লাগলেও খাই না লাগলেও খাই, মন চাইলেই খাই: ক্ষতি আমারই

একটি নিউজ দেখে  আঁতকে উঠলাম— গত এক বছরে তিন হাজার কোটি টাকার গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়েছে বাঙালি! লাগলেও খাই না লাগলেও খাই…!

এই ওষুধ বাঙালি সকালে খায়, রাতে খায়, খালি পেটে খায়, ভরা পেটে খায়, বিয়ের দাওয়াতে খায়, বাসায় খাইলেও খায়, পেট ব্যাথা করলে খায়, পেটে গ্যাস হলে খায়, পেট জ্বললে খায়, বুক জ্বললে খায়, পায়খানা না হলে খায়, মন চাইলেই খায় — এভাবে লিখতে লিখতে অনন্তকাল লিখেও হয়ত শেষ করা যাবে না!

বলতে পারি, গ্যাসের ওষুধ খাওয়া নেশা হয়ে গেছে, ইয়াবার চেয়েও ভয়ংকর নেশা!

আমি নিজে বাসায় সবাইকে বকাবকি করেও এটা খাওয়া বন্ধ করতে পারি না। এটা খায়তে না করলে মনে করে আমার ডাক্তারি পড়া বৃথা, আমি কিচ্ছু জানি না।

এই ওষুধগুলোর আসল কাজ হলো, আপনার পাকস্থলীর অ্যাসিডের ক্ষরণ কমানো, যা আপনার খাবার পরিপাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাক্তাররা আলসার এবং ‌অন্যান্য রোগে সুনির্দিষ্ট কারণে এই ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন।

আপনি নিজ থেকে খেতে থাকলে আপনার অ্যাসিডের ক্ষরণ কমতে থাকবে, কমতে থাকবে হজম শক্তি। একসময় দেখবেন আপনার খাবার হজম হচ্ছেই না! এই ওষুধগুলোর সাইড ইফেক্টও মাশাআল্লাহ অনেক! যেমন, মাথাব্যথা, ডায়েরিয়া, পেটব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, জ্বর, বমি, ফুসকুড়ি— এসব সাধারণ সাইড ইফেক্ট। এখন যেগুলোর কথা বলবো সেগুলো একটু উন্নত পর্যায়ের, দেখলেই বুঝতে পারবেন! যেমন: কোলনে ইনফেকশন, হাড়ক্ষয়, ভিটামিনের অভাব, হার্টঅ্যাটাক, কিডনির কার্যকারিতা হ্রাস, অগ্নাশয়ের প্রদাহ, যকৃতের কার্যকারিতা হ্রাস ইত্যাদি!

এবার নিজ দায়িত্বে মুড়ির মত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খান। মহান জাতি আমরা। ‌নেক কিউটও! সর্বরোগের মহৌষধ পিপিআই জিন্দাবাদ! ফার্মাসিউটিক্যালস ব্যবসা জিন্দাবাদ!

//ফেসবুক কালেকশন//

(Sarif Ahamad Molla)

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে পূর্ব শত্রুতার জেরে তিন নারীকে কুপিয়ে জখম

 

 

বরিশাল সদর হাসপাতাল করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন পাচ্ছে

বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে জানা যায়, বরিশাল অঞ্চলে করোনা সংক্রামন বৃদ্ধি পাওয়াতে করোনা রোগীর চাপ সামলানো ও তাদের স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে বর্তমান মাসের প্রথম দিকে সদর হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে আবেদন করেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

তাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জরুরী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তারই অংশ হিসেবে হতে যাচ্ছে সদর হাসপাতাল বরিশালে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল। হাসপাতাল সুত্রে জানা যায় করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসাবে অনুমোদন হয়ে আসলে হাসপাতালের বহিঃবিভাগ ছাড়া অন্যান্য সকল চিকিৎসা কার্যক্রম শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হবে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সুত্রে আরো জানা যায় হাসপাতালটিতে করোনা রোগীদের জন্য একশ শয্যাই চালু রাখা হবে, এজন্য সেন্টার অক্সিজেন সুবিধা সহ অন্যন্য সকল কাজ সমাপ্তির পথে। তবে করোনা চিকিৎসার সময় চিকিৎসক ও নার্সদের কোয়ারান্টাইনে পাঠানোর কারনেচিকিৎসক ও নার্স সংকট দেখা দিকে পারে। তবে সকলে আশাবাদী কার্যক্রম শুরু হলে কোন সংকট থাকবে না।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক বরিশাল//

এনআইডি অথবা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে গেলেই পাবে করোনা টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

করোনা প্রকোপ রোধে টিকার বিকল্প নাই তাই অনলাইন রেজি: ছাড়া যত সহজে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে তত তাড়াতাড়ি টিকা জনগনের কাছে পৌচাবে । টিকা দেওয়ার বিষয়ে আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে টিকাকেন্দ্র স্থাপন করছি। যেখান থেকে ইউনিয়নের সমস্ত লোকজন, আপামর জনসাধারণ যারা টিকা নিতে চান, তারা ওখানে এসে টিকা নিতে পারবেন। তারা এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড নিয়ে আসলেই টিকা দিতে পারবেন।’

আজ সচিবালয়ে ‘লকডাউন’ সম্পর্কিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদেরও একটি বিশেষ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করে টিকা দিয়ে দেওয়া হবে, স্পটেই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা, সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবসহ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে করোনার পরীক্ষা ও সনাক্ত উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে

আইসিইউ শয্যা তালিকায় যা আছে বাস্তবে তা নাই

আইসিইউ শয্যা করোনা চিকিৎসা তথা ডেল্টা ভেরিয়েন্টের চিকিৎসার জন্য একটা বিশেষ বিষয় । দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ভয়াবহ সংক্রমণে করোনা মহামারি প্রকট রূপ ধারণ করেছে। আক্রান্ত রোগীর বড় অংশই ফুসফুসে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন। যাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিতে আইসিইউর (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) প্রয়োজন হয়। ইতোমধ্যে দেশের পূর্ণাঙ্গ (৬৬০টি) আইসিইউ শয্যা কোভিড রোগীতে পূর্ণ।

এমনকি জোড়াতালি দেওয়া নামমাত্র আইসিইউগুলোর শয্যাও আর ফাঁকা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ সরকারিভাবে বলা হচ্ছে-তালিকাভুক্ত ১৩২১ শয্যার মধ্যে ১০৭৬টিতে রোগী রয়েছে। সেদিক থেকে পূর্ণাঙ্গ ও অসম্পূর্ণ মিলিয়ে আইসিইউ শয্যার ৮০ শতাংশই রোগীতে পূর্ণ। এ ধরনের শয্যার হিসাব নিয়েও গোলমাল আছে। এখনো তৈরি হয়নি; কিন্তু ঘোষণা দেওয়া হয়েছে আইসিইউ বেড। এভাবে সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে নেই। এ পরিস্থিতিকে চিকিৎসকরা বলছেন, সরকারিভাবে কোভিড আইসিইউর তালিকা কাজির গরুর মতো। তালিকায় আছে বাস্তবে নেই।

 

সরকারের তালিকায় সারা দেশে ১৩২১টি কোভিড আইসিইউ সমমানের শয্যা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে ফাঁকা আছে ২৪৫টি। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগে শয্যা দেখানো হয়েছে ১২৫৯টি এবং এ মাসের শুরুতে দেখানো হয়েছিল ১১৬৫টি। এত স্বল্প সময়ে শতাধিক আইসিইউ শয্যা কীভাবে স্থাপন হলো, সে বিষয়ে খোদ চিকিৎসকদের মধ্যেই সন্দেহ রয়েছে। রাজধানীর ১৬টি সরকারি হাসপাতালের মধ্যে ১০টিতে এবং বেসরকারি ২৮টি হাসপাতালের ৮টিতে ফাঁকা নেই কোনো আইসিইউ শয্যা। করোনা রোগীর জন্য নির্ধারিত সাধারণ শয্যারও সংকট তৈরি হচ্ছে। রোগী বাড়লেই তীব্র হবে সাধারণ শয্যার অভাব।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, দেশে যে পরিমাণ আইসিইউ আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রকৃত চিত্র সেরকম নয়। সরকারিভাবে আইসিইউ উপযোগী শয্যাগুলোকে আইসিইউ হিসাবে উল্লেখ করা হচ্ছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে স্বয়ংসম্পূর্ণ আইসিইউ আরও অনেক কম। তারা বলেন, রাজধানীর জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে কোভিড আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১০টি। কিন্তু এর মধ্যে ভেন্টিলেশন সুবিধা আছে মাত্র ৪টিতে।

 

একই অবস্থা খুলনার অন্যতম চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র শেখ আবু নাসের হাসপাতালে। সেখানে ১০ শয্যার আইসিইউর মধ্যে চারটিতে সেবা প্রদান করা হয়। সম্প্রতি রাজধানীর একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে শয্যা ফাঁকা দেখে অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেখানে রোগী পাঠান; কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে কোনো আইসিইউ শয্যা ফাঁকা নেই। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত শয্যাও তালিকাভুক্ত হিসাবে দেখানো হয়।

তারা আরও জানান, কোথাও কোথাও শয্যার সঙ্গে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা, বিপ্যাপ বা সিপ্যাপ সংযোগ থাকলেই সেটা আইসিইউ বলা হচ্ছে, যা প্রকৃতপক্ষে আইসিইউ নয়। এসব শয্যার কতগুলোয় শুধু উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব। কতগুলোয় নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন সুবিধা দেওয়া যাবে। অর্ধেকেরও কম পরিমাণ শয্যায় ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, বর্তমানে দেশে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য মোট আইসিইউ শয্যা রয়েছে ১৩২১টি। এর মধ্যে রাজধানীর ১৬টি সরকারি হাসপাতালে ৩৯৩টি। ২৮টি বেসরকারি হাসপাতালে ৫০৫টি। ঢাকা শহরসহ ঢাকা জেলায় মোট আইসিইউ সমমানের শয্যা আছে ৯৬১টি। চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলা ও উপজেলায় ১০৭টি। ময়মনসিংহ বিভাগে ২২টি, রাজশাহী বিভাগে ৫৮টি, রংপুর বিভাগে ৪৪টি, খুলনা বিভাগে ৭৪টি, বরিশাল বিভাগে ৩৩টি এবং সিলেট বিভাগে ২২টি।

এর মধ্যে সিলেটে বর্তমানে কোনো আইসিইউ শয্যা খালি নেই।

বরিশালে খালি আছে ১১টি, খুলনায় ১৬টি,  রংপুরে ২০টি, রাজশাহীতে ১৪টি, চট্টগ্রামে ২২টি,  ময়মনসিংহে ৮টি এবং ঢাকায় ১৫৪টি।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান যুগান্তরকে বলেন, কোভিড চিকিৎসায় আমরা আইসিইউর প্রাধান্য দিচ্ছি না। যে শয্যা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। রোগী বাড়লে সংকট সৃষ্টি হবে। চাইলেই আইসিইউ করা যায় না, অনেক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষিত নার্স, চিকিৎসক প্রয়োজন। তাই যেসব স্থানে আইসিইউ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না, সেসব স্থানে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার ব্যবস্থা করতে হবে।

জেলা-উপজেলায় সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দ্রুত সব জেলায় আইসিইউ করতে অবশ্যই সেটি করতে হবে। আইসিইউর যেসব ঘাটতি রয়েছে, সেগুলো দ্রুত পূরণ করতে হবে। ব্যবহার উপযোগী করতে হবে। একটি শয্যাও যেন অব্যবহৃত না থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত আইসিইউ বিশেষজ্ঞরা জানান, একজন মুমূর্ষু রোগীর চিকিৎসায় অবশ্যই কার্যকর আইসিইউ প্রয়োজন। আইসিইউ শুধু একটি শয্যা নয়, রোগীর চিকিৎসায় এর সঙ্গে আরও অনেক যন্ত্রপাতি প্রয়োজন। কিন্তু বেশির ভাগ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউ  স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। অনেক আইসিইউতে নেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেন্টিলেটর সুবিধা। অনেক আইসিইউতে নেই সিরিঞ্জ পাম্প, এবিজি মেশিন বা ডিফেব্রিলেটর। ফলে রোগীকে আইসিইউতে নেওয়া হলেও তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিদের্শনা মতে, একটি আদর্শ আইসিইউর জন্য বেশকিছু জিনিস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যেমন-আইসিইউ শয্যা, আইসিইউ ভেন্টিলেটর, ইনফিউশন পাম্প বা সিরিঞ্জ পাম্প, নেবুলাইজার মেশিন, পেশেন্ট মনিটর, পালস অক্সিমিটার, সাকশন মেশিন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে ১৩২১টি আইসিইউ শয্যা রয়েছে। কিন্তু জীবনরক্ষাকারী ভেন্টিলেটর মেশিন রয়েছে ৬৬০টি। অর্থাৎ, অর্ধেক শয্যায় এ গুরুত্বপূর্ণ মেশিনটি নেই। ২৯৮টি ভেন্টিলেটর মেশিন কোভিড শুরুর আগেই ছিল। দেশে কোভিড-১৯ শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ১০০টি ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়। অধিদপ্তরের হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্টের (এইচএসএম) পক্ষ থেকে ১০০টি কেনা হয়।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে কেনা হয় আরও ১৪৪টি এবং ইউনিসেফের পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে ১৮টি। অর্থাৎ কোভিডকালীন আইসিইউ শয্যা বাড়ানো হলেও সেগুলোকে পরিপূর্ণ রূপ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া অনেক বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে নামমাত্রই সুবিধা দেওয়া হয়। বেসরকারি পর্যায়ের অনেক হাসপাতালে শুধু শয্যা ছাড়া আর কিছুই থাকে না।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

পীরগঞ্জে ইএসডিও মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির উদ্যোগে অক্সিজেন কনসেনট্রেট হস্তান্তর

গাজীপুরে পোশাক কারখানা চালু রাখায় ১ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়

 

জগন্নাথপুরে করোনার ১ম ডোজ নিলেন সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম

জগন্নাথপুরে করোনার ১ম ডোজ গ্রহন করলেন সর্বদলীয় সম্পৃতি উদ্যোগ জগন্নাথপুর উপজেলার এ্যাম্বাসেডর ও উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া।

সোমবার (১৯) জুলাই সকাল সাড়ে ১১ টায় জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোভিড-১৯ টিকাদান কেন্দ্রে প্রথম ডোজ গ্রহন করেন তিনি। এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মধুসূদন ধর সহ কর্তব্যরত ডাক্তার, সেবিকা ও কর্মচারী ও স্থানীয় সংবাদকর্মীগন উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা ও জগন্নাথপুর উপজেলার কৃতি সন্তান এলাকার জনপ্রিয় ডাঃ মধু সূদন ধর বলেন আমরা সবাই মিলে এই মহামারী করোনাকে মোকাবেলা করতে হবে।

দেশে এখন করোনা ভাইরাস মহামারী রূপ নিতে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তিনি আরো বলেন কোন ভয় নয়, ভয়কেই আমাদের জয় করতে হবে। মানুষ সচেতন থাকলে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।

তিনি সরকারের নির্দেশ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল বলেন করোনা একটা মহামারি। এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বাস্ব্যবিধি মেনে চলা। আমাদের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হলো নিজের সু-স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা।

আমরা যদি সচেতন না হই তাহলে অকালে আমাদেরকে জীবন দিতে হবে। তিনি সরকারকে প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন সুস্থ জীবন নিশ্চিতে আমাদের সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে এবং এখনই টিকা নিতে হবে।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

মাহফুজুল হক বৃত্তি ফাউন্ডেশনের হোসেন্দী ইউপিতে ঈদ উপহার বিতরণ

 

সারমিন সালাম আক্সিজেন ব্যাংকের সিলিন্ডার বিতরণ উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার মাহাবুব হাসান

 

  সালাম মূশের্দীর সেবা সংঘের আয়োজনে জেলা ও উপজেলায় করোনাকালীন এবং করোনা পরবর্তী সময়ে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ চালু রাখতে সারমিন সালাম আক্সিজেন ব্যাংকের এ সিলিন্ডার প্রদান অনুষ্টানের শুভ উদ্বোধন আজ(রবিবার) বিকালে সংসদ সদস‍্যদের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মাহাবুব হাসান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, উপজেলা পর্যায়ে রোগীদের জন্য নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিতে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন সরকার।

করোনা পরিস্থিতে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় সরকার গৃহীত পদক্ষেপের ফলে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। স্বাস্থ‍্যবিধি মেনে সকলকে কাজ করতে হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা সাদিকুর রহমান বলেন, দূরবর্তী ও বিছিন্ন উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে উদ্যোগটি একটি মাইল ফলক যা অন্যদের জন্য একটি নজির হয়ে থাকবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে করোনাকালীন আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বিভিন্ন সংগঠন কাজ করছে। তার মধ‍্যে সালাম মূশের্দী সেবা সংঘ ও সারমিন সালাম অক্সিজেন ব‍্যাংক অন‍্যতম। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিলো স্বাস্থ্যসেবাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেয়া। প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক এ লক্ষ্যে কাজ করছে।

সারমিন সালাম আক্সিজেন ব্যাংকের সিলিন্ডার বিতরণ উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার মাহাবুব হাসান

স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। অক্সিজেনের সংকট দেখা দেওয়ায় নিজ উদ‍্যোগে ৫৫টি সিলিন্ডার প্রদান করেছি। বর্তমান সময় কেউ না খেয়ে ও গৃহহীন থাকবে না। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি এড. কাজী বাদশা মিয়া ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু। জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, রূপসা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামালউদ্দীন বাদশা, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ আজাদ আবুল কালাম।

স্বাগত বক্তৃতা করেন জেলা আ’লীগের সদস্য অধ্যক্ষ ফ ম আব্দুস সালাম। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মোতালেব হোসেন এর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এফ এম অহিদুজামান, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আকরাম হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস‍্য আ:মজিদ ফকির, রূপসা উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদুল আলম বাবু, হাবিবুর রহমান বিপুল, যুগ্ম সম্পাদক ইমদাদুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, তেরখাদা ভাইস চেয়ারম‍্যান নাজমা খান, তেরখাদা উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান শারাফাত হোসেন মুক্তি, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন বুলবুল, ইসহাক সরদার,জাহাঙ্গির শেখ, দ্বীন ইসলাম, আ’লীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আক্তার ফারুক, বাছিতুল হাবিব প্রিন্স, স ম জাহাঙ্গির, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম কামরুজ্জামান, জেলা মহিলালীগের নেত্রী রিনা পারভীন,সাবিনা ইয়াসমিন, সামসুন্নাহার, রূহুল আমিন রবি,রাজিব দাস, নয়ন তারা, তেরখাদা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মফিজুর রহমান,আ’লীগ নেতা দ্বীন ইসলাম, মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, বাদশা মল্লিক, শেখ আসাদুজ্জামান, রাজিব দাস, আ:রাজ্জাক রাজা, যুবমহিলালীগের সভাপতি আকলিমা খাতুন তুলি, সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা রুনা, সালাম মূশের্দী সেবা সংঘের টিম লিডার সামসুল আলম বাবু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ:রাজ্জাক শেখ, যুবলীগ নেতা হাবিবুর রহমান তারেক,সৈয়দ জামিল মোরশেদ, নুর ইসলাম সরদার,আজমল ফকির, সুব্রত বাগচী, খান ফরাদুজ্জামান সুমন, সালাম মৃশের্দী সেবা সংঘের মঈন উদ্দীন, আবদুল্লাহ আল মামুন, তরিকুল ইসলাম, রিয়াজ, শিমুল, রাসেল প্রমুখ।

