‘আমার ভাষা’ নতুন সফটওয়্যার যুক্ত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

সর্বোচ্চ আদালতে বাংলায় রায় লেখা শুরু হয়েছে এবং এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়নে আলাদা শাখা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সোমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এ কথা জানান তিনি।

হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিচারপ্রার্থীরা যাতে আদালতের রায় বুঝতে পারে, সে জন্য ইংরেজিতে দেয়া রায় বাংলায় অনুবাদ করতে সুপ্রিম কোর্টে যুক্ত হয়েছে নতুন সফটওয়্যার ‘আমার ভাষা’। বলা হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওই সফটওয়্যারটি দিয়ে রায়গুলো বাংলায় অনুবাদ করা যাবে।

তিনি বলেন, আজকের দিনে আমাদের মহান ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। আর তারা যে চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সেদিন ভাষার জন্য শহীদ হয়েছিলেন, আমাদেরও সেই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে।

খুলনার ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত

//জাহিদুর রহমান বহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া সংবাদদাতা//

খুলনার ডুমুরিয়ায়  যথাযোগ‍্য মর্যাদায় অমর ২১ ফেব্রুয়ারি  মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হযেছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠন  প্রভাত ফেরিতে ডুমুরিয়া মহাবিদ্যালয়ে শহিদ মািনারে পুষ্পমাল‍্য অর্পন করেন।

বাংলাদেশ আওয়ামী দলীয় কার্যলযে সকালে জাতীয় ও দলীয় শোক,পতাকা উত্তোলন জাতীয় জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর  রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল‍‍্য এবং প্রভাতফেরি সহকারে পুষ্প অর্পন শেষে দলীয় কার্যলযে আলোচনা সভা

উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাংলাদেশ   আওয়ামী সহ সহযোগী সংগঠন, মাওলানা আহমদ আলী সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, জাতীয় পাটি, বিএনপি সহ সহযোগী সংগঠন, ষডস সাংস্কৃতি  সংসদ, আলাপ নিকেতন, বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পাটি, আনোয়ারা মৎস‍্য আড়ত, শহীদ  স্মৃতি মহিলা কলেজ, ডুমুরিয়া  মহাবিদ্যালয়, গনশিল্পি সংস্থা, সরকারী বালিকা বিদ‍্যালয, নিরাপদ সড়ক চাই, ইজিবাইক  মালিক সমিতি, ডুমুরিয়া প্রেস ক্লাব, গুটুদিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব, এনজিসিএন্ড এনসিকে মাধ‍্যমিক বিদ‍্যালয, ট‍্যাকনিক‍্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, ডুমুরিয়া স্বাস্থ‍্য কমপ্লেক্স, যুব সংঘ ক্লাব, গুটুদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।

খুলনার ডুমুরিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত
পুরস্কার প্রদান

উপজেলা প্রশাসনের উদ‍্যেগে চিংঙ্কায়ন, স্বরচিত কবিতা আবৃতি, বাংলা ভাষা শুদ্ধাচার  প্রতিযোগিতা ও  আলোচনা সভা পুরষ্কার বিতরন  অনুষ্ঠিত হয। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে আলোচনা  সভায়  প্রধান অতিথি’র বক্তব‍্য দেন সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র এমপি, ঊপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মামুনুর রহমান, মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ,  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল ইসলাম মানিক, কৃষি অফিসার মোচ্ছাদেক হোসেন, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা, সমবায় কর্মকর্তা সরদার জাহিদুল ইসলাম,  আইসিটি কর্মকর্তা মো: শাহাদাৎ হোসেন, মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা,  যুব উন্নযন কর্মকর্তা থানা অফিসার ইনচার্জ ওবাইদুর রহমান, সাংবাদিক  ও লেখক আব্দুল কাদের খান। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ীদের হাতে  পুরষ্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।  অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যলযে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ভারতের ঝাড়খণ্ডে বাংলা ভাষাকে স্থানীয় ভাষার স্বীকৃতি

ভারতের ঝাড়খণ্ডে বাংলা ভাষাকে স্থানীয় ভাষার স্বীকৃতি

//আন্তর্জাতিক ডেস্ক//

পূর্ব ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের ১১ জেলায় স্থানীয় ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলা। প্রবল ভাষা আন্দোলনের মুখে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রাক্কালে এ ঘোষণা দিল রাজ্যটির সরকার। ঝাড়খণ্ডের মোট ২৪ জেলার মধ্যে যে ১১ জেলায় বাংলা ভাষাকে স্থানীয় ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো- পূর্ব সিংভূম, রাঁচি, জামতাড়া, সরাইকেলা, পাকুড়, সাহেবগঞ্জ, বোকারো, ধানবাদ, দেওঘর, দুমকা ও গোড্ডা।

