উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে গলদা চাষে ভাগ‍্য বদলে চাষিদের ওর্য়াকসপ অনুষ্ঠিত

//আঃ রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

রূপসায় উন্নত সনাতন পদ্ধতিতে গলদা চিংড়ি চাষে ভাগ্য বদলের লক্ষে ২৪ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১০টায় দক্ষিণ খাজাডাঙ্গা গ্রামে ক্লাস্টার প্রাঙ্গনে ১০০ জন চাষীদের নিয়ে ওর্য়াকসপ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়দেব পাল।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক আজিজ, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ. রাজ্জাক শেখ, কোষাধ্যক্ষ নাহিদ জামান, ইউপি সদস্য স্বপ্না পাল, হোসনেয়ারা হেনা, মেরিন অফিসার রাসেল শেখ, সিএস মিঠুন বিশ্বাস, ক্লাস্টার সভাপতি আনসার আলী, খন্দকার শরীফুল ইসলাম, আ. ওয়াদুদু, মো. মনিরুজ্জামান শেখ, মিরাজুল ইসলাম, সোহেল রানা, রাজ্জাক মোড়ল, নুর নাহার বেগম, এনামুল শেখ, শফিক শেখ প্রমূখ।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাঠে গিয়ে উন্নত সনাতন পদ্বতিতে সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের মাধ্যমে গলদা চাষের ঘের পরির্দশন করেন।

ইতালির ‘সিমনা’ বঁধু হয়ে  হেলিকপ্টারে ছুটে এলেন আমতলীতে

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

সুদুর ইতালির রাজধানী রোম থেকে ‘সিমনা’ বঁধু হয়ে ছুটে এলেন বরগুনার আমতলীতে।সিমনাকে এক নজর দেখতে শত শত মানুষের ভিড় করেছে।

আজ দুপুরে আমতলী পৌরসভা কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে ঈদগাহ ময়দানে প্রিয় স্বামীর স্বজনদের  অভ্যর্থনায় অভিভূত ওই বধূ।

জানা গেছে,আমতলী পৌর শহরের কালিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা সোনা মাতুব্বরের ছেলে নাসির মাতুব্বর কাজের সন্ধানে ২০০৩ সালে ইতালির উদ্দেশে পাড়ি জমান। জীবন বাজি রেখে ছয়টি দেশ পেরিয়ে ২০০৭ সালে ইতালি পৌঁছেন।

নাসির ইতালিতে বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়। কাজের সুবাদে রোমের বাসিন্দা সিমনার সঙ্গে তার দেখা হয়। আলাপ চারিতার মাঝে চলে দুজনের মন দেয়া-নেয়া।টানা চার বছর চুকিয়ে প্রেম করেন তারা। ২০১৩ সালে তাদের প্রেমের রূপায়িত হয় বিয়েতে।বিয়ের পর নাসির-সিমনা দম্পতির দাবিদ নামের পাঁচ বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। ইতালি প্রবাসী নাসির বর্তমানে গার্মেন্টসের ব্যবসা করেন। ভালোই কাটছে তাদের দাম্পত্য জীবন।

বৃহস্পতিবার নাসির স্বজনদের দেখতে হেলিকপ্টারে বধূ ও পুত্র সন্তান নিয়ে আমতলী আসেন। বেলা সাড়ে এগারটার দিকে পৌরসভা কার্যালয়ের পশ্চিম পাশে ঈদগাহ ময়দানে তাদের বহনকারী হেলিকপ্টার অবতরণ করে। এ সময় শত শত উৎসুক জনতা তাদের দেখতে ভিড় জমায়। ওই দম্পতিকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় স্বজনরা। রোমের কন্যা আমতলীর বধূ সিমনা উৎসুক জনতাকে হাত নেরে অভিবাদন জানান।

ইতালি প্রবাসী নাসির মাতুব্বর বলেন, ‘চারটি বছর জীবন বাজি রেখে ছয়টি দেশ পাড়ি দিয়ে ইতালি গিয়েছি। ওইখানে গিয়ে কাজের সুবাদে সিমনার সঙ্গে দেখা হয়। দেখা থেকে প্রেম, প্রেম থেকে বিয়ে। আমরা এখন ভালোই আছি। স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে হেলিকপ্টারে বধূ, ছেলে দাবিদকে নিয়ে এসেছি। অল্প দিনের মধ্যেই আবার চলে যাব।’

আমতলীর বধূ সিমনা বলেন, ‘আমরা ছেলে সন্তান নিয়ে ভালোই আছি। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ‘প্রবাসী দম্পতি ভালোভাবেই আমতলী এসে পৌঁছেছেন। তাদের জন্য বেশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

১কোটি টাকা মাত্র ১ রাতের হোটেল ভাড়া…!

