রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

 

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিনে তদন্তে নেমেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক টিম। রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে  খুলনা জেলা প্রশাসক ।

এর অংশ হিসাবে শুক্রবার বিকালে জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার এর নেতৃত্বে রূপসা উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন একটি টিম।

এ প্রকল্পের পরিচালক বলেছেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঘর নির্মাণ কাজে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স রয়েছেন। সকল জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। আমরা মাঠে আছি তোমরাও মাঠে থাকো। যাতে কোন জায়গায় কোন ত্রুটি বিচ্যুতি না থাকে। কোথাও তা পাওয়া গেলে যেনো তা সংশোধন করা হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প, স্বপ্নের প্রকল্প। একটি গরিব লোক যিনি ঘর পাচ্ছে তারতো স্বপ্নের শুরুমাত্র। তাই এই কাজে কোন অবহেলা করা হবে না, অবহেলা সহ্যও করা হবে না।

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, আমাদের প্রকল্প অফিস থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া ছিলো এই মূহর্তে ঘর নির্মাণ করা যাবে এমন খাস জমি পেলে ঘর নির্মাণ করতে হবে। আমরা কাউকে বলিনি তোমরা নদীর পাড়ে, খালের পাড়ে, মাটি ভরাট করে এখনই করো। ত্রুটি বিচ্যুতি দু-একটি হয়ে থাকলে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এ কাজের (অনিয়মের) সাথে যারা জড়িত ছিলো তাদের ব্যাপরে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমাদের পর্যবেক্ষণের বাইরে কেউ নেই। সরকারি টাকা অপচয় হউক, জলে যাক তা আমরা চাইনি। স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতির পিতার আহ্বানে যেভাবে ঝাপিয়ে পরেছিলাম। এই ঘর নির্মাণের কাজ একইভাবে হচ্ছে। আমরা চাচ্ছি না কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হউক, এটি কাম্য নয়। আগামীতে হবে না।

রূপসায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা প্রশাসক

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইউসুপ আলী, উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম,উপজেলা প্রকৌশলী এস এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফ হোসেন প্রমুখ।

রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া তাছনিম জানান, প্রধানমন্ত্রীর মহতী উদ্যোগকে আমরা সম্মান জানিয়ে সবর্ত্র চেষ্টা করে যাচ্ছি ভূমিহীন ও গৃহহীনদের স্থায়ী ঠিকানা দেয়ার জন্য। আমি সদ্য যোগদান করেছি উপজেলায়। যোগদানের পরই কমিটির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ঘরগুলো মান সম্মতভাবে নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। উপজেলায় ২১৫টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি ঘর গৃহীনদের বসবাসের উপযোগি করা হয়েছে।

//আ. রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অভয়নগরে বাজার মনিটরিং নাথাকায় নিত্যপণ্যের মূল্য আকাশ ছোঁয়া

অভয়নগরে বাজার মনিটরিং নাথাকায় নিত্যপণ্যের মূল্য আকাশ ছোঁয়া

শিল্প ও বাণিজ্যিক শহর-বন্দর নগর নওয়াপাড়ায়  নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি ও পণ্য সামগ্রী  অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ৷ অভয়নগরে বাজার মনিটরিং নাথাকায়  আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধিতে  ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে ৷ বিশেষ করে মহামারী করোনা কালে  কর্মজীবী মানুষের পক্ষে দেখা দিয়েছে নাভিশ্বাস ৷

