রাজশাহীর বাঘায় চুরি হওয়া ১২টি মহিষ পুঠিয়ায় উদ্ধার আটক-১

 

রাজশাহীর বাঘায় উপজেলার পলাশী ফতেহপুরের দুর্গম চর এলাকার আশরাফ ঘোষের মহিষের খামার থেকে চুরি হওয়া ১২টি মহিষসহ ১ জনকে আটক করেছে বাঘা থানা পুলিশ। 

আজ (২৫ মে)  দুপুর ১ টার দিকে রাজশাহীর পুঠিয়া থানার বাড়ই পাড়া গ্রাম থেকে চুরি হওয়া ১২টি মহিষসহ প্রধান আসামিকে আটক করা হয়। রাজশাহীর সম্মানিত পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনায় বাঘা থানার চৌকস অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। সাথে ছিলেন এসআই মোঃ মামুনুর রশীদ এ এস আই আবুবক্করসহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স, সবাই মধ্য রাত হতে সকাল পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে । পুঠিয়া থানা পুলিশকে অবহিত করে তাদের সহায়তা নিয়ে  পুঠিয়া থানা থেকে  চোরাইকৃত ১২ টি মহিষ  উদ্ধারপূর্বক চুরির প্রধান আসামীকে আটক করা করেন।

আটককৃত আসামী হলেন মো:জাহাঙ্গীর(৩০), পিতা: হাসেম খামারু।আটককৃত জাহাঙ্গীর মহিষ খামার মালিক আশরাফ ঘোষের রাখাল ছিলেন বলে জানা যায়। এবিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছি।

পালিয়ে যাওয়া অপরাধীকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেপ্তার অভিযান চলমান রয়েছে,আমার অধীনস্থ বাঘা থানা গত মাসে রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

// বাঘা, রাজশাহী প্রতিনিধি//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বললেন এমপি সালাম মূর্শেদী

ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বললেন এমপি সালাম মূর্শেদী

ঘূর্নিঝড় ‘ইয়াস’ মোকাবেলায়খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী বলেছেন, বর্তমানে আমাদের দেশ আবহাওয়ার সঠিক পূর্বাভাস দেওয়ায় সক্রিয় এবং অত্যাধূনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন, আর এগুলো সম্ভব হয়েছে একমাত্র দি মাদার অফ হিউম্যানিটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’ ভারতের উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা- খুলনায় আঘাত হানতে পারে। এজন্য ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় দেশের সরকার ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে এবং প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী,স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাঠে কাজ করে চলেছে। তাই আমাদের সবাইকে এক হয়ে ঘূর্নিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় কাজ করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে খুলনার রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলায় প্রশাসন আয়োজিত দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন, রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রূবাইয়া তাছনিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দীন বাদশ, সহকারী কমিশনার(ভূমি) খান মাসুম বিল্লাহ,ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ যোবায়ের,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা,রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ফ,ম সালাম, প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তপু সাহা,মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, বিআরডিবি কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, আইচগাতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান বাবুল, নৈহাটী ইউনিয়ন পরিষদ কামাল হোসেন বুলবুল, ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাধন কুমার অধিকারী, টিএসবি প্যানেল চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ হালদার,আওয়ামীলীগ নেতা মোর্শেদুল আলম বাবু, ইমদাদুল ইসলাম এসএম হাবীব,শ,ম জাহাঙ্গীর হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আকতার ফারুক,আজিজুল হক কাজল, ওহিদুজ্জামান মিজান,মোঃ আসাদ শেখ,রাজীব দাস টাল্টু,ফরিদ শেখ,সুব্রত বাকচী,নুর ইসলাম,আজমল ফকির প্রমূখ।
তেরখাদা থেকে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা, সহকারী কমিশনার ভূমি সুস্মিতা সাহা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন মোঃ শারাফত হোসেন মুক্তি, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমা খান, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান এফএম অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আলমগীর হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা, উপজেলা প্রকৌশলী ইবনে হাসান ওয়ালিদ, আ’লীগ নেতা মাসুদ উল হাবিব প্রিন্স, উপজেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাসেল আহমেদ প্রমুখ।
দিঘলিয়া: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে, এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম,উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোল্লা আকরাম হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আলিমুজ্জামান মিলন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদরের এমপি প্রতিনিধি, মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, সাধারন সম্পাদক মল্লিক মোকসুদুর রহমান খোকন, দিঘলিয়া এম এ মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিক মোঃ আমিনুল ইসলাম,শিক্ষক প্রতিনিধি মোঃ কামরুল ইসলাম,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা,খাদ্য কর্মকর্তা,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ,দিঘলিয়া সদরের এমপি প্রতিনিধি ও সদর ছাত্রলীগ আহবায়ক সৈয়দ জামিল মোর্শেদ মাসুম, ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোঃ আলামিন সহ আরও নেতৃবিন্দ।
//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

বাবুল আক্তারের প্রেমিকা গায়ত্রী সিং এর তথ্য চেয়ে UNHCR কে PBI এর চিঠি

 

 বাবুল আক্তারের  প্রেমিকা গায়ত্রী অমর শিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) চিঠি দিয়েছে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

মঙ্গলবার চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার  তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টমেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা চিঠি দেওয়ার বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

সন্তোষ কুমার চাকমা  বলেন, গায়ত্রী অমর শিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়ে ইউএনএইচসিআরকে রোববার চিঠি দেওয়া হয়েছে।  ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বরাবর চিঠিটি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।  চিঠির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

 সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারকে গায়ত্রীর দেওয়া দুটি বইয়ের ফরেনসিক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা মঙ্গলবার জানান, বই দুটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর জন্য শিগগিরই আদালতে আবেদন করা হবে।

মোশাররফ হোসেন বাবুল আক্তারের শশুরের দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে- গায়েত্রী অমর সিংহের সঙ্গে বাবুল আক্তারের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  গায়ত্রী তখন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ফিল্ড অফিসার হিসেবে কক্সবাজারে কর্মরত ছিলেন। আর বাবুল আক্তার তখন কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  তখনই তার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পর্ক হয় বলে অভিযোগ করেছিলেন বাবুল আক্তারের শ্বশুর।  গায়ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানোর কারণেই বাবুল-মিতুর সুখের সংসারে কলহ বাধে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, কক্সবাজার জেলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে কর্মরত থাকার সময় ২০১৩ সালে ইউএনসিসিআর এর কর্মী গায়ত্রী অমর শিংয়ের সঙ্গে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এই নিয়ে মিতুর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় মিতুর। কলহের সময় মিতুকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন বাবুল। এরই মধ্যে ২০১৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত সুদানে জাতিসংঘ শান্তিমিশনে সুদানে ছিলেন বাবুল আক্তার। এই সময় বাবুল আক্তারের মোবাইল ফোনটি চট্টগ্রামের বাসায় ছিল। ওই মোবাইল ফোনে মোট ২৯ বার ম্যাসেজ দেন গায়ত্রী অমর শিং।

মিতুর মা সাহেদা মোশাররফও অভিযোগ করেন, গায়ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় মিতুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেন বাবুল।  মিতুর মা বলেন, ‘আমার মেয়ে একদিন রাত ৩টার সময় ফোন দিয়ে বলেছিল, মা, আমি কালই ঢাকায় চলে আসব। তখন আমি মিতুর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, কী হয়েছে? মিতু তখন বলেছিল, কক্সবাজারের একটি হোটেলে একজন নারীর সঙ্গে বাবুলকে দেখেছে মিতু। বহুবার আমার মেয়ে আমাকে বলেছিল। শুধু দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সে বাবুলের সঙ্গে সংসার করেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেয়ে আর বাঁচতে পারল না। ওরা আমার নাতির সামনে আমার মেয়েকে খুন করে ফেলল।’

বাবুল-গায়ত্রীর সম্পর্কের বিষয়টি জানা যায় ২০১৪ সালে।  সেসময় বাবুল সুদানে জাতিসংঘের মিশনে যান। তখন তার বাসায় দুটি বই উপহার পাঠান গায়ত্রী। এছাড়া বাংলাদেশে রেখে যাওয়া বাবুলের মোবাইলে ২৯টি মেসেজও পাঠান তিনি।

সর্বশেষ মিতু হত্যার কয়েকমাস আগে বাবুল একটি ট্রেনিংয়ে থাকা অবস্থায় গায়ত্রী বাবুলের বাসায় দুটি বই উপহার পাঠান। বই দুটির নাম- তালিবান ও বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট।

তালিবান বইটির ৩ নম্বর পৃষ্ঠায় গায়ত্রী নিজ হাতে একটি বার্তা লিখে দেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমাদের ভালো স্মৃতিগুলো অটুট রাখতে তোমার জন্য এই উপহার।  আশা করি, এই উপহার আমাদের বন্ধনকে চিরস্থায়ী করবে। ভালোবাসি তোমাকে, গায়ত্রী।’

একই বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় গায়ত্রী তাদের প্রথম দেখা, প্রথম একসঙ্গে কাজ করা, প্রথম কাছে আসা, মারমেইড হোটেলে ঘোরাফেরা, রামু মন্দিরে প্রার্থনা, রামুর রাবার বাগানে ঘোরাফেরা এবং চকরিয়ায় রাতে সমুদ্রের পাশ দিয়ে হাঁটা ইত্যাদি স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন।

এছাড়া বেস্ট কেপ্ট সিক্রেট নামের বইয়ের ২য় পাতায় গায়ত্রীর নিজ হাতে ‘তোমার ভালোবাসার গায়েত্রী (ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা)’ লিখেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু।

পদোন্নতি পেয়ে পুলিশ সদরদফতরে যোগ দিতে ওই সময় ঢাকায় ছিলেন বাবুল। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর নগরীর পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন বাবুল। তবে পুলিশ তদন্তে তার সম্পৃক্ততার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই।

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে এমপি সালাম মূর্শেদীর বিনম্র শ্রদ্ধা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে এমপি সালাম মূর্শেদীর বিনম্র শ্রদ্ধা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
সাম্যের কবি, বিরহ-বেদনার কবি, বিদ্রোহের কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মবার্ষিকীতে, খুলনা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুস সালাম মূর্শেদীর পক্ষ থেকে জাতীয় কবির প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।
কাজী নজরুল ইসলাম ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দে জন্ম গ্রহন করেন। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাবে সেটা ছিল ১৮৯৯ সালের ২৪ মে। তার বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ, মা জাহেদা খাতুন। দরিদ্র পরিবারে জন্মের পর দুঃখ-দারিদ্র্য ছিল তার নিত্যসঙ্গী। তার ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
পিতার অকাল মৃত্যুতে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য তিনি শিশু বয়সেই মক্তবে শিক্ষকতা, হাজি পালোয়ানের মাজারে খাদেম এবং মসজিদের মুয়াজ্জিনের কাজ করেছেন। যা পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যে ইসলামী ঐতিহ্যের সার্থক ব্যবহারে এ সম্পৃক্ততা খুব ফলপ্রসূ হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তার কবিতা, গান ও সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।
১৯৭২ সালের ২৪ মে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশ সরকার কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন এবং জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বজ্রপাতে দুই রাজমিস্ত্রির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় বজ্রপাতে দুই রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ মে) ভোরে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া গোদারপুল সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তাঁদের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে বলতে পারছেন না কেউ। পরিবারের লোকজন ধারনা করছে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

 নিহতরা হলেন বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া গ্রামের অছি মিয়ার ছেলে মো. ইলিয়াছ (৪৫) ও একই গ্রামের আদিল আহমদের ছেলে মো. আবুল কাশেম (৪০)। তাঁরা দুজনই রাজমিস্ত্রি শ্রমিক।

 স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রায়পুর ইউনিয়নের গহিরা গ্রাম থেকে কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত দুজন। সোমবার ভোরে পশ্চিম বরৈয়া গোদারপুল সংলগ্ন এলাকায় দুজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন স্হানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দিলে সকালে তাঁদের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।নিহত ইলিয়াছের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করত। রবিবার সকালে রায়পুর ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় কাজ করতে যায়।

 

সন্ধ্যায় স্বামীকে যখন ফোন করি তখন তারা দুজন চুন্না পাড়ার গোদারপুল এলাকায় পৌঁছেছেন বলে জানান। এরপর বাড়ি যখন ফিরছে না তখন মোবাইলে কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়ায় আমার ছেলেরা রাতে খুঁজতে বের হয়। পরে রাত আড়াইটায় পশ্চিম বরৈয়া সাপ মারা খালের স্লুইচ গেইটের পাশে তারা বাবাসহ দুই জনের লাশ দেখতে পায়।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মো. হুমায়ন কবির জানান, আনোয়ারায় রবিবার রাতে বজ্রপাতে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ৩ টায় তাদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়না তদন্তের পর পরিবারের কাছে তাদের লাশ হস্তান্তর করা হবে।

//আবুল হাসেম,  চট্টগ্রাম  ব্যুরো// 

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান

চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতায় চেয়ারম্যান

চট্রগ্রামের বাঁশখালীতে পুঁইছড়ী ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশ্বে থেকে সহযোগিতায় এগিয়ে এলেন গন্ডামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী।

সোমবার (২৪ মে) বিকেলে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সমবেদনা জানিয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন তিনি। সৃএে জানায়, চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী নিজ তহবিল থেকে অগ্নিকান্ড ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার প্রতি ৫ হাজার ও নিহত শিশুর পরিবারকে ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

এসময় বৈলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, পুঁইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল আজিম, বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বখতেয়ার উদ্দীন, গন্ডামারা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আমিন, বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আবদুল আলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রোববার দিবাগত রাতে বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে সৃষ্ট আগুনে বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়নের তেলিয়াকাটা এলাকার ১৯ পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসময় ঘুমন্ত অবস্থায় সাইমা নামের ৭ বছরের এক শিশু অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত হয়।

 লেয়াকত আলী, চট্রগ্রাম প্রতিনিধি।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কি অপরাধ করেছে আর কি না করেছে সাবেক এমপি আউয়াল: জেনে নিন

 

খুলনায় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল ও ভাই সহ মামলায় অভিযুক্ত ৩৪

 

বটিয়াঘাটার বহুল আলোচিত নজরুল হত্যা মামলায় মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পী ও তার সহোদর নগর ছাত্রলীগের চলতি কমিটির সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈইসহ ৩৪ জনের নামে চার্জশীট দিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গেল ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে এ চার্জশীট দাখিল করলেও করোনার কারণে এখনও মামলাটির তেমন কোন অগ্রগতি হয়নি।

আদালত ও সিআইডি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও বটিয়াঘাটা থানা সূত্রে জানা যায়, বটিয়াঘাটার আতালের চর মৎস্য ঘের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ওই মৎস্য ঘের অনেক প্রভাবশালীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে দখল করে মাছ চাষ করে আসছে। ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পির নেতৃত্বে ২৫/২৬ টি মটর সাইকেলযোগে স্থানীয় ও শহরের ৪০/৫০ জন ব্যক্তি স্বশস্ত্র অবস্থায় ওই মৎস্য ঘের দখল নিতে যায়।

এসময় এলাকাবাসী চারিদিক থেকে তাদেরকে ঘিরে ফেললে তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। তাদের ছোড়া গুলিতে করের ডোন গ্রামের নজরুল ইসলাম শেখ নিহত হয়। এ ঘটনায় তার ভাই সিরাজুল ইসলাম শেখ বাদি হয়ে বটিয়াঘাটা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার ভাই বর্তমান মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈইসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ২৫/৩০ কে আসামি করা হয়।

বটিয়াঘাটার থানার তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক মামুন প্রথমে মামলাটি তদন্ত করেন। এক মাসের মাথায় মামলাটি পুলিশের অপরাধ দমন বিভাগ (সিআইডি)তে হস্তান্তর হয়। খুলনা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শেখ শাহাজান মামলাটি তদন্ত করেন। তার বদলিজনিত কারণে পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করেন। দীর্ঘ ৪ বছর তদন্ত শেষে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ৩৪ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি আদালতে মামলাটির চার্জসীট দাখিল করেন।

এর মধ্যে ২০ জন আসামি বিভিন্ন সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার ও আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে জামিন নিয়েছে। তবে পুলিশের খাতায় এখনও ১৪ জন পলাতক রয়েছে। পলাতক ১৪ জন হচ্ছেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রূপসার জোয়ার মৈশাঘুনী গ্রামের মৃত রসময় বাড়ৈই এর ছেলে দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার সহোদর মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজল বাড়ৈই, বটিয়াঘাটার তালবুনিয়া বিরাট গ্রামের সোহেল, মহানগরীর বসুপাড়ার বাসিন্দা শেখ সাদিকুর রহমান রিমন, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার জয়দেব দাসের ছেলে প্রবীর দাস, টুটপাড়া মহিরবাড়ি খালপাড়ের বাসিন্দা জিল্লুর রহমান ডলার, নগরীর সোলায়মান নগরের বাসিন্দা মোঃ কোরবান আলী, লবনচরা এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল আহম্মেদ, পশ্চিম বানিয়াখামারের আজাদ লন্ডীর ড্রেন খালপাড়ের বাসিন্দা মোঃ সরফরাজ, বাগমারার বাসিন্দা মোঃ আবুল কাশেম সুজন, টুটপাড়া ২ নম্বর ক্রস রোডের বাসিন্দা মোঃ মাহামুদুল হাসান শাওন, শীতলাবাড়ি মন্দিরের পাশের ইসলামপুর ক্রস রোডের বাসিন্দা মোঃ সুমন হাওলাদার, পশ্চিম বানিয়াখামারের বাসিন্দা মাসুদ হাসান লাভলু ও সোনাডাঙ্গার বাসিন্দা এস এম রোকনুজ্জামান।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরির্দশক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ৪ বছর ধরে ৩ জন অফিসার এ মামলাটি তদন্ত করেছেন। সকল অফিসারই প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার সত্যতা পেয়েছেন।

এ হত্যাকান্ডের সাথে যে ৩৪ জন জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে তাদের নামে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে বলে তিনি জানান। আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) এ এস আই মনির হোসেন বলেন, সিআইডি বটিয়াঘাটার নজরুল হত্যা মামলার চার্জশীট প্রায় ১ মাস আগে আদালতে দাখিল করেছেন।

তবে মহামারী করোনার কারণে আদালতে এখনও ওই মামলার দাখিলকৃত চার্জসীটের ব্যাপারে কোন শুনানি হয়নি। কোর্ট পরিদর্শক আশরাকুল হক বারি বলেন, সিআইডি চার্জসীট দাখিল করেন। আমরা মামলার নথি রেখেছি। আদালত সিদ্ধান্ত দিলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। এদিকে চাঞ্চল্যকর এ নজরুল হত্যা মামলার ১৪ আসামিকে পুলিশ পলাতক বললেও অধিকাংশ আসামি শহরে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

দেব দুলাল বাড়ৈই বাপ্পি, তার সহদর ও তার বেশ কয়েকজন সহযোগিকে সার্বক্ষনিক ধর্মসভা ক্রসরোডের মোড়ে আড্ডা দিতে দেখা যায় বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। ওই দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, রূপসা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে নেতৃত্বদানকারী এক নেতার সাথে বাপ্পি সব সময় থাকেন। দলীয় ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড ওই নেতার সাথে থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন।

তার ছবি দিয়ে গেল ঈদেও প্যানা ফেস্টুন দিতে দেখা গেছে। সূত্রটির দাবি আইনজীবি ওই নেতার ছত্রছায়ায় বাপ্পি ও তার সহযোগিরা থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার থেকে বিরত রয়েছে।

//  খুলনা প্রতিনিধি //

খুলনা ফুলতলায় ৬০০ অসহায় পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বিএমপি পুলিশ কমিশনার এর প্রাকৃতিক দূর্যোগেও সর্বাগ্রে জনগণের পাশে থাকবে

 

বিএমপি পুলিশ কমিশনার  উদ্যোগে আজ ২৪ মে ২০২১ বিএমপি সদরদপ্তর সম্মেলন কক্ষে বরিশালে আসন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলায় দূর্যোগ বিষয়ক জরুরী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার বিএমপি মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার। সভায় সভাপতি মহোদয় বিএমপি’র সকল কর্মকর্তাবৃন্দের প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলায় জনগণের পাশে থাকার জন্য পূর্ববর্তী ও দূর্যোগ পরবর্তী দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর জনাব প্রলয় চিসিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন জনাব এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার সদরদপ্তর বিএমপি জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার সাপ্লাই বিএমপি জনাব মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ বিএমপি জনাব মোঃ মোকতার হোসেন পিপিএম সেবা, উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি জনাব মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার নগর বিশেষ শাখা বিএমপি জনাব এসএম তানভীর আরাফাত বিপিএম বার , উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি জনাব মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা ও উত্তর বিভাগ বিএমপি জনাব মোঃ মনজুর রহমান পিপিএম বার, উপ-পুলিশ কমিশনার ক্রাইম অপারেশন এন্ড প্রসিকিউশন বিএমপি জনাব খাঁন মোহাম্মদ আবু নাসের সহ বিএমপি’র অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।

