খুলনার রূপসায় ২ হাজার ৫০ জন শিশু বাচ্চা ফাইজারে

//এম মুরশীদ আলী//

রূপসায় শিশু বাচ্চাদের কোভিড-১৯ এর টিকা দেওয়া কার্যক্রম শুরু হয়। গত ১১ অক্টোবর সকাল ১০ টায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

এ ব্যাপারে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রূপসার ৫টি ইউনিয়নে ১৬৮ টি সরকারি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কিন্ডার গার্ডেন রয়েছে। তার মধ্যে প্রথম দিনে ১০ টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চা ২ হাজার ৫০ জনকে ফাইজার টিকা দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম সকাল ৯ টা থেকে শুরু হয় এবং বিকেল ৩ টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালু ছিল।

প্রথম দিনে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, শিশু শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি অর্থাৎ ৫ বছর বয়স থেকে ১১ বছর বয়সীদের জন্য এ টিকা প্রযোয্য। এ সকল বাচ্চারা প্রথম ডোজ দেওয়ার ৫৬ দিন পর একই নিয়মে দ্বিতীয় ডোজ স্কুলে কেন্দ্র করে দেওয়া হবে। এই বাচ্চাদের তৃতীয় ডোজের প্রয়োজন হবে না। বিশেষ কারনে বাদ পড়া বাচ্চাদের পাশ্ববর্তী স্কুলে গিয়ে টিকা দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। যাদের বয়স ১৮র পর উত্তির্ন হয়েছে। শুধুমাত্র তাদের জন্য তৃতীয় ডোজ চালু আছে।

পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক ফারজানা জাফরিন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মেহ নাজ সবনাম ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম মতিয়ার রহমান।

রামপালে সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে ৩ সহস্রাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন

এ এইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || বাগেরহাটের রামপালে দক্ষিণ বঙ্গের সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবির সম্পন্ন শুরু হয়েছে। ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ও লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম আবারও শুরু করা হয়।

বড়দিয়া হাজী আরিফ (র.) মাদরাসা মাঠে সোমবার দিনব্যাপী রোগী বাছাই করা হয়েছে। এ বছর প্রায় ৫ শতাধিক ছানিপড়া ও নেত্রনালী রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে।

এসব বাছাইকৃত রোগীদের ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করে অপারেশন ও লেন্স সংযোজন করা হবে। এ ছাড়াও প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিনামূল্যে ঔষধ ও বয়স্ক রোগীদের চশমা প্রদান করা হয়েছে।

ইতিপূর্বে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের এই সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে প্রায় সড়ে ৪ হাজার চোখে ছানি পড়া ও নেত্রনালীর রোগীকে ঢাকা নিয়ে অপারেশনসহ লেন্স সংযোজন করা হয়েছে। ওই সময়ে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে।

চিকিৎসা নিতে আগত বাগেরহাট সদরের সৈয়দপুর গ্রামের রোগী বৃদ্ধ ইসরাফিল মোড়ল তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন দীর্ঘ দুই তিন বছর এ এলাকায় চক্ষু চিকিৎসা শিবির বন্ধ থাকায় আমরা খুব অসুবিধায় ছিলাম। আবার চক্ষু চিকিৎসা শিবির চালু হওয়ায় আমাগো পরানের মানুষের জন্যি আমরা দুয়া করি। একই অনূভুতি ব্যক্ত করেন রামপালের সোনাতুনিয়া গ্রামের লাইলী বেগম, পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চার বলেস্বর গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদার।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমি মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। এ জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি ও দোয়া চাই। করোনার কারণে ২ দুই বছর পর আবারও আমাদের চক্ষু চিকিৎসা শিবির শুরু করেছি। আজকে আমরা ছানি পড়া ও নেত্রনালী রোগীসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রায় ৫ শতাধিক রোগী বাছাই করেছি। প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগী। যা চলমান আছে। রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রচন্ড রৌদ্র ও তাপ উপেক্ষা করে শত শত রোগী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সেবা নিচ্ছিলেন।

 

ডুমুরিয়ায় দলিত-এর আয়োজনে ৩দিন ব্যাপী এসআরএইচআর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া, খুলনা//

খুলনার ডুমুরিয়ার  চুকনগরস্থ দলিত হাসপাতাল মিলনায়তনে বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দলিত-এর আয়োজনে গতকাল সোমবার ৩দিন ব্যাপী এসআরএইচআর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

