আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

 

আজ আওয়ামী লীগের ৭২তম আজ ঐতিহাসিক ২৩শে জুন।  ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সব আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া দলটি এবার পা রাখছে তিয়াত্তর বছরে। এ উপলক্ষ্যে দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্যই হলো দেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়া এবং বিশ্বে বাঙালি জাতিকে একটি মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস দলের মধ্যে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ও গণতন্ত্রের চর্চা অটুট থাকলে কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ পথচলায় অর্জন যেমন পাহাড়সম, তেমনই এসেছে নানা বাধাবিপত্তি, দুর্যোগ-দুর্বিপাকও। জাতির পিতাকে হত্যা, দলে ভাঙন, নেতাদের দলত্যাগ, সামরিক জান্তাদের রোষানল, নিষেধাজ্ঞা, হামলা-মামলাসহ নানা সংকটের সম্মুখীন হতে হয়েছে দলটিকে। তবে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকের আওয়ামী লীগ দেদীপ্যমান। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় দলটি। এর আগে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একবার ক্ষমতাসীন ছিল আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা এখন দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশে দারিদ্র্য কমেছে। বেড়েছে মাথাপিছু আয়। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাস্তব। এছাড়া আরও অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান দেশ-বিদেশে প্রশংসতি হচ্ছে। মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নেতারা জানান, আওয়ামী লীগের লক্ষ্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কিছু বাধা থাকলেও আওয়ামী লীগ সঠিক পথেই রয়েছে। এছাড়া করোনাভাইরাস এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিরোধী দল না থাকাসহ বেশকিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে দলের সামনে। তবে তৃণমূল পর্যন্ত দলকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে আওয়ামী লীগ।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান যুগান্তরকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। করোনাভাইরাস না এলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারতাম। তিনি বলেন, আমাদের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো তিনটি। ১ নম্বর চ্যালেঞ্জ হলো-দেশে এখনো ভালো একটা বিরোধী দল গড়ে উঠেনি। বিএনপি-জামায়াত কেউ বাংলাদেশকে ভালোবাসে না। এরা স্বাধীনতার পক্ষের বিরোধী দল না। আমাদের দুই নম্বর চ্যালেঞ্জ হচ্ছে-কোভিড-১৯ মোকাবিলা। এর জন্য অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা-সবকিছুই সমস্যায় রয়েছে। তিন নম্বর চ্যালেঞ্জ হলো-সাম্প্রদায়িকগোষ্ঠী ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করা। আমি মনে করি, এই তিনটি আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং এগুলো আমরা মোকাবিলা করতে পারব। কারণ আমরা সঠিক রাস্তায় আছি। পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যা করে ঘাতকরা। এরপর নানা বাধাবিপত্তি পায়ে ঠেলে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন শেখ হাসিনা। চার যুগ ধরে দলটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে দলটি ক্ষমতাসীন হয়। মাঝে একবার ক্ষমতার বাইরে থেকে এবং ১/১১ মেকাবিলা করে টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবার ক্ষমতায় আছে দলটি। এই সময়ে দেশের ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক ভিডিওবার্তায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রামসহ দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মহৎ অর্জনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধুর নাম। অনেক বাধা অতিক্রম করে সাধারণ জনগণের ভালোবাসায় অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও সফলতার সঙ্গে দেশের সেবা করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ পরিচালনায় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রমাণ করেছেন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশের মানুষ নিরাপদে থাকে। আগামী দিনের পথচলায় তাই জনগণকে আওয়ামী লীগের পাশে থাকার আহ্বান জানান আমির হোসেন আমু।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য। তার দুটি স্বপ্ন ছিল। একটি হলো স্বাধীনতা আর অন্যটি হলো ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ। একটি স্বপ্ন তিনি পূরণ করে গেছেন। অন্যটি পূরণে যখন কাজ করছিলেন, তখনই তাকে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮১ সালে আমরা বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যার হাতে আওয়ামী লীগের পতাকা তুলে দিই। সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে ৪০ দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। চারবার তিনি রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন। আমরা আশা করি, তার হাত ধরেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে।’ ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার স্বামীবাগে কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি, টাঙ্গাইলের শামসুল হক সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমানকে (কারাবন্দি ছিলেন) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয় প্রথম কমিটি।

এই দলটিই ১৯৫৫ সালে ধর্মনিরপেক্ষতাকে আদর্শ হিসাবে গ্রহণ করে। দলটির নামকরণ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নাম হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

 

// দৈনিক বিশ্ব //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের পাশে এমপি সালাম মূশের্দী

অসুস্থ আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের পাশে এমপি সালাম মূশের্দী

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

খুলনা জেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মন্টুর পরিবারের পাশে সালাম মূশের্দী এমপি। আওয়ামীলীগ নেতার পরিবারের তিন সদস্য এক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংবাদটি জনদরদী খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নিকট পৌঁছালে  তিনি তাৎক্ষণিক তাদের চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে ‘সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘে’র মাধ্যমে খোঁজ খবর নেন এবং মঙ্গলবার (২২ জুন) মন্টুর পরিবারের নিকট আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

এছাড়াও তিনি তার পরিবারকে পরবর্তিতে চিকিৎসার সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসার আইচগাতীতে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডে বসত ঘর পুড়ে ছাই

 

অভয়নগরে লকডাউনে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত এনজিও কর্মীরা: দিশেহারা ঋণগ্রহীতারা

 মোঃ শফিকুল ইসলাম পিকুল, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

অভয়নগরে লকডাউনে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত এনজিওকর্মীরা, তারা লকডাউনের মধ্যে কিস্তি আদায়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ৷ ফলে বিপাকে পড়েছেন নিন্মআয়ের ঋণ গ্রহীতারা ৷ ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা৷ ছোট ছোট বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা ঋণ নিয়ে ব্যবসার কার্যক্রম চালান ৷

এ ছাড়া ও অনেকে এনজিও থেকে সাপ্তাহিক কিস্তিতে ঋণ নিয়ে ইজিবাইক , থ্রি হুইলার ,ভ্যান, ইঞ্জিন ভ্যান ,আলমসাধুসহ বিভিন্ন যানবাহন কিনে চালিয়ে তা থেকে আয়করে জীবিকা নির্বাহ করেন ও ঋণের কিস্তি দেন ৷ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় সরকার দেশজুড়ে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে৷ ফলে সরকারি-বেসরকারি , অফিস আদালত , ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান , শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ৷ যার ফলে আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যায় অনেক মানুষের ৷

এমন পরিস্থিতিতে এনজিও ঋণের কিস্তি দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নিন্ম আয়ের ঋণগ্রহীতারা ৷ অধিকাংশ এনজিও বিবাহিত নারীদের সমিতির মাধ্যমে ঋণ দিয়ে থাকে ৷ এমন সময়ে এ সকল ভূক্তভোগী খেটে খাওয়া ঋণগ্রহীতা যখন তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন এর মধ্যে বিভিন্ন এনজিও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি কিস্তি আদায়ের জন্য ধর্ণা দিচ্ছেন ৷ চাপ সৃষ্টি করে কিস্তি আদায় করা হচ্ছে ৷

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের সরকারি নির্দেশনা থাকলে ও এনজিও কর্মীরা ঋণগ্রহীতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কিস্তির টাকা আদায় করছেন ৷ কোন কোন এনজিও কর্মী এক বাড়িতে টেবিল-চেয়ার নিয়ে বসে পাড়ার সব নারী গ্রহীতাদের নিকট থেকে কিস্তি আদায় করছেন ৷

এ সময় নারী গ্রহীতাদের মাঝে মাস্ক ব্যবহার বা সামাজিক দূরত্ব মানার কোনো বালাই থাকছেনা ৷ এনজিওর কিস্তি আদায় সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমানের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন , এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারছিনা ৷

মুঠোফোনে এসিল্যান্ড নারায়ণ চন্দ্রপালের সঙ্গে এনজিওর কিস্তি আদায় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার অধিদপ্তরের আওতাধীনে নয় , আপনি ইউএনও সাহেবের সাথে কথা বলেন ৷ অনুরূপভাবে লকডাউন বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পঃপঃ কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদুর রহমান রিজভি বলেন , লকডাউন কমিটির কর্মকর্তারা যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই আমার সিদ্ধান্ত ৷ অভয়নগর উপজেলার গরীব-অসহায় ভ্যান , রিকশা ,ইজিবাইক চালক ও খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের চোখের পানিতে অঝরে বন্যা বয়ে যাচ্ছে !

কি হবে আমাদের ?

আমরা এখন কিভাবে সংসার চালাবো ? এর সঠিক উত্তর কে দিবে ? একদিকে অন্ন যোগানো আর অপর দিকে কিস্তি চালানো এর উত্তর কোথায় খুঁজে পাবো আমরা ? সমাজের বিত্তশালী, বিবেকবানদের কাছে আমাদের এই বুকভরা কষ্টজনিক প্রশ্ন ৷

আরও পড়ুন:

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

রূপসার আইচগাতীতে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডে বসত ঘর পুড়ে ছাই

 

 

আজ টাঙ্গাইলে করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ১২১

 //মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি//

টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ২ জনের মৃত্যু সহ নতুন করে আরো ১২১ জন ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  জেলা সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, ৩৩৫ টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়। জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৩৬ দশমিক ১১ ভাগ।

জেলায় মোট করোনা রোগী ৬ হাজার ৩৯৫ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের। এদিকে আজ সকাল ৬ টা থেকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকা ও কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌর এলাকায় শুরু হয়েছে এক সপ্তাহের লকডাউন। লকডাউনে দুটি পৌর এলাকায় বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। 

কাঁচাবাজার ও ওষুধের দোকান ছাড়া বন্ধ রয়েছে সকল প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চলামান আছে আইনশৃংখলা বাহিনীর বিশেষ অভিযান।

রূপসার আইচগাতীতে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডে বসত ঘর পুড়ে ছাই

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় বসত বাড়ির ঘর সহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও নগদ অর্থ স্বর্ণংকার রেহাই পায়নি তার থেকে।

মঙ্গল বার( ২২শে জুন) দুপুরে দেয়াড়ার অগ্রদূত মাঠের সংলগ্ন এলাকার মোঃ রবিউল ইসলামের বাড়িতে এ দূর্ঘটনা ঘটে।পরে রূপসার সেনের বাজার ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।যদি ও আগুন নিয়ন্ত্রনের আগেই ঘর সহ ঘরে থাকা সব আসবাবপত্র, নগদ অর্থ,অলংকার,পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সেনেরবাজার ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,গ্যাস সিলিন্ডার লিক হয়ে এ অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছে। এ দূর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ হতে প্রায় চার লক্ষ টাকার কথা জানিয়েছেন।

ইতিমধ্যে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাগন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

তাছাড়া তাৎক্ষণিক সহযোগীতার জন্য পরিবারটিকে কিছুটা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।

 টাঙ্গাইলের সখীপুরে নির্যাতনে স্বামীর পক্ষে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

 

টাঙ্গাইলের সখীপুরে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী’র নানাভাবে নির্যাতনে শিকার স্বামী আব্দুল লতিফ মিয়ার পক্ষে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার সখীপুর-ঢাকা সড়কের ঘেচুয়া ছাপরা বাজারে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী’র নির্যাতন ও জোরপূর্বক বাড়িতে থাকার মানববন্ধনে আব্দুল লতিফ মিয়া কান্নাসুরে বলেন, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহের কারনে গত ছয় মাস আগে আমার স্ত্রী আয়শা খানমকে তালাক দেই, এবং তা যথা নিয়মে কার্যকর হয়।

তিনি একজন তালাকপ্রাপ্তা হয়েও জোরপূর্বক আমার বাড়িঘর দখল করে আছেন। আমার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে অন্যত্র থাকছি। নিরুপায় হয়ে ওই নারীর বিরুদ্ধে সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করি।

সেই অভিযোগ তদন্ত করতেই এসআই শাহীন আমার বাড়িতে যান। সাবেক ইউপি সদস্যসহ স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই মহিলাকে তালাক প্রাপ্ত হওয়ার ঘটনা ও নির্যাতনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং প্রমাণিত হয়।

এরপরও ওই নারী এবং এলাকার কিছু কুচক্রী মহল আমার বাড়িঘর দখল ও নানাভাবে হয়রানিতে লিপ্ত রয়েছেন। আমি এর প্রতিকার চাই, সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওমী লীগের সভাপতি ইয়াছিন আলী, সাবেক ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দিন, আব্দুল লতিফ মিয়া মা খামিরুন নেছা ও বড় ভাই মিনহাজ উদ্দিন ।

 

//মোঃ আল-আমিন শেখ, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

করোনায় ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর ভীড়ে গজারিয়ায় বেড়েছে শিশু শ্রম

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

যশোরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ৩ গাঁজা ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে ।  মাদকে না বলি সুস্থ্য সমাজ গড়ি- মাদকের ক্ষতিকর দিক সমূহ সম্বন্ধে আমরা সকলেই কম বেশি অবগত তার পরও সমাজের একটা বিরাট অংশ মাদক দ্রব্য গ্রহন ও বিক্রির সাথে জড়িত আছে। মাদক বিক্রেতা ও গ্রহিতা উভয়ই নিজের ক্ষতি যেমন করেন তেমনি তার পরিবারের উপরও একটা অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ান।মাদকের এই ভয়াবহতা থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রকে রক্ষা করার লক্ষ্যে প্রতিনয়ত কাজ করছে সারা দেশের পুলিশ প্রশাসন।

তারই ধারাবাহিকতায় “ একটি গ্রাম হতে একটি দেশ, মাদক মুক্ত হবে সমগ্র বাংলাদেশ ”- এই স্লোগানকে সামনে নিয়ে সীমান্তবর্তী যশোর জেলাকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে প্রতিদিনই কোনও কোনও উপজেলায় অভিযান পরিচালনা করেন যশোর জেলা পুলিশের বিশেষ টীম।

আজ ২২ জুন-২০২১ রোজ মঙ্গলবার বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সদের নিয়ে সকাল ৭ঃ৪৫ ঘটিকায় বেনাপোল পোর্ট থানার দিঘীরপাড় গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে-

৬ কেজি গাঁজাসহ:

১. মোঃ জামাল মোড়ল কুশই(৪৩), পিতা- মোঃ জামাত আলী মোড়ল, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোর,

২. সত্যজিত বিশ্বাস(৩০),পিতা- নারায়ণ বিশ্বাস, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোর,

৩. মোঃ ইদ্রিস আলী (৪০), পিতা- মৃত রওশন আলী, গ্রাম – মানকিয়া( জেলপাড়া), থানা- বেনাপোল পোর্ট, জেলা – যশোরকে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখিত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

 

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

 

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে সারাদেশে ব্যাটারী চালিত রিক্সা-ভ্যান ও ইজিবাইক বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ব্যাটারী রিক্সা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটি। সমাবেশে বক্তারা নকশা আধুনিকায়ন ও নীতিমালা প্রণয়ন করে ব্যাটারীচালিত যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান করারও দাবী জানান।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় শহরের প্রাণ কেন্দ্র সদররোড অবরোধ করে ঘন্টাব্যাপি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন তারা।

আবুল মানিক হাওলাদারের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাসদ সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী, বাসদ জেলা আহবায়ক ইমরান হাবীব রুমন, নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন সভাপতি মাস্টার আবুল হাসেম, দুলাল মল্লিক, মানিক মিয়া, মহশিন মীর, শহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও কালাম মিয়া প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫০ লক্ষ মানুষের রুচি রোজগার কেড়ে নেওয়ার আইন করেন। এত মানুষের পেটের ক্ষুদা বন্ধ করার জন্য কি আইন করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী বলেন দেশের মানুষকে ক্ষুধার্থ রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশ করা যাবে না।

নতুন কোন কর্মসংস্থানের পূর্বে ব্যাটারী চালিত রিক্সা-ভ্যান ও ইজিবাইক বন্ধ না করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্য দ্রুত প্রত্যহার করে না নিলে আগামীতে বরিশালে হরতাল সহ কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর পূর্বে বরিশাল নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে শ্রমিক-চালকরা সদররোডে এসে সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন কয়েক হাজার ব্যাটারী চালিত ভ্যান ও ইজিবাইক শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা।

সমাবেশ শেষে নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ প্রদশর্ন করে পুনরায় টাউন হলের সামনে এসে শেষ হয় কর্মসূচি ।

//পলাশ চন্দ্র দাস, বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

 

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে কঠোর বিধি নিষেধ শুরু । আজ সকাল থেকেই দেখা যাচ্ছে সমস্ত বিধি নিষেধ সুন্দর ভাবে পালিত হচ্ছে। বাগেরহাট জেলা ও খুলনা জেলার বর্ডার এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনি তাদের কর্তব্য পালন করতে দেখা যাচ্ছে, এই জায়গাটা হলো কুদির বটতলা , রূপসা।

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

একদিকে নো এন্ট্রির কারণে রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে , এটা হলো রূপসা ঘাট এলাকায় যাবার প্রধান সড়ক। আইন শৃঙ্খলা বাহিনির কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারগন দায়িত্ব পালনকালে রাস্তায় অনিয়মকারীদের জরিমানা করছেন এমনটাও দেখা যাচ্ছে।

 

খুলনা জেলায় আজ থেকে শুরু হওয়া বিধিনিষেধ যথাযথ পালন

 

বাগেরহাট থেকে আসা কোন যানবাহন খুলনা ঢুকতে দিচ্ছেনা এবং খুলনা থেকে কোন যানবাহন বাগেরহাটের দিকে যেতে দিচ্ছেনেনা । শুমাত্র কিছু বাস বা অন্য যেসব গাড়ি চলছে তা নিয়ম মেনেই চলছে বলে জানা গেছে ।

দৈনিক বিশ্ব // স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সবাই নিজের ঘরে থাকবে: সালাম মূশের্দী

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় সবাই নিজের ঘরে থাকবে: সালাম মূশের্দী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গজারিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও দোয়া মাহফিল

করোনায় ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর ভীড়ে গজারিয়ায় বেড়েছে শিশু শ্রম

 

করোনায় ঝড়ে পরা শিক্ষার্থীর ভীড়ে  মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলায় করোনার এই সংকট কালে দিন দিন বেড়েই চলেছে ঝুঁকিপূর্ন শিশু শ্রম। গজারিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা মিলছে শিশু শ্রমিক দের । তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্টিল ও কাঠের ফার্নিচারের দোকান, ভাঙ্গারীর দোকান, হোটেল রেস্তোরা, ওয়েল্ডিং এর দোকান, কসমেটিক্স দোকান, ওষুধের ফার্মেসি, ব্যাটারির দোকান, গাড়ির গ্যারেজে সহ বহুতল ইমারত নির্মাণ কাজেও দেখা যাচ্ছে এসব শিশু শ্রমিকরা নিয়োজিত রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায় গজারিয়ার ভাটেরচর এলাকায় অতিরিক্ত মুনাফার আশায় শিশু শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মদিনা ফরেন ফার্নিচার মার্ট এর কারখানায় এমন কতিপয় শিশু শ্রমিক রয়েছে যাদের বয়স প্রায় ৯ থেকে ১০ বছরের নিচে আবার কারো ১৩ কিংবা ১৪ হবে। সেখানে তাদের কাজে নেই প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শিশুদের দিয়ে অবাধে চলছে ক্যামিক্যাল মিক্সিং ফার্নিচার শাইনিং ও ভার্নিসিং মত ক্ষতিকারক কাজ।

ক্যামিক্যাল জাতীয় এইসব ক্ষতিকারক পর্দাথ স্প্রে আকারে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে তাদের দেহে ভিতর ঢুকেছে। এতে করে তাদের রয়েছে নানা ধরনের শারীরিক ক্ষতির আশংঙ্কা। মদিনা ফরেন ফার্নিচার কারখানার শিশু শ্রমিক দের সঙ্গে কথার বলার এক পর্যায়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিশু শ্রমিক জানায় তার বাস্তবতার কথা। সে বলেন আমার বয়স (১২)। আমি ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি। আমরা ২ ভাই ১ বোন। হত দরিদ্র বাবা মা সন্তান। তাই বাধ্য হয়ে আমি পড়ালেখা ছেড়ে ফার্নিচারের দোকানে এসব কাজ শুরু করি।

বেতনের কথা জানতে চাইলে সে বলে, মাসে ৫ হাজার টাকা পাই। এটা তো শারীরিক ক্ষতিকারক ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ, এ কাজ কেন করো এমন প্রশ্নের উত্তরে সে জানায়, অন্যান্য কাজের চেয়ে এ কাজে টাকা বেশি পাই তাই করি এবং আমিও ভালো করে চলতে পারি ও পরিবারকে কিছু টাকা দিতে পারি। এর মতো অনেক শিশু গজারিয়ার বিভিন্ন দোকানে শিশু শ্রমের কাজ করছে।

বর্তমান বিশ্বে প্রতিটি দেশ শিশু শ্রম বন্ধের ঘোষণা দিলেও আমাদের দেশে এটি প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে। করোনা কালে স্কুল থেকে ঝড়ে পড়া শিশু মাত্রা বাড়বে বলে আংশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে দিন দিন এই শিশু শ্রমিকের সংখ্যাও বাড়বে বলে অনেকরই অভিমত। সচেতন মহল মনে করেন বাংলাদেশে  শিশু শ্রমের অন্যতম কারণ হলো দারিদ্রতা। আর আমাদের দেশে ৩১ দশমিক ৬ ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।

এসব পরিবারের সদস্যদের মাথাপিছু আয় দৈনিক ৮০ টাকারও কম। এদের বেশির ভাগ পরিবার অসচ্ছল। ফলে এসব পরিবারের শিশুরা তাদের পেটের ক্ষুধা নিবারণ করার জন্য ছোট থেকে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করা শুরু করে। তাই তাদের নিজেদের আর পরিবারের খাওয়ার জন্য শিশুরা লেখাপড়ার পরিবর্তে এধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পিছ পা হচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায় তাদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে মোটর ওয়ার্কশপে কাজ, গ্রেন্ডিং ওয়েল্ডিং, গ্যাস কারখানা, লেদ মেশিন, রিকশা চালানো, বাস-ট্রাকের হেলপারি, নির্মাণ শ্রমিক, গৃহ শিশু শ্রমিক, ইটভাঙা, ইটভাটা শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, স্টিলের আলমারির দোকানের শ্রমিকের কাজ সহ সহজে মিলছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। ফলে গজারিয়া এলাকায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম। গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী আমাদের দেশে প্রায় ৩৮ ধরনের শিশু শ্রম অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আজকের শিশুরা আগামীর ভবিষ্যৎ। যেসব শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে তাদের সচেতনতার জন্য সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। তবে গজারিয়া তে শিশু শ্রম এধরনের অভিযোগ নেই। পাওয়া গেলে বিশেষ করে যেসব শিশুরা কম বয়সে এসব কাজে নেমে পড়ছে, তাদের অভিভাবককে সচেতন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তারা যেন তাদের শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে না পাঠায়। তিনি আরও বলেন, এসব ঝুঁকিপূর্ণ শিশু শ্রম থেকে শিশু দের মুক্ত করতে না পারলে শিশুরা শারিরিক ও মানসিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হবে। সেই সাথে তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হবে। সরকারের একার পক্ষ্যে শিশু শ্রম বন্ধ সম্ভব নয়।

তাই শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলার জন্য শিশু শ্রম বন্ধে সকল কে এগিয়ে আসতে হবে এবং যারা শিশু শ্রমিক নিয়োগ দিবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

//সৈয়দ মোঃ শাকিল গজারিয়া,মুন্সীগঞ্জ//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাঁশখালীতে মুজিব বর্ষের উপহার ৪০ ঘর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত