বাঁশখালীতে ছনুয়ায় ১৭৮১ পরিবারে ঈদুল আযহার চাল বিতরণ

 

বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হচ্ছে ।

বাঁশখালীর ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ২৯,০৯৩টি কার্ডের বিপরীতে ২৯০.৯৩ মে.ট. চাল (পরিবার প্রতি ১০কেজি) ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৪ টি ইউনিয়নে ৪৫৬৯টি পরিবারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা (পরিবার প্রতি ১০০০) করে প্রদান করা হচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে অতি দরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ এর চাল বিতরণ কার্যক্রম বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্টিত হয়। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ট্যাগ অফিসার উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা এম. শহীদ উল্লাহ সিকদার, ইউপি সচিব অরুন জয় ধর, সহ সকল ইউপি সদস্য ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা প্রমুখ।

ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায়চাউল বিতরণকালে চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ বলেন, ‘বর্তমান সরকার গরীব অসহায় লোকজনদের বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ছনুয়া ইউনিয়নে করোনা সহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থও অসহায় ১৭৮১ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাউল বিতরণ করা হচ্ছে।’ বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় বাঁশখালীতেও প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ভিজিএফ চাউল ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

এ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার পৌরসভা ও ১৪ টি ইউনিয়নে ২৯,০৯৩টি কার্ডের বিপরীতে ২৯০.৯৩ মে.ট. চাল (পরিবার প্রতি ১০কেজি) ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৪ টি ইউনিয়নে ৪৫৬৯টি পরিবারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকা (পরিবার প্রতি ১০০০) করে প্রদান করা হবে।

এদিকে একইভাবে সরল ইউনিয়ন,পৌরসভা, পুঁইছড়ি ইউনিয়ন, শেখেরখীল ইউনিয়ন. চাম্বল ইউনিয়ন, গন্ডামারা ইউনিয়ন, শীলকুপ ইউনিয়ন, বৈঁলছড়ি ইউনিয়ন, কাথরিয়া ইউনিয়ন, কালীপুর ইউনিয়ন, বাহারছড়া ইউনিয়ন,সাধনপুর ইউনিয়ন, খানখানাবাদ ইউনিয়ন,পুকুরিয়া ইউনিয়নে এ সহায়তা প্রদান করা হবে।

।। চট্রগ্রাম প্রতিনিধি।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদে গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) অর্থ বিতরন

 

সুন্দর একটি ফুলের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন… 

ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদে গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) অর্থ বিতরন

মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় ইমামপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক ত্রান সহায়তায় গভার্নমেন্ট রিলিফ (জি.আর) প্রকল্পের আওতায় ইউনিয়নটির সরকারি তালিকাভুক্ত মোট ৩৫৪ জন অসহায় ও দুস্থ ব্যাক্তির মাঝে পাঁচশত টাকা করে নগদ অর্থ বিতরন করা হয়।

আজ ১৫ জুলাই দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায় ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদ ৩৩নং সঃ প্রাঃ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। ইউ.পি. সদস্য মো. সেলিম মেম্বার বলেন ইমামপুর ইউ.পি সুযোগ্য চেয়ারম্যান মনসুর আহৃমদ খাঁন জিন্নাহ্’র সরাসরি তত্বাবধায়নে ইউ.পি সচিব হযরত আলী, ইউ.পি সদস্য মান্নান মেম্বার ও শাহ্ আলম মেম্বারের উপস্থিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবিক সহয়তা (জি.আর) প্রকৃত শ্রেনীর মধ্যেই বাস্তবায়ন হচ্ছে। সরকারি সহায়তায় উপকার ভোগি রহিমা বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে জানাই ঈদ মোবারক, আমার পরিবারে দুই জন সদস্য সরকারের দুইটি আলাদা সুবিধা পেয়েছি।আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

//সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

টাঙ্গাইলে নাগরপুরে টুং টাং শব্দে মুখরিত কামারের দোকানগুলো

টাঙ্গাইলে নাগরপুরে টুং টাং শব্দে মুখরিত কামারের দোকানগুলো

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে টুং টাং শব্দেই যেন জানান দিচ্ছে আর কয়েকদিন পরেই ঈদুল আজহা। কোরবানির পশু জবাই ও মাংস সাইজ করতে ছুরি, চাপাতি, দা-বটি অত্যাবশ্যকীয়। সেগুলো সংগ্রহ ও প্রস্তুত করে রাখতে এখন সবাই ব্যস্ত। আর এর উপকরণ তৈরি ও শান বা লবণ-পানি দেয়ার কাজে প্রয়োজন কামারদের।

পশু কোরবানির দা, ছুরি ও চাপাতি সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে এখন থেকেই মানুষ কামারের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। আবার দেখা যায় কেউ কেউ পুরানো সরঞ্জাম মেরামত অথবা শান দিয়ে নিচ্ছেন। প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প।

পাশাপাশি কয়লা আর কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমেছে বলেও জানান কর্মকাররা। বর্তমান আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে জমে উঠে এ শিল্প। শান দেয়া নতুন দা-বটি, ছুরি ও চাকু সাজিয়ে রাখা হয়েছে দোকানের সামনে। দোকানের জ্বলন্ত আগুনের তাপে শরীর থেকে ঝরছে অবিরাম ঘাম। চোখেমুখে প্রচণ্ড ক্লান্তির ছাপ, তবুও থেমে নেই তারা। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত অবধি চলছে ব্যস্ততা।

উপজেলার নাগরপুর বাজারের হীরা কর্মকার ও কাউছার মিয়া বলেন, ‘এটা আমাদের পৈতৃক পেশা, আমি ৩৫ বছর যাবত এই কাজ করছি। প্রতি ঈদকে সামনে রেখে পাইকারী দোকানদার ও খুচরা ক্রেতাদের কাছে এই সময়ে আমাদের কদর বেশ ভালই থাকে। তবে এখন করোনার প্রভাবে অন্যান্য বছরের চেয়ে কাজের চাপ একটু কম হলেও দিন দিন কাজের চাহিদা বাড়ছে। আগে এই সময়টা থেকেই চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হত। এখন আর তা হতে হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, করোনার কারণে আমাদের অবস্থা একবারে খারাপ, দুইজন কর্মচারী দোকানে কাজ করে তাদের বেতন দিতে এখন আমি হিমশিম খাচ্ছি। সরকারিভাবে যদি কোন সহযোগীতা পাই তাহলে আমার অনেক উপকার হতো। তাছাড়া পরিবার চালানো আমার জন্য খুব উপকারে আসতো।’ উপজেলার নাগরপুর বাজারের মোঃ আক্তার জানান, বছরের অন্য দিনগুলোতে তেমন কাজ থাকে না। কিন্তু কোরবানির ঈদ এলে কাজের চাপ বেড়ে যায়।

দিনরাত কাজ করেও অবসর পাওয়া যায় না। করোনার আগে প্রতিদিন দোকানে ১ হাজার টাকা থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা আয় হতো। আর এখন ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা আয় করা কষ্টকর। দোকানে গড়ে ২ জন করে কর্মচারী রাখতে হয়। একজন কর্মচারীর দৈনিক মজুরী ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা দিয়ে কিছুই থাকে না উল্টো লোকসান হয়। সামনে কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কুরবানির পশু জবাই করার উপকরণ তৈরী ও বিক্রি করে কয়েকদিন আয় বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

এ পেশার মানুষ সারাবছর কমবেশি লোহার কাজ করলেও ঈদুল আজহা সামনে রেখে বৃদ্ধি পায় তাদের কর্ম ব্যস্ততা। ভোর থেকে শুরু করে রাত অবধি চলছে তাদের রকমারি কর্মযজ্ঞ। দা আকৃতি ও লোহাভেদে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, ছুরি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, চাকু প্রতিটি সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি প্রতিটি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পুরানো দা-বটি, ছুড়ি শান দিতে বা লবণ-পানি দিতে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 //নিজস্ব প্রতিবেদক//

মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজের প্রতিটি মানুষকে রক্ষা করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে যশোর জেলা পুলিশ। তাই করোনা সংক্রমণ রোধে লকডাউন বাস্তবায়নের সাথে সাথে মাদকের ভয়াবহতা রোধ কল্পে যশোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে যশোর জেলা পুলিশ। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ১৫ জুলাই -২০২১ রোজ বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশের একটি চৌকস টীম শার্শা থানাধীন সুবর্ণখালী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ হাসান ওরফে শুটার হাসান(২০), পিতা- বাবুল হোসেন, গ্রাম- বহিলাপোতা,থানা- শার্শা, জেলা- যশোরকে ৬ (ছয়) কেজি গাঁজা যার বাজারমূল্য ৩ লক্ষ টাকাসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত বিষয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

করোনার স্বাধীনতা।। ৮ দিনের জন্য করোনাকে সংক্রমনে স্বাধীনতা

করোনার স্বাধীনতা।।

করোনার উচ্চ সংক্রমণ হার ও দৈনিক দুই শতাধিক মৃত্যুর মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে এবং ২৩ জুলাই ভোর ছয়টা থেকে পুনরায় কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে। স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে জনজীবন।

এই প্রজ্ঞাপনকে দুষ্টু লোকেরা, ‘করোনা`র সাথে সংক্রমণ বিরতি চুক্তি’ বলে অভিহিত করছে। অর্থাৎ এই আটদিন মানুষ কোন বিধিনিষেধ এর আওতায় থাকবে না, করোনাও কোন সংক্রমণ করবে না।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এটা মানছেন সরকারও। সরকার মনে করছে যদি মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানে, যদি মাস্ক পরিধান না করে তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

বিষেশজ্ঞদের মতে, সবকিছু খুলে দেওয়ার ফলে করোনার উচ্চ সংক্রমণের মধ্যেই মানুষজন ঘর থেকে বের হবে, ঈদের কেনাকাটা করার জন্য শপিংমল, মার্কেট , কাঁচাবাজারে যাবে, কোরবানির পশু কেনার জন্য গরু হাটে যাবে, এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করবে ইত্যাদি নানা রকম প্রবণতা এবং মেলামেশাগুলো বাড়বে।

এর ফলে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের যে সামাজিক সংক্রমণ তা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনি পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রমণ ঠেকানোর একটি জনপ্রিয় ও কার্যকর ব্যবস্থা হচ্ছে মাস্ক ব্যবহার। ভাইরাস সংক্রমণ রোধে একটি দারুণ প্রতীকী ছবি হচ্ছে মাস্ক বা মুখোশ পরা কোন মানুষের মুখচ্ছবি। তবে হাত থেকে মুখে সংক্রমণ ঠেকাতে এই মাস্ক ব্যবহার করে সুফল পাওয়ার নজির আছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিধিনিষেধ থাকুক বা না থাকুক, করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বিকল্প নেই। করোনা সংক্রমণ রোধে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টির উপর জোর দেওয়া হচ্ছে তা হলো- অবশ্যই যেন মানুষ মাস্ক পরিধান করে। অপর একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, মাস্কই করোনার সংক্রমণ অর্ধেক কমাতে পারে। আর এজন্যই ঘর থেকে বের হতে মাস্ক পরিধান করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি খুলনা অঞ্চলের মানুষের মাঝে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আব্দুল আহাদ বলেছেন, গ্রামের মানুষজন মাস্ক পরে না, আবার স্বাস্থ্যবিধি মেনেও চলে না। যে কারণে অল্প সময়ের মধ্যে এই মানুষগুলো আক্রান্ত হয়ে গেছে`।

গত ৯ জুলাই (শুক্রবার) রাজধানীর একটি মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার পূর্বে বয়ানের সময় খতিব সাহেব করোনা সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। মাস্কবিহীন মসজিদে প্রবেশ করা যাবে না। নাক-মুখ ঢেকে যথাযথভাবে মাস্ক ব্যবহার করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। মসজিদে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার সময় ভীড় এড়িয়ে চলতে হবে ইত্যাদি।

কিন্তু কে শোনে কার কথা। মাস্কবিহীন প্রবেশকারী একজন মুসল্লীকে মাস্ক ব্যবহার করতে বলা হলে, তিনি তেড়ে উঠেন। মিম্বর থেকে খতিব সাহেব অনুরোধ করা সত্ত্বেও কতিপয় মুসল্লী যথাযথভাবে মাস্ক পরিধান করলেন না।

গত ৮ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কর্তৃক দুস্থদের মাঝে খাবার ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন- ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক না পরলে ফেরেশতারা এসে করোনা থেকে বাঁচাবে না।’

পবিত্র কোরআনের সূরা আনফাল এর ২৫ নং আয়াতে বর্নিত আছে, “তোমরা এমন ফেতনা-ফ্যাসাদ থেকে নিজেদের রক্ষা করো, যার অশুভ পরিনতি শুধু জালেমদের উপরই পড়বে না (তোমাদের উপরও পড়বে)। আল্লাহ শাস্তিদানেও কঠিন”।

যেমন- বন্যায় মসজিদ ডুবে যায়, আগুনে ধর্ম গ্রন্থের পাতাও পুড়ে যায়, তদ্রুপ সুনামী, ভূমিকম্প, মহামারী ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিরপরাধ মানুষও মারা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,”যদি তোমরা শোন যে কোন এলাকায় মহামারী চলছে তবে সেখানে প্রবেশ করবে না। তোমরা যেখানে আছো সেখানে মহামারী দেখা দেয় তাহলে সেখান থেকে বের হবে না” (সহীহ আল বুখারী, হাদিস নং ৫২২৮: মুসনাদে আহমদ, হাদিস নং ২১৮১১)।

অর্থাৎ মহামারী কালে বিনা প্রয়োজনে সংক্রমিত এলাকায় যাওয়া বারণ, বাড়ির বাহিরে না যাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। অর্থ্যাৎ লকডাউনের মত বিধান রাখা হয়েছে।

উল্লিখিত বর্ননাসমূহে প্রতিয়মান হচ্ছে যে, চলমান মহামারীকালে করোনা সংক্রমণ রোধে আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শ রোধ ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই ঘরের বাইরে যেতে যথাযথভাবে মাস্ক ব্যবহার করা খুবই জরুরি।

খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বিধায় করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ঢাকা মহানগরে ট্রাফিকের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বিধিনিষেধ না মানার প্রবনতা রয়েছে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে যথেষ্ট পরিশ্রম করছেন। কিন্তু রাস্তায় গণপরিবহন ছাড়া সকল প্রকার যানবাহন চলাচল ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

একদিকে মসজিদে খতিব সাহেব বয়ান করা সত্ত্বেও মাস্ক পরিধানে অনিহা, অন্যদিকে- উপায়ান্তর না দেখে পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক না পরলে ফেরেশতারা এসে করোনা থেকে বাঁচাবে না’। এগুলো আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়।

বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি নির্দেশে বাঙালি জাতি অসহযোগ আন্দোলন ও স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরে ৩০ লক্ষ মানুষ শাহাদাতবরণ করেছিল। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন করে গণতন্ত্রের বিজয় এনেছিল। অথচ করোনা সংক্রমণ রোধে সরকারের ঘোষিত বিধিনিষেধ পালনে সেই বাঙালি জাতির অনিহা কেন? ।

সরকারের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনগুলির বিধিনিষেধের মধ্যে ছিল/রয়েছে অসামঞ্জস্যতা। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধ এর আওতায় কাঁচাবাজার, খাবারের দোকান, ব্যাংক, কলকারখানা, সচিবালয়ে, অফিসপাড়াসহ সবই খোলা রয়েছে।

কাঁচাবাজার খোলা রয়েছে, গনপরিবহন বন্ধ, নরসিংদীর একজন তরকারি চাষী দুই ঝুড়ি কাকরোল ঢাকার বাজারে বিক্রি করবে। আসবে কিভাবে? বগুড়ার কলা চাষী নিজ ক্ষেতে উৎপাদিত কলা নিয়ে বাজারে/ঢাকায় আসবে কিভাবে? বাধ্য হয়ে উৎপাদিত পণ্য কমমূল্যে বিক্রয় করবে। হয়তো উৎপাদন খরচই পাবে না। ব্যাংক, কলকারখানা, সচিবালয়ে, অফিসপাড়ার চাকুরীজীবী অফিসে যাবেন কিভাবে? গ্রাহক ব্যাংকে যাবে কিভাবে? যাদের নিজস্ব গাড়ি আছে তাদের কোন সমস্যা হবে না। বাকিরা? শতকরা কতভাগ লোকের নিজস্ব গাড়ি আছে?

কতভাগ লোক গণপরিবহনে অফিসে আসেন? বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি ছিল। গার্মেন্টস ও কলকারখানার শ্রমিকদের জন্য কোন পরিবহনের ব্যবস্থা আছে? তবে পরিবহন বন্ধ রেখে কিসের ভিত্তিতে কলকারখানা খোলা রাখা হয়েছে? দায়িত্ববোধ বা চাকুরী রক্ষা, বা জীবিকার তাগিদে, বা যে কারণেই হোক, কর্মজীবী বা শ্রমজীবী মানুষেরা কর্মস্থলে যাবে কিভাবে?