//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//

অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধার সাদা ও সোনালি রঙের চারটি শয়নকক্ষের বিলাসবহুল পেন্টহাউসটির নাম ‘দ্য রয়্যাল ম্যানশন’। এতে রয়েছে বিশাল হলঘর, ১২ আসনের খাবার ঘর, বিনোদন কক্ষ, সুইমিংপুল এবং ব্যক্তিগত খোলা জায়গা, যেখানে বসে দেখা যাবে দুবাইয়ের আকাশ। আর আপনি যদি সেখানে থাকতে চান, তাহলে প্রতি রাতে গুনতে হবে ১ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা (এক ডলার‍=১১০ টাকা)।

১কোটি টাকা মাত্র ১ রাতের হোটেল ভাড়া

অত্যাধুনিক এই স্যুট তৈরি করা হয়েছে দুবাইয়ের ৪৩ তলা আটলান্টিজ দ্য রয়্যাল হোটেলে। চলতি বছর বিশ্বের ৫০টি সেরা হোটেলের তালিকায় এটির অবস্থান ছিল ৪৪তম।

বলিউড অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডের চাচাতো বোন কনটেন্ট ক্রিয়েটর আলানা পান্ডে ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল হোটেল স্যুটে ট্যুর। এক লাখ মার্কিন ডলার খরচ করে আপনি ৪টি শয়নকক্ষ, ৪টি বাথরুম সঙ্গে স্টিম রুম, ১২ আসনের খাবার টেবিল, সম্মেলনকক্ষ, ইনডোর-আউটডোর রান্নাঘর, মুভি থিয়েটার, অফিস/লাইব্রেরি, ব্যক্তিগত বার ও গেম রুম, ১০ আসনের অ্যারাবিয়ান স্টাইলের সানকেন মজলিস, তাপমাত্রা-নিয়ন্ত্রিত ইনফিনিটি পুল, ৩৬০ ডিগ্রি ভিউজ প্রাইভেট ডেক।

১কোটি টাকা মাত্র ১ রাতের হোটেল ভাড়া

হোটেলের ওপর তলায় থাকা এই ম্যানশন হলো মুকুটের মুক্তার মতো। এটি ভবনের দুটি দিককে যুক্ত করেছে। দোতলা এই পেন্টহাউসের সামনের বিশাল হলঘরে রয়েছে ১০০ বছরের পুরোনো অলিভগাছ ও আকাশছোঁয়া সিলিং।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে হোটেলটির উদ্বোধন হয়। সেই অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন মার্কিন গায়িকা বিয়ন্স। সিএনবিসির খবরে বলা হয়, এ জন্য তাঁকে পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হয়েছিল ২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। মডেল কেনডল জেনারসহ বিশ্বের বিখ্যাত হাজারো সেলিব্রিটি ও বিশেষ অতিথিরা সেদিন এই আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন।

আরব সাগরে কৃত্রিমভাবে তৈরি দ্বীপ পাম জুমিরাহের পাশেই ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে হোটেলটি।

রামপালে মহা ধুমধামে সম্পন্ন হলো আব্বাস-সোনিয়ার বিয়ে

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি||

মো. আব্বাস আলী শেখ। বয়েস ২৫ বছর। উচ্চতা ৩ ফুট ২ ইঞ্চি। তার বাড়ী রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের স্বর্ণার মাঠ। সে রামপাল সরকারি কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের ছাত্র। শারীরিক গঠনে খর্বাকৃতির হলেও লেখা পড়ায় বাঁধা হয়নি তার। শ্রীফলতলা পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তির্ন হয় সে। এরপর রামপাল সরকারি ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়ে এইসএসসি পাস করে। একই কলেজে ডিগ্রি ১ম বর্ষে ভর্তি হয়।

দরিদ্র ভ্যান চালক পিতা মোক্তার শেখ সামান্য একখন্ড জমিতে বসবাস করেন। ছেলেকে খুব কষ্ট করে লেখা পড়া শিখিয়েছেন। তার বাড়ীর সবার সখ আব্বাসকে তার মত একজন পাত্রীর সাথে বিয়ে দিবেন। আব্বাস ও বিয়ে করতে আগ্রহী হয়। এরপর পাত্রী দেখা শুরু হয়। এক পর্যায়ে খুলনার ডাকবাংলো এলাকায় তারই অনুরূপ পাত্রীর সন্ধান পাওয়া যায়। কথা শুরু হয় দুই পরিবারের সাথে।

এক পর্যায়ে তাঁদের রেজিষ্ট্রি কাবিনে বিবাহ হয়। সপ্তাহব্যাপী বিয়ে বাড়িতে গ্রামবাসী বাদ্য বাজনা বাজিয়ে ধুমধামের মধ্যে শুক্রবার (০৩ নভেম্বর) দুপুরে কনের বাড়িতে যায় বৌ সোনিয়াকে আনতে।

তাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ এস, এম আশরাফুল আলম, প্রেসক্লাব রামপালের সভাপতি এম, এ সবুর রানা, সাংবাদিক সরদার মুহিদুল ইসলাম, শেখ আব্দুল্লাহ সহ অনেকেই।

গ্রামবাসী তার বিবাহ উত্তর বৌভাতের আয়োজন করবেন বলে জানা গেছে। নবদম্পতি আব্বাস-সোনিয়ার জন্য সবার দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন আব্বাস সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এবং উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি’র সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন একটি চাকুরির জন্য। সে একটি সরকারী চাকরি পেলে সেখানেও মেধার স্বাক্ষর রাখতে চায় আব্বাস।

রামপালের ৫ শতাধিক জেলে মৎস্য আহরণে বহদ্দারের সমুদ্রে যাত্রা

জেনিভা প্রিয়ানা, বিশেষ প্রতিনিধি ||

প্রতি বছরের মত এবারও ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে রামপালের পাঁচ শতাধিক জেলে বহদ্দার নৌকা সাজিয়ে সমুদ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছেন। বুধবার (০১ নভেম্বর) রামপাল থেকে মাছ ধরার সরঞ্জাম ও লোকজন নিয়ে সকাল থেকে রওনা দিয়েছেন তারা। সুন্দরবন বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে মোংলার জয়মনিরগোল থেকে একসাথে সকল জেলে সুন্দরবনের দুবলার চরসহ অন্যান্য চরে গিয়ে আগামী মে মাস পর্যন্ত অবস্থান করবেন।

এ বিষয়ে সমুদ্রগামী মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি মো. শহিদ মল্লিক জানান, এবার ও শত কোটি ভোটার ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে জেলে পল্লীর জেলেরা সমুদ্রে যাচ্ছে। নৌকা ও জাল ভেদে প্রতিজন বহদ্দারের সর্ব নিন্ম ১৫ লক্ষ টাকা থেকে ৫০ লক্ষ টাকা খরচ করে সুন্দরবনে যেতে হচ্ছে। এতে প্রতিজন বহদ্দারের গড়ে ঋণ করতে হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। কেউ সমিতির কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। কেউ ব্যাংক থেকে। আর ৯০ ভাগ জেলে ঋণ করেছে সূদে মহাজনদের কাছ থেকে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করুন বলেন, পেশাদারী সূদে মহাজনরা প্রতিবছর শতকরা চল্লিশ ভাগ বা তারও বেশি সূদে ঋণ দেয়। সহজ শর্তে সরকারি ব্যংকগুলো ঋণ প্রদান করলে জেলেরা বেঁচে থাকতে পারতো। তিনি সহজ শর্তে সরকারি ঋণ প্রদানের দাবি করেন।

এ বিষয়ে সেভ দ্য সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, সমুদ্রগামী জেলেরা প্রতিবছর সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব দিলেও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। এখনও সূদে মহাজনের কাছ থেকে চড়া সূদে ঋণ নিয়ে তাদের সমুদ্রে যেতে হয়। ঋণের কিস্তি পরিশোধ করে তাদের হাতে আর কোন টাকা থাকে না এ কারণে তাদের ভাগ্য বদল হয় না। তিনি সহজ শর্তে সরকারি ঋণ প্রদানের জোর দাবী করেন। এ ছাড়াও তিনি বলেন, সমুদ্রগামী জেলেদের আবাসন সমস্যা, সুপেয় পানির তীব্র সংকট, স্বাস্থ্যসেবা নেই বললে চলে। ঝড় জলোচ্ছ্বাসের সময় আশ্রয় কেন্দ্রও নেই যে, যেখানে দুর্যোগ কালিন সময়ে আশ্রয় নিতে পারেন। সরকারে সংশ্লিষ্ট বন্ধ মন্ত্রণালয় বা বন দপ্তর সমুদ্রগামী মৎস্য আহরণকারী জেলেদের সকল প্রকার সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিলেও তাদের ভাগ্যের কোন উন্নয়ন হয় না। তিনি জেলে, বাওয়ালি, মৌয়ালীদের সকল সমস্যার সমাধানে সরকারের সকল সংস্থাকে এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান।

তালতলীতে হরেক রকম অবৈধ জাল দিয়ে চলছে অবাধে মাছ নিধন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলীতে অবৈধ চরগরা জাল দিয়ে অবাধে মাছ ধরার মহোৎসব চললেও দেখার যেন কেউ নাই। এভাবে চলতে থাকলে আগামীতে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।

মাছ নিধন কৃত এলাকায় দেখা যায়,উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া খেয়াঘাটের উত্তর ও দক্ষিণে আন্দার মানিক নদীর চরে দুই দিকে হাজার হাজার মিটার অবৈধ চরগরা,কারেন্ট,ফাস জালসহ মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে ডিমওয়ালা মা ও পোনা মাছ নিধন চলছে।এসব জালে ছোট-বড় সব ধরনের মাছ ধরা পড়ে।ভাটার সময়ে চর ঘেঁসে এসব জালগুলো আগ থেকে পুতে রাখা বাসের খুঁটির সাথে জোয়ারের পানিতে ভরে গেলে জাল গুলো উপরে তুলে নির্ধারিত এলাকা আটকে ফেলে।জোয়ারের পানি নেমে গেলে সব ধরনের মাছ গুলো নিথর চরে পরে থাকলে সেগুলো বাছাই করে জেলেরা বিক্রি করে।ফলে রেনু সহ ছোট মাছগুলো মারা পরে।

উপজেলার বিভিন্ন খালে ও নদীতে এ ধরনের জালের সয়লাব হয়ে গেছে। এসব অবৈধ জাল ব্যবহারে বেড়ে যাওয়ায় মাছের স্বাভাবিক প্রজনন,বংশ বিস্তার ও বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। অচিরেই এসব জাল বন্ধ না হলে দেশের মৎস্যভাণ্ডারে বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিদিন একইভাবে অবৈধ জাল দিয়ে এক শ্রেণির অসাধু জেলেরা মা মাছ নিধন করলেও মৎস্য বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসনের নেই কোনো নজরদারী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন,মৎস্য বিভাগের লোকজন ম্যানেজ করে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো অভিযানে আসালে  আগ থেকেই জেলেদের জানিয়ে দেন।ফলে অভিযানের সময় জেলেরা জাল উঠিয়ে চরের জঙ্গলে পালিয়ে থাকে।

তালতলীর বিশিষ্টজনরা মনে করেন,অসাধু জেলেরা কোন নিয়ম মানছে না।চরগরা জাল দিয়ে নির্বিচারে সব ধরনের মাছ নিধন করছে। মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনকে তথ্য দিলেও নানান অজুহাতে তারা ব্যবস্থা নিতে পারছে না।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন,চরগরা ও কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন জালের খবর পেলেই সেখানে লোক পাঠানো হচ্ছে। আমরা যাওয়ার আগেই তারা খবর পায়। তাছাড়া চরের জাল পাতলেও সেটা উঠানোর জন্য স্থানীয় লেবার পাওয়া যায় না। তবে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনার তুমপা জানান,এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় আনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডুমুরিয়ায় স‍্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, বিশেষ প্রতিনিধি //

খুলনার ডুমুরিয়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস  অক্টোবর ও জাতীয় হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ৩০ অক্টোবর সোমবার সকালে র‍্যালী  ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী দপ্তরের আয়োজনে  অফিসার্স ক্লাবে  অনুষ্ঠিত  সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী  শাহাঙ্গীর আলম। বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ আসিফ রহমান,  মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দেবাশীষ বিশ্বাস , উপজেলা ইন্সটেক্টর মোঃ মনির হোসেন , সহকারী মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার  ধনঞ্জয় মন্ডল, একাডেমিক সুপার ভাইজার টিকেন্দ্রনাথ সানা, এনজিও প্রতিনিধি মেহেদী হাসান,সামিরুল আলম , শফিকুল ইসলাম ,পলাশ সাহা প্রমুখ। সভাশেষে হাত ধোয়া কৌশল ও নিয়ম সম্পর্কে  প্রশিক্ষন ও অবহিত করা হয়।

ছবি হাতে কেঁদে কেঁদে মেয়ে হত্যার বিচার বিচার চাইছেন বাবা

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বাবার সাথে  বিকেলে বাজারে রেশমা। এর পর রাত ৯ টায় জামাই সুমন ও তার এক বন্ধু জবরদস্তি করে মেয়েকে শ্বশুর বাড়ি নিয়ে গিয়ে রাত ১০টায় জামাই সুমন ফোন করে শশুরকে জানায় আপনার মেয়ে অসুস্থ পরেছে তাড়াতাড়ি চলে আসুন। জামাইর বাড়ি গিয়ে দেখেতে পান মেয়ের নিথর দেহ পড়ে আছে খাটের উপরে।

এ সময় শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলে আপনার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।মাত্র  এক ঘন্টার ব্যবধানে এমন রহস্যজনক মৃত্যু কোনভাবেই মানতে পারেননি বাবা সিরাজ মোল্লা। তার দাবি পরিকল্পিতভাবে তার মেয়ে রেশমাকে হত্যা করা হয়েছে।

বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ সিরাজ মোল্লার মেয়ে রেশমার সাথে পার্শ্ববর্তী উত্তর গেন্ডামারা গ্রামের মৃত্যু আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে মোঃ  সুমনের বিবাহ হয়। বিয়ের সাত মাসের মাথায় শ্বশুরবাড়ি থেকে রেশমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মেয়ের বাবা বাদী হয়ে চলিত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামাই সুমনসহ ৯ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় জামাই সুমন ও তার বন্ধু আল-আমিনকে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিলে তারা পলাতক রয়েছে।বর্তমানে মামলার তদন্ত করছেন পাথরঘাটা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আবু সালেহ।

মেয়ের বাবা কান্না জড়িত কন্ঠে  অভিযোগ করে বলেন,তালতলী থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করেছেন। আসামীরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। তিনি মেয়ে হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন,মেয়ে বাড়িতে এসে বলেন কয়েকদিন বেড়ানোর পরে শশুর যাবেন। এরপর রাতে ৯টায় জামাই সুমন ও তার এক বন্ধু আল আমিন বাড়িতে এসে ঝগড়াঝাটি করে রেশমাকে নিয়ে যায়। এরপর রাত ১০ টায় ফোন করে বলে আপনার মেয়ে অসুস্থ। আমরা গিয়ে দেখি মেয়ে আর নাই মারা গেছে। জামাই সুমন ডাক্তার নিয়ে আসার কথা বলে পালিয়ে গেছে। সুমনের চাচি মনসুরা বেগম ও সুমনের কয়েকজন চাচাতো ভাই ছাড়া বাড়িতে আর কোন লোকজন ছিল না। রেশমার বাম চোখের বুরুতে, গলায়, বাম বুকে, বাম পিঠে ও তলপেটে দাগ দেখা গেছে। জামাই সুমন ও তার বন্ধু আল আমিন মাদকের ব্যবসা করতো এই ঘটনা জানার পরেই এমন রহস্যজনক পরিকল্পিত এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে সিরাজ মোল্লার পরিবারের অভিযোগ।

এ বিষয়ে কথা বলতে রেশমার শ্বশুর বাড়ি গেলে সুমনের চাচি মানসুরা তাদের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে রেশমা ঘরের মাচার আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

