বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ

 

 বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে মান হচ্ছেনা সরকারি স্বাস্থ্যবিধি।  মহামারী করোনাভাইরাস ১৯ এর দ্বিতীয় ধাপে পুরো বিশ্ব যখন করোনার ভয়াবহতায় থরথর- বাংলাদেশও তার বাইরে নয় । প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। তাই সরকার জনগনের কথা চিন্তা করে দিতীয় ধাপে লগডাউন ঘোষণা প্রকাশ করেছে সরকার।

আর লকডাউনের পরিস্থিতির জন্য সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও, তা মানছেন না বরিশাল কীর্তন খোলা নদীর তীরে অবস্থিত চরকাউয়া পরিবহন মালিকরা ।

অভিযোগ আছে, পরিবহনে করোনাভাইরাস কভিড ১৯ কে পুঁজি করে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের রয়েছে পাহাড় সমান অভিযোগ । প্রতিদিন এ পরিবহন থেকে হাজার হাজার মানুষ কীর্তনখোলা নদী পার হয়ে বরিশাল শহরে আসা যাওয়া করে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে জন্য যাত্রী পরিবহনে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে।

কিন্তু এখানে যাত্রী পারাপারে জন্য চলাচলরত পরিবহনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে যাত্রী তো নেয়া হচ্ছেই না, প্রতিটি পরিবহনে গাদাগাদি করে যাত্রী ওঠানো হচ্ছে। এ কারণে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় যাত্রীদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। অপরদিকে পরিবহনে যাত্রীরা অভিযোগ করেন সীমিত পরিসরে যাত্রী নেয়া হচ্ছেই না বরং আগে জনপ্রতি যে ভাড়া ছিল তা এখন বাড়িয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বেশির ভাগ যাত্রীর মুখে নেই কোনো মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবহন চলাচলের কথা থাকলেও প্রতিটি গাড়িতে আগেরমত যাত্রীবোঝাই করে চলছে । যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করছে না পরিবহন শ্রমিকরা । কাটাদিয়া থেকে আশা জার্তিদের অভিযোগ করেন স্বাস্থ্যবিধি না মেনে পরিবহনে নিজেদের ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠাচ্ছেন।

এমনকি জনপ্রতি ২৫ টাকার ভারা ৪০ টাকা গোমা থেকে আশা এক যাত্রী বলেন গোমা থেকে চরকাউয়া ভাড়া ৩০ টাকা নেয়া হচ্ছে ৬০ টাকা। তালুকদার হাট থেকে ১০ টাকার ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে সরকারের কোন কিছুই যেন তোয়াক্কা করার সময় নেই তাদের।

এবিষয় পরিবহন শ্রমিকদের কাছে যানতে চাইলে তারা বলেন কিছু পুলিশের কয়েকজন অসাধু সদস্যদের ম্যানেজ করেই চলছে এই কর্মকান্ড। তাই বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করছেন তারা।

 পলাশ চন্দ্র দাসঃ বরিশাল সংবাদদাতা//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

খুলনা রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে সালাম মূর্শেদী এমপি’র সহায়তা

খুলনা রূপসায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৯ পরিবারকে সালাম মূর্শেদী এমপি’র সহায়তা

 

খুলনার রূপসায় বাগমারা গ্রামে আকবর শেখ এর ছেলে কবিরের ভাড়াটিয়া বাড়িতে শনিবার সকাল ১১টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ১০টি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করলেও আটটি ঘরের কোন মালামাল রক্ষা করতে পারেনি।

 

ফলে ওই বাড়িতে বসবাসকারী ০৯টি পরিবার একেবারে নিঃশ্ব হয়ে যায়।

অগ্নিকান্ডের সংবাদ খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদীর নিকট পৌঁছালে। তিনি তাৎক্ষণিক ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সাথে কথা বলেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি পরিবারের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে থ্রিপিচ, লুঙ্গি ও খাদ্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেন।

এবং পরবর্তী সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, নৈহাটী ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বুলবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আক্তার ফারুক, নৈহাটি ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফরিদ শেখ, চিংড়ি ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ শাহাজান শেখ, প্রধান শিক্ষক সেখ লুৎফর রহমান, ইউপি সদস্য সেখ ইলিয়াজ হোসেন ও রিনা পারভিন, ২নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মামুন শেখ, উপজেলা যুবলীগ নেতা তারেক আজিজ, নৈহাটী ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউদ্দিন, নৈহাটী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আঃ জব্বার হাওলাদার, নজরুল ইসলাম সানা প্রমুখ।

