অভয়নগরে ধোপাদী মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে এম আব্দুল্লাহেল বাকীর স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

যশোর যশোরের অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে মাদ্রাসার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম এম আব্দুল্লাহেল বাকীর স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ ১৩ আগষ্ট (শুক্রবার) বাদ আছর মাদ্রাসার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত উক্ত স্মরণসভা ও অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বয়ান করেন মাছনা মাদ্রাসার মোহতামিম মাওঃ মুফতি ইয়াহ্ইয়া দাঃ বাঃ।

সভাপতিত্ব করেন অত্র মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব আঃ লতিফ মোল্যা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নওয়াপাড়া সার ও খাদ্য ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল হোসেন, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস, ধোপাদি ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুর রউফ মোল্যা, নওয়াপাড়া ইনন্সিটিউট সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক তালিম হোসেন, দৈনিক নওয়াপাড়া পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মফিজুর রহমান, রোটারিয়ান শাহ মুকিত জিলানী, মাদ্রাসার জয়েন্ট সম্পাদক রবিউল ইসলাম লুলু, রেজাউল মোল্যা, মরহুম এম আব্দুল্লাহেল বাকীর ছোট ভাই কামরুল ইসলাম মোল্যা, সমাজ সেবক মনিরুল ইসলাম, ফারুক কবিরাজ, নজরুল সরদার, উপজেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওঃ গোলাম মাওলা, ধোপাদী নুর মোহাম্মাদ মাদ্রাসার ক্বারী মোজাফফার সরদার, নুরানী মাদ্রাসার মোহতামিম আব্দুর রব, অত্র মাদ্রাসার মোহতামিম মাওঃ দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাছনা মাদ্রাসার মোহতামিম মাওঃ মুফতি ইয়াহ্ইয়া দাঃ বাঃ ।

যশোরে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪সদস্য গ্রেফতার

 

খুলনার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতদের দৌরাত্ম দেখা যায়।তারা বিভিন্ন সময় ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে ফাঁকা জায়গায় গাড়ি অবরোধ করে ডাকাতি করে। ঠিক একইভাবে গতকাল ভোরে গাড়ির ডাইভার ইকবাল হোসেন এবং সঙ্গীয় যাত্রীকে নিয়ে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে রূপসা ফেরিঘাট হয়ে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার গুটুদিয়া নামক স্থানে আসলে ডাকাত দলের সদস্যরা ১ টি মাইক্রোবাস ও ১ টি প্রাইভেটকার দিয়ে গতিরোধ করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়ির ড্রাইভার ও যাত্রীকে আটক করে এবং চোখ- হাত- পা বেঁধে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার সাইটখালী এলাকায় ফেলে চলে যায়।

স্থানীয় জনগণ তাদের উদ্ধার করে সার্বিক বিষয় জানতে পেরে বাঘারপাড়া থানায় অবহিত করলে এলাকার লোকজনের সার্বিক প্রচেষ্টায় সকাল ১০ টায় সুকদেব নগর এলাকা থেকে লুন্ঠিত মাইক্রোবাস ও গাড়িতে থাকা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মালামালসহ ১। মিজানুর রহমান(৪০), পিতা-মৃত মুক্তার হোসেন, গ্রাম-নয়নপুর, থানা-নড়াগাতি, জেলা-নড়াইল, ২। জাহাঙ্গীর হোসেন(৩০), পিতা-মোঃ জমাত আলী, গ্রাম-মাছখোলা, থানা ও জেলা-সাতক্ষীরা, ৩। দেলোয়ার হোসেন(৫২), পিতা-নাজির উদ্দিন শেখ, গ্রাম- সেতাই, থানা- শার্শা, জেলা, যশোর ও ৪। মোঃ কামরুজ্জামান(৩৫), পিতা-নুরুল ইসলাম, গ্রাম -সেতাই, থানা-শার্শা, জেলা-যশোরকে গ্রেফতার করেন। উল্লেখিত বিষয়ে মাইক্রোবাসের চালক ইকবাল হোসেন বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর ও স্পর্শকাতর হওয়ায় যশোর জেলার গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষ টীম তদন্তে নেমে ধৃত আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী খুলনা মেট্রোপলিটনের খালিশপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত ১ টি প্রাইভেটকার, ২ টি চাকু,লুন্ঠিত নগর ২০ হাজার টাকা ও ২ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন, ধৃত ও পলাতক আসামিগণ একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য।আরো জানতে পারেন আসামিরা গাড়িতে স্বর্ণ আছে এই খবরের আলোকে বাদী ও অন্য একজনকে আটক করেন।বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় তদন্ত অব্যাহত আছে।

//স্বীকৃতি বিশ্বাস, নিজস্ব প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

খুলনায় হিন্দু পরিবারের উপর হামলা মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

 

খুলনায় হিন্দু পরিবারের উপর হামলা মন্দির ভাংচুরের প্রতিবাদে রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

মাহাবুব আলম, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি।।

খুলনার রুপসা উপজেলায় শিয়ালী গ্রামে অর্ধ শতাধিক হিন্দু পরিবারের উপর হামলা মন্দির প্রতিমা দোকানপাট ও বসতবাড়িতে ভাংচুর লুটপাট, সাভারে অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র মন্ডলের নৃশংস হত্যার প্রতিবাদ এবং সরকারি বাজেট ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবিতে ঠাকুরগাওয়ের রাণীশংকৈলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(১৩ আগষ্ট শুক্রবার) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ হিন্দু সেচ্ছাসেবক মহাজোট যুব মহাজোটের উপজেলা শাখার আয়োজনে পৌর শহরের চৌরাস্তা মোড়ে এটি ঘন্টা ব্যাপি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক,হিন্দু মহাজোটের আহবায়ক দ্বিজেন চন্দ্র রায়,সদস্য সচিব নির্মল চন্দ্র রায়,সদস্য অভিশেখ চন্দ্র রায়, ও ৩ নং হোসেনগাঁও ইউনিয়নের সভাপতি তমুল্ল প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পূজা উদযাপন কমিটির বিভিন্ন ইউনিয়ন ওয়ার্ডে সভাপতি সম্পাদক এবং হিন্দু মহাজোটের সভাপতি-সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে থাকা নেতাকর্মীবৃন্দ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।

হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বরিশালে হিন্দু যুব মহাজোটের মানববন্ধন

// পলাশ চন্দ্র দাস :বরিশাল//
খুলনার রুপসা উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামে অর্ধশত হিন্দু পরিবারের উপর হামলা চালিয়ে মন্দির, প্রতিমা এবং ব্যবসা-পতিষ্ঠান ভাঙচুরের প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট এবং বিভিন্ন সংগঠন।
আজ (১৩ই আগস্ট) শুক্রবার সকাল ১০টায় নগরীর সদর রোডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোটের সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ এর সভাপতিত্বে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশে ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতেই মৌলবাদী স্বাধীনতা বিরোধী চক্র এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ধরণের হামলা ও নির্যাতন চালিয়ে অস্তিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করে এ দেশ থেকে হিন্দু শূণ্য করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এদের কঠোর হাতে দমন করতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু যুব মহাজোট, শ্রী শ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু স্বেচ্ছাসেবক মহাজোটের নেতা-কর্মীরা অংশ নেয়।

“প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান”

 //আব্দুল জব্বার, চট্রগ্রাম প্রতিনিধি//

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০২১ এ প্রধান শিক্ষক পদ থেকে উপরের পদগুলোতে পদোন্নতি ও চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের স্থায়ী পদোন্নতি প্রদানের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে মহাপরিচালক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সচিব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর বৃহাস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা অফিসার, বাঁশখালী এর মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক শংকর প্রসাদ দাশ এর নেতৃত্বে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম মহোদয়কে স্মারকলিপি প্রদান কালীন উপস্থিত ছিলেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সৈয়দ আবু সুফিয়ান ও আবু বকর মোহাম্মদ ছিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনিস মহিউদ্দিন এবং অশোক কুমার দাশ, রিটন দেব, সন্জীব কুমার দে, মোঃ শফিউল আলম, সীমা মল্লিক, মাখন কান্তি সিকদার, মোঃ হারুনুর রশিদ চৌধুরী, অন্জন কুমার বড়ুয়া, আবুল বশর জিহাদি, দীপক কুমার দাশ প্রমুখ।

 

গজারিয়ার মনাইরকান্দি গ্রামে কৃষকের বাড়ীতে ডাকাতি

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের মনাইরকান্দি উত্তর পাড়া আকন্দ বাড়ী সংলগ্ন কৃষক ইসহাক মিয়ার বাড়ীতে আজ ১২ আগস্ট রাত তিন ঘটিকার সময় সংঘবদ্ধ দশ বার জনের একটি ডাকাত দল সাঁড়াশি কর্মকান্ড লুটপাট চালায়।

ভোক্তভোগি কৃষক ইহসাক মিয়া (৫৬) বলেন গভীর রাতে হঠাৎ করে ডাকাতের দল আমাদের ঘাটে কাঠের তৈরি বিশেষায়িত নৌ-যান ভীড়ায় তারপর তাদের একটি দল আমাদের ঘরে কেঁচি গেটের তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে। ভোক্তভোগি ইসহাক মিয়ার ছেলে শামীম (১৮) বলেন হঠাৎ ডাকাত দলের সাঁড়াশি অভিযানে ভড়কে যাই। তারা গলায় দেশীয় অস্ত্র ধরে ধরে ঘরে থাকা মালামাল লুটপাত করতে থাকে আমাদের চারটি এনড্রয়েড ফোন ও বিভিন্ন দামী আসবাব নিয়ে যায়। ভোক্তভোগি ইসহাক মিয়ার ছেলের বউ গৃহবধু আকলিমা (২২) বলেন ডাকাতের দল কেঁচি গেট ভেঙ্গে আমার ঘরে অভিনব কায়দায় আমাদের ঘরে ঢুকে পড়ে যেখান থেকে তারা আমার ননদ, শাশুড়ি ও আমার কানে গলায় থাকা প্রায় পাঁচ ভড়ি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়।

প্রতিবেশি শুভ মিয়া বলেন গভীর রাতে তাদের ঘরে হৈ চৈ শব্দ শুনি পরে তাদের সহযোগিতায় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে ডাকাতের দল আমাদের সদর দরজায় শাবল দিয়ে ভেঙ্গে ঘরে ঢুকার চেষ্টা চালায় পরে লোকজন এসে গেলে তারা পালিয়ে যায়। আরেক প্রতিবেশে সুরুজ মিয়া (৬০) বলেন বিগত চার বছরে দুইবার আমি নিজেই ডাকাতির স্বীকার হই এবং গতরাতে ডাকাতি হওয়া ইসহাক মিয়া বাড়ীতেও ইতিপূর্বে ডাকাতি হয়েছিল।

এই এলাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রায়ই ডাকাতি হয়। সচেতন এলাকাবাসী কাউসার আকন্দ বলেন মেঘনা ও গোমতি নদী সংযোগ অববাহিকায় অবস্থিত অপরূপ নৈঃস্বর্গিক পরিবেশে শান্ত একটি গ্রাম মনাইরকান্দি। এই গ্রামটি নদী বেষ্টিত হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বেড়ে গেলে এলাকায় বেড়ে যায় ডাকাতের উৎপাত। প্রতি বছরই গ্রাম পাহারায় আমরা স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী দের নিয়ে গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে এই বছর এই যাত্রা শুরু করার পূর্বেই ঘটে গেলো আরোও একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ডাকাতির ঘটনা।