 পলাশ চন্দ্র দাস :: বরিশাল//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ

 

খুলনা জেলা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে রূপসা থেকে ৫ চোর গ্রেফতার

 

 খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার ইনচার্জ জনাব উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/ইন্দ্রজিৎ মল্লিক ও এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ একটি টীম রূপসা থানা এলাকায় মাদক উদ্ধারসহ বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনাকালে ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১৬.০০ ঘটিকার সময় রূপসা থানাধীন রূপসা বাসস্ট্যান্ড হইতে তীলক (কুদিরবটতলা) যাওয়ার সময় রূপসা থানাধীন ইলাইপুর দলিলউদ্দীন সড়কের মুজিবর শেখ এর মুদি দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর অনেক লোকজন দেখতে পান। বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় সেখানে দাঁড়ান এবং ০২ টি মাদী ছাগল ও ০৫ জন পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের নাম:

১। মোঃ শহিদুল মীর্জা (২৮), পিতা-মৃত সুলতান মীর্জা, সাং- বাদুরগাছা (কৈয়া বাজার), থানা-ডুমুরিয়া,

২। মোঃ সাজু ব্যাপারী (২৫), পিতা-মোঃ আলহাজ¦ ব্যাপারী, সাং- বাগমারা (মিঠু মোল্যার বাড়ীর ভাড়াটিয়া) শ^শুর সলেমান শেখ (রূপসা বাসষ্ট্যান্ড ফাড়ীর পিছনে বাড়ী), থানা-রূপসা,

৩। মোঃ বাবুল শেখ (৩৫), পিতা- মোঃ আবুল শেখ, সাং- বাদুরগাছা (মুসলমানপাড়া), থানা-ডুমুরিয়া, সর্ব জেলা-খুলনা,

৪। মোঃ রাসেল শেখ (২৬), পিতা-মোঃ আঃ রহিম শেখ, সাং- দোলখোলা (মতলেবের মোড়, আবুর বাড়ীর ভাড়াটিয়া), থানা-খুলনা সদর, কেএমপি, খুলনা,

৫। মোঃ জলিল মোল্যা (৬০), পিতা-মৃত কাশেম মোল্যা, সাং-বিষ্ণুপুর (কলাবাড়ীয়া), থানা- বাগেরহাট সদর, জেলা-বাগেরহাট বলে জানায় এবং তারা ০২ টি মাদী ছাগল সম্পর্কে এলোমেলো ও অসংলগ্ন তথ্য দিতে থাকে।

 

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা উক্ত ছাগল ০২টি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকান্দি থানার গোশেরহাট নামক এলাকা হতে ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির মাদী ছাগল ০২টি চুরি করিয়া নিয়া এসেছে মর্মে জানায়। ২৩/০৫/২০২১ খ্রিঃ তারিখ ১৬.৩০ ঘটিকার সময় তথায় লোকজনের সামনে উক্ত ছাগলের জব্দতালিকা করেন।

উক্ত ঘটনায় উপরোক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) বিষ্ণুপদ হালদার, জেলা ডিবি, খুলনা বাদী হয়ে রূপসা থানার মামলা নং-২৩, তারিখ- ২৪/০৫/২০২১ খ্রিঃ, ধারা-৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড দায়ের করেন। বর্নিত আসামীরা পেশাদার চোর। আসামী মোঃ শহিদুল গাজীর নামে ০৩ টি চুরির মামলা, আসামী জলিল মোল্যার নামে ০৩ টি চুরির মামলাসহ সর্বমোট ০৮ টি মামলা, আসামি সাজু ব্যাপারীর নামে ০২ টি চুরির মামলা এবং আসামী রাসেল শেখ এর নামে ০১ টি চুরির মামলা রয়েছে।

 

//আ: রাজ্জাক শেখ, খুলনা ব্যুরো//

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

কি অপরাধ করেছে আর কি না করেছে সাবেক এমপি আউয়াল: জেনে নিন

কি অপরাধ করেছে আর কি না করেছে সাবেক এমপি আউয়াল: জেনে নিন

 

কি অপরাধ করেছে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার চিত্র একে একে বের হয়ে যাচ্ছে ।  ঢাকার পল্লবীতে চাঞ্চল্যকর সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক এমপি এম এ আউয়াল এখন ব্যাপকভাবে সমালোচিত।গত ১৬ মে সাত বছরের শিশুসন্তানের সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে সাহিনুদ্দিনকে হথ্যা করে সুমন । সুমন বাহিনীর প্রধান সুমনের নেতৃত্বে কিলিং মিশন বাস্তবায়িত হলেও আলোচিত এ ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসাবে উঠে আসে আউয়ালের নাম।

 

২০ মে ভোরে আউয়ালকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। তিনি এখন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রিমান্ডে রয়েছেন।

 

গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে যাবার পর একে একে বের হয়ে আসছে আউয়ালের সব অপকর্মের ঝুড়ি ।

 

নিহত সাহিনুদ্দিনের মা আকলিমা বেগম জানান, পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের বুড়িরটেকে (আলীনগর) তার ও তাদের স্বজনদের ১০ একর জমি রয়েছে। আশপাশের কিছু জমি দখল করে সেখানে হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপার লিমিটেড নামে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলেন আউয়াল।

 

তাদের জমি জবরদখলে ব্যর্থ হয়ে গত বছরের নভেম্বরেও সাহিনকে কুপিয়ে আহত করেছিল তার ক্যাডাররা। সেই ঘটনায় করা মামলায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। উলটো আউয়ালের দেওয়া এক মামলায় সাহিনুদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার সপ্তাহ খানেক আগে সাহিনুদ্দিন জামিনে মুক্তি পান।

 

স্থানীয়রা জানায়, জমির দালাল থেকে রিয়েল এস্টেট কোম্পানির মালিক বনে যাওয়া এমএ আউয়ালের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছিলেন মিরপুর-পল্লবীর বাসিন্দারা। জমি দখলের জন্য ৩০ সদস্যের নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন তিনি। কাউকে বাসা থেকে ধরে আনতে বা রাস্তায় কুপিয়ে-পিটিয়ে রক্তাক্ত করতে এ বাহিনীকে ব্যবহার করা হতো। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, আউয়াল ২০০২ সালে পল্লবীর আলীনগরে আসেন সাহিনুদ্দিনের বড় ভাই মাইনুদ্দিনের হাত ধরে। মাইনুদ্দিন-সাহিনুদ্দিনদের জমি ১৩/১৯৫৯/৬০ এবং ৫/৭২/৭৩ এলএ কেসের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তর জাতীয় রক্ষীবাহিনীর স্থাপনা নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করেছিল। রক্ষীবাহিনী বিলুপ্ত হওয়ার পর জাতীয় গৃহায়ন অধিদপ্তর এ জমি দীর্ঘদিন পতিত অবস্থায় ফেলে রাখে। জমির হালনাগাদ তথ্য করার সময় ভুলবশত বিএস রেকর্ড আগের মালিকদের নামে হয়ে যায়। জায়গাটির অধিগ্রহণ অবমুক্ত করে দেওয়ার বিনিময়ে জমির একটি অংশ আউয়ালকে দেওয়ার শর্তে মাইনুদ্দিন-সাহিনুদ্দিনদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তিনি জমি অধিগ্রহণ অবমুক্ত করতে পারেননি। পরে আউয়াল সেখানে আবাসন প্রকল্প করে প্লট বাণিজ্য শুরু করেন এবং সাহিনুদ্দিনদের জমি দখলের পাঁয়তারা করেন।

 