ছোটবগী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম মর্তুজা বলেন,ঘটনাটি শুনেছি যা একটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার প্রমাণস্বরূপ গলায় হাতের আঙ্গুলের ছাপ দেখা গেছে।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পাথরঘাটা সার্কেল মোঃ আবু সালেহ বলেন,সিরাজ মোল্লা বাদী হয়ে তার মেয়ে হত্যার জন্য আদালতে মামলা করেছেন।এই মামলার তদন্ত চলছে আশাকরি মাস খানেকের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে তখন পুরো বিষয়টি জানা যাবে।

Daily World News

বাজারের সড়কের ইঠ তুলে খেলার মাঠ তৈরি

তালতলীতে জেলেদের চাল না পাওয়ায় মানববন্ধন

//সাইফুল্লাহ নাসির, বরগুনা প্রতিনিধি//

বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের মেনিপাড়া গ্রামে জেলেরা জেলের চাল না পাওয়ায় মানববন্ধন করেছে।

আজ ২৬শে অক্টোবর সকাল ১০টার সময় ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান বাচ্চু ও ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন এর বিরুদ্ধে জেলেরা এ মানববন্ধন করেন।

মানববন্ধনে জেলারা বলেন, জাটকা ইলিশ,মা-ইলিশ আহরনে বাংলাদেশ সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকায় কারনে তার ইলিশ আহরনে বিরত থাকে। জেলেদের মানবিক সহায়তা হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে প্রতি জেলেকে ৬৫ দিন অবরোধ চলাকালীন সময়ে জন প্রতি ১ম কিস্তিতে ৫৬ কেজি এবং ২য় কিস্তিতে ৩০ কেজি ভিজিএফ চাল দেয়, এবং মা ইলিশ আহরনে বিরত থাকা জেলেদেরকে ২৫ কেজি করে চাল দেয়, যাহা ৬নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের নিবন্ধনকৃত ২৪০০ জন জেলেদের মধ্যে ২০৪২ জন জেলেকে এ চাল বরাদ্ধ দেওয়া হয়।

কিন্তু দূর্নীতিবাজ ৬নং নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামরুজ্জামান বাচ্চু ও ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জসিম সহ ইউপি সদস্যরা বরাদ্ধকৃত জেলেদেরকে চাল না দিয়ে নিজেরা নিজেদের ইচ্ছামত তালিকা ও মাষ্টাররোল তৈরি করিয়া নিজেরা টিপ সহি দিয়া ১২০০ থেকে ১৩০০ জেলেদেরকে চাল বিতরন করে বাকি চাল তাহারা নিজেরা অন্যায়ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য বাকি চাল আত্মস্বাৎ করেন। ফলে আমরা প্রকৃত জেলেরা মানবিক সহায়তা থেকে বঞ্চিত হইয়াছি আমরা উক্ত মানবিক সহায়াতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি।

প্রকাশ থাকে যে চাল বিতরনের সময় ট্যাগ ও মৎস্য অফিসার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তাহাদেরকে বে-আইনী ভাবে ম্যানেজ করে তাহাদের উপস্থিত দেখায়। কিন্তু তাহারা উপস্থিত থাকেনা। বরাদ্ধকৃত চাল ওসি,এল,এসডি এর মাধ্যমে যোগাযোগ করিয়া চাল বিক্রি করে।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য জসিম হাওলাদার বলেন, এগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি কুচক্রী মহল পায়তারা চালাচ্ছে।

নিশানবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, এগুলো মিথ্যা ও ভিক্তিহীন ভাবে মানববন্ধন করেছে। নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নাই তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সিচুয়েশনশিপ হ্যাঁ ঠিক পড়েছেন, এটা সম্পর্কের এক নতুন নাম

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ওদের কাছে বিয়ে কবেই বাতিল! প্রেমও হাওয়া।কারা এরা? জানাচ্ছেন মনোবিদ ডঃ মোনালিসা ঘোষ

প্রেমের শহরে হায়, সংজ্ঞা বদলাইয়া যায়! পুজো তো এসেই গেল। প্রেমিকার হাত ধরে অষ্টমীতে ঘুরঘুর, কতই অলিগলিতে ঘুরে খাওয়া দাওয়া, প্রেমট্রেম চলতেই থাকে। পরিকল্পনা শুরু হয়ে গেছে জোরদার। তবে আপনি যেটাকে প্রেম ভাবছেন আদৌ সেটা প্রেমের সম্পর্ক বা রিলেশনশিপই তো, নাকি তা পড়ছে অন্য রকমের সম্পর্কের সংজ্ঞায়, কখনও ভেবে দেখেছেন? এই প্রতিবেদনে আপনার জন্য রইল মনোবিদের বক্তব্যে কী ভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায় ‘সিচুয়েশনশিপ’।

অনেকেই বলেন, নতুন প্রজন্মে হঠাৎই খুব বেড়ে গিয়েছে স্বার্থপরতা ও আত্মকেন্দ্রিক জীবন্মুখীতা। সত্যিই কি তাই? সেই আলোকেই ‘সিচুয়েশনশিপ’ নিয়ে কথা বললেন মনোবিদ।

মনোবিদ মোনালিসা ঘোষ জানালেন যে, সিচুয়েশনশিপের আধিক্য বাড়তে দেখা যাচ্ছে বেশ কিছু প্রজন্ম ধরেই একটু একটু করে। এখনকার ছেলেমেয়েরা একা একা বড় হচ্ছে, তাদের সঙ্গে তুতো ভাইবোন বা আত্মীয়দের যোগাযোগ প্রায় থাকে না বললেই চলে। তার জন্যই নিজেদের জীবনে তাঁরা ভীষণ জেদি হয়ে উঠছেন। তাই তাঁদের মধ্যে মানিয়ে গুছিয়ে চলার ক্ষমতাও দৃশ্যত আর নেই বললেই চলে!

ডঃ মোনালিসার মতে মেয়েরা আগের থেকে অনেক বেশি কেরিয়ার সচেতন, যুগের সঙ্গে আর্থসামাজিক পটে অনেক বদল এসেছে। কিন্তু তার সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে কমেছে সম্পর্কের প্রতি তাঁদের খেয়াল রাখা বা ভাবনা চিন্তা। নিজেদের জীবন মানুষ কেরিয়ার বা অর্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হারিয়ে ফেলছেন নিজস্ব সম্পর্কের চাওয়া-পাওয়া। তখনই টানা একটা সম্পর্কে অনেক দিন এক সঙ্গে থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না। ভেঙে যাচ্ছে পুরনো প্রেম এমন কী বিয়েও!

তবে কী এই কারণেই মানুষ দীর্ঘ দিনের সম্পর্কে যেতে ভয় পাচ্ছেন, আর তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তার সিচুয়েশনশিপ? মনোবিদ জানালেন যে, এখনকার প্রজন্মে প্রেম বা অনুভূতি একই রকম রয়েছে ঠিক আগের মতোই, পালটে গিয়েছে শুধুই তা প্রকাশ করার ধরন।’ কেউ হয়তো সম্পর্ক ভাঙার ভয় পান, কারও ভয় নিজের স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলার। তাই অনেক অনুভূতি থাকলেও তাঁরা পাকাপোক্ত সম্পর্কের দিকে এগোতে দু’বার ভাবছেন। দু’জন মানুষ নিজেদের প্রেম বিনিময়ের মাধ্যমে একে অপরের কাছাকাছি এলেও তাই মানতে নারাজ যে তাঁরা প্রেম করছেন!

এই ধারার পিছনে আরেকটি কারণ বলছেন ডঃ মোনালিসা ঘোষ। তিনি বলছেন, এখন প্রাক বিবাহ যৌন সম্পর্কের জন্য আর ভাবনা চিন্তা করতে লাগে না নতুন প্রজন্মের যুবক-যুবতীদের। তাঁদের অনেক বেশি স্বাধীনতা রয়েছে এই ক্ষেত্রে, সমাজও আগের মতো রক্ষণশীলতা কাটিয়ে উঠেছে বেশ অনেকটাই। তাই যৌনতার প্রয়োজনে কোনও ভাবে পাকাপোক্ত সম্পর্কের প্রয়োজন বোধ করছেন না নতুন যুগের মানুষেরা। যার ফলে সিচুয়েশনশিপের মতো অনিশ্চয়তা আর বেশি করে প্রশয় পাচ্ছে, এমন কী জায়গাও করে নিচ্ছে প্রেমের নানা সংজ্ঞার মধ্যেই।