এই বিষয় নিয়ে আমরা এলাকাবাসী উৎকন্ঠিত। এই এলাকায় ডাকাতি রোধে ও জন নিরাপত্তায় স্থানীয় এলাকাবাসীর পাশাপাশি প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও তদারকি কাম্য।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

Daily World

বরিশাল নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৩০০০ ইয়াবা সহ আটক ২

বরিশাল নগরীতে পুলিশের অভিযানে ৩০০০ ইয়াবা সহ আটক ২

 

গত কাল বুধবার (১১আগস্ট) রাতে বরিশাল নগরীর কাউনিয়া হাউজিং এলাকা থেকে৩(তিন)হাজার পিস ইয়াবা সহ২(দুই)জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় এক সংবাদ সন্মেলনে বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের পক্ষথেকে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএমপি কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ ইব্রাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার( উত্তর) জাকির হোসেন এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রুনা লায়লার দিক নির্দেশনায় কাউনিয়া থানা পুলিশএ অভিযান পরিচালনা করে ২(দুই) জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন।

শেরে বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে লক্ষীপুর সদর থানার নাছির নগর গ্রামের তোফায়েল ফকিরের ছেলে মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফ ফকির (৪১) ও সন্দীপ থানার হরিসপুর গ্রামের মৃত বাবু মিয়ার পু্ত্র মাদক ব্যবসায়ী মামুনকে (৩৫)আটক করেন।এবং তাদের কাছ থেকে ৩(তিন) হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেন। এছাড়া মাদক কেনাবেচায় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা প্রায়ই বরিশাল নগরী সহ আশেপাশে এলাকায় মাদক এনে বিক্রি করত।মাদক ব্যবসায়ী ইউসুফের বিরুদ্ধে পুর্বেই ৫ টি মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানানো হয়। এ ঘটনায় আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নং ১২)। তারিখঃ ১২.০৮.২০২১।

//পলাশ চক্রবর্ত্তী, বিশেষ প্রতিবেদক বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জগন্নাথপুরে জনস্বাস্থ্য ও মুক্তিযোদ্ধা ভবন উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

 

জগন্নাথপুরে জনস্বাস্থ্য ও মুক্তিযোদ্ধা ভবন উদ্বোধন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

জগন্নাথপুর-দক্ষিন সুনামগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য, পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকার বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্থিতি সফলতার সহিত মোকাবিলা করে যাচ্ছে। আশা করছি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

তিনি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা হাওর এলাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যানে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা হাওর অঞ্চলের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড দেখে একটি মহল নানা অপপ্রচার শুরু করেছে।

উন্নয়নের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবেনা বরং উন্নয়নই ষড়যন্ত্রের পথকে রুদ্ধ করবে। তিনি অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে জনগনের প্রতি আহবান জানান।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও টেক্্রটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্হাপনের জন্য প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন কালে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। পরে দুপুর ২ টায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রচেষ্ঠায় নির্মিত ২ কোটি ১৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭৩ টাকা ব্যয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ও ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নতুন ভবনের উদ্ধোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী, সুনামগঞ্জ জনস্বাস্থ্য নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কাসেম, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদ্মাসন সিংহ, উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রব সরকার, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সিদ্দিক আহমেদ, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আকমল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রিজু, পৌর মেয়র আক্তার হোসেন প্রমুখ।

উদ্বোধন শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পরে নিজ এলাকা দক্ষিণ সুনামগঞ্জে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। মোঃ রনি মিয়া জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

//মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রামপাল উপজেলা প্রশাসনকে আমাদের গ্রাম ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ৫০ হাজার মাস্ক প্রদান

রামপাল উপজেলা প্রশাসনকে আমাদের গ্রাম ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ৫০ হাজার মাস্ক প্রদান