 

// আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অপরাধ করেই কেন টাকা কামাতে হবে! শিশু হাসপাতাল করোনা কেলেঙ্কারিতে

চীন থেকে পাঠানো কিমচিতে প্লেগের ব্যাকটিরিয়া পেলো কোরিয়ার খাদ্য নিয়ন্ত্রক

 

চীন থেকে পাঠানো কিমচিতে প্লেগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটিরিয়ার সন্ধান পেয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা । ২৮৯টি নমুনার ১৫টি কিমচিতেই এ জীবাণু পাওয়া গেছে।

দক্ষিণ চীন মর্নিং পোস্ট (এসসিএমপি) কোরিয়ার খাদ্য ও মাদক নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের জানিয়েছে, ইয়ার্সিনিয়া এন্টেরোকোলিটিকা, যা ইয়েরিসিনিওসিস নামে পরিচিত খাদ্যবিষক্রিয়ার একটি বিরল রূপ। এছাড়াও কোরিয়ার মন্ত্রণালয় আমদানিকারকদের পণ্য বাতিল করার ও ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট চীনা কোম্পানিগুলোর তৈরি পণ্য আমদানি করা হলে পরিদর্শন করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

এদিকে, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলেছে, ইয়ারসিনিওসিস প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ জনকে হত্যা করে। ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস, যা ‘প্লেগ’ সৃষ্টি করে।  

কিমচিকে প্রায়শই একটি জনপ্রিয় ও আইকনিক কোরিয়ান খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, দক্ষিণ কোরিয়া তার চাহিদার প্রায় ৩৫ শতাংশ পূরণের জন্য আমদানিকৃত কিমচির ওপর নির্ভর করে এবং এ বছরের প্রথম তিন মাসে চীন থেকে প্রায় ৬৮,০০০ টন কিমচি আমদানি করেছে।  

এসসিএমপি জানিয়েছে, চীনে একটি বাঁধাকপি প্রক্রিয়াকরণ কারখানার ফুটেজ দক্ষিণ কোরিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর নিয়ন্ত্রকরা ১২ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত আমদানিকৃত কিমচি এবং কিমচি সম্পর্কিত উপাদান পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেয়।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ফার্মের মরা মুরগি দোকানে ড্রেসিং করে বিক্রি- মানুষের মূল্য কোথায়…!!!

 

 

ফার্মের মরা মুরগি দোকানে ড্রেসিং করে বিক্রি- মানুষের মূল্য কোথায়…!!!

 

ফার্মের মরা মুরগি ড্রেসিং করার সময় স্থানীয় লোকজন মো: রাসেল নামে একজন দোকান কর্মচারীকে ৩০০ মরা মুরগিসহ আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয় । শনিবার রাত ১০টার দিকে চরফ্যাশন বাজারে মাংসপট্টির মিরাজের মুরগির দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

আটক রাসেলের বাড়ি উপজেলার আবু বকরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে।

চরফ্যাশন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিপন বিশ্বাস জানান, রাতে আবু বকরপুর ইউনিয়নের একটি পোলট্রি ফার্ম থেকে পাঁচটি বস্তায় ভরে ৩০০ মরা বয়লার মুরগি রিকশায় করে পূর্ব বাজারে নিয়ে আসা হয়।

মুরগিগুলো সেখানকার মিরাজের দোকানে ড্রেসিং করার সময় স্থানীয়রা টের পেয়ে রাসেলকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার আইনে কর্মচারী রাসেলকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানের মালিক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি। মরা মুরগিগুলো চুক্তিকৃত চরফ্যাশন বাজারের হোটেলে দেওয়ার কথা ছিল।

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

অপরাধ করেই কেন টাকা কামাতে হবে! শিশু হাসপাতাল করোনা কেলেঙ্কারিতে

 

অপরাধ করেই কেন টাকা কামাতে হবে! শিশু হাসপাতাল করোনা কেলেঙ্কারিতে

 

অপরাধ করেই কেন টাকা পাহাড় গড়তে হবে..! সৎ ভাবে রোজগার করা, সৎ ভাবে বেচে থাকার আনন্দ অসৎ ভাবে রোজগার করা সুখ সাচ্ছন্দের থেকে অনেক স্থাঙী।  কোভিড-১৯-এর নমুনা পরীক্ষা কেলেঙ্কারির সঙ্গে শিশু হাসপাতালও জড়িয়ে পড়েছে। তাদের নাম ভাঙিয়ে স্বাস্থ্যসেবা খাতের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অন্য জায়গা থেকে নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছে। এর সঙ্গে জড়িত শিশু হাসপাতালের দুই কর্মকর্তা। তাদের সহায়তায় পরিচালকের অনুমতি ছাড়াই গত বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম।

 

 

বেসরকারি এ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিটি নমুনা পরীক্ষার জন্য রোগীদের কাছ থেকে নিয়েছে ৫ হাজার টাকা। তারা এগুলো পরীক্ষার জন্য শিশু হাসপাতালের নামে (রেফারেন্সসহ) পাঠাত চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে। সেখানে প্রতিটি নমুনার জন্য সাড়ে তিন হাজার টাকা পরিশোধ করে। শিশু হাসপাতালের দুজন কর্মী এ কাজের জন্য টাকা লেনদেনসহ নমুনা সংগ্রহ সংক্রান্ত সরঞ্জাম সরবরাহ করে, যাদের এ সংক্রান্ত কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। শিশু হাসপাতাল গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

 

সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ জানুয়ারি বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিশুহাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কমিটি ইতোমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। এর আগে তদন্ত কমিটি ১ জানুয়ারি থেকে অভিযুক্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া শুরু করে। সবার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে হাসপাতালের দুজন কর্মচারীকে দায়ী বলে মনে করে কমিটি। যার মধ্যে একজন হাসপাতালের এপিডেমিওলজিস্ট কিংকর ঘোষ এবং অপরজন জুনিয়র অফিসার অ্যাডমিন মো. আতিকুল ইসলাম। কমিটি মনে করে, এ দুজনের জন্য হাসপাতালের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। যার দায় তারা এড়াতে পারেন না। এর আগে জেকেজি, রিজেন্টসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান কোভিড-১৯ পরীক্ষার নামে অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়েছে।

 

এ প্রসঙ্গে ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লা বলেন, তদন্তের কাজ এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। সব কাজ সম্পন্ন হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।

 

সামগ্রিক বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফি আহমেদ  বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে গৃহীত হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত বক্তব্য চূড়ান্ত যাচাইয়ের জন্য হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য ও সরকারের যুগ্ম সচিব উম্মে সালমা তানজিয়ার কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি সবকিছু যাচাই-বাছাই করে মতামত দেবেন। সেই মতামতের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

তদন্ত কমিটির রিপোর্টে যা আছে : পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি প্রথমেই তাদের সামনে হাজির করেন হাসপাতালের জুনিয়র অফিসার অ্যাডমিন মো. আতিকুল ইসলামকে। কমিটিকে বলেন, তিনি পদ্মা জেনারেল হাসপাতালেও খণ্ডকালীন কাজ করেন। শিশু হাসপাতালের পাশাপাশি সেখানে তিনি কম্পিউটার অপারেটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের কিছু কোভিড-১৯ পরীক্ষা শিশু হাসপাতালের নামে চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে করা হতো।

 

এসব পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ, পরিবহণ এবং ডেলিভারিসংক্রান্ত কাজের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন। তবে হাসপাতালের এপিডেমিওলজিস্ট কিংকর ঘোষ এ বিষয়ে জাড়িত থাকতে পারেন। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের টাকা লেনদেনের রসিদে টাকা গ্রহণকারী হিসাবে তার নাম ও স্বাক্ষর থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তদন্ত কমিটিকে জানান, তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। তবে তার প্রতিস্বাক্ষর নিয়ে তদন্ত কমিটি ওই রসিদের সঙ্গে হুবহু মিল পায়। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

 

তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে জানতে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সুজন বাবু, নারায়ণ চন্দ্র বর্মণ ও কংকন রায়ের বক্তব্য নেয়। তারা জানান, হাসপাতালে এপিডেমিউলজিস্ট কিংকর ঘোষের নির্দেশে তারা অন্তঃবিভাগ ও বহির্বিভাগে নমুনা সংগ্রহ করতেন। কমিটিকে তারা জানান, কিংকর প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি টিউব নমুনা সংগ্রহের জন্য সরবরাহ করতেন। তবে দু-একটি টিউব নিজের কাছে রেখে দিতেন।

 

এসব বিষয়ে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়ে বক্তব্য দেন কিংকর। তিনি বলেন, হাসপাতালের পরিচালকের মৌখিক নির্দেশে তিনি ২০২০ সালের ১৭ এপ্রিল থেকে শিশু হাসপাতালের রোগী, অভিভাবক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কোভিড-১৯-এর পরীক্ষার ব্যবস্থা করতেন। হাসপাতালের বাইরের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার ক্ষেত্রেও পরিচালককে জানাতেন।

 

পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের বিষয়ে তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্যের নির্দেশে তিনি এই কাজ সমন্বয় করতেন। প্রতিদিন দু-একটি নমুনা সংগ্রহের টিউব তিনি নিজের কাছে রাখতেন কিনা জানতে চাইলে কমিটিকে বলেন, এটা কোনো বিষয় নয়- এমন টিউব তার কাছে অনেক আছে। অন্যান্য হাসপাতালের নমুনা নিজ নিজ হাসপাতাল থেকে রেফার্ড হয়ে এলেও পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের নমুনা শিশু হাসপাতালের নামে কেন রেফার্ড করা হতো জানতে চাইলে তিনি কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

 

তদন্ত কমিটি এ বিষয়ে জানতে সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এজেডএম মশিউল আযমের বক্তব্য নেয়। কারণ ২৩ মে, শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সার্কুলারে জানায়, শুধু ভর্তি রোগী এবং ফিভার ক্লিনিকের রোগী ছাড়া অন্য রোগীদের নমুনা নিতে হলে উপ-পরিচালকের অনুমতি নিতে হয়।

 

তবে এ উপপরিচালক জানান, হাসপাতালের বাইরের নমুনা সংগ্রহের বিষয়ে তার কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। কোভিড-১৯ পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব তিনি কিংকর ঘোষকে দেননি। এমনকি পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল বা অন্য কোনো হাসপাতালের পরীক্ষা শিশু হাসপাতালের নামে রেফার্ড হওয়ার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

 

একই বিষয়ে তদন্ত কমিটি বর্তমান উপ-পরিচালক ডা. প্রবীর কুমার সরকারের বক্তব্য নেন। তিনি জানান, এসব বিষয়ে তার কাছ থেকে কখনোই কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। এমনকি হাসপাতালের বাইরের কোনো নমুনা সংগ্রহ বা পরীক্ষার বিষয়েও তিনি কিছুই জানেন না।

এসব বিষয়ে হাসপাতাল পরিচালকের বক্তব্য নেয় তদন্ত কমিটি। পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দ সফি আহমেদ তদন্ত কমিটিকে জানান, শিশু হাসপাতালের ভর্তি রোগী, ফিভার ক্লিনিক ও সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নমুনা সংগ্রহ এবং আরটিপিসিআর পরীক্ষা সমন্বয়ের জন্য উপ-পরিচালক, আবাসিক চিকিৎসক ও এপিডেমিওলজিস্টকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

 

এছাড়া বাইরের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করাতে হলে উপ-পরিচালকের অনুমতি নিতে হবে। কিংকর ঘোষকে কোভিডকালীন শুধু সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ ও সংরক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া অ্যাডমিনের জুনিয়র অফিসার মো. আতিকুল ইসলামকে এ সংক্রান্ত কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার বিষয়ে তিনি কোনো নির্দেশ-আদেশ দেননি। তার কাছ থেকে কোনো অনুমতিও নেওয়া হয়নি।

 

তদন্ত কমিটি চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনে পরিচালক অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহার বক্তব্য নেয়। তিনি কমিটিকে বলেন, একজন সংসদ সদস্য পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের দু-একটি পরীক্ষা করে দিতে অনুরোধ করলে তিনি সম্মতি দেন। তবে এ বিষয়ে কিংকর ঘোষকে কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এমনকি পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের নমুনা শিশু হাসপাতালের নামে রেফার্ড হওয়ার বিষয়েও তিনি অবহিত নন বলে জানান।

// স্টাফ রিপোর্টার //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

দেশ ব্যাপি লক্ষ লক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগ খুজে বের করতে কর্তৃপক্ষের অভিযান

 

দেশ ব্যাপি লক্ষ লক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগ খুজে বের করতে কর্তৃপক্ষের অভিযান

 

দেশ ব্যাপি লক্ষ লক্ষ অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিপরীতে মাঝে মাঝে ঝটিকা অভিযানে দেখা যায় ঘুমন্ত মন্থর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কে। জ্বালানি সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা বলছেন প্রতি বছর প্রায় হাজার কোটি টাকার গ্যাস রাজস্ব ফাঁকি যাচ্ছে।

সারাদেশে এমন অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগের বিপরীতে অনুন্নত তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জনবল সংকটের দোহায় দিয়েই চলছে এই যাবৎ কাল অব্দি। ২২মে শনিবার সকালে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের প্রায় ৬০/৭০ জনের একটি টিম মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভাটেরচর নামক এলাকায় প্রায় আট কিলোমিটার গ্যাস লাইন উচ্ছেদের এক ঝটিকা অভিযান চালায় যা সরেজমনি দেখা যায়।

সাঁড়াশি এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন তিতাস গ্যাস কর্পোরেশনের ম্যানিজিং ডিরেক্টর মোঃ নুরু-উল্লাহ্। তিনি বলেন গজারিয়া উপজেলায় প্রতিমাসে প্রায় সাত কোটি টাকা মূল্যমানের গ্যাস থেকে সরকারি কোষগারে প্রাপ্ত রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ এই উপজেলায় অবৈধ গ্যাস লাইন ব্যবহার করে চলছে এলাকাবাসী। তিতাস গ্যাস ঢাকা বিভাগীয় ডি.এম.ডি (নারায়নগঞ্জ) ইঞ্জিঃ ইনাম উদ্দিন শেখ মুঠোফোনে জানায় এই এলাকায় অবৈধ গ্যাস লাইন উচ্ছেদ অভিযান ধারাবাহিক ভাবে অব্যাহত থাকবে।

ভবিষৎতে অবৈধ লাইন সংযোগ সংখ্যা বৃদ্ধি না পায় সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট মহল। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ এই ধরনের সাড়াঁশি অভিযানে এই এলাকার মাঠ পর্যায়ে শ্রীঘ্রই আরো বেগবান করে তুলবে বলে জানান সংস্থাটির ম্যানেজার মেসবাহ উল ইসলাম।

 

সৈয়দ মোঃ শাকিল গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

২০ কেজি গাঁজা, গাঁজা বহনকারী পিক-আপসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

২০ কেজি গাঁজা, গাঁজা বহনকারী পিক-আপসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

 করোনার বৈশ্বিক মহামারীতে যেমন জনজীবন বিধ্বস্ত। করোনাকে লকডাউন দিয়ে অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও করোনার চেয়েও মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদকের ভয়াবহতা যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

আর তাই করোনা ভাইরাসের ন্যায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহতভবে পরিচালিত হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলাকে মাদকমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ টীম আজ দিবাগত ভোররাত ৪ঃ০০ ঘটিকায় দাউদকান্দি মডেল থানার টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ কেজি গাঁজা ও গাঁজাবহনকারী পিক-আপ ঢাকা মেট্রো- ন-১১-১৬০৩ সহ১.ইমন মল্লিক(২০), পিতা- খোকন মল্লিক, ২.এনামুল হক(২১), পিতা- মীর বিপ্লব, ৩. সাকিব আহমেদ (১৯) পিতা- মোঃ দিদার সকলেই রাঙ্গামাটি জেলার মালিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ।

উক্ত বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

// নিজস্ব প্রতিনিধি //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চলে গেলেন না ফেরার দেশে- সাংবাদিক আব্দুর রশীদ বাবু — “আমরা শোকাহত”

 

চলে গেলেন না ফেরার দেশে- সাংবাদিক আব্দুর রশীদ বাবু — “আমরা শোকাহত”

 

চলে গেলেন  রংপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি ক্রিকেটার সোহরাওয়ার্দী শুভ ও যমুনা টেলিভিশনের সাবেক সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন প্রিন্সের পিতা বিশিষ্ট সাংবাদিক আব্দুর রশীদ বাবু-না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

সকল কে কাঁদিয়ে আজ শনিবার ভোর ৫ টা: ২০ মিনিটে হৃদ যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা ধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। (ইন্না-লিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন) মুত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

মরহুমের রুহের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানাচ্ছে-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নান্দাইল উপজেলা শাখা: পক্ষে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, তৌহিদুল ইসলাম সরকার, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব: নান্দাইল উপজেলা শাখা:।।

//তৌহিদুল ইসলাম সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বাজেট অধিবেশন ২০২১-২২ করোনার কারণে এবারও সংক্ষিপ্ত

 

বাজেট অধিবেশন ২০২১-২২ করোনার কারণে এবারও সংক্ষিপ্ত

 

