//আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক//
ইমরান খানের বিরুদ্ধে শনিবার অনাস্থা ভোট হবে। এর ঠিক আগ মূহুর্তে পাকিস্তানের জনগণের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ভাষণে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব বাতিল ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের দেয়া রায়ে ‘স্তব্ধ’ হলেও মেনে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া এক ভাষণে ইমরান খান বলেছেন, আমি একদিন আগে জারি করা সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে নিচ্ছি।
ভাষণে ইমরান খান জানান, সুপ্রিম কোর্টের দেয়া রায়ে ‘স্তব্ধ’ হলেও মেনে নিয়েছেন। তবে, আমদানি করা কোনো সরকার মেনে নেবেন না। তিনি জনগণের কাছে যাবেন। পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি পুনর্বহালে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা জানান। কিন্তু এ রায়ে তিনি ‘স্তব্ধ’ হয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের উচিত ছিল ‘বিদেশি ষড়যন্ত্রের’ বিষয়ে অন্তত একটি তদন্তের নির্দেশ দেয়া।
এ সময় পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধান শাহবাজ শরিফের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, শেরওয়ানি পরে শপথ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত থাকা শাহবাজ বিদেশি ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত।
এর আগে ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ‘শেষ বল’ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইমরান খান। বৃহস্পতিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব বাতিল ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে পার্লামেন্ট পুনর্বহালেরও নির্দেশ দেন বিচারপতিদের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ। এ রায়ের পরই প্রথম প্রতিক্রিয়ায় এমন বার্তা দিলেন ইমরান খান।
প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বৃহস্পতিবার রাতে এক টুইট বার্তায় লেখেন, ‘শুক্রবার ক্যাবিনেটের বৈঠক ডেকেছি। সংসদীয় দলের সঙ্গেও বসবো। সন্ধ্যায় আমি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবো। সবসময় দেশবাসীর পাশে আছি।পাকিস্তানের হয়ে শেষ বল পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবো।’
এদিকে শনিবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের ওপর ভোট হবে। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ৩৪২ জন সদস্যের মধ্যে যদি ১৭২ জন বিরুদ্ধে ভোট দেয় তাহলেই প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাবেন ইমরান খান। সূত্র: জিও নিউজ
বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে নজরুল সভাপতি ও সেলিনা সম্পাদক