৭ মে পল্লবী থানায় দায়ের হওয়া এক মামলার বিবরণে বলা হয়, বুড়িরটেকে আলীনগর আবাসিক এলাকার বাউনিয়া মৌজার সিএস ও এসএ ৩১২৪ দাগের ৮৪ শতাংশ জায়গায় নজর পড়ে সাবেক এমপি আউয়ালের। আউয়াল তার বাহিনী দিয়ে বিভিন্নভাবে ওই জমি দখলের চেষ্টা চালায়। জায়গাটি দখল করতে আউয়ালের বাহিনী একাধিকবার সেখানে হামলা চালায়। জমির মালিকের স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এরপরও ওই জমি দখল করতে না পেরে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে জমির মালিকের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এক পর্যায়ে আউয়ালকে চাঁদা দিতে বাধ্য হন জমির মালিক। চাঁদার টাকা দেওয়ার দৃশ্য সিসি ক্যামেরায় সংরক্ষিত রয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে তরিকত ফেডারেশন থেকে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে এমপি নির্বাচিত হন এমএ আউয়াল। এরপর তিনি হয়ে পড়েন লাগামছাড়া। বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে ২০১৮ সালের ১৬ এপ্রিল তাকে তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে তিনি ইসলামি গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান হন। ২০১৮-এর নির্বাচনেও এমপি পদে মনোনয়ন দাখিল করেন। কিন্তু ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে তখন তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। ওই সময় তার ১২ কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ ছিল।

 

সূত্র জানায়, এমপি থাকাকালে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি, লুটপাটসহ নানা অভিযোগে বিতর্কিত হয়ে উঠেন এমএ আউয়াল। হতদরিদ্রদের মাঝে ঘর নির্মাণ এবং ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবং থাকার যোগ্য হবেন না। কিন্তু সংসদ সদস্য থাকাকালে আউয়াল স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনার প্রস্তাব দেন। পরে তার কোম্পানি হ্যাভেলি এনার্জি ও টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেড এ কাজ হাতিয়ে নেয়।

 

একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় তিনি রাজধানীর পল্লবীতে ৬৬ শতক জমি, যার মূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা ও নিজ গ্রামে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের এক তলাবিশিষ্ট ভবন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টের পরিচালক ও মেসার্স ইয়ুথ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর উল্লেখ করলেও হ্যাভেলি এনার্জি ও টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালনার কথা গোপন রাখেন।

 

নিহত সাহিনুদ্দিনের স্ত্রীর বড় ভাই জহিরুল ইসলাম বলেন, কেবল সাহিনুদ্দিন হত্যাকাণ্ডই নয়, আলীনগরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে এর আগেও বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে অসংখ্যবার। ২০১৫ সালের ১৪ মে সকালে উত্তর কালশীর আলীনগর এলাকায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হন মিরপুরের বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের ছাত্র আব্দুর রহমান চঞ্চল। ওই সন্ত্রাসী হামলায় সাহিনুদ্দিন (সম্প্রতি নিহত) ছাড়াও আহত হন রাজীব ও মোহাম্মদ আলী (৩২) নামে দুই গ্রুপের তিনজন। রাজীবের বাম হাতের কবজির নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়েন সাবেক এমপি আউয়াল।

আউয়ালের নির্দেশে কিলিং মিশনে নেতৃত্ব দেন নিহত সাহিনুদ্দিনের চাচাতো ভাই বাবুর শ্যালক মোমিন বক্স। মোমিন তখন আউয়ালের মালিকানাধীন হ্যাভেলি প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের প্রজেক্ট ইনচার্জ ছিলেন। চঞ্চল হত্যাকাণ্ডের দুই মাসের মাথায় ২০১৫ সালের ১২ জুলাই সকালে কালশীর বাউনিয়া বাঁধ সড়কের একটি সেতুর কাছ থেকে মোমিন বক্সের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ‘ডিবি’ পরিচয়ে অপহরণের চারদিন পর তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এই দুই খুনের কয়েক বছর আগে পল্লবীর উত্তর কালশী এলাকায় তিন রাস্তার মোড়ে একটি ড্রেনের পাশে মেলে সাহিনুদ্দিনের চাচাতো বোনের ছেলে আব্বাসের লাশ।সূত্র: যুগান্তর

।। অনলাইন ডেস্ক ।।

পড়ুন দৈনিক বিশ্ব …

বরিশাল চরকাউয়া পরিবহনে অর্ধেক যাত্রী না নিয়েই ভাড়া নিচ্ছে দ্বিগুণ