বাংলাদেশি এখন বিশ্বের অভিজাত ব্যবসায়ীর তালিকায়

অনলাইন ডেস্ক।।

আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান আফ্রিকা, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা এবং মধ্য প্রাচ্যের ব্যবসায়ী খাত ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন উচ্চ প্রভাবশালী শীর্ষ নেতার একজন হিসেবে হল অব ফেমে প্রবেশ করেন ২০২০ সালের নভেম্বরে। এই তালিকার প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইটিবিএল হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মাহবুবুর রহমান যুক্ত হন। পরে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের (এইচবিএস) বেকার লাইব্রেরির ‘ক্রিয়েটিং ইমার্জিন মার্কেট প্রজেক্ট’ (সিইএমপি)-এর আওতায় তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এই সাক্ষাৎকার হার্ভার্ড বেকার লাইব্রেরির ঐতিহাসিক সংগ্রহে আছে। মাহবুবুর রহমান ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে ইস্টার্ন ট্রেডিং কোম্পানি (বর্তমানে ইটিবিএল হোল্ডিংস) গঠনের মাধ্যমে প্রথম ব্যবসা শুরু করেন। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি ভোগ্যপণ্য আমদানি ও যেসব বিদেশি কোম্পানি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পণ্য বিক্রি করত, তাদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ষাট দশকের শেষে ইটিবিএল হোল্ডিংস তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় একটি কোম্পানির নারকেল তেলের একক পরিবেশক নিযুক্ত হন।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত সাতক্ষীরা

অনলাইন ডেস্ক।।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাতক্ষীরায় আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাজুড়ে ইতিমধ্যে সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থেকে শুরু করে পৃথক ৪টি হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা হয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির সফরকে ঘিরে ইতিমধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার, র‍্যাব মহাপরিচালক ও সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ধুমঘাট এলাকা ও ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছেন।

এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন শ্যামনগরে। নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে ঈশ্বরীপুর।

প্রশাসন সূত্র জানায়, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সফরে আসবেন নরেন্দ্র মোদি। পরদিন ২৭ মার্চ তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবীর ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে অন্যতম পবিত্র শক্তিপীঠ হিসাবে পরিচিত সুন্দরবন সংলগ্ন ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরটি পরিদর্শন করবেন। তার আগমনে সকল ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী মা কালী মন্দির পরিদর্শন করবেন মোদি

মতুয়া সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান হিসাবে পরিচিত এই মন্দির দর্শন করতেই নরেন্দ্র মোদি ঈশ্বরীপুর যশোরেশ্বরী মা কালী মন্দিরের পূজা অর্চনায় যোগ দেবেন। ফলে মতুয়া সম্প্রদায় ও মন্দিরসংলগ্ন এলাকায় চলছে উৎসবের আমেজ।

ইতিমধ্যে ইশ্বরীপুর ও সোবহান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠসহ পৃথক মোট ৪টি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে। চারদিকে সাজসাজ রব চলছে। এলজিইডির তত্ত্বাবধানে মন্দিরের মাঠ ও সংলগ্ন রাস্তাঘাটসহ সাতক্ষীরা থেকে শ্যামনগর অভিমুখী রাস্তাগুলো কার্পিটিং দিয়ে সংস্কার করা হয়েছে। এছাড়া যশোরেশ্বরী মা কালীমন্দিরের আশপাশের ছোট-বড় বাজারঘাট পাকা করা হয়েছে।

মোদির আগমনে প্রস্তুত হ্যালিপ্যাড

ভারত ও বাংলাদেশের পৃথক নিরাপত্তা টিমসহ ভারতীয় হাইকমিশনার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া স্থানীয় এমপি জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমান, শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর গিফারীসহ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত এলাকায় গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরের পুরোহিত দিলীপ মুখার্জী জানান, হিন্দু ধর্মালম্বীদের মধ্যে শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দির একটি অন্যতম পবিত্রপীঠ স্থান। বিশ্বের মধ্যে অন্যতম এটি। শক্তির দেবী মা কালী। তার দেহকে খণ্ড-বিখণ্ড করে শ্রীলংকা, নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়া হয়েছিল। ৫১টা স্থানে তার শরীরের অংশ বিশেষ পড়েছিল।

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত সাতক্ষীরা

বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ প্রশাসন থাকছে নিরাপত্তায়

তিনি আরও বলেন, এই শ্যামনগরে মায়ের করকমল পড়েছিল। সেই সময় থেকে এখানে এই শ্রী শ্রী যশোরেশ্বরী কালী মন্দির প্রতিষ্ঠিত। আদিকাল থেকে এখানে বহু ভক্তের সমাবেশ ঘটে। প্রতি কার্তিক মাসে এখানে শ্যামা পূজা হয়। বহু ভক্তবৃন্দ তাদের ভক্তি নিবেদনের জন্য এখানে আসেন। তেমনি বিশ্বনন্দিত নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মদি ভক্তি নিবেদনের জন্য দেবী মায়ের চরনতলে আসছেন।

পুরোহিত আরও বলেন, মোদির আগমনে বাংলাদেশসহ পুরো শ্যামনগরবাসী আনন্দে উচ্ছ্বাসিত। তার আগমনে মন্দিরটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাবে আরো পরিচিতি। তাই তার আগমনে ব্যাপক উৎফুল্ল ঈশ্বরীপুর মতুয়া সম্প্রদায়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি যোগদানের একদিন পরেই সাতক্ষীরায় আগমন করবেন। এটি সাতক্ষীরাবাসীর খুবই গৌরবের বিষয়। তার আগমনে হ্যালিপ্যাড থেকে মন্দির পর্যন্ত সাতক্ষীরার ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। সেজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সকল ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।

করোনা প্রতিরোধে খুলনার রূপসায় আবারো জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পুলিশের শোভাযাত্রা ও মাস্ক বিতরণ

রূপসা প্রতিনিধি::

‘স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলি, করোনা মুক্ত দেশ গড়ি। মুজিব বর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার।’- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার (২২ মার্চ) দুপুরে করোনার ২য় ধাপ মোকাবেলায় রূপসা থানা পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এদিন করোনা সচেতনতামূলক শোভাযাত্রাটি রূপসা ঘাট এলাকা থেকে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্যাংকের মোড় এলাকার হয়ে ঘাট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা চলাকালে মাস্কবিহীন অসংখ্য পথচারীদের মাস্ক পরিয়ে দেয় জেলা পুলিশ সুপার ও সদস্যবৃন্দ।

জনসচেতনতামূলক এ শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান।
অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ সার্কেল এস এম রাজু আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ওসি (তদন্ত) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আবদুল গফুর খান, উপজেলা আ’লীগ নেতা অহিদুজ্জামান,নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, শহিদুল ইসলাম(মেজ ভাই),মোঃ ফরিদ শেখ,কৃষক লীগ নেতা আব্দুল মান্নান শেখ, হারুন মোল্লা,রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আঃ রাজ্জাক শেখ, সহ-সভাপতি এমএ মুরশিদ আলী ,যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ ফ ম আইয়ুব আলীসহ
থানা পুলিশের সকল এসআই, এএসআই ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ‘করোনার ১ম ধাপে পুলিশ সম্মূখসারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছে। এবার ২য় ধাপে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে প্রচার প্রচারণার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ কাজে সকলের সহযোগীতা কাম্য!

আজ ২২ মার্চ – বিশ্ব পানি দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক//

আজ ২২ মার্চ ‘বিশ্ব পানি দিবস’। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পানি দিবস ২০২১’ পালিত হবে।

বিশ্ব পানি দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘ভ্যালুয়িং ওয়াটার’। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

পানি দিবস পালনে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কর্মসূচিগুলো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা প্রদানসহ প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও পানি দূষণ কমাতে সক্ষম হবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। সেই সঙ্গে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জলবায়ু পরিবর্তন সহিষ্ণু উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তা যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘মানুষের জন্য পানি, প্রকৃতির জন্য পানি এবং উন্নয়নের জন্য পানি’ এই সত্যকে উপলব্ধি করতে হবে। পানির গুরুত্ব অনুধাবন করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে।

বিশুদ্ধ পানির আর এক নাম জীবন । 

বিশুদ্ধ পানির জন্য এখানে যোগাযোগ করুন।

কৃত্রিম ফুসফুস বানিয়েছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন

অনলাইন ডেস্ক।।

ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম মানব ফুসফুস উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী আয়েশা আরেফিন। মানবশরীরের ওপর পরিবেশের প্রভাব নতুন কোনো ওষুধের প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি পরীক্ষা করার জন্য গবেষকদের দরকার হয় স্যাম্পলের। সে জন্য অনেক  ক্ষেত্রে মানুষকেই গবেষকের গিনিপিগ হতে হয়। কিন্তু এর বদলে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকলে সেটার ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মানবশরীরের ওপর প্রভাব বোঝা সম্ভব হয়। ন্যানো-প্রযুক্তির মাধ্যমে তেমনই একটি কৃত্রিম ফুসফুস তৈরি করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন আমাদের আয়েশা আরেফিন। কৃত্রিম মানব ফুসফুস উদ্ভাবনের পথে কৃতী তরুণ এ গবেষক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের লস আলামস পরীক্ষাগারে তাঁর গবেষণা চালিয়ে যান। তাঁর ডাকনাম টুম্পা। বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রাম মহানগরীতে।

 

স্নাতক পড়ার জন্য বেছে নেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। বৈজ্ঞানিক গবেষণা সংক্রান্ত এক কাজে সরকারি আমন্ত্রণে বাংলাদেশে আসেন যুক্তরাষ্ট্রের আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক ক্রিস ডেটার। একই সময়ে তিনি সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সেমিনারে গিয়েছিলেন। সেখানে আয়েশা আরেফিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। পরে ডেটার ও তাঁর সহকর্মী ল্যান্স গ্রিন টুম্পাকে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পেতে সহায়তা করেন। এরপর আয়েশা তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির বায়োসিকিউরিটি বিভাগে। ওই ল্যাবের ভারতীয় গবেষক প্রখ্যাত টক্সিকোলজিস্ট রাশি আইয়ার তাঁকে অপ্টোজেনিকস-সংক্রান্ত গবেষণায় নিয়োগ দেন। অপ্টোজেনিকস হচ্ছে জিনবিদ্যা ও প্রোটিন বিষয়ক প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে জীবন্ত কোষের মধ্যে ঘটতে থাকা বিভিন্নœ স্নায়ুবিক কাজকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কৃত্রিম কোষ তৈরি করা সম্ভব। টুম্পা ও রাশি আইয়ারের টিমের সদস্যরা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অঙ্গ সংস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন। এর মধ্যে একটি কৃত্রিম ফুসফুস তৈরি করেন টুম্পা।

 

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির ওয়েবসাইটে আয়েশা আরেফিনের গবেষণার তথ্য প্রকাশ হয়। সেখানে জানানো হয়, আয়েশা এবং তাঁর দলের অন্য সদস্যরা মিলে বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করছেন। যদিও তাদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজের সময় ফুসফুসের কোষগুলো কীভাবে কাজ করে তা জানা এবং এর প্রতিষেধক উদ্ভাবন করা। রোগটি এতই ভয়াবহ যে যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুর কারণ হিসেবে এর স্থান তৃতীয়। গবেষণা থেকে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির ফুসফুসের কোষ এবং এর সংশ্লিষ্ট আণবিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও নির্ভুল তথ্য পাওয়া যাবে। তাদের গবেষণাগারে আরও চারটি দল মানবদেহের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে কাজ করছেন। আয়েশার আরেকটি গবেষণা হলো, মানব মস্তিষ্কের রক্ত সংবহনের একটি মডেল তৈরি করে ব্রেন স্ট্রোকের কারণ অনুসন্ধান করা। শুধু গবেষণা নয়, আয়েশা আরেফিন পড়ালেখার পাশাপাশি নানা ধরনের স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে জড়িত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে্ নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক।।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী ঢাকায় পৌঁছেছেন।  রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি ঢাকায় এলেন।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিদ্যা দেবী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী চার্টার্ড বিমানটি ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।  এসময় ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে নেপালের প্রেসিডেন্টকে বরণ করা হয়।

এটিই বাংলাদেশে নেপালের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম সফর।  বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী ২২ ও ২৩ মার্চ দুদিন ঢাকায় অবস্থান করবেন।

কিছুক্ষণ পরই তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন।  সেখানে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর ও একটি চারা রোপণ করবেন।

বিকালে প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপরে তিনি জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।  ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও নেপালের শিল্পীদের পরিবেশনায় একটি সাংস্কৃতিক পর্বেরও আয়োজন করা হয়েছে।

সন্ধ্যায় নেপালের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।  উভয় রাষ্ট্রনেতার উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ রাতেই রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ নেপালের প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করবেন।

আগামীকাল (২৩ মার্চ) নেপালের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি কাঠমান্ডু ফিরে যাবেন।

নেপালের প্রেসিডেন্টের প্রতিনিধিদলে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব ছাড়াও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন।

জেলা পুলিশ করোনা প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে রূপসায় লিফলেট ও মাক্স বিতরণ

 খুলনা প্রতিনিধি//

খুলনা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে রূপসা থানা পুলিশ ২১ মার্চ সকালে পূর্ব রূপসা ঘাট এলাকা সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক , মাইকিং করা ও লিফলেট বিতরণ শুরু হয়।

এসময় উপস্থিত থেকে এসকল সামগ্রী বিতরণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) এস এম রাজু আহমেদ, রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন ও ওসি তদন্ত মো. সিরাজুল ইসলাম।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাফর, রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন, এস আই শ্যামা প্রসাদ, এ এস আই হালিম, এ এস আই হাফিজুর রহমান, সমাজ সেবক শহিদুল ইসলাম সুমন ওরফে মেঝ ভাই,মো. তারেক আজিজসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ।

জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডের অনুষ্ঠানে হাজির প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক : 

শনিবার সন্ধ্যা। ঘড়ির কাটায় তখন বাজে ৬টা ৪২ মিনিট। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে হঠাৎ করেই এসে হাজির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে আসেন তার ছোটবোন শেখ রেহানাও।তাদের এই আগমন ছিল অনির্ধারিত।

চতুর্থ দিনের আলোচনা পর্ব শেষে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে চলছিল সাংস্কৃতিক পর্ব। সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে অনির্ধারিতভাবে অনুষ্ঠানস্থলে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে ছিলেন তার ছোটবোন শেখ রেহানাও। তারা আসার পর সবার মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার আগমনের পর শুরু হয় একটি নাটিকা। এরপর ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধুর পছন্দের গান। গানগুলো পরিবেশন করেন এ প্রজন্মের তরুণ শিল্পীরা। সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃত্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নৃত্য পরিবেশন করেন। এ সময় গানের সঙ্গে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা কণ্ঠ মেলান।

জাপানি দুই তরুণ শিল্পীর পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে। ‘বাজনা বিট’ নামের একটি দলের দুজন শিল্পী জাপানি ও বাংলা ভাষায় গান পরিবেশন করেন। ধন্য ধান্যে পুষ্পে ভরা…গানটি বাংলায় যখন তারা পরিবেশন করছিলেন প্রধানমন্ত্রী তখন মাস্ক খুলে তাদের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। দীর্ঘ সময় উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

নান্দাইলে সৌদিতে প্রতারণা করে বিয়ে, নির্যাতনের স্বীকার নারীর পৃথক মামলা

 নিজস্ব প্রতিবেদক: তৌহিদুল ইসলাম সরকার//

সৌদি প্রবাসী এক নারীকে বিয়ে করে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও নির্যাতন।। ময়মনসিংহের নান্দাইলের সোহাগ রানা নামে এক যুবক সৌদি প্রবাসী এক নারীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে অর্থ আত্মসাৎ সহ ও নির্যাতনের অভিযোগে যুবকের বিরুদ্ধে আদালতে পৃথক দুইটি মামলা করেছেন, ভুক্তভোগী নারী।।