এএইচ নান্টু, বিশেষ প্রতিনিধি || 

রামপাল উপজেলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘আমাদের গ্রাম ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা’ প্রকল্প এর পক্ষ থেকে ৫০ হাজার মাস্ক প্রদান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধসহ রামপাল উপজেলায় শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ইউনিয়ন ভিত্তিক বিতরণের জন্য স্বাস্থ্যসেবীদের নিকট এ মাস্ক হস্তান্তর করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল এসব সামগ্রী গ্রহণ করেন। ‘আমাদের গ্রাম’ এর যুগ্ম পরিচালক কাকলী রাণী হালদার, কর্মসূচি সংগঠক শেখ সাদী, সুমিত মণ্ডল, আলামিন শেখ, সাদিয়া ইসলাম, সাধন ভাণ্ডারী, খাদিজা খাতুন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচী সংগঠক শেখ সাদী জানান, এ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৯০ টি ওয়ার্ডের ১৩৬ টি গ্রামের ৪৫ হাজার পরিবারের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে প্রথম চালানে ৫০ হাজার মাস্ক প্রদান করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ‘আমাদের গ্রাম ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা’ প্রকল্পের মাধ্যমে আরও প্রায় ৮৫ হাজার মাস্ক প্রদান করা হবে।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি

বিলুপ্তির পথে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি

 

একসময় আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাহন হিসেবে ঘোড়ার গাড়ির প্রচলন ছিল। গ্রামবাংলায় ঘোড়ার গাড়িই ছিল যোগাযোগের একমাত্র বাহন। কালের পরিক্রমায় আধুনিকতার স্পর্শে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি এখন শুধুই অতীতের স্মৃতি। গ্রামগঞ্জের আঁকাবাঁকা মেঠো পথে ধীরে ধীরে বয়ে চলা ঘোড়ার গাড়ি এখন আর চোখে পড়ে না।

মাত্র দুই যুগ আগেও পণ্য পরিবহন ছাড়াও বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কনে বহনের বিকল্প কোনও বাহন কল্পনাই করা যেত না। যেসব পরিবারে ঘোড়ার গাড়ি ছিল, তাদের কদর ছিল আলাদা। কৃষকরা আগে ঘোড়ার গাড়ি এবং গরুর গাড়িতে গোবর, সার, লাঙল-মই-জোয়াল নিয়ে মাঠে যেত। প্রাচীনকাল থেকে দেশের গ্রামীণ জনপদে যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে গরুর গাড়ির ছিল বহুল প্রচলন।

পায়ে চলার পথে মানুষ ঘোড়ার গাড়িকে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করতেন। আগে বিভিন্ন উৎসব-পার্বণেও এটি ছিল অপরিহার্য। অনেকেরই এই গাড়ি ছিল উপার্জনের অবলম্বন। গ্রামের বউ-ঝিরা নাইওর যেত ঘোড়ার গাড়িতে।

সময়ের বিবর্তনে আজ ঘোড়ার গাড়ির চালক (গাড়িয়াল) না থাকায়, হারিয়ে যাচ্ছে চিরচেনা গাড়িয়াল ভাইয়ের কণ্ঠে সেই অমৃত মধুর সুরের গান। লম্বা পথ পাড়ি দিতে গিয়ে আনন্দে গাড়িয়ালরা গাইতো– ‘ও কি গাড়িয়াল ভাই, কত রব আমি পন্থের দিকে চাইয়া রে…।’ এখন ‘চাইয়া’ থাকলেও ঘোড়ার গাড়ি আর গরুর গাড়ি চোখে পড়ে না। আর গানও গায় না গাড়িয়ালরা।

পাইকড়া ইউনিয়নের বলিখন্ড গ্রামের বিষ্টি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় গরুর গাড়ির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। ১৫-২০ বছর আগে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই একটি করে গরুর গাড়ি ছিল। অনেক বিত্তবান পরিবারে ২-৪টি পর্যন্ত গরুর গাড়ি ছিল। গরুর গাড়ির আয়ের ওপর নির্ভর করেই চলতো ওইসব পরিবার। কিন্তু এখন বাস, মাইক্রোবাস, ভটভটি, নছিমনের, পিকিআপ, ভ্যানগাড়ি, অটো আগমনসহ নানা কারণে ঘোড়ার গাড়ি এবং গরুর গাড়ি হারিয়ে গেছে।’

সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলীয়া গ্রামের প্রবীণ ঘোড়ার গাড়ি চালক, আজগর আলীর দেখা মিলে বৃহস্পতিবার (১২আগষ্ট) সকালে কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের হাসড়া গ্রামে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে। তার কাছে জানতে চাইলে আপনি কোথায় গিয়েছিলেন তিনি বলেন, কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের সিংহটিয়া গ্রামে আমার শশুর বাড়িতে গিয়েছিলাম, আমি যখন শশুর বাড়ি আসি তখন আমার নিজ্বস ঘোড়ার গাড়িতে আমার বউকে সাথে নিয়ে আসি।

প্রবীণ আজগর আলী বলেন, ‘এখন যেমন আমরা নিজেদের ব্যবহারের জন্য প্রাইভেটকার বা মাইক্রো কিনি, আগে ঠিক তেমনি গ্রামের লোকজন ঘোড়ার গাড়ি ও গরুর গাড়ি তৈরি করে বাড়িতে রাখতেন। আপদ-বিপদে তা তারা বাহন হিসেবে ব্যবহার করতেন।’

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাহমুদ নগর ইউনিয়নের ইন্দ গ্রামের শহিদ মিয়ার সাথে হঠাৎ দেখা মিলে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের বালিয়াটা এলাকায় তিনি জানান, ঐতিহ্যেকে ধরে রাখতে আমি ঘোড়ার গাড়ি ভাড়ায় চালানোর জন্য টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ইন্দারজানি হাট থেকে একটি ঘোড়া সহ ঘোড়ার গাড়ি ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে ক্রয় করে নিয়ে যাওয়ার পথে। সে বলেন শহরে মালামাল বহন করার জন্যে অন্যান্য গাড়ির চাইতে ঘোড়ার গাড়িতে কম দামে মানুষ মালামাল বহন করতে পারবে।

কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের হাসড়া গ্রামের ঘোড়ার গাড়িয়াল রাইজউদ্দিন বলেন,‘আজ থেকে ১৫ – ১৬ বছর আগে আমি ৫ জনের পরিবার চালাতাম ঘোড়ার গাড়ি ভাড়ায় খাটিয়ে। কিন্তু এখন তো কোথাও ঘোড়ার গাড়ির দেখা পাওয়া যায় না।’

কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়াড এর ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ সিকদার বলেন, নতুন প্রজন্মকে ঘোড়ার গাড়ির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে গেলে আমাদেরকে এখন জাদুঘরে যেতে হবে।

আধুনিকতার দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি। সেই সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে গাড়িয়াল পেশাও। যা ছিল একসময় বংশপরম্পরা পেশা। সময় অতিবাহিত হবার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের ধারক-বাহক অনেক বাহনেরই আমূল পরিবর্তন-আধুনিকায়ন হয়েছে।

আজ শহরের ছেলেমেয়ে দূরে থাক, গ্রামের ছেলেমেয়েরাও ঘোড়ার গাড়ি বা গরুর গাড়ির সঙ্গে খুব একটা পরিচিত না। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রকৃতিবান্ধব ঘোড়ার গাড়ি বহুবিধ কারণে বর্তমানে হারিয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও কালেভদ্রে দু-একটি ঘোড়ার ও গরুর গাড়ির দেখা মিললেও বর্তমানে তা খুব কম দেখা যাচ্ছে। ঐতিহ্যের স্বার্থেই এ বিষয়ে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

।।মোঃ আল-আমিন শেখ টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব

যশোরে আবারও আশঙ্কাজনকভাবে করোনায় মৃত্যু বৃদ্ধি