যেসব ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞায় পড়া রুশ ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেনে বাঁধা

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার কয়েকটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। কেননা রাশিয়ার ব্যাংক ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ফরেন ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্সের (ভিইবি) মাধ্যমেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে অর্থ লেনদেন করছে বাংলাদেশের সোনালী ব্যাংক।

এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া রুশ ব্যাংকগুলোর সঙ্গে লেনদেন এড়িয়ে যেতে বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

শুক্রবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ সতর্কের বিষয়ে জানান।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়ান ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করা যাবে না বলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক লেনদেন মাধ্যম সুইফট জানিয়েছে, ১২ মার্চ থেকে বৈশ্বিক অর্থ লেনদেনের ওই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের ঘোষণা আসার পর থেকেই রাশিয়ার আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ নাগরিকদের ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ।

আরও পড়ুণ…

খুলনার এরশাদ শিকদারের মেয়ের ঝুলন্ত লাশ গুলশানে

পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ৫৬ 

৫২ বছরের শেন ওয়ার্ন না ফেরার দেশে চলে গেছেন

মাগুরার নহাটায় স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

//সুজন মাহমুদ, মাগুরা প্রতিনিধি//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নে স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে ব্যপক উৎসাহ  উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ, বীরত্বগাঁথা এবং মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান” শীর্ষক আলোচনা সভা ও জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ৮নং নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তৈয়েবুর রহমান তুরাপ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব রামানন্দ পাল মহোদয়।

জনাব আরিফুল ইসলাম স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে  বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নহাটা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ হুমায়ুন কবির, নহাটা কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের অধ্যক্ষ বাবু আনন্দ কুমার দে,মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ কওসার মোল্লা ও মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব মিয়া, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইসহাক হোসেন,দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সাংবাদিক জিআরএম তারিক,দৈনিক শ্যামবাজার পত্রিকা’র খুলনা বিভাগীয় প্রধান জনাব সুজন মাহমুদ,শালিখা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নওয়াব আলী,দৈনিক দেশসেবা পত্রিকার মহম্মদপুর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ ইমরান হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আতাউর রহমান, ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য বৃন্দ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক দলের নেতাকর্মী প্রমুখ।

এ সময়ে বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের বিষয়ে   আলোকপাত করেন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন  স্বনামধন্য সংগীত শিল্পীদের গান পরিবেশন হয়।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রানীশংকৈলে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা  ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রানীশংকৈলে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আলোচনা সভা  ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মাহাবুব আলম ,রানীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল (৩ মার্চ বৃহস্পতিবার)পৌর শহরের মডেল সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ,মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু অবদান শীর্ষক মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পৌর মেয়র”র সভাপতিত্বে  আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন আ’লীগ সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সইদুল হক, সাবেক এমপি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, সাবেক অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম ও মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক,আ’লী সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ,মহিলা সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন,পৌর আ’লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার, মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান,ঠিকাদার কল্যান সমিতির সভাপতি আবু তাহের প্রমুখ।

এছাড়াও ধর্মগড় ইউপি আ’লীগ সভাপতি,চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, কমিশনার মতিউর রহমান,রুহুল আমিন, জুয়েল রানা,আবু তালেব,হালিমা আক্তার ডলি ,গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ সহ দর্শক মন্ডলি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন৷ আলোচনা শেষে স্থানীয় সংগীত বিদ্যালয়ের পরিবেশনায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়৷অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রভাষক প্রশান্ত কুমার বসাক।

নাবিক হাদিসুর রহমানের লাশ জাহাজের ফ্রিজে রেখেছে, ‘লাশ কবে ফেরানো যাবে তা বলা মুশকিল’

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় গণমাধ্যমের খবরে ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজে নাবিক হাদিসুর রহমানের মৃত্যুর খবর জানতে পারে তার পরিবার।

বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে নয়টার দিকে ‘বাংলার সমৃদ্ধি’তে রকেট হামলা হলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান হাদিসুর রহমান।

শুরুতে গণমাধ্যমের বরাতে মি. রহমানের মৃত্যুর খবর জানতে পারলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই জাহাজে থাকা তার সহকর্মীরাও ফোন করে জানান পরিবারকে জানান মর্মান্তিক সে খবর।

“তারা (জাহাজের নাবিকেরা) বলছে, আমার ভাইয়ের লাশ জাহাজের ফ্রিজে রাখছে। আমার মা জানি লাশটা একবার দেখতে পায়, এইটাই শুধু আমরা চাই এখন,” কান্নাজড়িত কণ্ঠে বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন হাদিসুর রহমানের ছোট ভাই তরিকুল ইসলাম তারেক।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন হাদিসুর

সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ২০১৪ সালে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে যোগ দেন বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ গ্রামের ছেলে হাদিসুর রহমান।

বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন তিনি।

এই মূহুর্তে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।

মি. ইসলাম জানিয়েছেন, জমি বন্ধক রেখে বড় ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছিলেন তার বাবা।

সাত বছরে বন্ধকী জমির অনেকটাই ছাড়িয়েছিলেন তার ভাই, কিন্তু শেষ করতে পারেননি সে কাজ।

“ভাইয়া আব্বা-আম্মাকে বলত, অনেক কষ্ট করছো তোমরা, এখন খালি সুখ করবা। কিন্তু সেই সুখ হইল না, তারও হইল না, আমার বাপ-মায়েরও হইল না,” বলছিলেন মি. ইসলাম।

অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক বাবা আব্দুর রাজ্জাক আর অসুস্থ মা আমেনা বেগমের চার সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন হাদিসুর রহমান।

এক বোনের পরে তিনজন ভাই, ভাইদের মধ্যে বড় ছিলেন মি. রহমান।

‘এবার ফিরে বিয়ে করার কথা ছিল’

গত আড়াই মাস ধরে সাগরেই ছিলেন হাদিসুর রহমান।

সম্প্রতি পরিবারকে তিনি জানিয়েছিলেন, তার বেতন বেড়েছে।

“ভাইয়া বলছিল এবার বাড়িতে এসে নতুন ঘর তুলবে। তারপর বিয়ে করবে বলছিল আমাদের।”

অসুস্থ মায়ের খাওয়া-দাওয়া নিয়ে ছিলেন খুব চিন্তিত, এজন্য মা কী খাচ্ছেন, কখন আর কতটুকু খাচ্ছেন নিয়মিত সে খবর নিতেন হাদিসুর রহমান।

বুধবার সকালেও ছোটভাই আর মায়ের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে তিনি সে খবর নিয়েছিলেন।

অসুস্থ মাকে নিয়ে পটুয়াখালী ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন মি. ইসলাম, বুধবার সকালেই বাড়ি ফিরেছেন।

“পটুয়াখালী থেকে সকালে ফিরতেছি যখন, সেই সময় ভাইয়া আমার আর মায়ের সাথে কথা বলছে।

মার খাওয়ার খোঁজ নিসে, আর তারে বলছে, তোমার পছন্দমত বাজার করে বাড়ি যাইয়ো,” বলছিলেন মি. ইসলাম।

স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মি. ইসলাম বিবিসিকে বলছিলেন “আর কিচ্ছু চাই না, খালি ভাইয়ের লাশ চাই, তার কবর দেখতে চাই। আমার মা জানি লাশটা একবার দেখতে পায়, এইটাই আমাদের চাওয়া এখন।”

মি. ইসলাম এই দাবি বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজের নাবিকদের কাছে জানিয়েছেন।

বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজে রকেট হামলা নিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাংলাদেশের নৌ পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, নিহত র হাদিসুর রহমানের মরদেহ জাহাজের ভেতরেই ফ্রিজে রাখা হয়েছে।

“আমরা লাশ আনার চেষ্টা করবো, তবে কবে লাশ আনা সম্ভব হবে সেটা বলা মুশকিল,” বলেন প্রতিমন্ত্রী মি. চৌধুরী।

বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের নির্বাহী পরিচালক পীযুষ দত্ত চট্টগ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এই মুহূর্তে জাহাজটি বন্দর ছেড়ে যাওয়া নিরাপদ নয়।

নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সবাইকে জাহাজে অবস্থান করার জন্য পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

জাহাজটিতে এখনো নাবিক এবং ইঞ্জিনিয়ারসহ ২৮জন অবস্থান করছেন।

গত ২৬শে জানুয়ারি এটি ভারতের মুম্বাই বন্দর থেকে যাত্রা করে এবং তুরস্কের ইরেগলি হয়ে ২২শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছায় বাংলার সমৃদ্ধি।

জাহাজটি বন্দরে পৌঁছানোর পরদিন ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু হয়।

মি. দত্ত জানিয়েছেন জাহাজটিতে এক মাসের খাদ্য মজুত রয়েছে।

দুইদিন আগে আটকে পড়া জাহাজের একজন নাবিক বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে দেশে ফিরে আসার জন্য তাদের তীব্র আকুতির কথা জানিয়েছিলেন।

বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটির মালিক বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন। সূত্র: বিবিসি

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

আমতলীতে অবৈধ স্থপনা সরাতে গণবিজ্ঞপ্তি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক!

আমতলীতে অবৈধ স্থপনা সরাতে গণবিজ্ঞপ্তি। ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক!

//সাইফুল্লাহ নাসির, আমতলী, বরগুনা প্রতিনিধি//

পটুয়াখালী চৌরাস্তা থেকে আমতলী চৌরাস্তা পর্যন্ত এবং খুড়িয়ার খেয়াঘাট হয়ে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা নিজ খরচায় সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন পটুয়াখালীর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী। এ সকল অবৈধ স্থাপনা সরাতে আজ গনবিজ্ঞপ্তি জারী করায় ওই সড়কের উভয় পাশে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের দেওয়া গনবিজ্ঞপ্তিত্বে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২২ মার্চ থেকে ২৪ মার্চের মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের খুলনা জোনের (উপ-সচিব) নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এস্টেট ও আইন কর্মকর্তা অনিন্দিতা রায়ের সহযোগিতায় পটুয়াখালী কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশের সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এমতবস্থায় সকল অবৈধ স্থাপনা উল্লেখিত সময়ের পূর্বে অবৈধ দখলদারদের নিজ খরচায় সরিয়ে ফেলার জন্য ওই গনবিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। উচ্ছেদের গণবিজ্ঞপ্তিটি পেয়ে ওই সড়কের আমতলীর শাখারিয়া বাসষ্ট্যান্ড থেকে বান্দ্রাবাজার পর্যন্ত সড়কের দু’পাশের বিভিন্ন আইটেমের হাজার হাজার ছোট বড় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। হঠাৎ করে এমন গণবিজ্ঞপ্তি পেয়ে তারা হতভম্ব হয়ে পড়েছেন। আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে তাদের অবৈধ স্থাপনা নিজ উদ্যোগে সরিয়ে না নিলে সড়ক জনপথ বিভাগ তাদের উচ্ছেদ করে দিবেন।

পটুয়াখালী- কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কের শাখারিয়া বাসষ্ট্যান্ডে চা, পান, সিগারেট বিক্রেতা মোঃ আবুল হাসেম মিয়া বলেন, গণবিজ্ঞপ্তির কথা শুনেছি আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে ঘর না সরালে তারা উচ্ছেদ করবেন।

একই সড়কের মহিষকাটা বাজারের নাসির উদ্দিন খান বলেন, আমি আমার পরিবার- পরিজন নিয়ে এখানে বসবাস করি। আমার ঘরটি উচ্ছেদ করলে আমি তাদের নিয়ে কোথায় গিয়ে বসবাস করবো।

আমতলী একে স্কুল চৌরাস্তার হোটেল ব্যবসায়ী বশির ডিলার বলেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে অবৈধস্থাপনা সরাতে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগামী ২৪ মার্চের মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা না সরালে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। এখন আমরা কি করবো, উচ্ছেদে আমার মত হাজার হাজার ব্যবসায়ী পথে বসে যাবে।

নতুন বাজার বাঁধঘাটের মেশিনারী পার্টস ব্যবসায়ী মোঃ হারুন অর রশিদ মোল্লা বলেন, উচ্ছেদে ওই বাজারের প্রায় ২ হাজার ছোট বড় ব্যবসায়ীরা পথে বসে পরিবার- পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মীর মোহাম্ম¥দ কামরুল হাসান মুঠোফোনে বলেন, যথেষ্ট সময় দিয়ে অবৈধ দখলদারদের তাদের স্থাপনা নিজ খরচে সরিয়ে ফেলার জন্য গনবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা না সরালে তা উচ্ছেদ করা হবে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে তা পারমাণবিক যুদ্ধই হবে: লাভরভ

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

রক্ষণাবেক্ষণে অবেহলা, অযত্ন আর নিয়মিত তদারকির অভাবে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার প্রাচীন গোরকই আশ্রম, দুর্গা ও শিব মন্দির। দায়িত্বে থাকা লোকজনের অবহেলার কারণে মন্দিরটির ভিতরে বছরজুড়ে থাকে গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণ। সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত মেলার সময় শুধু কদর বাড়ে মন্দিরটির।

অন্য সময়ে খোঁজ খবর রাখেন না উপজেলা প্রশাসনের লোকজন কিংবা মন্দির পরিচালনা কমিটির কেউই। এ বছরে ২ মার্চ বুধবার মেলা শুরু হয়ে ৮ মার্চ শেষ হবে। মেলার শুরুতেই বিভিন্ন জেলার মানুষের ঢল নেমেছিল। স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে দেখছি এখানে প্রতিবছর মেলা হয়, তবে গোরক্ষরাথ মন্দিরের তেমন উন্নয়ন হয় না।

উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে নেকমরদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গোরকই গ্রামে অবস্থিত এ প্রাচীন মন্দিরটি। গোরক্ষনাথ নামের সাথে কূপটির নাম যুক্ত হয়ে গোরক্ষকূপ থেকে গোরকই নামটি এসেছে বলে ধারণা করা হয়।

গোরক্ষনাথের মহিমা প্রচারে নাথ সাহিত্যের কারণে বাংলা সাহিত্যে গোরক্ষনাথ নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। গোরক্ষনাথ এ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন না। তিনি যে ভ্রমণকারী সিদ্ধপুরুষ সন্ন্যাসী ছিলেন এ ধারণাকে ইতিহাস সমর্থন করেন।

গোরকই নাথ আশ্রমের মন্দির পাঁচটি কয়েক দফায় সংস্কার করা হয়েছে। সম্ভবত পুরাতন মন্দিরের উপর সর্বশেষ ঊনিবিংশ শতাব্দীতে বর্তমান মন্দিরগুলো নতুন করে নির্মাণ করা হয়।

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

নাথগুরু গোরক্ষনাথের সাথে গ্রামের নামটি স্মৃতি বিজড়িত। এই গ্রামে নাথ আশ্রমে পাঁচটি মন্দির ও একটি ব্যতিক্রমধর্মী অতি প্রাচীন কূপ রয়েছে। গোরক্ষনাথের সময় নির্ধারণ করতে গিয়ে ‘বাংলা সাহিত্যের সম্পূর্ণ ইতিবৃত্ত’ ‘গ্রন্থে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন- ‘অষ্টম শতাব্দী থেকে চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যে যে কোন সময়ে তিনি মৃতদেহ ধারণ করে বর্তমান ছিলেন, এমন কথা শোনা যায়’।

তবে মন্দিরের গেটে লেখা বর্ণনায় দেখা গেছে, “গুপ্ত যুগ থেকে সেন যুগের মধ্যেই কুপ ও মন্দির নির্মিত হয়েছিল এবং নাথ সহজিয়া মতের গুরু গোরক্ষনাথের নামানুসারে কুপ ও স্থানের নাম হয়েছে গোরকই।”

গোরকই ফকিরি স্লান বা বারুনীর মেলা হিসেবে আজও সমান ভাবে সমাদৃত। এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এটি একটি তীর্থস্থান। ফাল্গুনের শিব চতুর্দশী তিথীতে পূণ্য স্নানের জন্য আগমন ঘটে অসংখ্য পূণ্যার্থীর।

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

স্থানীয়দের মাঝে মন্দিরটি সম্পর্কে রূপকথাও প্রচলিত আছে , মন্দিরের দেখাশুনা গোরক্ষনাথ ঠাকুর করলেও মন্দির তিনি নির্মাণ করেননি, রাতারাতি দেবতারা পাথর দিয়ে মন্দিরটি নির্মাণ করেন বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মন্দিরটি ছাড়াও এখানে রয়েছে নাথআশ্রম। ৩টি শিবমন্দির, ১টি কালি মন্দির। গোরক্ষনাথ মন্দির চত্বরের ঠিক মাঝখানে অবস্থিত। তার পিছনেই সেই আকর্ষণীয় কুপ। পাথরের তৈরি একটি চৌবাচ্চার মাঝে ওই কুপের অবস্থান। কুপটি বড় বড় কালো পাথরের খণ্ডদ্বারা নির্মিত।

কুপের একেবারে তলা পর্যন্ত ওই পাথর দিয়ে বাঁধানো। কুপের পূর্ব দিকে একটি দরজা এবং পশ্চিম দিকে একটি দরজা। এ দুটো দরজা দিয়ে স্নানের জন্য প্রবেশ করে পূণ্যার্থীরা।

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

এছাড়াও মন্দিরের দক্ষিণ পার্শ্বে দুজন পুজারীর সমাধি রয়েছে। ঠাকুর গোরক্ষনাথের মৃত্যুর পর ওই দুজন পূজারী মন্দিরের দেখাশুনা করাকালীন তাদের মৃত্যু হলে মন্দিরের পার্শ্বেই তাদের সমাধিস্থ করা হয়। এ দুজন পূজারীর নামও সঠিক জানা নেই কারো।

মেলা পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাশিনাথ রায় জানায়, প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের অমাবশ্যায় এই মন্দিরে ৭ দিনব্যাপী মেলার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও মন্দির পরিচালনা কমিটি।

মেলার সময় এ কুপের পানিতে স্নান করতে আসে দেশের বিভিন্ন জেলার ভক্তরা। বিভিন্ন মানত করে পরিবার পরিজনসহ তাঁরা আসেন এই মন্দিরে। পূজা ও স্নান শেষে আবার পুনরায় ফিরে যান বাড়িতে। তবে অনেকের আশা পূরণ হলে মন্দিরে এসে পুনরায় পূজা এবং মানত করা ছাগল, হাস, মুরগিসহ নানা জিনিসপত্র দিয়ে যান।

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

এই এলাকার শিক্ষক তরণী বর্ম্মন জানান, হাজার হাজার নারী পুরুষ স্নান করার পরও এ কুপের পানি এক ইঞ্চিও কমে না। যা কুপের বৈশিষ্ট্য মনে করে পূর্ণ্যাথীরা। মন্দিরটিতে গ্রানাইট পাথরের ব্যবহার করা হয়েছে। যে পাথরের নমুনাবিশেষ বর্তমানে দিনাজপুর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। কথিত আছে, গোরক্ষনাথ ছিলেন নাথপন্থীদের ধর্মীয় নেতা মীননাথের শিষ্য।

মন্দিরটির সামনের দোকানদার সত্যজিত রায় জানান, বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মন্দির দর্শনার্থীরা এসে মন্দিরের বেহাল দশা দেখে চলে যান। বসার, খাওয়ার স্থান নেই, এমনকি নেই যাতায়াতের ভাল একটি রাস্তা। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় আসতেই মানুষ ভয় পায়।

মন্দিরের পার্শ্বের বাসিন্দা রিয়াজুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ দশ বছরে এলাকার দুই সাংসদ যাতায়াতের জন্য রাস্তা পাকা করণের অঙ্গীকার করে গেলেও এ পর্যন্ত একটি ইটও বরাদ্দ দেননি তারা।

মেলা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনন্ত কুমার জানান, মন্দিরটি ২৪ ঘণ্টা দেখাশুনা করার জন্য একজন পূজারি ছিল। তিনি চলে গেছেন। খুব শীঘ্রই মন্দির পরিস্কার পরিছন্ন এবং দেখাশুনা করার জন্য একজন পূজারি নিয়োগ দেয়া হবে। তবে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মন্দির দর্শনে আসা মানুষ এবং ভক্তদের জন্য বসার স্থান, খাওয়ার জন্য ভালো হোটেল এবং আবাসিক ভবন গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

পাথরের তৈরি গোরক্ষনাথ মন্দির দেবতারা নির্মাণ করেন

তিনি আরও জানান, এ মন্দিরের নিজস্ব মালিকানায় প্রায় ২৫ বিঘা জমি, একটি আম ও জাম বাগান এবং একটি বড় পুকুর রয়েছে। যা প্রায় দেড় লাখ টাকায় ইজারা দেয়া হয়েছে। মেলায় প্রায় লক্ষাধিক টাকা আয় আসে। দুটো আয় দিয়ে চলতি বছরই সীমানা প্রাচীর নির্মাণসহ মন্দিরে নানা উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টিভ বলেন, মেলা পরিচালনা কমিটি যাবতীয় দেখাশুনার দায়িত্বে রয়েছে মন্দিরের। তাছাড়া তাদের দেয়া চাহিদা অনুযায়ী মন্দিরের উন্নয়নের জন্য একটি পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: বিডিজার্নাল

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

চান্দ্রায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে স্মৃতিচারণ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

 

 

চান্দ্রায় স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে স্মৃতিচারণ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ১২ নং চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে  স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে স্মৃতিচারণ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৩ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে আলোচনা সভায়, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং  বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবারের সন্তান  খান জাহান আলী কালু পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে ও  ইউপি সচিব বিল্লাল হোসেন পাটওয়ারী পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক বাচ্চু মিয়া পাটওয়ারী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসর প্রাপ্ত সার্জেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেন মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল করিম (মনু খা)। বিশেষ অতিথীর বক্তব্য রাখেন চান্দ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি আবু ইউসুফ শেখ,  ডাঃ লক্ষণ সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শেখ মোঃ  আলমগীর হোসেন,যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন মিয়া বাবু,ইউনিয়ন আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান বেপারী, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ইবু, ৩ নং ওয়ার্ড মেম্বার আলী আহমেদ কবিরাজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দ্রা ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য রাসেল পাটওয়ারী, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন , শেখ মোঃ রুবেল, মিজান, আঃ কুদ্দুস পিন্টু সহ ইউপি নারী সদস্য, সাধারণ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড  নেতৃবৃন্দ এবং সুধি সমাজ উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

রাশিয়া-ইউক্রেইনে যুদ্ধ// জাতিসংঘের নিন্দা প্রস্তাব, ভোট দেয়নি বাংলাদেশসহ ৩৫ দেশ

রাশিয়া-ইউক্রেইনে যুদ্ধ// জাতিসংঘের নিন্দা প্রস্তাব, ভোট দেয়নি বাংলাদেশসহ ৩৫ দেশ

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেইনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ।

বুধবার পরিষদের জরুরি অধিবেশনে পাস হওয়া এই প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত ছিল বাংলাদেশসহ ৩৫টি দেশ।

১৯৩ সদস্য দেশের পরিষদে ওই প্রস্তাবের পক্ষের সমর্থন দিয়েছে ১৪১ দেশ, আর বিপক্ষে ভোট পড়েছে রাশিয়াসহ ৫ দেশের।

প্রস্তাবে অভিযানের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি রাশিয়াকে অবিলম্বে ইউক্রেইন থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাশিয়ার ভিটোতে নিরাপত্তা পরিষদে নিন্দা প্রস্তাব ঠেকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ইউক্রেইন পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি অধিবেশনে বসে সাধারণ পরিষদ।

১৯৯৭ সালের পর সাধারণ পরিষদের প্রথম জরুরি অধিবেশনে দুদিনের বিতর্ক পর্বের পর বুধবার নিন্দা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হয়।

মঙ্গলবার সাধারণ পরিষদের আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের একাগ্রতার প্রতি সমর্থন জানান এবং আহ্বান জানান সবপক্ষকে সংঘাত থেকে বিরত হওয়ার।

সমস্যা সমাধানে সব পক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে সংলাপে মিলিত হওয়ার আহ্বানও জানান বাংলাদেশের প্রতিনিধি।

একইসঙ্গে ইউক্রেইনে মানবিক সহায়তার নিরাপদ ও অবাধ প্রবেশাধিকারের সুযোগের নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশটি যারা ছাড়তে চায়, তাদের পথ নিরাপদ করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে রাশিয়া পাশে পেয়েছে বেলারুশ, উত্তর কোরিয়া, ইরিত্রিয়া ও সিরিয়াকে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ভোটদানে বিরতি ছিল। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে নেপাল, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান ও ভুটান।

চীন, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, ইরাক, ভিয়েতনামের পাশাপাশি উগান্ডাসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হওয়া এই প্রস্তাবকে ঐতিহাসিক বলেছেন জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের দূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড।

ইউক্রেনে বাংলাদেশি জাহাজে রকেট হামলা

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

ইউক্রেনে বাংলাদেশি একটি জাহাজ রকেট হামলার শিকার হয়েছে। তবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ১০ মিনিটে এ হামলা হয়।

‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’ নামে ওই জাহাজটি ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের জলসীমায় আটকে আছে। জাহাজটিতে বাংলাদেশের ২৯ জন নাবিক রয়েছেন।

ওই বন্দরে পৌঁছানোর পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে জাহাজটি সেখানে আটকে আছে।

বাংলাদেশি জাহাজটিতে হামলার খবর গণমাধ্যমকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে নিশ্চিত করেছেন জাহাজটিতে থাকা একজন নাবিক।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের সময় ৫টা ১০ মিনিটের দিকে আমাদের জাহাজে বিমান হামলা হইছে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করছি। আরেক নাবিক লিখেছেন, ‘বোমা পড়ছে’।

জাহাজটিতে থাকা এক নাবিকের ভাই আজিজুল হক টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জাহাজটি হামলার শিকার হয়েছে। আমাদের ভাইদের জন্য দোয়া করুন।’

তবে জাহাজে রকেট হামলার ঘটনায় এখনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

চান্দ্রায় ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যােগে জাটকা নিধন প্রতিরোধে আখনের হাট খালে খুটি দিয়ে বেড়া নির্মাণ

মোঃ হোসেন গাজী।।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক এর নির্দেশনা মোতাবেক এবং চাঁদপুর সদর উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকা রক্ষা অভিযান চলাকালে জেলেরা যেনো নৌকা নিয়ে পলায়ন করতে না পারে সেজন্য চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের আখনের  হার্ট এর দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীর সংযোগ খালের উপর বাস ও খুঁটি দিয়ে বেড়া নির্মাণ করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা ১২ চান্দ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খান জাহান আলী কালু পাটোয়ারী।