এরই মাঝে রাস্তায় হাঁটার সময় হঠাৎ কানে এলো, আজ বাড়ি ফিরমু কি নিয়া‘। মুখ ঘুরিয়ে দেখলাম একজন রিকশাচালক বিড়বিড় করছে। জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কি হয়েছে‘? উত্তরে সে বললো, ‘স্যার বেলা বারোটা বাজে। মাত্র আশি টাকার খ্যাপ মারছি। বাজার টাহা পামু কৈ? পোলাপানের খাওয়ামু কি‘? দিনমজুর, রিকশাচালক, ফেরিওয়ালাসহ নিম্নআয়ের মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় মিটবে কিভাবে? আর সে কারণেই বিধিনিষেধ ভাঙ্গতে বাধ্য হচ্ছে মানুষ।

কোভিড-১৯ এর বিস্তাররোধ এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র বিধিনিষেধ আরোপ করেই সম্ভব নয়। জীবন-জীবিকা দুটোই বিবেচনায় রেখে প্রথমজ্ঞাপন জারি করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করতে হবে। সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষকে সুস্থ রাখতে সরকারী দলের তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিটি সদস্যের নিরলস কাজ করা প্রয়োজন।

প্রতিবেশী দেশ ভারত করোনা সংক্রমণে নাস্তানাবুদ অবস্থা থেকে শুধুমাত্র কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের মাধ্যমে করোনা সংক্রমণ অনেকটা নিয়ন্ত্রনের মধ্যে নিয়ে এসেছে। কলকাতার একটি মার্কেটে মাস্ক পরিধানে কঠোরতার ভিডিও ফুটেজটি ভাইরাল হয়েছিল। কলকাতার পুলিশ শপিং মল, রাজপথ, যেকোন স্থানে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে লাঠিচার্জ, জরিমানা, গ্রেফতারের মত কঠোর কার্যক্রম পরিচালনা করেছিল।

বাংলাদেশেও একইভাবে মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী সহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী সকল বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব দিতে হবে। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে আমাদের সকলকে আরও সহযোগিতা করা খুবই জরুরি।

মসজিদে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে মসজিদ পরিচালনা কমিটির প্রতি কঠোর নির্দেশ জারি করতে হবে। সরকারী-বেসরকারী অফিস, ব্যাংক, কলকারখানা, শপিংমল কাঁচাবাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব স্ব কর্তপক্ষ যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে। তবেই করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে আসবে।

রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক(আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের স্থায়ীত্ব নির্ভর করছে আমাদের প্রত্যেকের আচরণের ওপর। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়া, প্রয়োজনে বাইরে বেরুতে হলে হলে অবশ্যই মাস্ক পরিধান করা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ইত্যাদি। করোনার এই মহাদুর্যোগে সকলেই সরকারকে সহযোগিতা না করলে সুফল পাওয়া যাবে না।

লেখক: ড. মোঃ আওলাদ হোসেন।

ভেটেরিনারীয়ান, পরিবেশবিজ্ঞানী, রাজনৈতিক কর্মী।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।।

//অনলাইন ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

লকডাউন শিথিল। ৮ দিনের জন্য।। ২৩ জুলাই থেকে ফের লকডাউন

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা করোনা পরিস্থিতি কমে গেলেই স্বশরীরে নেবার সিদ্ধান্ত।  করোনা মহামারি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।  আর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।  তবে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে পূর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নেহাল আহমেদসহ অন্যান্য বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ।। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কোভিড-১৯

 

১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ।। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কোভিড-১৯

 

বর্তমানে চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

লকডাউন শিথিল করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এ কমিটি। পাশাপাশি কুরবানি পশুর হাট বন্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় কমিটির সভায় এসব সুপারিশ করা হয়। তবে বুধবার রাত ১১টার দিকে গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে গৃহীত সুপারিশের বিষয়ে জানানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার চলমান লকডাউন শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সেই হিসাবে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে। চলবে গণপরিবহণ। ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবার কঠোর লকডাউন শুরু হবে।

জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভায় বলা হয়, সারাদেশে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এমতাবস্থায় লকডাউন শিথিল করার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি চলমান কঠোর লকডাউন আরও ১৪ দিন বাড়ানোর সুপারিশ করে।

লকডাউনের অংশ হিসেবে কমিটি কোরবানির হাট বন্ধ রাখার প্রস্তাব করে। প্রয়োজনে ডিজিটাল হাট পরিচালনার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। তবে সরকার লকডাউন শিথিল করে সীমিত পরিসরে কুরবানির হাট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিলে, সেক্ষেত্রে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়।

সুপারিশগুলো সমূহ :