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব‍্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দৈনিক বিশ্ব’র মাগুড়া জেলা প্রতিনিধি সুজন মাহমুদের সুস্থ্যতা কামনায় পত্রিকা পরিবার

 

বরিশালে পশুর হাটে মানা হচ্ছেনা করোনার স্বাস্থ্যবিধি

 

আসছে ২১ জুলাই মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল আযহা। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে বরিশালের পশুর হাটগুলো। করোনাকালীন সময়ে পাইকারদের পাশাপাশি স্থানীয় গরু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন খামার ও দেশী গরু নিয়ে হাজির হয়েছেন হাটে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের হাটগুলোতে গরুর সংখ্যা কম। বিক্রেতারা বলেছেন দিন যত ঘনিয়ে আসবে হাট ততো জমজমাট হতে পারে।

অবশ্য গত বছরের তুলনায় এবার হাটে আসা গরুর দাম কিছুটা বেশী বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। এদিকে বরিশালের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে, স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই নেই। আর প্রশাসনেরও এক্ষেত্রে তেমন একটা তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। যদিও কোনহাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলে ওই হাটের ইজারা বাতিল সহ ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগ বরিশালের উপ-পরিচালক শহীদুল ইসলাম।

সূত্রে জানা গেছে বরিশাল মহানগরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট ২২টি গরুর হাটের অনুমোদন দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

এর মধ্যে নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোডের বটতলা এলাকায় এবং অপরটি নগরীর রূপাতলী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত (দপদপিয়া) সেতুর ঢালে। অপর ২০টি হাট বসছে জেলার ১০ উপজেলায়। এদিকে বরিশালে সরকারি অনলাইন গুরুর হাটের ব্যবস্থা করা হলেও তেমন একটা সাড়া মেলেনি ক্রেতাদের। অপরদিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা কিংবা নগরীর পশুরহাট গুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের অধিকাংশ মানুষই মাস্ক ব্যবহার করেন না। এ নিয়ে নজরদারিও নেই কর্তৃপক্ষের।

গত শুক্রবার সদর উপজেলার চরমোনাই মাহফিল মাঠ, এলাকায় বসে কোরবানির পশুরহাট। চরমোনাইর বিশাল মাহফিল মাঠে কয়েকশ’ গরু প্রদর্শন করা হলেও তুলনামূলক ক্রেতার দেখা মেলেনি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে গরু প্রদর্শন করলেও মাস্ক ছিলো না বেশিরভাগ ক্রেতা বিক্রেতার মুখে। একই অবস্থা অন্যান্য পশুর হাটে। আসলাম নামে এক ব্যবসায়ী জানান, স্থানীয় খামারীসহ এবং গ্রামগঞ্জের গরুও এসেছে এই হাটে। তবে সে তুলনায় হাটে ক্রেতা নেই। যারা আসছেন দেখে শুনে দরদাম করে চলে যাচ্ছেন।

শুক্কুর বেপারী নামে আরেক ব্যবসায়ী জানান, একাধিক গরুর হাটে এবার দেশীয় গরুর সংখ্যা বেশি। ক্রেতাদের উপস্থিতি মোটামুটি হলেও এখনো বেচাবিক্রি নেই। চরমোনাই হাটে গরু বিক্রির খাজনা কাটার জন্য লাইন দিয়ে দাড়িয়েছেন বেশ কয়েকজন। তবে তাদের অধিকাংশকেই মাস্ক ছাড়া দেখা গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে, অন্যান্য হাটগুলোতেও। চরমোনাই হাটে গরু কিনতে আসা এক জন বলেন, এখানে বড় মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাবেচা করা হলেও অধিকাংশ ক্রেতা বিক্রেতারা মুখে মাস্ক নেই।

ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই সচেতন না হলে গরুর হাট থেকে করোনা সংক্রমন ছড়াতে পারে বলে মনে করেন তিনি। বরিশাল জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নুরুল আলম জানান, জেলায় ৪ হাজার ২শ’ ২৬টি বড়-ছোট পশুর খামারে মজুদ রয়েছে ৩৮ হাজার ৩শ’ ৯৫টি গরু এবং ৮ হাজার ২শ’ ২৪টি ছাগল। সরকারি নির্দেশে গত ২৫ জুন জেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ‘অনলাইন কোরবানির হাট বরিশাল’ নামে একটি অনলাইন পশুর হাট চালু করে।

মোট ১০ হাজার গরু ও ছাগলের ছবি ও বিক্রেতার নাম আপলোড করা হয় অনলাইন হাটে। কিন্তু অনলাইনে তেমন ক্রেতার সাড়া মিলছে না। স্থানীয় সরকার বিভাগ বরিশালের উপ-পরিচালক শহীদুল ইসলাম জানান, এবার কোরবানির পশুরহাটগুলোতে কঠোর নজরদারি করার জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোনহাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হলে ওই হাটের ইজারা বাতিল সহ ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

//নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় অবৈধ চিংড়ির রেণু জব্দ করে নদীতে অবমুক্ত

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের আসতে নিষেধাজ্ঞা

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বরিশাল বিভাগের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারণ রোগীদের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, সারা দেশের সঙ্গে বরিশাল নগরীতেও আক্রান্ত বাড়ছে। সবদিক বিবেচনায় সাধারণ রোগী যাদের চিকিৎসা জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে সম্ভব, তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বাসুদেব কুমার দাস আরও বলেন, ‘শেবাচিম হাসপাতালের আন্ত:বিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।

এছাড়া বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা এমনিতেই অনেক। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রোগীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।’ ইতোমধ্যে বিভাগের সকল জেলা সিভিল সার্জন, সকল জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

নওয়াপাড়া মডেল কলেজের অক্সিজেন সিলিন্ডার পেল গ্রীণ অভয়নগর

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

ঐতিহ্যবাহী নওয়াপাড়া মডেল কলেজের পক্ষ থেকে করোনা রোগীর সেবায় একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার গ্রীন অভয়নগর অক্সিজেন ব্যাংক নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে প্র্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে এ সিলিন্ডার হস্তান্তর করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম খান, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম মল্লিক, গ্রীণ অভয়নগরের আহবায়ক শওকত হোসেন, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ খায়রুল বাসার, সদস্য সেলিম হোসেন, মুবাশশির শাহরিয়ার, অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক সিদ্ধার্থ রায়, আবুল কালাম আজাদ, প্রভাষক খসরু আলম, শ্যামল কুমার মজুমদার, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ তাজ, দপ্তর সম্পাদক শাহীন আহমেদ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন, সদস্য জাকির হোসেন হৃদয়, অফিস সহকারী আবু ঈসা প্রমুখ।

অভয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিল জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল লি:

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

অভয়নগর থানার ওসি একেএম শামীম হাসানের উদ্যোগে জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল লি: এর সহযোগিতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ৮টি অক্সিজেন ফ্লো মিটার প্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে অভয়নগর থানা ভবনের সামনে সিলিন্ডার ও ফ্লো মিটারগুলো গ্রহণ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল লি: এর সাইড ম্যানেজার জগদিশ চন্দ্র মন্ডল, মার্কেটিং ম্যানেজার বেলাল হোসেন, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম মল্লিক, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ তাজ, দপ্তর সম্পাদক শাহীন আহমেদ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন, সদস্য জাকির হোসেন হৃদয়সহ থানা পুলিশ ।

 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রাণীশংকৈলে কালের কন্ঠ শুভসংঘের ত্রান সামগ্রী পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