সরেজমিন দেখা যায়, ভোজ্যসামগ্রীর অন্যতম বৃহৎ মোকাম নওয়াপাড়া বড় বাজার, বউবাজার ও   চেঙ্গুটিয়া এলাকায় গিয়ে পাওয়া গেছে এর সত্যতা। জানা গেছে, ১ মাসের  ব্যবধানে গুঁড়োদুধের দাম কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে ২৮ থেকে ৩০ টাকা। শিশুখাদ্যের মূল্যও একইভাবে বেড়ে চলেছে দিনের পর দিন। এছাড়াও সয়াবিন তেল খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩৮ থেকে ১৪০ টাকা; যা গত মাসের তুলনায় ৩০ টাকা বেশি। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি; যা আগের চেয়ে কেজিতে বেড়েছে ৬-৭ টাকা এবং চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৭ টাকা দরে।
এছাড়াও ডাল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোজ্যসামগ্রীর দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে।  দ্রব্যমূল্য আরো বৃৃৃৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছেন পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ৷ বিশেষ করে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলা দ্রব্যমূল্যের কারণে ক্ষোভে ফুঁসছেন অভয়নগর উপজেলার নিম্নআয়ের মানুষ। সামনের দিনগুলোতে এ দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে না ধরলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের বোবা কান্না শেষ পর্যন্ত ক্ষোভের ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে ৷
শিল্প শহর নওয়াপাড়ার মানুষ জীবিকার টানে কাজ করেন। বৃহত্তর  শিল্প কল কারখানার সঙ্গেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষাভাবে কাজ করছেন প্রায় লক্ষ্যধিক মানুষ। এছাড়াও বিভিন্ন অটোরিকশা ও অটো ভ্যান চালিয়ে দিন চলে মানুষের যা কঠোর লকডাউনে সব আয় রোজগার বন্ধ রয়েছেে ।
গত বছরে  লকডাউন পরিস্থিতির কারণে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছিল এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারের তরফ থেকে পাওয়া ত্রাণের বাইরে জীবিকার মাধ্যম হারিয়ে বেশির ভাগ নিম্নআয়ের মানুষই খেয়ে-নাখেয়ে দিন কাটিয়েছেন ৷
তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে ছিলেন মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। কারণ এসব পরিবারের লোকজন মুখ খুলে কাউকে কিছু বলতে কিংবা হাত পাততে পারেননি। সেই লকডাউন পরিস্থিতি কাটিয়ে গত কয়েক মাসে সাধারণ জীবনে ফিরে আসার চেষ্টায় থাকা এসব নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর জন্য কঠিন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবারও কঠোর লকডাউনে পড়া অভয়নগরের মানুষ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি।
 জুট মিল শ্রমিকদের  সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, করোনার মধ্যে জুট মিলেও ঠিক ভাবে কাজ হয়না, বেশকিছু জুট মিল বন্ধ বেতন বাড়েনি ,একই সমস্যা অনেক মানুষের। কিন্তু বাজারে মূল্য বৃদ্ধিতে আমরা দিশেহারা।
কয়েকজন ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আমাদের বেতন দিয়েই চলতে হয়, বলতে পারেন মাপা টাকা। কিন্তু বর্তমান বাজার দরে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। কাউকে তো কিছু বলতেও পারি না। কিন্তু ক্রয়ের সক্ষমতা হারাতে বসেছে সাধারণ খেটেখাওয়া মানুষ। উপার্জনের সঙ্গে মিল-অমিলের হিসাব কষতে গিয়ে আমাদের বোবা কান্না কাউকে দেখানোর উপায় নেই।
এদিকে ঈদুল আজহা  যত ঘনিয়ে আসবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্কুলশিক্ষক জানান, অভয়নগরে হঠাৎ করেই করোনার প্রকোপ বেড়ে গেছে। সামনে কী হয় এ নিয়ে গুজবের ডালপালাও মেলছে। আবার ঈদুলআজহা ও ঘনিয়ে আসছে। এমনিতেই ঈদের আগে জিনিসপত্রের দাম দাম বেড়ে যাওয়ার ঘটনা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তাই সামনে কী আছে আমাদের ভাগ্যে জানি না।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমান  এ প্রতিনিধিকে জানান , দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিতে  ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে জরুরি সভা হয়েছে। ঈদুল আজহা ও করোনা কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় আমরা এ ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরকার নির্ধারিত দ্রব্যমূল্য নিশ্চিত করতে উপজেলার পাইকারি ও খুচরা বাজারে চলতি সপ্তাহে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে  তবে এ অভিযান নিয়মিত চলবে ৷
//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল , বিশেষ প্রতিনিধি//

কিছুতেই লাগাম টানা যাচ্ছেনা করোনায় মৃত্যুর: আজ মৃত্যু ২১২

 

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এক দিনে সর্বোচ্চ রেকর্ড মৃত্যু।  এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ হাজার ৪ জনের মৃত্যু হলো।

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আগের দিন বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) ১৯৯ জনের মৃত্যু হয়। আর বুধবার মারা যান ২০১ জন।এর আগে গত সোমবার (৫ জুলাই) ১৬৪ জন ও তার পরদিন মঙ্গলবার ১৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে একদিনে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৩২৪ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৫৪৩ জনে। আগের দিন বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) শনাক্ত ছিল ১১ হাজার ৬৫১ জন, যা এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এর আগে ৬ জুলাই ১১ হাজার ৫২৫ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৯ হাজার ২০৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৮৬টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৯ লাখ ৩ হাজার ২৬৮টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৩৮ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ৬২ জন ৩৮৪ জন করোনা রোগী সুস্থ হলেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২১২ জনের মধ্যে ঢাকার ৫৩ জন, খুলনায় ৭৯, চট্টগ্রামে ২৬, রাজশাহীতে ২৩, বরিশালে ৫, সিলেটে ৬, রংপুরে ১২ এবং ময়মনসিংহে ৮ জন মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১ জুলাই থেকে দেশে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় ১৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে এই মহামারি করোনা।

//অনলাইন নিউজ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

গজারিয়ায় অসহায়দের মাঝে সেনা বাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

 

গজারিয়ায় অসহায়দের মাঝে সেনা বাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

মুন্সীগঞ্জ জেলার সব উপজেলায় সেনা বাহিনী কর্তৃক দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস এর দুর্যোগ মোকাবেলায় সারা দেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জের জেলায় সেনাবাহিনীর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গজারিয়া উপজেলায় দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে আজ ৯ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১টায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর মাওয়া সেনা নিবাসে অবস্থিত ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগ্রেড এর আয়োজনে এবং ১৯ বীর এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গজারিয়ায় দুঃস্থ ও অসহায় ১০ পরিবারের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ্ আল মাহিন।

সেনা সদস্যের জন্য দৈনিক বরাদ্দকৃত রেশন হতে উক্ত খাদ্য সামগ্রী এর সংকুলান করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এসময় গজারিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চলের ১০ জন পরিবারের সদস্যদের মাঝে চাল ৮ কেজি চাল, ৪ কেজি আটা, সয়াবিন তেল ১ লিটা, সরিষার তেল আধা লিটার, চিনি আধা কেজি, সেমাই ১ প্যাকেট, আলু ২ কেজি একটি প্যাকেটে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

//সৈয়দ মোহাম্মদ শাকিল। গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের আসতে নিষেধাজ্ঞা

 

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের আসতে নিষেধাজ্ঞা

//পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল//

করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় বরিশাল বিভাগের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাধারণ রোগীদের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস।

তিনি জানান, সারা দেশের সঙ্গে বরিশাল নগরীতেও আক্রান্ত বাড়ছে। সবদিক বিবেচনায় সাধারণ রোগী যাদের চিকিৎসা জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে সম্ভব, তাদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বাসুদেব কুমার দাস আরও বলেন, ‘শেবাচিম হাসপাতালের আন্ত:বিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার রোগী ভর্তি থাকেন।

এছাড়া বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা এমনিতেই অনেক। এর মধ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই রোগীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা।’ ইতোমধ্যে বিভাগের সকল জেলা সিভিল সার্জন, সকল জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল এবং উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

খুলনায় অনিয়ন্ত্রিত করোনা ।। অসচেতন জনগন।। ১দিনে মৃত্যু ৭১

খুলনা বিভাগে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে করোনা, এই ভাইরাসের প্রকোপে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গত ২৪ ঘণ্টায় ওই বিভাগে সর্বোচ্চ ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন সংক্রমিত শনাক্ত হয়েছে ১৬৫৬ জন।

শুক্রবার বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা জেলায়। বাকিদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৪ জন, যশোরে ৯ জন, ঝিনাইদহে ১০ জন, চুয়াডাঙ্গায় ছয়জন, মেহেরপুরে পাঁচজন, বাগেরহাটে দু’জন, নড়াইল ও মাগুরায় একজন করে মারা গেছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় চুয়াডাঙ্গায় গত বছরের ১৯ মার্চ। করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলায় মোট শনাক্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ১৮৭ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এক হাজার ৪৮৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।

//অনলাইন নিউজ ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

নারায়নগঞ্জ কারখানায় আগুণ: এ পর‌্যন্ত ৫০ জনের পোড়া দেহ বের করেছে

 

নারায়নগঞ্জ কারখানায় আগুণ: ৫২টি পোড়া দেহ উদ্ধার

নারায়নগঞ্জ কারখানায় আগুণ , পুৃরে এ পর‌্যন্ত ৫২ জন মারা গেছে।  ৫০টি মৃতদেহ বের করতে পেরেছে ফায়ার সার্ভিস বাহিনি। জানাযায় ঐ কারখানায় প্রায় ৬০০ থেকে ৮০০ মানুষ কর্মরত ছিল । আগুনের লেলিহান শিখা থেকে বাঁচতে লোকজন সিড়ি বেয়ে ছাদে যাবার সময় অনেকেই পরে গিয়ে , অজ্ঞান হয়ে সিড়িতেই পরেছিল এবং সেখানেই পুড়ে মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে ।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ৫২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। লাশগুলো উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়।

এদিকে ঢাকা মেডিকেলে এখন পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন নয়জন। এর মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মোরসালিন (২৮) নামের একজন। আর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন বারেক (৪৮), নাহিদ (২৪), মঞ্জুরুল (২৮), আহাদ (৩৮), লিটন (৪৪)।

