বেআইনি সকল কাজের ঠিকানা স্যার লোটাস কামালের অফিস ?

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

সোস্যাল মিডিয়ার ফেসবুক পেজে বিজ্ঞাপনের মত প্রায় প্রচার করে থাকেন নাঙ্গলকোট উপজেলার প্রিয় দৌলখাঁড় গ্রামের আবুল কালাম আজাদ । ব্যাতিক্রমী বিজ্ঞাপনে যে সকল সেবার কথা উল্লেখ করা হয়েছে  সবগুলোই রাষ্ট্রের আইনের বাইরে । এখন প্রশ্ন হলো স্যার লোটাস কামালের অফিস হলে সবই জায়েজ ?

উল্লেখ্য, এ পেজ থেকে বেআইনি সেবার বিজ্ঞাপন প্রায়ই দেখা যায় ! সম্ভবত স্যার লোটাস কামালের নাম দেখে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখে পড়লেও তারা এড়িয়ে যান । স্যার লোটাস কামাল বলতে বুঝাচ্ছে প্রচারকারীর নির্বাচনী এলাকার অর্থ মন্ত্রী  আ হ ম মুস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল । ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন আবুল কালাম আজাদ নিজেকে পরিচয় দেন অরবিটালস এন্টারপ্রাইজের স্টাফ । যে প্রতিষ্ঠানের মালিক অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল । ইতিমধ্যে মালয়েশিয়া ও সৌদি আরবে পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে কয়েক লাখ নিজের হেফাজতে নিয়েছে । এ পর্যন্ত কাউকে পাঠিয়েছেন এমন খবর পাওয়া  যায়নি । তবে শেষতক তার খেসারত গুনতে হবে স্যার লোটাস কামাল ।

(পাঠক ও সতর্কতার জন্য তাঁর স্ট্যাটাস কপি করা হল)

এম আরপি থেকে ই-পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করলেই যোগাযোগ ই-পাসপোর্ট এনআইডি কার্ড এর বরাবর বয়স কালেকশন নাম কালেকশন চেঞ্জ সহ ই-পাসপোর্ট আবেদন জমা করি কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস এবং ঢাকা আগারগাঁও।

দেশও প্রবাস থেকে অনেকে পাসপোর্ট আবেদন জমা করেছেন কিন্তু পাসপোর্ট ঢাকা ডাটা সেন্টার ব্যাকএন্ড এ আটকে আছে তাহলে ডেলিভারি স্লিপ নিয়ে যোগাযোগ করুন।

এন আইডির সংশোধনের এর কাজ করি। শুধু নিজের নাম-পিতার-নাম- মাতার নাম।

ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি? কিন্তু ভ্যাকসিন এর সার্টিফিকেটের প্রয়োজন-তাহলে সার্টিফিকেটের জন্য কল করুন। এবং কন্টাকে মেডিকেল করানো হয়। পুলিশ ভেরিফিকেশন করানো হয়।

যোগাযোগ ঠিকানা ঢাকা গুলশান

স্যার লোটাস কামাল টাওয়ার 2 অফিস ১৬ তলা

অরবিটালস্ ইন্টারন্যাশনাল বিস্তারিত জানতে কল এর মাধ্যমে 01857873599

মোঃ আজাদ মজুমদার গ্রামের বাড়ী প্রিয় দৌলখাঁড়।

জুতা পায়ে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ফলকে ইউএনও!

//কুমিল্লা প্রতিনিধি//
২৫ মার্চ বিকালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিস্থল ‘হাড়াতলী স্মৃতি ফলকে’ মোতবাতি প্রজ্বলন করেন কুমিল্লার লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফোরকান এলাহি অনুপম, এসিল্যান্ড নাছরিন আক্তারসহ উপজেলার কয়েকজন কর্মকর্তা, পুলিশের একটি দল ও স্থানীয় বেলঘর উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মালেক। এরপর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্মৃতি ফলকে শহিদদের ফুলেল শ্রদ্ধা জানান উপজেলা প্রশাসন। শ্রদ্ধা জানানোর সময় ইউএনও, এসিল্যান্ড ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের পায়ে জুতা ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে বীরমুক্তিযোদ্ধা, আলেম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
২৫ মার্চ রাত ৮.৫৪টায় ‘ইউএনও লালমাই কুমিল্লা’ নামীয় ফেসবুক আইডিতে ইউএনও নিজেই কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, গণ-কবরের বেস্টনীতে প্রবেশ করে স্মৃতি ফলকে গিয়ে জুতা পায়ে ইউএনওসহ অন্যান্যরা পুস্পস্তবক অর্পন করছেন।
লালমাই উপজেলার আলীশ্বর গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা দ্বীন মোহাম্মদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখন বীরমুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করলে কোন বিচার হয় না। বিভিন্ন প্রোগ্রামে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের ডেকে নিয়ে স্কুলের বাচ্চাদের মতো বেঞ্চে বসিয়ে রাখে আর রাজাকারের ছেলেরা মঞ্চে বসে কথা বলে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ছাড়া আর কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের হৃদয় থেকে বোঝে না। জুতা নিয়ে গণকবরে প্রবেশের তীব্র নিন্দা জানাই।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আমিনুল হক বলেন, আমিসহ ইউএনও খেয়ালের ভুলে জুতা না খোলে হাড়াতলী গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। এটা আমাদের ভুল হয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি বড় ভুল করেছি।
কুমিল্লা জেলা কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুল বলেন, যারা হাড়াতলী গণকবরে জুতা নিয়ে প্রবেশ করেছেন তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের অপমান করেছেন। তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।
লালমাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক বলেন, মুসলমানদের কবরে গেলেও জুতা খোলে যেতে হয়। গণকবরে জুতা নিয়ে প্রবেশ করে ইউএনও বীর শহিদদের অপমান করেছেন। এটা অন্যায়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সেখানে আমারও যাওয়ার কথা ছিল। শরীর অসুস্থ থাকায় শ্রদ্ধা জানাতে যেতে পারিনি।
লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফোরকান এলাহি অনুপম বলেন, আমি ভুল করিনি। জুতা পরে কবরের পাশে দাঁড়িয়েছি। কবরে দাঁড়াইনি। একজন মুক্তিযোদ্ধাও সেখানে ছিল।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর বেলঘর ইউনিয়নের (বর্তমান বেলঘর উত্তর ইউনিয়ন) হাড়াতলীতে পাক সেনাদের সাথে দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ চলে। এতে বীরমুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান, হারুনুর রশিদ, দেলোয়ার হোসেন, মনোরঞ্জন সিংহ ও ইজ্জত আলী শহিদ হন (তথ্য: মুক্তি সংগ্রামে কুমিল্লা, পৃষ্ঠা ৮১)। যুদ্ধের পরে রাতেই স্থানীয়রা ৫জন শহিদ বীরমুক্তিযোদ্ধার মরদেহ হাড়াতলী সড়কের মোড়ে গণকবরস্থ করেন। দেশ স্বাধীনের পরে সেই সমাধিস্থলেই শহীদদের স্মরণে স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে সমাধিস্থলে বেস্টরি নির্মাণসহ সংস্কার করা হয়। প্রতি বছর ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় সরকারিভাবে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদদের স্মৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আমতলীতে পায়রা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরক্ষা প্রকল্পের উদ্ভোদন

সাইফুল্লাহ নাসির,আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ

বরগুনা জেলার পোল্ডার ৪৩/১ ও ৪৪বি পুনর্বাসন এবং ঝুকিপূর্ণ অংশ পায়রা নদীর ভাঙ্গন হতে প্রতিরক্ষা প্রকল্প” এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ সকাল এগারোটায় আমতলী পানি উন্নয়ন বোর্ড চত্বরে আয়োজিত ও পানি উন্নয়ন বোর্ড এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (দক্ষিণ) ও অত্র প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা,বরগুনা-১ আসনের সাংসদ,মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালায় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির সভাপতি এবং বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পানি উন্নয়ন বোর্ড এর তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পটুয়াখালী সার্কেল) ছবিবুর রহমান, বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট এম এ কাদের মিয়া, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মজিবুর রহমান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, আমতলী পৌর মেয়র মোঃ মতিয়ার রহমান,আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ এ,কে,এম মিজানুর রহমান, জেলা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা,জন প্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য সাংসদ এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের চলমান ধারাবাহিকতায় আমতলী -তালতলী- বরগুনার পাশ দিয়ে বহমান পায়রা নদীর ভাঙ্গন কবলিত জনগণ ও সম্পদের নিরাপত্তায় এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

যশোরে ডিবি পুলিশ চুরির ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ১৪ টি সাইকেল ও ১ টি ভ‍্যান উদ্ধার :আটক -৪

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোরে বাসাবাড়িতে চুরির একটি ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে চোরচক্রের আস্তানা থেকে চোরাই ১৪টি বাইসাইকেল, ১টি ভ্যান এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় চোরচক্রের ৪ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।
আটকরা হলেন মাগুরার শালিখা উপজেলার ছয়ঘরিয়া গ্রামের আব্দুল হক কাজীর ছেলে বর্তমানে যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া দক্ষিণপাড়ার সালমা বেগমের বাড়ির ভাড়াটিয়া তরিকুল ইসলাম (২৫), চৌগাছা উপজেলার মনমথপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে বর্তমানে পশ্চিম কারিগরপাড়ার মাহাবুবুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া হাসানুর রহমান (৩০), বেড় গোবিন্দপুর গ্রামের মৃত এরশাদের ছেলে আলমগীর হোসেন তুহিন (৩৬) ও ঝিকরগাছা উপজেলার আটলিয়া গ্রামের আবুল বাশারের ছেলে পারভেজ (২২)।
ডিবি পুলিশের ওসি রুপন কুমার সরকার জানান, গত ৩১ জানুয়ারি রাতে বাঘারপাড়া উপজেলার পাঠানপাইকপাড়া গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে আবু বক্কার মোল্লার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা তার বাড়ি থেকে সাড়ে ৩ ভরি সোনার অলঙ্কার, নগদ ৬০ হাজার টাকা ও ১টি এন্ড্রোয়েড মোবাইল ফোনসেট চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আবু বক্কার মোল্লা ডিবি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে চোরচক্রের কয়েকজন সদস্যকে শনাক্ত করেন ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঝিকরগাছা উপজেলার রাজারডুমুরিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আবু বক্কার মোল্লার বাড়িতে চুরির সাথে জড়িত তরিকুল ইসলাম ও পারভেজকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে আবু বক্কার মোল্লার বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া এন্ড্রোয়েড মোবাইল ফোনসেটটি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের কাছ থেকে ১টি চোরাই ভ্যান ও ১টি হ্যান্ডমাইক উদ্ধার করা হয়। একইদিন ভোর ৫টার দিকে ঝিকরগাছা উপজেলার কাগমারী দাসপাড়া জনৈক বিজয় দাসে বাড়ি থেকে তারা ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও হ্যান্ডমাইকটি চুরি করেছিলেন। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে চৌগাছা উপজেলার পশ্চিম কারিগরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের আরো দুই সদস্য হাসানুর রহমান ও আলমগীর হোসেন তুহিনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চোরাই ১৪টি বাইসাইকেল, চুরির কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল ও তালা ভাঙ্গার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত পরিবারের পাশে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম‍্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
মাদারীপুর শিবচরে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ডুমুরিয়ার মিকশিমিল রুদাঘরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী,ডাচ্ বাংলা ব্যাংক এর  কর্মকর্তা মহাদেব কুমার সাধুখা অকাল প্রয়ানে   গভীর শোক শোকাহত পরিবার ও অবুঝ দুটি শিশুকে জড়িয়ে ধরে   সমবেদনা জানান ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান   গাজী এজাজ আহমেদ। এসময সকল ধর্ম বনের নারী পুরুষ এলাকাবাসী শেষ বারের জন‍্য দেখতে আসেন। তাকে শোলগাতিয়া মহা শ্মশানে শেষ কৃত‍্য সম্পন্ন করা হযেছে। উল্লেখ‍্য তার স্ত্রী বিপাশা বসু মহিলা বিষযক কর্মকর্তা হিসাবে দিঘুলিয়া উপজেলা কর্মরত।

যশোরে শিশু শ্রেয়ার মৃত্যুর ঘটনায় ভবনের মালিকসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

যশোর চৌগাছায় নির্মাণাধীন ভবনের উপর থেকে মাথায় ইট পড়ে শিশু শ্রেয়া বালার মৃত্যুর ঘটনায় রোববার (১৯ মার্চ ) তার পিতা শংকর কুমার বালা ভবন মালিকসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন ভবনের মালিক পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হোমিও চিকিৎসক জিল্লুর রহমান (৬৫), ঘটনার সময় ভবনে কর্মরত রাজমিস্ত্রি উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের রেজাউল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে মাহফুজুর রহমান (২৫), সাইফুল ইসলাম (৩৫) এবং জগদীশপুর ইউনিয়নের স্বর্পরাজপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান (৪৫)।
এ ঘটনায় ভবনের মালিক জিল্লুর রহমান ও মিস্ত্রি রেজাউল ইসলামকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শিশুটির স্বজনেরা জানান, শনিবার (১৮ মার্চ) রাতে তার ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয় যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। রাত ১০ টার দিকে মরদেহ নিয়ে উপজেলার নিরিবিলিপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে পৌরসভার পান্টিপাড়া মহাশ্মশানে শ্রেয়া বালার সৎকাজ সম্পন্ন হয়।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম সবুজ শ্রেয়া বালার মৃত্যুর ঘটনায় মামলা ও দুইজন গ্রেফতার নিশ্চিত করেছেন।
শনিবার সকালে মায়ের সাথে শিশু শ্রেয়া বালা তার বিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। পড়া শেষে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে মা তার সন্তানকে সাথে নিয়ে বাজারে তার বাবার দোকানে যাচ্ছিলেন। বাবার দোকানের সামনেই নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের উপর থেকে একটি ইট পড়ে শিশু শ্রেয়া বালা গুরুতর জখম হয়। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।

অভয়নগরের পাকা সড়ক কাদা মাটিতে একাকার : দূর্ঘটনায় আহত ৫

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍ঃ

অভয়নগরের সড়কগুলো পাকা হলেও দেখে বোঝার কোন উপায় নেই যে এগুলো পাকা সড়ক। ট্রাকে-ট্রলিতে করে ইটভাটায় নেওয়া মাটি পড়ে সড়কগুলো কাদা মাটিতে একাকার হয়ে বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে মোটরসাইকেলের চাকা স্লীপ করে মারাত্বক দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অন্তত ৫ জন।

অভয়নগরের পাকা সড়ক কাদা মাটিতে একাকার : দূর্ঘটনায় আহত ৫

এসময় ইটভাটা মালিক ও মাটি ব্যবসায়ীদের উপর ক্ষোভ ঝেড়েছেন পথচারীরা। শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার চলিশিয়া গ্রামের শ্যমলের ভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বৃষ্টির পর থেকে সড়কগুলোতে কাদা মাটি ভিজে একাকার হয়ে যায়। ফলে এসব সড়ক দিয়ে সকালে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয় মোটরসাইকেল ও ছোট ছোট গাড়ির চালকরা। অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন সড়কগুলোর এখন একই দশা। কাদা-মাটিতে একাকার হয়ে সড়কগুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা হেঁটে পথ পাড়ি দিতেও চরম বিড়ম্বনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে কতিপয় ইটভাটার অবৈধভাবে চলা ট্রাক্টর-ডাম্পার, ট্রলি, ট্রাক পাকা রাস্তা দিয়ে নিয়মিত মাটি নিয়ে বিভিন্ন ইটভাটায় চলাচল করার সময় এসব যানবাহন থেকে মাটি রাস্তায় পড়ে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ইটভাটার ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন যানের ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বহন করা মাটি সড়কে পড়ে। সেই মাটি থেকে ধুলোর সৃষ্টি হয়েছিল। ফলে বেশকিছু দিন ধরে ধুলো বালিতে বসবাস করাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছিল এলাকাবাসীর। এখন বৃষ্টি হওয়াতে পাকা রাস্তাটি কাদাময় হয়ে পড়েছে। চলাচলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে বেড়েছে দুর্ভোগ। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে এসব সড়কে এতটাই পিচ্ছিল হয়েছে যে, গাড়ী চলাচল তো দূরের কথা হেটেও চলাচল করা যাচ্ছে না। রাস্তায় চলাচল করা এক মটরসাইকেল চালক জানান, ইটভাটার কাজে নিয়োজিত মাটিবাহী যানবাহন থেকে রাস্তায় পড়ে যাওয়া মাটি রোদের সময় রাস্তায় শুকিয়ে ধুলা আর বর্ষায় কাঁদা হয়ে থাকে। দেখে বুঝার উপায় থাকে না এটা কার্পেটিং রাস্তা। এতে বছর জুড়েই এই সড়কে চলাচল করতে পোহাতে হয় দুর্ভোগ। তবে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কগুলোতে যদি এখনই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা না যায় তাহলে কিছুদিনের মধ্যেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। বিশেষ করে আগামী বর্ষা মৌসুম তো আছেই। এজন্য এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে। না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান এলাকাবাসী।

