পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঝুমুর আক্তার দ্বৈত পরিচয়ে লাখ লাখ টাকার  প্রতারণা

 

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোল ইউনিয়ন এর আমখোলা গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের কন্যা ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে দ্বৈত পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী পটুয়াখালী জেলার রাঙাবালি উপজেলার দক্ষিণ কাজীর হাওলা গ্রামের মৃতঃখালেক মল্লিক এর পুএ মোঃ সেলিম মল্লিক গত ১৮ই অগাষ্ট ২০২১ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সুএে জানা যায় ঝুমুর আক্তার দীর্ঘ দিন যাবত দ্বৈত পরিচয় পএ এবং ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক বাবার নাম ঠিক রেখে ভিন্ন নামে ২ টি নাগরিক সনদ গ্রহণ করে বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্হাপন করে লাখ লাখ টাকা, সোনা গয়না হাতিয়ে নিচ্ছে। একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহের কথা বলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করে লাপাত্তা হয়ে যায়।

জেলার গলাচিপা উপজেলার নির্বাচন অফিসের সীলমোহর এবং ১২-৮-২০২১ সনের জাতীয় পরিচয় পএের আবেদন পএে দেখা যায় ঝুমুর আক্তার নাম পরিবর্তন করে আছিয়া বেগম উল্লেখ করেছেন, জাতীয় পরিচয় পএ নং-৮৬৬৬৪১৬৪৫১,জন্ম তারিখ ১০-১০-১৯৮৫,স্বামীর নাম মানিক, বাবার নাম মোঃদেলোয়ার মায়ের নাম রসনছা।মে ২০১৯ প্রদত্ত জাতীয় পরিচয় পএে(স্মার্ট কার্ড)এ দেখা জায় জন্ম তারিখ ১৫ই মে ১৯৯৬ নং ৭৭৭২৫০০৮০২,বাবার নাম মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের মায়ের নাম রওশন আরা।

ভিন্ন ভিন্ন নামের কারনে দীর্ঘ দিন যাবত সুকৌশলে প্রতারণা করে আসছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারক ঝুমুর আক্তার নামে ভকেশনাল থেকে পাশ করে ঢাকার সোনারগাঁও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (টেক্সটাইল এ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং) থেকে বি এস সি পাশ করে।অধ্যায়নরত অবস্থায় তার সহ পাঠী পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার স্বরগ্রামের মোঃদুলাল ফকির এর পুএ সোহান(২৫)এর সাথে প্রেম এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে এবং ঢাকায় এক সাথে বসবাস করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সোহান ঝুমুর আক্তার কে বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ১০-৯-২০১৮তারিখে বেলা ৩টার সময় ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সামনে থাপ্পড় মারে। বিষয় টি উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা হলেও তিন মাস পর সোহান গত ৬-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকায় আত্মহত্যা করলে ঝুমুর পরের দিন ৭-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকার বনানী থানায় সোহানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করে (নং৪২২/৭-১২-২০১৮। সোহানের মা সুরাইয়া বেগম (৪০) মুঠোফোনে (০১৭৩৫১৩৩৩৭৫) কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিবেদক কে বলেন ঝুমুরের জন্য আমার ছেলে পাগল ছিলো।

আমি ওদের সম্পর্কের বিষয় টি জানতাম।সোহানের আত্মহত্যার পর পুলিশ সোহানের হাতের লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করে যাতে লেখা ছিলো(আত্মহত্যা মহা পাপ,আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়,আমার মৃত্যুর খবর ঝুমুরের কাছে পৌঁছে দিও।)যা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা পুলিশের কাছে রক্ষীত আছে বলে তিনি জানান। অভিযোগ কারী ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী মোঃ সেলিম মল্লিক জানায় ঝুমুরের প্রতারণার বিষয় টি তার জানা ছিলোনা।আমি গত ৯ জুলাই ২০২০ নোটারী করে এবং ১১ ই জুলাই ২০২০ শরীয়ত সম্নত ভাবে ঝুমুর কে বিবাহ করি।

ঝুমুর আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাড়ীতে মাছের ঘের, পাকা দালান এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা নিয়ে এখন নিখোঁজ রয়েছে। সরেজমিনে আমখোলা গ্রামে ঝুমুরের বাবার বাড়ীতে গোলে সাংবাদিকদের দেখে ঝুমুরের বাবা -মা গা ঢাকা দেয়।স্হানীয়রা জানায় বিগত দিনে ঝুমুর অনেকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন কি তার বাবা অনৈতিক সম্পর্কের কারনে ধর্ষণ মামলার আসামী(পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা চলমান(মামলা নং১৬৪/২০) ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক কিভাবে একই ব্যাকত্তিকে দুই টি নাগরিক সনদ পএ দেওয়া হলো জানতে চাইলে ১নং আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মনির বলেন আমরা জাতীয় পরিচয় পএ দেখে নাগরিক সনদ পএ প্রদান করে থাকি।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ঝুমুর আক্তার এর ব্যবহৃত মোবাইল নং(০১৬৪২৪৪৪১০৯)বন্ধ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা ঝুমুর আক্তারের প্রতারণার কারনে অন্য কেউ যাতে আর সর্বশান্ত না হয় তাঁর জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে বরিশাল শেবাচিম থেকে

 

যশোরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

মাদকের ভয়াবহতা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়েছে। আর তাই মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় “একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদকমুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে সীমান্তবর্তী যশোর জেলার প্রতিটি উপজেলায়।

আজ ২১ আগস্ট -২০২১ রোজ শনিবার বিকাল ৪ঃ০০ টায় বেনাপোল পোর্ট থানার ইনচার্জ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের আসামি ১. লিয়াকত আলী (৩২), পিতা- মোঃ কালু,গ্রাম- ধান্যখোলা, থানা- বেনাপোল পোর্ট,জেলা- যশোর এর রান্নাঘরের মেঝে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন। এছাড়াও পলাতক আসামি ২. মোঃ রাকিব(২২), পিতা- মোঃ জিয়াউর, গ্রাম- ধান্যখোলা, থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোর – এর ধানের গোলার মধ্যে রাখা ৮ কেজি গাঁজাসহ সর্বমোট ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা মাদক দ্রব্যের মূল্য ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। উল্লেখিত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মাদক বিরোধী অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 //মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

২০/০৮/২১ তারিখে ডিবি পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালীন সময়ে দুপুর ০১:৩৫ ঘটিকার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার জনাব প্রবীর কুমার রায়, পিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম এস আই (নিঃ) সঞ্জীব ঘোষ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার এএসআই (নিঃ) মোঃ শরিফুল ইসলাম, এএসআই (নিঃ) মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কনস্টেবল মোঃ সালমান ও মোহন সহ লোহাগাড়া থানাধীন কাশিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য (গাঁজা) ব্যবসায়ী মোঃ ফেরদৌস সিকদার, পিতা- মৃত নুর ইমাম শিকদার, গ্রাম- কাশিপুর, থানা- লোহাগড়া জেলা- নড়াইলকে তার নিজ বাড়িতে মাদকদ্রব্য (গাঁজা) বিক্রয় করার সময় ২ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে।

নড়াইলে ২০ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার ১ করেছে ডিবি পুলিশ

 //মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল//

১৯/০৮/২০২১ তারিখ সকালে নড়াইল ডিবি পুলিশের নিকট গোপন সংবাদ আসে সাতক্ষীরার মাদক ব্যবসায়ী বিপুল পরিমাণ মাদক (ফেনসিডিল) নিয়ে নড়াইল জেলা হয়ে ঢাকা যাবে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম এস আই (নিঃ) দেবব্রত চিন্তাপাত্র সঙ্গীয় ফোর্স এ এস আই (নিঃ) আলী হোসেন, এ এস আই (নিঃ) মোঃ আলম হোসেন, কনষ্টবল মোঃ মিন্টু নন্দী, কনষ্টবল সরোয়ার, কনষ্টবল মোঃ শিবলী মাহমুদ, কনষ্টবল মোঃ শরিফ ও কনষ্টবল সুব্রত বিশ্বাস সহ নড়াইল হাতির বাগান বাসস্ট্যান্ডে ওতপেতে বসে থাকে। সকাল ০৯:০৫ ঘটিকায় যশোর-কালনাগামী বাস এসে নড়াইল হাতির বাগান বাসস্ট্যান্ডে থামলে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহাগ হোসেন (৩০), পিতা-ইয়াকুব আলী, গ্রাম- পাথরঘাটা, থানা ও জেলা- সাতক্ষীরা বাস থেকে নামার পর তার গতিবিধি সন্দেহজনক হলে তার ঘাড়ে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে।

ব্যাগের ভিতরে অভিনব কায়দায় কাপড় ও কাগজ দিয়ে লুকানো ২০ বোতল ফেনসিডিল রক্ষিত অবস্থায় আছে, তাৎক্ষণিক জনগণের সামনে ওই ব্যাগের ভিতরে থাকা ফেনসিডিল উপস্থিত সকলকে দেখিয়ে উদ্ধারপূর্বক আসামিকে গ্রেফতার করেন।

আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নড়াইল সদর থানায় আসামিকে হস্তান্তর করেন। আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা চলমান।

কালিয়ায় বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ব্যবসায়ী আটক ১

//মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল //

নড়াইলে চলমান মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে কালিয়া থানা পুলিশ গাঁজাসহ সেলিম বিশ্বাস (২৬) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। বুধবার (১৮আগস্ট) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার মদনগাতী গ্রাম থেকে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সেলিম বিশ্বাস ওই গ্রামের সারোয়ার বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আমানউল্লাহ আল বারীর নেতৃত্বে কালিয়া থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল রাতে উপজেলার মদনগাতী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে সেলিম বিশ্বাসকে গাঁজাসহ আটক করে থানায় নিয়ে আসে ।

এ বিষয়ে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেখ কনি মিয়া জানান, মাদক উদ্ধার ঘটনায় অত্র থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে এবং মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

যশোরে বিপুল পরিমানে মাদকদ্রব্যসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সীমান্তবর্তী যশোর জেলাকে দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য চোরাচালানের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহার করছে মাদকদ্রব্য চোরাচালানিরা। আর তাই মাদকদ্রব্য গ্রহনকারী লোকের সংখ্যা করোনার চেয়ে অধিকসংক্রমণশালী হয়ে আক্রান্ত করছে সমাজকে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে। ফলে মাদকের এই বিষাক্ত থাবা গ্রাস করে চলেছে দেশের একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে এবংমাদকের যোগান দিতে গিয়ে ঐ শ্রেণীর লোকগুলি চুরিডাকাতি ছিনতাই,চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড জড়িয়ে পড়ছে।

আর তাই যশোর জেলাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি চুরিডাকাতি ছিনতাই ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করতে হচ্ছে যশোর জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীমকে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ১৯ আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫ঃ৩০ মিনিটে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ডুবপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ৩ কেজি গাঁজা ও একটি পুরাতন মোটরসাইকেলসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ১. মনিরুল ইসলাম (২৫), পিতা- মোঃ ছিদ্দিক আলী, গ্রাম- মানকিয়া, থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোরকে গ্রেফতার করেন আজকের এই সংক্রান্ত বিষয়ে মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

খুলনায় ৩৫০পিচ ইয়াবসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

র‌্যাব-৬ স্পেশাল কোম্পানী খুলনার একটি আভিযানিক দল ১৮ আগষ্ট দুপুরে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তথ্য প্রাপ্ত হয় যে, খুলনার হরিণটানা থানাধীন ইসলামনগর এলাকায় কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে।

উক্ত সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আভিযানিক দলটি খুলনার হরিণটানা থানাধীন ইসলামনগর গ্রামস্থ গল্লামারী সিনিয়র পার্কের মেইন গেটের সামনে আভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেলে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার দেবরাজ গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে আমিনুর রহমান মোল্লা (৩৬)কে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামীর নিকট হতে ৩৫০ ইয়াবা ট্যাবলেটও ০২সীমকার্ডসহ ১টি মোবাইল উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে খুলনার হরিণটানা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা রজু করা হয়েছে।

বরগুনায় মাদক ব্যাবসায়ী হেলাল আকন আটক-র‍্যাব -৮

বরিশালের বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১৮০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী হেলাল আকন (২৫) কে আটক করেছে র্যাপিট এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন(র্যাব-৮) বরিশাল। ১৬ আগস্ট সোমবার রাত সাড়ে ৯ টায় র্যাবের একটি বিশেষ দলপাথরঘাটায় মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি হেলাল আকনকে ১৮০ পিস ইয়াবা ও ১ টি মোবাইল সহ গ্রেপ্তার করে।

আটক হেলাল আকন উপজেলার পূর্ব হাতেমপুর গ্রামের জালাল আকনের ছেলে। র্যাব৮ সুত্র থেকে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলারপূর্ব হাতেমপুর গ্রামে লেঃ কমান্ডার মোঃ শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিকাল সাড়ে ৬ টায় র্যাব-৮ এ অভিযান পরিচালনা করেন। ্যাবের উপস্থিতি টেরপেয়ে হেলাল দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র্যাব সদস্যরা তাকে ঘেরাও করে গ্রেফতার করে।

এ সময় তার কাছ থেকে ১৮০ পিস ইয়াবা ও১টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। র্যাব আরও জানায় হেলাল উক্ত এলাকায় দীর্ঘ দিন যাবত ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল। র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক হেলাল আকন স্বীকার করেন পেশায় সেএকজন মোটরসাইকেল চালক হলেও প্রকৃত ব্যবসা হচ্ছে ইয়াবা।তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মোটরসাইকেল চালানোর আড়ালে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান।

উদ্ধারকৃত আলামত সহ গ্রেফতারকৃত আসামীকে পাথরঘাটা থানায় হস্তান্তর কারা হয়েছে।এ ব্যাপারে র্যাব বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন বলে র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

কুমিল্লায়  ৮০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিধ্বংসী আক্রমণে বাংলাদেশের জনগণ মৃত্যুর মিছিল এবং মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও সমাজে মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর মহাপ্রলয় উল্লাস দেখতে দেখত ক্লান্ত। সমগ্র বাংলাদেশের বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে মাদকদ্রব্য চোরাচালানের যে বাঁধ ভাঙা জোয়ার তা যুব সমাজের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনিমাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ প্রশাসনের জন্য যথেষ্ট উদ্বেগের।

এবছরের প্রথম থেকে অদ্যাবধি মাদকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন।তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে পুলিশের একটি চৌকস টীম কোতোয়ালি মডেল থানাধীন জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর ফকির বাড়ির মাজারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে ৮০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১. রিপন প্রঃ লিপন (২১) ও ২. মোঃ রাশেদ খান (২৪) কে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও এধরণের মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

কুমিল্লায় দুটি পৃথক অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৪

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

একদিকে বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আর অন্যদিকে সারাদেশে মাদক কারবারিদের দৌরাত্ম – পুলিশ প্রশাসনকে উভয় সংকটে ফেলে দিয়েছে।

তারপরও এই উভয় সংকটের মধ্যেও মাদকের বিরুদ্ধে অব্যাহত অভিযানপরিচালিত হচ্ছে শুধুমাত্র মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলার গোয়েন্দা বিভাগের চৌকস টীম পৃথকভাবে দুইটি অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন কৃষ্ণপুর গ্রামের পূর্ব পাশে অবস্থিত রাহাত সিএনজি স্টেশনের সামনে থেকে ০৭ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী ১. মোঃ শাহরিয়ার হোসেন জিসান(২২) কে এবং কোতোয়ালি মডেল থানাধীন শফিপুর গ্রাম থেকে ০৪ কেজি গাঁজাসহ ২. মোঃ শাকিল, ৩. মোঃ জয়নাল ও ৪. সাকিবুল হাসানকে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে সদর দক্ষিণ থানা ও কোতোয়ালি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।