  • শহর এলাকায় কুরবানির পশুর হাট বসার অনুমতি না দেওয়া।
  • শারীরিক দূরত্ব এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে উন্মুক্ত স্থানে কুরবানির পশুর হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
  • বয়স্ক ব্যক্তি (৫০ বছর বা তার বেশি) এবং অন্য কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির কুরবানির হাটে না যাওয়া।
  • হাটে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য নির্দিষ্টভাবে আলাদা পথ রাখা।
  • বাজারে আসা সকলের জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা।
  • জনসাধারণকে ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে না গিয়ে, যে যেখানে আছেন সেখানে অবস্থান করার বিষয়ে উৎসাহিত করা।
  • জনসাধারণের অনলাইন কুরবানির হাটের সুবিধা গ্রহণে উৎসাহিত করা।
  • বাড়ির আঙিনায় কুরবানি না করে, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কুরবানির পশু জবাই করা।
  • ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত যেভাবে আয়োজন করা হয়েছিল, এবারও তেমনভাবে ঈদুল আজহার জামাত আয়োজন করা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

শেখ সোহেলের সুস্থতা কামনায় তেরখাদায় ইউনিয়ন আ’লীগের দোয়া

 

 

পদ্মা দ্বিতল সেতুর সড়ক পথে শুরু হলো পিচ ঢালাইয়ের কাজ

 

দ্রুত গতিতে চলমান পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের ধারাবাহিকতা এবার দ্বিতল সেতুর সড়ক পথে শুরু হলো পিচ ঢালাইয়ের (কার্পেটিং) কাজ। মঙ্গলবার সেতুর জাজিরা প্রান্তে ৪০ ও ৪১নং পিয়ারের স্প্যানের সড়ক পথে পিচ ঢালাই কাজ শুরু হয়।

নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দ্রুত এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ। সেতুর নির্মাণকাজ এখন এগোচ্ছে শেষের পথে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের। তিনি জানান, প্রথম দিনে সেতুর ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ মিটার প্রস্থ অংশের পিচ ঢালাই কাজ করা হয়েছে। সেতুর কাজ শেষের পথে এখন, সড়ক পথে পিচ ঢালাই কাজ শুরু হলো। পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হলেই গাড়ি চলতে পারবে।

এর আগে, গত ২০ জুন শেষ হয়েছিল সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ। এদিন সেতুতে বসে যায় ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব।

আর প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর অগ্রগতি ৯৪ ভাগ এবং প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮৭ ভাগ।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছে ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর। একই সঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে, রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ। গত ২০ জুন শেষ হয় রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

সেতুর মূল আকৃতি দোতলা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড।

কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। প্রায় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি আগামী বছরের জুনে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পরিদর্শনে অতি: জেলা প্রশাসক

 

 

জগন্নাথপুরে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

 //মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি//

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দ্বিথীয় মৃ্ত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ জুলাই বুধবার বাদ যোহর জগন্নাথপুর উপজেলা সদর জামে মসজিদে এ মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন ইকড়ছই সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক ও সদর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আজমল হোসাইন জামী। এ সময় উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান, সাবেক সভাপতি আবু সুফিয়ান মোঃ ঝুনু মিয়া, কমিটির সহ সভাপতি মোঃ দিলু মিয়া, জাতীয় পার্টির প্রবীন নেতা আতাউর রহমান আলতাব, উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া, জাপা নেতা ছোরাব আলী, বাদশা মিয়া, আরব আলী, সামছুল হক, আব্দুর রহমান ও যুব সংহতি নেতা মোঃ রনি মিয়া সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বাড়ি ঘর, ফসলি জমি, চোখ রাঙাচ্ছে মধুমতী নদী

// সুজন মাহমুদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি//

মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার পাশ দিয়ে বয়ে চলা মধুমতি নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে বেড়ে চলছে স্রোতের তীব্রতা,আর এই স্রোতের তীব্রতায় শুরু হয়েছে ব্যাপক হারে নদী ভাঙন।

এবছর চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বাড়ার সাথে সাথে প্রতিনিয়ত ভাঙ্গনের কবলে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি,গাছপালা,বাড়ীঘর। বসুর ধুলজুড়ী বারোয়াড়ী কালি মন্দির থেকে রুইজানী ননী বিশ্বাসের বাড়ী পর্যন্ত ব্যাপক নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই।নদী ভাঙ্গন রোধে এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে রক্ষা পেতে পারে নদী তীরবর্তী জীব বৈচিত্র্য ও গ্রামীন অবকাঠামো,স্বাভাবিক ভাবে বেচে থাকবে মানুষ। মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব রামানন্দ পাল স্যারের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি আমরা নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে যথাযথা ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।