বাজেট অধিবেশন ২০২১-২২ করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছরের মতো এবারও সংক্ষিপ্ত হবে। তবে অধিবেশনে করোনা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। আগামী ২ জুন শুরু হবে অধিবেশন ৩ জুন বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাজেটের ওপর সর্বোচ্চ ১০ দিন আলোচনা হতে পারে। আর অধিবেশন চলতে পারে সর্বোচ্চ ১৫ দিন।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামী ২ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন আহ্বান করেছেন। প্রথম দিনে চলতি সংসদের সদস্য আব্দুল মতিন খসরু ও আসলামুল হকের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা ও তা গ্রহণ শেষে অধিবেশন মুলতবি হবে।

পরদিন বিকেল তিনটায় সংসদের বৈঠক বসবে। সেদিন আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। দুদিন বিরতির পর অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ত্রয়োদশতম এই বাজেট নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। আলোচনা শেষে ৩০ জুন বাজেট পাস হবে।

 

এমনটি বিবেচনায় রেখে সংসদ সচিবালয় ইতোমধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানান সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা। তারা জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে গত বছর ৯ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন ছিল ইতিহাসের সংক্ষিপ্ততম বাজেট অধিবেশন।

 

গত বছর ১০ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছিল। পরে ৩০ জুন ওই বাজেট পাস হয়। গত বছর স্বাস্থ্যবিধি মেনে অধিবেশন চালাতে সম্পূরক বাজেট ও প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা সংক্ষিপ্ত হয়। এবারও তেমনটি হবে বলে জানা গেছে।

 

এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তা জানান, করোনা মহামারীকালে যেভাবে বিগত অধিবেশনগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালানো হয়েছে, বাজেট অধিবেশনও সেভাবে চলবে। অধিবেশনে যোগদানের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকলের করোনা নেগেটিভ নিশ্চিত করা হয়। সেক্ষেত্রে টিকা নেয়া হলেও তাদের নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। গত বছরের মতো সংক্ষিপ্ত এই অধিবেশনের মাঝে বিরতি থাকবে বলেও তিনি জানান।

 

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এবার কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠক হবার সম্ভাবনা নেই। তবে প্রতিবছরের মতো বাজেট উপস্থাপনের আগে ওইদিন জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক বসবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর অর্থ বিল যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ওই বিলটি সংসদে তোলা হবে। বরাবরের মতো ওইদিন রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন।

 

করোনা পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত অন্যান্য অধিবেশনের মতো এবারও অধিবেশনে দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ থাকবে। সংক্রমণ এড়াতে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। গণমাধ্যমকর্মীরা শুধুমাত্র বাজেট পেশের দিন বাজেটের কাগজপত্র নিতে সংসদ এলাকায় ঢুকতে পারবেন।

গত বছর সংসদের মিডিয়া সেন্টার থেকে কাগজপত্র বিতরণ করা হলেও এখন সেখানে করোনা টিকাকেন্দ্র থাকায় এবার সংসদের টানেলের ভেতর থেকে কাগজপত্র বিতরণ করা হতে পারে।

 

উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল মাত্র তিন কার্যদিবসে জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশ শেষ হয়। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ৭টি অধিবেশন ছিল সংক্ষিপ্ত। অনেকটা নিয়মরক্ষার অধিবেশন চলেছে।

// অনলাইন ডেস্ক //

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘লকডাউন’ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

 

জগন্নাথপুরে জাতীয় পার্টি নেতা মতিউর রহমান স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

 

জগন্নাথপুর জাতীয় পার্টির সহ সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক প্রয়াত মতিউর রহমানের স্মরণে রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে পৌর শহরের ইকড়ছই কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শুক্রবার (২১ মে) জুম্মার নামাজে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া পরিচালনা করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ও ইকড়ছই সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা ছমির উদ্দিন।

 

এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী, এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ, মুসুল্লিয়ানগন ও মরহুম মতিউর রহমানের পরিবারের সদস্যগন সহ আত্মীয়-স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। জগন্নাথপুর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল মিয়া জানান, প্রয়াত মতিউর রহমান ছিলেন জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ। মানুষের কল্যানে তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন।

 

তিনি সর্বস্থরের মানুষের কাছে একজন গ্রহনযোগ্য ও সাদামনের মানুষ ছিলেন । রাজনৈতিক সহযোদ্ধা হিসেবে তাঁহার স্মৃতি আমাদের বার বার মনে পড়ে। তিনির মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি গভীর শোকাহত।

 মোঃ রনি মিয়া, জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

‘লকডাউন’ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