খুলনায় ৪ জুন থেকে তিন থানার সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে

 

খুলনায় ৪ জুন থেকে নগরীর তিন থানার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খুলনা জেলা প্রশাসন।

খুলনায় করোনা সংক্রমন ঠেকাতে লকডাউনের প্রয়োজন নেই তবে ৪ জুন থেকে নগরীর তিন থানার সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সাত দিন বন্ধ থাকবে, জেলা প্রশাসন সভার সিদ্ধান্ত ।

বিস্তারিত আসছে….

// দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক নিউজ //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত সবার জন্য মানসম্মত ও নিরাপদ দুধ নিশ্চিত চাই

 

 

 

উপজেলা চেয়ারম্যান বাদশার সুস্থতা কামনায় সংসদ সদস‍্য ও উপজেলা আ’লীগের বিবৃতি

 

রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থান রয়েছেন। তার সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা -৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম, জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মজিদ ফকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শাহজাহান কবির প্যারিস, আইয়ুব মল্লিক বাবু, আরিফুর রহমান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক রবিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম হাবিব।

 

আরো বিবৃতি দিয়েছেন  চঞ্চল মিত্র, ফারহানা আফরোজ মনা, প্রচার সম্পাদক আব্দুল গফুর খান, ক্রীড়া সম্পাদক স,ম জাহাঙ্গীর, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক গাজী মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম, সেলিম মোল্লা, জেলা মহিলা লীগ নেত্রী সাবিনা বেগম, আজিজা সুলতানা, রিনা পারভীন, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ মো: মারুফ, কৃষকলীগ নেতা মোশারেফ হোসেন কুটি, আবদুল মান্নান শেখ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবিএম কামরুজ্জামান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রুহুল আমিন রবি, রাজীব দাস. শ্রমিক লীগ নেতা মফিজুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান হাতেম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রবিউল ইসলাম উপজেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রূনা প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

 

চট্টগ্রামে মহামারী করোনা পরিস্থিতি : দুই দিনে মৃত্যু ৮, নতুন সংক্রমণ ১১৯   

চট্টগ্রামে মহামারী করোনা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি পরিলক্ষিত হলেও তা আবার বাড়তে শুর” করেছে। গত দুই দিনে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত- হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত- হয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬১৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে আরো ১১৯ জন। এ নিয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্ত- রোগির সংখ্যা দাড়ালো ৫৩ হাজার ৩৭০ জন।
সোমবার (৩১ মে ) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জান কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের ৯ টি ল্যাবে ৭০২ টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১১৯ জনের দেহে করোনা সংক্রমন সনাক্ত হয়। তৎমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৮৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জন, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রফিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) তে ১৩৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৫ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ল্যাবে ৩৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জন, চট্টগ্রাম ভেটেনারি এন্ড এনিম্যাল সায়েন্সস বিশ্ববিদ্যালয়(সিভাসু) ল্যাব ১৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ পাওয়া গেছে।
তাছাড়া শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবে ১০৯ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১ জন, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল (আরটিআরএল) ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জন, চট্টগ্রাম মেডিকেল সেন্টার ল্যাবে ৭ টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের শরীরে করোনা সনাক্ত হয়েছে। তাছাড়া কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হলেও তা নেগেটিভ পাওয়া যায়।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭০২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১৯ জন করোনা রোগি সনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত-দের মধ্যে ৮২ জন নগরীর এবং ৩৭ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা।
//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো//

বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ

 

 বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে মান হচ্ছেনা সরকারি স্বাস্থ্যবিধি।  মহামারী করোনাভাইরাস ১৯ এর দ্বিতীয় ধাপে পুরো বিশ্ব যখন করোনার ভয়াবহতায় থরথর- বাংলাদেশও তার বাইরে নয় । প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তাই সরকার জনগনের কথা চিন্তা করে দিতীয় ধাপে লগডাউন ঘোষণা প্রকাশ করেছে সরকার।

আর লকডাউনের পরিস্থিতির জন্য সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও, তা মানছেন না বরিশাল কীর্তন খোলা নদীর তীরে অবস্থিত চরকাউয়া পরিবহন মালিকরা ।

অভিযোগ আছে, পরিবহনে করোনাভাইরাস কভিড ১৯ কে পুঁজি করে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের রয়েছে পাহাড় সমান অভিযোগ । প্রতিদিন এ পরিবহন থেকে হাজার হাজার মানুষ কীর্তনখোলা নদী পার হয়ে বরিশাল শহরে আসা যাওয়া করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে জন্য যাত্রী পরিবহনে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

কিন্তু এখানে যাত্রী পারাপারে জন্য চলাচলরত পরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যাত্রী তো নেয়া হচ্ছেই না, প্রতিটি পরিবহনে গাদাগাদি করে যাত্রী ওঠানো হচ্ছে। এ কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় যাত্রীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অপরদিকে পরিবহনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন সীমিত পরিসরে যাত্রী নেয়া হচ্ছেই না বরং আগে জনপ্রতি যে ভাড়া ছিল তা এখন বাড়িয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশির ভাগ যাত্রীর মুখে নেই কোনো মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও প্রতিটি গাড়িতে আগেরমত যাত্রীবোঝাই করে চলছে । যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করছে না পরিবহন শ্রমিকরা । কাটাদিয়া থেকে আশা জার্তিদের অভিযোগ করেন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পরিবহনে নিজেদের ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠাচ্ছেন।

এমনকি জনপ্রতি ২৫ টাকার ভারা ৪০ টাকা গোমা থেকে আশা এক যাত্রী বলেন গোমা থেকে চরকাউয়া ভাড়া ৩০ টাকা নেয়া হচ্ছে ৬০ টাকা। তালুকদার হাট থেকে ১০ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে সরকারের কোন কিছুই যেন তোয়াক্কা করার সময় নেই তাদের।

এবিষয় পরিবহন শ্রমিকদের কাছে যানতে চাইলে তারা বলেন কিছু পুলিশের কয়েকজন অসাধু সদস্যদের ম্যানেজ করেই চলছে এই কর্মকান্ড। তাই বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করছেন তারা।

 পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল সংবাদদাতা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে সালাম মূর্শেদী এমপি’র সহায়তা

‘লকডাউন’ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

 

‘লকডাউন’ আরও বাড়ানোর সুপারিশ; করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে সারা দেশে রাখা ‘লকডাউন’ বা কঠোর বিধি-নিষেধ আরও সাতদিন বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত বহাল রাখার সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। জানা গেছে, এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ২৩ মে (রোববার) প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তবে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির নতুন করে এই লকডাউন বাড়ানোর কোনো সুপারিশ করেনি। কমিটি এক্ষেত্রে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানানোর ওপর জোর দিয়েছে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে দেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। প্রথমে ঢিলেঢালাভাবে চললেও পরে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে দেশজুড়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ দেওয়া হয়।  পরে ৪ দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা আগামী ২৩ মে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে।

চলমান এই লকডাউনে বন্ধ করে দেওয়া হয় বাস সার্ভিস, লঞ্চ, বিমান ও রেল যোগাযোগ। তবে পরবর্তীতে অর্ধেক আসন খালি রেখে সিটি করপোরেশন এলাকায় বাস ও অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালু করা হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে। এ ছাড়া কয়েকটি আন্তর্জাতিক রুটেও ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।

জানা গেছে, জনগণের জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনা করে লকডাউনের মেয়াদ আর বাড়াতে চায় না সরকার। তবে দেশে ভারতীয় ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ায় কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চলমান লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রমজানের মধ্যেও একাধিক ছাত্রকে বলাৎকার: মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসিয়ে দিচ্ছে কে বা কারা বা কেন…? এর উত্তর নেই…!

 

ভারতের গঙ্গায় হাজারো মৃতদেহ ভাসালে মোক্ষলাভ হবে— এই ধর্মীয় বিশ্বাসে সেখানে আধাপোড়া মৃতদেহ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ২০০ টন আধাপোড়া মৃতদেহ এভাবেই ভেসে চলে গঙ্গায়। বারাণসীর মণিকর্ণিকা ও হরিশ্চন্দ্র ঘাটে আবার প্রতি বছর গড়ে ৩২ হাজার মৃতদেহ দাহ করা হয়। সেই সৎকারের পরে প্রায় ৩০০ টন ছাই পড়ে গঙ্গায়, যা গঙ্গা দূষণের অন্যতম কারণ।

বছর পাঁচেক আগে জাতীয় পরিবেশ আদালতে এই মর্মেই হলফনামা জমা দিয়েছিলেন এক আইনজীবী। যার পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকার ও উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভাষায় ভর্ৎসনা করেছিল পরিবেশ আদালত।

কিন্তু তার পরেও যে পরিস্থিতির বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হয়নি, তা সাম্প্রতিক ঘটনাতেই স্পষ্ট। যেখানে কোভিডে আক্রান্ত মৃতদেহ দাহ না করে গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের একাধিক রাজ্যের নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা। তাদের বক্তব্য,মহামারীর কারণে গঙ্গায় মৃতদেহ ভাসার বিষয়টি নিয়ে শোরগোল হচ্ছে। কিন্তু এমনি সময়েও এমন ঘটনা ঘটে থাকে। যেখানে মরদেহের সম্মানজনক অন্ত্যেষ্টি-পর্ব ব্রাত্যই থেকে যায়!

