//দৈনিক বিশ্ব //
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ন্যাটো সৈন্য আসছে ইউক্রেনেকে সহায়তা করার জন্য।
ন্যাটোর সৈন্যরা ইউক্রেনে আসা রাশিয়ান সেনাদের উপড় হামলা করবে, রাশিয়ার উপড় নয় , অন্যদিকে রাশিয়া নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যে হামলাগুলো করবে তা করবে ইউক্রেনের উপড় তথা ইউক্রেনের সাধারণ জনগনের উপড়— তাহলে ন্যাটো কাদের সাহায্য করবে আর কাদের মারবে বোধগম্য হলোনা…..! যুদ্ধে সহায়তা করা মানে যুদ্ধ বাড়ানো- যুদ্ধ বন্ধ করা নয় । জেলেনেস্কিকে যেভাবে যুদ্ধ করার আস্কারা দেওয়া হচ্ছে তাতে তার মাথায় শান্তি আলোচনা ভাবার সময় নাই।
আর একটা বিষয় হলো ইউক্রেন এখনো ন্যাটো ভুক্ত দেশ নয় তবে সহযোগী দেশ হিসেবে ন্যাটো মেনে নিয়েছে।
ইউক্রেনের যত মানুষ দেশ ছেড়েছে তারা কোদিন ইউক্রেনে ফিরবে…? ফিরলেও কি পাবে তারা? তাদের সব তো পুড়ে ছাড়খাড় হয়েগেছে। মিলিয়ন মিলিয়ন ইউক্রেনীয় বিভিন্ন দেশে রিফিউজি / উদ্বাস্ত হয়ে অসহায়ের মত জীবন যাপন করতে হবে।
রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য কতজন কিকি পদক্ষেপ নিয়েছে…? আর ইউক্রেনকে যুদ্ধ জিততে(যুদ্ধ চলমান রাখতে) কতজন কিকি পদক্ষেপ নিয়েছে…? মানুষ যখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয় তখ তাকে বেশি মানুষের পরামর্শই ভালো মনে হবে। জেলেনেস্কি অনেক বুদ্ধিমান ও সাহসী, কিন্তু এই সংকটে কি সেগুলো সফল ভাবে ফলপ্রসূ করতে পারছে…?
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মূল কারণ কি এতটাই ইউক্রেন বিরোধী যা সহনশীলভাবে আলোচনায় এসে সমঝোতায় আসা যায়না! কত মানুষ মারা যাবে কেউ জানেনা, আসলে এই যুদ্ধের শেষ কবে কিভাবে হবে তাও কেউ জানেনা। এর থেকে বিদ্ধংশী অস্ত্র ব্যবহারের পরিবেশ যাতে না হয় সেদিকে সবার সজাগ থাকা উচিৎ।
রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ// পূর্ব ইউরোপে আরও ৪০হাজার সেনা মোতায়ন করবে ন্যাটো
ইজিয়ামের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন রুশ সেনারা

