//আবুল হাসেম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি//
চট্টগ্রামের পটিয়ায় উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সোহেল (৩৫) নিহতের ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ এপ্রিল) তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে জানান পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার। আটককৃতরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ শরীফের পিতা মো. মুনছুর (৪৫) ও একই এলাকার নুরুল আবছারের পুত্র জনি (২৫)। এই হত্যার ঘটনায় নিহতের ভাই স্থানীয় কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামী করে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা বাজারে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত হন মোহাম্মদ সোহেল নামের এক যুবক। এসময় আহত হন মো. সাজ্জাদ (২০), সাদ্দাম হোসেন (৩০) ও জয়নাল আবেদীন (৩৪)। আহতরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহত সোহেল কেডিএস গ্রুপের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমানের ভাগ্নে এবং স্থানীয় কাশিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছোট ভাই।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদিকুর রহমান জানান, পটিয়া উপজেলার কাশিয়াইশ ইউনিয়নের বুধপুরা বাজারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সোহেল নামের একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য তিনজনকে ২৫নং সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। তারা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে। পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, বুধপুরা বাজারে সোহেল হত্যাকা-ের ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পাশাপাশি মূল আসামি শরীফকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
বাগেরহাটের কচুয়ায় গৃহ প্রদাণের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং

