১৯৩০ সালের এই দিনে তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন । শুভ জন্মদিন মাতা। জন্মদিনে বিনম্র শ্রদ্ধা। বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা রেনু। এক মহীয়সী নারীর প্রতিকৃতি।
তিনি ছিলেন স্বামী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসের উৎস। বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গমাতা ছিলেন একক এবং অভিন্ন সত্তা। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব বঙ্গবন্ধুর গোটা সংগ্রামী জীবনে সাহসী সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছেন। বঙ্গমাতাকে ছাড়া বঙ্গবন্ধু ছিলেন অসম্পূর্ণ।
বঙ্গমাতাকে পাশে পেয়েই বঙ্গবন্ধু পূর্ণতা পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রেরণা দানের পাশাপাশি এ দেশের সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফসল আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে এক অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলার ইতিহাসে জাতির সংগ্রামী নেতৃত্ব সৃষ্টিতে নীরবে-নেপথ্যে অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন বঙ্গমাতা।
স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে দীর্ঘ ২৪ বছরের লড়াই-সংগ্রামের প্রতিটি পদক্ষেপ ও কার্যক্রম বাস্তবায়নে জাতির পিতার নেপথ্যের শক্তি, সাহস ও বিচক্ষণ পরামর্শক হয়ে আছেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদত বরন করেন। হে আল্লাহ রহমানির রহিম আপনি মহিয়সী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে জান্নাতবাসী করুন। আমীন।
//শ্যামল বিশ্বাস, মোহাম্মদপুর, মাগুরা প্রতিনিধি//
বাঁশখালীতে টিকাদান উদ্বোধন করলেন মোস্তাফিজুর রহমান এমপি