দলিত-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার দাস প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন। উচ্চ শিক্ষায় অধ্যয়ণরত ২০ জন ছাত্র ও ছাত্রীকে নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন দলিত এর অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিবপ্রসাদ দাশ, হেলথ এন্ড লাইভলিহুদের প্রোগ্রাম হেড নিতাই চন্দ্র দাশ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ধরা দেবী দাস, আভ্যন্তরীন নিরীক্ষক উত্তম দাস, স্পন্সরশীপ অফিসার বিপ্লব মন্ডল, অঞ্জনা দাস, প্রোগ্রাম অর্গানাইজার বিপ্লব দাস, নেপাল চন্দ্র দাশ, চিন্তা রানী দাস প্রমূখ।

 

অভয়নগরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আবারও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে

মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল,বিশেষ প্রতিনিধিঃ
অভয়নগরে প্রশাসনকে বদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আবারও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানাের অভিযােগ উঠেছে । এতে ওই এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এই কাজটি দেদারসে করে যাচ্ছে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি।

উপজেলার সিদ্দিপাশা এলাকায় প্রতিনিয়ত কাঠ পুড়িয় কয়লার ব্যবসা করে যাছে । তারা ট্রলিতে করে কাঠ নিয়ে শতাধিক মাটির কাঁচা চুল্লি তৈরি করে কয়লা বানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গাছপালা কেটে ছােট ছােট কাঠের টুকরা বানিয়ে চুল্লির মধ্য দিয়ে জ্বালানাে হচ্ছে। এক পাশ দিয়ে ছােট কয়লা বড় করা হচ্ছে। অন্যপাশে সেই কয়লা শুকানাে হচ্ছে। বাকি জায়গায় বস্তায় ভর্তি করে রাখা হয়েছে । চুল্লির মধ্যে সারিবদ্ধভাবে কাঠ সাজিয়ে চুল্লির খােলা মুখ দিয়ে আগুন দেওয়া হয়।

অভয়নগরে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আবার ও কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি এলাকার পরিবেশ হুমকির মুখে

প্রায় ৭ থেকে ১০ দিন পােঁড়ানার পর চুলা থেকে কয়লা বের করা হয়। প্রতিটি চুল্লিতে প্রতিবার ২৫০ থেকে ৩০০ মণ কাঠ পােঁড়ানা হয়। কাঠ পুঁড়ে কয়লা হয় পরে সে গুলাে বের করে ঠান্ডা করে, বিক্রির উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সচেতন মহল বলেন, এ এলাকায় অনেক গাছপালা ছিল। বর্তমান গাছের সংখ্যা কম দেখা যাচ্ছে । এই কাঠ পুড়িয়ে কয়লা বানানাের কারনে আমাদের শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রােগ দেখা দিয়েছে । সরকারি নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে এসকল ব্যক্তি কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তেরি করে আসছে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে চারবার অভিযান চালিয়ে চুল্লিগুলাে গুড়িয়ে দিলেও বন্ধ হয়নি এ অবৈধ ব্যবসা।

প্রতিবারই আরও নতুন নতুন চুল্লি তৈরি হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন পরিবশ দূষিত হচ্ছে , উজাড় হচ্ছে গাছপালা অপরদিকে এলাকাবাসী শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রােগে ভুগছে। নাম না প্রকাশ করার শর্তে কয়েকজন বলেন, এদের বিরুদ্ধে স্থানীয় কেউ প্রতিবাদ করলেই তাদের উপর নানা হুমকি ধামকি নেমে আসে বলে অভিযােগ রয়েছে। সেই সাথে এই এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলােকে ও পােহাত হচ্ছে নানা রকমের সমস‍্যা । এর আগে অনেকবার এলাকাবাসীরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযােগও দিয়েছেন। এলাকাবাসির দাবি, কতিপয় ব্যক্তি জােটবদ্ধ হয়ে অবৈধভাবে মাটির চুল্লি বানিয়ে কাঠ ও সীসা পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে আসছে। এমনকি সরকারি দাতব্য চিকিৎসালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় ও তারা এ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়লা তৈরির চুল্লি নির্মাণ করছে। উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে অবৈধ চুল্লিতে এ কয়লা তৈরি হওয়ায় নির্গত ধােঁয়ায় পরিবশ দূষিত হচ্ছে । নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। স্বাস্থ‍্য ঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সােনাতলা গ্রামের জিয়া মােল্যা, ছােট্ট মােল্যা, শহিদ মােল্যা, হারুন মােল্যা, রফিক মােল্যা, তকির মােল্যা, কবীর শেখ, হাবিব হাওলাদার, তসলিম মিয়া, মনির শেখ কামরুল ফারাজী এবং ধূলগ্রামের হরমুজ সর্দার, রশিদ সর্দার, ফারুক হাওলাদার এ অঞ্চলে১’শতটি চুল্লি তৈরি করে কয়লা বানিয়ে আসছেন।

তারা এতটাই দূর্ধর্ষ যে, স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতো দুরের কথা, মুখ খুলতেও সাহস পায়না। মাটি, ইট ও কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে তৈরি করা চুল্লিতে প্রতিদিন কয়েক’শ মণ কাঠ পােঁড়ানা হচ্ছে। এ বিষয়ে কয়কজন চুল্লি মালিকের সাথে কথা বললে তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঘাটে ঘাটে টাকা দিয়ে আমাদর ব্যবসা চালাতে হয়। স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সব মহলকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই তারপর ব্যবসা চালাই। এ বিষয়ে অভয়নগর উপজলার নিবার্হী অফিসার মেজবাহ উদ্দীন বলেন, এ বিষয় খােঁজ খবর নিয়ে দ্রুতই অভিযান চালানাে হবে।

ডুমুরিয়ায় দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কোভিট -১৯  প্রতিরোধ ঝুকি নিরুপন, জনসম্পৃক্ততা এবং টিকা বার্তা জোরদার করন টাউন মিটিং অনুষ্ঠিত

//জাহিদুর রহমান বিপ্লব, ডুমুরিয়া//
ডুমুরিয়ায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট আয়োজনে ইউনিসেফ এর সহযোগিতায়  ডুমুরিয়া  উপজেলায় কোভিট -১৯  প্রতিরোধ ঝুকি নিরুপন যোগাযোগ  জনসম্পৃক্ততা এবং টিকা বার্তা যোগাযোগ জোরদার করন কর্মসূচী  স্বাস্থ‍্য বিভাগ সরকারের বিভাগ সমূহের সাথে এক টাউন মিটিং  অনুষ্ঠিত হয।
২১ আগস্ট রবিবার  সকালে উপজেলা অফিসার ক্লাবে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব‍্য দেন উপজেলা মাধ‍্যমিক শিক্ষা অফিসার সেখ ফিরোজ আহম্মেদ, মহিলা বিষযক কর্মকর্তা রীনা মজুমদার, আবাসিক মেড়িকেল অফিসার ডা: রিফাত রহমান,  দি হাঙ্গার প্রজেষ্ট এর খুলনা আঞ্চলিক সমন্বযকারী  সামছুর রহমান রঞ্জু,
সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার রুবিনা আক্তার,  জেলা সমন্বযকারী অন্বেষা মজুমদার,  তথ‍্য ওসেবা প্রদানকারী অফিসার জামাল হোসেন,  প্রজেক্ট সমন্বযকারী ইসরাত হাসান, সহ দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর ডুমুরিয়া উপজেলার সেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত  ছিলেন।
জাহিদুর রহমান বিপ্লব

জাতীয় শোক দিবসে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

//শ্যামল বিশ্বাস, বিশেষ প্রতিনিধি মাগুরা//

“সাংবাদিক শুধু কলমে নয় সেবাই ও নিয়োজিত” মাগুরায় ১৫ আগস্ট জাতীয়
শোক দিবস উপলক্ষে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরনী ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে সোমবার সকালে শহীদ সৈয়দ আতর আলী পাবলিক লাইব্রেরীতে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

 

জাতীয় শোক দিবসে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

মেডিকেল ক্যাম্পে সেবাসমূহের মধ্যে বিনামূল্যে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র প্রদান, ফ্রি সকল ধরনের রোগ নির্ণয় করা, ফ্রি ঔষধ বিতরণ করা হয়। দিনব্যাপী চলা ক্যাম্পেইনে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় ১২ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। উক্ত মেডিকেল ক্যাম্পে মাগুরা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হয়।

মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ এন কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মাগুরা সিভিল সার্জনের সহযোগীতায় মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ ইউনুস আলী ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করেন।

এ সময় মাগুরা জেলায় কর্মরত ডাক্তার গন উপস্থিত ছিলেন, মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জুনিয়র কনসালটেন্ট ( মেডিসিন) বিভাগের ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, জুনিয়র কনসালটেন্ট ( মেডিসিন) ডাঃ মোঃ জুলি চৌধুরীর, জুনিয়র কনসালটেন্ট ( সার্জারী) ডাঃ ফেরদৌস রায়হান, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার, ডাঃ এহসানুল হক মাসুম, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিঠুন সাহাসহ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সগণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

মাগুরা জেলা সিভিল সার্জন ডক্টর শহীদুল্লাহ দেওয়ান মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শনে এসে জানান, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পেইনটি সত্যিকার অর্থেই অনেক ভালো উদ্দ্যোগ। আমি এই মহতী উদ্দ্যোগ সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য মাগুরা রিপোটার্স ইউনিটিকে সাধুবাদ জানাই। এবং আজকে যারা এখানে চিকিৎসা সেবা নিয়েছে তাদের জন্য পরবর্তীতেও আমাদের কাছে চিকিৎসা সেবা প্রদানে আমরা সার্বিক সহযোগীতা করবো।

মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ এন কামরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি আমাদের একটি চলমান প্রক্রিয়া আমরা পর্যায়ক্রমে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করব ইনশাল্লাহ।
এ সময় মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

করোনাভাইরাস // ২ হাজার  ৮৭ জন শনাক্ত, মৃত্যু ৩

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

দেশে দিন যত যাচ্ছে ফের করোনার প্রকোপ ততই বাড়ছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে আজও দৈনিক শনাক্ত দুই হাজার ছাড়িয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ হাজার  ৮৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬১ জনে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ১৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। মারা যাওয়া দুজন চট্টগ্রামের এবং একজন ঢাকার বাসিন্দা। এর মধ্যে দুজন নারী, একজন পুরুষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ হাজার ৪৮৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২০০ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৭ হাজার ৬৭ জন।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

গত ২০ এপ্রিল করোনায় মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর টানা ৩০ দিন করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন পার করে বাংলাদেশ। সম্প্রতি করোনায় মৃত্যু বেশি না হলেও আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।

Daily World News

পদ্মা সেতু চালু হলেও শিমুলিয়া-মাঝিরঘাটে ফেরি চলবে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

লক্ষণসহ পাকস্থলীর ক্যান্সারের কারণ সমূহ জেনে রাখুন

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পাকস্থলীর ক্যান্সার সবচেয়ে জটিল রোগগুলোর মধ্যে একটি।  সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নিতে পারলে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় মৃত্যুও হতে পারে।

এ রোগটি প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা গেলে এবং অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত স্থান ফেলে দিলে রোগী সুস্থ হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বৃহদন্ত্র ও পায়ুপথ সার্জারি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. একেএম ফজলুল হক।

রোগের প্রাথমিক অবস্থায় হজমক্রিয়ার গোলযোগ বা খাদ্যগ্রহণের পর পেটে অস্বস্তি অনুভুতি ছাড়া আর তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। এ সমস্যাগুলোকে রোগী তেমন গুরুত্ব দেন না, মনে করেন গ্যাস্ট্রিক হয়েছে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে সাময়িক আরাম অনুভব করেন। ফলে ক্যান্সার পাকস্থলী থেকে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায়। রোগটি ছড়িয়ে পড়লে যে উপসর্গ দেখা দেয়-

* অল্প খেলে তৃপ্তি চলে আসে * পেট ফেঁপে ও ফুলে থাকে * বমি হয় * রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় * খাদ্যগ্রহণের পর খাদ্যনালীতে ব্যথা হয় * শরীরের ওজন কমে যায় * বমির সঙ্গে রক্ত কিংবা কালো পায়খানা হতে পারে

এ সমস্যাগুলো হলে অপারেশন করালেও রোগীর আয়ুকাল খুব বেশি বাড়ানো যায় না। সাধারণত চল্লিশোর্ধ্ব বয়সে এ ক্যান্সার বেশি হয়ে থাকে। নারীদের চেয়ে পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হন। যে কারণে পাকস্থলীতে ক্যান্সার হয়, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-

* হেলিকোব্যাকটর পাইলোরি নামক এক প্রকার জীবাণুর আক্রমণ

* প্রচুর পরিমাণে মদপান

* অত্যধিক লবণ আছে এমন খাবার গ্রহণ করা

* সংরক্ষিত টিনজাত খাবার

* অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অভাব রয়েছে এমন খাবার গ্রহণ করা

* যারা ধূমপায়ী এবং ধুলাবালি স্থানে বাস করে তাদের মধ্যেও এ ক্যান্সার হতে পারে

* বংশগত কারণেও পাকস্থলীতে ক্যান্সার হয়

এক সময়ে জাপানে পাকস্থলী ক্যান্সারের কারণে অনেক লোক মারা যেত। বর্তমানে চল্লিশোর্ধ্ব বয়সের পর যাদের হজমক্রিয়ার গোলযোগ হচ্ছে তাদের এন্ডোস্কোপি করে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করে অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়।

আমাদের দেশে রোগীরা যখন ডাক্তারের শরণাপন্ন হন তখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সার পাকস্থলীর বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, এরফলে চিকিৎসা করা দুরূহ হয়ে পড়ে। এ জন্য উপরের সমস্যাগুলো দেখা দেয়া মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

Daily World News

২৭ জুন ভোর ৬টা থেকে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ

বাঁশখালী‌তে রিস‌সো কোসাই কাই এর উ‌দ্যো‌গে ফ্রি চি‌কিৎসা সেবা সম্পন্ন

 //চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//

রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ মেড়িকেল সার্ভিস এর উদ্যোগে বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ডক্টরস এসোসিয়ন এর সহযোগিতায় বাঁশখালীর শীলকুপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে  ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প শুক্রবার সকালে অনুষ্টিত হয়। রিসসো কোসেই-কাই মেড়িকেল সার্ভিস এর সভাপতি অধ্যাপক ডা: কল্যাণ কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্টানের উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ডা: প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শীলকুপ ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কায়েশ সরোয়ার সুমন।

রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ এনজিও কার্যক্রমের প্রকল্প কর্মকর্তা অনুজ বড়ুয়ার সঞ্চালনায়, রিসসো কোসেই-কাই বাঁশখালীর প্রধান ও বাঁশখালী বৌদ্ধ সমিতির সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক কল্যাণ বড়ুয়ার স্বাগত বক্তব্যে সন্মানিত অতিথি ছিলেন এবং চিকিৎসা ক্যাম্পে অংশ গ্রহন করেন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা: অসীম কুমার বড়ুয়া. রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ মেড়িকেল সার্ভিস এর সাধারন সম্পাদক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: ভাগ্যধন বড়ুয়া,রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ মেড়িকেল সার্ভিস এর অর্থ সম্পাদক অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডা: হিমাদ্রী বড়ুয়া, চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ ডা: দেব প্রতিম বড়ুয়া,ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডা: দিবাকর বড়ুয়া, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা:জয়দত্ত বড়ুয়া,দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ডা:স্নেহাশীষ বড়ুয়া, ডা: সৈকত বড়ুয়া,ডা: দ্বীপশিখা বড়ুয়া, ডা: অনিক বড়ুয়া, ডিপলু বড়ুয়া, প্রদীপ বড়ুয়া, অরুপ বড়ুয়া, শাওন বড়ুয়া, রবিন বড়ুয়া, ধ্রুব বড়ুয়া, বাঁশখালী বৌদ্ধ সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকাশ বড়ুয়া, বাবুল বড়ুয়া,অপু বড়ুয়া বাবুন, উজ্জল বড়ুয়া,উদীপ বড়ুয়া, আমান উল্লাহ , মনির সিকদার, প্রীতম, নিশান, চয়ন, আদিত্য, উচ্ছাস প্রমুখ।

রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ এনজিও কার্যক্রমের অংশ হিসাবে রিসসো কোসেই-কাই মেড়িকেল সার্ভিস এর উদ্যোগে বাংলাদেশ বুড্ডিষ্ট ডক্টরস এসোসিয়ন,সন্ধানী চট্টগ্রাম মেড়িকেল কলেজ ইউনিট সহ বাঁশখালীর সর্বস্তরের জনগ‌নের সার্বিক সহযোগিতায় অনুুষ্টিত এ ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে ৪ শতাধিক সাধারন জনগনকে চিকিৎসা সেবা ঔষধ প্রদান করা হয় । এ সময় এ মানবতা মূলক কাজের জন্য জাপান ভিত্তিক বৌদ্ধ ধর্মীয় সংগঠন রিসসো কোসেই-কাই বাংলাদেশ এর প্রশংশা করেন এ কার্যক্রম অভ্যাহত রেখে সাধারন জনগনের পাশে থাকার আহবান জানান।

Daily World News

আজত রাসায়নিক কারখানা রাশিয়ার দখলে

রাত ৩টায় হঠাৎ অসুস্থ্য খালেদা জিয়া হাসপাতালে ভর্তি

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

মধ্যরাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে। শুক্রবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয় বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য সামছুদ্দিন দিদার।

এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘গুলশানের বাসায় ম্যাডাম হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা তাকে দ্রুত হাসপাতালের নিয়ে এসেছি। তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়েছে।’

হার্টের জটিলতা দেখা দেয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার পর করোনার মহামারির মধ্যে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতালে থেকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর একাধিকবার তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সরকার। মুক্তি পাওয়ার পর খালেদা জিয়া গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় আছেন। এ সময়ের মধ্যে তিন দফায় প্রায় ৬ মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।

Daily World News

ইংল্যান্ড প্রায়ই হিস্টিরিয়াগ্রস্থ আচরণ করছে বলে রাশিয়ার দাবি