উত্তরপ্রদেশের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এ ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে উন্নাও জেলার একটি ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করছেন। যেখানে ওই জেলা সংলগ্ন গঙ্গায় প্রায় ১০০টি মরদেহ ভাসতে দেখা গিয়েছিল। নদীর তীরে আটকে যাওয়া মরদেহ ঘিরে রেখেছিল কুকুর-শকুনের দল।

 

সেই ঘটনারই যেন পুনরাবৃত্তি হচ্ছে করোনাকালে। কানপুরের বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তথা তথ্যের অধিকার নিয়ে কাজ করা সমাজকর্মী (আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট) শঙ্কর বলছেন, “কোভিডে মৃতের প্রসঙ্গ উঠলেই তো প্রশাসন তথ্য চেপে যাচ্ছে। এদিকে, গঙ্গায় মরদেহ ভেসে যাচ্ছে।”

ওই রাজ্যেরই আরেক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কোভিডে মৃতদেহের সৎকার যাতে সম্মানজনকভাবে হয়, সে কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন নেই।”

বারাণসীর গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা জানাচ্ছেন, অনেক জায়গায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, কোভিড-মরদেহ সৎকারের জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার জায়গা পাওয়া গেলেও মরদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত লোক নেই। ফলে রাতের অন্ধকারে ওই মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। আবার অনেক জায়গায় গঙ্গার পাড়েই কিছুটা গর্ত করে মরদেহ পুঁতে দেওয়া হচ্ছে।

নদী আন্দোলন-কর্মী বল্লভচার্য পাণ্ডের কথায়, ‘‘গঙ্গায় পানি বাড়লেই বালিতে পোঁতা মৃতদেহ বেরিয়ে আসছে। তার পরে গঙ্গার স্রোত তা টেনে নিয়ে যাচ্ছে।”

গবেষণা জানাচ্ছে, শুধু বারাণসীর ঘাটেই প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার মরদেহ গঙ্গায় ভাসতে দেখা যায়। দিনে গড়ে ৮-১০টি মৃতদেহ গঙ্গায় ভেসে যাচ্ছে, এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। করোনা সংক্রমণ সেই বিষয়টিকেই আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

বিহারের গঙ্গা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বক্তব্য, গ্রামীণ এলাকায় অনেকে আক্রান্ত হচ্ছেন। কিন্তু তারা সংক্রমণের শুরুতে চিকিৎসা করাচ্ছেন না। ফলে যেটা হচ্ছে, একটা শ্রেণি নিজেরাই সুস্থ হয়ে উঠলেও যারা পারছেন না, তাদের শেষ মুহূর্তে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

এক নদী আন্দোলনকারীর বক্তব্য, “কিন্তু তাতে দেরি হওয়ায় তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠেরই মৃত্যু হচ্ছে।”

“এর সঙ্গে যোগ হয়েছে শ্মশানঘাটগুলোতে কাঠের অপ্রতুল জোগান। সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা নেই। তাই মরদেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে,” বলছেন পটনার বাসিন্দা, নদী আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কর্মী আশিস রঞ্জন।

 

ফলে মোক্ষলাভ না করোনার সময়ে দাহ করার পর্যাপ্ত কাঠের অভাবে মৃতদেহ গঙ্গায় ফেলা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

 

তবে কারণ যা-ই হোক, অনেকের বক্তব্য, গঙ্গায় মৃতদেহ ফেলা যাবে না, এ বিষয়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। এও বলা হয়েছে, গঙ্গায় মরদেহ দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনকেই তার সৎকারের উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে হবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের নদী আন্দোলন-কর্মী গৌতম দে সরকার বলছেন, “গঙ্গাকে দূষণমুক্ত রাখার অনেক নির্দেশ, কেন্দ্রীয় প্রকল্প থাকলেও পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনাকালে তা ধুয়েমুছে গিয়েছে!”

ফলে প্রায় ২৫৩২ কিলোমিটার যাত্রাপথে আরও কত কোভিডে মৃতের দেহ বহন করতে হবে গঙ্গাকে, সেই আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। সূত্র: আনন্দবাজার

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

হিন্দুদের মৃতদেহ সতকারে মুসলিমরা…

 

ঈদের দিন ভারতের হুগলিতে হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সুনামি বইছে ভারত জুড়ে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে লাগামহীনভাবে।করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি এখনও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।তাছাড়া করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে তো অবস্থা আরও খারাপ। মৃত ব্যক্তিটির  স্বাভাবিক সৎকার করার লোকও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।তেমনি একটি ঘটনা ঘটছে হুগলি জেলার পোলবা- দাদপুর ব্লকের বাবনাম গ্রামে।

 গ্রামের হরেন্দ্র সাধু খাঁ(৭২) নামক ব্যক্তিটি গত তিনদিন যাবত জ্বরে ভুগছিলেন।করোনা পরীক্ষার আগেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের কারো মৃত্যুর পরে সেই পরিবারের লোকেরা কতটা শোকাতুর থাকে সেটা যেকারো কাছে অনুমেয়। কিন্তু ঐ পরিবারের নিকট এই শোকের পরে আরও অপরিসীম  শোক হয়ে দেখা দিল যখন তারা দেখলেন, করোনা সংক্রমনের ভয়ে কেউ তাদের বাড়ির চৌকাঠে পা রাখছেন না। মৃতের একমাত্র ছেলে চন্দন দিশেহারা হয়ে সৎকারের জন্য প্রতিবেশী হিন্দুদের সহযোগিতা চেয়েছেন কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি সৎকারের কাজে সাহায্য করতে।

 

 হিন্দু পড়শির দেহ সৎকার করলেন মুসলিম প্রতিবেশীরা

 

গতকাল ছিল মুসলমানদের সর্ব বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ইদুল- উল- ফিতর।ইদের নামাজ পড়ে উৎসব পালনের জন্য সকলে যার যার মতো বের হচ্ছিলেন তারা। এরই মধ্যে মুসলিম প্রতিবেশীরা হঠাৎ খবর পেলেন মৃতের সৎকার করার জন্য কোন লোক পাচ্ছেন না তার ছেলে চন্দন।

মৃতের ছেলের এই অসহয়তার কথা শুনে উৎসব শিকেয় তুলে ধর্মীয় সংকীর্ণতা ভুলে পাশে দাঁড়াতে বেরিয়ে পড়েন মুসলিম প্রতিবেশী আশিক মোল্লা, গোলাম সুবানী,গোলাম সাব্বার,শেখ সানিসহ আরও অনেকে।

করোনার ভয় উপেক্ষা করে হাজির হলেন মৃতের বাড়িতে। নিজেরা খাট বেঁধে, ফুলের মালা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন মৃতের দেহ। চার ভিন্নধর্মী মানুষের কাঁধেই শেষ যাত্রায় যান হরেন্দ্রনাথ সাঁধুখাঁ। শ্মশানে কাঠ জোগাড় থেকে শুরু করে দাহ করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত পিতৃহারা সন্তানের পাশে ছিলেন তারা।

 

এযেন মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা যদি সকলেই ধর্মীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারতাম তাহলে হয়তো ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সত্যিকারের মানুষ হয়ে হিংসা বিদ্বেষ ভুলে একে অপরের বিপদ- আপদে,সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারতাম।আর তাহলে হয়তো  আগামী প্রজন্মের জন্য একটা সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হতো।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক// 

————————————–

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

সিরিয়া থেকে রকেট হামলা….

 

 

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট: ডিএনসিসি হাসপাতালে ২ রোগীর শরীরে পাওয়া গেছে

 

করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে ঢাকার ডিএনসিসির ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে দু্ই রোগীর শরীরে ।

শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির।

তিনি বলেন, ভারত থেকে আসা দু’জনের মধ্যে আমরা ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের করোনা ভাইরাস পেয়েছি। নির্দেশনা মোতাবেক তাদের টেস্ট হাসপাতালে (বক্ষব্যাধি হাসপাতাল) পাঠানো হয়েছে। ভারত থেকে যারা আসছেন তাদের আমরা কঠোর নজরদারির মধ্যে রেখেছি।

তিনি সবাইকে করোনা সম্পর্কে সচেতন হতে আহ্বান জানান। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়লে তা ভয়াবহ হবে বলেও জানান।

এর আগে (৮ মে) এভারকেয়ার হাসপাতালের একটি নমুনায় এই ধরন পাওয়া গেছে।

ওই সময়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এএসএম আলমগীর।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ভারতে প্রথম শনাক্ত ‘বি.১.১৬৭’ নামে করোনার ধরনটি বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বেগম খালেদা ও রওশন এরশাদের ঈদ…

 

ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের জন্য দায়ী কে তা জানিয়েদিয়েছে  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে ভারতে করোনা মহাবিপর্যয়ের নেমে এসেছে । এই ভাইরাসের প্রকোপে দিশেহারা হয়ে পড়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশটি। কিন্তু এর জন্য দায়ী কে?

 

ল্যানসেট এবং নেচার পত্রিকার পর এবার ভারতে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য সরাসরি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় সমাবেশকে দায়ী করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতির কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তারা জানতে পেরেছেন, দেশটিতে সংক্রমণ বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হল বড় বড় রাজনৈতিক জনসভা এবং ধর্মীয় জমায়েত।

 

আসলে প্রথম দফার সংক্রমণের গতি কিছুটা কমতেই ভারত সরকার তথা সাধারণ মানুষ করোনা নিয়ে অনেকটাই গা-ছাড়া মনোভাব দেখিয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বিধি তো মানেইনি, উল্টো বড়বড় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে দেশটিতে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দূরত্ববিধি অমান্য করে ৭টি রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে।

দেশটির খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একের পর এক বড় বড় জনসভা করেছেন। একই দোষে দুষ্ট বিরোধী শিবিরও। শুধু রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে কুম্ভমেলার মতো ‘সুপার স্প্রেডার’ ধর্মীয় সমাবেশ হয়েছে। বহু পুজো-অর্চনা এবং অন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জমায়েতের অনুমতি দিয়েছে সরকার। এগুলোকেই দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহ আকার নেওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

তবে, এর পাশাপাশি দেশে কোভিডের অতি সংক্রামক স্ট্রেনের হামলাকেও সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতিমধ্যেই করোনার B.1.617 স্ট্রেনকে গোটা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হিসেবে আখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তাদের মতে, ভারতে সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য এই মিউট্যান্ট B.1.617 স্ট্রেন এবং B.1.616 স্ট্রেন অনেকাংশে দায়ী। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

// অনলাইন ডেস্ক //

————————

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Oxygen …..

চট্টগ্রামে করোনার টিকা শেষ: টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ : গ্রহনার্থীদের বিক্ষোভ

 চট্টগ্রামে মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা ফুরিয়ে এসেছে। টিকা না থাকায় ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। টিকা না পেয়ে রাস্তায় দাড়িয়ে বিক্ষোভ করেছেন টিকা নিতে আসা জনতা।
আজ (রবিবার) নগরীর জেনারেল হাসপাতালের সামনে এ চিত্র দেখা গেছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, এই হাসপাতালের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গেইটের বাইরে অবস্’ান করছেন করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ। টিকা নিতে আসা গ্রাহকরা জানান, শনিবার থেকে টিকা প্রদানের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এসএমএস আসার পরও হাসপাতাল থেকে টিকা দেওয়া হচেছ না। আবার টিকা নেই তাও বলা হচ্ছেনা।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী জানান, আমাদের টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যাদের টিকার তারিখ ও এসএমএস দেওয়া হয় নি তারাও টিকা নেওয়ার জন্য ভির করেছেন। তাদের টিকা দিতে না চাইলে তারা হাসপাতাল কর্মচারীদের মারধর করছেন তাই প্রবেশ পথ বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতলের প্রবেশ পথে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।        
এর আগে শনিবারও টিকা না পেয়ে এই হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ করেন করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা আগ্রহীরা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালেও ফুরিয়ে এসেছে টিকার মজুদ। টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সামান্য সংখ্যক টিকা এনে টিকাদান কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালানো হচেছ। 
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এসএম হুমায়ুন কবির জানান, আমাদের এখানে টিকার মজুদ ফুরিয়ে এসেছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে কিছু টিকা এনে কার্যক্রম চালু রেখেছি। এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রামে টিকাদান কার্যক্রম এখনো চলছে। সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সীমিত সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া হচেছ। আমাদেরও টিকার মজুদ ফুরিয়ে এসেছে।
// আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম ব্যুরো //
——————————