একই সঙ্গে ঝাড়খণ্ড সরকার বোকারো ও ধানবাদ জেলার স্থানীয় ভাষার তালিকা থেকে ভোজপুরী ও মাগাহিকে বাদ দেয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে এই দুই জেলার স্থানীয় ভাষা হিসেবে নাগপুরি, উর্দু, কুড়মালি, কোরথা ছাড়াও বাংলাকে রাখা হয়েছে। কয়েকমাস আগে বোকারো ও ধানবাদ জেলায় স্থানীয় ভাষা হিসেবে ভোজপুরী ও মাগাহিকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

প্রতিবাদে ঝাড়খণ্ডের হাজার হাজার মানুষ আন্দোলনে নামেন। বোকারো ও ধানবাদে আন্দোলন বৃহত্তর গণ-আন্দোলনের আকার ধারণ করে। যে আন্দোলনে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেয়ারও জোরালো দাবি ওঠে। প্রায় ৫০ দিন ধরে এই আন্দোলন পরিচালনা করছিল ঝাড়খণ্ডি ভাষা সংগ্রাম সমিতি। অবশেষে জয় হলো এই গণ-আন্দোলনের। ঝাড়খণ্ডি ভাষা সংগ্রাম সমিতি হলো মূলনিবাসী এবং আদিবাসীদের একটি সংগঠন, যারা নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন বলে দাবি করে থাকে।

গত ডিসেম্বরে ঝাড়খণ্ড সরকার মাধ্যমিক ও ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ভোজপুরী, মাগাহি ও অঙ্গিকাকে যুক্ত করেছিল। সেই সময় বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে রাঁচি ও গিরিডি জেলাতেও। তবে বিতর্ক ১৯৩২ সালকে আবাসিক নীতির জন্য কাট অফ ডেট করা নিয়ে।

পরবর্তী সময়ে ঝাড়খণ্ডের আগের সরকার আবাসিক নীতি শিথিল করেছিল। সেই বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছিলেন ধানবাদ ও বোকারো জেলায় ভোজপুরী ও মাগাহি ভাষাভাষী লোকের সংখ্যা খুবই কম। এই দুই জেলায় বাঙালী, মূলনিবাসী ও আদিবাসীদের সংখ্যাই বেশি। ফলে সরকারী নির্দেশিকায় তাদের অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিলেন বিক্ষোভকারীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ ১৯৬১ সাল থেকে সেখানে হিন্দীকে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে ভোজপুরী ও মাগাহি হলো হিন্দী ভাষার অংশ। ঝাড়খণ্ডে হিন্দী ভাষার স্বীকৃতি একটি স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবেই দেখা হয়। -বাংলানিউজ

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

অমর একুশ// একুশের চেতনা ছড়িয়ে পড়ুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে

অমর একুশ// একুশের চেতনা ছড়িয়ে পড়ুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

ভাষা মানুষের ভাব প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম। ভাষার কারণেই প্রাণিকুলের অন্যান্য প্রজাতি থেকে মানুষ আলাদা। একটা শিশু জন্মের পর তার মায়ের মুখ থেকে যে ভাষা শোনে, সেই ভাষার সঙ্গে তৈরি হয় তার আত্মিক সম্পর্ক। সেই ভাষা হয়ে উঠে তার ভীষণ আপন। তার মাতৃভাষা।

পৃথিবীর ইতিহাসে বাঙালিই একমাত্র জাতি, যারা রক্ত ঝরিয়েছিলেন মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য। মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য বাঙালির সেই আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘও ২১ ফেব্রুয়ারিকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি। আমাদের এ আত্মত্যাগের কথা ছড়িয়ে গেছে সারাবিশ্বে। জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ দিনকে নিজেদের মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে; যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌবরেব।

১৯৫২ সালে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত মায়ের ভাষায় কথা বলার যে অধিকার আমাদের এনে দিয়েছিলেন, তার সাত দশক পূর্ণ হচ্ছে। এই সাত দশকে বদলে গেছে অনেক কিছুই।

পরিবর্তন জীবনের অংশ। পরিবর্তন গ্রহণ করেই মানুষকে এগিয়ে যেতে হয়। সাত দশক আগে যেসব কথা মানুষ চিন্তাও করেনি সেসবই আজ বাস্তব। বর্তমান নতুন প্রজন্ম বেড়ে উঠছে নব্যপ্রযুক্তিকে সঙ্গী করে। প্রযুক্তির জাদুকাঠিতে বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। এক ক্লিকেই এই প্রজন্ম ভার্চুয়ালি ঘুরে আসতে পারে সারা বিশ্বে।

বিশ্বায়নের এ প্রভাব পড়েছে ভাষাতেও। নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছে তাই বাংলাভাষাকেই কঠিন মনে হয়। শুদ্ধভাবে বাংলা লিখতে পারা তো দূরের কথা, বলতে গেলেও হোঁচট খান অনেকেই। সেই প্রতিফলন অবশ্য আজকাল টেলিভিশন কিংবা রেডিও খুলতেই দেখা যায়। উপস্থাপকের মুখ থেকে প্রায়ই প্রিয় দর্শক কিংবা শ্রোতার পরিবর্তে শুনতে হয় ডিয়ার ভিউয়ার্স কিংবা ডিয়ার লিসেনার্স। আমাদের নতুন প্রজন্ম কিন্তু এসব শুনেই বড় হচ্ছে। তাদের কাছে তাই প্রিয় দর্শক কিংবা শ্রোতা নয়, ডিয়ার ভিউয়ার্স কিংবা ডিয়ার লিসেনার্স এই দেশের নিজস্ব সম্ভাষণের প্রতীক।

তাই এই জগাখিচুড়ি ভাষা তারা নিজেদের জীবনেও প্রয়োগ করতে দ্বিধাবোধ করে না। অথচ ভাষা একটা জাতির সংস্কৃতির প্রতিফলক। তাই কথা জগাখিচুড়ি ভাষায় বললে সংস্কৃতি যে নিজস্বতা হারাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর ভাষা আর সংস্কৃতি নিজস্বতা হারালে একটি জাতির স্বকীয়তা অনেকটাই হুমকির মুখে পড়ে।

তবে আশার কথা- ভাষা আন্দোলনের সাত দশক আর বিজয়ের পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও নতুন প্রজন্ম ভোলেনি পূর্বপুরুষের ত্যাগের ইতিহাস। নানা ক্ষেত্রে অবদান রেখে বিশ্ব দরবারে দেশের মুখ উজ্জ্বল করছেন তারা।  তাই পরিবর্তনের স্রোতে গা ভাসিয়ে দিয়ে নয়, বরং পরিবর্তনকে হাতিয়ার করে শুদ্ধতা বজায় রেখে বাংলাভাষাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন তারা। আজকে এ তরুণ সমাজই তো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেবে মহান একুশের চেতনা। ভাষা আন্দোলনের সাত দশকে নতুন প্রজন্মের কাছে এটাই প্রত্যাশা।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

 

প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

আজ অমর একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। রক্তস্নানের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিন। সব বাধা অতিক্রম করে বাংলাকে পাথেয় করে এগিয়ে যাওয়ার শপথের দিন। বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য এদিন সালাম, বরকত, রফিকসহ অনেকে আত্মাহুতি দিয়েছিলেন।

এজন্যই দিনটি একইসঙ্গে গৌরবের ও শোকের। জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে সেইসব শহিদদের স্মরণ করছে।

এ উপলক্ষে প্রথম প্রহরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান।

রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে মেজর জেনারেল সালাউদ্দিন ইসলাম ও তার পরই মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলটির পাঁচ সিনিয়র নেতা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তাদের পর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে ফুল দেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস এমএম নাঈম রহমান।

এরপর শহীদ মিনারে ফুল দেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল। তাদের পর শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের আইজি ড. বেনজীর আহমেদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আবদুল মোমেন।

এরপর আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতারা, সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারাসহ সর্বস্তরের মানুষ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

ভিড়ে ঠাসা ব্যস্ত সৈকতে আছড়ে পড়ল হেলিকপ্টার (ভিডিও)

একুশে ফেব্রুয়ারি ।। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

একুশে ফেব্রুয়ারি ।। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত দুটি ভূখণ্ডের দুটি ভিন্ন ভাষার জাতিসত্তাকে মিলিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম থেকেই মাতৃভাষাকে কেন্দ্র করে সূচনা হয়েছিল আন্দোলনের। আর এই ভাষা আন্দোলনকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হয়।

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশে এই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এই ইতিহাস বাংলাদেশের অনেকেরই জানা। কিন্তু এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রয়েছে আরও অনেক সংগ্রামের ইতিহাস।

একুশে ফেব্রুয়ারির দিনটিতে যা ঘটেছিল:

বলা হয়ে থাকে রাজনৈতিক কারণে নেয়া খাজা নাজিমুদ্দিনের অবস্থান ও তার বক্তব্য ভাষা আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। তার ঘোষণায় পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের মনে বঞ্চনার অনুভূতি আরও জোরালো হয়ে জেগে ওঠে।

খাজা নাজিমুদ্দিনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে পরদিন থেকে পূর্ব-পাকিস্তানে শুরু হয় স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল। যাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

ভাসানীর নেতৃত্বে সম্মেলনে অংশ নেন পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং পেশাজীবী সম্প্রদায়ের মানুষজন। ২১শে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছিল। ধর্মঘট প্রতিহত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিলো। যা লঙ্ঘন করেই জন্ম হয়েছিল শহীদ দিবসের।

১৯৫২ সালের সেই দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র হিসেবে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে কর্মরত ছিলেন মুহাম্মদ মাহফুজ হোসেন। বছর তিনেক আগে বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাতকারে তার বর্ণনায় ফুটে উঠেছে সেদিনকার চিত্র।

সেই সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি দুপুরে গুলিবিদ্ধ তিনজনকে হাসপাতালে গ্রহণ করি আমি। কপালে গুলিবিদ্ধ রফিককে দেখেই মৃত ঘোষণা করা হয়, আর উরুতে গুলিবিদ্ধ বরকত মারা যান রাতে, আমার চোখের সামনেই।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছেই গুলিবর্ষণ হয়েছিল শিক্ষার্থীদের উপর।

তিনি বলছিলেন, “আমরা তখন বাইরে থেকে বহু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমরা শুনেছিলাম বহু মানুষ গুলিতে আহত হয়েছে। মুহূর্তেই ইমারজেন্সি ওয়ার্ড পূর্ণ হয়ে যায়। আহতদের অনেকেই মুমূর্ষু, তাদের সঙ্গে আসা মানুষজন আর চিকিৎসকে ঠাসাঠাসি হয়ে যায় জরুরী বিভাগ।”

ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিলেন সেবিষয়ে সঠিক সংখ্যা এখনো পাওয়া যায় না। সেদিন এবং পরদিন পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউর ছাড়াও আরো অনেকে শহীদ হয়েছিলেন বলে ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিভিন্ন বইয়ে উঠে এসেছে।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম চুড়ান্ত করেছে কিন্তু এখনি প্রকাশ নয়

//নিজস্ব প্রতিবেদক//

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য ১২ থেকে ১৩ জনের নাম বাছাই করেছে রাষ্ট্রপতি গঠিত সার্চ কমিটি।  আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী বৈঠক করে এদের মধ্যে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করবে তারা। পরে ২৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির কাছে সে তালিকা জমা দেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় সার্চ কমিটির ষষ্ঠ বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান কমিটির আহ্বায়ক সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা ১২-১৩ জনের নাম প্রস্তুত করতে পেরেছি। আগামী ২২ তারিখ রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশের জন্য ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করা হবে। আশা করছি ২৪ ফেব্রুয়ারি আমরা তা মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে পারব।  তবে তাদের নাম প্রকাশ করবে না সার্চ কমিটি।

ওবায়দুল হাসান বলেন, আমরা কিন্তু একটা শপথ নিয়েছি। যখনই যেখানে যাই সেই শপথটা আমাদের সঙ্গেই থাকে। সেটা হচ্ছে- সংবিধান ও আইন রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আইনে বলা আছে কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করব আমরা। আমরা নির্ধারণ করেছি- এই নামগুলো আমরা প্রকাশ করব না। কারণ, এটা রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে দিলে তিনি যদি বলেন আপনারা প্রকাশ করেন, আমরা প্রকাশ করব। আমাদের প্রকাশ করার কথা আইনেও নাই, কোথায়ও নাই।

এসময় সার্চ কমিটির সদস্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন, লেখক-অধ্যাপক আনোয়ারা সৈয়দ হক, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক (সিএজি) মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

খুলনার রূপসায় ঘাটভোগ ইউপি চেয়ারম‍্যান ওয়াহিদুজ্জামান মিজানকে সংবর্ধনা

জয় বাংলা জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

জয় বাংলাকে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে।  এ বিষয়ে সার্কুলার দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বাধ্যতামূলকভাবে সকলে এই স্লোগান ব্যবহার করবে।

রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সকল সাংবিধানিক পদ, সরকারি, বেসরকারি অফিসে কর্মরতদের বক্তব্যে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে।

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি, সভা সেমিনারে, সমাবেশে জয় বাংলা স্লোগান ব্যবহার করতে হবে। দু’একদিনের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সত্যকে মুছে ফেলা যায় না, ইতিহাস ঠিকই ফিরে আসে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

.//নিজস্ব প্রতিবেদক//

সত্যকে কেউ মুছে ফেলতে পারে না, ইতিহাস ঠিকই ফিরে আসে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২৪ বিশিষ্টজনের হাতে একুশে পদক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পরে ইতিহাস বিকৃত করে ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান, তা মুছে ফেলা হয়েছিলো। আসলে সত্যকে কেউ মুছে ফেলতে পারে না, ইতিহাস ঠিকই ফিরে আসে। আজকে আমাদের সেইদিন।

পদক বিতরণ শেষে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখে যাচ্ছেন, সেখানে গবেষণা, সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলন এসব ক্ষেত্রে যারা অবদান রাখছেন…। আমি জানি, সকলকে আমরা (সম্মাননা) দিতে পারি না। তবুও আমাদের প্রচেষ্টা হচ্ছে যারা এক সময় অবদান রেখেছেন, যাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো হারিয়েও যাচ্ছিলেন; আমরা তাদেরও খুঁজে বের করে সম্মান জানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। যাতে করে ইতিহাস বিকৃতির হাত থেকে আমাদের দেশের মানুষ মুক্তি পায়।

তিনি বলেন, আমরা অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হতে চাই এবং আমাদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি যেন আন্তর্জাতিকভাবে আরও বিকশিত সেটাই আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। সেই প্রচেষ্টাতেও আমরা সফলতা অর্জন করবো বলে আমি বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

পদকপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের অবদান বিভিন্ন ক্ষেত্রে, যার জন্য আমাদের এই অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে। তাই সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে আপনাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন দেশের কল্যাণে কাজ করে, সেটাই আমি চাই।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

বিএনপি থেকে মেজর (অব) আখতারুজ্জামান বহিষ্কার- রুহুল কবীর রিজভী

 

দোরাইস্বামী জানিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে ভারত হস্তক্ষেপ করবে না বলে

//দৈনিক বিশ্ব নিউজ ডেস্ক//

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী জানিয়েছেন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ভারত সরকার কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না ।

শনিবার বিকালে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র।  তারা তাদের নির্বাচনসহ অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। এ ব্যাপারে ভারত সরকারের হস্তক্ষেপ করার কিছুই নেই।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দোরাইস্বামী বলেন, ফটিকছড়ি-রামগড় সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর চালু হলে দুদেশের অর্থনীতির পরিসর আরও ব্যাপক উন্নতি হবে। সাবরুম রেলওয়ে স্টেশনসহ সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত তৈরি হবে। ফটিকছড়ির ওপর দিয়েই মূলত এই ট্রানজিট। এতে ফটিকছড়ির উন্নয়নও সাধিত হবে।

ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফে সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারীর ১০৩তম খোশরোজ শরিফ উপলক্ষে রওজায় গিলাফ হস্তান্তর করেন তিনি।

এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার আরও বলেন, ভারত সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট। বাংলাদেশের প্রজাতন্ত্র দিবসের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারীর দরগাহ শরিফে গিলাফ হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও ফটিকছড়ির এমপি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সঙ্গেও আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে তার বাবা সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারীর খোশরোজ শরিফে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তার মাজার শরিফে এই গিলাফ চড়ানো।

বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর আমন্ত্রণে সৈয়দ শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারীর ১০৩তম খোশরোজ শরিফ উপলক্ষে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে শফিউল বশর মাইজভাণ্ডারীর রওজা শরিফে গিলাফ চড়ান দোরাইস্বামী। এর আগে তিনি এমপি সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সঙ্গে তার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান সৈয়দ হাবিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, সৈয়দ মুহিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী, সৈয়দ আমিনুল বশর মাইজভাণ্ডারী, মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ তৈয়বুল বশর মাইজভাণ্ডারী, ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নাহার মুক্তা, ইউএনও মো. মহিনুল হাসান প্রমুখ।

পড়ুণ দৈনিক বিশ্ব

English Dainikbiswa

জগন্নাথপুরে ফার্মেসিতে পাওয়া পারভিনের খন্ডিত দেহের রহস্য উদ্ঘাটন