দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণায় নড়াইলে চলছে কঠোর লকডাউন!

 

নড়াইলে চলছে ১১ দিনের মত কঠোর লকডাউন। আজ বৃহস্পতিবার সরকারি ভাবে দেশব্যাপী লকডাউনের ঘোষণা করলেও নড়াইলে গত ২০ জুন রাত ১২ টা থেকে কঠোর লকডাউন পালন করা হচ্ছে। সরকারি সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বুধবার রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির এক সভায় জেলার জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়, সিভিল সার্জন নাছিমা আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল কবির টুকু, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কাজী ইসমাইল হোসেন লিটনসহ সরকারি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিববুর রহমান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে পরবর্তী ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত জেলার সর্বত্র কঠোর লকডাউন পালিত হবে। এ সময় প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে বেলা ১২ পযর্ন্ত কাঁচা বাজার,মাছের বাজার, ফলের দোকান খোলা থাকবে।

শপিংমল, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল/রেস্তোরা, মুদি দোকান, চায়ের দোকানসহ সবকিছু বন্ধ থাকবে। সড়ক ও নৌপথে গনপরিবহন ও সকল প্রকার যান্ত্রিক যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরী সেবা লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার করোনা ভাইরাস সংক্রামণের নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় আক্রান্তের হার ৩৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় ২৩২ নমুনা পরীক্ষায় ৯২ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে ।

এরমধ্যে সদর উপজেলায় ২১ জন, লোহাগড়ায় ৪৩ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ২৮ জন আক্রান্ত হয়েছে। এদিকে করোনায় তিনজনের মৃত্য হয়েছে।

এর মধ্যে সদরে একজন এবং কালিয়া উপজেলায় দুইজন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৮ জন। জেলায় করোনায় এ পর্যন্ত মারা গেছে ৪৭ জন।

জেলায় এ পর্যন্ত দুই হাজার ৭৬০ জনের করোনা পজেটিভ হয়েছে। সুস্থ হয়েছে দুই হাজার ৭৩ জন।

// মোঃ খাইরুল ইসলাম চৌধুরী, নড়াইল //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ১৬।। ৭ জন আক্রান্ত হয়ে, উপসর্গ নিয়ে ৯

 

খুলনা মহানগরীতে ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পূর্বের থেকে আরও শক্তি বৃদ্ধি করে খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে নির্মমভাবে ও অপ্রতিরোধ্য গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে আজকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও করোনার উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগের এ যাবতকালের সর্বোচ্চ ৩৯ জন মৃত্যুর বরণ করেছেন

করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় আজ সারা দেশের ন্যায় খুলনাতে চলছে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন।

আর এই কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে সেনাবাহিনী, র্যাব,  বিজিবি, পুলিশ ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী জেলা ম্যাজিস্ট্রটগণ। ১ জুলাই-২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ও উপজেলায় ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

আজ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি পালন ও কঠোর বিধি নিষেধ নিশ্চিত করণে সকাল থেকে এখন পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ২৯ টি মামলায় ৩৩ জনকে ২৩ হাজার ১ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

লকডাউন অমান্য করার সুযোগ নাই।। মাঠে থাকবেন শতাধিক ম্যাজিস্ট্রেট

 

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১০৬ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই আদেশ জারি করে।

‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর’, ১৮৯৮ এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ৫ ধারা অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

“এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন,” বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মহামারী নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউনের বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।

সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী।

 

 

এ প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের এলাকা, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন।

সেই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

//দৈনিক বিশ্ব, অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাশরাফির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ

 

রাণীশংকৈলে লকডাউনে দোকান খোলা: জরিমানা ও শিলগালা

 

রাণীশংকৈলে লকডাউনে দোকান খোলা, ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে (৩০ জুন বুধবার) দুপুরে পৌরশহরে মীম সু ষ্টোরকে লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও দোকানঘরে শিলগালা করা হয়েছে ।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা। এ সময় ভূমি অফিসের অফিস সহকারি ও মোবাইল কোর্টের পেশকার সোহেব আলী ও আনসার উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে বর্তমান করোনা ভাইরাস রোধ কল্পে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আন্তজেলা ও উপজেলার দোকান পাট গন পরিবহন বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে রাণীশংকৈল পৌর শহরের মীম সু ষ্টোরকে দোকান খোলা রাখার সময় হাতে নাতে ধরা পড়লে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ জরিমানা করেন।

পরে ভ্রাম্যমান আদালতে পৌর শহরের ভান্ডার গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩০) কে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮ ও ২৬৯ ক ধারাই ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা বলেন, বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারি সিন্ধান্ত মোতাবেক দোকান পাট বন্ধ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে ও করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির তোয়াক্কা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দোকান খোলা রেখে কেনা বেচা করার অপরাধে উল্লেখিত আইনে এ জরিমানা করা হয়েছে।

//মাহাবুব আলম,  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে নতুন করে ৩২০ জন করোনা রোগী শনাক্ত

 

 

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে ২৯ হাজার ৯ শত টাকা জরিমানা

 

খুলনা মহানগরীতে ৪৩ জনকে জরিমানা করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মত বইছে সীমান্তবর্তী খুলনার উপর দিয়ে। করোনার এই টেউ মহানগরী খুলনা থেকে বিভিন্ন জেলা, জেলা থেকে উপজেলায় এমনকি সুদূর গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

আর তাই করোনা মহামারী থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করার জন্য করোনা প্রতিরোধ কমিটি ধফায় ধফায় মিটিং করে করণীয় বর্জনীয় ঠিক করে তা বাস্তবায়নের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এবং আজও আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

করোনা মহামারীর প্রাণ সংহারীরূপকে প্রতিহত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস্ক ব্যবহার, জনসমাগম এড়িয়ে চলা,লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেশনে যাওয়া সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

 

 

 

কিন্তু গতবছর ৮ মার্চ যখন প্রথম বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয় তার পূর্বেই উল্লেখিত বিষয়সমূহ নিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার পরও জনগণের বোধদয় করা সম্ভব হয়নি। আর তাই করোনার সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে।

করোনার এই সংহারক শক্তিকে রোধকল্পে জন সচেতনা বৃদ্ধি ও ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য খুলনা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মনিরুজ্জামান তালুকদার- এর নির্দেশনায় ২৯ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইলে কোর্ট পরিচালনা করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের সংক্রমণ রোগ ( প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের বিভিন্ন ধারায় ৩৮ মামলায় ৪৩ জনকে ২৯হাজার ৯শত টাকা জরিমানা আদায় করেন। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে ।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুর মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিজে কাঁদলেন অন্যকেও কাঁদালেন

 

খুলনা মহানগরীতে ১৯ জনকে ২২ হাজার ৭ শত টাকা অর্থদন্ড

 

 খুলনা মহানগরীতে ১৯ জনকে জরিমানা করা হয়েছে স্বাস্থবিধি অমান্য করার দায়ে ।

বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মত বইছে সীমান্তবর্তী খুলনার উপর দিয়ে।

করোনার এই টেউ মহানগরী খুলনা থেকে বিভিন্ন জেলা, জেলা থেকে উপজেলায় এমনকি সুদূর গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

আর তাই করোনা মহামারী থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করার জন্য করোনা প্রতিরোধ কমিটি ধফায় ধফায় মিটিং করে করণীয় বর্জনীয় ঠিক করে তা বাস্তবায়নের জন্য দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এবং আজও আগামী এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছেন।

খুলনা মহানগরীতে ১৯ জনকে ২২ হাজার ৭ শত টাকা অর্থদন্ড

করোনা মহামারীর প্রাণ সংহারীরূপকে প্রতিহত করতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাস্ক ব্যবহার, জনসমাগম এড়িয়ে চলা,লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেশনে যাওয়া সর্বোপরি সামাজিক সচেতনতার কোন বিকল্প নেই।

কিন্তু গতবছর ৮ মার্চ যখন প্রথম বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয় তার পূর্বেই উল্লেখিত বিষয়সমূহ নিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার পরও জনগণের বোধদয় করা সম্ভব হয়নি। আর তাই করোনার সংক্রমণে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেড়েই চলছে।

করোনার এই সংহারক শক্তিকে রোধকল্পে জন সচেতনা বৃদ্ধি ও ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য খুলনা জেলার মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মনিরুজ্জামান তালুকদার- এর নির্দেশনায় ২৮ জুন-২০২১ রোজ সোমবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে মোবাইলে কোর্ট পরিচালনা করেন।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সরকারি আদেশ অমান্যকারীদের সংক্রমণ রোগ ( প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইনের বিভিন্ন ধারায় ১৯ মামলায় ১৯ জনকে ২২ হাজার ৭ শত টাকা জরিমানা আদায় করেন। উল্লেখ্য করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধকল্পে জেলা প্রশাসনের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

// নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

করোনা ভাইরাস: মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া কেউ থাকবেনা

 

 

করোনা ভাইরাস: মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া কেউ থাকবেনা

 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া অন্য আরোহী বহন না করতে অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সোমবার (২৮ জুন) রাতে ডিএমপির পক্ষ থেকে এ অনুরোধ জানানো হয়।

ডিএমপির পক্ষ থেকে বলা হয়, লক্ষ্য করা যাচ্ছে, লকডাউনের মধ্যে মোটরসাইকেলে চালকের সঙ্গে পরিচিত ব্যক্তি রাইড শেয়ার করছেন। অথবা কেউ কেউ পেশাগত কারণেও রাইড শেয়ার করছেন। ফলে একই ব্যবহৃত হেলমেট বারবার বিভিন্ন মানুষ ব্যবহার করছেন। এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে।

এ অবস্থায় বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় জরুরি প্রয়োজনে রাজধানীতে চালক ব্যতীত অন্য আরোহী নিয়ে মোটরসাইকেলে চলাচলে নিরুৎসাহিত করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। স্বাস্থ্যবিধি মেনে রিকশায় যাতায়াতের জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আজ সোমবার (২৮ জুন) থেকে সারাদেশে সীমিত পরিসরে লকডাউন কার্যকর হয়েছে। লকডাউন চলবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। রোববার (২৭ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সাত দিন সারাদেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

রবিবার (২৭ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় কিছু শর্তাবলী সংযুক্ত করে ২৮ জুন সকাল ৬টা থেকে থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

 

নতুন যুক্ত হওয়া শর্তাবলী:

১. সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ছাড়া সব গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে নিয়মিত টহলের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

২. সব শপিং মল, মার্কেট, পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৩. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (শুধুমাত্র অনলাইন/টেক ওয়ে) করতে পারবে।

৪. সরকারি-বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানগুলো শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় তাদের আনা-নেওয়া করতে হবে।

৫. জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য আরও প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এর আগে, ২৪ জুন কোভিড-১৯ কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’র সুপারিশ করা হয়। এতে বলা হয়, দেশে কোভিড-১৯ রোগের ভারতীয় ডেল্টা ধরনের সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। ইতোমধ্যে এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে ধারালো অস্ত্রসহ ২ কিশোর সন্ত্রাসী গ্রেফতার

 

‘‘কঠোর লকডাউনের‘‘ মেয়াদ ৭জুলাইর পরেও বাড়তে পারে

 

করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১ থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তা আবার বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দাকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমাদের যেটা এক্সপিরেয়েন্স সেটা হলো- চাপাইনবাবগঞ্জ স্ট্রিক্টলি ব্লক করে দেওয়ায় সংক্রমণ অনেক কমে গেছে। সাতক্ষীরায় ইমপ্রুভ করেছে। যেখানে যেখানে আমরা মুভমেন্ট রেসস্ট্রিক্ট করে দিয়েছি সেখানে ইমপ্রুভ করেছ। সরকার যদি মনে করে আরও সাতদিন যেতে হবে, সেটাও বিবেচনায় আছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষেধ।  

তিনি বলেন, এই সময়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে এবার কোনো মুভমেন্ট পাস থাকবে না।

‘জরুরি সেবা ছাড়া কেউ ঘর বের হতে পারবে না। জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকবে।’

খন্দাকার আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, লকডাউন, শাটডাউন এসব কিছু না, কড়া বিধিনিষেধ পালন করা হবে। আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি।

তিনি বলেন, আমরা সারাদেশের স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা ভিডিও প্রেজেন্টেশনে দেখছি দেশের একটা বড় অংশ রেড, অরেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। কিছু বাস্তব কারণে ৩০ জুন পর্যন্ত করতে পারছি না। তবে ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই স্ট্রিক বিধিনিষেধ আরোপ হবে।

এই সাতদিন সাধারণ ছুটি কি না- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছুটি থাকবে কেন? নিষেধাজ্ঞা। লকডাউন আর নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পার্থক্য আছে। সব বন্ধ করে দিতে পারবেন না। জরুরি সেবা চালু থাকবে।

পোশাক শিল্প বা রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানা বন্ধ থাকবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এ বিষয়ে আবার বসা হবে, হয় তো কালকেই (মঙ্গলবার) বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন।

বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আগামীকাল বা পরশুদিন আবার বসব। সেখানে বিস্তারিত আলাপ হবে।

প্রসঙ্গত করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন দিনের লকডাউনের প্রথম দিন আজ। চলবে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে সব ধরনের গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। দোকানপাট ও শপিংমলও বন্ধ থাকবে।

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নো মুভমেন্ট পাস: ১-৭ জুলাই পর্যন্ত থাকবে কঠোর বিধিনিষেধ

 

 

নো মুভমেন্ট পাস: ১-৭ জুলাই পর্যন্ত থাকবে কঠোর বিধিনিষেধ

 

নো মুভমেন্ট পাস : মহামারী  করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১ জুলাই থেকে ৭ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রজ্ঞাপিত বিধি-নিষেধ বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবি মাঠে থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

রোববার দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এসব কথা জানান।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, লকডাউন, শাটডাউন এসব কিছু না, কড়া বিধিনিষেধ পালন করা হবে। এবার পুলিশের কোনো মুভমেন্ট পাস থাকবে না। একবারে জরুরি সেবা ছাড়া কেউ ঘর হতে বের পারবে না। জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব অফিস-আদালত সব বন্ধ থাকবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার বিধিনিষেধের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল নগরীতে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন

 

 

২৮ তারিখ থেকে কঠোর লকডাউন।। বন্ধ থাকবে সরকারী বেসরকারী সব অফিস

 

পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে কঠোর লকডাউন জারি করেছে সরকার। এ সময় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।  এর আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সাতটি জেলার কঠোর লকডাউন জারি করা হয়।

শুক্রবার রাতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে।

জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না।গণমাধ্যম এর আওতা বহির্ভুত থাকবে।এ বিষয়ে আরেও বিস্তারিত আদেশ আগামীকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।

::অনলাইন নিউজ::

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা বিভাগে একদিনে এ যাবত কালের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও সনাক্ত