনার বিভিন্ন হোটেলে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

অনেক ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোকজন বিধিনিষেধ তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন বাজার দোকানপাটে ঘোরাঘুরি করছে।ফলে ঘোরাঘুরি করা লোকদের করাও যদি করোনার অতি সংক্রমশালী ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা থাকে তাহলে জনগণের মধ্যে ডেনামাইটের বিধ্বংসী গতিতে ছড়িয়েছে। এছাড়াও ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা প্রচীর না থাকায় অবৈধ পথে বেনাপোল ও শার্শার সীমান্তবর্তী গ্রাম দিয়ে ভারত বাংলাদেশের লোক যাতায়ত করছে।

 

ফলে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলা সমূহ করোনার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। আজ ১৮ জুন-২০২১ রোজ শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় গত ৩ দিন শার্শা ও বেনাপোলের ৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৫২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে।সনাক্তের হার প্রায় ৭০ শতাংশ। এছাড়াও আজ পর্যন্ত উপজেলায় ৬২১ জন কোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে।

 

এরপরও সরকার ও স্থানীয় করোনা প্রতিরোধ কমিটি ঘোষিত জন ভিত্তিক লকডাউন মানা,মাস্ক ব্যবহার করা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ করোনার বিরুদ্ধে টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের উদাসীনতা নিষ্ঠুরভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আর এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশই এক সময় করোনায় সংক্রমণে ভারতকেও পিছনে ফেলবে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে

 

 

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে

 

আজ খুলনা করোনা হাসপাতালে করোনা মৃত্যুর হার বেড়েছে, খুলনা সহ বিভিন্ন জেলায় বিধিনিষেধ থাকা সত্তেও মানুষ তা মানছেনা , তাতেই বেড়ে চলছে মৃত্যু।খুলনায় কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েও কমছে না করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা এবং উপসর্গ নিয়ে খুলনা করোনা হাসপাতালে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আজ শনিবার (১৯ জুন) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনা করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ও খুমেক হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার।

 

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে আটজন করোনা আক্রান্ত এবং তিনজন উপসর্গ নিয়ে।

 

খুলনা করোনা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটজনের মৃত্যু হয়। এরা হলেন- খুলনার রূপসার আবুল হোসেন (৬০), নগরীর লবনচরা এলাকার শাহজাহান (৪৯), যশোর কেশবপুরের মিজানুর রহমান (৫৮), কেশবপুরের আলেয়া (৬০), সাতক্ষীরার কলারোয়ার সাবদুল (৫১), কলারোয়ার আব্বাস গাজী (৬২), কালিগঞ্জের শেখ আইয়ুব আলী (৫৮) ও পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মিনারা বেগম (৫৫)। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫৫ জন রোগী ভর্তি ছিল। যার মধ্যে রেডজোনে ৯৫ জন, ইয়ালোজোনে ২১ জন, এইচডিইউতে ২০ জন এবং আইসিইউতে ১৯ জন চিকিৎসাধীন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৪ জন।

 

এদিকে শুক্রবার (১৮ জুন) রাতে খুমেক পিসিআর ল্যাবের পরীক্ষায় ১৭১জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।

 

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুমেকের পিসিআর মেশিনে ৪৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৭১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। যার মধ্যে খুলনার ৩৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৪৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বাগেরহাটের আটজন, যশোরের পাঁচজন, সাতক্ষীরার দুইজন, নড়াইলের একজন, পিরোজপুরের একজন, গোপালগঞ্জ তিনজন, মাগুরার একজন ও ফরিদপুর জেলার একজন রয়েছে।

 

প্রতিদিন মৃত্যুর মিছিল বেড়ে চললেও হুঁশ ফিরেছে না সাধারণ মানুষের। অনেক ক্ষেত্রেই মাস্কের অবস্থান থুতনি পর্যন্ত। অনেকে আবার মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তাই অনুভব করছেন না। বাজার, শপিং মল, এলাকার শারীরিক দূরত্ব গাল ভরা কথা মাত্র।

//অনলাইন ডেস্ক//

Dainik Biswa

রাণীশংকৈলে আরও ২৯৬ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে সরকারি ঘর

 

যশোরে আজ আক্রান্তের রেকর্ড সর্বোচ্চ ২৯১ জন, মৃত্যু ৪ জন

 

 বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামির অপ্রতিরোধ্য গতির জন্য সারা বিশ্বের ধনীগরিবসহ সকল দেশের ব্যবসা,বাণিজ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। বিপর্যস্ত পৃথিবীর মানুষকে করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে গিয়ে বিশাল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু মিছিল দেখতে গিয়ে অসহায়ের মতো আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে ।

 

করোনার কারণে একদিকে যেমন মানুষকে প্রিয়জন হারানোর বেদনা সহ্য করতে হচ্ছে ঠিক অন্যদিক লক্ষ লক্ষ লোক কর্মস্বংস্থান হারিয়ে অমানবিক জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে কোমনমতি শিশুসহ কোটি কোটি শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন স্কুল, কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার জন্য শিক্ষার মূলস্রোতধারা থেকে বঞ্চিত হয়ে শিক্ষণ ক্ষতিতে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। আর একটি সক্ষম শিক্ষিত,উচ্চ শিক্ষিত শ্রেণীর বেকার যুবক- যুবতী কর্মস্বংস্থান না পেয়ে হতাশার গহীন সমূদ্রে নিমজ্জিত হতে চলছে।

 

এমনি এক ক্রান্তিকালে দেশের সকল জনগণের সার্বিক দিক বিবেচনা করে ও দেশের সার্বিক মঙ্গলকামনায় করোনা সংক্রমণের অক্টোপাস থেকে রক্ষার জন্য লকডাউন কার্যকরভাবে পালনের জন্য অনুরোধের পর অনুরোধ করছেন সরকার প্রধান।কিন্তু কে শোনে কার কথা।লকডাউনের পালনের প্রতি যেমন অনিহা তেমনি অনিহা করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সর্বোচ্চ অস্ত্র মাস্ক ব্যবহারসহ হাতধোঁয়া,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম এড়িয়ে চলার বিষয় সমূহ।

 

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত যখন করোনার মৃত্যু মিছিল প্রতিহত করার জন্য হাসপাতাল,ক্লিনিক,ডাক্তার,নার্স ও জীবনদায়ী অক্সিজেন সংকটে পড়ে বিশ্বের কাছে নিজেদের দুর্বলতার জন্য আত্মসমর্পণ করছে তখনও আমরা দেশের জনগণ করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট অতি মাত্রায় সংক্রমক ডেল্টাকে উপহাস ও তাচ্ছিল্য করে কোন নিয়মনীতি তোয়াক্কা করি নাই ।

 

এছাড়া সরকার যখন সীমান্তবর্তী জেলা সমূহে করোনার অতিমারীর জন্য বিশেষ লকডাউন দিচ্ছে তখনও বেহুশের মতো ঘরের বাইরে অবাধে চলাচল করেছি।যার পরিনাম আজ স্বচক্ষে দেখতে হচ্ছে।

 

আজ ১৮ জুন-২০২১ রোজ শুক্রবার যশোর জেলার স্বাস্থ্যবিভাগের দেওয়া তথ্যমতে, গত ২৪ ঘন্টায় ৬০৬ জনের করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ২৯১ জনের শরীরে।শনাক্তের হার ৪৮.০১ শতাংশ।

 

এর মধ্যে শুধু যশোর জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সনাক্ত হয়েছে একদিনের সর্বোচ্চ ২৯১ জন।তাদের মধ্যে ৯ জন ভারত ফেরত।

 

একই সময়ে মারা গেছেন ৪ জন।

 

৪ জনের মধ্যে ২ জন করোনা রোগী এবং অপর ২ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।আরও দুঃখের বিষয় অভয়নগর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি ২ জন করোনা রোগীর শরীরে ব্লাক ফাঙ্গাসের প্রভাব দেখা দিয়েছে।

 

বর্তমানে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে১০৮ জন যা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি।

 

এদিকে যশোর জেলায় করোনা শনাক্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনা করে আরও একটি করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছে। যখন যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাবে তখন রোগী হস্তান্তর করা হবে।

// নিজস্ব প্রতিবেদক //

Dainik Biswa

খুলনায় ১হাজার ৩৫১টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে জমি ও ঘর 

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ২০৩ জন ও মৃত্যু- ৪ জন

আজ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু ৬ আক্রান্ত ২২২

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার বৈচিত্র্যতা দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। শহরমুখী করোনার ভারতীয় ধরণ ডেল্টা এখন শুধু ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ নেই বরং সীমান্তবর্তী ১৩ জেলায় সাথে আরও ৩৫ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে।অন্যদিকে করোনার সাথে খুলনা বিভাগের খুলনা জেলায় ১ জন ও যশোর জেলার অভয়নগরে ২ জন করোনা রোগীর শরীরে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ব্লাক ফাঙ্গাস।

 

ফলে খুলনাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা সমূহে আগামী দিনগুলিতে যে মৃত্যুর মিছিল হতে চলেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় যে করোনার উপসর্গ থাকলেও শহর ও গ্রাম উভয় জায়গার লোকদের করোনা টেষ্ট করানোর প্রতি এখনও অনিহা রয়েছে। শুধু তাই নয় করোনার উপসর্গ থাকার পরও লকডাউন মানছেন না।

 

এছাড়া অনেকেই হোম করেন্টাইনে থাকছেন না,মাস্ক ব্যবহার করছেন না, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন নাএমন কি নির্দ্বিধায় গড়িতে চলাফেরা করছেন এবং হাটবাজার ও জনসমাগম স্থলে অবাধে বিচরণ করছেন।আর এভাবে ব্যক্তি, পারিবারিক, সামাজিক অসচেতনতা জন্য করোনার সংক্রমণ নির্দিষ্ট একটি এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং সমগ্র দেশের ৬৪ টি জেলায় ছড়িয়ে পড়বে এবং আমাদের দেশের এই অর্ধমৃত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ তো দূরের কথা নিম্নতম স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া সম্ভব হবে না।

 

ইতিমধ্যে খুলনা বিভাগের বিভাগীয় হাসপাতালসহ বিভিন্ন জেলা, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল গুলিতে যে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিট রয়েছে তার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি রোগী ভর্তি আছে।আর তাই বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে যুক্ত করার চিন্তা ভাবনা করছে সরকার । আজ ১৮ জুন-২০২১ রোজ শুক্রবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেলা সিভিল সার্জনের দেওয়া তথ্য মতে গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন ৬ জন।তাদের মধ্য ৫ জন করোনায় আক্রান্ত ও একজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

 

গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৬২ টি নমুনা পরীক্ষায় ২২২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনায় সনাক্তের হার ৩৯.৫০ শতাংশ। ৫৬২ টি নমুনার মধ্যে খুলনা জেলার নমুনা ছিল ৩৯২ টি।

 

এই ৩৯২ টি নমুনার মধ্যে করোনা পজেটিভ এসেছে ১৫১ ফলে শুধু খুলনা জেলায় সনাক্তের হার ৩৮.৫২ শতাংশ। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নমুনা পরীক্ষায় যে ২২২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে তার মধ্যে খুলনা জেলার ১৫১ জন,বাগেরহাট জেলার ৪২ জন, যশোর জেলার ১৪ জন, সাতক্ষীরার ৭ জন, নড়াইলের ৫ জন ঝিনাইদহের ১ জন, পিরোজপুরের ১ জন ও বরিশালের ১ জন।

 

আরও জানা যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে আজ পর্যন্ত ১৬৮ জন ভর্তি রয়েছেন।

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

বরিশালের সেই ফেন্সি আজিম শটগানসহ পাথরঘাটায় আটক

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ২০৩ জন ও মৃত্যু- ৪ জন

 

যশোরে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ২০৩ জন ও মৃত্যু- ৪ জন

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার গতিপ্রকৃতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে।প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার যেভাবে সাইক্লিক ওয়ার্ডারে বাড়ছে তাতে ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশই আর কয়েকদিনেই বিশ্বের মধ্য করোনার সবচেয়ে বড় হটস্পটে পরিণত হতে চলেছে।সীমান্তবর্তী ১৩ টি জেলাসহ পার্শ্ববর্তী আরও ২২ টি জেলাতেও করোনার সংক্রমণও মৃত্যুর হার সুপার পাওয়ার নিয়ে আর্বিভূত হয়েছে।

 

আর এ সকল দিক বিবেচনা করে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে এবং তাছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ ও বিভাগের জেলা উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে ক্ষুদ্র পরিসরে পকেট লকডাউন কার্যকরের জন্য স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে । এতো কিছুর পরেও ব্যক্তি,পরিবার,সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মাস্ক ব্যবহার,হাত ধোঁয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা,জনসমাগম এড়িয়ে চলাসহ সামাজিক সচেতনতার বিষয়সমূহ অবহেলা করার চরম বর্হিপ্রকাশ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন করোনার সার্বিক পরিস্থিতি অস্বাভাবিকভাবে খারাপের দিকে যাচ্ছে। যার ফলাফল খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার করোনার রির্পোটে সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

 

১৭ জুন-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার যশোর জেলার সিভিল সার্জন সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২০৩ জন করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। পরীক্ষায় সংক্রমনের হার ৪১.৫৯ শতাংশ। এছাড়া মৃত্যু বরণ করেছেন ৪ জন।

 

এরমধ্যে ২ জন মৃত্যু বরণ করেন যশোর জেনারেল হাসপাতালেের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এবংঅপর ২ জন অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা মৃত্যবরণ করেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটটি ইতিপূর্বেই পূর্ণ হয়ে গিয়েছে এবং ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত আরও ১১ জন ভর্তি রয়েছেন।ঠিক একই অবস্থা আইসোলেশন ওয়র্ডেও। করোনার উর্দ্ধগতি রোধে একদিকে যশোর জেলা প্রশাসন লকডাউন বাস্তবায়নের সাথে সাথে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সীমান্তবর্তী উপজেলার গ্রাম পর্যায়েও কার্যকর ভূমিকার জন্য সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিজিবি টহলও জোরদার করেছেন।

 

আর অন্যদিকে যশোর জেলা সিভিল সার্জন বলেন, করোনা রোগীর চাপ সামাল দিতে যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন ওয়ার্ড খোলার পাশাপাশি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা কার্যক্রম বাড়ানোর হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

Dainik Biswa

রাণীশংকৈলে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য পান করে বৃদ্ধার মৃত্যু

 

 

আজ খুলনার করোনা হাসপাতালে মৃত্যু ৯ ও আক্রান্ত ২০০ জন

 

আজ খুলনার করোনা হাসপাতালে করোনার দ্বিতীয় টেউ সীমান্তবর্তী জেলা সমূহের উপর দিয়ে সুপাই সাইক্লোনের মতো প্রবাহিত হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। করোনায় আক্রান্ত ও সনাক্তের গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী রাজধানী ঢাকাকে ছাড়িয়ে সীমান্তবর্তী ১৩ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং অত্র এলাকায় করোনার বিরুদ্ধে ঘোষিত লকডাউনসহ যাবতীয় বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে সুপার মুনের ন্যায় স্বমহিমায় জ্বলজ্বল করছে।

 

আজ ১৬ জুন-২০২১ রোজ বুধবার খুলনার ডেডিকেটেডে করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক ডাক্তারের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনা সংক্রান্ত উপসর্গ নিয়ে খুলনা করোনা হাসপাতালে ০৯ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

 

এর মধ্যে ৫ জন করোনা আক্রান্ত ও বাকি ৪ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে।ইতিমধ্যে এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এই হাসপাতালে আজ সকাল পর্যন্ত ১৩৯ জন রোগী ভর্তি আছেন। যার মধ্যে রেডজোনে ৭০ জন, ইয়ালোজোনে ২১ জন এইচডিইউতে ২৮ জন এবং আইসিইউতে ২০ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

 

এর মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৯ জন নতুন ভর্তি।সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন ৫০ জন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ৫৩৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২০০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লক্ষ্য করা গিয়েছে।

 

যার মধ্যে খুলনার ৩৭৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে ফলে সনাক্তের হার ৩৯.৭৩%। বাকি শনাক্ত ৫১ জনের বাগেরহাটের ৩১ জন, যশোরের ৫ জন,সাতক্ষীরার ৫ জন, ঝিনাইদহের ৬ জন ও নড়াইলের ৪ জন রয়েছে।

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

Dainik Biswa

যশোরে নতুন কলেবরে নতুন এলাকায় আরও ৭দিন লকডাউন