//আবুল হাসমে, চট্টগ্রাম//
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা প্রাণী সম্পদ প্রকল্পের কাজের অর্থ আত্মসাতের দায়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের দুই কর্মকর্তা ও এক ঠিকাদারকে এক বছর নয় মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মোট ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও পাঁচ মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সোমবার (২৮ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মুনসী আবদুল মজিদ এ রায় দেন।
জেলার হাটহাজারীতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ছাগল পালন প্রকল্পের সীমানা দেয়াল নির্মাণের ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিচারক এ আদেশ দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক মো. আলী আকবর, ছাগল উন্নয়ন কর্মসূচির সে সময়ের ডেপুটি প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর আলেক মণ্ডল ও ওই কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আলম ট্রেডিং করপোরেশনের মালিক মো. মাহবুব আলম।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ জুন সে সময়ের দুর্নীতি দমন ব্যুরো মামলাটি করে। চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ছাগল উন্নয়ন প্রকল্পে সীমানা দেয়াল নির্মাণ না করে পরস্পর যোগসাজশে তিন আসামি ১০ লাখ ২৯ হাজার ৫৮২ টাকার বিল তুলে আত্মসাৎ করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। ২০১০ সালের ২৮ এপ্রিল মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪৭৭ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১২ বছর পর মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এ প্রসঙ্গে দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক মাহমুদ জানান, সোমবার রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, আমরা সাক্ষ্যপ্রমাণে মামলার অভিযোগ প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছি। আদালত ৪০৯ ধারায় তিন আসামিকে এক বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও পৃথক অঙ্কে মোট ১১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে প্রত্যেকের আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। একইভাবে ৪৭৭ ধারায় প্রত্যেককে ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সাজা দেওয়া হয়। অন্যদিকে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় প্রত্যেকের তিন মাস করে কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
চট্টগ্রামের ১৮ টি খাল সিডিএ কে বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী

