বৈশ্বিক মহামারী করোনার দ্বিতীয় সুনামি সীমান্তবর্তী যশোর জেলার উপর দিয়ে সুপার পাওয়ার নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রতিদিন গাণিতিক হারে সনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যশোরে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ভর্তির একমাত্র আশ্রয়স্থল যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে রোগীর চাপে মেঝেতেও ঠাঁই নেই।
এর রকম একটি ক্রান্তিকালে গত কয়েকদিন যাবত করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৭ জুলাই -২০২১ রোজ বুধবার যশোর জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ও সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় যশোর জেলার ১০২০ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিলক্ষিত হয়েছে ৩৭৩ জনের শরীরে। তথ্য বিশ্লষণে সনাক্তের হার ৩৬.৫৬ শতাংশ।
আর একই সময়ে নতুন করে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় জন করোনা রোগী ছিলেন। বাকি আট জনের উপসর্গ ছিল। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছে ২৪৩ জন যা করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের শয্যার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে নূন্যতম চিকিৎসা সেবা দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা পজেটিভ রোগী সনাক্ত হয়েছে – সদরে ২০৩ জন,অভয়নগরে ৫২ জন, মনিরামপুরে ২৭ জন, কেশবপুরে ৩০ জন ঝিকরগাছায় ৩০ জন, শার্শায় ১৯ জন, বাঘারপাড়ায় ১২ জন এবং চৌগাছা উপজেলায় ৪ জন। পরিস্থিতি বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে যশোর সদরে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অন্যান্য উপজেলার থেকে কয়েকগুণ বেশি। স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় যশোর সদরসহ অন্যান্য উপজেলায় করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির জন্য বেনাপোল বর্ডার থেকে দেশে আসা রোগীরাই অনেকাংশেই দায়ী।
কারণ ভারত থেকে আসা রোগীদের যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বিভিন্ন হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে সঠিকভাবে কোয়ারেন্টানে না থেকে চোরপুলিশ খেলার ন্যায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটে ঘুরে বেড়িয়েছেন। যার ফল যশোরবাসী হাড়েহাড়ে অনুভব করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
দিলীপ কুমার : কিংবদন্তী বলিউড অভিনেতা মারা গেলেন ৯৮ বছরে

