বরিশালে হলিকেয়ারে যুবককে পিটিয়ে হত্যা দেড় লাখ টাকায় ধামাচাপার চেষ্টা

 

বরিশাল নগরীর মাদক নিরাময় কেন্দ্র হলি কেয়ারে রোগী নির্যাতনে হত্যার পর দেড় লাখ টাকার প্রলোভনে দেখিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে । রোগীর স্বজনদের চেকের মাধ্যমে দেড় লাখ টাকা দেয়া হবে বলে আপোষ করে তাদেরকে মামলা করা থেকে দুরেসরিয়ে এনেছে হলি কেয়ার কর্তৃপক্ষ ।

অপরদিকে মামলা না হওয়ায় পুলিশ কাউকে আটক করেনি। যার ফলে এবারেও চিকিৎসার নামে হত্যা করে পার পেয়ে যাচ্ছে সিরিয়াল কিলার প্রতিষ্ঠান হলিকেয়ার মাদক নিরাময় কেন্দ্রের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন। নির্যাতনে নিহত চন্দন সরকারের পরিবারের সদস্যরা জানান ,বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর হলিকেয়ার কার্যালয় বসে তাদের সঙ্গে মামলা না করার শর্তে সমঝোতা করা হয়। তাদেরকে দেড় লাখ টাকা চেকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই পরিবারের সদস্যদেরকে কোন চেক প্রদান করা হয়নি বলে তারা জানান ।

নিহত চন্দনের মামা নিবাস মুহুরী জানান, আমরা অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য। হলি কেয়ার এর মালিক মোস্তাফিজুর রহমান সুমনের সঙ্গে মামলা করে আমাদের টিকে থাকা সম্ভব নয় । এরপর তারা বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ফলে আমরা এ মুহূর্তে মামলা করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি । মামলা করা না হলে আমাদের দেড় লাখ টাকা দেয়া হবে বলা হয়েছে কিন্তু কোন টাকা কিংবা চেক দেয়া নি। এদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন করলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি । ধারণা করা হচ্ছে অর্থ আর ক্ষমতার বিনিময় এবারেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে পার পেয়ে যাবেন একাধিক হত্যাকান্ডের অনুঘটক মোস্তাফিজুর রহমান সুমন।

এ ঘটনায় হলি কেয়ার কেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করে উপ-পুলিশ কমিশনার আলী আশরাফ বলেছেন সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করা হবে। কিন্তু বৃহস্পতিবার ঘটনার রাতে সাড়ে দশটার সময় চন্দন কে মারধর করে পা দিয়ে পৃষ্ঠ করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী অন্যান্য রোগীরা অভিযোগ করলেও এ বিষয়ে কাউকে আটক করেনি পুলিশ । ফলে নগরবাসীর মনে অমানবিক এ হত্যাকান্ড নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায় প্রায়ই এখানে নির্যাতনে রোগীদের কান্নার ও চিৎকারের আওয়াজ পাওয়া যেত। এর আগেও একাধিক রোগীর সঙ্গে এসব নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে রোগীর অভিভাবকদের সঙ্গে সালিশ বৈঠকের ঘটনা ঘটেছে। এর আগেও অনেকে আরো ৪ জন রোগী পিটিয়ে হত্যা করার খবর আমরা পেয়েছিলাম ।

এখন রোগী আত্মহত্যা করলেও কতৃপক্ষ দায় এড়াতে পারে না। এমনকি কোনো ধরনের মানসিক চিকিৎসার লাইসেন্স না থাকার পরেও কিভাবে এখানে মানসিক রোগী ভর্তি করা হলো এ বিষয়টি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাল করে তদন্ত করে দেখা উচিত ।

এদিকে টর্চার সেল হলিকেয়ারে রোগী রাখার জন্য নেই কোনো ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা । সবকিছু দেখেও রহস্যজনক কারণে পুলিশের নিরাবতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উপ-পুলিশ কমিশনার আলী আশরাফ বলেন, তদন্তকরে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। কিন্তু রাত সাড়ে দশটায় নিহত চন্দনকে বেঁধে রেখে মানসিক নির্যাতন করার ভিডিও ফুটেজ রেকর্ড থাকলেও পুলিশ কাউকে আটক করেনি।

অপরদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এর অতিরিক্তপরিচালক পরিতোষ কুমার কুন্ডু বলেন প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উল্লেখ্য এর আগেও একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হয়ে হলি কেয়ারে একাধিক রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে এবং একাধিকবার রোগীরা নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হলি কেয়ার কার্যালয় ভেঙে পালিয়ে গিয়েছে।

১৯৯১ সালে পুলিশ লাইন্স এলাকায় পুলিশ হত্যা মামলার আসামি এবং এক সময়ের শহরের চিহ্নিত মোটরসাইকেল চোর মুস্তাফিজুর রহমান সুমন ওরফে হিটলার সুমন বারবার মিডিয়ার শিরোনাম হলেও অবৈধ কালো টাকা এবং ক্ষমতার ব্যবহারে সবকিছু ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে ১৪দিন দুই নারী রহস্যজনক নিখোঁজ

 

যশোর সদরে তালিকাভুক্ত কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী গ্রেফতার

//নিজস্ব প্রতিনিধি//
মাদকমুক্ত যশোর গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছে জেলা পুলিশ।মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির কারণে প্রতিনিয়ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান রোধ যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
 আজ ২৭ আগস্ট-২০২১ রোজ শুক্রবার ২ঃ২০ ঘটিকায় কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে যশোর সদর উপজেলার রেল রোডস্থ স্টেশন বাজারে অভিযান পরিচালনা তালিকাভুক্ত মাদক সম্রাজ্ঞী ১. শিরিনা বেগম (৩১), স্বামী- আঃ জব্বার,, শংকরপুর রেলস্টেশন, থানা- কোতোয়ালি, জেলা-যশোরকে ১.৫ (দেড় কেজি) গাঁজা ও গাঁজা বিক্রয়ের নগদ ১,০০,০০০/= (এক লক্ষ) টাকা উদ্ধারসহ গ্রেফতার করেন।
উল্লেখ্য গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ৬ মাদক মামলা রয়েছে এবং আজকের ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় আরও একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কুমিল্লায় ১০০ কেজি গাঁজা নিয়ে ২ জন মানুষ কি করল দেখুন

//নিজস্ব প্রতিনিধি//

“একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদকমুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ”- এই প্রত্যয়কে সামনে নিয়ে সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে আজ ২৫ আগস্ট -২০২১ রোজ বুধবার কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার দাউদকান্দি এর নেতৃত্বে অফিসার ইনচার্জ দাউদকান্দি মডেল থানা সঙ্গীয় চৌকস টীম সঙ্গে নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে দাউদকান্দি টোল প্লাজা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ঝকঝকে তকতকে প্রাইভেটকার ও ভিতর থাকা ১০০ কেজি গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ১. নূরে আলম(২৫) ও ২.নূর হোসেন (২৪) কে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে মাদকদ্রব্য চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।

খুলনার রূপসা থেকে ভুয়া চিকিৎসক ও ২ সহযোগী গ্রেফতার: র‌্যাব-৬

 

খুলনায় র‌্যাব-৬ এর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় ভুল চিকিৎসা প্রদান করার দায়ে ১ জন ভুয়া ডাক্তার’কে ১ বছর ১০ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডসহ ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড এবং তার ২জন সহযোগী’কে ২০,০০০/- টাকা জরিমানা প্রদান করেছে।

র‌্যাব-৬ খুলনার একটি আভিযানিক দল এবং খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর সহযোগীতায় ২৫আগস্ট সকাল ১০টায় খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন নৈহাটী কর্ণপুর ষ্টেশন মোড় এলাকায় আরাফাত হাসপাতাল এন্ডডায়াগনষ্টিক সেন্টারে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে।

এসময় রোগীর ভুল চিকিৎসা করার দায়ে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২২(২) ধারা মোতাবেক (ভূয়া ডাক্তার) রামনগর গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে মোঃ কামরুজ্জামান(৩৯) কে ১(এক)বছর ১০(দশ)মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডসহ ১  ( এক ) লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।

এছাড়াও সংক্রামক রোগ নিরোধ আইন ২০১৮ এর ২৪(২) ধারা অনুযায়ী তার ২জন সহযোগী নৈহাটি গ্রামের সরোয়ার এর ছেলে আব্দুর রহমান(৩৪), মৃত :ওয়াহেদ মোড়ল এর ছেলে মোঃ আলম মোড়ল(৫২)কে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা করে মোট ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।

অভিযুক্ত ব্যক্তি ২জন মোবাইল কোর্টের জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে স্বেচ্ছায় পরিশোধ করেন। যার মোবাইল কোর্ট মামলা নং-২০৪/২১ ২০৫/২১ এবং ২০৬/২১ তারিখ ২৫/০৮/২০২১।

গ্রেফতারকৃত (ভূয়া ডাক্তার) মোঃ কামরুজ্জামান কে খুলনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

//স্টাফ রির্পোটার//

ভিডিও……

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World News

বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধের মানববন্ধন

“রাজনৈতিক চক্রবূহের কবলে ভবদহের জলাবদ্ধতা”- ১০লক্ষ মানুষের কান্না

 

অভয়নগরে রক্তচোষা সুদ চক্রের করালগ্রাসে দিশেহারা শ্রমজীবি ও অসহায় হতদরিদ্ররা

যশোরের অভয়নগর উপজেলা পৌর-নওয়াপাড়ার বিভিন্ন স্থানে সুদে টাকা লাগানো নারী ও পুরুষ চক্রের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ৷এই সুদ চক্রের টাকা ধার নিয়ে বিপাকে পড়েছে এলাকার হত দরিদ্র খেটে খাওয়া-অসহায় একাধিক পুরুষ ও মহিলা ৷ এ ঘটনায় ভূক্তভোগীরা সন্মানের ভয়ে সুদে টাকা লাগানো ওই সুদ চক্রের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পর্যন্ত পায়না ৷ সুদচক্র নারী ও পুরুষদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে ৷

পুলিশ-প্রশাসন তদন্ত করলে বিভিন্ন ধরণের তথ্য উঠে আসবে বলে জানায় এলাকাবাসী ৷ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে , উপজেলার পৌর নওয়াপাড়ার-রাজঘাট, তালতলা, সর্দার মিল, ভাঙ্গাগেট, চেঙ্গুটিয়া, প্রেমবাগ,ধোপাদী, চলিশিয়া, পায়রা , ভৈরব নদের ওপার, ব্রীজ পার হয়ে দেয়াপাড়া, শংকরপাশা , বাঘুটিয়া , ভাটপাড়াসহ অভয়নগরের শহর-বন্দর ও গ্রামে অবৈধ কারেন্ট জালের মত ছড়িয়ে রেখেছে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকা এই সুদখোর” চক্রটি ৷

রক্তচোষা এই সুদখোর চক্র বিশেষ করে অসহায় মানুষের মাঝে যেমন, শ্রমজীবি, হত-দরিদ্র, হকার, ভ্যান/রিক্সা চালক, জুট মিলের শ্রমিক,ঘাট শ্রমিকদের আর্থিক দূর্বলতার সুযোগ পেয়ে সুকৌশলে টাকা ধার দিয়ে তাদের রক্ত চুষে খাওয়ার পথ তৈরি করে নেয় ৷ যদি কোন অসহায় মানুষ বড় ধরণের আর্থিক সমস্যায় পড়ে ওই সুদ”চক্রের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ধার নেয় তাহলে, প্রতি মাসে হাজারে ২’শত টাকা অর্থাৎ ১০ হাজারে ২’হাজার টাকার সুদ গুনতে হয় ৷

এক সময় দেখা যাচ্ছে, সুদের টাকা গুনতে গুনতে আসল টাকার ৪গুণ দেওয়া হয়ে গেছে  অথচ রক্তচোষা সুদখোরদের কাছে টাকা পরিশোধ হয়নি ৷ এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে কোন কাজ না থাকায় সুদ দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের ৷ যার ফলে সুদ’খোর চক্র তাদেরকে মারধর এবং ভয়ভীতি ও পর্যন্ত দেয় ৷মান সন্মানের ভয়ে এলাকার কোন লোক সুদখোর চক্রের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পায়না ৷

এই সুদ চক্রটি এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রভাবশালীর ছত্রছাঁয়ায় থেকে দিন মুজুর থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে সূদে টাকা লাগিয়ে হাজার হাজার, লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে ৷ অসহায় এক পরিবার বলেন, ওই সুদখোর চক্রের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে হাজার হাজার টাকার সুদ গুনতে হচ্ছে , এমনকি সূদের টাকা ঠিক মতো দিতে না পেরে সুদখোর চক্রের ভয়ে এলাকা ছেড়ে অনেকে নিরুদ্দেশ ও রয়েছে এবং অপমানিতসহ নানা ধরণের শিকার হতে হচ্ছে অহরহ ৷

অনেকের ১০ হাজার টাকায় সপ্তাহে ১’হাজার টাকা সুদ গুনতে হচ্ছে ৷ আর না দিতে পারলে সন্ত্রাসী কায়দায় তাদের মারধর করতেও দ্বিধা করেনা ওই সুদ চক্রটি ৷ সম্প্রতি নওয়াপাড়া (৪নং ওয়ার্ড) বউ বাজার এলাকায় সূদখোরদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে ৷ ধারে টাকা নেওয়া অসহায় ভূক্তভোগীরা ৷

এবিষয়ে ওসি তদন্ত মিলন কুমার মন্ডল বলেন, আমাদের কাছে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷

এ ব্যাপারে রক্তচোষা সুদখোরদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগী এবং এলাকাবাসী ৷

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি, যশোর//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

“রাজনৈতিক চক্রবূহের কবলে ভবদহের জলাবদ্ধতা”- ১০লক্ষ মানুষের কান্না

 

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে ৭৪ পুরুষ রোহিঙ্গা আটক

//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম//

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ৭৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে থানা পুলিশ। আটককৃতরা সকলে পুরুষ বলে জানা গেছে। গতকাল (মঙ্গলবার) ভোরে বোয়ালখালী উপজেলার আহলা করলডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল করিম জানান, দীর্ঘ দিন যাবত উপজেলার আহলা ইউনিয়ন এলাকায় বহু রোহিঙ্গা বসবাস করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় করলডাঙ্গা এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ৭৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

আটককৃত রোহিঙ্গারা বিভিন্ন সময়ে কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে বোয়ালখালী এলাকায় এসে অবস্থান করছিল। তারা এলাকায় দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে এবং সংশ্লিষ্ট মালিকের ঘরে দিনযাপন করে আসছিল। আটককৃতদের বিরোদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

যশোরে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, চাকু ও চায়নিজ কুড়ালসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার

  ”দেশের মানুষকে রাখবো নিরাপদ, সত্যিই উদঘাটনে বদ্ধ পরিকর”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে যশোর জেলাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছে যশোর জেলা পুলিশ। কিন্তু প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত ২০ আগস্ট-২০২১ তারিখে কোতোয়ালি মডেল থানার প্যারিস রোডে সোহানুজ্জামান সাগর ( ২২) কে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা চাকুদিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
এ সংক্রান্ত বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মামলার ঘটনায় জড়িত আসামি ১) আলী রাজ বিশ্বাস অপূর্ব/ মন্টু / শুটার রাজ (১৯), পিতা- মোঃ মিরাজ বিশ্বাস, গ্রাম-বেজপাড়া,থানা-কোতোয়ালী, জেলা-যশোরকে গ্রেফতার করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বীকার করে যে তার বসতবাড়ি বেজপাড়ায় রান্না ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা আছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অফিসার ইনচার্জ কোতয়ালিসহ পুলিশের একটি চৌকস টীম আসামির বেজপাড়ার বাসায় আজ ২৪ আগস্ট -২০২১ রোজ মঙ্গলবার অভিযান পরিচালনা করেন এবং আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রান্নাঘর থেকে ১ টি ওয়ানশূটারগান,১ রাউন্ড গুলি, ১ টি বার্মিজ চাকু ও ১ টি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করেন।
উল্লেখ্য আসামি রাজের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ১ টি অস্ত্র, ১ টি মাদক,১ টি মারামসহ ৩ টি মামলা রয়েছে।
// নিজস্ব প্রতিনিধি //

যশোরে ১৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

// নিজস্ব প্রতিনিধি //
মাদকের ভয়াবহতা সমাজের অস্থিমজ্জার সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদকাসক্ত লোকের সংখ্যা যে বিপুল পরিমানে বেড়ে গেছে তা বুঝা যায় প্রতিদিন পরিচালিত অভিযানে প্রাপ্ত মাদকের বিশাল ও বহুল সমৃদ্ধ ভান্ডার দেখে।
যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করছে জেলা পুলিশ প্রশাসন এবং প্রতিদিনই যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ অভিযান। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ২৩ আগস্ট -২০২১ রোজ সোমবার পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানাধীন ধন্যখোলা গ্রামের আসামি মোঃ লিয়াকত আলী (৩২), পিতা- কালু,গ্রাম -ধান্যখোলা,থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোর এর নিজ বাড়ির রান্না ঘরের মেঝেতে খনন করে ১৫ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন। এই সংক্রান্ত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশাল নগরীতে বিরল প্রজাতির তক্ষক সহ গ্রেপ্তার ৫

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক, বরিশাল//
বরিশাল নগরীতে গোয়েন্দা(ডিবি) পুলিশের একটি দল বিরলপ্রজাতির একটি তক্ষকসহ৫ জনকেগ্রেপ্তারকরেছে। গত ২২ আগস্ট রবিবার সন্ধায় বরিশাল নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ড ধান গবেষণা খেয়াঘাটেএক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।
তক্ষক উদ্ধারও গ্রেপ্তারের বিষয়টি ২৩ আগস্ট সোমবার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,মোঃ ছালেক হাওলাদার (৫৫),মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৬০),নিজাম উদ্দিন দুরানী (৩৪),সুমন আকন (৩২)এবং হনুফা বেগম (২৫)।
বরিশালগোয়েন্দা(ডিবি)পুলিশ সুত্র থেকে জানানো হয় ,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি টিম বরিশাল নগরীর ধান গবেষণা রোডে অভিযান পরিচালনা করেন।
এ সময় ১ নারী সহ ৫জনের কাছ থেকে বিরল প্রজাতির একটি তক্ষক উদ্ধারও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।যার দৈর্ঘ্য ১৫ ইঞ্চিও ওজন ১৮০গ্রাম। পরবর্তীতেউক্ততক্ষকটি বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিভাগে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া করা হচ্ছে বলে জানা যায়।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কোতোয়ালি মডেল থানায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে বলে ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ঝুমুর আক্তার দ্বৈত পরিচয়ে লাখ লাখ টাকার  প্রতারণা

 

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোল ইউনিয়ন এর আমখোলা গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের কন্যা ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে দ্বৈত পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী পটুয়াখালী জেলার রাঙাবালি উপজেলার দক্ষিণ কাজীর হাওলা গ্রামের মৃতঃখালেক মল্লিক এর পুএ মোঃ সেলিম মল্লিক গত ১৮ই অগাষ্ট ২০২১ঝুমুর আক্তার এর বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সুএে জানা যায় ঝুমুর আক্তার দীর্ঘ দিন যাবত দ্বৈত পরিচয় পএ এবং ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক বাবার নাম ঠিক রেখে ভিন্ন নামে ২ টি নাগরিক সনদ গ্রহণ করে বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্হাপন করে লাখ লাখ টাকা, সোনা গয়না হাতিয়ে নিচ্ছে। একাধিক পুরুষের সাথে বিবাহের কথা বলে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে সর্বশান্ত করে লাপাত্তা হয়ে যায়।

জেলার গলাচিপা উপজেলার নির্বাচন অফিসের সীলমোহর এবং ১২-৮-২০২১ সনের জাতীয় পরিচয় পএের আবেদন পএে দেখা যায় ঝুমুর আক্তার নাম পরিবর্তন করে আছিয়া বেগম উল্লেখ করেছেন, জাতীয় পরিচয় পএ নং-৮৬৬৬৪১৬৪৫১,জন্ম তারিখ ১০-১০-১৯৮৫,স্বামীর নাম মানিক, বাবার নাম মোঃদেলোয়ার মায়ের নাম রসনছা।মে ২০১৯ প্রদত্ত জাতীয় পরিচয় পএে(স্মার্ট কার্ড)এ দেখা জায় জন্ম তারিখ ১৫ই মে ১৯৯৬ নং ৭৭৭২৫০০৮০২,বাবার নাম মোঃ দেলোয়ার হাওলাদারের মায়ের নাম রওশন আরা।

ভিন্ন ভিন্ন নামের কারনে দীর্ঘ দিন যাবত সুকৌশলে প্রতারণা করে আসছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতারক ঝুমুর আক্তার নামে ভকেশনাল থেকে পাশ করে ঢাকার সোনারগাঁও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (টেক্সটাইল এ্যান্ড ইন্জিনিয়ারিং) থেকে বি এস সি পাশ করে।অধ্যায়নরত অবস্থায় তার সহ পাঠী পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার স্বরগ্রামের মোঃদুলাল ফকির এর পুএ সোহান(২৫)এর সাথে প্রেম এবং বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে এবং ঢাকায় এক সাথে বসবাস করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

সোহান ঝুমুর আক্তার কে বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ১০-৯-২০১৮তারিখে বেলা ৩টার সময় ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের সামনে থাপ্পড় মারে। বিষয় টি উভয় পক্ষের মধ্যে মিমাংসা হলেও তিন মাস পর সোহান গত ৬-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকায় আত্মহত্যা করলে ঝুমুর পরের দিন ৭-১২-২০১৮ তারিখে ঢাকার বনানী থানায় সোহানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করে (নং৪২২/৭-১২-২০১৮। সোহানের মা সুরাইয়া বেগম (৪০) মুঠোফোনে (০১৭৩৫১৩৩৩৭৫) কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিবেদক কে বলেন ঝুমুরের জন্য আমার ছেলে পাগল ছিলো।

আমি ওদের সম্পর্কের বিষয় টি জানতাম।সোহানের আত্মহত্যার পর পুলিশ সোহানের হাতের লেখা একটি চিরকুট উদ্ধার করে যাতে লেখা ছিলো(আত্মহত্যা মহা পাপ,আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়,আমার মৃত্যুর খবর ঝুমুরের কাছে পৌঁছে দিও।)যা পাবনা জেলার সাথিয়া উপজেলার আতাইকুলা থানা পুলিশের কাছে রক্ষীত আছে বলে তিনি জানান। অভিযোগ কারী ঝুমুর আক্তার এর দ্বিতীয় স্বামী মোঃ সেলিম মল্লিক জানায় ঝুমুরের প্রতারণার বিষয় টি তার জানা ছিলোনা।আমি গত ৯ জুলাই ২০২০ নোটারী করে এবং ১১ ই জুলাই ২০২০ শরীয়ত সম্নত ভাবে ঝুমুর কে বিবাহ করি।

ঝুমুর আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাড়ীতে মাছের ঘের, পাকা দালান এবং নগদ ১৫ লাখ টাকা নিয়ে এখন নিখোঁজ রয়েছে। সরেজমিনে আমখোলা গ্রামে ঝুমুরের বাবার বাড়ীতে গোলে সাংবাদিকদের দেখে ঝুমুরের বাবা -মা গা ঢাকা দেয়।স্হানীয়রা জানায় বিগত দিনে ঝুমুর অনেকের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এমন কি তার বাবা অনৈতিক সম্পর্কের কারনে ধর্ষণ মামলার আসামী(পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে মামলা চলমান(মামলা নং১৬৪/২০) ইউনিয়ন পরিষদ কতৃক কিভাবে একই ব্যাকত্তিকে দুই টি নাগরিক সনদ পএ দেওয়া হলো জানতে চাইলে ১নং আমখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান মনির বলেন আমরা জাতীয় পরিচয় পএ দেখে নাগরিক সনদ পএ প্রদান করে থাকি।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে ঝুমুর আক্তার এর ব্যবহৃত মোবাইল নং(০১৬৪২৪৪৪১০৯)বন্ধ পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা ঝুমুর আক্তারের প্রতারণার কারনে অন্য কেউ যাতে আর সর্বশান্ত না হয় তাঁর জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

//মোঃ তুহিন শরীফ, পটুয়াখালী//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার উধাও হয়ে গেছে বরিশাল শেবাচিম থেকে