প্রতারক সোহাগ রানার বাড়ি নান্দাইল উপজেলার দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে।। মামলায় অভিযুক্ত সোহাগ রানা ও তার বাবা জজ মিয়া, মাতা মজিদা খাতুন সহ ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।। বাংলাদেশী ওই নারী ও যুবক সৌদি আরবে চাকরির করার সুবাদে নুরজাহান ও সোহাগ রানার পরিচয় হয়। তারপর গভীর প্রেমের সম্পর্ক হয়।। এক পর্যায়ে ২০২০ সালে ০৪ মে এফিডেভিট ও রেজিস্ট্রি কাবিনে ইসলামিক বিধিমতে প্রবাসেই তাদের দুইজনের বিয়ে হয়,বিযের পর তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল।।

এরমধ্যে স্বামী সোহাগ রানা তার দেশের বাড়িতে বিল্ডিং ঘর তৈরির কাজ ও অন্যান্য কাজের জন্যে নুরজাহানের কাছ থেকে হাওলাত ৩০ লাখ টাকা দাবি করেন।। এতে সরল বিশ্বাসে নুরজাহান রাজি হয়ে, তিনি বাংলাদেশে অবস্থানরত তার বাবা নুরুল ইসলামের মাধ্যমে উক্ত ৩০ লাখ টাকা ২০২০ সালের ০৭ অক্টোবর শ্বশুর জজ মিয়ার কাছে নান্দাইলে তার বাড়িতে গিয়ে পৌছে দেন।। জানা যায় টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের নুরজাহান ২০০৭ সাল থেকে সৌদি আরবে কাজের সন্ধানে যান।সেখানে একটি মাদ্রাসা ও একটি হাসপাতালে কাজ করতেন।।

নুরজাহান মামলায় অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি তার স্বামী সোহাগ রানা সৌদি আরব থেকে ছুটি নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।। তার কথা মতো নুরজাহান সৌদি কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে বিগত ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিমান বন্দরে পৌছলে সেখান থেকে সোহাগ রানা তাকে গ্রহণ করে নান্দাইলের দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান।। এর কয়েক দিন পর সোহাগ রানা ও তার পরিবারের লোকজন নুরজাহানের কাছে যৌতুক হিসেবে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করেন।।

নুরজাহান বিষয়টি তার বাবা সহ পরিবারের লোকজনকে ফোনে জানালে তারা সোহাগের বাড়িতে এসে এক ঘরোয়া সালিশে বসেন।। সেখানে পূর্বে ৩০ লাখ টাকা হাওলাত নেওয়ার কথা অস্বীকার করে সোহাগ ও তার বাবা জজ মিয়া।। ওই ভুক্তভোগী নারী উল্টো ১০ লাখ টাকা যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় পরে নুরজাহানকে শারীরিক ভাবে মারধর ও নির্যাতন করা হয়।। পরে নুরজাহানের পিতা তার মেয়েকে উদ্ধার করে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। পরে এ বিষয়ে সৌদি আরব ফেরত ওই গৃহবধূ নুরজাহান বাদী হয়ে ময়মনসিংহে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত ও ময়মনসিংহ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৯ নং আমলী আদালতে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করেছেন।।

মামলা দুইটি বর্তমানে তদন্তাধীন। মামলার বাদী নুরজাহান বলেন, সহজে সরল বিশ্বাসে আমি জীবনের উপার্জিত সব অর্থ দিয়ে প্রতারিত ও নির্যাতিত।। অসহায় হয়ে আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।। আশা করি আমি ন্যায় বিচার পাবো এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে।।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও শিশু দিবস পালিত

 মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

আনন্দ উৎসবে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরেও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে উপজেলা প্রশাসন, সরকারি-বেসকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক নেতৃত্ববন্দ, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক নেতৃত্ববন্দসহ স্থানীয় সামাজিক সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধা জানান। এরআগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করেন। পরে আলোচনা সভা শেষে রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-০২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, ছোট মনির। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সভাপতিত্বে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশ নেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল হালিম এডভোকেট, ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আলিফ নূর মিনি, সহকারী কমিশনার (ভূূূমি) আবদুল্লাহ আল রনি, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম প্রামাণিক প্রমুখ।

এদিকে, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদের নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়েও নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।