এছাড়া এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন হালিমা (১৩), মাজেদা (২৮) ও আমেনা (৪০)। কারখানার আগুন থেকে বাঁচতে ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়েন অনেকে। অনেকে ভেতরে আটকা পড়েন।

এদিকে ভবনের পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলায় উদ্ধারকাজ শুরু হবে। তালাবদ্ধ থাকায় চতুর্থ তলার কোনো শ্রমিক বের হতে পারেননি। তারা দগ্ধ হয়ে ভবনের ফ্লোরেই মৃত্যু হয়েছে।

জেলা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক দেবাশীষ বর্মণ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এদিকে নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা ও আহতদের ১০ হাজার টাকা করে অনুদানের ঘোষণা করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।

//দৈনিক বিশ্ব ডেস্ক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে সাধারণ রোগীদের আসতে নিষেধাজ্ঞা

 

যশোরে ৪ কেজি গাঁজা ও ১ টি মোটরসাইকেলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সীমান্তবর্তী যশোর জেলা সবসময় মাদক চোরাচালানের ট্রানজিট হিসাবে ব্যবহৃত হয়। আর তাই করোনার এই অতিমারীর মধ্যেও থেমে নেই মাদকদ্রব্য চোরাচালান। মাদক ও চোরাচালন মুক্ত যশোর জেলা গঠনের লক্ষ্যে করোনার মহামারীর মধ্যেও যশোর জেলা পুলিশকে মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখতে হচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় ৯ জুলাই -২০২১ রোজ শুক্রবার ভোরে নাভারণ ও শার্শা পুলিশের যৌথ চৌকস টীম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে শার্শা থানাধীন ফুলসরা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ৪ কেজি গাঁজা ও ১ টি মোটরসাইকেলসহ ১. মোঃ জিন্নাত আলী(৫২), পিতা- মৃত আঃ সামাদ মীর, গ্রাম- সরবাংহুদা( মাঠপাড়া),থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা- যশোর ও ২. মোঃ এসকেন্দার আলী(৪৫), পিতা- মৃত নূর মোহাম্মদ, গ্রাম- আর.এন রোড,থানা- কোতোয়ালি, জেলা- যশোরদের আটক করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে শার্শা থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বরিশালে ৩টি হনুমানের ১টি বিদ্যুৎস্পৃস্ট হয়ে মৃত্যু

// পলাশ চন্দ্র দাস: বরিশাল//

বরিশালে এসে প্রান দিতে হলো হনুমানটিকে। বরিশাল বন বিভাগের উপজেলা কর্মকর্তা বলছেন, হয়তো কলার ট্রাকে করে যশোর থেকে বরিশালে আসতে পারে হনুমানটি। মৃত হনুমানটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বরিশার নগরীর দপ্তরখানা এলাকায়। এব্যপারে কোতয়ালী শানাধীন আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ টিএসআই রুহুল আমিন বলেন। স্থানীয়দেও মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে এসে হনুমানটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। স্থানীয়রা জানান বিকেলে সড়কের বিদ্যুৎ এর তারের সাথে সর্ট পেয়ে ঘটনা স্থানেই মারা যায়। পরে সংবাদ পেয়ে বন বিভাগের উপজেলা কর্মকর্তা গাজী মো. আবুল বাশার এসে বস্তাভরে মৃত হনুমানটিকে নিয়ে যায়।

তিনি জানান পশুটি কে ভেটোনারী চিকিৎসক দ্বারা ময়না তদন্ত করে মাটিচাপা দিতে হবে। তিনি আরো বলেন এটির সাথে বরিশালে বেশ কয়েকটি হনুমান রয়েছে। সেটিও আমাদেও নজরদারিতে রয়েছে ।

নওয়াপাড়া মডেল কলেজের অক্সিজেন সিলিন্ডার পেল গ্রীণ অভয়নগর

//মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধি//

ঐতিহ্যবাহী নওয়াপাড়া মডেল কলেজের পক্ষ থেকে করোনা রোগীর সেবায় একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার গ্রীন অভয়নগর অক্সিজেন ব্যাংক নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে প্র্রদান করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে এ সিলিন্ডার হস্তান্তর করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম খান, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম মল্লিক, গ্রীণ অভয়নগরের আহবায়ক শওকত হোসেন, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ খায়রুল বাসার, সদস্য সেলিম হোসেন, মুবাশশির শাহরিয়ার, অত্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক সিদ্ধার্থ রায়, আবুল কালাম আজাদ, প্রভাষক খসরু আলম, শ্যামল কুমার মজুমদার, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ তাজ, দপ্তর সম্পাদক শাহীন আহমেদ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহমেদ ইমন, সদস্য জাকির হোসেন হৃদয়, অফিস সহকারী আবু ঈসা প্রমুখ।