রাস্তা ও ড্রেনের জমির মালিকানা দাবি করে বরগুনার তালতলী উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা

//সাইফুল্লাহ নাসির আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি//

রাস্তা ও ড্রেনের জমির মালিক দাবি করে বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি-উল-কবিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার বরগুনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করেন তালতলী পাড়া এলাকার মোঃ ছগির হোসেন। শুনানি শেষে বিচারক মোঃ নাহিদ হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি-উল-কবির বলেন, উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন কলাবাগান এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য রাস্তা নির্মাণ কাজে ভূমিদস্যু ছগির বাধা দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। এরপর আদালতে আমাকেসহ তিনজনকে আসামি করে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এই ভূমিদস্যু ছগিরের বিরুদ্ধে ভুমি দখল,সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল ও ইয়াবা কারবারসহ অন্তত ২০ টি মামলা আছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুপুরে মামলার বাদী মোঃ ছগির হোসেনের ভোগদখলীয় জমিতে এস্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে মাটি কেটে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি উল কবির জোমাদ্দারসহ মামলায় উল্লিখিত অন্যরা।

সরেজমিনে ও এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলাবাগান এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য সরকারি একটি মরা খাল কেটে ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে এ এলাকার পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় জনদুর্ভোগে পড়েন এ এলাকার মানুষজন। তাদের সমস্যার কথা চিন্তা করে উপজেলা চেয়ারম্যান ড্রেন নির্মাণ করেছেন।এ ঘটনাটায় মামলা করে চেয়ারম্যান কে হয়রানি করছেন।

বড়বগী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নজরুল খান লিটু বলেন,ওখানে একটি সরকারি খাল ছিল সেখানে তালতলী বাজারসহ আশেপাশে এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি ড্রেন নির্মাণ করেছি। সেই কাজে সগির হোসেন নামের একজন ভূমিদস্যু বাধাগ্রস্ত করে আদালতে মামলা করেছেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদের পিছনে একটি রাস্তা নির্মাণের সময়ও তিনি বাধা দিয়েছেন। ছগির উপজেলা পরিষদের সামনে নিজেই সরকারি খাল দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন। অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি।

বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আলমগীর মিঞা বলেন,যখনই কোন সরকারি কাজ হবে তখনই এই ভূমিদস্য ছগির বাধা প্রদান করে। উপজেলা পরিষদের পিছনের একটি রাস্তা কয়েকবার নির্মাণ করতে গেল এই ছগির বাধা প্রদান করে।

মামলার বাদী ছগির হোসেন বলেন,উপজেলা পরিষদের পিছনে আমার জমি সেখান থেকে মাটি কেটে ড্রেন নির্মাণ করছে উপজেলা চেয়ারম্যান এতে আমার ক্ষতি হয়েছে তাই আমি মামলা করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ রেজবি-উল-কবির জানান, বৃষ্টির পানি জমে থাকে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি নাল ছিল সেখানে ড্রেন নির্মাণ করেছি। ওই জমির মালিক দাবি করেছেন একজন ভূমি দখলকারি ছগির। এর আগে বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন। এই মামলা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সামাজিকভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে একটি কুচক্রী মহল এ ধরনের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

শাকিব খান একজন ধর্ষক- তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার প্রযোজক রহমত উল্লাহ।

বুধবার বিকালে চলচ্চিত্রের তিন সমিতির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।

লিখিত অভিযোগটি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার।

লিখিত অভিযোগে ২০১৭ সালে ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ সিনেমার চিত্রায়নের সময় শাকিব খানের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন প্রযোজক রহমত উল্লাহ।

অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, শুটের সময় শাকিবকে নিয়মিত পতিতালয়ে নিয়ে যেতে হতো, আর তা না হলে তার হোটেল কক্ষে অস্ট্রেলিয়ান যৌনকর্মীদের নিয়ে আসতে হতো। এই ব্যাপারটি ছিল প্রতিদিনের রুটিন। কখনো কখনো একাধিকবার। এসব যৌনকর্মীদের মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক আমাদেরকেই দিতে হতো।

সহ-প্রযোজককে ধর্ষণের অভিযোগ এনে অস্ট্রেলিয়ায় একটি মামলাও করা হয়। (মামলা নম্বর: NSW Police reference no: E ৬২৪৯৪৯৫৯)। সেই ঘটনার সূত্র ধরে অভিযোগে রহমত উল্লাহ আরও বলেন, একবার তিনি আমাদের একজন নারী সহ-প্রযোজককে কৌশলে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী ওই নারীকে তিনি অত্যন্ত পৈশাচিকভাবে নির্যাতন করেন। গুরুতর জখমসহ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। নির্যাতিতা তখন এ ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

নির্যাতিতা নিজেও একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী। আমি সেই ফৌজদারি অভিযোগের সাক্ষী ছিলাম। এই ঘটনার পর তিনি এবং তার পরিবার সামাজিকভাবে যেই গ্লানি এবং কুৎসার শিকার হন, তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়ে একটা পর্যায়ে তার নিজের ও তার পরিবারের টিকে থাকাটাই অসম্ভব হয়ে পড়ে। ওইদিন আমরা যখন সহকর্মীকে নিয়ে হাসপাতালে ব্যস্ত, শাকিব খান সেইদিন কাউকে কিছু না জানিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে চুপিসারে চলে যান। এরপর থেকে শাকিবের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে তিনি আবার অস্ট্রেলিয়ায় এলে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। সামাজিক চাপে এবং আরও নিগ্রহের ভয়ে নির্যাতিতা প্রকাশ্যে মুখ খুলতে রাজি না হওয়ায় শাকিব সেই যাত্রায় ছাড়া পেয়ে যান।’

অভিযোগের বিষয়ে শাকিব খানের বক্তব্য জানতে তার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এছাড়া তার মোবাইলে মেসেজ পাঠানো হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি।

‘অপারেশন অগ্নিপথ’ ছবির পরিচালনা করছিলেন আশিকুর রহমান। এতে শাকিবের নায়িকা হিসেবে যুক্ত ছিলেন সিবা আলী খান। তাদের পক্ষ থেকে অবশ্য কোনো অভিযোগের খবর প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্র: যুগান্তর

Daily World News

 

ভারতে জেল খেটে দেশে ফিরলো বাংলাদেশের ৮ যুবক

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি‍//

ভারতে ভালো কাজের আশায় পাসপোর্ট ভিসা বিহীন চোরাইপথে ভারতে গিয়ে ৫ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে ৮ যুবক।

১২ মার্চ (রবিবার) বিকাল ৫ টার সময় ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করে।

ফেরতগামীরা হলোনঃ সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার হামিদ গাজির ছেলে সাইফুল গাজি (২৯) একই জেলার ইশার আলী গাজির ছেলে মনিরুল গাজি (৩০) মুর্শীদ আলীর ছেলে আহসানুর রহমান (২৯) সেফায়েত খার ছেলে আল আমিন (২৮) আবুল হোসেনের ছেলে শাশসুজ্জামান (৩৪) ময়মনসিংহ জেলার বাদশা মিয়ার ছেলে শওকাত হোসেন (৩১) একই জেলার নিজাম উদ্দিন এর ছেলে আল আমিন (৩০) আবুল বাশার এর ছেলে আশরাফুল আলম (২৭) ।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, এরা ভাল কাজের আশায় বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারত যায়। এরপর সেদেশের তামিল নাড়ু শহরে কৃষি কাজ করার সময় পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। সেই থেকে এরা বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে দেশে আসে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ফেরত আসা বাংলাদেশী নাগরিকদের থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাস্টিস ফর কেয়ার নামে একটি বেসরকারী সংস্থার কাছে হস্থান্তর করা হবে।

যশোর বেসরকারী এনজিও জাস্টিস এন্ড কেয়ার এর মাঠ কর্মকর্তা মুহিদ বলেন, ফেরত আসাদের যশোর তাদের নিজ শেল্টার হোমে রাখা হবে। এরপর পরিবারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যেমে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।